‘মাদকবাহী’ মাইক্রোর চাপায় এএসআই নিহত

‘মাদকবাহী’ মাইক্রোর চাপায় এএসআই নিহত

নিহত এএসআই সালাহ উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা

চাঁন্দগাঁও থানাধীন কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানা এলাকায় একটি মাইক্রোবাসের চাপায় সালাহ উদ্দিন নামের পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন মো. মাসুম নামের এক কনস্টেবল।

চাঁন্দগাঁও থানাধীন কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশ বলছে, মাইক্রোবাসটি ছিল মাদকবাহী।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শুক্রবার ভোর চারটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্বত্য এলাকা থেকে চোলাই মাদকবাহী একটি কালো মাইক্রোবাস চট্টগ্রাম শহরের দিকে আসছে বলে জানতে পারেন সালাহ।

এতে কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকার মেহেরাজখান ঘাটা পেট্রোল পাম্পের সামনে কালো মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দিলে গাড়িটি গতি কমিয়ে আনে।

এ সময় গাড়িটি থেমেছে ভেবে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও চালক মাসুম মাইক্রোবাসটির কাছে গেলে গাড়িটি গতি বাড়িয়ে দুইজনকে চাপা দেয়। আহত দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সালাহ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে ওই মোবাইল টিমের অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম ফোর্সসহ গাড়িটিকে তাড়া করে।

নগরীর এক কিলোমিটার এলাকায় গাড়িটি থামিয়ে গাড়ির চালকসহ অন্যরা পালিয়ে যায়৷ পরে পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে। ওই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৭০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় আইনানুগ প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে। নিহত এএসআইয়ের পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়া হয়েছে বলে জানান ওসি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এইচএসসি পরীক্ষা নিতে আসেনি সাড়ে ৪ হাজার

এইচএসসি পরীক্ষা নিতে আসেনি সাড়ে ৪ হাজার

রাজধানীর একটি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে ঢুকছেন এইচএসসির পরীক্ষার্থীরা। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস

সারাদেশে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সকাল এবং বিকেলে শিফটের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৬ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৭৩ জন। এই হিসাবে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৫৯৩ জন।

এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে ৯টি শিক্ষা বোর্ডে সাড়ে চার হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। নকল করার অভিযোগে দিনাজপুর বোর্ডের দুই এবং যশোর বোর্ডের এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রথম দিন নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সকালে পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) বিষয় ও বিকালে সাধারণ বিজ্ঞান, খাদ্য ও পুষ্টি বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) রসায়ন প্রথম পত্র, জীব বিজ্ঞনি, লঘু সংগীত প্রথম পত্র (তত্ত্বীয়) ও মাদ্রাসা বোর্ডের কুরআন মজীদ বিষয়ের পরীক্ষা হয়।

সারাদেশে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধিনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সকাল এবং বিকেলে শিফটের পরীক্ষায় পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৬ জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ২ লাখ ৫০ হাজার ৭৩ জন। এই হিসাবে অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ হাজার ৫৯৩ জন।

অন্যদিকে পরীক্ষার প্রথম দিনে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিতির সংখ্যা ৬ হাজার ৭৫২ জন আর অসাধুপস্থা অবলম্বন করায় ১৮ জনকে বহিস্কার করা হয়েছে। তবে রাত ৮টা পর্যন্ত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি।

সাধারণত প্রতিবছর এপ্রিল মাসে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনা মহামারির কারণে এই পাবলিক পরীক্ষা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নেয়ার ঘোষণা দেয় সরকার।

এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ২৯ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫২ জন।

এর মধ্যে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ১৭ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৫ লাখ ৬৩ হাজার ১১৩ জন এবং ছাত্রী ৫ লাখ ৭৪ হাজার ৯০৪ জন।

মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমের জন্য নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ১৩ হাজার ১৪৪ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ৬১ হাজার ৭৩৮ জন এবং ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৬ জন।

এইচএসসি (বিএম/ভোকেশনাল) পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করেছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৫২৯ জন। তাদের মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪ হাজার ৮২৭ জন এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৬৪২ জন।

৯ হাজার ১৮৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২ হাজার ৬২১টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেয়া হচ্ছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়া হয়। দেড় বছর পর ১২ সেপ্টেম্বর খুলে দেয়া হয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো।

শেয়ার করুন

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা চালান ময়লার গাড়ি?

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা চালান ময়লার গাড়ি?

চালক সংকট এবং স্থায়ী চালকদের অনুপস্থিতির কারণে ময়লাবাহী ভারি ট্রাকগুলো চালাচ্ছে অদক্ষ চালকরা। অনেক ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্ন কর্মীদের মধ্যে যারা গাড়ি চালাতে পারেন, তাদের হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে স্টিয়ারিং। গত সপ্তাহে ময়লার গাড়ির ধাক্কায় একজন শিক্ষার্থী এবং একজন সাবেক সংবাদকর্মী মারা গেছেন।

ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ময়লাবাহী গাড়ির সংখ্যা ৩৩০। অথচ স্থায়ী চালক আছে ১২৯ জন। যান্ত্রিক ত্রুটি না থাকলে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সবগুলো গাড়িই ব্যবহার করার প্রয়োজন হয়। তাহলে বাকি অর্ধেক গাড়ি চালান কারা?

দুই সিটির অর্ধেকের বেশি গাড়ি মাস্টাররোল এবং দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে নিয়োজিত চালকরা চালিয়ে থাকেন। স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত চালকদের বাইরে যারা ময়লা বহনকারী ভারি ট্রাকগুলো চালান, তাদের একটা বড় অংশ অপেশাদার চালক, যাদের অধিকাংশেরই কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই।

আবার যারা স্থায়ী নিয়োগ পেয়ে চালক হিসেবে আছেন, তাদের একটা অংশ নিজে গাড়ি না চালিয়ে দিয়ে দেন অন্যের কাছে। সেই প্রক্সি চালকও লাইসেন্সধারী নন।

দুই সিটির পরিসংখ্যান ও সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, চালক সংকট এবং স্থায়ী চালকদের অনুপস্থিতির কারণে ময়লাবাহী ভারি ট্রাকগুলো চালাচ্ছে অদক্ষ চালকরা। এতে হর হামেশাই ঘটছে দুর্ঘটনা।

গত সপ্তাহে ময়লার গাড়ির ধাক্কায় একজন শিক্ষার্থী এবং একজন সাবেক সংবাদকর্মী মারা গেছেন।

নগর পরিকল্পনাবিদরা বলছেন, অপেশাদার এবং লাইসেন্সবিহীন ব্যক্তিদের দিয়ে ময়লাবাহী গাড়িগুলো চালানোর কারণে সড়কে দুর্ঘটনা প্রবণতা বাড়ছে। দুই মৃত্যু সেটাই প্রমাণ করে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে হল মার্কেটের পাশের সড়কে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী গাড়ির ধাক্কায় প্রাণ হারান নটর ডেম কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান।

ঘটনাস্থল থেকেই রাসেল নামে চালককে আটক করা হয়। রাসেলের কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, তিনি মাস্টাররোলে এক সময় পরিচ্ছন্নতা কর্মী হিসেবে কাজ করতেন। সেই চাকরি আগে চলে গেছে। বর্তমানে তিনি হারুন নামে একজনের কাছ থেকে গাড়িটা নিয়ে চালাচ্ছিলেন।

পুলিশ ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, হারুনও দুর্ঘটনা ঘটানো গাড়িটির প্রকৃত চালক নন। তিনিও পরিচ্ছন্নতাকর্মী। হারুন গাড়িটি নিয়েছেন স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত চালক ইরানের কাছ থেকে। রাসেল ও হারুন গ্রেপ্তার হলেও পলাতক রয়েছেন ইরান।

নাঈমের মৃত্যুর পর থেকে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আবার আন্দোলন শুরু করে বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালেই বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর পান্থপথে আহসান কবীর খান নামে এক সাবেক সংবাদকর্মী মারা যান। উত্তর সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী একটি গাড়ির চাপায় তিনি প্রাণ হারান।

চালক হানিফ গাড়ি ফেলে পালিয়ে গেলেও গত শনিবার তাকে চাঁদপুর থেকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গ্রেপ্তারের পর হানিফ র‌্যাবকে জানিয়েছেন, তিনি উত্তর সিটি করপোরেশনের বেতনভুক্ত চাকরিজীবী না। সিটি করপোরেশনের গাড়ি থেকে তেল চুরি করে বিক্রিই হানিফের আয়ের উৎস।

দক্ষিণে গাড়ি ১৮৫, চালক ৯৫

বাসা, মার্কেট, প্রতিষ্ঠান থেকে ময়লা নিয়ে রাখা হয় সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনে। সেখান থেকে ময়লা সংগ্রহ করে ময়লাবাহী ভারি ট্রাক মাতুয়াইলে ভাগাড়ে ফেলে।

দক্ষিণ সিটি করপোরেশন জানিয়েছে, তাদের ময়লাবাহী ভারি ট্রাকের সংখ্যা ১৮৫। এর বিপরীতে তাদের নিয়োগ করা চালকের সংখ্যা ৯৫। এই ৯৫ জনের মধ্যে ১৯ জন গত মাসে নিয়োগ পেয়েছেন।

বাকি গাড়িগুলো দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কর্মচারী দিয়ে চালানো হয়।

সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ডের পাশে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ময়লাবাহী গাড়ির স্ট্যান্ড। সোমবার ওই স্ট্যান্ডে গিয়ে কথা হয় কয়েকজন চালকের সঙ্গে। তারা জানান, পর্যাপ্ত চালক না থাকায় সিটি করপোরেশনের যেসব কর্মচারী গাড়ি চালাতে পারেন, তাদেরকে দিয়ে ভারি ট্রাকগুলো চালানো হয়।

এ ছাড়া স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত কয়েকজন অসাধু চালক নিজেরা না চালিয়ে অন্যকে দিয়ে গাড়ি চালান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একজন পুরনো চালক নিউজবাংলাকে বলেন, যারা প্রকৃত চালকের বদলি হিসেবে চালান, তারা কিছু টাকা ওই চালকের কাছ থেকে পান। বাকি টাকা বরাদ্দ তেলের অংশ বিক্রি করে তারা আয় করেন। সিটি করপোরেশন এদের কোনো টাকা দেয় না।

মহিউদ্দিন নামে এক চালক বলেন, ‘রাতে জ্যাম ঠেলে দুই থেকে তিনটি ট্রিপ দেয়া যায়। প্রতি ট্রিপ পৌঁছানোর পর স্লিপ দেয়া হয়। সেই স্লিপ অনুযায়ী আমরা তেল পাই। গড়ে এক থেকে দুই লিটার তেল থাকে।’

অনেক সময় গাড়ির কাজ নিজেকেই করাতে হয় বলে দাবি করেন এই চালক। এতে এই তেল বিক্রি করে পাওয়া টাকা ও গাড়ি মেরামতের খরচ সমান সমান হয়ে যায়।

মো. আলী নামে এক চালক বলেন, ‘আমাদের চালকের সংখ্যা কম, এটা সত্য। কিন্তু বর্তমান মেয়র উদ্যোগ নিলে এই সমস্যা থাকবে না। আমি ৯৬ সাল থেকে গাড়ি চালাই। আমার গাড়ি কোনোদিন কাউকে দেই নাই। অন্য কেউ দিলে সেটা আমার জানা নাই।’

এই চালকের সঙ্গে কথা বলার সময় এগিয়ে আসেন আরেক চালক। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, এক্সিডেন্ট হওয়ার পর নিয়োগ পাওয়া সব চালকই গাড়ি চালাচ্ছেন। আগে তাদের অনেকে নিজেরা না চালিয়ে অন্যদের দিয়ে গাড়ি চালাতেন।

বাইরের চালকরা কীভাবে ট্রাক চালাচ্ছেন, জানতে চাইলে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আবু নাছের নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের স্থায়ী নিয়োগ পাওয়া চালকদের বাইরে যারা গাড়ি চালান, তারাও সিটি করপোরেশনের কর্মচারী, অন্য কাজ করেন। বাড়তি হিসেবে দৈনিক মজুরিতে তারা ময়লার গাড়ি চালিয়ে থাকেন।’

দৈনিক মজুরিতে যারা গাড়ি চালান, তারা কত করে পান এবং প্রত্যেকের ভারি যান চালানোর লাইসেন্স আছে কিনা সেই প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি আবু নাছের।

চালক সংকট ও এই সংকট নিয়ে কীভাবে গাড়িগুলো চালানো হচ্ছে, জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে চাননি দক্ষিণ সিটির মহাব্যবস্থাপক (পরিবহন) বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস।

নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাসান মৃত্যুর ঘটনায় দক্ষিণ সিটি করপোরেশন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিতে বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসও রয়েছেন। গত ২৪ নভেম্বর করা কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন জমার আগে কোনো মন্তব্য করতে চান না বিপুল চন্দ্র।

উত্তরে গাড়ি ১৪৭, চালক ৩৪

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ময়লা বহনকারী গাড়ির সংখ্যা ১৪৭। তাদের স্থায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত চালক ৩৪ জন। এর বাইরে ৬৭ জন চালক আছেন, যারা মাস্টাররোলে চালক হিসেবে চাকরি করেন। বাকি ৪৬ জন দক্ষ শ্রমিক, যারা উত্তর সিটিতে চাকরি করেন। বাড়তি কাজ হিসেবে গাড়ি চালান।

১৪৭ জন চালকেরই গাড়ি চালানোর লাইসেন্স আছে বলে দাবি করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক(পরিবহন) মিজানুর রহমান। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের প্রত্যেক চালকের লাইসেন্স আছে। সেকেন্ডারি স্টেশন থেকে তারা রাতের বেলা গাড়িতে করে আমিনবাজার পেরিয়ে বুলিয়ারপুর ল্যান্ডফিল্ডে ময়লা ফেলে আসে।’

ময়লাবাহী গাড়িগুলো ভারি যান হলেও পান্থপথে গাড়ি চাপায় একজনের মৃত্যুতে মারুফ নামে যে চালককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তার ভারি গাড়ি চালানোর লাইসেন্স ছিল না। তার কাছে হালকা যান চালানোর লাইসেন্স ছিল।

তিনি কীভাবে ভারি গাড়ি চালাচ্ছিলেন? এমন প্রশ্নে মিজানুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়টা তদন্তনাধীন। তদন্ত শেষে বলা যাবে।’

ময়লাবাহী গাড়ি নিয়ে অব্যবস্থাপনার সঙ্গে যারা যারা যুক্ত, প্রত্যেককে বিচার এবং জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানিয়েছেন বুয়েটের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক সারওয়ার জাহান। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ময়লাবাহী গাড়িগুলোর বেপরোয়া চলাচল, উল্টোপথে যাওয়া, অদক্ষ চালক দিয়ে চালানো - সব অভিযোগ পুরনো। এর ফলে প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটছে। শুধু চালক-শ্রমিক নন, যারা যারা এই অব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে। যাদের অবহেলায় এগুলো হচ্ছে, তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।

শেয়ার করুন

পাহাড়ে মৌলবাদী ও জঙ্গিবাদী শক্তি ঘাঁটি গড়ছে : মেনন

পাহাড়ে মৌলবাদী ও জঙ্গিবাদী শক্তি ঘাঁটি গড়ছে : মেনন

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। ফাইল ছবি

মেনন বলেন, ‘বান্দরবানের থানচির কাছে একটি অঞ্চলে দাওয়াতি ইসলাম ২০০৬ সাল থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছিল আটজনকে নিয়ে। সেখানে আর এই সশস্ত্র সংগঠন ১০৬ জনে কার্যক্রম চালায়। আমি আশা করি, সরকার নিশ্চয় এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে।’

পাহাড়ে মৌলবাদী ও জঙ্গিবাদী শক্তি ঘাঁটি গড়ছে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশের ওয়াকার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন।

বৃহস্পতিবার পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির দুই যুগ পূর্তিতে রাজধানীর আগারগাওঁয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এক আলোচনায় তিনি এই সতর্কতা করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের যৌথ আয়োজনে এই আলোচনায় মেনন বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে আজকে দেশের জন্য আর একটি বিপদ অপেক্ষা করছে। সেটা হলো মৌলবাদী ও জঙ্গিবাদী শক্তি। পার্বত্য চট্টগ্রামে যারা বাঙালিদের মধ্যে যারা সেটেলার হয়েছেন তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামের কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তারা নতুন সংগঠন গড়ে তুলেছে ‘উপজাতি মুসলিম নাগরিক পরিষদ’ নামে।”

তিনি বলেন, ‘বান্দরবানের থানচির কাছে একটি অঞ্চলে দাওয়াতি ইসলাম ২০০৬ সাল থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছিল আটজনকে নিয়ে। সেখানে আর এই সশস্ত্র সংগঠন ১০৬ জনে কার্যক্রম চালায়। আমি আশা করি, সরকার নিশ্চয় এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে।’

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে রাজনৈতিক সমাধানই যদি উপলক্ষ্য হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই সামরিক সমাধান থেকে দূরে থাকতে হবে। চুক্তির ধারাগুলোকে বাস্তবায়ন করতে হবে।’

মেনন বলেন, ‘২৪ বছর পর চুক্তি নিয়ে যে আনন্দ উচ্ছ্বাস থাকার কথা ছিল, তা আজ নেই বলে আমার মনে হয়।’

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউনেস্কো শান্তি পুরস্কারও পেয়েছিলেন। কিন্তু আজ হয়তো সামরিক বন্দুকের জায়গায় অন্য কৌশল নেয়া হয়েছে। এই করোনার সময়েও অন্তত ২০টি ক্যাম্প প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।’

কবি ও সাংবাদিক সোহরাব হাসান বলেন, ‘জনসংহতি সমিতির যে বক্তব্য আমরা দেখতে পাচ্ছি, সেখানে যতটা না ক্ষোভ তার চেয়ে আছে বেদনা ও হতাশা। এটার জন্য নিশ্চয় জনসংহতি সমিতি নয়, সরকারি পক্ষ যারা চুক্তি বাস্তবায়ন করছেন না, তারাই দায়ী। এটার জন্য তাদেরকে জবাবদিহি করতে হবে।’

বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রংয়ের সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি এবং বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) এবং ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য।

এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম কমিশনের কো-চেয়ার সুলতানা কামাল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মেসবাহ কামাল ও সাদেকা হালিম, আইনজীবী সারা হোসেন এবং বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতা কাজল দেবনাথও এতে বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

রমনা পার্কে হাঁটতে গিয়ে বাইকের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

রমনা পার্কে হাঁটতে গিয়ে বাইকের ধাক্কায় নারীর মৃত্যু

লকডাউনে দীর্ঘ সময় রমনা পার্ক বন্ধ থাকার পর গত ১৮ জুন বিনোদন ও শরীরচর্চার জন্য সীমিত আকারে খুলে দেয়া হয়। এসময় পার্কে নানা বয়সীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ছবি: সাইফুল ইসলাম

ওই নারীর সঙ্গে থাকা তার বান্ধবী কল্পনা রানী বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন বিকেলে রমনা পার্কে হাঁটাহাঁটি করি। হাঁটাহাঁটি শেষে বাসায় যাওয়ার সময় দুজনেই রাস্তা পার হচ্ছিলাম। আমি ছিলাম একটু সামনে সে আমার পেছনে। হঠাৎ শব্দ পেয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখি তৃষ্ণাকে একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল ছেঁচড়ে সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।’

রাজধানীর রমনা পার্কে হাঁটাহাঁটি শেষে বাসায় ফেরার পথে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় তৃষ্ণা সাহা নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল জব্দ ও চালককে আটক করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ৬টা ৩৬ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই নারীর সঙ্গে থাকা তার বান্ধবী ও সিদ্ধেশ্বরী এলাকার বাসিন্দা কল্পনা রানী বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন বিকেলে রমনা পার্কে হাঁটাহাঁটি করি। হাঁটাহাঁটি শেষে বাসায় যাওয়ার সময় দুজনেই রাস্তা পার হচ্ছিলাম। আমি ছিলাম একটু সামনে সে আমার পেছনে। হঠাৎ শব্দ পেয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখি তৃষ্ণাকে একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেল ছেঁচড়ে সামনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। গুরুতর আহত অবস্থায় পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।’

তিনি বলেন, তৃষ্ণা সাহার বাসা বিজয়নগর এলাকায়। তার স্বামীর নাম উত্তম সাহা। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। দুই মেয়ের জননী ছিলেন তিনি। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে। তিনি বলেন, তার পরিবারকে সংবাদ দেয়া হয়েছে।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া বলেন চালককে আটক এবং মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা অবগত রয়েছে।

শেয়ার করুন

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দারাজের ডেলিভারি ম্যান-গা‌ড়িচালক

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দারাজের ডেলিভারি ম্যান-গা‌ড়িচালক

বরিশালে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার দারাজের গাড়িচালক ও ডেলিভারি ম্যান। ছবি: নিউজবাংলা

বাবুগঞ্জ থানার ওসি মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি যে দারাজের ডেলিভারি ভ্যানে ইয়াবা আছে... কাভার্ডভ্যান ব্রিজে উঠলে সেটি আটক করা হয়। গাড়ি তল্লাশি চালিয়ে চালকের আসনের সিট কভারের ভেতর থেকে কাগজে মোড়ানো ইয়াবা জব্দ করা হয়।’

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান দারাজের পণ্য সরবরাহের গাড়ি থেকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে চালক ও ডেলিভারি ম্যানকে।

নগরীর বাবুগঞ্জের স্টিল ব্রিজ এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে থানায় নিয়ে মাদকের মামলা দেয়া হয় তাদের নামে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন গাড়িচালক গকুল চন্দ্র ও ডেলিভারি ম্যান শাহাদাত হোসেন।

বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি যে দারাজের ডেলিভারি ভ্যানে ইয়াবা আছে। আমরা ফোর্স নিয়ে রহমতপুর-মীরগঞ্জ সড়কের স্টিল ব্রিজে অবস্থান নিই।

‘কিছুক্ষণ পরই দারাজের ডেলিভারির একটি কাভার্ডভ্যান ব্রিজে উঠলে সেটি আটক করা হয়। গাড়ি তল্লাশি চালিয়ে চালকের আসনের সিট কভারের ভেতর থেকে কাগজে মোড়ানো ১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়।’

শেয়ার করুন

শীতের ছুটিতেও জগন্নাথে চলবে পরীক্ষা

শীতের ছুটিতেও জগন্নাথে চলবে পরীক্ষা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন শীতকালীন ছুটি। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা চালু থাকবে। স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তির কাজও চালু থাকবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বিভাগের চলমান সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা শীতকালীন ছুটিতেও চালু থাকবে। এ ছাড়া স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তি কার্যক্রমও চালু থাকবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আগামী ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ দিন শীতকালীন ছুটি। এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সেমিস্টার পরীক্ষা চালু থাকবে।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে চার বছর মেয়াদি স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ প্রথম সেমিস্টারের ভর্তির কাজও চালু থাকবে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট ও প্রশাসনিক দপ্তর খোলা থাকবে।

করোনার কারণে বিভিন্ন বর্ষের আটকে থাকা সেমিস্টার পরীক্ষাগুলো গত ৭ অক্টোবর শুরু হয়। ইতিমধ্যে এক সেমিস্টারের পরীক্ষা শেষ হয়েছে, আটকে থাকা আরেক সেমিস্টারের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

শেয়ার করুন

পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল, শিক্ষককে অব্যাহতি

পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল, শিক্ষককে অব্যাহতি

সাতকানিয়ার ইউএনও বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন সকালে কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।’

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা চলার সময় কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে যাওয়ায় পর্যবেক্ষক নূর উদ্দিনকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বাজালিয়া কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজে এ ঘটনা ঘটে। অব্যাহতি পাওয়া নূর উদ্দিন ওই কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা তুজ জোহরা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন সকালে কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে গিয়ে ওই শিক্ষকের কাছে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিবকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন।’

পরীক্ষা চলার সময় কেন্দ্রে মোবাইল ফোন না নেয়ার নির্দেশনা রয়েছে বলেও জানান ইউএনও।

শেয়ার করুন