পিচের রাস্তা এখন কাঁচা সড়ক

খুলনা গোয়ালখালির বাইপাস লিংক রোড দেখে বোঝা যায়না একসময় সেখানে পাকা রাস্তা ছিল। ছবি: নিউজবাংলা

পিচের রাস্তা এখন কাঁচা সড়ক

অনেক আগেই বিটুমিন উঠে যাওয়ায় সড়কে কাদা-বালু জমে কাঁচা রাস্তার মতো হয়ে গেছে। রাস্তায় তৈরি হওয়া গর্তে বৃষ্টির সময় জমে যায় পানি, আটকে পড়ে গাড়ি। এ অবস্থায় চলাচলে মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সড়কের কোথাও নেই বিটুমিনের আস্তর। সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বৃষ্টির সময় গর্তে গিয়ে আটকা পড়ছে ছোট-বড় যানবাহন। এ ছাড়া কাদা ও বালুর সংমিশ্রণ জমে পিচের রাস্তা রূপ নিয়েছে কাঁচা সড়কে। গত আট বছরেও সংস্কার না হওয়ায় এমন বেহাল অবস্থা হয়েছে খুলনা নগরীর গোয়ালখালীর শেখ আবু নাসের হাসপাতাল বাইপাস লিংক রোড।

খুলনা নগরীর গোয়ালখালীর বাস্তুহারা এলাকা থেকে সিটি বাইপাস পর্যন্ত ২ দশমিক ৩৭ কিলোমিটার সড়কের পাশে গড়ে উঠেছে শেখ আবু নাসের হাসপাতাল, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সেক্টর সদর দপ্তর, নৌবাহিনীর ঘাঁটি (বানৌজা তিতুমীর), বিএনএন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, এ্যাংকরেজ স্কুল, নৌবাহিনী ভর্তি কেন্দ্র, নাবিক কলোনি, পুলিশ লাইন, মুজগুন্নী শিশুপার্ক, ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, রায়েলমহল (অনার্স) কলেজ, নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রসহ সরকারি ও বেসরকারি নানা প্রতিষ্ঠান।

এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নগরীর বাইরে সহজ যাতায়াতের জন্য একমাত্র পথ শেখ আবু নাসের হাসপাতাল বাইপাস লিংক রোড। এ ছাড়া খালিশপুর, দৌলতপুরসহ নগরীর পশ্চিম পাশের লোকজন নগরীতে প্রবেশ না করেই ওই সড়ক ব্যবহার করে শহরের বাইরে যেতে পারেন। কিন্তু নির্মাণের পর সড়কটি সংস্কারে আর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

কেডিএ সূত্রে জানা যায়, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে সড়কটি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। এরপর ২০০৮-০৯ অর্থবছরে নির্মাণকাজ শেষ হয়।

ওই সড়কে গিয়ে দেখা গেছে, অনেক আগেই বিটুমিন উঠে যাওয়ায় সড়কে কাদা-বালু জমে কাঁচা রাস্তার মতো হয়ে গেছে। রাস্তায় সৃষ্টি হওয়া গর্তে বৃষ্টির সময় জমে যায় পানি, আটকে পড়ে গাড়ি। জনসাধারণকে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল হাই বলেন, ‘সংস্কারের অভাবে সড়কটি একদম চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে সড়ক দিয়ে যেতে গেলে আটকা পড়ে গাড়ি। কোনোভাবেই যানবাহন বা পথচারী নির্বিঘ্ন চলাচল করতে পারছে না।’

গাড়িচালক সবুজ গাজী জানান, বর্ষা মৌসুমে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় গর্তে চাকা আটকে যায়। অনেক সময় গাড়ি উল্টেও পড়ে। গাড়ির অনেক যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) নির্বাহী প্রকৌশলী মোর্তুজা আল মামুন বলেন, ‘২০০৯ সালে কাজ শেষ হওয়ার পর খুলনা সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তরের কাছে সড়কটি বুঝিয়ে নিতে চিঠি দেয়া হয়। কিন্তু তারা সড়কটির সংস্কারে উদ্যোগ নেয়নি। সে জন্য মে মাসের শেষের দিকে ফের চিঠি দেয়া হয়েছে। এবার আশা করা হচ্ছে সংস্কার হয়ে যাবে।’

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী এজাজ মোর্শেদ কোনো মন্তব্য করেননি।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
খানাখন্দের সড়কে উড়ছে ধুলো

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

বর্ষা শুরু হতে না হতেই ভাঙছে যমুনার তীর। ছবি: নিউজবাংলা

গত বছর গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়িসহ কয়েকটি গ্রামে যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছিল। সেই ভাঙন এখনও চলছে। এ বছর পানি বাড়ার পর ভাঙন শুরু হয়েছে সদর উপজেলার হুগরা, কাকুয়া ও মাহমুদনগর ইউনিয়নে। নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়ন এবং ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নেও ভাঙন দেখা দিয়েছে।

জোয়ারের পানি আসা শুরু হতে না-হতেই টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর তীরে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। বর্ষার শুরুতেই যমুনার গর্ভে গেছে নদীর পূর্ব পাড়ের শতাধিক ঘরবাড়ি। ভাঙনের হুমকিতে আছে আরও তিন শতাধিক বাড়ি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরিভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করলেও কতটুকু উপকারে আসবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে সাধারণ মানুষের। ভাঙন-আতঙ্কে ইতোমধ্যে গ্রামগুলোর সহস্রাধিক পরিবার অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

পাউবো বলছে, বড় কাজ শুরু হতে সময় লাগবে। এ জন্য আপৎকালীন জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, গত বছর গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়িসহ কয়েকটি গ্রামে যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছিল। সেই ভাঙন এখনও চলছে।

এ বছর পানি বাড়ার পর ভাঙন শুরু হয়েছে সদর উপজেলার হুগরা, কাকুয়া ও মাহমুদনগর ইউনিয়নে। নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়ন এবং ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নেও ভাঙন দেখা দিয়েছে।

টাঙ্গাইলের অভিশাপ এই যমুনার ভাঙন। প্রতিবছরই এ জেলায় যমুনার ভাঙনে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হন শত শত মানুষ। তেমনই একজন ৭৫ বছরের হালিম শেখ।

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

যমুনার বর্তমান তীরের চার কিলোমিটার ভেতরে ছিল তার পৈতৃক ভিটে। এখন পর্যন্ত ছয়বার ভাঙনের কবলে পড়েছেন। এরপরও যমুনার তীরেই বসবাস করছেন। কারণ তার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। যেকোনো সময়ে আবারও পড়তে পারেন ভাঙনের মুখে।

হালিমের স্ত্রী অযুফা বেগম বলেন, ‘আর কত সহ্য করব, আমাদের এখন সহ্য হয় না। সরকার যা দেয়, তা চেয়ারম্যান-মেম্বারের প্যাকেটে চলে যায়। ছয়বার বাড়ি সরায়ে আনছি। এবারও বাড়ি যখন-তখন নদীতে চলে যাবে।

‘আমাগো কি টাকা আছে যে, প্রতিবছর বাড়ি সরামু। আমাগো সামান্য এই ত্রাণ চাই না। আমাগোর নিগা সুন্দর একটা বাঁধ নির্মাণ করে দিতে কইতাছি।’

কাওসার আহমেদ নামে এক কলেজছাত্র বলেন, ‘বাড়ি আর কতবার সরাব? বাবার না আছে কাজ, না আছে কোনো জায়গা-জমি। যা জমি ছিল, সব যমুনায় চলে গেছে।

‘এখন দিন এনে দিন খাই। আর সব সময় চিন্তা থাকে, কখন বাড়িটি নদীতে ধসে পড়ে যায়। খুবই অতঙ্কের মধ্যে দিন যাচ্ছে আমাদের।’

৮০ বছরের কুদ্দুস আলী বলেন, ‘জীবন ভরা বাড়ি সরাতে সরাতে কালিহাতীর বেলটিয়া আইসা বাড়ি বানাইছি। এহান থাকি তিন কিলোমিটার ভিতরে ছিল বাড়ি। এখন নদীর ঢালে বাড়ি, মনে হয় এই বুঝি নদীতে বাড়ি ভাঙি গেল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার দেশের জন্য অনেক কাজ করছে, তাই আমাগো একটাই দাবি বাঁধ চাই। না হলে আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিন। আমরা আর যাব কোথায়?’

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বেলটিয়ায় নদী যখন ভাঙা শুরু হয়, তখন বাঁধ নির্মাণে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়। কাজ চলমান রয়েছে, আশা করি, কাজ শেষ হলে ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হবে।

‘আর অন্য জায়গায় আপৎকালীন কাজ করা হবে। এখন যেহেতু বড় প্রজেক্টে তেমন বরাদ্দ নেই, তাই এগুলোর কাজ শুরু হতে সময় লাগবে।’

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
খানাখন্দের সড়কে উড়ছে ধুলো

শেয়ার করুন

পাগলা মসজিদে এবার ১২ বস্তা টাকা

পাগলা মসজিদে এবার ১২ বস্তা টাকা

দানবাক্সগুলো থেকে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি দান পেয়েছে এই মসজিদ। এর আগে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি খোলা হয়েছিল দানবাক্সগুলো। তখন পাওয়া গিয়েছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা।

কিশোরগঞ্জের আলোচিত পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার ১২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। মাত্র ৪ মাস ২৬ দিনে জমা পড়ল এই টাকা।

দিনভর গুনে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা। এ ছাড়া জমা পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা।

অর্থাৎ প্রতিদিন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি দান পেয়েছে এই মসজিদ।

এর আগে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি খোলা হয়েছিল মসজিদের দানবাক্সগুলো। তখন পাওয়া গিয়েছিল ১৪ বস্তা টাকা। দিনভর গণনা শেষে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা।

টাকা ছাড়াও মসজিদে নিয়মিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অসংখ্য মানুষ।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শনিবার সকাল নয়টায় দানবাক্সগুলো খোলা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে গণনা। এতে অংশ নেন মাদ্রাসার ১১২ জন ছাত্র, ব্যাংকের ৫০ জন স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য।

মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত উদ্দিন ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে জানান, মসজিদে দানবাক্স রয়েছে আটটি। সেখানে প্রতিনিয়ত মানুষ সহায়তা দিয়ে থাকে। করোনা সংক্রমণের শুরুতে মসজিদে মুসল্লিদের চলাচল এবং নারীদের প্রবেশাধিকার বন্ধ থাকলেও দান অব্যাহত ছিল।

মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান জানান, প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এসে দান করছে এই মসজিদে। যারা দান করতে আসেন তারা বলে থাকেন, এখানে দান করার পরে নাকি তাদের আশা পূরণ হয়েছে। আর এ বিষয়টার কারণেই এখানে দান করে থাকেন তারা।


পাগলা মসজিদে এবার ১২ বস্তা টাকা


অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামি কমপ্লেক্সের খরচ চালিয়ে দানের বাকি টাকা ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এ থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেয়া হয়। অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তাও করা হয়।

তা ছাড়া এ বছর সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদেরও এই দানের টাকা থেকে সহায়তা করা হয়েছে।

দানবাক্স খোলার পর থেকেই গণনা দেখতে মসজিদের আশপাশে ভিড় জমায় আশপাশের মানুষ। অনেকে আবার আগ্রহ নিয়ে ছুটে আসেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে।

দানবাক্স কমিটির আহ্বায়ক ও কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিনের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম, উবাইদুর রহমান সাহেল, জুলহাস হোসেন সৌরভ, ইব্রাহীম, কিশোরগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আসাদুল্লাহ, রূপালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক অনুপ কুমার ভদ্রসহ উপস্থিত ছিলেন আরও অনেকে।

কিশোরগঞ্জের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দার তীরে প্রায় ১০ শতাংশ জমিতে অবস্থিত পাগলা মসজিদ।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
খানাখন্দের সড়কে উড়ছে ধুলো

শেয়ার করুন

ইজিবাইক ও কাভার্ডভ্যানের সংর্ঘষে নিহত ২

ইজিবাইক ও কাভার্ডভ্যানের সংর্ঘষে নিহত ২

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফতুল্লার অক্টোঅফিস এলাকা থেকে পঞ্চবটির দিকে যাচ্ছিল ইজিবাইকটি। পথে গাবতলী এলাকায় গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংর্ঘষ হয়। ওই সময় ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ইজিবাইক ও কাভার্ডভ্যানের সংর্ঘষে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ইজিবাইকের চালক।

উপজেলার গাবতলী এলাকার আমেনা সিটি ফ্যাশন নামের একটি দোকানের সামনে শনিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ওসি জানান, নিহতরা হলেন ইজিবাইকের যাত্রী আফসার উদ্দিন ও আব্বাস উদ্দিন। তাদের বাড়ি ফতুল্লার কাশীপুর এলাকায়। তারা চাঁনবাজার এলাকার একটি সুতা কারখানার শ্রমিক। তারা কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফতুল্লার অক্টোঅফিস এলাকা থেকে পঞ্চবটির দিকে যাচ্ছিল ইজিবাইকটি। পথে গাবতলী এলাকায় গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংর্ঘষ হয়। ওই সময় ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। আহতদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে আরেকজনের মৃত্যু হয়। আহত ইজিবাইক চালক মিজানুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান জানান, মরদেহ দুটি তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওসি আরও বলেন, কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে এর চালক রাসেল মিয়াকে।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
খানাখন্দের সড়কে উড়ছে ধুলো

শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও আলুকদিয়ায় সর্বাত্মক লকডাউন

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও আলুকদিয়ায় সর্বাত্মক লকডাউন

জেলা প্রশাসক জানান, লকডাউন করা এলাকায় জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকবে। ওষুধের দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকান বন্ধ থাকবে। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন।

করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নে আগামী সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শনিবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধসংক্রান্ত কমিটির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন, ‘রোববার সকাল ৬টা থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত জেলায় কঠোর লকডাউন কার্যকর করা হবে।’

জেলা প্রশাসক জানান, লকডাউনের বিষয়ে পরে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, লকডাউন করা এলাকায় জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকবে। ওষুধের দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকান বন্ধ থাকবে। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন।

করোনায় আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউনের পাশাপাশি তাদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাদ্যসহায়তা দেয়া হবে। এ ছাড়া শ্রমিক ও দিনমজুরদের খাদ্যসহায়তা দেয়া হবে।

এর আগে গত ১৫ জুন লকডাউন করা হয় জেলার সীমান্তবর্তী দামুড়হুদা উপজেলা। ১৮ জুন বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করা হয় জীবননগর উপজেলায়।

জরুরি সভায় উপস্থিত ছিলেন করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধসংক্রান্ত উপকমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন, জেলার সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানসহ আরও অনেকে।

জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম জানান, চুয়াডাঙ্গায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ জেলায় নতুন করে আরও ৭৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এটাই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৫২৩ জনে। সুস্থ হয়েছেন ৭ জন; মোট সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৩৮ জন। শনিবার বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মারা গেছেন এক নারীসহ তিনজন। এ নিয়ে জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮০ জনে।

করোনার সংক্রমণ রোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
খানাখন্দের সড়কে উড়ছে ধুলো

শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০০ জাতের আমের তথ্য নিয়ে বই

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০০ জাতের আমের তথ্য নিয়ে বই

‘আমের ১০০ জাত’ নামের বইয়ে আলাদা আলাদাভাবে আম গাছের ছবি, ফলের তথ্য যেমন আকৃতি, ওজন, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, মিষ্টতার পরিমান (টিএসএস), শাঁসের রং, খাদ্য উপযোগী অংশ, ফল সংগ্রহের সময়, সংরক্ষণ কালসহ ৩০ থেকে ৩৫ টি তথ্য দেয়া হয়েছে।

প্রতিবছর দেশে উৎপাদিত মোট আমের সিংহভাগই আসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে। প্রচলিত আছে এখানে প্রায় আট শ জাতের আমের চাষ হতো।

এখন সেই সংখ্যা নেমে এসেছে সাড়ে তিন শর ঘরে। এ জাতগুলো সম্পর্কে জানা এতদিন সহজ ছিল না মোটেও। তবে এবার জাতগুলোর তথ্য তুলে ধরতে উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। প্রচলিত ও অপ্রচলিত জাতের ওপর প্রকাশিত হয়েছে বই।

‘আমের ১০০ জাত’ নামের বইয়ে আলাদা আলাদাভাবে আম গাছের ছবি, ফলের তথ্য যেমন আকৃতি, ওজন, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, মিষ্টতার পরিমান (টিএসএস), শাঁসের রং, খাদ্য উপযোগী অংশ, ফল সংগ্রহের সময়, সংরক্ষণ কালসহ ৩০ থেকে ৩৫ টি তথ্য দেয়া হয়েছে।

বইটিতে গোপালভোগ, খিরসাপাত, ল্যাংড়া, ফজলি, সুরমাই ফজলি, আশ্বিনা ইত্যাদি প্রচলিত জাত ছাড়াও দেওভোগ, গোলা, মালদহ গুটি, মিশ্রি দাগি, শ্যামলতা, মিশ্রিকান্ত আমের জাতের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০০ জাতের আমের তথ্য নিয়ে বই


আমের জাতের তথ্য নিয়ে ‘আমের ১০০ জাত’ এটিই বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশিত বই বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বইটির প্রকাশক চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক একেএম তাজকির-উজ-জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্র্যান্ড প্রোডাক্ট। বছরব্যাপী নানা কাজের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন আমের বাজারজাত করণের জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রকাশনা সেই ব্র্যান্ডিংয়ের একটা অংশ, এর সুফল পাবেন আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা।’

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
খানাখন্দের সড়কে উড়ছে ধুলো

শেয়ার করুন

জুয়া খেলার সময় গ্রেপ্তার ৯

জুয়া খেলার সময় গ্রেপ্তার ৯

পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তামাই এলাকায় জুয়া খেলা চলছিল। শনিবার রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও ৪৭ হাজার টাকাসহ ৯ জুয়াড়িকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই এলাকা থেকে ৯ জুয়াড়িকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

উপজেলার তামাই নতুনপাড়া এলাকায় শুক্রবার রাতে অভিযান চালিয়ে জুয়া খেলার সময় হাতেনাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ৯ জন হলেন উপজেলার সুবর্ণপাড়ার খোকন, সেলিম, রফিকুল ইসলাম, মইনুদ্দিন, তামাই এলাকার শফিকুল ইসলাম, রেজাউল করিম, তামাই নতুনপাড়ার সজিব, নাগগাঁতি এলাকার শ্রী চঞ্চল ও উত্তর চন্দনগাতীর শহিদ।

বেলকুচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা নিউজবাংলাকে জানান, দীর্ঘদিন ধরে তামাই এলাকায় জুয়া খেলা চলছিল। এমন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে ওই এলাকায় অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে জুয়া খেলার সরঞ্জাম ও ৪৭ হাজার টাকাসহ ৯ জুয়াড়িকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

তাদের বিরুদ্ধে জুয়া ও মাদক আইনে মামলা পর আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
খানাখন্দের সড়কে উড়ছে ধুলো

শেয়ার করুন

গাজীপুর চৌরাস্তা-টঙ্গী সড়ক ২ দিনে সংস্কারের নির্দেশ

গাজীপুর চৌরাস্তা-টঙ্গী সড়ক ২ দিনে সংস্কারের নির্দেশ

‘প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যেকোনোভাবেই হোক এই জনদুর্ভোগ অতিদ্রুত দূর করতে হবে। সেজন্য নির্দেশ দিয়েছি আগামী দুই দিনের মধ্যে দিন-রাত ২৪ ঘন্টা কাজ করে সমস্ত সংস্কার কাজ শেষ করতে।’

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী থেকে গাজীপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত সব সংস্কার কাজ দুই দিনের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন সড়ক ও সেতু বিভাগের সচিব মো. আবু বকর সিদ্দিক।

শনিবার সকালে বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের চলমান কাজ পরিদর্শনে এসে এ নির্দেশ দেয়ার কথা জানান তিনি।

যানজট নিরসনে গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে রাজধানীর বিমানবন্দর পর্যন্ত চলছে এই প্রকল্পের কাজ।

গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও বিআরটি-এর ধীরগতির নির্মাণকাজের কারণে মহাসড়কের টঙ্গী-গাজীপুর অংশে খানাখন্দ ও গর্ত সৃষ্টি হয়ে তীব্র যানজট হচ্ছে। জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত মাত্র ১৩ কিলোমিটার যেতে সময় লাগছে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা।

সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন যেকোনোভাবেই হোক এই জনদুর্ভোগ অতিদ্রুত দূর করতে হবে। সেজন্য নির্দেশ দিয়েছি আগামী দুই দিনের মধ্যে দিন-রাত ২৪ ঘন্টা কাজ করে সমস্ত সংস্কার কাজ শেষ করতে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুজন ঠিকাদারকে নির্দেশ দিয়েছি, ১০ দিনে ৫০ জন করে কাজ করতে যদি ৫০০ লোক লাগে, দুই দিনে যেন সে কাজটি করে ফেলে। যদি লোক না পান, আমাকে বলবেন আমি লোক দিব।’

গাজীপুর চৌরাস্তা-টঙ্গী সড়ক ২ দিনে সংস্কারের নির্দেশ
বিআরটি প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন শেষে কথা বলেন সড়ক ও সেতু বিভাগের সচিব মো. আবু বকর সিদ্দিক

বিআরটি-এর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরে সচিব বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে জেনেছি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আর্থিক সংকটে রয়েছে। তারা ঠিকভাবে টাকা-পয়সা দিতে পারছে না।

‘চায়না প্রতিষ্ঠানগুলো সরকারি প্রতিষ্ঠান, তাই আমরা অ্যাম্বাসিকে জানিয়েছি তাদের সরকার যেন এদিকে নজর দেয়।’

পরিদর্শনকালে সচিবের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, ‘বিআরটি-এর চলমান কাজে পদে পদে ভুল রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা দিয়েছেন।

‘তিনি চেয়েছিলেন গাজীপুরবাসীর সুবিধা; কিন্তু এখন গাজীপুরের মানুষ কষ্টে আছে। ইঞ্জিনিয়ার ও ডিজাইনারদের ভুলের খেসারত দিচ্ছে উত্তরবঙ্গে যাতায়াতকারী লাখ লাখ মানুষ।’

এ সময় অন্যদের মধ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (অপরাধ-দক্ষিণ) মোহাম্মদ ইলতুৎ মিশ, ট্রাফিক বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) আব্দুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার হাফিজুর রহমান, সহকারী কমিশনার (এসি-টঙ্গী) পিযুষ দে উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
খানাখন্দের সড়কে উড়ছে ধুলো

শেয়ার করুন