চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার কারাগারে ওসি প্রদীপ

চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার কারাগারে ওসি প্রদীপ

‘বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় প্রদীপকে নিয়ে পুলিশ ভ্যান চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয়। মূলত একটি মামলার হাজিরা জন্য প্রদীপকে ৭ মাস চট্টগ্রাম কারাগারে রাখা হয়েছিল।’

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার টেকনাফ থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাসকে ৭ মাস পর চট্টগ্রাম কারাগার থেকে কক্সবাজার কারাগারে স্থানান্তর করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম কারাগারের জেলার খন্দকার গোলাম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে কক্সবাজার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় প্রদীপকে নিয়ে পুলিশ ভ্যান চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেয়। মূলত একটি মামলার হাজিরা জন্য প্রদীপকে ৭ মাস চট্টগ্রাম কারাগারে রাখা হয়েছিল।

গত ৩১ জুলাই ঈদুল আজহার আগের রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশ কর্মকর্তা লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান।

শুরুতে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, সিনহা তল্লাশিচৌকিতে বাধা দেন। আর তিনি পিস্তল বের করলে চেকপোস্টে দায়িত্বরত পুলিশ তাকে গুলি করে।

তবে পুলিশের বক্তব্য নিয়ে সে সময় প্রশ্ন ওঠে। আর সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস মামলা করেন নয়জনের বিরুদ্ধে।

মামলায় প্রধান আসামি করা হয় বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে। ওসি (বরখাস্ত) প্রদীপ কুমার দাসকে করা হয় দুই নম্বর আসামি। মামলার তিন নম্বর আসামি করা হয় টেকনাফ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দদুলাল রক্ষিতকে।

এরপর অভিযুক্ত সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে তদন্তে নেমে র‌্যাব স্থানীয় তিনজন, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্য এবং প্রদীপের দেহরক্ষীসহ মোট ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে।

সে সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি দল তদন্ত করে। যদিও সে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়নি।

বিষয়টি নিয়ে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের ফোরাম রাওয়া উচ্চকিত হয়। আর তদন্তের ভার দেয়া হয় র‌্যাবকে।

এ ঘটনায় সে সময় কক্সবাজারের পুরো পুলিশ প্রশাসনকে পাল্টে দেয়া হয়।

চার মাস ১০ দিন তদন্ত শেষে সংস্থাটি জানিয়েছে, মেজর সিনহা ভ্রমণ বিষয়ে ভিডিও তৈরির জন্য কক্সবাজার গেলেও সেখানে গিয়ে মাদক পাচার বিষয়ে কাজ করেন। আর তখন এর সঙ্গে ওসি প্রদীপের সম্পৃক্ততার তথ্য পান। আর এ নিয়ে তিনি প্রদীপের সাক্ষাৎকার নিতে যান। তখনই প্রদীপ তাকে হুমকি দেন। পরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়।

আরও পড়ুন:
সিনহা হত্যা: শিপ্রার অব্যাহতির বিরুদ্ধে পুলিশের নারাজি
সিনহা হত্যা: এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ
প্রদীপের মাদক কারবার জেনে ফেলায় সিনহা হত্যা: র‌্যাব
শিপ্রা ও সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের 'সত্যতা নেই'
ওসি প্রদীপের পরিকল্পনায় সিনহা খুন: প্রতিবেদন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ফেসবুক কমেন্টের জেরে মন্দির ও বাড়িতে হামলা

ফেসবুক কমেন্টের জেরে মন্দির ও বাড়িতে হামলা

বরিশালের গৌরনদীতে ফেসবুকে কমেন্ট করার জেরে হিন্দুদের মন্দির ও বসতঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, ফেসবুকে একটি পোস্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে যায়। হামলাকারীরা হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালালেও মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি সঠিক নয়। কারণ এর আগেই প্রতিমা বিসর্জন করা হয়েছিল।

বরিশালের গৌরনদীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের একটি পোস্টে ‘আপত্তিকর’ কমেন্ট করার জেরে হিন্দুদের তিনটি মন্দির ও কিছু বসতঘর ভাঙচুর করা হয়েছে।

উপজেলার বার্থী ইউনিয়নের ধুরিয়াইল কাজিরপাড় গ্রামে শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে এসব হামলা হয়।

এ ঘটনায় ফেসবুকে কমেন্টকারী যুবক মহানন্দ বৈদ্যকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে স্থানীয় লোকজন।

আটক মহানন্দ বৈদ্য কাজিরপাড় গ্রামের বাসিন্দা।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি জানান, পবিত্র কোরআন নিয়ে ফেসবুকের একটি পোস্টে ‘আপত্তিকর’ কমেন্ট করেন মহানন্দ। শুক্রবার সন্ধ্যার পর বিষয়টি স্থানীয় কিছু মুসলমানের নজরে এলে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায়। একপর্যায়ে স্থানীয় মুসলিমরা মহানন্দকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

পরে ওই রাতেই স্থানীয় কয়েকজন মিলে ধুরিয়াইল কাজিরপাড় সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, হরি মন্দির এবং জগদীশ বৈদ্যর বাড়ির হরি মন্দিরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় ওই এলাকার হিন্দুদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ধুরিয়াইল কাজিরপাড় সার্বজনীন দুর্গা মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুভাষ বৈদ্য জানান, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই শুক্রবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে একদল উত্তেজিত জনতা লাঠি নিয়ে হামলা চালিয়ে মন্দিরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় নারী-পুরুষ ও শিশুদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা প্রশান্ত বালা জানান, দীর্ঘদিন থেকে তারা মুসলমানদের সঙ্গে বসবাস করে আসছেন। কোরআন শরিফ নিয়ে ফেসবুকের একটি পোস্টে আপত্তিকর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে তাদের ওপর হামলা হয়েছে।

প্রশান্ত বলেন, মন্তব্যকারী যে সম্প্রদায়েরই হোক, তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফজাল হোসেন জানান, ফেসবুকে একটি পোস্ট দেয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা উত্তেজিত হয়ে যায়। হামলাকারীরা হিন্দু সম্প্রদায়ের কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালালেও মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের বিষয়টি সঠিক নয়। কারণ এর আগেই প্রতিমা বিসর্জন করা হয়েছিল। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
সিনহা হত্যা: শিপ্রার অব্যাহতির বিরুদ্ধে পুলিশের নারাজি
সিনহা হত্যা: এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ
প্রদীপের মাদক কারবার জেনে ফেলায় সিনহা হত্যা: র‌্যাব
শিপ্রা ও সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের 'সত্যতা নেই'
ওসি প্রদীপের পরিকল্পনায় সিনহা খুন: প্রতিবেদন

শেয়ার করুন

‘টাঙ্গুয়ার হাওরে বন্ধ হবে ইঞ্জিনচালিত নৌকা’

‘টাঙ্গুয়ার হাওরে বন্ধ হবে ইঞ্জিনচালিত নৌকা’

সুনামগঞ্জে হাওর পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। ছবি: নিউজবাংলা

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘একসময় মিঠাপানির টাঙ্গুয়ার হাওরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো। তবে এখন মাছ পাওয়া যায় না, কারণ হাওরে অবাধে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলে। তাই আগামী পর্যটন মৌসুম থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা বন্ধ করা হবে।’

আগামী পর্যটন মৌসুম থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে অবাধে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি)।

তাহিরপুর উপজেলার শহীদ সিরাজ লেকে (নীলাদ্রি লেক) শনিবার দুপুরে হাওর পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান ডিসি জাহাঙ্গীর হোসেন।

ডিসি বলেন, ‘একসময় মিঠাপানির টাঙ্গুয়ার হাওরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যেতো। তবে এখন মাছ পাওয়া যায় না, কারণ হাওরে অবাধে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলে। তাই আগামী পর্যটন মৌসুম থেকে টাঙ্গুয়ার হাওরে ইঞ্জিনচালিত নৌকা বন্ধ করা হবে।

‘আমরা পর্যটকদের একটি নির্দিষ্ট জায়গা দেখিয়ে দেব। তারা লগি-বৈঠার নৌকা নিয়ে হাওরে ঘুরতে যাবেন। এটি কার্যকর হলে হাওরবাসীদের জীবনমান উন্নত হবে। তাদের কর্মসংস্থানও বাড়বে।’

উদ্বোধন শেষে ডিসি হাওর এলাকার প্লাস্টিক ও ময়লা আবর্জনা পরিচ্ছন্ন করেন এবং বিভিন্ন নৌকায় সচেতনতামূলক বিলবোর্ড টানান।

ডিসি জাহাঙ্গীর বলেন, ‘সুনামগঞ্জ হাওর বেষ্টিত একটি জেলা। টাঙ্গুয়ার হাওরকে কেন্দ্র করে বিগত সময়ে অনেক পর্যটক এসেছেন।

‘তবে সবচেয়ে দুঃখের বিষয় তাদের মধ্যে কেউ কেউ হাওরে প্লাস্টিকের বোতল, খাবারের প্লেট, ময়লা-আবর্জনা ফেলে যান, যার কারণে এখানে পরিবেশদূষণ হচ্ছে। নষ্ট হচ্ছে হাওরের জীববৈচিত্র্য। আমরা এগুলো আর মেনে নেব না। নৌকার মাঝি থেকে শুরু করে সব পর্যটকদের সর্তক করে দিতে চাই আমরা।’

জেলা প্রশাসক জানান, তাদের এ অভিযান চলতে থাকবে। এছাড়া হাওরের মাঝিদের তালিকা করে নিবন্ধনের আওতায় এনে মাঝিদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।

এছাড়া এখন থেকে সব নৌকায় একটি করে ডাস্টবিন থাকা বাধ্যতামূলক করা হবে। যারা এ নির্দেশনা মানবেন না, তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান ডিসি।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রায়হান কবির, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক অমল কর, হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাশমির রেজা, ইউপি চেয়ারম্যান খসরুল আলমসহ অনেকে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট টাঙ্গুয়ার হাওর ও তার আশপাশের হাওর এলাকার পরিবেশদূষণ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরই পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

আরও পড়ুন:
সিনহা হত্যা: শিপ্রার অব্যাহতির বিরুদ্ধে পুলিশের নারাজি
সিনহা হত্যা: এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ
প্রদীপের মাদক কারবার জেনে ফেলায় সিনহা হত্যা: র‌্যাব
শিপ্রা ও সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের 'সত্যতা নেই'
ওসি প্রদীপের পরিকল্পনায় সিনহা খুন: প্রতিবেদন

শেয়ার করুন

পানিতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু

পানিতে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু

আখাউড়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বাড়ির পাশে দুই ভাইবোন খেলছিল। অনেকক্ষণ তাদের না দেখে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এরপর স্থানীয়রা বাড়ির সামনের পুকুরে নেমে তাদের উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বাড়ির সামনের পুকুরে ডুবে ভাইবোনের মৃত্যু হয়েছে।

আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের দিঘীরজান গ্রামে শনিবার বেলা ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত দুই ভাইবোন হলো সাত বছর বয়সী আয়েশা ও পাঁচ বছর বয়সী স্বাদ।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, বাড়ির পাশে দুই ভাইবোন খেলছিল। অনেকক্ষণ তাদের না দেখে পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করে। এরপর স্থানীয়রা বাড়ির সামনের পুকুরে নেমে তাদের উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি আরও জানান, মরদেহগুলো বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনও কোনো মামলা হয়নি।

আরও পড়ুন:
সিনহা হত্যা: শিপ্রার অব্যাহতির বিরুদ্ধে পুলিশের নারাজি
সিনহা হত্যা: এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ
প্রদীপের মাদক কারবার জেনে ফেলায় সিনহা হত্যা: র‌্যাব
শিপ্রা ও সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের 'সত্যতা নেই'
ওসি প্রদীপের পরিকল্পনায় সিনহা খুন: প্রতিবেদন

শেয়ার করুন

মেস থেকে আটক শিবিরের দুই নেতা

মেস থেকে আটক শিবিরের দুই নেতা

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ওই বাসায় ৭ থেকে ১০ জন শিবিরকর্মী মেস বানিয়ে থাকত। শুক্রবার অভিযানে দুজনকে আটক করা সম্ভব হলে প্রায় ১৫ জন পালিয়ে যান। তারা জিহাদি বই বিতরণের মাধ্যমে ধর্মীয় উন্মাদনা তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ষড়যন্ত্র করছিলেন।

লিফলেট ও ‘জিহাদি’ বইসহ মৌলভীবাজার শহরের একটি মাদ্রাসার শিবির সভাপতি ও সম্পাদককে আটক করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার শনিবার বেলা ১১টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান। শুক্রবার মৌলভীবাজারের পূর্ব সুলতানপুরের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক দুজন হলেন মৌলভীবাজার টাউন কামিল মাদ্রাসার শিবির সভাপতি সাব্বির হোসেন তানভির ও সাধারণ সম্পাদক কুতুবউদ্দিন মো. বখতিয়ার। তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ জিহাদি বই ও লিফলেট জব্দ করা হয়েছে।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ওই বাসায় ৭ থেকে ১০ জন শিবিরকর্মী মেস বানিয়ে থাকত। শুক্রবার অভিযানে দুজনকে আটক করা সম্ভব হলে প্রায় ১৫ জন পালিয়ে যান। তারা জিহাদি বই বিতরণের মাধ্যমে ধর্মীয় উন্মাদনা তৈরি করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির ষড়যন্ত্র করছিলেন।

তাদের কর্মকাণ্ড সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর ৬(২)(ই)(ঈ)/৮/৯/১০/১২ ধারার শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে সদর মডেল থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
সিনহা হত্যা: শিপ্রার অব্যাহতির বিরুদ্ধে পুলিশের নারাজি
সিনহা হত্যা: এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ
প্রদীপের মাদক কারবার জেনে ফেলায় সিনহা হত্যা: র‌্যাব
শিপ্রা ও সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের 'সত্যতা নেই'
ওসি প্রদীপের পরিকল্পনায় সিনহা খুন: প্রতিবেদন

শেয়ার করুন

ঘুমন্ত স্বামীকে বালিশচাপায় হত্যার অভিযোগ

ঘুমন্ত স্বামীকে বালিশচাপায় হত্যার অভিযোগ

নলডাঙ্গায় আব্দুর রাজ্জাক নামের এক ব্যক্তিকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ছবি: সংগৃহীত

রাজ্জাকের বাবা হামেদ আলী জানান, পুত্রবধূ সালমার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে রাজ্জাকের সঙ্গে তার বিরোধ লেগে থাকত। রাজ্জাক প্রায়ই সালমার মারধরের শিকার হতেন। এরই ধারাবাহিকতায় রাজ্জাককে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

নাটোরের নলডাঙ্গায় আব্দুর রাজ্জাক নামের এক ব্যক্তিকে ঘুমের মধ্যে বালিশচাপা দিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী সালমা বেগমের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার মোমিনপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রাজ্জাক উপজেলার মোমিনপুর গ্রামের হামেদ আলীর ছেলে। তিনি মুদি দোকানদার ছিলেন।

রাজ্জাক হত্যা মামলায় তার স্ত্রী সালমাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীর সঙ্গে রাজ্জাকের বিরোধ চলে আসছিল। সালমা প্রায়ই রাজ্জাককে মারধর করতেন। একপর্যায়ে শুক্রবার রাতে রাজ্জাক ঘুমিয়ে পড়লে সালমা তাকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেন।

ওসি জানান, শনিবার সকালে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার এবং সালমাকে গ্রেপ্তার করে।

রাজ্জাকের বাবা হামেদ আলী জানান, পুত্রবধূ সালমার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কারণে রাজ্জাকের সঙ্গে তার বিরোধ লেগে থাকত। রাজ্জাক প্রায়ই সালমার মারধরের শিকার হতেন। এরই ধারাবাহিকতায় রাজ্জাককে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় হামেদ আলী বাদী হয়ে সালমাকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা করেছেন।

আরও পড়ুন:
সিনহা হত্যা: শিপ্রার অব্যাহতির বিরুদ্ধে পুলিশের নারাজি
সিনহা হত্যা: এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ
প্রদীপের মাদক কারবার জেনে ফেলায় সিনহা হত্যা: র‌্যাব
শিপ্রা ও সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের 'সত্যতা নেই'
ওসি প্রদীপের পরিকল্পনায় সিনহা খুন: প্রতিবেদন

শেয়ার করুন

কুমিল্লার ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী

কুমিল্লার ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী

বড়লেখার দক্ষিণভাগ বাজারে উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা

মন্ত্রী বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজায় কুমিল্লায় যে ঘটনা ঘটেছে তা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের একটি অংশ। এই ষড়যন্ত্রের দাঁত ভাঙা জবাব দেয়া হবে। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে।

কুমিল্লার ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়কমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন।

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ বাজারে উন্নয়ন কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজায় কুমিল্লায় যে ঘটনা ঘটেছে তা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের একটি অংশ। এই ষড়যন্ত্রের দাঁত ভাঙা জবাব দেয়া হবে। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হবে।

তিনি বলেন, সরকার সারা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন করছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। একটি কুচক্রী মহল সরকারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে নানা ষড়যন্ত্র করছে। তবে তারা কোনো অবস্থাতেই সরকারের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না।

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বড়লেখা পৌর মেয়র আবুল ইমাম মো. কামরান চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী অজিম উদ্দিন সরদার, নারীশিক্ষা একাডেমি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ একেএম হেলাল উদ্দিনসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
সিনহা হত্যা: শিপ্রার অব্যাহতির বিরুদ্ধে পুলিশের নারাজি
সিনহা হত্যা: এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ
প্রদীপের মাদক কারবার জেনে ফেলায় সিনহা হত্যা: র‌্যাব
শিপ্রা ও সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের 'সত্যতা নেই'
ওসি প্রদীপের পরিকল্পনায় সিনহা খুন: প্রতিবেদন

শেয়ার করুন

‘পাবজি খেলাকে’ কেন্দ্র করে কিশোর খুন

‘পাবজি খেলাকে’ কেন্দ্র করে কিশোর খুন

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে পাবজি গেম খেলাকে কেন্দ্র করে এক কিশোর নিহত হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

সিঙ্গাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেজাউল হক জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাবজি গেম খেলা নিয়ে রাজু ও আলিফের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কালিগঙ্গা নদীর পাড়ে কাশবনের ভেতরে নিয়ে রাজুকে ইট দিয়ে আঘাত করে চলে যায় আলিফ।

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে মোবাইল ফোনে পাবজি গেম খেলাকে কেন্দ্র করে এক কিশোর খুন হয়েছে।

সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোররাতে কিশোর রাজু মারা যায়।

এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিঙ্গাইর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. রেজাউল হক।

নিহত ১৪ বছর বয়সী রাজু আহমেদ উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের দক্ষিণ সাহরাইল এলাকার মোসলেম মিয়ার ছেলে। সে স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থী ছিল।

আটক ১৬ বছর বয়সী আলিফ একই এলাকার রাজু কোরাইশীর ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবারের বরাত দিয়ে সহকারী পুলিশ সুপার মো. রেজাউল হক জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পাবজি গেম খেলা নিয়ে রাজু ও আলিফের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে কালিগঙ্গা নদীর পাড়ে কাশবনের ভেতরে নিয়ে রাজুকে ইট দিয়ে আঘাত করে চলে যায় আলিফ।

পরে রাজুর চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে মারা যায় রাজু।

তিনি আরও জানান, শনিবার সকালে রাজুর মৃত্যুর খবর শুনে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবারের সদস্যরা আলিফের বাড়িতে হামলা চালান। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এনে আলিফকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

এ ঘটনায় সিঙ্গাইর থানায় একটি হত্যা মামলা হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
সিনহা হত্যা: শিপ্রার অব্যাহতির বিরুদ্ধে পুলিশের নারাজি
সিনহা হত্যা: এসপি মাসুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার সুপারিশ
প্রদীপের মাদক কারবার জেনে ফেলায় সিনহা হত্যা: র‌্যাব
শিপ্রা ও সিফাতের বিরুদ্ধে অভিযোগের 'সত্যতা নেই'
ওসি প্রদীপের পরিকল্পনায় সিনহা খুন: প্রতিবেদন

শেয়ার করুন