নোয়াখালীতে ইউপি সদস্য ও প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যা

হাতিয়ায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় ইউপি সদস্য রবীন্দ্র চন্দ্র দাসকে (বাঁয়ে), সূবর্ণচরে খুন হন প্রবাসী কামাল। ছবি: নিউজবাংলা

নোয়াখালীতে ইউপি সদস্য ও প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীর হাতিয়া ও সুবর্ণচরে বুধবার দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটে। হাতিয়ায় হত্যা করা হয় ইউপি সদস্য রবীন্দ্র চন্দ্র দাসকে। সুবর্ণচরে দুর্বৃত্তের হামলায় নিহত হন ওমানপ্রবাসী কামাল উদ্দিন।

নোয়াখালীর হাতিয়া ও সুবর্ণচরে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য ও প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। দুটি ঘটনাই ঘটেছে বুধবার।

এর মধ্যে হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউপির ৩ নম্বর ওয়ার্ডে রাত পৌনে তিনটায় হত্যা করা হয় ইউপি সদস্য রবীন্দ্র চন্দ্র দাসকে।

তিনি হাতিয়া উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন মুহিন বলেন, রাতে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাংলাবাজার এলাকায় দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

এর আগে বুধবার বিকেলে সুবর্ণচরের চরওয়াপদা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে কুপিয়ে জখম করা হয় প্রবাসী কামাল উদ্দিনকে। রাতে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা নেয়ার সময় পথে তিনি মারা যান।

কামালের বাড়ি ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চরকাজী মোখলেস গ্রামে।

তার ছোট ভাই বেলাল হোসেন বলেন, কামাল ওমান থাকেন। দুই মাস আগে তিনি দেশে আসেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কামাল সদস্য পদপ্রার্থী জয়নাল আবেদীনের পক্ষে এলাকায় ভোট চেয়েছিলেন। এ কারণে অন্য দুই সদস্য প্রার্থী তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। নির্বাচনের জেরে এলাকায় মারামারির ঘটনায় প্রতিপক্ষের দেয়া মামলায় ২৪ দিন জেলও খাটেন কামাল।

বেলালের অভিযোগ, গত মঙ্গলবার রাতে স্থানীয় বাজারে গিয়ে কামালকে হত্যার হুমকি দেন সদস্য পদপ্রার্থী আব্দুর রহিম ও তার সমর্থকরা। তারাই কামালকে হত্যা করেছে।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বিকেলে এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন কামাল। সেখানে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। তাকে কুপিয়ে জখম করা হয়, ভাঙচুর করা হয় তার মোটরসাইকেল। বাধা দিতে গেলে আহত হন কালু মিয়া নামের স্থানীয় একজন।

পুলিশ গিয়ে আহত দুইজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। আটক করা হয় দুইজনকে।

ওসি বলেন, অবস্থার অবনতি হলে কালামকে কুমিল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা যান।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় তরুণ নিহত

অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় তরুণ নিহত

এএসআই শীলব্রত বড়ুয়া বলেন, ‘শুক্রবার সকালে মিরসরাইয়ে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন দিশান। রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক দিশানকে মৃত ঘোষণা করেন।’

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় দিশান উদ্দিন নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই সদরে শুক্রবার পৌনে সাতটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ১৯ বছর বয়সী দিশান উদ্দিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাকোড় এলাকার বাসিন্দা। দিশান ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শীলব্রত বড়ুয়া নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘শুক্রবার সকালে মিরসরাইয়ে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন দিশান। রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক দিশানকে মৃত ঘোষণা করেন।’

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন

চেয়ারে বসা নিয়ে দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত

চেয়ারে বসা নিয়ে দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আনোয়ার নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি শাহনুর এ আলম জানান, বড়ইউন্দ বাজারে এক ওষুধের দোকানে চেয়ারে বসা নিয়ে আনোয়ারের সঙ্গে একই গ্রামের সোহেল মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়। এরই জেরে সোহেল তার বাবা মরম আলীসহ কয়েকজন সহযোগী নিয়ে আনোয়ারের উপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ওষুধের দোকানের এক চেয়ারে বসা নিয়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের বড়ইউন্দ বাজারে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ২৫ বছর বয়সী আনোয়ার হোসেনের বাড়ি উপজেলার রনাজিরপুর ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রামে। তিনি ময়মনসিংহে আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ছিলেন।

আহত দুইজন হলেন নিহতের বাবা মকবুল হোসেন ও চাচাতো ভাই মনির হোসেন।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহনুর এ আলম জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বড়ইউন্দ বাজারে এক ওষুধের দোকানে চেয়ারে বসা নিয়ে আনোয়ারের সঙ্গে একই গ্রামের সোহেল মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়।

এরই জেরে সোহেল, তার বাবা মরম আলীসহ কয়েকজন সহযোগী নিয়ে আনোয়ারের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। খবর পেয়ে আনোয়ারের বাবা মকবুল ও চাচাতভাই মনির ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়।

এ সময় ছুরিকাঘাতে তিনজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আনোয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি দুইজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ওসি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যায় জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

একটি মামলাও হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আ. লীগের সভাপতি মঈনুদ্দীনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আ. লীগের সভাপতি মঈনুদ্দীনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনুদ্দীন মন্ডল। ছবি: নিউজবাংলা

মঈনুদ্দীন মন্ডল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনুদ্দীন মন্ডল মারা গেছেন।

রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রেজা ইমন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। দীর্ঘদিন থেকে তিনি বাধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সপ্তাহখানেক আগে ঢাকায় নেয়া হয়।

তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মঈনুদ্দীন মন্ডল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্রসংসদের ভিপি ও জিএস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থেকে তৎকালীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহকুমা ছাত্রলীগের সভাপতি, বৃহত্তর রাজশাহী ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অন্যতম সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এ ছাড়া মঈনুদ্দীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

শেয়ার করুন

খুলনার ৩ হাসপাতালে ১ দিনে ৯ মৃত্যু

খুলনার ৩ হাসপাতালে ১ দিনে ৯ মৃত্যু

খুলনার তিনটি হাসপাতালে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ৬, গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২ ও জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনার তিনটি হাসপাতালে করোনাভাইরাস ও উপসর্গ নিয়ে এক দিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ৬, গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২ ও জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা করোনা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জনের করোনায় ও ১ জনের মৃত্যু হয় উপসর্গ নিয়ে।

১৩০ শয্যার এ হাসপাতালে সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৫৪ জন রোগী ভর্তি ছিল। এর মধ্যে রেড জোনে ৯৬, ইয়ালো জোনে ২৩, এইচডিইউতে ২০ ও আইসিইউতে ১৬ জন চিকিৎসাধীন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৩৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২২ জন।

খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে খুলনার রূপসা উপজেলার সরদার মনিরুল নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে ৬৯ জন। এর মধ্যে ৩০ পুরুষ ও ৩৯ জন নারী।

গাজী মেডিক্যালের স্বত্বাধিকারী গাজী মিজানুর রহমান জানান, এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তারা হলেন নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার শাহানা জামান ও পিরোজপুর সদরের রহিমা।

তিনি আরও জানান, হাসপাতালে ৯৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে আইসিইউতে ৯ ও এইচডিইউতে ৭ জন চিকিৎসাধীন।

এক দিনে হাসপাতালে ২৯ জন ভর্তি হয়েছে। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১৯ জন।

এ ছাড়া হাসপাতালের আরটি পিসিআর মেশিনে ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২২ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ মেহেদী নেওয়াজ জানান, খুলনা মেডিক্যালের পিসিআর ল্যাবে বৃহস্পতিবার রাতে ৩৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৯৯ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

খুলনার ৩২১ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৭৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

এ ছাড়া বাগেরহাটের ১৪, যশোরের ৬, সাতক্ষীরার ২ ও গোপালগঞ্জের ১ জন রয়েছেন।

উপাধ্যক্ষ আরও জানান, মোট নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৫১ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

শেয়ার করুন

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী জানান, প্রতিবেশী এক নারী বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে ১২ বছরের মেয়েশিশুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে শিশুটিকে পানিতে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পান করান। এতে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে একই এলাকার অভিযুক্ত যুবক শিশুটিকে ধর্ষণ করে। 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থেকে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী।

তিনি জানান, ২ জুন বুধবার বিকেলে চকরিয়া খুটাখালীর ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গর্জনতলী এলাকায় প্রতিবেশী এক নারী বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে ১২ বছরের মেয়েশিশুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে তিনি শিশুটিকে খাবার খাওয়ানোর পর পানিতে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পান করান। এতে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে একই এলাকার অভিযুক্ত যুবক ওই নারীর সহায়তায় শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

একপর্যায়ে শিশুটি আবার অজ্ঞান হয়ে গেলে তারা শিশুটিকে তার নিজের বাড়িতে দিয়ে আসে।

শিশুর পরিবার অজ্ঞান হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা সঠিক কিছু জানাতে পারেনি।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ৭ জুন শিশুটির মা চকরিয়া থানায় দুইজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। প্রথমে অভিযান‌ চালিয়ে ১৩ জুন চকরিয়ার খুটাখালী থেকে সহযোগী ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে।

তার ২২ দিন পর ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই যুবককে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

 ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

জেল সুপার ইকবাল হোসেন জানান, বাবুল মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজায় জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে বাবুল নামের সাজাপ্রাপ্ত এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।

অসুস্থ অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে কুমিল্লা নেয়ার পথে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

৪৯ বছর বয়সী বাবুল কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের বায়েক গ্রামের বাসিন্দা।

জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, বাবুল আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা হাসপাতালে নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান।

তিনি আরও জানান, বাবুল মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজা পেয়ে জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।

শেয়ার করুন

ঈশ্বরদীতে প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ উদ্ধার, ১ নারী আটক

ঈশ্বরদীতে প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ উদ্ধার, ১ নারী আটক

আসাদুজ্জামান বলেন, 'যুবকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীর রক্তে ভেজা ছিল। আটক ছামেলা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।'

পাবনার ঈশ্বরদীতে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।

উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের আওতাপাড়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবক চাপা ইসলামের বাড়ি পাবনার চাটমোহরে।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, নিহত যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। তিনি ভ্যানে করে ঈশ্বরদীর বিভিন্ন গ্রামে ভিক্ষা করতেন। পাবনার পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় চাপার সঙ্গে ছামেলা খাতুনের আগে পরিচয় ছিল। এ জন্য আওতাপাড়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের ছামেলা খাতুনের শ্বশুরবাড়িতে যাতায়াত ছিল চাপার।

এ ঘটনায় ছামেলা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। তার বাড়িও চাটমোহরে।

ওসি আরও জানান, হয়তো টাকাপয়সার কোনো বিষয় নিয়ে ঝামেলা হওয়ায় চাপাকে পরিকল্পিতভাবে বাড়িতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে ছামেলা খাতুনসহ তার পরিবার। গভীর রাতে লাশটি গুম করার পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে গেলে স্থানীয় কুলি ছাইদার হোসেন ও ওই ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার রহিদুল্লাহকে সাথে নিয়ে জনৈক মানিক সরদারের বাড়িতে গেলে তাদের ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়া হয়। পরে তারা থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে।

আসাদুজ্জামান বলেন, 'যুবকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। শরীর রক্তে ভেজা ছিল। আটক ছামেলা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।'

শেয়ার করুন