ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬

ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৬

পুলিশ জানিয়েছে, বিকেল ৩টার দিকে ময়মনসিংহ সদরের শম্ভুগঞ্জ এলাকার রশিদপুরে একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। বিকেল পৌনে ৩টার দিকে মুক্তাগাছার সত্রাশিয়া এলাকায় ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কে একটি বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়।

ময়মনসিংহ সদর ও মুক্তাগাছা উপজেলায় বুধবার বিকেলে কাছাকাছি সময়ের সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে হয়েছে ৬। আহত হয়েছেন আরও ৭ জন।

সদর উপজেলার দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার বাবলু মিয়া, নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলার রিপন মিয়া ও তার ছেলে আবিদ ।

মুক্তাগাছায় নিহতরা হলেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দাপুনিয়া গ্রামের আমিনুল ইসলাম, রিতা আক্তার ও শিশু তানভীর।

পুলিশ জানিয়েছে, বিকেল ৩টার দিকে ময়মনসিংহ সদরের শম্ভুগঞ্জ এলাকার রশিদপুরে একটি বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হন। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত তিনজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে মারা যান আরেকজন।

বিকেল পৌনে ৩টার দিকে মুক্তাগাছার সত্রাশিয়া এলাকায় ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কে একটি বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে সাতজন আহত হন। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাদের মধ্যে দুইজনের মৃত্যু হয়। কিছু সময় পর মৃত্যু হয় আরও একজনের।

ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফারুক হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ থেকে ময়মনসিংহ আসছিল অটোরিকশাটি। ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোণা যাচ্ছিল মহুয়া নামের বাসটি। বিকেল ৩টার দিকে সদর উপজেলার রশিদপুরে বাসটির সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায় ও বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে।

তিনি আরও জানান, সড়কটি শ্যামগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অধীনে থাকায় মরদেহ তাদের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। গাড়ি দুটি জব্দ করা হয়েছে।

মুক্তাগাছা থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম জানান, ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে একটি বাস ময়মনসিংহের দিকে আসছিল। বিকেল পৌনে ৩টার দিকে বাসটি মুক্তাগাছার সত্রাশিয়া এলাকার কানাই বটতলা পৌঁছালে একটি অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়; আহত হন চালকসহ সাতজন। এ সময় একটি টমটমের আঘাতে অটোরিকশাটির আরও তিন আরোহী গুরুতর আহত হন। আহত ১০ জনকেই স্থানীয়রা উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

তিনি বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই বাসচালক পালিয়ে যান। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। ১০ জন চিকিৎসাধীন ছিলেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে অটোরিকশার দুই যাত্রী মারা গেছেন। কিছু সময় পর মৃত্যু হয় আরও একজনের। দুই জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরলেও বাকি পাঁচ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন:
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
ভটভটি উল্টে ধান ব্যবসায়ী নিহত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অনির্দিষ্টকালের লকডাউনে মাগুরা

অনির্দিষ্টকালের লকডাউনে মাগুরা

মাগুরা সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান জানান, সর্বশেষ রোববার ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সাথে মহম্মদপুর উপজেলা সদরে তিনদিনে ২৯ নমুনায় ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের হার শতকরা ৪২ ভাগ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সোমবার সকাল থেকে মাগুরা শহরকে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। সেই সঙ্গে জেলার মহম্মদপুর উপজেলা সদরেও লকডাউন ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ছাড়া মাগুরার একমাত্র পৌরসভার ২, ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডে রেড অ্যালার্ট ঘোষণা করা হয়েছে। মহম্মদপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নকে রেড অ্যালার্টের আওতায় আনা হয়েছে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের প্রবেশপথে বাঁশের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে দেখা যায়। সেখfনে পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও স্কাউট সদস্যদের তদারকি করতে দেখা যায়। বিশেষ করে ভায়না মোড় থেকে ঢাকা রোড ও নতুন বাজার এলাকায় রিকশা, অটোরিকশা, মোটর সাইকেল প্রবেশে বাধা দেয়া হয়। তবে জরুরি পরিষেবাগুলোর যান প্রবেশে বাধা ছিল না।

মাগুরা সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান জানান, সর্বশেষ রোববার ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সাথে মহম্মদপুর উপজেলা সদরে তিনদিনে ২৯ নমুনায় ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের হার শতকরা ৪২ ভাগ।

তিনি বলেন, কঠোর লকডাউন দেয়া না হলে সংক্রমণ জেলার সবখানে ছড়িয়ে যাবে। জেলার এমন পরিস্থিতিতে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে লকডাউনের সুপারিশ করা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক সোমবার থেকে মাগুরা শহর ও মহম্মদপুর উপজেলা সদরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম জানান, লকডাউন কঠোরভাবে পালনে শহরের প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে। লকডাউন কার্যকর, রেডজোনে জনসাধারনের যাতাযাত সীমিতকরণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা হচ্ছে। বিশেষ করে শতভাগ মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে প্রশাসন মাঠে কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
ভটভটি উল্টে ধান ব্যবসায়ী নিহত

শেয়ার করুন

উদ্বোধনের আগেই সংযোগ সড়কে ধস

উদ্বোধনের আগেই সংযোগ সড়কে ধস

২ কোটি ৭৩ লাখ টাকায় নির্মিত সংযোগ সড়কটি উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

সোমবার সকাল ৯টার দিকে সেতুর দক্ষিণ পাশের সংযোগ সড়কটি ধসে পড়ে। একটি ট্রাক সড়কটি পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রামে আত্রাই নদীর ওপর নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক। এই প্রকল্পে খরচ হয়েছে ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

বানগ্রামের হাটকে যানজট মুক্ত রাখতে হাটের পূর্ব পাশে মহাসড়কের উত্তরে আত্রাই নদীর ওপর চলতি অর্থ বছরে সড়কটি নির্মাণ করে এলজিইডি।

সোমবার সকাল ৯টার দিকে সেতুর দক্ষিণ পাশের সংযোগ সড়কটি ধসে পড়ে। একটি ট্রাক সড়কটি পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, পণ্যবাহী ট্রাকটি উল্টে দুটি বসত বাড়িতে আঘাত হানে। এতে আহত হন তিনজন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাড়ি দুটি।

এ ঘটনায় ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনিয়মের অভিযোগ জোরালো হয়। স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই সংযোগ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ করে আসছিলেন তারা।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে প্রকল্পের ঠিকাদারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাকে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
ভটভটি উল্টে ধান ব্যবসায়ী নিহত

শেয়ার করুন

ধর্ষণের তিন মামলায় গ্রেপ্তার ২

ধর্ষণের তিন মামলায় গ্রেপ্তার ২

প্রতীকী ছবি।

পুলিশ বলছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় মামলাটি হয় গোপনে গোসলের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আরেক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগের। এ ছাড়া জাম খাওয়ানোর কথা বলে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটনের হারাগাছ থানায় রোববার পৃথক তিনটি ধর্ষণের অভিযোগে তিনটি মামলা হয়েছে।

ওই দিনই ২ আসামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় মামলাটি হয় গোপনে গোসলের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আরেক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগের।

এ ছাড়া জাম খাওয়ানোর কথা বলে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

হারাগাছ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) একেএম জাহিদ হোসেন জানান, রোববার সকালে জাম খাওয়ানোর কথা বলে এক শিশুকে ধানক্ষেতে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে সাহেবগঞ্জের আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মাকে পুরো ঘটনা জানিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আমিরুলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জের এসএসসি পরীক্ষার্থী সুমন বারি দাসের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী মেয়েটির মা রোববার রাতে হারাগাছ থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশিকা সুলতানা জানান, মোবাইল ফোনে ছেলে ও মেয়ের পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

‘৬ জুন কুড়িগ্রামের উলিপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মেয়েটির সঙ্গে দেখা হয় সুমন বারি দাসের। এরপর ১২ জুন সুমন মেয়েটির বাড়িতে যায়। এ সময় মেয়েটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে সুমন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুমন বারি দাসকে আটকসহ ভিকটিমকে উদ্ধার করে।’

এছাড়াও নগরীর সিগারেট কোম্পানি এলাকায় এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে মামলা হয়েছে।

রোববার রাতে ওই গৃহবধূ অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম ও তার বাবা আব্দুর রাজ্জাকসহ দুই চাচাকে আসামি করে হারাগাছ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, সম্প্রতি ওই গৃহবধূর গোসলের দৃশ্য গোপনে ভিডিওতে ধারণ করেন একই এলাকার আরিফুল ইসলাম। সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আরিফুল বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও মুছে ফেলার কথা বলে গৃহবধূর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকাও আদায় করেন। পরে ওই গৃহবধূ ঘটনাটি পরিবারের লোকজনকে জানালে তারা আরিফুলের পরিবারকে জানায়। স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার কথা ছিল কিন্তু হয়নি।

পরে ওই গৃহবধূ রোববার রাতে আরিফুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নগ্রাফী আইনে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলা পর আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রংপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল

করিম জানান, ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে রোববার রাতে হারাগাছ থানায়

পৃথক তিনিট মামলা হয়েছে। দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।

রংপুর মেট্রপলিটন আমলী আদালতে (হারাগাছ) সাধারণ নিবন্ধক মুনির হোসেন জানান, এ ঘটনায় দুই আসামীকে আদালতে নেয়া হলে হাকিম শুনানী শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
ভটভটি উল্টে ধান ব্যবসায়ী নিহত

শেয়ার করুন

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে দুই শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন তিন নারী। ছবি: নিউজবাংলা

‘২০১৭ সালে শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাররোখ ও আমানউল্লাহ তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। অগ্রীম হিসেবে শারমিন তাদের দেড় লাখ, নুরুননাহার আড়াই লাখ ও আলেয়া দেড় লাখ টাকা দেন।’

জয়পুরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভন দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ওই দুই শিক্ষক নেতা হলেন ক্ষেতলাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও জিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক ওয়াদুদ ফাররোখ এবং পাঁচবিবি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচবিবি ঢাকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আমানউল্লাহ।

জেলা প্রেসক্লাবে সোমবার বেলা ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন তিন নারী।

অভিযোগকারী তিন নারী হলেন আক্কেলপুর উপজেলার কাশিড়া লক্ষ্মীভাটা গ্রামের আলেয়া বেগম, শারমিন আক্তার ও জয়পুরহাট সদরের জয়পার্বতীপুর দক্ষিণ কান্দি গ্রামের নুরুননাহার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন শারমিন আক্তার।

তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালে শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাররোখ ও আমানউল্লাহ তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। অগ্রীম হিসেবে শারমিন তাদের দেড় লাখ, নুরুননাহার আড়াই লাখ ও আলেয়া দেড় লাখ টাকা দেন।’

এরপর আক্কেলপুর মুজিবুর রহমান কলেজের পেছনে একটি শিশু কল্যাণ স্কুলও চালু করেন তারা। দেড় বছর সেই স্কুলের মাসিক ৬ হাজার টাকা ভাড়া শোধ করেন এই তিন নারী। কিন্তু তারা চাকরি দিব-দিচ্ছি বলে টালবাহানা করতে থাকেন ও একপর্যায়ে নান রকম হুমকি দেয়া শুরু করেন।

এ বছরের ৩১ মে ওই তিন নারী এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে জয়পুরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে সংবাদ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেন।

এ বিষয়ে ফাররোখ ও আমানউল্লাহর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এত কথা মোবাইলে বলা সম্ভব না। সামনাসামনি জানাবেন।

কিন্তু পরে আবার ফোন করলে তারা জানান, কিছু টাকা তারা ফেরত দিয়েছেন। বাকিটাও দিয়ে দেবেন।

আরও পড়ুন:
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
ভটভটি উল্টে ধান ব্যবসায়ী নিহত

শেয়ার করুন

শ্বশুরবাড়িতে ‘চারমাস বন্দি’ নারী দুই সন্তানসহ উদ্ধার

শ্বশুরবাড়িতে ‘চারমাস বন্দি’ নারী দুই সন্তানসহ উদ্ধার

এই বাড়িতে ‘চারমাস বন্দি’ থাকার পর ওই নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় এক গৃহবধূকে দুই সন্তানসহ চার মাস গৃহবন্দি রাখার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকের বিরুদ্ধে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করেছে।

উপজেলার নয়মাইল এলাকা থেকে সোমবার দুপুরে শ্বশুরবাড়ির তৃতীয় তলা থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়।

শাজাহানপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ১১ বছর আগে শাহাজানপুরের আড়িয়া ইউনিয়নের নয়মাইল মন্ডলপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে হয়। তাদের দুটি কন্যা শিশু আছে।

ওই নারীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। এরপর গত চার মাস ওই নারীকে তার বাবার বাড়ির কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হয়নি।

স্বামী রফিকুল ইসলাম তাকে ওই বাড়ির ৩য় তলায় সন্তানসহ বন্দি করে রাখেন। তাদের ঠিকমতো খাবার দেয়া হতো না। কৌশলে তিনি বাবা-মাকে বিষয়টি জানালে তারা মেয়েকে নিতে এলে দেখা করতে দেয় না শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

এরপর তার বাবা শাজাহানপুর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ গিয়ে তাকে সন্তানসহ উদ্ধার করে বাবা-মায়ের জিম্মায় দেয়।

এসআই আব্দুর রহমান জানান, তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই নারীর স্বামীসহ শশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
ভটভটি উল্টে ধান ব্যবসায়ী নিহত

শেয়ার করুন

ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারীর

ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারীর

পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ একেএম বানিউল আনাম জানান, রোববার সকালে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন ফণীন্দ্র নাথ। ওই সময় ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি মালবাহী ট্রাক তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।

বগুড়ার শেরপুরে ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ফণীন্দ্র নাথ নামে এক পথচারী মারা গেছেন।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসাপাতলে সোমবার বিকেলে অবস্থায় মারা যান তিনি।

এর আগে উপজেলার শেরুয়া বটতলা বাজার এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে রোববার সকালে এক দুর্ঘটনায় তিনি আহত হন।

নিহত ফণীন্দ্র নাথ ধুনট উপজেলার বিলকাজলী গ্রামের বাসিন্দা।

শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ একেএম বানিউল আনাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রোববার সকালে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন ফণীন্দ্র নাথ। ওই সময় ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি মালবাহী ট্রাক তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেলে মারা যান তিনি।

মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
ভটভটি উল্টে ধান ব্যবসায়ী নিহত

শেয়ার করুন

জলাবদ্ধতা: ফতুল্লায় পানিবন্দি হাজারো মানুষ

জলাবদ্ধতা: ফতুল্লায় পানিবন্দি হাজারো মানুষ

পৌষারপার এলাকার বাসিন্দা চিকিৎসক মোহাম্মদ দুলাল বলেন, ‘গত তিন বছর ধরে বর্ষা আসার আগে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায় পুরো এলাকা। গত দুই বছর নানাভাবে পানি নিষ্কাশন করা হয়েছে, কিন্তু এ বছর এলাকার মানুষের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে। ঘরের ভেতর পানি, রাস্তা কোমর পর্যন্ত পানি। ঘর থেকে বের হলে সাথে করে একটি অতিরিক্ত পোশাক নিয়ে বের হতে হয়। নৌকায় বা ভ্যানে করে চলাচল করতে হয়।’

জলাবদ্ধতার কারণে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বাড়িঘর ও রাস্তা পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে তিনটি ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডের হাজারো মানুষ। নৌকায় ও ভ্যানে করে চলাচল করতে হচ্ছে স্থানীয় লোকজনদের।

সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে, সদর উপজেলার ফতুল্লা ইউনিয়নের লালপুর, পৌষার পাড়, এনায়েত নগর ইউনিয়নের উত্তর মাসদাইর ও কুতুবপুর ইউনিয়নের আলীগঞ্জ, নয়ামাটি, চিতাশাল, নুরবাগ ও দক্ষিণ দেলপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকার হাজারো মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব গ্রামের ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় ইট দিয়ে ঘরের আসবাপত্র উঁচু করা হয়েছে। ঘরের ভেতর পানি থাকায় রান্না করতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নারীরা। ময়লা ও দূষিত কালো পানি পেরিয়ে চলাচল করছে এলাকবাসী।

পৌষারপার এলাকার বাসিন্দা চিকিৎসক মোহাম্মদ দুলাল বলেন, ‘গত তিন বছর ধরে বর্ষা আসার আগে বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায় পুরো এলাকা। গত দুই বছর নানাভাবে পানি নিষ্কাশন করা হয়েছে, কিন্তু এ বছর এলাকার মানুষের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে। ঘরের ভেতর পানি, রাস্তা কোমর পর্যন্ত পানি। ঘর থেকে বের হলে সাথে করে একটি অতিরিক্ত পোশাক নিয়ে বের হতে হয়। নৌকায় বা ভ্যানে করে চলাচল করতে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কালো ও পচা পানিতে এলাকার মানুষের ডায়রিয়া, আমাশয়সহ নানা রোগে ভুগছে। বিশেষ করে অসুস্থরা সবচেয়ে বিপদে পড়ছেন। কারণ তাদের এ পানি পার হয়ে হাসপাতালে যেতে হয়। আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। অনেকে এলাকা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।’

লালপুর এলাকার বাসিন্দা মজিবুর রহমান বলেন, ‘এলাকার মানুষ পানিতে মরলেও কারও কিছু যায় আসে না। চেয়ারম্যান, মেম্বারের বাড়িতে তো পানি ওঠে নাই, তাই তারা বোঝে না মানুষের কষ্ট। এলাকার মানুষ চেয়ারম্যানদের কাছে গেলে তারা কয় দেখতাছি, কিন্তু পানি তো যায় না।’

চিতাশাল এলাকার সবজি দোকানি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘এলাকার অধিকাংশ দোকান বন্ধ। করোনা মহামারির জন্য এমনতেই ব্যবসার অবস্থা খারাপ তার ওপর এই পানি। তাই ইট দিয়ে মাচা করে সবজি রাখছি। আশপাশের মানুষ ময়লা দিয়ে আইসা কিনে নিয়ে যায়। অনেক কষ্টে আছি, কারে কমু এই কষ্ট।‘

ঘরের মধ্যে পানি থাকায় রান্না করতে নানা সমস্যায় ভুগছেন নারীরা। পৌষার পাড় এলাকার আলেয়া বেগম বলেন, ‘ময়লা পানি দিয়ে হাইটা দূর থেইকা ভালা পানি কিন্যা আনতে হয়। তারপর সেই পানি দিয়া রান্না করি। প্রতিবছর এই সময় রাস্তা, বাড়িঘরে পানি উঠে। বাচ্চারা ঘর থেকে বের হতে পারে না। শুনছি দুইটা মোটরের পাম্প দিয়ে পানি সরাইতাছে কিন্তু তারা কী পাম্প লাগাইছে যে এত দিনেও পানি যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত বছরও এমন হইছে দেড় মাস মানুষ পানির নিচে আছিল। এরপর মোটর দিয়া পানি সরানো হইছে। কিন্তু পানি সরানোর কোনো ব্যবস্থা নেয় না নেতারা। তাদের কাছে গেলে শুধু কয় সব ঠিক কইরা দিব।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পানি নিষ্কাশনের জন্য দুইটি মোটরের পাম্প বসানো হয়েছে কিন্তু তাতেও পানি সরানো সম্ভব হচ্ছে না। তার কারণ এলাকাটা নিচু। পাশের আরও দুইটা ইউনিয়নেও একই সমস্যা। আলাদিনের চেরাগ না পাইলে পানি সরানো সম্ভব না। এলাকার মানুষ অনেক কষ্ট করছে তা তো নিজের চোখেই দেখছি কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষে এর চেয়ে বেশি কিছু করার সামর্থ্য নেই। তাই জেলা প্রশাসনের কাছে পাম্প বাড়ানোর আবেদন করেছি। পাম্প বাড়ানো হলে পানি কমে যাবে।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মুস্তাইন বিল্লাহ নিউজবাংলাকে জানান, ‘ফতুল্লার কয়েকটি ওয়ার্ডের মানুষ জলবদ্ধতায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে একটি পাম্প দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে উপজেলা প্রশাসনকে। আশা করছি কয়েকদিনের মধ্যে পানি নেমে যাবে।’

ডিসি আরও বলেন, ‘এসব এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি কমিটি করা হয়েছে। এই কমিটিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে দ্রুত পানি নিষ্কাশন করে জলবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানের উপায় খুঁজতে, যাতে করে আগামীতে মানুষ পানিবন্দি না হয়।’

আরও পড়ুন:
রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় নিহত পথচারী
সেতুর রেলিং ভেঙে পড়ল গাড়ি, আহত ৪
বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে ট্রাকচালক নিহত
মোটরসাইকেল, ইজিবাইকে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২
ভটভটি উল্টে ধান ব্যবসায়ী নিহত

শেয়ার করুন