স্কুলছাত্রীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

স্কুলছাত্রীকে ‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

এসআই মাসুদ জানান, মেয়েটি কারও নাম জানত না। তবে দেখলে চিনতে পারবে বলেছিল। পরে মেয়েটির কথামতো অটোরিকশা স্ট্যান্ডে যাওয়া হয়। সেখানে মেয়েটি সজলকে শনাক্ত করলে তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সজল তার সহযোগীদের নাম বলে দেন।

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি অটোরিকশার চালক সজল মালাকারকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বাকি দুই আসামিকে ধরতে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কুলাউড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ আলম ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে জানান, গত সোমবার স্কুল থেকে অ্যাসাইনমেন্ট আনতে যাচ্ছিল ওই স্কুলছাত্রী। পথে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার স্ট্যান্ড থেকে তাকে ফুঁসলিয়ে কুলাউড়ায় নিয়ে যান ২৪ বছর বয়সী সজল।

সেখানকার একটি বাগানে সহযোগীদের নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন সজল। পরে কিশোরীকে এক সহযোগীর বাসায় নিয়ে যান অটোরিকশার চালক। সেই বাসা থেকে মেয়েটিকে নিয়ে একটি বাড়িতে যান তারা। সেখান থেকে রাতে তাকে (কিশোরী) বাড়ির পাশে নামিয়ে দিয়ে তারা চলে যান।

এসআই মাসুদ জানান, মেয়েটি কারও নাম জানত না। তবে দেখলে চিনতে পারবে বলেছিল। পরে মেয়েটির কথামতো অটোরিকশা স্ট্যান্ডে যাওয়া হয়। সেখানে মেয়েটি সজলকে শনাক্ত করলে তাকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ সজল তার সহযোগীদের নাম বলে দেন।

এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে সোমবার তিনজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেন। মঙ্গলবার দুপুরে সজলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। তিনি ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার বাকি দুই আসামি তুহিন মিয়া ও আরফান আলীকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিনয় ভূষণ রায়।

নিউজবাংলাকে তিনি আরও জানান, চিকিৎসার জন্য মেয়েটিকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিশু ছাত্রী ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা
সুবর্ণচরে আবার স্বামীকে গাছে বেঁধে নারীকে ‘ধর্ষণ’
অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগে ২ যুবক কারাগারে
ধর্ষণ মামলায় কারাগারে যুবক
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা, যুবক আটক

শেয়ার করুন

মন্তব্য