হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের

হোটেল মোটেল খুলতে আন্দোলনের ডাক পর্যটন ব্যবসায়ীদের

কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুবীর চৌধুরী মঙ্গলবার নিউজবাংলাকে জানান, বৈঠকে আগামী বৃহস্পতিবার হাঁড়ি-পাতিল মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পর্যটনশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার অংশগ্রহণ কামনা করা হয়।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে কক্সবাজারের হোটেল মোটেলগুলো খুলে দেয়ার দাবিতে আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন।

কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন সোমবার রাতে পর্যটনশিল্পের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে এক বৈঠক করে এ সিদ্ধান্ত নেয়।

কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্টহাউস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সুবীর চৌধুরী মঙ্গলবার নিউজবাংলাকে জানান, বৈঠকে আগামী বৃহস্পতিবার হাঁড়ি-পাতিল মিছিল কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে পর্যটনশিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার অংশগ্রহণ কামনা করা হয়।

সুবীর চৌধুরী বাদলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক করিম উল্লাহ কলিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পর্যটন উদ্যোক্তা মুফিজুর রহমান মুফিজ।

এতে বক্তব্য রেখেন কক্সবাজার সাউন্ড অ্যান্ড লাইটিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সাহেদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক রিপন বড়ুয়া অর্ণব, সাংগঠনিক সম্পাদক মোরশেদ, ঘোড়ামালিক সমিতির সহসভাপতি নিশান, বিচ বাইক মালিক সমিতির সভাপতি আনোয়ার হোসেন হিরু ও রিয়াদ হোসেন রাসেল, আবাসিক সঞ্চয় ও আত্ম-উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি মো. ইউনুস, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ও হোটেল শ্রমিকনেতা মাসুদুর রহমান মাসুদ।

সভায় সুবীর চৌধুরী বাদল বলেন, দীর্ঘদিন পর্যটন সেক্টর বন্ধ থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে কক্সবাজারের হোটেল মোটেলের প্রায় ৩০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। ফলে তারা এখন মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

এ ছাড়া রেস্তোরাঁর কর্মচারী, ঝিনুক ব্যবসায়ী, বিচ হকার, জিপগাড়ির চালক ও সহায়তারী, কিটকট কর্মচারী, শুঁটকি বিক্রেতা, বার্মিজ পণ্য ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত লক্ষাধিক মানুষ বেকার হয়ে গেছে। সবকিছু খুলে দিয়ে শুধু কক্সবাজার পর্যটন সেক্টর বন্ধ রাখা অনুচিত। করোনাকে সঙ্গে নিয়েই আমাদের জীবন চালাতে হবে। তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে কক্সবাজারের পর্যটন স্পট ও হোটেল-মোটেল-গেস্টহাউস খুলে দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় পর্যটনশিল্পের সঙ্গে জড়িত সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পর্যটনভিত্তিক সংগঠন ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কক্সবাজারের (টুয়াক) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এম এ হাসিব বাদল, এস এম কিবরিয়া, টুয়াক-এর সাধারণ সম্পাদক আশিক, আনোয়ার করিম, হোসাইন ইসলাম বাহাদুর, তুহিদুল ইসলাম তোহা, সুজন লস্কর, শওকত আলী খান, লোকমান হোসেন, আবদুর রহমান পাঞ্জেরী, নাজিম উদ্দীন, মিজানুর হক সিকদার, আবদুল মাজেদ পারভেজ, সোহেল শাহ, আরিফুল ইসলাম রিপন, আলাউদ্দিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রাজশাহীতে শিশু ধর্ষণ: ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত সন্দেহভাজন

রাজশাহীতে শিশু ধর্ষণ: ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত সন্দেহভাজন

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন এক যুবক। ছবি: নিউজবাংলা

নিহত যুবকের নাম শামীম হোসেন। তার বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায়।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছেন সুমাইয়া খাতুন নামের শিশু ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন এক যুবক।

উপজেলার ললিতনগর এলাকায় বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত যুবকের নাম শামীম হোসেন। তার বাড়ি রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায়।

রাজশাহীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতেখায়ের আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিস্তারিত আসছে...

শেয়ার করুন

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী জানান, প্রতিবেশী এক নারী বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে ১২ বছরের শিশুকে তার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে শিশুটিকে পানিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পান করান। এতে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে একই এলাকার অভিযুক্ত যুবক শিশুটিকে ধর্ষণ করে। 

কক্সবাজারের চকরিয়ায় শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন- র‌্যাব।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থেকে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী।

তিনি জানান, গত ২ জুন বুধবার বিকেলে চকরিয়া খুটাখালীর চার নম্বর ওয়ার্ডের গর্জনতলী এলাকায় প্রতিবেশী এক নারী বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে ১২ বছরের শিশুকে তার বাড়িতে নিয়ে আসে। পরে তিনি শিশুটিকে খাবার খাওয়ানোর পর পানিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে পান করায়। এতে শিশুটি অচেতন হয়ে পড়লে একই এলাকার অভিযুক্ত যুবক ওই নারীর সহায়তায় শিশুটিকে ধর্ষণ করে।

একপর্যায়ে শিশুটি আবার অজ্ঞান হয়ে গেলে তারা শিশুটিকে তার নিজের বাড়িতে দিয়ে আসে।

শিশুর পরিবার অজ্ঞান হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা সঠিক কিছু জানাতে পারেননি।

পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে ককক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পরে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ৭ জুন শিশুটির মা চকরিয়া থানায় দুইজনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। প্রথমে অভিযান‌ চালিয়ে ১৩ জুন চকরিয়ার খুটাখালী থেকে সহযোগী ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে আছেন।

তার ২২ দিন পর ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ওই যুবককে চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

 ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কারাগারে কয়েদির মৃত্যু

জেল সুপার ইকবাল হোসেন জানান, বাবুল মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজায় জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে বাবুল নামের সাজাপ্রাপ্ত এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।

অসুস্থ অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে কুমিল্লা নেয়ার পথে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মারা যান।

৪৯ বছর বয়সী বাবুল কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের বায়েক গ্রামের বাসিন্দা।

জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, বাবুল আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লা হাসপাতালে নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সেই মারা যান।

তিনি আরও জানান, বাবুল মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজা পেয়ে জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।

শেয়ার করুন

রাজশাহীতে করোনায় আরও ১৪ মৃত্যু, অর্ধেক নারী

রাজশাহীতে করোনায় আরও ১৪ মৃত্যু, অর্ধেক নারী

রাজশাহী মেডিক্যালের করোনা ইউনিটে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত করোনায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, মৃত ১৪ জনের মধ্যে ৫ জনের করোনা পজেটিভ ছিল। বাকিরা মারা যান উপসর্গ নিয়ে। তাদের মধ্যে ৭ জন নারী ও ৭ জন পুরুষ।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক দিনে আরও ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।

এর আগের ২৪ ঘণ্টাতে হাসপাতালটিতে ১৮ জনের মৃত্যু হয়, যা এখন পর্যন্ত ভাইরাসে এখানকার সর্বোচ্চ প্রাণহানি।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, মৃত ১৪ জনের মধ্যে ৫ জনের করোনা পজেটিভ ছিল। বাকিরা মারা যান উপসর্গ নিয়ে। মৃতদের মধ্যে সাতজন নারী ও সাতজন পুরুষ।

এ নিয়ে চলতি মাসের ২৫ দিনে (১ জুন থেকে ২৫ জুন) এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ২৭৭ জন।

এর মধ্যে শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছেন ১৩৮ জন। বাকিদের মৃত্যু হয়েছে উপসর্গ নিয়ে।

হাসপাতাল পরিচালক আরও জানান, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ছয়জনের বাড়ি রাজশাহীতে, তিনজনের নওগাঁয়, চারজনের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও একজনের বাড়ি নাটোরে।

বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, মৃত ১৪ জনের মধ্যে ৪ জনের বয়স ষাটোর্ধ। এ ছাড়া ত্রিশোর্ধ্ব ১, চল্লিশোর্ধ্ব ৪, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৫ জন মারা গেছেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৬৫ জন। এ সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৪৩ জন।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত করোনা ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন ৪২৩ জন। গতকাল এ সংখ্যা ছিল ৪০৪ জন।

শেয়ার করুন

চোরাইপথে গরু আসার শঙ্কায় খামারিরা

চোরাইপথে গরু আসার শঙ্কায় খামারিরা

ঈদ সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছেন মেহেরপুরের ছোট-বড় গরুর খামারিরা। ছবি: নিউজবাংলা

ঈদ সামনে রেখে লোকসান পুষিয়ে লাভের মুখ দেখার স্বপ্ন দেখছেন খামারিরা। তবে সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু আসায় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন তারা।  

‘আমি গত বছর তিনটা গরু বেশি দামের আশায় ঢাকায় নিয়ে গিয়েছিলাম। একটা গরু বেচতে পারলেও কম দাম বুলায় বাকি দুটো গরু নি বাড়ি চইলি আসি।

‘আমার খামারে এখন দশটা গরু। গতবারের ফেরত আসা গরু দুটোর এবার দাম ধরেছি আট লাখ টাকা। গ্রামের গরু ব‍্যাপারী আমাকে সাড়ে ছয় লাখ টাকা দিতে চাহিছে তা-ও আমি গরু দিনি। যা আছে কপালে আবার ঢাকায় নি যাব।’

নিউজবাংলাকে এভাবেই কোরবানি ঈদ নিয়ে নিজের প্রস্তুতির কথা জানালেন খামারমালিক এ‍্যামেলি।

ঈদ সামনে রেখে আগাম প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছেন মেহেরপুরের ছোট-বড় গরু খামারিরা। খামারগুলো এখন ব্যাপক ব‍্যস্ততা। ঈদের আগে ভারত সীমান্ত দিয়ে গরু না এলে লাভবান হবেন বলে আশা করছেন খামারিরা।

শেষ মুহূর্তে খামারে পশু চিকিৎসক এনে সেরে নিচ্ছেন গবাদিপশুগুলোর স্বাস্থ্য পরীক্ষা। এখন শুধু বিক্রির অপেক্ষা।

এরই মধ্যে অনেক খামারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ইউটিউবে গরুর ওজন, দাম ও সৌন্দর্য উল্লেখ করে বিক্রির জন‍্য প্রচার শুরু করেছেন। কেউ আবার খামারে গিয়ে নিজেই দাম যাচাই করছেন।

তবে শেষ সময়ে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ আসায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অনেক খামারি। তারা বলছেন, পুঁজি টিকিয়ে রাখতে হলে অবৈধ পথে গরু আনা বন্ধ করতে হবে। তা না হলে দেশের খামারিরা পশুর ন্যায্য মূল্য পাবেন না। এছাড়া অনেক খামারি এখনও গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে পারেননি।

চোরাইপথে গরু আসার শঙ্কায় খামারিরা

গরুর ব‍্যাপারী জামরুল গত কোরবানির ঈদে ১৫টি গরু গ্রামের পালনকারীদের কাছ থেকে দাম চুক্তি করে লাভের আশায় ঢাকায় নিয়ে আসেন। শেষমেশ তাকে তিন লাখ টাকা লোকসান গুনতে হয়। এখনও গত বছরের ঋণ শোধ করতে পারেননি তিনি। লাভের ওপর টাকা নিয়ে এ বছর গরু কিনেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি পনেরো পিস গরু দাম ঠিক কইরি কিনি নি। কিছু টেকা বাইনা করি গরু নি ঢাকায় গিছুনি। কিন্তু তিন লাখ টেকার মতো লছ হইছে। এখনও গতবারেরই কিছু টেকা বাকি আছে। তারপরে ও লাভের উপর টেকা নি দশটা গরু কিনিছি।’

কখন গরুর ব‍্যাপারীর লোকসান হয় এমন প্রশ্নের উত্তরে জামরুল বলেন, ‘যদি গরুর বাজারে গরুর চাহিদা না থাকে কিংবা ভারতীয় গরু দেশে ঢোকে তাহলে আমরা গরুর ব‍্যাপারীরা শেষ। লাভ তো দূরের কথা টেকা দেয়ার ভয়ে পালি বেড়াতে হয়।’

মা অ্যাগ্রো ফার্মের আবু বক্কর নিউজবাংলাকে জানান, তাদের ফার্মটিতে গত বছর ১০০টির ওপরে গরু ছিল। তবে গত বছর আশানুরূপ লাভ না পাওয়ায় এ বছর গরুর সংখ্যা কিছুটা কমে গেছে। বর্তমানে ফার্মে ৭০টির মতো গরু আছে।

তিনি বলেন, ‘সারা বছর দেশীয় পদ্ধতিতে গরু লালনপালন করি কোরবানির ঈদে লাভের মুখ দেখার আশায়। অথচ ঈদের কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই দেশের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় গরু প্রবেশ করে। এতে কষ্ট করে লালনপালন করা গরুর বাজার পড়ে যায়। কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে লোকসানের মুখে পড়তে হয়।’

চোরাইপথে গরু আসার শঙ্কায় খামারিরা

‌জেলা প্রাণ‌িসম্পদ কর্মকর্তা সাইদুর রহমানের দেয়া তথ‍্য অনুযায়ী, মেহেরপুর জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে খামারির সংখ্যা ২৮ হাজার ৮১০ জন।

গবাদিপশু মহিষের সংখ্যা ৫৭৬টি, গরু ৪৭ হাজার ১৫৫টি, খাসি ও ভেড়ার সংখ্যা ১ লাখ ২৫ হাজার ৭০৬।

জেলায় এবার কোরবানির পশুর লক্ষ‍্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৮ হাজার ৮০০টি। এসব পশু জেলার বাইরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে চলে যাবে।

খামারিদের সহযোগিতা ও প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি গবাদিপশুকে স্টেরয়েডমুক্ত খাবার খাওয়ানোর পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

দেশের খামারিরা যাতে পশু বিক্রির ন্যায্য দাম পান সে জন্য সীমান্তে কঠোর নজরদারি রাখা হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মুনসুর আলম বলেন, ‘সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে যেন ভারতীয় গরু ঢুকতে না পারে সে জন‍্য বিজিবির সঙ্গে কথা হয়েছে। জেলায় পর্যাপ্ত কোরবানির পশু আছে, যা জেলার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হবে।

শেয়ার করুন

মাদ্রাসা বন্ধ করে মার্কেট, ভাড়ার টাকা নিচ্ছেন আ. লীগ নেতা

মাদ্রাসা বন্ধ করে মার্কেট, ভাড়ার টাকা নিচ্ছেন আ. লীগ নেতা

ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমিই খাচ্ছি সকল টাকা, তাতে কী? মার্কেটের দোতালায় মাদ্রাসা নির্মান করা হবে সময় হলে। এমপি কিছু টিআর বরাদ্দ দিয়েছে। বাকি টাকা হলে কাজ শেষ করে মাদ্রাসা চালু করা হবে।’

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে ব্রিটিশ আমলের একটি কওমি মাদ্রাসা বন্ধ করে মার্কেট নির্মাণ ও এর ভাড়ার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ আকন্দের বিরুদ্ধে।

স্থানীয়রা বলছেন, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সাত বছর ধরে মাদ্রাসা ও সরকারি জায়গায় মার্কেট বানিয়ে ভাড়া তুলছেন গোলাম আকন্দ।

তারা জানান, সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার প্রবেশদ্বার সমেশপুর বাজারে ব্রিটিশ আমলে সরকারি জায়গায় সমেশপুর দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর হাজী আজগড় আলী নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি মাদ্রাসার পাশে থাকা তার ২০ শতক জায়গা দান করেন।

এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় এলাকাবাসী আরও ৪৫ শতক জায়গা এই মাদ্রাসাকে দান করেন। মাদ্রাসার উন্নয়ন আর খরচ জোগাতে বেলকুচি-কড্ডার মোড় আঞ্চলিক সড়কের সঙ্গে ১২টি দোকান করে ভাড়া দেয় মাদ্রাসা কমিটি। ধীরে ধীরে মাদ্রাসার লেখাপড়ার মান ভালো হলে বাড়তে থাকে ছাত্রসংখ্যা।

একটি টিনেরচালা ঘরে মাদ্রাসার চার জন শিক্ষক প্রায় ২০০ শিক্ষার্থীকে পড়াতে ও আবাসিক সুবিধা দিতে সমস্যার মুখে পড়েন।

এর সমাধানের কথা বলে হাজী আজগড় আলীর দান করা ২০ শতক জায়গার ওপর একটি তিনতলা মাদ্রাসার ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন কমিটির সভাপতি বদিউজ্জামান এবং সাধারণ সম্পাদক ও রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ।

মাদ্রাসা বন্ধ করে মার্কেট, ভাড়ার টাকা নিচ্ছেন আ. লীগ নেতা
রাজাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসার নামে থাকা ৪৫ ডিসিমাল জায়গা ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করে কাজ শুরু করেন ওই দুই নেতা। এরই মধ্যে সরকারিভাবে ও স্থানীয়দের অনুদান মেলে আরও ২৮ লাখ টাকা। ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে এই ভবনটি নির্মাণের কথা বলে সাময়িকভাবে মাদ্রাসা বন্ধ করে দেয় কমিটি।

তারা বলছেন, মাদ্রাসা ভবনের নিচতলা নির্মাণ শেষ হলে সেখানে শ্রেণিকক্ষ না বানিয়ে মার্কেট হিসেবে ২৮টি দোকান করে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ভাড়া দেন মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ।

সমেশপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা ছোটবেলায় এই মাদ্রাসায় মক্তব পড়েছি। উন্নয়নের কথা বলে নেতারা মাদ্রাসা বন্ধ করে দিয়ে মার্কেট বানিয়ে প্রতিমাসে ভাড়া তুলে ভাগ বাটোয়ারা করে খাচ্ছে। অথচ মাদ্রাসা চালু করছে না। স্থানীয় এমপির মদদে তারা এসব অপকর্ম করতে পারছে।’

রাজাপুর গ্রামের আক্তার হোসেন বলেন, ‘মানুষ বিভিন্ন জায়গা থেকে ভিক্ষা করে টাকা তুলে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান করে সওয়াবের আশায় আর এরা প্রতিষ্ঠান বিলুপ্তি করে মার্কেট নির্মাণ করে মাদ্রাসার নামে প্রকল্প এনে লুটেপুটে খাচ্ছে। এরা মারা গেলে কবরে কী জবাব দেবে? আমরা দ্রুত এই মাদ্রাসা চালু দেখতে চাই।’

মাদ্রাসা মার্কেটের দোকানদার সঞ্জয় সাহা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সমেশপুর দারুল উলুম কওমী মাদ্রাসা নেই, তবুও মার্কেটের দোকানের অ্যাডভান্স ও সব ভাড়া নেন আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ। আমি প্রতিমাসে আড়াই হাজার টাকা ভাড়া দেই আর অ্যাডভান্স দিয়েছি দুই লাখ টাকা।’

মাদ্রাসা বন্ধ করে মার্কেট, ভাড়ার টাকা নিচ্ছেন আ. লীগ নেতা


আরেক দোকানদার সামাদ ভুঁইয়া বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছ থেকে লিজ নিয়ে এসেছি, তবুও নেতাকে ভাড়া দিতে হয় প্রতি মাসে। আমার কাছ থেকে দুইবার মাদ্রাসার ঘর নির্মাণের কথা বলে দেড় লাখ টাকা অ্যাডভান্স নিয়েছে। আমরা এখানে অসহায়। ব্যবসা-বাণিজ্য করে খাই, তাদের সাথে ঝগড়া করে তো এখানে থাকতে পারব না। তাই তাদের কথামতোই চলতে হয়।’

মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সাবেক সদস্য আব্দুল হাকিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে একবারও কমিটি নিয়ে কোনো মিটিং করেনি। পরে আমরা কমিটির সাথে তিন বার মিটিং করার জন্য সাধারণ সভা করি। এতে কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ উপস্থিত হননি।

তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসা ভবন নির্মাণের আয়-ব্যয় সম্পর্কে আমরা কিছুই জানিনা। সে এখন মাদ্রাসা চালু করবে কিনা তাও জানিনা। কারণ সে আমাদের কমিটি থেকে বাদ দিয়ে দিয়েছে।’

মার্কেটে সরেজমিনে সংবাদ সংগ্রহে গেলে নিউজবাংলার প্রতিবেদকের ক্যামেরা দেখে আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম মোহাম্মদের ভাই আব্দুল হাই আকন্দ ক্যামেরা বন্ধ করে চলে যেতে হুঁশিয়ারি দেন।

মার্কেটের টাকা আত্মসাৎ নিয়ে সংবাদ প্রচার করলে অনেক খারাপ পরিণতি হবে বলেও হুমকি দেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক, রাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমিই খাচ্ছি সকল টাকা, তাতে কী? মার্কেটের দোতালায় মাদ্রাসা নির্মান করা হবে সময় হলে। এমপি কিছু টিআর বরাদ্দ দিয়েছে। বাকি টাকা হলে কাজ শেষ করে মাদ্রাসা চালু করা হবে।’

মাদ্রাসা বন্ধ করে মার্কেট, ভাড়ার টাকা নিচ্ছেন আ. লীগ নেতা


তিনি বলেন, ‘আমি এই মাদ্রাসার মার্কেট নির্মাণ করতে গিয়ে অনেক টাকা ঋণ করেছি। ঋণ শোধ করে মার্কেটের দোতালায় যে পিলার দেখছেন সেখানে ছাদ করেই মাদ্রাসা চালু করব। আমাকে নিয়ে এসব লিখে-টিকে কিছুই করতে পারবেন না।’

রাজাপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান সোনিয়া সবুর আকন্দ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মাদ্রাসা নেই তবুও সরকারি অনুদান ও মার্কেটের সকল টাকা আত্মসাৎ করছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাদ্রাসা কমিটির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোহাম্মদ আকন্দ।’

তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাচ্ছিনা। স্থানীয় এমপির ছত্রছায়ায় থাকায় তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো যা খুশি তাই করে বেড়াচ্ছে। আমি বারবার চেষ্ট করেও এই কমিটির কোনো মিটিং করাতে পারিনি।

‘তাই বাধ্য হয়ে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। আমরা চাই এই ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসাটি দ্রুত চালু হোক।’

বিষয়টি নিয়ে কথা বলার জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ আব্দুল মমিন মণ্ডলকে তার মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেন নি।

বেলকুচির সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম রবিন বলেন, ‘আমি নতুন এসেছি তাই ভালো করে জানিনা। তবে এলাকাবাসী ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের কিছু লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ইউএনও স্যারের সাথে কথা বলেছি। আমরা যৌথভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব।’

তিনি বলেন, ‘যদি মাদ্রাসা না থাকে তাহলে অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেয়া হবে।’

বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনিছুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি আমি এখনও অবগত নই। সহকারী কমিশনারকে পাঠিয়ে তদন্ত করে দেখছি। ঘটনা সত্য হলে আইন মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শেয়ার করুন

করোনা: তাড়িয়েছেন বাড়িওয়ালা, আমবাগানে রাতযাপন

করোনা: তাড়িয়েছেন বাড়িওয়ালা,  আমবাগানে রাতযাপন

করোনার কারণে সোহরাবকে তার বাবা জায়গা দেননি বাড়িতে। অবশেষে পুলিশ উদ্ধার করে তার আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছে।

করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ভাড়াবাড়ি থেকে বের করে দিয়েছেন বাড়ির মালিক। বাবার বাড়িতে গিয়েও জায়গা হয়নি। শেষ পর্যন্ত স্ত্রীকে নিয়ে দুই রাত কাটল আমবাগানে।

শেষ পর্যন্ত ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশের সহায়তা পেয়ে অবশেষে বাবার বাড়িতে তার জায়গা হয়েছে। পরে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তার কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে খাদ্যসহায়তা।

ঘটনাটি ঘটেছে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার আলীপুর গ্রামে। ওই গ্রামের খয়বর আলীর ছেলে সোহরাব আলী (৩৫) পেশায় অটো মেকানিক। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে দিনমজুরের কাজও করেন তিনি। দুই স্ত্রীর মধ্যে ছোট স্ত্রীকে নিয়ে আলীপুর বাজারের পাশেই একটি বাড়িতে ভাড়া থাকেন সোহরাব।

সোহরাব আলী জানান, হঠাৎ সর্দিজ্বর হওয়ায় গত মঙ্গলবার উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে নমুনা পরীক্ষার পর তার শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। তবে তার স্ত্রীর করোনা হয়নি।

করোনা পজিটিভ হওয়ার পর সোহরাব আলী তার ভাড়াবাড়িতে গেলে বাড়ির মালিক তাকে সেখানে থাকতে দিতে রাজি হননি। এরপর সোহরাব তার বাবার বাড়িতে যান থাকার জন্য। কিন্তু বাবা খয়বর আলীসহ পরিবারের অন্যরাও সেখানে জায়গা দিতে অস্বীকৃতি জানান।

বাধ্য হয়ে সোহরাব তার স্ত্রীকে নিয়ে বাবার বাড়ির পাশের একটি আমবাগানে টিনের ছাপরাঘরে আশ্রয় নেন।

করোনা: তাড়িয়েছেন বাড়িওয়ালা,  আমবাগানে রাতযাপন


দুই দিন অতিবাহিত হওয়ার পর বৃহস্পতিবার হটলাইন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন সোহরাব আলী। সেখানে তিনি জানান, তিনি বাড়িতে জায়গা পাননি। তার খাবারের প্রয়োজন। খবর পেয়ে দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলী জানান, ৯৯৯ হটলাইনে ফোন পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে সেখানে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়। বাড়িতে জায়গা না পাওয়ায় আমবাগানে একটি টিনের ছাপরাঘরের নিচে তারা অবস্থান করছিলেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সোহরাব আলীকে স্ত্রীসহ উদ্ধার করে তার বাবার বাড়িতে একটি ঘরে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। সেখানে তার হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করা হয়েছে। তাকে খাদ্যসামগ্রীও দেয়া হয়েছে। তার স্বাস্থ্যের ব্যাপারে সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছে পুলিশ।

শেয়ার করুন