কারাগার

নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগার। ছবি: নিউজবাংলা

‘গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, এক আসামি কারাগারে

নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, গত শুক্রবার রাতে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। রোববার রাতে সদর মডেল থানায় মামলা করেন নির্যাতিত গৃহবধূ। ওই মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোমবার সকালে আসামি মিঠুকে গ্রেপ্তার করে।

নারায়ণগঞ্জ শহরের নিমতলী এলাকায় দুই সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় মিঠু চন্দ্র দাস নামের এক আসামিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

সোমবার বিকেলে আসামি মিঠুকে নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম হুমায়ুন কবিরের আদালতে
নেয়া হলে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

নারায়ণগঞ্জ আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, গত শুক্রবার রাতে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। রোববার রাতে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করেন নির্যাতিত গৃহবধূ।

ওই মামলায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে সোমবার সকালে আসামি মিঠুকে গ্রেপ্তার করে। ৩৮ বছর বয়সী মিঠু নারায়ণগঞ্জ শহরের বাপ্পি চত্বর এলাকার বাসিন্দা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামি মিঠু চন্দ্র দাস আসা যাওয়ার পথে ওই নারীকে কুপ্রস্তাব দিতেন। গত শুক্রবার রাত ১১টার দিকে মিঠু তার সহযোগী দুই ব্যক্তিকে নিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। রাত দুইটার দিকে তাকে একটি ভবনের নিচে ফেলে তিনজন চলে যান।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ্ জামান জানান, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় ওই গৃহবধূ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপার চেষ্টা
‘শিশু বলাৎকারের’ অভিযোগে বৃদ্ধ ব্যক্তি কারাগারে 
স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
১১ বছরের শিশুর বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ফকিরগঞ্জ বাজারে জল-কাদায় ভোগান্তি

ফকিরগঞ্জ বাজারে জল-কাদায় ভোগান্তি

পঞ্চগড়ের ফকিরগঞ্জ বাজারে কাদাপানির কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহান ব্যবসায়ীসহ বাসিন্দারা। ছবি: নিউজবাংলা

‘ছোট থেকে বড় হলাম কোনো দিন চোখে পড়ল না, এখানকার কোনো উন্নয়ন। জীবনে কোনো দিন হবে কি না সন্দেহ আছে।’

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলা সদরের প্রাণকেন্দ্রে প্রসিদ্ধ ফকিরগঞ্জ বাজারে। চাকরি, ব্যবসাসহ নানা প্রয়োজনে প্রতি দিনই এ বাজারে আসেন উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শত শত মানুষ।

বর্ষায় উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এ বাজারে এসে ভোগান্তি পড়েন তারা। কারণ বর্ষা এলেই বাজারের চারপাশে জমে থাকে বর্ষার পানি। প্রতি বছর প্রায় তিন মাস ধরে থাকে এ অবস্থা।

থকথকে কাদাপানিতে যেমন হাঁটার উপায় থাকে না আবার ছোট যান চলাচলেও ঘটে বিঘ্ন। প্রায় এক যুগ ধরে এভাবেই ভোগান্তি পোহাচ্ছে উপজেলাবাসী।

স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, জনপ্রতিনিধিরা প্রতি বছরই পানি নিষ্কাশন ও বাজার পরিষ্কার করার আশ্বাস দিলেও কোনো কাজই করা হয়নি।

বাজারের ব্যবসায়ী আশরাফুল আলম বলেন, ‘ছোট থেকে বড় হলাম কোনো দিন চোখে পড়ল না, এখানকার কোনো উন্নয়ন। জীবনে কোনো দিন হবে কি না সন্দেহ আছে।’

ফকিরগঞ্জ বাজারে জল-কাদায় ভোগান্তি

আটোয়ারী বাসস্ট্যান্ডে মনোহারির দোকানদার নজরুল ইসলাম বলেন, ‘ভোটের আগে রাজনৈতিক দলের নেতাদের প্রতিশ্রুতি ছিল ফকিরগঞ্জ বাজারের উন্নয়ন করা হবে। কিন্তু নির্বাচিত হয়ে নেতারা তাদের নিয়েই ব্যস্ত। কে রাখে কার খবর।’

উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল ইসলাম অবশ্য দাবি করেছেন, বাজারের পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বর্ষার শেষে এর কার্যক্রম শুরু হবে।

জনগণের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ উপলব্ধি করে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জলবদ্ধতা নিরসনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে দাবি করে ইউএনও আবু তাহের মোহাম্মদ সামসুজ্জামান জানান, ড্রেনেজ ব্যবস্থা হলে জনগণ উপকৃত হবে। তাদের আর চলাচলে ভোগান্তিতে পড়তে হবে না।

আরও পড়ুন:
বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপার চেষ্টা
‘শিশু বলাৎকারের’ অভিযোগে বৃদ্ধ ব্যক্তি কারাগারে 
স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
১১ বছরের শিশুর বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

শেয়ার করুন

কোরবানির পর্যাপ্ত পশু নেই খুলনায়

কোরবানির পর্যাপ্ত পশু নেই খুলনায়

খুলনা সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ উৎপাদিত পশু দিয়ে কোরবানির চাহিদা মেটানো দায় হয়ে পড়ছে। এ কারণেই এই লকডাউন ও করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অন্য জেলা থেকে পশু আনতে হবে। এতে করে পশুর দামও বেড়ে যেতে পারে।’

করোনাভাইরাসের তীব্র সংক্রমণের মধ্যেও টানা দ্বিতীয়বারের মতো দেশে পালিত হবে ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। এই ঈদে খুলনায় ৫ হাজার ২১২টি খামারে কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ৪৭ হাজার ৭৮৯টি পশু। কিন্তু জেলায় এবার পশুর চাহিদা রয়েছে অন্তত পক্ষে ৭৫ হাজার। এই সংখ্যক পশু দিয়ে চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে না বলে আশঙ্কা জেলাবাসীর।

ঈদে পশুর চাহিদা মেটাতে খুলনা জেলার সদর, ফুলতলা, দিঘলিয়া, তেরখাদা, রুপসা, দাকোপ, কয়রা, পাইকগাছাসহ বেশকিছু উপজেলার খামারিরা পশুর খেয়াল রাখতে ও মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

ডুমুরিয়া উপজেলার বামনদিয়া গ্রামের খামারি আফসার শেখ বলেন, ‘হাটে নেয়ার আগে শেষ প্রস্তুতি হিসেবে ষাঁড়গুলোর যত্ন নিচ্ছি। ওষুধ না দিয়ে খাবারের মাধ্যমেই মোটাতাজা করা হয়েছে। আশা করছি ভালো দামেই বিক্রি করতে পারবো ষাঁড়।’

খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী খুলনা জেলায় এবার ৫ হাজার ২১২ জন খামারি ৪৭ হাজার ৭৮৯টি পশু প্রস্তুত করেছেন। এই পশুগুলোর মধ্যে ২৮ হাজার ৫৬৮টি ষাঁড়, ২ হাজার ৩১৯টি বলদ, ২ হাজার ৪০৪টি গাভি, ৯টি মহিষ, ১২ হাজার ২৩৯টি ছাগল এবং ২ হাজার ২৫০টি ভেড়া রয়েছে। এই পশুগুলোকে কোরবানির জন্য বিক্রির উদ্দেশ্যে হাটবাজারে নেয়া হবে।

তবে জেলায় এবার পশুর চাহিদার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৫ হাজার। গত বছর জেলায় কোরবানি হয়েছিল ৭৪ হাজার পশু। এ অবস্থায় এবার ঈদে জেলার অভ্যন্তরে খামারিরা যে পশু উৎপাদন করেছেন তা দিয়ে কোরবানির চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে না। অন্য জেলা থেকে আনতে হবে পশু।

ডুমুরিয়া উপজেলার বামনদিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান সরদার বলেন, ‘যৌথ পরিবার হওয়ায় আমার দুই-তিনটি পশু কোরবানি দিতে হয়। বাইরে থেকে আসা গরু দেখা যায় বেশি টাকা দিয়ে কিনতে হয়। আবার অন্য উপজেলা থেকে পশু আনতে গেলেও যাতায়াতের খরচ বেড়ে যায়। এমনকি হাটে টোলও বেশি দিতে হয়।’

খুলনা সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ উৎপাদিত পশু দিয়ে কোরবানির চাহিদা মেটানো দায় হয়ে পড়ছে। এ কারণেই এই লকডাউন ও করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অন্য জেলা থেকে পশু আনতে হবে। এতে করে পশুর দামও বেড়ে যেতে পারে।’

তবে এ ব্যাপারে খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রণজীতা চক্রবর্তী বলেন, ‘জেলার অভ্যন্তরে খামারিরা যে পশু উৎপাদন করেছেন তা দিয়ে কোরবানির চাহিদা মেটানো না গেলে আশপাশের জেলা থেকে পশু আনতে হবে। মহানগরীর জোড়াগেট হাটসহ জেলায় অন্তত ২৫-২৬টি হাট বসবে। সেখানে পাশ্ববর্তী জেলা থেকে পশু আসবে। তখন কোরবানির জন্য পশুর সংকট থাকবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোরবানির পশু যাতে রোগাক্রান্ত না হয় এ জন্য মেডিক্যাল টিম কাজ করবে। এ ছাড়া বাজারে অথবা বিক্রয় কেন্দ্রে যে পশুটিই আসুক, সেটাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে সেটির রোগ আছে কি না।

‘তবে বর্তমানে প্রাণিসম্পদ অফিস তৎপর এবং খামারিরাও সচেতন। ফলে এখন আর কোনো পশুর শরীরে ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার হয় না।’

আরও পড়ুন:
বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপার চেষ্টা
‘শিশু বলাৎকারের’ অভিযোগে বৃদ্ধ ব্যক্তি কারাগারে 
স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
১১ বছরের শিশুর বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

শেয়ার করুন

আমগাছে দড়িতে ঝুলছিল চা-শ্রমিকের মরদেহ

আমগাছে দড়িতে ঝুলছিল চা-শ্রমিকের মরদেহ

কমলগঞ্জের ওসি ইয়ারদৌস জানান, পাত্রখোলা চা-বাগানের ব্যবস্থাপক শামসুল ইসলাম জানালে ওই চা-বাগানের কবরস্থান এলাকা থেকে অর্জুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মরদেহ একটি আমগাছের ডালের সঙ্গে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে মাটিতে বসানো ছিল।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আমগাছের ডালের সঙ্গে ফাঁস দেয়া অবস্থায় অর্জুন মহালী নামের এক চা-শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে ওই যুবকের মরদেহ গাছের নিচে বসানো অবস্থায় ছিল। পুলিশের ধারণা, হত্যা করে মরদেহটি ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

কমলগঞ্জের সীমান্তবর্তী মাধবপুর ইউনিয়নের পাত্রখোলা চা-বাগানের কবরস্থান এলাকা থেকে শুক্রবার বেলা ২টার দিকে ওই চা-শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান।

২৭ বছর বয়সী অর্জুন মহালের বাড়ি পাত্রখোলা চা-বাগানের মসজিদ লাইনে।

ওসি ইয়ারদৌস জানান, পাত্রখোলা চা-বাগানের ব্যবস্থাপক শামসুল ইসলাম জানালে ওই চা-বাগানের কবরস্থান এলাকা থেকে অর্জুনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মরদেহ একটি আমগাছের ডালের সঙ্গে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে মাটিতে বসানো ছিল। মরদেহের পাশ থেকে একটি ম্যাচের বাক্স ও একটি রুটি পাওয়া যায়।

তিনি জানান, ওই এলাকায় গরু চড়াতে এসে কয়েকজন রাখাল তার মরদেহ দেখতে পায়।

অর্জুনের চাচাতো ভাই জাফর জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে অর্জুনকে পাওয়া যাচ্ছিল না। শুক্রবার দুপুরে এলাকাবাসীর কাছ থেকে তার মরদেহ পাওয়ার খবর পান।

ওসি ইয়ারদৌস জানান, অর্জুনের হাতে রক্তের দাগও ছিল। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।

আরও পড়ুন:
বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপার চেষ্টা
‘শিশু বলাৎকারের’ অভিযোগে বৃদ্ধ ব্যক্তি কারাগারে 
স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
১১ বছরের শিশুর বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

শেয়ার করুন

২২ মণের বাদশা, দাম ১৫ লাখ

২২ মণের বাদশা, দাম ১৫ লাখ

২২ মণ ওজনের ষাঁড়ের দাম হাঁকানো হচ্ছে ১৫ লাখ। ছবি: নিউজবাংলা

নওগাঁর মান্দার নলঘোর গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম। পেশায় মিষ্টির দোকানি। মিষ্টি তৈরি করে স্থানীয় পীরপালি বাজারে বিক্রি করেন। মিষ্টি বিক্রির লাভের টাকা দিয়ে ২০১৯ সালে ছাঁতড়া গরুর হাট থেকে তিনি কিনেছিলেন ষাঁড়টি।

দুই বছর আগে স্থানীয় বাজার থেকে ৬২ হাজার টাকায় পাকিস্তানি সিংড়ি জাতের একটি ষাঁড় কেনেন নওগাঁর রফিকুল ইসলাম। তার মেয়ে রিমা গরুটির নাম রাখে ‘বাদশা’। সেই থেকে পরম যত্নে ষাঁড়টিকে লালন-পালন করে কিশোরী। এটি হয়ে যায় তার পরিবারের অংশ।

কিন্তু দুই বছরের সে বন্ধনে ইতি ঘটতে পারে এবারের ঈদুল আজহার আগেই। প্রিয় ষাঁড়টিকে ছেড়ে দিতে হতে পারে রিমার।

তার বাবা রফিকুল ষাঁড়টির দাম হাঁকিয়েছেন ১৫ লাখ। এ দামে কেউ কিনলেই রিমার ষাঁড় চলে যাবে অন্য কারও উঠানে।

নওগাঁর মান্দার নলঘোর গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম। পেশায় মিষ্টির দোকানি। মিষ্টি তৈরি করে স্থানীয় পীরপালি বাজারে বিক্রি করেন। মিষ্টি বিক্রির লাভের টাকা দিয়ে ২০১৯ সালে ছাঁতড়া গরুর হাট থেকে তিনি কিনেছিলেন ষাঁড়টি।

রফিকুল জানান, বেশ কয়েকজন ক্রেতা গরুটির দাম ১১ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছেন। তবে ১৫ লাখ না হলে তিনি এটি বিক্রি করবেন না।

প্রায় ২২ মণ ওজনের ষাঁড়টি উচ্চতায় ৭ ফুট ৮ ইঞ্চি; চওড়ায় ৯ ফুট ১০ ইঞ্চি। রং টকটকে লাল। বিশাল আকৃতির বাদশাকে দেখতে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ; আসছেন গরু কেনার জন্য দূর-দূরান্তের ক্রেতারাও।

মন খারাপ রিমার

বাদশার বিক্রির কথা শুনে মন খারাপ হয় রিমার। সে বলে, ‘আব্বু যখন ষাঁড় কিনে এনেছিল তখন আমি নাম দিয়েছিলাম বাদশা। করোনায় আমার স্কুল প্রায় ১৫ মাস থেকে বন্ধ। তাই বাদশাকে আমিই বেশি দেখাশোনা করি।

২২ মণের বাদশা, দাম ১৫ লাখ

‘বাদশাকে গোসল করানো, খাবার দেয়া, গোয়ালঘরে রাতে কয়েল দেয়া, অসুস্থ হলে ওষুধ খাওয়ানো, সব আমি করছি। বাদশার গায়ে হাত বুলিয়ে দিলে সেও মাথা নাড়িয়ে তার মাথা আমার কোলে দেয়। বাদশার ক্ষুধা লাগলে বা অসুস্থ হলে আমি ঠিকই বুঝতে পারি।’

স্থানীয় একটি স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী রিমা বলে, ‘মনটা চাইছে না বাদশাকে বিক্রি করে দিতে। কিন্তু তাও বিক্রি করতে হবে। তবে একটু ভালো দাম পেলে আব্বুকে বলেছি লাভের টাকা দিয়ে আরেকটি ষাঁড় গরু যেন কিনে দেয়। আবার ষাঁড় গরু কিনলে তার নামও দিব বাদশা।’

‘মেলা ধরনের খাবার খিলান লাগিছে’

ষাঁড়টির মালিক রফিকুলের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘অনেক কষ্ট করা হামার (আমার) মিষ্টির দোকানের ১ বছরের লাভের টেকা দিয়া ষাঁড়ডা কিনিছি। কিনা আনার পর হামার মেয়েডা নাম দিছিল বাদশা। হামি আর হামার বউ কাজে ব্যস্ত থাকায় মেয়েডাই বেশি যত্ন লিছে (নিয়েছে)।

‘মেলা ধরনের খাবার খিলান (খাওয়ানো) লাগিছে। ভাত, মাষকলাই, মসুরের ছোলা, গুঁড়া, খৈল, মোটা ভুসি, আলু, ভুট্টা, কাঁচা ঘাস নিয়মিত খিলাছি। মাঝে মাঝে কলাও খিলাছি। দিন-রাত মিলা পাঁচ-ছয়বার খাবার দেয়া লাগে।’

বাদশার পেছনে দৈনিক খরচ নিয়ে রফিকুল বলেন, ‘প্রতিদিন হামার বাদশার জন্নি নানা রকম খাবার দেওয়া লাগিছে। ৩৫০-৪০০ টেকার খরচ করা লাগিছে বাদশার প্রতিদিন খাবার খরচ বাবদ। আর মাঝে মাঝে তো নানা ধরনের অসুখ হলে মেলা টেকা চলা যায় পশু ডাক্তারোক বাড়ি আনা চিকিৎসা করান লাগে।

‘ওষুধ খরচ মেলা পড়া যায় যখন অসুখ হয় বাদশার। গরু হলে কী হবে, তারও তো জীবন আছে। সব মিলা এ পর্যন্ত হামার প্রায় সাড়ে ৫ লাখ থাকা ৬ লাখের মতো খরচ হছে বাদশার জন্নি।’

মেয়ের ইচ্ছা অনুযায়ী বাদশাকে বিক্রির টাকা দিয়ে আরেকটি ষাঁড় কেনার কথা জানান রফিকুল।

তিনি বলেন, ‘হামার মেয়েডার বাদশার জন্নি খুব মায়া জন্মা গেছে। বেচার কথা শুনার পর মনডা খুবই খারাপ করা আছে। এখন কী আর করমু, বেচা তো লাগবেই। তয় বাদশাক বেচার পর আবার লাভের টেকা দিয়া একটা ষাঁড় গরু কিনা দিমু।’

বাদশার দরদাম

রফিকুল বলেন, ‘প্রতিদিনই মেলা জাগাত থ্যাকা লোকজন আসিচ্ছে বাদশাক কিনার জন্নি। একন পর্যন্ত ১০ থাকা ১১ লাখ পর্যন্ত দাম কছে। হামি ১৫ লাখ দাম চাচ্ছি। তয় সবাই হামার বাদশাক তো কিনবে না। যারা বড়লোক মানুষ এ্যানা (একটু) বড় দেকা (দেখে) মোটাতাজা গরু কিনবার চায়, তারাই কিনবে। এখন দেকা যাক কী হয়।

‘করোনার কারণে তো ম্যালা জাগাত থাকা মানুষ আসবার পারিচ্ছে না। মেলা জাগাত লকডাইন চলিচ্ছে। যদি লকডাউন না থাকলোনি হয়তো আরও মেলা মানুষ হামার বাদশাডাক অ্যাসা দেকে (এসে দেখে) পছন্দ করা কিনবার পারলোনি (কিনতে পারত)। আবার শুনিচ্ছি গরুর হাট নাকি বন্ধ থাকপে; লওগাঁর ডিসি স্যার নাকি ঘোষণা দিছে। তালে বাদশাক তো হাটোতও লিয়্যা (হাটে নিয়ে) যাবার পারমু না।’

রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘হামরা গরিব মানুষ এ্যানা দুডা টেকা বেশি লাভের জন্নি মেলা কষ্ট করা লালন-পালন করা বড় করা তুলিছি। একন যদি কোরবানির কারণে দাম ভালো পাই তয় এ্যানা লাভ করা পারমু।

‘আর লাভের টেকা দিয়া সংসারের খরচ চালামু আর আরেকটা গরু কিনমু বলা ইচ্ছা আছে।’

২২ মণের বাদশা, দাম ১৫ লাখ

স্থানীয় বাসিন্দা সাহাজুল ইসলাম বলেন, ‘এত বড় ষাঁড় গরু হামি কোনো দিন সামনাসামনি দেকিনি। রফিকুল ভাই ২ বছর আগে গরুডা কিনা বড় করা তুলিছে। সামনে ঈদ। তাই বেচার চেষ্টা করিচ্ছে। ভালো দাম পালে বেচবে।’

পার্শ্ববর্তী পীরপালি গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, ‘হামরা একই এলাকার লোক। রফিকুল ভাইয়ের মিষ্টির দোকান আছে পীরপালি বাজারোত। তার মেয়ে গরুডার নাম দিছে বাদশা। এত বড় গরু হামি এর আগে কুন্টি (কোথাও) দেকিনি।’

আসাদ হোসেন নামের একজন এসেছেন বাদশাকে কিনতে। এ সময় নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমরা সাতজন মিলে কোরবানির গরু কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছি। ঈদের আর অল্প কিছুদিন সময় আছে। তবে একটু আগেই গরু কিনে বাসায় রেখে পরিচর্যা করে কোরবানি দিতে চাই।

‘গরুটি দেখতে অনেক সুন্দর ও মোটাতাজা। যারা শখ করে একটু বড় মাপের গরু কোরবানি দিতে চায়, তারাই মূলত এ ধরনের ষাঁড় কিনবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ষাঁড়টির মালিক ১৫ লাখ টাকা দাম চেয়েছেন। আমরা ১১ লাখ টাকা পর্যন্ত বলেছি।

‘তাকে ভাবার সময় দিয়েছি। যদি একটু কম-বেশি করে দাম বলে, তবে আমরা গরুটি কিনব।’

আরও পড়ুন:
বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপার চেষ্টা
‘শিশু বলাৎকারের’ অভিযোগে বৃদ্ধ ব্যক্তি কারাগারে 
স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
১১ বছরের শিশুর বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

শেয়ার করুন

বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারির

বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারির

বরগুনা পৌরসভার সাবেক মেয়র শাহাদাতের বাসায় ঢোকার সময় পেছন থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল শৈলেনকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহন হন তিনি।

বরগুনায় বেপরোয়া মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শৈলেন চন্দ্র শীল নামের এক পথচারি নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বরগুনা পৌরশহরের পুলিশ লাইন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শৈলেনের বাড়ি পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নে। তিনি বরগুনা পৌরসভার সাবেক মেয়র শাহাদাত হোসেনের ইটভাটার ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাবেক মেয়র শাহাদাতের বাসায় ঢোকার সময় পেছন থেকে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল শৈলেনকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এ সময় সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহন হন তিনি।

দ্রুত উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শৈলেনকে বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পথে সুবিদখালী এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

তারা আরও জানান, শৈলেনকে ধাক্কা দেয়া মোটরসাইকেলচালক পৌর শহরের বাঁশবুনিয়া এলাকার ১৮ বছরের তরুণ অন্তর। ঘটনার পর থেকেই সে পলাতক।

সাবেক পৌর মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘শহরের কিছু তরুণ ও কিশোর অনেক দিন ধরেই বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে ভীতির সৃষ্টি করছে। একাধিকবার তাদের অভিভাবকদের জানানো হলেও কিছুতেই এদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিলে আজকের এ ঘটনা ঘটত না।

বরগুনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা কর হচ্ছে। মোটরসাইকেলচালককে আটকের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপার চেষ্টা
‘শিশু বলাৎকারের’ অভিযোগে বৃদ্ধ ব্যক্তি কারাগারে 
স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
১১ বছরের শিশুর বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

শেয়ার করুন

বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে অপহৃত; এক দিন পর উদ্ধার

বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে অপহৃত; এক দিন পর উদ্ধার

উদ্ধার যুবক খোকন

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে র‍্যাব জানায়, অপহরণকারীরা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়া, সাভার, ধামরাইসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন কৌশলে ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করছিল।

রাজধানীর ধামরাইয়ে ইসলামপুর এলাকা থেকে অপহরণের এক দিন পর যুবককে উদ্ধার করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে অপহরণে জড়িত চারজনকে।

আটকরা হলো পাপ্পু মোল্লা, মো. নাহিদ, মো. রিমন ও মো. রাকিব। তারা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টার পরে তাদের আটক করে র‍্যাব-৪।

নিউজবাংলাকে র‍্যাব-৪-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ২০ জুন ২১ বছর বয়সী মো. খোকন তার বোনের বাড়ি আশুলিয়ায় বেড়াতে আসেন। গাজীরচট এলাকা থেকে ২৩ জুন রাত পৌনে ৯টার দিকে খোকন অপহৃত হন।

অপহরণকারীরা তার চোখ বেঁধে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যায়। একপর্যায়ে একটি বাসায় নিয়ে খোকনকে বেধড়ক মারধর করতে থাকে তারা। কান্নার শব্দ মোবাইলের মাধ্যমে তার বড় বোনকে শোনানো হয়।

বোনের বাড়ি বেড়াতে এসে অপহৃত; এক দিন পর উদ্ধার


অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক বলেন, খোকনের বোনের কাছে তার মুক্তির জন্য এক লাখ টাকা দাবি করা হয়। মুক্তিপণ না দিলে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার হুমকিও দেয়া হয়।

স্বজনদের অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে র‍্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৪-এর একটি দল ইসলামপুর এলাকায় অভিযান চালায়।

উদ্ধার করা হয় মুক্তিপণ আদায়ে ব্যবহৃত চারটি মোবাইলসহ অপহৃত খোকনকে। এ সময় চার অপহরণকারীকেও আটক করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে র‍্যাব জানায়, অপহরণকারীরা কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে আশুলিয়া, সাভার, ধামরাইসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন কৌশলে ডাকাতি, ছিনতাই ও অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করছিল।

আরও পড়ুন:
বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপার চেষ্টা
‘শিশু বলাৎকারের’ অভিযোগে বৃদ্ধ ব্যক্তি কারাগারে 
স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
১১ বছরের শিশুর বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

শেয়ার করুন

সাঁতার কাটার সময় যুবকের মৃত্যু

সাঁতার কাটার সময় যুবকের মৃত্যু

মৃত যুবক মিনহাজুল আবেদন স্নিগ্ধ

‘স্নিগ্ধ ও রুদ্র একবার সাঁতার কেটে পুকুরের ওই পাড়ে যায়। পরে ফিরে আসার সময় হঠাৎ করে স্নিগ্ধ পুকুরের পানিতে তলিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক স্নিগ্ধকে মৃত ঘোষণা করেন।’

কুমিল্লার দেবিদ্বারে পুকুরে ডুবে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিব হাসানের শ্যালক।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সরকারি বাসভবন চত্বরে শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

মৃত যুবকের নাম মিনহাজুল আবেদন স্নিগ্ধ। তিনি এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন দেবিদ্বার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ছমি উদ্দিন।

ইউএনও রাকিব বলেন, ‘শুক্রবার বেলা দেড়টায় আমার স্ত্রীর আপন ভাই রুদ্র ও তার চাচাতো ভাই স্নিগ্ধ গোসল করতে পুকুরে নামে। এ সময় তারা সাঁতার নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করে।

‘স্নিগ্ধ ও রুদ্র একবার সাঁতার কেটে পুকুরের ওই পাড়ে যায়। পরে ফিরে আসার সময় হঠাৎ করে স্নিগ্ধ পুকুরের পানিতে তলিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক স্নিগ্ধকে মৃত ঘোষণা করেন।’

চিকিৎসকরা ধারণা করছেন স্নিগ্ধ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন। তার মরদেহ রংপুরে বাড়িতে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ ধামাচাপার চেষ্টা
‘শিশু বলাৎকারের’ অভিযোগে বৃদ্ধ ব্যক্তি কারাগারে 
স্কুলছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার
১১ বছরের শিশুর বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে আটক

শেয়ার করুন