‘টিকটকারের ফাঁদে’ বরগুনা থেকে নারায়ণগঞ্জ, কিশোরী উদ্ধার

‘টিকটকারের ফাঁদে’ বরগুনা থেকে নারায়ণগঞ্জ, কিশোরী উদ্ধার

এজাহারে বলা হয়, ৩০ মে বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয় একটি বিউটি পারলারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় কিশোরী। এরপর থেকে তার মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় দুইজনের মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, রুবেল ও তার সহযোগী পাঁচ-ছয়জন সাদা একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে তুলে নিয়ে গেছেন।

অপহরণের মামলার পর নারায়ণগঞ্জ থেকে বরগুনার এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। কিশোরীর পরিবারের দাবি, রুবেল নামের এক টিকটকার প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাকে অপহরণ করে নিয়ে যান।

নারায়গঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার পাইনাদি নতুন মহল্লার ভাড়া বাসা থেকে সোমবার সকালে কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় টিকটকার রুবেল ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

কিশোরীর বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলায়। সে স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রী।

পুলিশ জানায়, অপহরণের অভিযোগে গত ৩০ মে কিশোরীর ফুপু বরগুনা থানায় মামলাটি করেন।

এজাহারে তিনি উল্লেখ করেন, তার ভাইয়ের ১৫ বছরের মেয়ের সঙ্গে ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপস টিকটকের মাধ্যমে রুবেল নামে ওই যুবকের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে তার ভাই রুবেলের মোবাইল ফোনে কল করে মেয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করতে নিষেধ করেন।

মামলায় আরও বলা হয়, ৩০ মে বিকেল ৪টার দিকে তার ভাইয়ের মেয়ে স্থানীয় একটি বিউটি পারলারে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তার মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় দুইজনের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, রুবেল ও তার সহযোগী পাঁচ-ছয়জন সাদা একটি মাইক্রোবাসে করে তাকে তুলে নিয়ে গেছেন।

বরগুনা সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রুবেলের অবস্থান শনাক্ত করে। সোমবার সিদ্ধিরগঞ্জের পাইনাদি নতুন মহল্লায় রুবেলের ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালায় বরগুনা থানা-পুলিশ। সেখান থেকে কিশোরীকে উদ্ধার এবং রুবেল ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওই কিশোরী ও আসামিদের বরগুনায় আনা হচ্ছে বলে জানিয়ে পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, রুবেলের স্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এখন পর্যন্ত যতটুকু জানা গেছে, তার বাড়ি ভোলার কোনো এলাকায়।

তিনি জানান, রুবেল এর আগে মালদ্বীপ থাকতেন। সম্প্রতি তিনি দেশে ফিরে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ শুরু করেন। নারায়ণগঞ্জের ওই বাসায় বাবার সঙ্গে ভাড়া থাকতেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচার বাংলাদেশি তরুণীর ভয়াবহ বয়ান
টিকটক ভিডিও বানিয়ে আটক ৯
টিকটক গ্রুপে নজরদারি
আবারও টিকটকে নতুন সিইও
পাকিস্তানে আবার নিষিদ্ধ টিকটক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মা গোয়ালঘরে, প্রতিবন্ধী ছেলে অন্যের আশ্রয়ে

মা গোয়ালঘরে, প্রতিবন্ধী ছেলে অন্যের আশ্রয়ে

ছামছুন্নাহার বেগমের ভাঙাচোরা গোয়ালঘর। ছবি: নিউজবাংলা

গ্রামবাসী জানান, বৃদ্ধ ছামছুন্নাহার বেগমের কোনো জায়গা নেই। অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে চলে তার সংসার। স্বামী আবদুল রশিদ মিয়ার মৃত্যুর পর শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে জাহিদুলকে নিয়ে তার সংসার।

জন্ম থেকেই জাহিদুল ইসলামের দুই পা ও এক হাত অসাড়। তিনি না পারেন দাঁড়াতে, না পারেন কোনো কাজ করতে। চলাফেরাও করতে হয় এক হাতের ওপর ভর করে। ৫০ বছর বয়সী জাহিদুলের নিজের ঘর না থাকায় আশ্রয় হয়েছে ভাইয়ের বাড়ির এক কোণে।

জাহিদুলের মতোই অবস্থা তার বৃদ্ধ মা ছামছুন্নাহার বেগমের। বছর পাঁচেক আগে হারিয়েছেন স্বামীকে। বাসযোগ্য ঘর না থাকায় তার রাত কাটে গোয়ালঘরে; গবাদিপশুর সঙ্গে।

সেই ঘরটিও ভাঙা; টিনে ধরেছে মরিচা। ঘরটির কোথাও জোড়াতালির টিন; আবার কোথাও পাটকাঠির বেড়া। কোথাও সুপারিগাছের ছোবলা।

গত তিন মাস আগে ঝোড়ো বাতাসে এই গোয়ালঘরটিও ভেঙে পড়ে। এরপর তার আশ্রয় হয় প্রতিবেশীর গোয়ালঘরে। মায়ের নিদারুণ কষ্ট দেখে মেয়ে জমিলা বেগম চড়া সুদে দাদনের টাকা নিয়ে ঘরটি মেরামত করে দিয়েছিলেন।

মেরামতের পরও যে ঘরের বিশেষ উন্নতি হয়েছে তা নয়। চারপাশের খুঁটি-বেড়া এখনও নড়বড়ে। জানালাগুলো খোলা। ভেঙে পড়ে আছে দরজার কাঠের পাল্লা। মরিচা ধরা টিনের ফুটো দিয়ে চাঁদের ও সূর্যের আলোর পাশাপাশি বৃষ্টির পানিও ঢুকে অনায়াসে। বেড়ার ফাঁক দিয়ে ইচ্ছা হলেই ঢুকে পড়ে শিয়াল, কুকুর আর বিড়াল।

অথচ দাদনের টাকার চিন্তায় এখন নির্ঘুম রাত কাটে মা-মেয়ের।

বলছিলাম গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর গ্রামের বৃদ্ধ ছামছুন্নাহার বেগম ও তার ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী জাহিদুল ইসলামের কথা।

মা গোয়ালঘরে, প্রতিবন্ধী ছেলে অন্যের আশ্রয়ে
বৃদ্ধ ছামছুন্নাহার বেগম

গ্রামবাসী জানান, বৃদ্ধ ছামছুন্নাহার বেগমের কোনো জায়গা নেই। অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে চলে তার সংসার। স্বামী আবদুল রশিদ মিয়ার মৃত্যুর পর শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে জাহিদুলকে নিয়ে তার সংসার। কিন্তু ছামছুন্নাহার বয়সের ভারে ন্যুব্জ। বয়স ৭০ ছুঁইছুঁই। নিজেই চলতে পারেন না। কানেও খুব কম শোনেন। তাই ছেলেকে পাঠিয়েছেন বড় ছেলে কৃষক সফিকুল ইসলামের বাড়িতে। সেখানে একটি ঘরে কোনোমতে মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে তার।

অথচ একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড ও একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড ছাড়া কিছুই জোটেনি তাদের। না পেয়েছেন সরকারি একটি ঘর, না কোনো সহায়তা। এখন তাদের দিন কাটে অর্ধাহারে-অনাহারে।

ছামছুন্নাহার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হ, ভাঙিচুরি গেছিল ঘর। মানষের গোলত (গোয়ালঘর) আছনো। বেটি সুদের টেকা নিয়ে ঘর তুলি দিছি। তাও ঘরত বিলেই (বিড়াল) সানদায় (ঢোকে), শিয়েল (শিয়াল) সানদায়; গাড়োয়া (বেজি) সানদায়। হাঁস-চড়াই থুবের পাই নে।

‘মানষের বাত (বাড়ি) করি-ধরি খাই। ভাত পাই নে; কাপড় পাই নে। ভালোয় কষ্টত আছি। অসুখ! মাঝেমধ্যি পড়ি থাকি। অসুদ (ওষধ) পাই নে। বেটাঘরে (ছেলে) চলে না; তামরা কী দিয়ে আনি দেয়। নিজে কষ্ট করি খাই; চলি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বেটাটাকও ভাত দিবের পাই নে। হামি অচল; অসুখ। নিজে চলবের পাই নে। কী করি পালি। পতিবন্দি (প্রতিবন্ধী) বেটাটা আরাক ভাতত থাকে; ভাইয়ের ওটি। তারও চলে না। যন্তনা; ওংকরি চলা নাগে। কষ্ট; খুবই কষ্ট বাবা!’

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মায়ের তো ঘর-দুয়ের নাই। থাকার বুদ্ধি নাই। কুত্তে-শিয়েল সানদায় ঘরত। ভাঙা ঘর তুলি থাকে তাই (ছামছুন্নাহার)। হামি আচ্চি ভাইয়ের বাড়িত।

‘মাও হামার বিদুয়ে (বিধবা) মানুষ। চলবের পায় না। অচল; কাজকাম করবের পায় না। কানে শোনে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মায়ের এনা ঘর-দুয়েরের আবদার করবের নাকছি। থাকার ব্যবস্থাটা করি দেন। তালি মাও-বেটা একঠাই থাককের পামো।’

ছামছুন্নাহারের পুত্রবধূ হাসিনা বেগম বলেন, ‘শ্বশুর তো মারা গেছি অনেক আগে। শউড়ি (শাশুড়ি) এনা মানষের বাত কাম-কাজ করি খায়। বেটাঘরে (ছেলেদের) নাই; তামরা কী দেয়। একটা বেটার অসুখ; তাইও কাজকাম করবের পায় না। আরেকজন প্রতিবন্ধী। কীভাবে চলে।

‘তার একনা ঘর আছিল, সেকনাও তুবেনে (তুফান) পড়ি গেছি। কতদিন থাকি গোলত থাকে। ননদে (ননদ) নাগানি (দাদন) টেকা নিয়ে পুরেনা টিন দিয়ে কোনো রকম চাল কোনা করি দিছে। তার বেড়া-টাটি নাই; ভাঙা-চুরে। কুত্তে সানদায়; শিয়েল সানদায়।’

মা গোয়ালঘরে, প্রতিবন্ধী ছেলে অন্যের আশ্রয়ে

প্রতিবেশী সায়দার রহমান বলেন, ‘তিনটে বেটা। দুটে তো গরিব; একটা প্রতিবন্ধী। তার তো চলি খাওয়ার মতো বুদ্ধি নাই। চাচিও তো ঠসা মানুষ। কষ্টের মধ্যে করি-মিলি খাচ্ছে।’

সাদুল্লাপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন বলেন, ‘গোয়ালঘরে বৃদ্ধার বসবাসের সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে খ-শ্রেণিভুক্ত ঘরের আওতায় আনা হবে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নবীনেওয়াজ বলেন, ছামছুন্নাহার ও তার ছেলের ভাতার কার্ড দেয়া হয়েছে। দ্রুত তার বাড়ি পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচার বাংলাদেশি তরুণীর ভয়াবহ বয়ান
টিকটক ভিডিও বানিয়ে আটক ৯
টিকটক গ্রুপে নজরদারি
আবারও টিকটকে নতুন সিইও
পাকিস্তানে আবার নিষিদ্ধ টিকটক

শেয়ার করুন

স্ত্রী-শ্যালিকাকে ভারতে ‘পাচার’, গ্রেপ্তার ২

স্ত্রী-শ্যালিকাকে ভারতে ‘পাচার’, গ্রেপ্তার ২

স্ত্রী ও শ্যালিকাকে পাচারের অভিযোগে মামলায় ইউসুফ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে সহযোগী রব্বিল শেখসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। ছবি:নিউজবাংলা

র‍্যাব-১৪ এর অধিনায়ক আবু নাঈম মো. তালাত বলেন, সম্প্রতি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর গ্রামের এক তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেন ইউসুফ। কিছুদিন পর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে শ্যালিকাসহ স্ত্রীকে ভারতে পাচার করেন তিনি। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন রব্বিল।

স্ত্রী ও শ্যালিকাকে ভারতে পাচারের অভিযোগে করা মামলায় ইউসুফ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বালিহাটা কান্দাবাড়ি গ্রাম থেকে ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সহযোগী রব্বিল শেখ গ্রেপ্তার হন গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে।

ইউসুফ ঈশ্বরগঞ্জের বালিহাটা কান্দাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। রব্বিলের বাড়ি নড়াইলের কালিয়ার পেড়লী গ্রামে।

শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ এসব তথ্য জানায়।

র‍্যাব-১৪ এর অধিনায়ক আবু নাঈম মো. তালাত বলেন,‘সম্প্রতি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর গ্রামের এক তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেন ইউসুফ। কিছুদিন পর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে শ্যালিকাসহ স্ত্রীকে ভারতে পাচার করেন তিনি। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন রব্বিল।’

তিনি আরও জানান, শ্রীপুর থানায় মেয়ে দুইটির বাবা পাচারের অভিযোগ দেন। ৫ জুন তা মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করা হয়। মামলার ছায়া তদন্তের মাধ্যমে পাচার চক্রে জড়িত ইউসুফকে বাড়ি থেকে এবং সহযোগী রব্বিলকে শ্রীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুই লাখ ২৪ হাজার টাকাসহ স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাব কর্মকর্তা নাঈম জানান, মানবপাচার চক্রটি ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভারতে দীর্ঘদিন ধরে নারী পাচার করে আসছে। চক্রের অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আবু নাঈম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পাচারকারী চক্রের হাত থেকে কৌশলে পালিয়ে হাওড়া স্টেশন এলাকায় পুলিশের হাতে আটক হন ছোট বোন। পুলিশ তাকে কলকাতার শিয়ালদহ এলাকায় ভারত সরকার পরিচালিত সেফ হোম রাখে। এছাড়া বড় বোন ভারতের বোঝাপড়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় বিএসএফের হাতে আটক হন। বিএসএফ তাকে ভারতীয় পুলিশের হাতে তুলে দেয়। দুই বোনই বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে সেফ হোমে আছেন। তাদেরকে বাংলাদেশ দূতাবাসের মাধ্যমে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা চলছে।’

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচার বাংলাদেশি তরুণীর ভয়াবহ বয়ান
টিকটক ভিডিও বানিয়ে আটক ৯
টিকটক গ্রুপে নজরদারি
আবারও টিকটকে নতুন সিইও
পাকিস্তানে আবার নিষিদ্ধ টিকটক

শেয়ার করুন

পাওনাদারের সামনেই আত্মহত্যার চেষ্টা

পাওনাদারের সামনেই আত্মহত্যার চেষ্টা

যুগলের স্ত্রী অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাতে তাদের বাড়িতে গিয়ে সুদের টাকার জন্য যুগলকে গালিগালাজ করেন বাদল। ওই সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে পান বরজের জন্য রাখা বিষ এনে বাদলের সামনেই তা পান করেন যুগল।

বরিশালের গৌরনদীতে সুদের টাকা দিতে না পেরে পাওনাদারের সামনেই বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক ব্যবসায়ী।

শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার মাহিলারা ইউনিয়নের জঙ্গলপট্টি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

যুগল সোম নামে ওই পান ব্যবসায়ীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।

যুগলের স্ত্রী কবিতা জানান, তার স্বামী বিভিন্ন হাট-বাজারে খুচরা পান বিক্রি করে সংসার চালান। তিনি একটি গ্রাম্য সমিতির সদস্য। সংসার চালাতে ওই সমিতি থেকে ২০২০ সালে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নেন। এ ছাড়া বাদল রায়, বাদল কর ও নির্মল দে নামে তিনজনের কাছ থেকে সুদে কিছু টাকা নেন। করোনা পরিস্থিতিতে ব্যবসার অবস্থা খারাপ হওয়ায় তিনি সুদের টাকা ঠিকমতো পরিশোধ করতে পারছিলেন না।

তিনি অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাতে বাদল বাড়িতে গিয়ে সুদের টাকার জন্য যুগলকে গালিগালাজ করেন। ওই সময় যুগল সময় চাইলে তাতে রাজি হননি বাদল। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে যুগল বলেন, টাকা শোধ করতে সময় না দিলে বিষ খেয়ে মরে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। তখন বাদল বলেন, টাকা দিতে না পারলে বিষ খেয়ে মরে যাওয়াই ভালো।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে পান বরজের জন্য রাখা বিষ এনে বাদলের সামনেই তা পান করেন যুগল।

এ বিষয়ে বাদল দাবি করেন, তার কাছ থেকে যুগল ৮৪ হাজার টাকা নিয়েছেন। তবে তিনি সেই টাকার জন্য নয়, সমিতির টাকার জন্য চাপ দিয়েছেন। কোনো দুর্ব্যবহার করেননি। তিনি টাকা চাইতে যাওয়ায় স্বামী-স্ত্রী মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে যুগল বিষ পান করেন।

আরেক পাওনাদার বাদল করের দাবি, যুগলের কাছে ৫০ হাজার টাকা পাবেন।

নির্মল দের স্ত্রী কাজল দের দাবি, যুগলের কাছে তারা পাবেন ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। সম্পর্কে যুগল তাদের বেয়াই।

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ তিনি পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচার বাংলাদেশি তরুণীর ভয়াবহ বয়ান
টিকটক ভিডিও বানিয়ে আটক ৯
টিকটক গ্রুপে নজরদারি
আবারও টিকটকে নতুন সিইও
পাকিস্তানে আবার নিষিদ্ধ টিকটক

শেয়ার করুন

শিবচরে ‘সন্ত্রাসী আসলাম বেপারী’ গ্রেপ্তার

শিবচরে ‘সন্ত্রাসী আসলাম বেপারী’ গ্রেপ্তার

পুলিশ জানায়, ‘বিকেলে আসলাম ওই এলাকায় কয়েকজনকে নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর লোকজনকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। এ সময় এলাকাবাসী তাকে আটক করে। পরে আমরা তাকে উদ্বার করে থানায় নিয়ে আসি।’

মাদারীপুরের শিবচরে নির্বাচনে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার সময় আসলাম বেপারী নামের এক ব্যক্তিকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী।

শিবচর উপজেলার বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফকিরকান্দি এলাকা থেকে শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে তাকে আটক করা হয়।

আসলাম মাদারীপুর সদর থানার ধুরাইল ইউনিয়নের খালাসীকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বিকেলে বহেরাতলা দক্ষিণ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল বারী উকিল নির্বাচনি প্রচার চালাচ্ছিলেন ০৯ নম্বর ওয়ার্ডে। এ সময় আসলাম বেপারী ও তার সঙ্গে থাকা আরও ৮/১০ জন লোক চাকু নিয়ে তাদের বাধা দেয়। এক পর্যায়ে এলাকার লোকজন ও বারী উকিলের কর্মীরা চাকুসহ আসলামকে ধরতে সক্ষম হলেও বাকিরা পালিয়ে যায়।

পরে শিবচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত)মোঃ আমির হোসেন সেরনিয়াবাতের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তাকে আটক করে শিবচর থানায় নিয়ে যায়।

চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুল বারী উকিল বলেন, আসলাম আগেও আমার ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাত। সে বহিরাগত লোক। সে কীভাবে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় আসে?

অভিযোগ আছে আসলাম এই ইউনিয়নের আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী ওলি উল্লাহ খালাসীর লোক। এ বিষয়ে মোবাইল ফোনে ওলি উল্লাহ খালাসীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানান, এই নামের কাউকে চেনেন না তিনি।

শিবচর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ আমির হোসেন সেরনিয়াবাত বলেন,‘বিকেলে আসলাম ওই এলাকায় কয়েকজনকে নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর লোকজনকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। এ সময় এলাকাবাসী তাকে আটক করে। পরে আমরা তাকে উদ্বার করে থানায় নিয়ে আসি।’

শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মিরাজ হোসেন বলেন, আটক ব্যক্তি একজন চিহ্নিত সন্ত্রাসী। তার বিরুদ্ধে মাদারীপুর সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

আগামী ২১ জুন প্রথম ধাপে অনুষ্ঠিত শিবচর উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে ভোট।

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচার বাংলাদেশি তরুণীর ভয়াবহ বয়ান
টিকটক ভিডিও বানিয়ে আটক ৯
টিকটক গ্রুপে নজরদারি
আবারও টিকটকে নতুন সিইও
পাকিস্তানে আবার নিষিদ্ধ টিকটক

শেয়ার করুন

বাড়ি ফিরলেই বিয়ে হতো সেই এএসআইয়ের

বাড়ি ফিরলেই বিয়ে হতো সেই এএসআইয়ের

নিহত এএসআই সালাহ উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা

সালাহ উদ্দিনের বাবা জানান, ছেলেকে বিয়ে দেয়ার জন্য তারা মেয়ে ঠিক করে রেখেছিলেন। ছুটিতে বাড়ি এলেই নিজেদের সাধ্যমতো আয়োজন করে নতুন বউ ঘরে আনতেন। কিন্তু সব স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল।

ছুটি নিয়ে বাড়ি এসে বিয়ে করার কথা ছিল পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সালাহ উদ্দিনের। বাড়ি তিনি ঠিকই ফিরেছেন কিন্তু লাশ হয়ে।

তার এমন মৃত্যু কিছুতেই মানতে পারছেন না তার পরিবার ও হবু কনের পরিবার।

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানা এলাকায় শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে মাইক্রোবাসের চাপায় নিহত হন সালাহ উদ্দিন। পুলিশ বলছে, মাইক্রোবাসটি ছিল মাদকবাহী।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকার মেহেরাজখান ঘাটা পেট্রোল পাম্পের সামনে কালো একটি মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দিলে গাড়িটি গতি কমিয়ে আনে।

এ সময় গাড়িটি থেমেছে ভেবে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও চালক মাসুম মাইক্রোবাসটির কাছে গেলে গাড়ি গতি বাড়িয়ে দুইজনকে চাপা দেয়। আহত দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সালাহ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় সালাহ উদ্দিন। তিনি তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ২০০৯ সালে তিনি কনস্টেবল পদে যোগ দেন। সম্প্রতি সহকারী উপপরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পান।

ছেলের এমন পরিণতিতে দিশেহারা বাবা নাদেরেজ্জামান ও মা ছালেহা বেগম। জানেন না কীভাবে সংসার চালাবেন। কীভাবে মানুষ করবেন বাকি সন্তানদের।

বাবা জানান, ছেলেকে বিয়ে দেয়ার জন্য তারা মেয়ে ঠিক করে রেখেছিলেন। ছুটিতে বাড়ি এলেই নিজেদের সাধ্যমতো আয়োজন করে নতুন বউ ঘরে আনতেন। কিন্তু সব স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল।

এদিকে ভাইকে হারিয়ে বার বার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন কলেজপড়ুয়া ছোট ভাই কাজী আলাউদ্দিন ও বোন আখী বেগম।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় এভাবে প্রাণ হারানোর পর যদি দোষীদের গ্রেপ্তার করে বিচার করা না হয় তাহলে মাদক কারবারিদের অপরাধ আরও বাড়বে। দ্রুত তারা দোষীদের শনাক্ত করে বিচার দাবি করেছেন।

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) পলাশ কান্তি নাথ জানান, মাদক কারবারির হাতে এভাবে একজন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হবে তা কল্পনা করা যায় না। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

নিহত সালাহ উদ্দিনের পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচার বাংলাদেশি তরুণীর ভয়াবহ বয়ান
টিকটক ভিডিও বানিয়ে আটক ৯
টিকটক গ্রুপে নজরদারি
আবারও টিকটকে নতুন সিইও
পাকিস্তানে আবার নিষিদ্ধ টিকটক

শেয়ার করুন

মোটরসাইকেল আটকানোয় পুলিশকে মারধর, ‌‘ছাত্রলীগ নেতা’ গ্রেপ্তার

মোটরসাইকেল আটকানোয় পুলিশকে মারধর, ‌‘ছাত্রলীগ নেতা’ গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি।

ওসি বলেন, ‘মোটরসাইকেল থামানোর কারণে সার্জেন্টের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সৌরভ। নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে তিনি সার্জেন্ট জসিম উদ্দিনকে গালাগালি করেন। একপর্যায়ে তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ মিলে তাদের থামান।’

বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই যুবক। কারো মাথায় হেলমেটও নেই। তাদের থামার সিগন্যাল দেয় পুলিশ। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যান তারা। জড়িয়ে পড়েন পুলিশের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায়। একপর্যায়ে সিলেট মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এক সার্জেন্টকে মারধর করেন ওই দুই যুবক।

সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওই দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মারধরের শিকার সার্জেন্ট জসিম উদ্দিন বিকেলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

২১ বছর বয়সী সৌরভ চৌধুরী ও ২৯ বছর বয়সী বাদল চৌধুরী সিলেট সদর উপজেলার টুকের বাজার এলাকার বাসিন্দা। মোটরসাইকেল আটকানোর পর সৌরভ নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মারধরে আহত জসিম উদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবু ফরহাদ জানান, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় মোটরসাইকেলে চৌহাট্টার দিকে যাচ্ছিলেন সৌরভ ও বাদল। হেলমেট না থাকা ও বেপরোয়া গতির কারণে চৌহাট্টা পয়েন্টে তাদের থামান পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জসিম উদ্দিন।

ওসি বলেন, ‘মোটরসাইকেল থামানোর কারণে সার্জেন্টের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সৌরভ। নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে তিনি সার্জেন্ট জসিম উদ্দিনকে গালাগালি করেন। একপর্যায়ে তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ মিলে তাদের থামান।’

এ ঘটনার পর দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে সার্জেন্ট জসিমের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচার বাংলাদেশি তরুণীর ভয়াবহ বয়ান
টিকটক ভিডিও বানিয়ে আটক ৯
টিকটক গ্রুপে নজরদারি
আবারও টিকটকে নতুন সিইও
পাকিস্তানে আবার নিষিদ্ধ টিকটক

শেয়ার করুন

স্বর্ণ বলে ইমিটেশনের অলঙ্কারে ভাঙল বিয়ে

স্বর্ণ বলে ইমিটেশনের অলঙ্কারে ভাঙল বিয়ে

একদিকে চলছিল বরযাত্রীদের খাওয়া আর আরেকদিকে চলছিল কনেকে সাজানো। এমন সময় বরপক্ষের দেয়া সোনার বালা নিয়ে সন্দেহ হয় কনের ভাবির। এ নিয়ে শুরু হয় দুইপক্ষের কথাকাটাকাটি। এক পর্যায়ে তা গড়ায় হাতাহাতিতে। এরপর সারা রাত বরপক্ষকে আটকে রাখা হয়।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিয়েতে সোনার বদলে ইমিটেশনের বালা দেয়ায় হয়েছে দুইপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি। বিচ্ছেদ হয়ে গেছে সেই দম্পতির।

এমন ঘটনা ঘটেছে বোতলাগাড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ সোনাখুলী সরকার পাড়ায়।

স্থানীয় লোকজন জানান, সরকার পাড়ার আঁখি মনির সঙ্গে আড়াই মাস আগে বিয়ে হয় দিনাজপুরের খানাসামা উপজেলার তেবাড়িয়া চৌপথি এলাকার মফিজুল ইসলামের। গত শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে কনে বিদায়ের দিন ছিল।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ৫০-৬০ জনের বরযাত্রী আসে কনের বাড়িতে। একদিকে চলছিল বরযাত্রীদের খাওয়া আর আরেকদিকে চলছিল কনেকে সাজানো। এমন সময় বরপক্ষের দেয়া সোনার বালা নিয়ে সন্দেহ হয় কনের ভাবির।

এ নিয়ে শুরু হয় দুইপক্ষের কথাকাটাকাটি। এক পর্যায়ে তা গড়ায় হাতাহাতিতে। এরপর সারা রাত বরপক্ষকে আটকে রাখা হয়।

শনিবার দুপুরে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তায় তাদের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

বোতলাগাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার নিউজবাংলাকে জানান, দুই পরিবারের আলোচনার মাধ্যমে ওই দম্পতির বিয়ে বিচ্ছেদ করে দেয়া হয়েছে। বিয়েতে কনেপক্ষ বরপক্ষকে ১ লাখ টাকা দিয়েছিল। বিচ্ছেদের পর তারা সেই টাকার ৭০ হাজার ফেরত দিয়েছে।

আরও পড়ুন:
ভারতে পাচার বাংলাদেশি তরুণীর ভয়াবহ বয়ান
টিকটক ভিডিও বানিয়ে আটক ৯
টিকটক গ্রুপে নজরদারি
আবারও টিকটকে নতুন সিইও
পাকিস্তানে আবার নিষিদ্ধ টিকটক

শেয়ার করুন