এক মোটরসাইকেল খুঁজতে গিয়ে মিলল ১১টি

এক মোটরসাইকেল খুঁজতে গিয়ে মিলল ১১টি

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত সদর উপজেলার সুলতানপুর ও মাছিহাতা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল চোরচক্রের মূল হোতাসহ ৯ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় চুরি করা ১১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

একটি মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ পেয়ে তা খুঁজতে গিয়ে চুরি হওয়া ১১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চোরচক্রের ৯ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মো. নাছির, সুমন মিয়া, ওমর সানি, নাঈম, আলমগীর চৌধুরী, মিজান মিয়া, কাউসার মিয়া, হোসেন মিয়া ও নুরুল আমিন চৌধুরী। এদের মধ্যে নাছির মোটরসাইকেল চোরচক্রের ‘মূল হোতা’ বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটক হওয়া সবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

সদর থানা সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি এক ব্যক্তি তাঁর মোটরসাইকেল চুরি হওয়ার অভিযোগ করেন থানায়। এরপর পুলিশ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারে কাজ শুরু করে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত সদর উপজেলার সুলতানপুর ও মাছিহাতা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল চোরচক্রের মূল হোতাসহ ৯ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় চুরি করা ১১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।

এ ছাড়া চোরাই মোটরসাইকেল বিক্রির নগদ ২ লাখ ৭০ হাজার টাকাও জব্দ করা হয় আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে।

সদর থানার ওসি এমরানুল ইসলাম বলেন, ‘মূলত একটি মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ তদন্ত করতে সদর উপজেলার সুলতানপুর, শিলাউরা, রাধিকা ও চান্দুপর থেকে গিয়েই আমরা ১১টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছি।

‘চোরচক্রের মূল হোতা নাছিরের কাছ থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে ৬টি চোরাই মোটরসাইকেল। এর মধ্যে তিনটির প্রকৃত মালিককে পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ’

আরও পড়ুন:
ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত
এক বাইক চুরির তদন্তে মিলল চারটি
মোটরসাইকেল চালানো শিখতে গিয়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু
বন্ধুদের মোটরসাইকেল রেসে প্রাণ গেল দুই জনের
সেই শিক্ষিকা করোনামুক্ত কি না নিশ্চিত নয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ

শেয়ার করুন

মন্তব্য