পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির মামলায় তিনজনের রিমান্ড

পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির মামলায় তিনজনের রিমান্ড

আশুলিয়া থানার এসআই হারুন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাইপাইল ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন পরিবহন থেকে চাঁদা তুলছিলেন কয়েকজন। বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় তাদের। এ ঘটনায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে আশুলিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর আক্রমণ, কাজে বাধা দেয়া ও চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়।

সাভারের বাইপাইলে যানবাহনে চাঁদা তোলার সময় বাধা দেয়ায় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনায় গ্রেপ্তার তিনজনকে এক দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে আদালত।

শুক্রবার দুপুরে তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত-১-এ পাঠানো হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে শুনানি শেষে তাদের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন বিচারক।

এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের আশুলিয়ার বাইপাইল ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হারুন অর রশিদ।

তিন আসামি হলেন আশুলিয়া থানার কাইছাবাড়ির কালারটেক এলাকার মো. মামুন, টাঙ্গাইলের মধুপুর থানার দরিহাতি গ্রামের রাজ্জাক মিয়া ও সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর থানার কান্দাপাগা গ্রামের আলমগীর হোসেন।

এসআই হারুন জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাইপাইল ট্রাকস্ট্যান্ড এলাকায় বিভিন্ন পরিবহন থেকে চাঁদা তুলছিলেন কয়েকজন। বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় তাদের। এ ঘটনায় রাত সাড়ে ১২টার দিকে আশুলিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর আক্রমণ, কাজে বাধা দেয়া চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাইপাইল এলাকায় যাত্রীবাহী গাড়ি থেকে চাঁদা তোলার কারণে যানজটের তথ্য পায় পুলিশ। পরে আশুলিয়া থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্য গিয়ে চাঁদা আদায়কারীদের আটক ও যানজট নিরসনের চেষ্টা করেন। ওই সময় চাঁদাবাজরা পুলিশ সদস্যদের ঘিরে ফেলে। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

এজাহারে আরও বলা হয়, আশুলিয়া থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গেলে চাঁদাবাজরা পালিয়ে যান। ওই সময় তিনজন আটক করা হয়।

এসআই হারুন জানান, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজরা সক্রিয়। যানবাহন থেকে চাঁদা নেয়ার কারণে মাঝেমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের বিভিন্ন জায়গায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।

তিনি বলেন, ‘বাদশা মণ্ডল নামে স্থানীয় এক প্রভাবশালী এই পরিবহন চাঁদাবাজ সিন্ডিকেটের হোতা। তার নির্দেশেই বাইপাইলের বিভিন্ন পরিবহন থেকে ৫০-১০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা নেয়া হয় বলে আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
হত্যার ৩ মাস পর ২ আসামি গ্রেপ্তার
পুলিশি হেফাজত থেকে পালানো আসামি হাতকড়াসহ গ্রেপ্তার
৩২ বছর পর ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
হাতকড়া নিয়ে পালাল গরু চুরি মামলার আসামি
হত্যার দেড় বছর পর দুই আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য