বগুড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

বগুড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু

লুৎফর সকাল থেকেই বাড়ির উঠানে ধান মাড়াইয়ের কাজ করছিলেন। কাজ শেষে চিটা ধান আলাদা করতে স্ট্যান্ড ফ্যানের সংযোগ দিচ্ছিলেন। ওই সময়ই বিদ্যুতায়িত হন তিনি। স্বজনরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বগুড়ার শিবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার কিচক ইউনিয়নের শোলাগাড়ী গ্রামে শুক্রবার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত লুৎফর রহমান লুটুর বাড়ি একই গ্রামে।

স্থানীয় বাসিন্দা এম রহিম জানান, লুৎফর সকাল থেকেই বাড়ির উঠানে ধান মাড়াইয়ের কাজ করছিলেন। কাজ শেষে চিটা ধান আলাদা করতে স্ট্যান্ড ফ্যানের সংযোগ দিচ্ছিলেন। ওই সময়ই বিদ্যুতায়িত হন তিনি। স্বজনরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শিবগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসমত আলী বলেন, স্ট্যান্ড ফ্যানের সংযোগ দিতে গিয়ে লুৎফর বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে মারা যান। কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হালখাতায় মাইক ঘোরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু, আহত ২
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বাবার, আহত ছেলে

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ওসমানীতে করোনা চিকিৎসায় আরও ৭০ শয্যা, ১০ আইসিইউ

ওসমানীতে করোনা চিকিৎসায় আরও ৭০ শয্যা, ১০ আইসিইউ

‘ওসমানী হাসপাতালে আগে ২৬০ শয্যায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ থাকা রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। এখন থেকে আরও ৭০টি শয্যা বাড়ানো হয়েছে। একই আগে এ হাসপাতালে করোনা রোগীর জন্য ৮টি আইসিইউ ব্যবস্থা ছিল। এখন আরও ১০টি বাড়িয়ে ১৮-তে উন্নিত করা হয়েছে।’

সিলেটে দ্রুত বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। বাড়ছে শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। ফলে হাসপাতালগুলোতে দেখা দিয়েছে শয্যা সঙ্কট। সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) পাশপাশি সাধারণ শয্যাও খালি মিলছে না। ফলে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ থাকা রোগীরা পড়ছেন চরম বিপাকে। রোগী নিয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরতে হচ্ছে স্বজনদের।

এ অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে আরও ৭০ শয্যা বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে করোনা চিকিৎসায় হাসপাতালটিতে যুক্ত হয়েছে আরও ১০টি আইসিইউ।

সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হিমাংশু লাল রায় এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার সকাল থেকে এসব শয্যায় রোগী ভর্তি শুরু হয়েছে।

ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, ‘ওসমানী হাসপাতালে আগে ২৬০ শয্যায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ থাকা রোগীদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। এখন থেকে আরও ৭০টি শয্যা বাড়ানো হয়েছে। একই আগে এ হাসপাতালে করোনা রোগীর জন্য ৮টি আইসিইউ ব্যবস্থা ছিল। এখন আরও ১০টি বাড়িয়ে ১৮-তে উন্নিত করা হয়েছে।’

এসব শয্যা ও আইসিইউ বাড়ানোর ফলে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় ওসমানীর সক্ষমতা বেড়েছে বলেও মন্তব্য করেন এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

নতুন করে ১০টি যুক্ত হওয়ার আগে করোনা রোগীদের জন্য সিলেটের সরকারি দুটি হাসপাতালে ২৩টি আইসিইউ শয্যার ব্যবস্থা ছিল। এর বাইরে বেসরকারি হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ মিলিয়ে করোনা চিকিৎসায় জেলায় আইসিইউ শয্যা রয়েছে আরও ৮০-৯০টি।

নগরের সরকারি দুই প্রতিষ্ঠান শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ৮৪টি ও সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ২৬০টি সাধারণ শয্যা ছিলো। এর বাইরে বেসরকারি হাসপাতাল ও মেডিক্যাল কলেজগুলোর আইসোলেশন ওয়ার্ডগুলোতে আরও প্রায় ২০০টি সাধারণ শয্যা রয়েছে। তবে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ ও আইসিইউ শয্যা পেতে বিভিন্ন হাসপাতালে ধর্না দিতে হচ্ছে রোগী ও তাদের স্বজনদের। সবগুলো হাসপাতালের করোনা ইউনিটের সাধারণ শয্যা ও আইসিইউ ইউনিট রোগীতে পূর্ণ রয়েছে। এ অবস্থায় ওসমানীতে শয্যা ও আইসিইউ দুটিই বাড়ানো হয়েছে।

বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতি, সিলেটের সভাপতি এবং নুরজাহান হাসপাতালের চেয়ারম্যান নাসিম আহমদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি আমরা করোনা রোগীদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু রোগীর চাপ প্রতিদিন এত বেশি বাড়ছে যে আমরা উদ্বিগ্ন। এই অবস্থায় সরকারি চিকিৎসাসেবা আরও অনেক বাড়ানো প্রয়োজন।’

আরও পড়ুন:
হালখাতায় মাইক ঘোরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু, আহত ২
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বাবার, আহত ছেলে

শেয়ার করুন

কুকুরের দুধপানে বড় হচ্ছে বিড়াল ছানা

কুকুরের দুধপানে বড় হচ্ছে বিড়াল ছানা

টাঙ্গাইলের সখীপুরে কুকুড়ের দুধ পান করে বড় হচ্ছে বিড়াল ছানা।

আশিষ চন্দ বর্মনের বাড়িতে বসবাস ওই কুকুর আর বিড়ালের। সম্প্রতি সেখানেই একটি মা বিড়াল দুইটি ছানা প্রসব করার পর মারা যায়। ওই মা বিড়ালের মৃত্যু আর দুধপানের অভাবে দুটি ছানার একটি মারা যায়। তবে এরই মধ্যে বেঁচে থাকা ওই বিড়াল ছানাটিকে দুধ খাওয়ানো শুরু করে একটি মা কুকুর। এভাবেই মা কুকুরটির স্নেহ আর দুধ পানে ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে ওই বিড়াল ছানাটি।

কুকুরের দুধ পান করে বড় হচ্ছে একটি বিড়াল ছানা। বিরল এ ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে।

অবাক করা এ দৃশ্যটি দেখতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ এসে ভিড় করছেন ওই বাড়িতে। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগ এই তথ্য খুব একটি বিস্মিত হয়নি। তারা বলছে, প্রাণীকূলের মধ্যে এই ধরনের ভালোবাসা বিরল নয়।

উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আশিষ চন্দ বর্মনের বাড়িতে বসবাস ওই কুকুর আর বিড়ালের। সম্প্রতি সেখানেই একটি মা বিড়াল দুইটি ছানা প্রসব করার পর মারা যায়।

ওই মা বিড়ালের মৃত্যু আর দুধপানের অভাবে দুটি ছানার একটি মারা যায়। তবে এরই মধ্যে বেঁচে থাকা ওই বিড়াল ছানাটিকে দুধ খাওয়ানো শুরু করে একটি মা কুকুর। এভাবেই মা কুকুরটির স্নেহ আর দুধ পানে ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে ওই বিড়াল ছানাটি।

ওষুধ বিক্রেতা আশিষ চন্দ বর্মন বলেন, ‘আমরা কুকুর বা বিড়াল পুষি না। তবে দীর্ঘদিন ধরে আমার বাড়িতে একটি কুকুর ও বিড়াল বসবাস করে আসছে। হঠাৎ একদিন ওই বিড়ালটি দুটি বাচ্চা জন্মদিয়ে মারা যায়।

‘এরপর থেকে দেখছি মা হারা ওই বিড়াল ছানাটি কুকুরের দুধপান করছে। তবে প্রায়ই দেখছি কুকুরটি দুধে মুখ দিয়ে রাখছে বিড়াল ছানাটি। রীতিমত খেলা করে ওই কুকুর আর বিড়ালের ছানাটি।’

কাকরাজান ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড এবং ওই গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি প্রথমে আমার বিশ্বাস হয়নি। এ কারণে আমি নিজে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি সত্যিই বিড়াল ছানাটি কুকুরের দুধ খাচ্ছে। এটি সত্যিই আশ্চর্য হওয়ার মতো একটি বিষয়।’

সখীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল জলিল জানান, ‘এটি খুবই স্বাভাবিক বিষয়। একটি প্রাণির সাথে অপর একটি প্রাণির ভালোবাসায় এটি হতেই পারে। যেহেতু তারা একই বাড়িতে থাকে এবং একই মালিকের খাবার খায়।’

আরও পড়ুন:
হালখাতায় মাইক ঘোরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু, আহত ২
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বাবার, আহত ছেলে

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধুর নামে মাচা, যুবলীগ নেতা বহিষ্কার

বঙ্গবন্ধুর নামে মাচা, যুবলীগ নেতা বহিষ্কার

ফিতা কেটে বঙ্গবন্ধু মাচা উদ্বোধন করেন বগুড়ার গোকুলের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আ. লীগের সা. সম্পাদক রফিকুল ইসলাম (বাম থেকে দ্বিতীয়) ও নুনগোলা যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছার রহমান খলিল (বাম থেকে তৃতীয়)। ছবি: নিউজবাংলা

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে দলের সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এসব লোকের জন্য দলের ইমেজ নষ্ট হয়। দল হাস্যরসে পরিণত হয়।’

বগুড়ায় বঙ্গবন্ধু মাচাং উদ্বোধন করায় এক সাবেক যুবলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ওই নেতার নাম আনিছার রহমান খলিল। তিনি বগুড়া সদরের নুনগোলা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।

জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম সোমবার রাতে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোকুল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঙ্গে রোববার বিকেলে তিনি ফিতা কেটে বঙ্গবন্ধু মাচা উদ্বোধন করে। উদ্বোধনের বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় সমালোচনা।

আমিনুল বলেন, ‘শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তাকে দলের সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এসব লোকের জন্য দলের ইমেজ নষ্ট হয়। দল হাস্যরসে পরিণত হয়।’

তবে এই একই ঘটনায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু।

আরও পড়ুন:
হালখাতায় মাইক ঘোরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু, আহত ২
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বাবার, আহত ছেলে

শেয়ার করুন

ছাত্রদল থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

ছাত্রদল থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন কমিটিতে পদ পাওয়া প্রতীক হাসানাত খান। ছবি: নিউজবাংলা

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন খান বলেন, ‘প্রতীক হাসানাত কীভাবে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে তাকে আওয়ামী লীগবিরোধী লোক হিসেবে চিনি।’

পিরোজপুরের নাজিরপুরে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের নতুন কমিটিতে ছাত্রদল নেতাকে সাংগঠনিক সম্পাদক করার অভিযোগ উঠেছে।

পদ পাওয়া প্রতীক হাসানাত খান ছাত্রদলের সদ্য বিলুপ্ত উপজেলা আহ্বায়ক কমিটির ১৯ নম্বর সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছেন ছাত্র সংগঠনটির নেতারা। তবে প্রতীক ছাত্রদল করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

তার দাবি, ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে একটি মহল তার বিরুদ্ধে এমন প্রচারণা চালাচ্ছে। তিনি কখনও ছাত্রদল করেননি।

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতারা জানান, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক আজিজুল হক আজিজ স্বাক্ষরিত চিঠিতে শনিবার রাতে এ কমিটি দেয়া হয়।

কমিটিতে তুহিন হালদার তিমিরকে সভাপতি ও মো. আল-আমিন খানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব দেয়া হয় জাকারিয়া হাওলাদার, রিজভী খান ও প্রতীক হাসানাত খানকে।

তিন নম্বর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ছাত্রদল নেতা প্রতীক হাসানাতের নাম আসার পর আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলের নেতারাই করেছেন সমালোচনা।

ছাত্রদল থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

উপজেলা ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানান, ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট উপজেলা ছাত্রদলের ১০১ সদস্যের যে আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়, তার ১৯ নম্বর সদস্য ছিলেন প্রতীক হাসানাত।

উপজেলা ছাত্রদলের ওই কমিটির সদস্যসচিব হাফিজুর রহমান লায়েক জানান, প্রতীক হাসানাত ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণ করে পদ পেয়েছিলেন। তবে তার ওই পদের জন্য জেলাকে সুপারিশ করতে সংগঠনের স্থানীয় একটি মহলের চাপ ছিল।

উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান খান বলেন, ‘একটি সুবিধাবাদী মহল সব সময়ই সুবিধা নিতে দল বদলায়। সরকারি দল করা সহজ, কিন্তু সরকারের বাইরে থেকে দল করতে সাহস লাগে।’

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন খান বলেন, ‘প্রতীক হাসানাত কীভাবে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন তা আমার জানা নেই। তবে তাকে আওয়ামী লীগবিরোধী লোক হিসেবে চিনি।’

নতুন ঘোষিত কমিটির সভাপতি তুহিন হালদার তিমির বলেন, ‘প্রতীক হাসানাতের নাম কীভাবে উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে এসেছে তা আমার জানা নেই।’

প্রতীক হাসানাত ছাত্রদল করার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে এমন প্রচারণা চালাচ্ছে। আমি কখনও ছাত্রদল করিনি। ছাত্রদলের পদে ছিলাম তাও জানতাম না।’

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রতীক হাসানাত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসানাত খান পেয়ারার ছেলে এবং উপজেলা বিএনপির বর্তমান সভাপতি নজরুল ইসলাম খানের ভাইপো। তিনি ‘রিক’ নামে বেসরকারি একটি এনজিওর ঢাকার প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
হালখাতায় মাইক ঘোরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু, আহত ২
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বাবার, আহত ছেলে

শেয়ার করুন

ডেঙ্গুর প্রকোপ, খুলনা মেডিক্যালে হবে আলাদা ওয়ার্ড

ডেঙ্গুর প্রকোপ, খুলনা মেডিক্যালে হবে আলাদা ওয়ার্ড

খুলনা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সোমবার বিকেলে জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভা হয়। ছবি: সংগৃহীত

‘ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় প্লাটিলেট প্রদান কার্যক্রম নিশ্চিতে হাসপাতালে সেলফ সেপারেটর মেশিন প্রয়োজন। এর মাধ্যমে সুস্থ মানুষের রক্ত থেকে প্লাটিলেট আলাদা করে প্রয়োজনে ডেঙ্গু আক্রান্তদের শরীরে দেয়া যাবে।’

ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতালের উপাধ্যক্ষ।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সোমবার বিকেলে জেলা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ তথ্য জানান উপাধ্যক্ষ মেহেদী নেওয়াজ।

তিনি বলনে, ‘ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসায় প্লাটিলেট প্রদান কার্যক্রম নিশ্চিতে হাসপাতালে সেলফ সেপারেটর মেশিন প্রয়োজন। এর মাধ্যমে সুস্থ মানুষের রক্ত থেকে প্লাটিলেট আলাদা করে প্রয়োজনে ডেঙ্গু আক্রান্তদের শরীরে দেয়া যাবে।’

সভায় অনলাইনে যুক্ত হন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো.কামাল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘চলমান করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটি নিয়ন্ত্রণে এবং আক্রান্ত রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে প্রস্তুতি গ্রহণ করা দরকার।’
সচিব আরও বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে শুরু হতে যাওয়া প্রত্যন্ত এলাকায় ব্যাপক গণটিকাদান কর্মসূচিতে অন্যদের সাথে ৪৫ বছরের বেশি বয়সীদের করোনা টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।’

সভায় জেলার সিভিল সার্জন নিয়াজ মোহাম্মদ জানান, খুলনা জেলায় ঈদুল আজহার আগের ১০ দিনের তুলনায় পরের ১০ দিনে করোনা শনাক্তের হার এবং করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা- দুটোই কমেছে।

জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদারের সভাপতিত্বে সভা সঞ্চালনা করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. ইকবাল হোসেন।

তিনি বলেন, ‘করোনা রোগীদের জন্য খুলনার সকল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সেবাসহ ২০টি করে বেড প্রস্তুত আছে। করোনায় কর্মহীনদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণসামগ্রী বিতরণ চলমান রয়েছে। ৩৩৩ নম্বরে ফোন কলের মাধ্যমে খাদ্যসহায়তা প্রাপ্তির বিষয়েও প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’

সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) তানভীর আহমদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পদক এমডিএ বাবুল রানা, খুলনা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেনসহ আরও অনেকে।

আরও পড়ুন:
হালখাতায় মাইক ঘোরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু, আহত ২
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বাবার, আহত ছেলে

শেয়ার করুন

বাড়িঘর ‘পুড়িয়ে দেয়ার পর’ খোলা আকাশের নিচে

বাড়িঘর ‘পুড়িয়ে দেয়ার পর’ খোলা আকাশের নিচে

ফরহাদ নিউজবাংলাকে জানান, আগুনে তার তিনটি ঘরের জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। তিনি পরিবার নিয়ে প্রায় খোলা আকাশের নিচে থাকছেন।

পঞ্চগড়ে চারদিন ধরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে প্রায় খোলা আকাশের নিচে থাকছেন পান ব্যবসায়ী ফরহাদ হোসেন।

ভেঙে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে তার টিনের বাড়ি। মারধরের অভিযোগও আছে সদর উপজেলার ডুডুমারি মাহানপাড়া গ্রামের ফরহাদের।

এ ঘটনায় রোববার তিনি পঞ্চগড় সদর থানায় আল মামুন ও হাফিজুল ইসলামসহ নয়জনের নামে মামলা করেন। তবে এখন পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ফরহাদ তিনবছর আগে তার পৈতৃক ১ বিঘা জমিতে বাড়ি করে সেখানেই কিছু চাষাবাদ করেন। আল মামুনের দাবি, ওই জমি তার। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আদালতে মামলাও চলছে।

গত ৩ জুলাই আল মামুন ও হাফিজুল ইসলাম লোকজন নিয়ে এই জমি দখল করতে আসে। ফরহাদের মা ফয়জান নেছা ও স্ত্রী শাহিনা বাধা দিলে আসামিরা তাদের মারধর করে। পরদিন ফরহাদ তাদের নামে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন।

১৫ জুলাই তারা জামিনে মুক্তি পেয়ে পরদিন ফরহাদকে হুমকি দেয় মামলা তুলে নিতে। ফরহাদ আবারও জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এতে ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

বাড়িঘর ‘পুড়িয়ে দেয়ার পর’ খোলা আকাশের নিচে

এরপর তারা গত শুক্রবার ফরহাদের বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর, লুটপাট করে আগুন দেয়। আবারও ফরহাদের মা ও স্ত্রীকে মারধর করে। পরে ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফরহাদ নিউজবাংলাকে জানান, আগুনে তার তিনটি ঘরের জিনিসপত্র পুড়ে গেছে। তিনি পরিবার নিয়ে প্রায় খোলা আকাশের নিচে থাকছেন।

এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন মামুন। তিনি জানান, এই জমি তাদের। এটি নিয়ে মামলাও চলছে। ফরহাদ তাদের বিপদে ফেলার নিজেই এমন কাণ্ড ঘটিয়েছে। তিনি ওখানে যাননি।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পঞ্চগড় সদর থানার উপপরিদর্শক কাইয়ুম আলী জানান, মামলাটি তদন্তাধীন। তদন্তে আসামীদের দোষ পাওয়া গেলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

আরও পড়ুন:
হালখাতায় মাইক ঘোরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু, আহত ২
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বাবার, আহত ছেলে

শেয়ার করুন

এসআই বাবাকে আর্মি ক্যাপ্টেন মেয়ের স্যালুট

এসআই বাবাকে আর্মি ক্যাপ্টেন মেয়ের স্যালুট

পুলিশ বাবা ও আর্মি মেয়ের স্যালুট দেয়ার এই ছবি ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে।

‘বাবাকে স্যালুট করছে কন্যা! নাকি বাবা-কন্যাকে। যেটাই হোক ছবিটা বুকভরা ভালোবাসার আনন্দের। এমন দৃশ্য সিনেমায় দেখি কিন্তু বাস্তবে আজ দেখলাম।’

বাবা আব্দুস সালাম পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আর মেয়ে শাহনাজ পারভীন সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন। একটি ছবিতে হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় একে অপরকে হাত উঁচিয়ে স্যালুট দিতে দেখা যাচ্ছে তাদের।

দেশ সেবায় নিয়োজিত দুই বাহিনীর এই দুই কর্মকর্তার স্যালুট দেয়ার এই ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। হাজারো মানুষের শুভেচ্ছা, ভালোবাসা আর অভিনন্দন বার্তায় সিক্ত হচ্ছেন তারা।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে স্যালুট দেয়ার এমন একটি ছবি ভাইরাল হয় ফেসবুকে। ছবিতে দেখা যায় পুলিশের এক নারী কর্মকর্তাকে স্যালুট ঠুকছেন বাহিনীরই আরেকজন।

এমন ঘটনা অহরহ ঘটলেও এই ছবি দৃষ্টি কাড়ে সবার। কারণ যাকে স্যালুট দেয়া হচ্ছে তার সঙ্গে লোকটির সম্পর্ক রক্তের। বাবার স্বপ্ন পূরণ করে মেয়ে হয়েছেন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট (ডিএসপি)। কর্মক্ষেত্রে তার সঙ্গে দেখা হয়ে যায় পুলিশের ইন্সপেক্টর বাবার। তখনই নিয়ম মেনে মেয়েকে স্যালুট দেন বাবা।

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের পোস্ট করা ওই ছবির সঙ্গে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে রংপুরের পুলিশের উপপরিদর্শক আব্দুস সালামের পোস্ট করা ছবির। ছবিটি কোথায় তোলা সে সম্পর্কে না জানা গেলেও ধারণা করা হচ্ছে ছুটিতে বাবা-মেয়ের দেখা হলে একে অপরকে স্যালুট দেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুস সালামের বাড়ি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলায়। ১৯৯০ সালে পুলিশে কনস্টেবল পদে চাকরি নেন তিনি। পদোন্নতি পেয়ে বর্তমানে তিনি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই)। কর্মরত আছেন রংপুরের গঙ্গাচড়া মডেল থানায়।

ব্যক্তিজীবনে আব্দুস সালাম তিন কন্যাসন্তানের জনক। ক্যাপ্টেন ডা. শাহনাজ পারভীন তার প্রথম কন্যা। মেজো মেয়ে উম্মে সালমা একটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি পড়ছেন তৃতীয় বর্ষে। সবার ছোট স্মৃতিমনি মীম এবার এসএসসি দেবে।

আব্দুস সালাম জানান, শাহনাজ ছোটবেলা থেকেই মেধাবী। ফুলবাড়ী পাইলট বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেন ২০১০ সালে। উত্তীর্ণ হন জিপিএ-৫ পেয়ে। এরপর ভর্তি হন ফুলবাড়ী ডিগ্রি কলেজে। ২০১২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায়ও ভালো ফল করেন। রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন ২০১৩-১৪ সেশনে।

সফলতার সঙ্গে এমবিবিএস পাস করার পর এ বছরই সেনাবাহিনীর আর্মি মেডিক্যাল কোরে সরাসরি ক্যাপ্টেন পদে আবেদন করেন। মেধা আর যোগ্যতায় চাকরি হয় সেনাবাহিনীতে।

তিনি বলেন, ‘দুদিন আগে আমরা ছবিটি তুলি। রোববার ছবিটি আমি ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করি। কিছুক্ষণের মধ্যে ছবিটি ভাইরাল হয়। ছবিটি সবাই শেয়ার করছেন, দোয়া করছেন। আমার খুব ভালো লাগছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি চাই আমার তিন কন্যাই আদর্শ মানুষ হোক। বড় মেয়ের সেনাবাহিনীতে চাকরি হওয়ায় আমি নিজেই গর্বিত।’

এসআই বাবাকে আর্মি ক্যাপ্টেন মেয়ের স্যালুট
ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট মেয়েকে পুলিশের ইন্সপেক্টর বাবার স্যালুট করার এই ছবি আলোড়ন তোলে ফেসবুকে

বাবা-মেয়ের ছবিটি রংপুর জেলা পুলিশের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজেও আপলোড করা হয়। সেখানে হাজার হাজার কমেন্টস পড়েছে। শেয়ারও হয়েছে অনেক।

ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়, সন্তানের কাছে ধৈর্য, কষ্টসহিষ্ণু ও নৈতিক আদর্শের প্রতীক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারলেই কেবল এই ধরনের অসাধারণ মুহূর্তের উদ্ভব হয়। জেলা পুলিশ রংপুরের পক্ষ থেকে পিতা ও কন্যাকে আন্তরিক অভিনন্দন!

সেরাফুল ইসলাম হিমেল নামের একজন লেখেন, অস্থির পরিস্থিতির মাঝে এই ছবি শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয়। শুভ কামনা রইল দুইজনের প্রতি।

সৈয়দ মোহাম্মদ ইয়াসীর লেখেন, অনেক অনেক দোয়া ও শুভ কামনা রইল বাবা-মেয়ের জন্য।

পরিমল মজুমদার মুকুল লেখেন, বাবাকে স্যালুট করছে কন্যা! নাকি বাবা-কন্যাকে। যেটাই হোক ছবিটা বুকভরা ভালোবাসার আনন্দের। এমন দৃশ্য সিনেমায় দেখি কিন্তু বাস্তবে আজ দেখলাম।

মনির হায়দার নামের একজন লেখেন, বাহ! অনন্য সাধারণ।

নাজমুল হুদা নামের একজন লেখেন, গর্বিত পিতার গর্বিত সন্তান।

মহাবুব চয়ন নামের একজন লেখেন, অসাধারণ! মুখে কোনো ভাষা নেই আমার। সম্মানিত পিতার সম্মানিত কন্যা, আমার অভিবাদন গ্রহণ করো।

বাবা-মেয়ের স্যালুট দেয়া হাস্যোজ্জ্বল ছবিটি পুলিশের সদস্যরাও শেয়ার দিচ্ছেন। সহকর্মীর সন্তানের সেনাবাহিনীতে উচ্চ পদে চাকরিপ্রাপ্তির সংবাদে আনন্দিত তারা।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার জানান, ‘প্রতিটি বাবাই চায় তাদের সন্তান আদর্শ মানুষ হোক। ডা. শাহনাজ পারভীনের এমন সফলতায় আমরাও খুশি। তার মঙ্গল কামনা করি আমরা।’

আরও পড়ুন:
হালখাতায় মাইক ঘোরাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চাচা-ভাতিজার মৃত্যু
গাইবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ট্রাফিক সার্জেন্টের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বৃদ্ধের মৃত্যু, আহত ২
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষিশ্রমিকের মৃত্যু
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল বাবার, আহত ছেলে

শেয়ার করুন