দাঁড়িয়ে থাকা বাসে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২

দাঁড়িয়ে থাকা বাসে ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২

রাত সোয়া ৩টার দিকে হঠাৎ একটি ট্রাক এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। ট্রাকের ধাক্কায় সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায় বাসটি। ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই বাসের যাত্রী শফিকুল নিহত হন।

ময়মনসিংহের ভালুকায় দাঁড়িয়ে থাকা বাসে ট্রাকের ধাক্কায় বাসের এক যাত্রীসহ ট্রাকচালক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুজন।

উপজেলার হাজির বাজার এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত সোয়া ৩টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত যাত্রী শফিকুল ইসলামের বাড়ি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার লঙ্গারচরে। নিহত ট্রাকচালক ইয়াকুব মোল্লার বাড়ি নড়াইলে। তিনি ভালুকার সিডস্টোর এলাকায় থেকে ট্রাক চালাতেন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন ভালুকা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান।

তিনি জানান, জামালপুরের সানন্দবাড়ি থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসে একটি বাস। ভালুকায় হাজির বাজার এলাকায় পৌঁছালে বাসে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। পরে সড়কের পাশে বাসটি দাঁড় করিয়ে ঠিক করছিলেন চালক ও তার সহকারীরা।

রাত সোয়া ৩টার দিকে হঠাৎ একটি ট্রাক এসে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। ট্রাকের ধাক্কায় সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায় বাসটি।

ওসি আরও জানান, ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই বাসের যাত্রী শফিকুল নিহত হন। ট্রাকের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে গেলে ট্রাকের চালক ইয়াকুব মোল্লা ও দুই সহকারী আহত হন।

তাদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চালকের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনাকবলিত যান দুটি জব্দ করা হয়েছে। মরদেহগুলো হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে রাখা হয়েছে। পরিবারের কাছে মরদেহ দুটি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
সোনাইমুড়ীতে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
অটোরিকশা-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নানা-নানির সঙ্গে রাস্তায় প্রাণ গেল নাতির

নানা-নানির সঙ্গে রাস্তায় প্রাণ গেল নাতির

বগুড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ওসি খায়রুল ইসলাম জানান, গাইবান্ধার সাঘাটা থেকে অটোরিকশায় করে বগুড়ায় বাড়ি ফিরছিলেন তারা। অটোরিকশাটি একটি ট্রাককে ওভারটেক করতে দিয়ে আহসান পরিবহন নামে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

বগুড়ার শিবগঞ্জে নানা-নানির সঙ্গে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে দুই মাস বয়সী রেজওয়ান আহমেদ।

বগুড়া-রংপুর মহাসড়কে উপজেলার মহাস্থান হাতিবান্ধা এলাকায় শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন দুইজন।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন আশরাফুল ইসলাম, তার স্ত্রী পারুল আক্তার ও তাদের নাতি রেজওয়ান আহমেদ।

আহত দুজন হলেন রেজওয়ানের বাবা-মা। তাদের নাম মো. রাশেদুল ও গোলাপি। হতাহত সবাই বগুড়া সদরের নওদাপাড়া এলাকায় বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ইসলাম জানান, গাইবান্ধার সাঘাটা থেকে অটোরিকশায় করে বগুড়ায় বাড়ি ফিরছিলেন তারা। অটোরিকশাটি একটি ট্রাককে ওভারটেক করতে দিয়ে আহসান পরিবহন নামে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান আশরাফুল ও পারুল। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে নেয়া হলে মারা যায় শিশু রেজওয়ান।

ওসি আরও জানান, আহতরা শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

আরও পড়ুন:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
সোনাইমুড়ীতে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
অটোরিকশা-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

শেয়ার করুন

‘মহাসড়কে মহাসাগর’

‘মহাসড়কে মহাসাগর’

চট্টগ্রামে ভারী বর্ষণে কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমর পর্যন্ত পানি উঠেছে। ছবি: নিউজবাংলা

বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে নগরের জিইসি, দুই নম্বর গেট, প্রবর্তক মোড়, চকবাজার, বাকলিয়া, হালিশহর, আগ্রাবাদ সিডিএসহ বিভিন্ন এলাকা। এসব এলাকার সড়কে কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমর পর্যন্ত পানি উঠেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে পথচারী ও অফিসগামীরা।

এক দিনের বৃষ্টিতে ফের জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে চট্টগ্রামের নিচু এলাকাগুলোতে।

শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসে ১২১.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়।

বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে নগরীর জিইসি, দুই নম্বর গেট, প্রবর্তক মোড়, চকবাজার, বাকলিয়া, হালিশহর, আগ্রাবাদ সিডিএসহ বিভিন্ন এলাকা। এসব এলাকার সড়কে কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমর পর্যন্ত পানি উঠেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছে পথচারী ও অফিসগামীরা।

নগরের দুই নম্বর গেট এলাকার বাসিন্দা সাব্বির হোসেন কাজ করেন দেওয়ানহাট এলাকার একটি পোশাক কারখানায়।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতকাল রাত থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। আর বৃষ্টি হওয়ার আগেই ডুবে যায় চট্টগ্রাম শহর। সকাল থেকে বাস কমে গেছে, রাস্তায়ও পানি।

‘কিন্তু অফিস তো এটা বুঝবে না। রাস্তায় পানি থাকায় হেঁটেও যেতে পারছি না। তাই এখানে দাঁড়িয়ে মহাসড়কে মহাসাগর দেখি।’

পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ হারুনুর রশীদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ১২১.২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সাধারণত বৃষ্টিপাত ৮০ বা তার কাছাকাছি হলে আমরা ভারী বর্ষণ বলে থাকি। কিন্তু যেহেতু এটা ৮০ পেরিয়ে গেছে, তাই এটাকে অতি ভারী বর্ষণ বলছি আমরা।’

তিনি জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টাও চলবে এই ভারী বর্ষণ। তবে রোববার বিকেল থেকে কমতে পারে বৃষ্টিপাত। মূলত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দেশের ওপর অবস্থান করায় এই বৃষ্টি হচ্ছে।

‘মহাসড়কে মহাসাগর’

চট্টগ্রাম মহানগরের দীর্ঘদিনের সমস্যা জলাবদ্ধতা। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ), চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড জলাবদ্ধতা নিরসনে চারটি প্রকল্প নিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্পটি সিডিএর।

জলাবদ্ধতা নিরসনে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়নে পাঁচ হাজার ৬১৬ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এখনও এর কাজ শেষ হয়নি।

প্রকল্প পরিচালক ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী আহমদ মাঈনুদ্দিন বলেন, প্রকল্পের কাজ ৫৫ শতাংশ শেষ হয়েছে। এই বছর সুফল না মিললে ২০২২ সালে সুফল মিলবে। কাজের জন্য খালে বাঁধ দেয়াতে নগরের কিছু কিছু জায়গায় জলাবদ্ধতা হচ্ছে।

এদিকে কর্ণফুলী নদীর তীর কালুরঘাট সেতু থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত সাড়ে আট কিলোমিটার সড়ক ও স্লুইস গেট নির্মাণের আরেকটি প্রকল্পও বাস্তবায়ন করছে সিডিএ। ২ হাজার ৩১০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত প্রকল্পের অগ্রগতি ৪৮ শতাংশ।

প্রকল্প পরিচালক ও সিডিএর নির্বাহী প্রকৌশলী রাজীব দাশ বলেন, ‘আমার প্রকল্পের আওতায় ৮টি স্লুইস গেট নির্মাণ করা হবে। সব গেটের কাজ শুরু হয়েছে।

‘তিনটি গেট নির্মাণকাজ শেষ। চাক্তাই খালের মুখের গেটের কাজ শেষ হওয়াতে এবার খাতুনগঞ্জে জলাবদ্ধতা হচ্ছে না। বাকিগুলোর কাজ শেষ হলে সুফল মিলবে।’

‘মহাসড়কে মহাসাগর’

চট্টগ্রাম মহানগরে নতুন করে একটি খাল খননের প্রকল্প নিয়েছে সিটি করপোরেশন। বারইপাড়া থেকে কর্ণফুলী নদী পর্যন্ত ২ দশমিক ৯ কিলোমিটার লম্বা ও ৬৫ ফুট চওড়া হবে এই খাল। এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ২৫৬ কোটি টাকা। তবে এর কাজ এখনও শুরু হয়নি।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন বলেন, ‘টাকার অভাবে আমরা ভূমি অধিগ্রহণ করতে পারছি না। সরকার টাকা বরাদ্দ দিচ্ছে না।’

বন্দরনগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে আরেকটি প্রকল্প নিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। ১ হাজার ৬২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পটিরও কাজ শুরু হয়নি।

পাউবো চট্টগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী ত্রয়ন ত্রিপুরা বলেন, প্রকল্পের অবকাঠামো কাজে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বর্ষার পর এর কাজ শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
সোনাইমুড়ীতে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
অটোরিকশা-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

শেয়ার করুন

করোনা: রাজশাহী মেডিক্যালে ১৯ দিনে ১৯৩ মৃত্যু

করোনা: রাজশাহী মেডিক্যালে ১৯ দিনে ১৯৩ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

চলতি মাসের ১৯ দিনে এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ১৯৩ জন। এর মধ্যে শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছেন ১০৫ জন। বাকিদের মৃত্যু হয় উপসর্গ নিয়ে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার সকালের মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে চলতি মাসের ১৯ দিনে এই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ১৯৩ জন। এর মধ্যে শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছেন ১০৫ জন। বাকিদের মৃত্যু হয় উপসর্গ নিয়ে।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, মৃত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন করোনা পজিটিভ ছিলেন। বাকিরা মারা গেছেন উপসর্গ নিয়ে। তার মধ্যে রাজশাহীর ৫ জন আর চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫ জন।

হাসপাতাল পরিচালক আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৪৬ জন। আর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১৮ জন। শনিবার সকালে করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ৩৬৫ জন।

শুক্রবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ ও রামেক হাসপাতাল ল্যাবে ৫৬৩ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা পজেটিভ এসেছে ১৯২ জনের।

রাজশাহীর ৩৭৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১১৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। আর নওগাঁর ১৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৭৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

আরও পড়ুন:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
সোনাইমুড়ীতে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
অটোরিকশা-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

শেয়ার করুন

বাড়িতে ঢুকে ২ ভাইকে কুপিয়ে জখম

বাড়িতে ঢুকে ২ ভাইকে কুপিয়ে জখম

পরিবারের লোকজনের সঙ্গে জানা যায়, শনিবার ভোর ৩ টায় বাড়িতে একদল ডাকাত হামলা চালায়। তাদের বাধা দিতে গেলে কোপানো হয় হরেন্দ্রকে। তাকে বাঁচাতে গেলে আহত হন বড়ভাই গরচান।  

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে বাড়িতে ঢুকে দুই ভাইকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। পরিবারের লোকজন জানিয়েছে, হামলাকারীরা ডাকাত।হামলা করলেও বাড়ির লোকজনের চিৎকারে তারা ডাকাতি না করেই পালিয়ে যায়।

সদর উপজেলার কাশিনগর গ্রামে শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে।

আহতদের নাম গরচান ও হরেন্দ্র বলে জানিয়েছেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম।

তাদের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে জানা যায়, শনিবার ভোর ৩ টায় বাড়িতে একদল ডাকাত হামলা চালায়। তাদের বাধা দিতে গেলে কোপানো হয় হরেন্দ্রকে। তাকে বাঁচাতে গেলে আহত হন বড়ভাই গরচান।

তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন জড়ো হতে শুরু করলে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। আহতদের নেয়া হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়।

হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক নাজমুল হক রনি বলেন, আহতদের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত আছে। তাদের মধ্যে গরচানের বুকে জখম মারাত্মক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

ওসি এমরানুল জানান, ঘটনার বিস্তারিত জানতে খোঁজ নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
সোনাইমুড়ীতে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
অটোরিকশা-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

শেয়ার করুন

গারো পাহাড়ে উৎসবের আমেজ

গারো পাহাড়ে উৎসবের আমেজ

শেরপুরে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর। ছবি: নিউজবাংলা

গারো পাহাড়ের হলদিগ্রামে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে রোববার আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপহারের ঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কারণে পাহাড়ে উৎসবের আমেজ। পাকা ঘর বুঝে পাওয়ার খবরে আনন্দে ভাসছে গৃহহীন পরিবারগুলো।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে শেরপুরে দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপহার হিসেবে আরও ১৬৭টি পরিবার পাচ্ছে দুই শতক করে জমি ও আধাপাকা ঘর।

গারো পাহাড়ের হলদিগ্রামে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে রোববার এসব ঘর হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ কারণে পাহাড়ে উৎসবের আমেজ।

মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না—প্রধানমন্ত্রীর এমন ঘোষণা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ভূমি ও গৃহহীনদের দ্বিতীয় পর্যায়ে ৬৪ জেলার ৪৫৯ উপজেলার ৫২ হাজার ৯৪৫ পরিবারকে ২ শতক জমি ও একটি করে আধাপাকা ঘর তুলে দেয়া হচ্ছে।

এবার শেরপুর জেলার ১৬৭টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবার পাচ্ছে ঘর ও জমি।

শেরপুর সদরসহ পাঁচ উপজেলায় প্রতিটি বাড়ি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে এক লাখ ৯০ হাজার টাকা। মোট ব্যয় তিন কোটি ১৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

গৃহহীনদের একজন সালেহা বেগম বলেন, ‘আমাগো জাগা-জমি কিছুই নাই। ঢলে ঢলে ঘুরতাম। কেউ থাকবার এল্লাহানি জাগা দেয় নাই।

‘প্রধানমন্ত্রী আমাগো জাগা দিতাছে, ঘর দিল। আমরা খুব খুশি অইছি।’

আরেক গৃহহীন জমিলা বেগম বলেন, ‘আমাগো তো কিছুই আছিল না। প্রধানমন্ত্রী আমাগো নিজ হাতে ঘর ও জমি তুলে দিতাছে; আমরা খুশি অইছি। আমরা দোয়া করি প্রধানমন্ত্রী মেলা দিন বাইছা থাহুক।’

নিশা রানী হাজং বলেন, ‘পাহাড়ের ঢালুতে এডা ঝুপড়া ঘর তুইলা থাকতাম। হাতি আইসা ঘর ভাইঙ্গা দিছে। মেলা জায়গায় ঘুরছি। কেউ থাহার জাগা দেয় নাই।

‘প্রধানমন্ত্রী ঘরও দিতাছে; জাগাও দিব। তাও তিনি আমাগো এ হলদি গেরামের মানুষের ভিডিওর মাধ্যমে নিজের হাতে দিব। আমরা খুব খুশিতে আছি।’

জেলা প্রশাসক (ডিসি) আনার কলি মাহবুব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দেশের একজন মানুষকেও গৃহহীন রাখবেন না। এ জন্য তিনি ভূমিহীন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।’

আরও পড়ুন:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
সোনাইমুড়ীতে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
অটোরিকশা-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

শেয়ার করুন

দুঃসহ জীবন অবসান হচ্ছে নীলফামারীর ১২৫০ পরিবারের

দুঃসহ জীবন অবসান হচ্ছে নীলফামারীর ১২৫০ পরিবারের

সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী। ছবি: নিউজবাংলা

নীলফামারী সদরে ২২০টি, সৈয়দপুরে ৬০টি, কিশোরগঞ্জে ১৭০টি, জলঢাকা ও ডোমারে ৩০০ করে এবং ডিমলায় ২০০টি পরিবারকে দেয়া হবে বিনা মূল্যের ঘর।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে দ্বিতীয় দফায় নীলফামারী জেলায় এক হাজার ২৫০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার জমি ও ঘর পাচ্ছে।

এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় সুবিধাভোগীদের হাতে ঘরের চাবি ও দলিল তুলে দেবেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি জানান জেলা প্রশাসক (ডিসি) হাফিজুর রহমান চৌধুরী।

তিনি জানান, নীলফামারী সদরে ২২০টি, সৈয়দপুরে ৬০টি, কিশোরগঞ্জে ১৭০টি, জলঢাকা ও ডোমারে ৩০০ করে এবং ডিমলায় ২০০টি পরিবারকে দেয়া হবে এই ঘর।

৩৯৪ বর্গফুটের একেকটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। আর পরিবারগুলোকে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ২১.৭০ শতাংশ জমি।

ডিসি জানান, ঘরগুলোতে বিদ্যুৎ সংযোগ ও টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছে। দুই কক্ষের ঘরগুলোতে একটি করে টয়লেট, রান্নাঘর ও ইউটিলিটি স্পেস রয়েছে।

১১ হাজার ২৮৫টি তালিকাভুক্ত পরিবারের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৬৩৭টি পরিবারকে ঘর ও জমি হস্তান্তর করা হয়।

প্রথম পর্যায়ে নির্মিত ঘরের ব্যয় হয়েছিল ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক আব্দুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) খন্দকার নাহিদ হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মির্জা মুরাদ হাসান, নীলফামারী সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিনা আকতার, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) বেলায়েত হোসেন, নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) জাহাঙ্গীর হোসাইন, ম্যাজিস্ট্রেট জায়িদ ইমরুল মুজাক্কিন, মাসুদুর রহমান।

আরও পড়ুন:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
সোনাইমুড়ীতে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
অটোরিকশা-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গায় ১ দিনে ৭৬ জন শনাক্ত

চুয়াডাঙ্গায় ১ দিনে ৭৬ জন শনাক্ত

চুয়াডাঙ্গা সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, ১৯৩ জনের নমুনা পরীক্ষার ফল শুক্রবার রাতে পেয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে ৭৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় জেলায় করোনায় মারা গেছেন আরও দু’জন।

চুয়াডাঙ্গায় বেড়েই চলেছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। নতুন করে এ জেলায় আরও ৭৬ জনে করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে চুয়াডাঙ্গায় এটিই একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

শনাক্তের হার বিবেচনায় ৩৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত ২৪ ঘন্টায় মারা গেছেন আরও দু’জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৭৭ জনে।

সিভিল সার্জন কার্যালয় জানায়, ১৯৩ জনের নমুনা পরীক্ষার ফল শুক্রবার রাতে পেয়েছে চুয়াডাঙ্গা স্বাস্থ্য বিভাগ। এর মধ্যে ৭৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৫২৩ জনে।

জেলায় নতুন শনাক্ত ৭৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ৩৫ জন, দামুড়হুদায় ৩৫, আলমডাঙ্গায় চার ও জীবননগরে দুই জন।

চুয়াডাঙ্গায় করোনা সংক্রমণ রোধে সীমান্তবর্তী দামুড়হুদা উপজেলা ১৪ দিনের জন্য বিশেষ লকডাউন করা হয়েছে। বিশেষ বিধি নিষেধ জারি করা হয়েছে জীবননগর উপজেলাতেও। লকডাউন ও বিধি নিষেধ জারি করা এলাকা নিয়মিত তদারকি করছে প্রশাসন। স্বাস্থ্যবিধি অমান্যকারীদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করা হচ্ছে।

সিভিল সার্জন এএসএম মারুফ হাসান জানান, চুয়াডাঙ্গায় সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। অনেকে সর্দি কাশি জ্বরে আক্রান্ত হয়েও পরীক্ষায় আগ্রহী হচ্ছে না। অসুস্থতার মাত্রা বেড়ে যখন শ্বাসকষ্ট তীব্র হচ্ছে তখন স্বজনরা তড়িঘড়ি করে হাসপাতালে নিচ্ছেন। এ ধরনের রোগীর মৃত্যু হচ্ছে বেশি।

করোনাভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষা করতে এবং সংক্রমণ রোধে সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।

আরও পড়ুন:
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
সোনাইমুড়ীতে ট্রাকচাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু
বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ২
অটোরিকশা-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত ২
বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষ, নিহত ৩

শেয়ার করুন