বাস অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩

বাস অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩

হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রিয়াদ মাহমুদ বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর যাত্রীবাহী বাসটি ফেলেই চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে। বাস ও অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হাইওয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে আইয়ুব আলী নামে এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ সময় গুরুতর আহত হয়েছেন তিনজন।

ঢাকা আরিচা মহাসড়কের শিবালয় উপজেলার টেপড়া এলাকায় বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি বরঙ্গাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রিয়াদ মাহমুদ নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আইয়ুব আলীর বাড়ি শিবালয় উপজেলার শিবরামপুরে।

এ ঘটনায় অটোরিকশাচালক জহিরুল ইসলামসহ সাইমন হোসেন ও খালিদ মিয়া নামের তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রিয়াদ মাহমুদ জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকাগামী একটি বাসের সঙ্গে পাটুরিয়াগামী একটি অটোরিকশার সংর্ঘষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাচালকসহ চারজন গুরুতর আহত হন।

পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেছে চিকিৎসক আইয়ুব আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।

চালকসহ বাকি তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

তিনি আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনার পর যাত্রীবাহী বাসটি ফেলে চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে। বাস ও অটোরিকশা জব্দ করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হাইওয়ে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
বাসের ধাক্কায় বাইকচালক নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
ট্রাকের নিচে পিষ্ট ২ শিশু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বকেয়া বেতন-ভাতা চেয়ে সড়কে পোশাকশ্রমিকরা

বকেয়া বেতন-ভাতা চেয়ে সড়কে পোশাকশ্রমিকরা

শিল্প পুলিশ-১-এর এসপি মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘হালকা কাঁদানে গ্যাস ও পানি ছিটিয়ে তাদের সরিয়ে দেয়া হয়। তারা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলেও তেমন কিছু হয়নি। অল্প সময় শুধু সড়কে যানচলাচল বিঘ্নিত হয়েছে।’

সাভারের নতুন ইপিজেডে বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা।

নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে রোববার সকাল পৌনে ৭টার দিকে সড়ক অবরোধ করেন লেনি ফ্যাশন নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানার প্রায় ৩০০ শ্রমিক।

ওই সময় তাদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শিল্প পুলিশ-১-এর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানান, সকালে লেনি ফ্যাশনের কয়েক শ শ্রমিক বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে নতুন ইপিজেডের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় ব্যস্ততম এই সড়কটিতে যানচলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে দেয়ার জন্য বোঝালেও তারা বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে জলকামান নিক্ষেপ করে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।

তিনি বলেন, ‘সকালে ঘটনাস্থলে আমাদের পর্যাপ্ত পুলিশ সদস্য ছিল। আমরা শ্রমিকদের সড়ক থেকে বুঝিয়ে সরিয়ে দেয়ার অনেকবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা শোনেননি। তার পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাস্তা ক্লিয়ার করা হয়েছে।

‘হালকা কাঁদানে গ্যাস ও পানি ছিটিয়ে তাদের সরিয়ে দেয়া হয়। তারা বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলেও তেমন কিছু হয়নি। অল্প সময় শুধু সড়কে যানচলাচল বিঘ্নিত হয়েছে।’

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, ‘লেনি ফ্যাশন কারখানার মালিক একজন ভারতীয়। অনেক দিন আগে থেকেই করোনার কারণে মালিক ফ্যাক্টরিতে আসেন না। ওই মালিকের দুটি কারখানায় প্রায় ৬০০ শ্রমিক কাজ করেন।

‘চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারখানা দুটি বন্ধ। জানুয়ারি মাসের বেতনও তারা পাননি। তাদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকাও আটকে আছে। এখন করণীয় কিছু নাই। ফ্যাক্টরি বিক্রি করতে হবে। এই মুহূর্তে সেই প্রচেষ্টাও চলছে।’

আরও পড়ুন:
দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
বাসের ধাক্কায় বাইকচালক নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
ট্রাকের নিচে পিষ্ট ২ শিশু

শেয়ার করুন

নবীনগর হেফাজতের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

নবীনগর হেফাজতের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম ফারুকী।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‌‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের চালানো তাণ্ডবের ঘটনায় তিনি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। এ কারণে শনিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের হেফাজতে ইসলামের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুল কাইয়ূম ফারুকীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জেলা শহরের কান্দিপাড়া থেকে শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‌‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের চালানো তাণ্ডবের ঘটনায় তিনি প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। এ কারণে শনিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

হেফাজতের তাণ্ডবের ঘটনায় জেলা সদরে ৪৯টি, আশুগঞ্জে ৪, সরাইলে ২ ও আখাউড়া রেলওয়ে থানায় ১টি মামলা হয়।

এসব মামলায় ৪১৪ জনের নামে ও অজ্ঞাতপরিচয় ৩০ থেকে ৩৫ হাজার লোককে আসামি করা হয়। এ পর্যন্ত আবদুল কাইয়ূম ফারুকীকে নিয়ে ৫৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বছর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত জেলায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালায়।

এ সময় হামলাকারীরা সরকারি, বেসরকারি অর্ধশতাধিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আতঙ্ক সৃষ্টি করেন।

আরও পড়ুন:
দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
বাসের ধাক্কায় বাইকচালক নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
ট্রাকের নিচে পিষ্ট ২ শিশু

শেয়ার করুন

গৃহবধূ ধর্ষণের মামলায় দুই ভাই গ্রেপ্তার

গৃহবধূ ধর্ষণের মামলায় দুই ভাই গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি

ওই নারীর স্বামী বিদেশে থাকেন। সেই সুযোগে ওই নারীর ভাশুর গত বছরের ২১ জুন তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে ঘটনাটি পারিবারিকভাবে ধামাচাপা দেয়া হয়। চলতি বছরের ১০ মে রাতে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করেন তার দেবর। এরপর ৭ জুন রাতে ওই ব্যক্তি আবার ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন বাধা দেয়ায় ওই ব্যক্তি তাকে মারধর করেন।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার ও ধর্ষণ মামলায় দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা ওই নারীর দেবর ও ভাশুর।

উপজেলার একটি এলাকা থেকে শনিবার রাত ১১টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে রাত ৮টার দিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দুটি মামলা করেন ওই নারী।

রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ এফ এম সায়েদ জানান, ওই গৃহবধূর করা ধর্ষণচেষ্টা মামলায় তার ভাশুরকে ও ধর্ষণ মামলায় দেবরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের রোববার আদালতে পাঠানো হবে।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ওই নারীর স্বামী বিদেশে থাকেন। সেই সুযোগে ওই নারীর ভাশুর গত বছরের ২১ জুন তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে ঘটনাটি পারিবারিকভাবে ধামাচাপা দেয়া হয়।

চলতি বছরের ১০ মে রাতে ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণ করেন তার দেবর। এরপর ৭ জুন রাতে ওই ব্যক্তি আবার ওই নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। তখন বাধা দেয়ায় ওই ব্যক্তি তাকে মারধর করেন। পরদিন ওই নারী তার বাবার বাড়ি চলে যান। এরপর শনিবার রাতে তিনি রূপগঞ্জ থানায় তার ভাশুর ও দেবরের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালায়। রাত ১১টার পর অভিযুক্ত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
বাসের ধাক্কায় বাইকচালক নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
ট্রাকের নিচে পিষ্ট ২ শিশু

শেয়ার করুন

বাসের ধাক্কায় লরি উল্টে আগুন, পুড়ল ২ জন

বাসের ধাক্কায় লরি উল্টে আগুন, পুড়ল ২ জন

বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর পুড়ে যাওয়া লরির এই ছবি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে নেয়া

ঘটনাটি শনিবার রাত ৩টার দিকের। বঙ্গবন্ধু সেতুর ১৯ নম্বর পিলারের কাছে উত্তরবঙ্গগামী লেনে শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস একটি লরিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। লরিটি উল্টে পড়ে গেলে আগুন ধরে যায়। এতে লরিতে থাকা দুইজন পুড়ে মারা যান।    

টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর বাসের ধাক্কায় উল্টে যাওয়া লরিতে আগুন লাগায় দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন সাতজন।

দুর্ঘটনার পর থেকে সেতু দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই পারে যানজট লেগে যায়।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন মো. মজনু ও নজরুল ইসলাম। তাদের বাড়ি নীলফামারীর ডিমলায়।

তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, ঘটনাটি শনিবার রাত ৩টার দিকের। বঙ্গবন্ধু সেতুর ১৯ নম্বর পিলারের কাছে উত্তরবঙ্গগামী লেনে শ্যামলী পরিবহনের যাত্রীবাহী বাস একটি লরিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। লরিটি উল্টে পড়ে গেলে আগুন ধরে যায়। এতে লরিতে থাকা দুইজন পুড়ে মারা যান।

এ ঘটনায় আহত হন বাসের সাত আরোহী। তাদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুড়ে যাওয়া মরদেহ দুটি সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক আরিফুল রহমান জানান, দুর্ঘটনায় কবলিত পরিবহন দুটি সরানোর পর সেতুর ওপর দিয়ে ভোর থেকে যান চলাচল শুরু হয়।

তবে সকাল ৮টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম টোল প্লাজা থেকে কড্ডার মোড় পর্যন্ত মহাসড়কে এক লেনে গাড়ির চাপ রয়েছে বলে জানান এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক ইয়াসির আরাফাত।

আরও পড়ুন:
দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
বাসের ধাক্কায় বাইকচালক নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
ট্রাকের নিচে পিষ্ট ২ শিশু

শেয়ার করুন

রাজশাহীতে আরও ২৮২ জনের করোনা শনাক্ত

রাজশাহীতে আরও ২৮২ জনের করোনা শনাক্ত

করোনা পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভিড় বাড়ছে। ছবি: নিউজবাংলা

শনিবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ২৩০ জনের করোনা পজিটিভ হয়। আর অ্যান্টিজেন টেস্টে করোনা ধরা পড়ে ৫২ জনের।

রাজশাহীতে এক দিনে আরও ২৮২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল ল্যাবে নমুনা পরীক্ষায় ২৩০ জনের করোনা পজিটিভ হয়। আর অ্যান্টিজেন টেস্টে করোনা ধরা পড়ে ৫২ জনের।

এর মধ্যে রাজশাহীর দুই পিসিআর ল্যাবে ৬৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনিবার রাতে এ ফল প্রকাশ করা হয়।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের ল্যাব ইনচার্জ ডা. সাবেরা গুলনাহার জানান, শনিবার ল্যাবে মোট ৪৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১২২ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে। এখানে রাজশাহীর ১৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা শনাক্ত হয় ৭৫ জনের। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৫৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় পজিটিভ ২৬, নওগাঁর চারজনের নমুনা পরীক্ষায় দুইজনের পজিটিভ, নাটোরের ১৫০ জনের নমুনা করে ১৯ জনের করোনা ধরা পড়েছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, শুক্রবার হাসপাতাল ল্যাবে ১৮২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১০৮ জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে।

শনিবার নগরীতে ৫৫৯ জনের অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫২ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, বক্ষব্যাধি হাসপাতালের জিন এক্সপার্ট ও নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে অ্যান্টিজেন টেস্টে ৩০৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

করোনার উচ্চ সংক্রমণ ঠেকাতে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে শুরু হওয়া সর্বাত্মক লকডাউনে অনেকটাই ফাঁকা হয়ে গেছে রাজশাহী শহর।

আরও পড়ুন:
দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
বাসের ধাক্কায় বাইকচালক নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
ট্রাকের নিচে পিষ্ট ২ শিশু

শেয়ার করুন

টিকা নেয়ায় কম ঝুঁকিতে চিকিৎসকরা

টিকা নেয়ায় কম ঝুঁকিতে চিকিৎসকরা

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় রোগীর চাপ বাড়ছে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। ছবি: নিউজবাংলা

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, ‘করোনা মহামারির শুরুতে বিপুল সংখ্যক চিকিৎসক আক্রান্ত হন। হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম পড়ে ঝুঁকির মুখে। তবে এবার চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা আক্রান্ত কম হচ্ছেন। চিকিৎসকরা বলছেন, তারা ভালো থাকার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ।’

সীমান্তবর্তী রাজশাহী এখন করোনাভাইরাস সংক্রমণের হটস্পট। প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে রোগী। দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর তালিকা। তবে ভ্যাকসিন নেয়ায় চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, ‘করোনা মহামারির শুরুতে রাজশাহীর বিপুল সংখ্যক চিকিৎসক আক্রান্ত হন। হাসপাতালের চিকিৎসা কার্যক্রম পড়ে ঝুঁকির মুখে। তবে এবার চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা আক্রান্ত কম হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত আমরা রোগীদের ভালোভাবেই সেবা দিতে পারছি। আগের বছরের মত পরিস্থিতি খারাপ হলে এত রোগী সামলানো কঠিন হয়ে যেত। চিকিৎসকরা বলছেন, তারা ভালো থাকার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণ।’

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, করোনার প্রথম ঢেউ আসার পরই গত বছর একের পর এক চিকিৎসক আক্রান্ত হতে থাকেন। নার্স, আয়াসহ দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মচারীরাও আক্রান্ত হন। তখন সেবা কার্যক্রম পড়ে ঝুঁকির মুখে। প্রথম ঢেউয়ে রাজশাহীতে চিকিৎসায় জড়িত ৬১২ জন করোনায় আক্রান্ত হন। এর মধ্যে চিকিৎসক ছিলেন ২৩২ জন, নার্স ২৬২ জন। হাসপাতালের কর্মচারী আক্রান্ত হন ১১৮ জন।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় ঢেউয়ে সাধারণ মানুষের সংক্রমণ ও মৃত্যু অনেক বেড়ে গেলেও চিকিৎসাসংশ্লিষ্টরা অনেকটা ঝুঁকি মুক্ত আছেন। এবার এখন পর্যন্ত এক চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন। আর নার্স আক্রান্ত হয়েছেন ২০ জন। তবে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আব্দুল হান্নান করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৭ মার্চ মারা যান। তারপর আর কেউ আক্রান্ত হননি।

ডা. সাইফুল বলেন, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত আছেন ২৫৮ জন চিকিৎসক ও নার্স ৪৫২ জন। আর হাসপাতালে দৈনিক মজুরীভিত্তিক কর্মচারী ২১৬ জন। তারা নিয়মিত সেবা দিচ্ছেন।

ব্রিগেডিয়ার শামীম ইয়াজদানী বলেন, হাসপাতালের ১০টি ওয়ার্ড নিয়ে করোনা ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এখানে বেড রয়েছে ২৭১টি। কয়েকদিন ধরেই রোগীর সংখ্যা বেশি। সবশেষ শনিবার সকালে এখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন ২৮৯ জন।

তিনি জানান, যারা করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসা দিচ্ছেন তারা ১৪ দিন পর পর কোয়ারেন্টিনে থাকছেন। কোয়ারেন্টিইন থেকে আবার চিকিৎসার কাজে যোগ দিচ্ছেন। চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারী সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. নওশাদ আলী বলেন, দ্বিতীয় ঢেউয়ে চিকিৎসা সম্পৃক্তরা করোনায় কম আক্রান্ত হওয়ার কারণ ভ্যাকসিন গ্রহণ। এখানকার ডাক্তার, নার্স ও কর্মচারীরা দুই ডোজ করে ভ্যাকসিন নিয়েছেন। এ কারণে তাদের আক্রান্তের সংখ্যা অনেক কম। তাছাড়া, যে কয়জন নার্স আক্রান্ত হয়েছেন তাদের উপসর্গ উল্লেখযোগ্য নয়।

রাজশাহীতে ঈদের পর থেকেই বাড়তে শুরু করে করোনা রোগী। বিভিন্ন উপজেলার পাশাপাশি আশপাশের জেলাগুলোতেও রোগী বাড়ছে। করোনা শনাক্ত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাপ বেড়েছে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ওয়ার্ড একের পর এক করোনা ওয়ার্ডে রূপান্তর করা হয়।

এদিকে, করোনার উচ্চ সংক্রমণ ঠেকাতে শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে রাজশাহী শহরে সর্বাত্মক লকডাউন চলছে। স্থানীয় প্রশাসন আগামী ১৭ জুন পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করে। জেলা প্রশাসনের চার জন ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত শহরে কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
বাসের ধাক্কায় বাইকচালক নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
ট্রাকের নিচে পিষ্ট ২ শিশু

শেয়ার করুন

মা গোয়ালঘরে, প্রতিবন্ধী ছেলে অন্যের আশ্রয়ে

মা গোয়ালঘরে, প্রতিবন্ধী ছেলে অন্যের আশ্রয়ে

ছামছুন্নাহার বেগমের ভাঙাচোরা গোয়ালঘর। ছবি: নিউজবাংলা

গ্রামবাসী জানান, বৃদ্ধ ছামছুন্নাহার বেগমের কোনো জায়গা নেই। অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে চলে তার সংসার। স্বামী আবদুল রশিদ মিয়ার মৃত্যুর পর শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে জাহিদুলকে নিয়ে তার সংসার।

জন্ম থেকেই জাহিদুল ইসলামের দুই পা ও এক হাত অসাড়। তিনি না পারেন দাঁড়াতে, না পারেন কোনো কাজ করতে। চলাফেরাও করতে হয় এক হাতের ওপর ভর করে। ৫০ বছর বয়সী জাহিদুলের নিজের ঘর না থাকায় আশ্রয় হয়েছে ভাইয়ের বাড়ির এক কোণে।

জাহিদুলের মতোই অবস্থা তার বৃদ্ধ মা ছামছুন্নাহার বেগমের। বছর পাঁচেক আগে হারিয়েছেন স্বামীকে। বাসযোগ্য ঘর না থাকায় তার রাত কাটে গোয়ালঘরে; গবাদিপশুর সঙ্গে।

সেই ঘরটিও ভাঙা; টিনে ধরেছে মরিচা। ঘরটির কোথাও জোড়াতালির টিন; আবার কোথাও পাটকাঠির বেড়া। কোথাও সুপারিগাছের ছোবলা।

গত তিন মাস আগে ঝোড়ো বাতাসে এই গোয়ালঘরটিও ভেঙে পড়ে। এরপর তার আশ্রয় হয় প্রতিবেশীর গোয়ালঘরে। মায়ের নিদারুণ কষ্ট দেখে মেয়ে জমিলা বেগম চড়া সুদে দাদনের টাকা নিয়ে ঘরটি মেরামত করে দিয়েছিলেন।

মেরামতের পরও যে ঘরের বিশেষ উন্নতি হয়েছে তা নয়। চারপাশের খুঁটি-বেড়া এখনও নড়বড়ে। জানালাগুলো খোলা। ভেঙে পড়ে আছে দরজার কাঠের পাল্লা। মরিচা ধরা টিনের ফুটো দিয়ে চাঁদের ও সূর্যের আলোর পাশাপাশি বৃষ্টির পানিও ঢুকে অনায়াসে। বেড়ার ফাঁক দিয়ে ইচ্ছা হলেই ঢুকে পড়ে শিয়াল, কুকুর আর বিড়াল।

অথচ দাদনের টাকার চিন্তায় এখন নির্ঘুম রাত কাটে মা-মেয়ের।

বলছিলাম গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর দামোদরপুর গ্রামের বৃদ্ধ ছামছুন্নাহার বেগম ও তার ছেলে শারীরিক প্রতিবন্ধী জাহিদুল ইসলামের কথা।

মা গোয়ালঘরে, প্রতিবন্ধী ছেলে অন্যের আশ্রয়ে
বৃদ্ধ ছামছুন্নাহার বেগম

গ্রামবাসী জানান, বৃদ্ধ ছামছুন্নাহার বেগমের কোনো জায়গা নেই। অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে চলে তার সংসার। স্বামী আবদুল রশিদ মিয়ার মৃত্যুর পর শারীরিক প্রতিবন্ধী ছেলে জাহিদুলকে নিয়ে তার সংসার। কিন্তু ছামছুন্নাহার বয়সের ভারে ন্যুব্জ। বয়স ৭০ ছুঁইছুঁই। নিজেই চলতে পারেন না। কানেও খুব কম শোনেন। তাই ছেলেকে পাঠিয়েছেন বড় ছেলে কৃষক সফিকুল ইসলামের বাড়িতে। সেখানে একটি ঘরে কোনোমতে মাথা গোঁজার ঠাঁই হয়েছে তার।

অথচ একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড ও একটি প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড ছাড়া কিছুই জোটেনি তাদের। না পেয়েছেন সরকারি একটি ঘর, না কোনো সহায়তা। এখন তাদের দিন কাটে অর্ধাহারে-অনাহারে।

ছামছুন্নাহার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হ, ভাঙিচুরি গেছিল ঘর। মানষের গোলত (গোয়ালঘর) আছনো। বেটি সুদের টেকা নিয়ে ঘর তুলি দিছি। তাও ঘরত বিলেই (বিড়াল) সানদায় (ঢোকে), শিয়েল (শিয়াল) সানদায়; গাড়োয়া (বেজি) সানদায়। হাঁস-চড়াই থুবের পাই নে।

‘মানষের বাত (বাড়ি) করি-ধরি খাই। ভাত পাই নে; কাপড় পাই নে। ভালোয় কষ্টত আছি। অসুখ! মাঝেমধ্যি পড়ি থাকি। অসুদ (ওষধ) পাই নে। বেটাঘরে (ছেলে) চলে না; তামরা কী দিয়ে আনি দেয়। নিজে কষ্ট করি খাই; চলি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বেটাটাকও ভাত দিবের পাই নে। হামি অচল; অসুখ। নিজে চলবের পাই নে। কী করি পালি। পতিবন্দি (প্রতিবন্ধী) বেটাটা আরাক ভাতত থাকে; ভাইয়ের ওটি। তারও চলে না। যন্তনা; ওংকরি চলা নাগে। কষ্ট; খুবই কষ্ট বাবা!’

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মায়ের তো ঘর-দুয়ের নাই। থাকার বুদ্ধি নাই। কুত্তে-শিয়েল সানদায় ঘরত। ভাঙা ঘর তুলি থাকে তাই (ছামছুন্নাহার)। হামি আচ্চি ভাইয়ের বাড়িত।

‘মাও হামার বিদুয়ে (বিধবা) মানুষ। চলবের পায় না। অচল; কাজকাম করবের পায় না। কানে শোনে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘মায়ের এনা ঘর-দুয়েরের আবদার করবের নাকছি। থাকার ব্যবস্থাটা করি দেন। তালি মাও-বেটা একঠাই থাককের পামো।’

ছামছুন্নাহারের পুত্রবধূ হাসিনা বেগম বলেন, ‘শ্বশুর তো মারা গেছি অনেক আগে। শউড়ি (শাশুড়ি) এনা মানষের বাত কাম-কাজ করি খায়। বেটাঘরে (ছেলেদের) নাই; তামরা কী দেয়। একটা বেটার অসুখ; তাইও কাজকাম করবের পায় না। আরেকজন প্রতিবন্ধী। কীভাবে চলে।

‘তার একনা ঘর আছিল, সেকনাও তুবেনে (তুফান) পড়ি গেছি। কতদিন থাকি গোলত থাকে। ননদে (ননদ) নাগানি (দাদন) টেকা নিয়ে পুরেনা টিন দিয়ে কোনো রকম চাল কোনা করি দিছে। তার বেড়া-টাটি নাই; ভাঙা-চুরে। কুত্তে সানদায়; শিয়েল সানদায়।’

মা গোয়ালঘরে, প্রতিবন্ধী ছেলে অন্যের আশ্রয়ে

প্রতিবেশী সায়দার রহমান বলেন, ‘তিনটে বেটা। দুটে তো গরিব; একটা প্রতিবন্ধী। তার তো চলি খাওয়ার মতো বুদ্ধি নাই। চাচিও তো ঠসা মানুষ। কষ্টের মধ্যে করি-মিলি খাচ্ছে।’

সাদুল্লাপুর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দামোদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সাজেদুল ইসলাম স্বাধীন বলেন, ‘গোয়ালঘরে বৃদ্ধার বসবাসের সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে খ-শ্রেণিভুক্ত ঘরের আওতায় আনা হবে।

সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নবীনেওয়াজ বলেন, ছামছুন্নাহার ও তার ছেলের ভাতার কার্ড দেয়া হয়েছে। দ্রুত তার বাড়ি পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
দুই অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
বাসের ধাক্কায় বাইকচালক নিহত
সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ মাছ ব্যবসায়ীর
পিকআপ-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১
ট্রাকের নিচে পিষ্ট ২ শিশু

শেয়ার করুন