ডাস্টবিন থেকে নবজাতক উদ্ধার

ডাস্টবিন থেকে নবজাতক উদ্ধার

সহকারী পুলিশ কমিশনার আলতাফ হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, বেলা ১টার দিকে রংপুর কেরামতিয়া মসজিদের পাশের ডাস্টবিনে গোলাপি রঙের কাপড়ে মোড়ানো একটি মেয়েশিশুকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে ফোন করেন। পরে পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে।

রংপুরে কেরামতিয়া মসজিদের ডাস্টবিন থেকে এক নবজাতককে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয়দের সহযোগিতায় বুধবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ কমিশনার আলতাফ হোসেন।

নিউজবাংলাকে তিনি জানান, বেলা ১টার দিকে রংপুর কেরামতিয়া মসজিদের পাশের ডাস্টবিনে গোলাপি রঙের কাপড়ে মোড়ানো একটি মেয়েশিশুকে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে ফোন করেন।

পুলিশ গিয়ে ওই নবজাতককে জীবিত উদ্ধার করে। পরে দ্রুত তাকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।

রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক রেজাউল করিম জানান, নবজাতককে হাসপাতালের ৯ নম্বর শিশু ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। শিশুটি সুস্থ রয়েছে।

আরও পড়ুন:
নবজাতকের মৃত্যু, চলে গেলেন করোনা আক্রান্ত মাও
শাকক্ষেতে পাওয়া নবজাতকটি মারা গেছে
শাকক্ষেতে নবজাতক
নবজাতক বিক্রির দায়ে ডাক্তারসহ কারাগারে ৫
ভুট্টাক্ষেতে উদ্ধার নবজাতককে পেতে আদালতে ৭ আবেদন

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল দুই-ই হারালেন সেই রনি

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল দুই-ই হারালেন সেই রনি

‘আমি আজীবন ছাত্রলীগ করেছি। রাজপথে থেকে মিটিং মিছিল করেছি। আমাকে নিয়ে একটি কুচক্রীমহল হীনস্বার্থ হাসিলে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে। যুবদলের যে রায়হান রনির কথা বলা হচ্ছে সে ব্যক্তি আমি নই। আমি যদি বিএনপির কোন কর্মী হতাম তাহলে কোথাও না কোথাও তাদের সঙ্গে আমার ছবি থাকত। আমি এই ভিত্তিহীন মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।’

সদ্য ঘোষিত আলফাডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে স্থান পান ছাত্রদলের প্রথম সারির এক নেতা। জানাজানি হবার পর শনিবার ওই বিতর্কিত নেতাকে বিতাড়িত করেছে উভয় দলই।

অভিযোগ, রায়হান রনি নামের ওই নেতা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে থাকা অবস্থাতেই উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ পান।

রায়হান রনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার আলফাডাঙ্গা মৌজার বাসিন্দা। পড়াশোনা করেন যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে।

ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে ২৩ জানুয়ারি ২১ সদস্যবিশিষ্ট আলফাডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়। ওই কমিটির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছে রায়হান রনির নাম।

অপর দিকে গত ১২ জুন আলফাডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে আংশিক কমিটি অনুমোদন করে জেলা ছাত্রলীগ। ঘোষিত ওই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছে মোহাম্মদ রায়হান রনির নাম।

স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের অভিযোগ ছাত্রদলের রায়হান রনি ও ছাত্রলীগের মোহাম্মদ রায়হান রনি একই ব্যক্তি।

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল দুই-ই হারালেন সেই রনি


এ নিয়ে মোহাম্মদ রায়হান রনি বলেন, ছাত্রদলের রায়হান রনি আর তিনি এক ব্যক্তি না। তিনি আজীবন ছাত্রলীগ করেছেন, ছাত্রদল তিনি করেননি। ছাত্রদলের রায়হান রনিকে তিনি চেনেনও না।

ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তামজিদুল রশীদ চৌধুরী রিয়ান জানান, তার জানা মতে ছাত্রদলের রায়হান রনি আর ছাত্রলীগের রায়হান রনি এক ব্যক্তি না। তারপরও কেউ যদি প্রমাণ দিতে পারে এই দুই রনি এক জনই তাহলে রায়হান রনির বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ছাত্রলীগে কোনো বিতর্কিত লোকের স্থান হবে, না এমন কি অন্য যেকোন রাজনৈতিক সংগঠন করে ছাত্রলীগে আসা যাবে না।

অবশ্য এমন বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তাজিদুল রশীদ চৌধুরী রিয়ান ও সধারণ সম্পাদক ফাহিম আহম্মেদের যৌথ স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপের অভিযোগের ভিত্তিতে মোহাম্মদ রায়হান রনি (সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, আলফাডাঙ্গা পৌর শাখা) কে নিজ পদ থেকে অব্যহতি দেয়া হল।’

শনিবার অপর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু ও সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হাসান কায়েস জানান, ‘সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নীতি- আদর্শচ্যুতির অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মোহাম্মদ রায়হান রনি, প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, আলফাডাঙ্গা পৌর শাখা-কে প্রাথমিক সদস্য পদ থেকেও বহিষ্কার করা হলো।’

আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকরাম হোসেন বলেন, ‘জেলা থেকে কখন কি কমিটি ঘোষণা করে, আমাদের কাছ থেকে মতামত বা পরামর্শও নেয় না। ছাত্রলীগের এই কমিটি ঘোষণার ক্ষেত্রেও আমার কাছ থেকে কোনো পরামর্শ নেয়া হয়নি। এখন শুনছি ছাত্রদলের এক নেতা কমিটির বড় পদ পেয়েছেন।’

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল দুই-ই হারালেন সেই রনি


এদিকে নিজেকে শুধু ছাত্রলীগ নেতা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাসিন্দা মোহাম্মদ রায়হান রনি। শনিবার দুপুরে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয় বলে জানান।

লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, ‘আমি আজীবন ছাত্রলীগ করেছি। রাজপথে থেকে মিটিং মিছিল করেছি। আমাকে নিয়ে একটি কুচক্রীমহল হীনস্বার্থ হাসিলে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে। যুবদলের যে রায়হান রনির কথা বলা হচ্ছে সে ব্যক্তি আমি নই। আমি যদি বিএনপির কোন কর্মী হতাম তাহলে কোথাও না কোথাও তাদের সঙ্গে আমার ছবি থাকত। আমি এই ভিত্তিহীন মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আলফাডাঙ্গার পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি সাইফুর রহমানসহ নেতারা।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লা আল মিলন জানান, ছাত্রদলের রায়হান রনি ও ছাত্রলীগের মোহাম্মদ রায়হান রনি একই ব্যক্তি।

আরও পড়ুন:
নবজাতকের মৃত্যু, চলে গেলেন করোনা আক্রান্ত মাও
শাকক্ষেতে পাওয়া নবজাতকটি মারা গেছে
শাকক্ষেতে নবজাতক
নবজাতক বিক্রির দায়ে ডাক্তারসহ কারাগারে ৫
ভুট্টাক্ষেতে উদ্ধার নবজাতককে পেতে আদালতে ৭ আবেদন

শেয়ার করুন

১০ বছর পর নির্বাচন, আগ্রহ নেই ভোটারদের

১০ বছর পর নির্বাচন, আগ্রহ নেই ভোটারদের

দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটার সাদেকুর রহমান ও ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘করোনা মহামারিতে আমরা ভোট দিতে কিভাবে যাব। এমনিতে দিনাজপুরে করোনা বেড়ে গেছে। এর মধ্যে ভোট দিতে যাওয়া ভয়ের কারণে হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

আর এক দিন পর দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ। সীমানা জটিলতায় ১০ বছর অপেক্ষার পর ভোটের আগ মুহূর্তে চলছে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তারা। তবে করোনা পরিস্থিতিতে নির্বাচনে আগ্রহ নেই ভোটারদের।

১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘খ’ শ্রেণীর এ পৌরসভার সবশেষ নির্বাচন হয় ২০১১ সালের ১২ জানুয়ারি। সীমানা জটিলতার কারণে ১০ বছর আটকে ছিল সেতাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস জানায়, ২১ জুন ইভিএমের মাধ্যমে ২১ হাজার ৩৫৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার কথা। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ হাজার ৩২৬ এবং মহিলা ভোটার ১১ হাজার ৩২ জন। নির্বাচনে ভোট গ্রহণের জন্য এরই মধ্যে ১০টি কেন্দ্রের ৭৪টি বুথ প্রস্তুত করা হয়েছে।

সেতাবগঞ্জে টানা ১১ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুস সবুর।

এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন, ৩টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১২ জন এবং ৯টি সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মেয়র পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আসলাম, হাতুড়ী প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটির রশিদুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এছাড়াও মেয়র পদে লড়াইয়ে আছেন তিন জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে নারিকেল গাছ প্রতীকে হাবিবুর রহমান দুলাল, জগ প্রতীকে নাহিদ বাসার চৌধুরী, মোবইল প্রতীক নিয়ে আছেন নাজমুন নাহার মুক্তি।

প্রার্থীরা এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোটারদের মাঝে তেমন কোনো উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে না।

ভোটার সাদেকুর রহমান ও ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘করোনা মহামারিতে আমরা ভোট দিতে কিভাবে যাব। এমনিতে দিনাজপুরে করোনা বেড়ে গেছে। এর মধ্যে ভোট দিতে যাওয়া ভয়ের কারণে হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

বোচাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার ছন্দা পাল বলেন, ‘সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করাতে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোটারেরা যেনো কেন্দ্র এসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট দিতে পারেন সে দিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।’

সেতাবগঞ্জ পৌরসভায় প্রথমবারের মত ইভিএমে ভোট গ্রহণ হবে।

আরও পড়ুন:
নবজাতকের মৃত্যু, চলে গেলেন করোনা আক্রান্ত মাও
শাকক্ষেতে পাওয়া নবজাতকটি মারা গেছে
শাকক্ষেতে নবজাতক
নবজাতক বিক্রির দায়ে ডাক্তারসহ কারাগারে ৫
ভুট্টাক্ষেতে উদ্ধার নবজাতককে পেতে আদালতে ৭ আবেদন

শেয়ার করুন

আদিবাসী নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

আদিবাসী নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩

স্থানীয়রা জানান, আসামিরা কাপ্তাইয়ে বড়ইছড়ি-ঘাগড়া সড়কের বগাপাড়ায় সেতু নির্মাণ শ্রমিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়াগ্গা ইউনিয়নের দেবতাছড়ি দুপতারেঙ্গ পাহাড়ের ঢালের ক্ষেতে এক নারীকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তারা। 

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নে এক আদিবাসী নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

এরা হলেন ফজলুল হক সজিব, মিয়াজন ইসলাম রাজু ও তৌহিদুল ইসলাম। তিনজনই রংপুরের পীরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কাপ্তাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন।

স্থানীয়রা জানান, আসামিরা কাপ্তাইয়ে বড়ইছড়ি-ঘাগড়া সড়কের বগাপাড়ায় সেতু নির্মাণ শ্রমিক। শুক্রবার সন্ধ্যায় ওয়াগ্গা ইউনিয়নের দেবতাছড়ি দুপতারেঙ্গ পাহাড়ের ঢালের ক্ষেতে এক নারীকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন তারা।

এসময় ওই নারী তার সাথে থাকা ধারালো দা দিয়ে ভয় দেখালে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়।

ওসি নাসির উদ্দিন বলেন, ‘বড়ইছড়ি-ঘাগড়া সড়কে বগাপাড়ায় সেতু নির্মাণের কাজ করার সময়ে তাদের তিন জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। রোববার কোর্টে পাঠানো হবে।’

আরও পড়ুন:
নবজাতকের মৃত্যু, চলে গেলেন করোনা আক্রান্ত মাও
শাকক্ষেতে পাওয়া নবজাতকটি মারা গেছে
শাকক্ষেতে নবজাতক
নবজাতক বিক্রির দায়ে ডাক্তারসহ কারাগারে ৫
ভুট্টাক্ষেতে উদ্ধার নবজাতককে পেতে আদালতে ৭ আবেদন

শেয়ার করুন

২৪ ঘণ্টায় খাগড়াছড়িতে শনাক্ত ১৩

২৪ ঘণ্টায় খাগড়াছড়িতে শনাক্ত ১৩

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, ৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এক দিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর আগে দুই দিনে করোনো আক্রান্ত হন ১০ জন।

খাগড়াছড়িতে করোনা সংক্রমণ হঠাৎ বেড়েছে গেছে। জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩ জন শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, ৮০ জনের নমুনা পরীক্ষা করে এক দিনে ১৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে তিনজন খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এর আগে দুই দিনে আক্রান্ত হন ১০ জন।

জেলায় সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায়, এখন পর্যন্ত খাগড়াছড়ি জেলায় ছয় হাজার ৭২০ জন করোনা পরীক্ষা করেছেন। এর মধ্যে পজিটিভ হয়েছেন ৯৩১ জন। আক্রান্তের হার ৯ শতাংশ। এখন পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে আট জনের।

খাগড়াছড়ির ডেপুটি সিভিল সার্জন মিটন চাকমা বলেন, জেলায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কিছুটা অবহেলা দেখা যাচ্ছে। সবাইকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এতে সংক্রমণ কমানো সম্ভব হবে।

সিভিল সার্জন নুপূর কান্তি দাশ বলেন, মাঝে কম থাকলেও নতুন করে শনাক্তের হার বেড়েছে। সবাইকে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। এছাড়া কোন উপায় নেই।

আরও পড়ুন:
নবজাতকের মৃত্যু, চলে গেলেন করোনা আক্রান্ত মাও
শাকক্ষেতে পাওয়া নবজাতকটি মারা গেছে
শাকক্ষেতে নবজাতক
নবজাতক বিক্রির দায়ে ডাক্তারসহ কারাগারে ৫
ভুট্টাক্ষেতে উদ্ধার নবজাতককে পেতে আদালতে ৭ আবেদন

শেয়ার করুন

জামালপুরে করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

জামালপুরে করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস জানান, তিন জনের দুজন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং একজন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

জামালপুর শহরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃত্যু ৪২ জনে দাঁড়ালো।

এরা হলেন আয়কর আইনজীবী আতাউর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য রকিবুল ইসলাম এবং পিডিবি কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস।

তিনি জানান, তিন জনের দুজন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং একজন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জামালপুর পৌরসভার কাচারিপাড়া এলাকার আয়কর আইনজীবী আতাউর রহমান ১৭ জুন করোনায় আক্রান্ত হন। তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

পৌর এলাকার পাথালিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য রকিবুল ইসলাম করোনার উপসর্গ নিয়ে দুদিন আগে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার তার নমুনা পরীক্ষার পর করোনা শনাক্ত হয়। রাতেই তিনি মারা যান।

একই এলাকার পিডিবির কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন হৃদরোগে অসুস্থ হলে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। নমুনা পরীক্ষায় ১৪ জুন তিনি পজিটিভ হন। শনিবার বিকালে মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন:
নবজাতকের মৃত্যু, চলে গেলেন করোনা আক্রান্ত মাও
শাকক্ষেতে পাওয়া নবজাতকটি মারা গেছে
শাকক্ষেতে নবজাতক
নবজাতক বিক্রির দায়ে ডাক্তারসহ কারাগারে ৫
ভুট্টাক্ষেতে উদ্ধার নবজাতককে পেতে আদালতে ৭ আবেদন

শেয়ার করুন

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

বর্ষা শুরু হতে না হতেই ভাঙছে যমুনার তীর। ছবি: নিউজবাংলা

গত বছর গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়িসহ কয়েকটি গ্রামে যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছিল। সেই ভাঙন এখনও চলছে। এ বছর পানি বাড়ার পর ভাঙন শুরু হয়েছে সদর উপজেলার হুগরা, কাকুয়া ও মাহমুদনগর ইউনিয়নে। নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়ন এবং ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নেও ভাঙন দেখা দিয়েছে।

জোয়ারের পানি আসা শুরু হতে না-হতেই টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর তীরে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। বর্ষার শুরুতেই যমুনার গর্ভে গেছে নদীর পূর্ব পাড়ের শতাধিক ঘরবাড়ি। ভাঙনের হুমকিতে আছে আরও তিন শতাধিক বাড়ি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরিভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করলেও কতটুকু উপকারে আসবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে সাধারণ মানুষের। ভাঙন-আতঙ্কে ইতোমধ্যে গ্রামগুলোর সহস্রাধিক পরিবার অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

পাউবো বলছে, বড় কাজ শুরু হতে সময় লাগবে। এ জন্য আপৎকালীন জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, গত বছর গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়িসহ কয়েকটি গ্রামে যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছিল। সেই ভাঙন এখনও চলছে।

এ বছর পানি বাড়ার পর ভাঙন শুরু হয়েছে সদর উপজেলার হুগরা, কাকুয়া ও মাহমুদনগর ইউনিয়নে। নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়ন এবং ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নেও ভাঙন দেখা দিয়েছে।

টাঙ্গাইলের অভিশাপ এই যমুনার ভাঙন। প্রতিবছরই এ জেলায় যমুনার ভাঙনে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হন শত শত মানুষ। তেমনই একজন ৭৫ বছরের হালিম শেখ।

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

যমুনার বর্তমান তীরের চার কিলোমিটার ভেতরে ছিল তার পৈতৃক ভিটে। এখন পর্যন্ত ছয়বার ভাঙনের কবলে পড়েছেন। এরপরও যমুনার তীরেই বসবাস করছেন। কারণ তার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। যেকোনো সময়ে আবারও পড়তে পারেন ভাঙনের মুখে।

হালিমের স্ত্রী অযুফা বেগম বলেন, ‘আর কত সহ্য করব, আমাদের এখন সহ্য হয় না। সরকার যা দেয়, তা চেয়ারম্যান-মেম্বারের প্যাকেটে চলে যায়। ছয়বার বাড়ি সরায়ে আনছি। এবারও বাড়ি যখন-তখন নদীতে চলে যাবে।

‘আমাগো কি টাকা আছে যে, প্রতিবছর বাড়ি সরামু। আমাগো সামান্য এই ত্রাণ চাই না। আমাগোর নিগা সুন্দর একটা বাঁধ নির্মাণ করে দিতে কইতাছি।’

কাওসার আহমেদ নামে এক কলেজছাত্র বলেন, ‘বাড়ি আর কতবার সরাব? বাবার না আছে কাজ, না আছে কোনো জায়গা-জমি। যা জমি ছিল, সব যমুনায় চলে গেছে।

‘এখন দিন এনে দিন খাই। আর সব সময় চিন্তা থাকে, কখন বাড়িটি নদীতে ধসে পড়ে যায়। খুবই অতঙ্কের মধ্যে দিন যাচ্ছে আমাদের।’

৮০ বছরের কুদ্দুস আলী বলেন, ‘জীবন ভরা বাড়ি সরাতে সরাতে কালিহাতীর বেলটিয়া আইসা বাড়ি বানাইছি। এহান থাকি তিন কিলোমিটার ভিতরে ছিল বাড়ি। এখন নদীর ঢালে বাড়ি, মনে হয় এই বুঝি নদীতে বাড়ি ভাঙি গেল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার দেশের জন্য অনেক কাজ করছে, তাই আমাগো একটাই দাবি বাঁধ চাই। না হলে আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিন। আমরা আর যাব কোথায়?’

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বেলটিয়ায় নদী যখন ভাঙা শুরু হয়, তখন বাঁধ নির্মাণে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়। কাজ চলমান রয়েছে, আশা করি, কাজ শেষ হলে ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হবে।

‘আর অন্য জায়গায় আপৎকালীন কাজ করা হবে। এখন যেহেতু বড় প্রজেক্টে তেমন বরাদ্দ নেই, তাই এগুলোর কাজ শুরু হতে সময় লাগবে।’

আরও পড়ুন:
নবজাতকের মৃত্যু, চলে গেলেন করোনা আক্রান্ত মাও
শাকক্ষেতে পাওয়া নবজাতকটি মারা গেছে
শাকক্ষেতে নবজাতক
নবজাতক বিক্রির দায়ে ডাক্তারসহ কারাগারে ৫
ভুট্টাক্ষেতে উদ্ধার নবজাতককে পেতে আদালতে ৭ আবেদন

শেয়ার করুন

পাগলা মসজিদে এবার ১২ বস্তা টাকা

পাগলা মসজিদে এবার ১২ বস্তা টাকা

দানবাক্সগুলো থেকে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি দান পেয়েছে এই মসজিদ। এর আগে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি খোলা হয়েছিল দানবাক্সগুলো। তখন পাওয়া গিয়েছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা।

কিশোরগঞ্জের আলোচিত পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার ১২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। মাত্র ৪ মাস ২৬ দিনে জমা পড়ল এই টাকা।

দিনভর গুনে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা। এ ছাড়া জমা পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা।

অর্থাৎ প্রতিদিন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি দান পেয়েছে এই মসজিদ।

এর আগে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি খোলা হয়েছিল মসজিদের দানবাক্সগুলো। তখন পাওয়া গিয়েছিল ১৪ বস্তা টাকা। দিনভর গণনা শেষে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা।

টাকা ছাড়াও মসজিদে নিয়মিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অসংখ্য মানুষ।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শনিবার সকাল নয়টায় দানবাক্সগুলো খোলা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে গণনা। এতে অংশ নেন মাদ্রাসার ১১২ জন ছাত্র, ব্যাংকের ৫০ জন স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য।

মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত উদ্দিন ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে জানান, মসজিদে দানবাক্স রয়েছে আটটি। সেখানে প্রতিনিয়ত মানুষ সহায়তা দিয়ে থাকে। করোনা সংক্রমণের শুরুতে মসজিদে মুসল্লিদের চলাচল এবং নারীদের প্রবেশাধিকার বন্ধ থাকলেও দান অব্যাহত ছিল।

মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান জানান, প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এসে দান করছে এই মসজিদে। যারা দান করতে আসেন তারা বলে থাকেন, এখানে দান করার পরে নাকি তাদের আশা পূরণ হয়েছে। আর এ বিষয়টার কারণেই এখানে দান করে থাকেন তারা।


পাগলা মসজিদে এবার ১২ বস্তা টাকা


অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামি কমপ্লেক্সের খরচ চালিয়ে দানের বাকি টাকা ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এ থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেয়া হয়। অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তাও করা হয়।

তা ছাড়া এ বছর সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদেরও এই দানের টাকা থেকে সহায়তা করা হয়েছে।

দানবাক্স খোলার পর থেকেই গণনা দেখতে মসজিদের আশপাশে ভিড় জমায় আশপাশের মানুষ। অনেকে আবার আগ্রহ নিয়ে ছুটে আসেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে।

দানবাক্স কমিটির আহ্বায়ক ও কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিনের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম, উবাইদুর রহমান সাহেল, জুলহাস হোসেন সৌরভ, ইব্রাহীম, কিশোরগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আসাদুল্লাহ, রূপালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক অনুপ কুমার ভদ্রসহ উপস্থিত ছিলেন আরও অনেকে।

কিশোরগঞ্জের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দার তীরে প্রায় ১০ শতাংশ জমিতে অবস্থিত পাগলা মসজিদ।

আরও পড়ুন:
নবজাতকের মৃত্যু, চলে গেলেন করোনা আক্রান্ত মাও
শাকক্ষেতে পাওয়া নবজাতকটি মারা গেছে
শাকক্ষেতে নবজাতক
নবজাতক বিক্রির দায়ে ডাক্তারসহ কারাগারে ৫
ভুট্টাক্ষেতে উদ্ধার নবজাতককে পেতে আদালতে ৭ আবেদন

শেয়ার করুন