ডাকাতির মামলায় পৌর কাউন্সিলর গ্রেপ্তার

রানীশংকৈল পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুর রাজ্জাক। ছবি: নিউজবাংলা

ডাকাতির মামলায় পৌর কাউন্সিলর গ্রেপ্তার

হরিপুর থানার ওসি জানান, ডাকাতির পর পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া একটি মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যে পৌর কাউন্সিলর আব্দুর রাজ্জাকের নাম বেরিয়ে আসে।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা থেকে ডাকাতির মামলায় এক পৌর কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রাণীশংকৈল পৌরসভার ভান্ডারা এলাকা থেকে মঙ্গলবার বিকেলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই পৌর কাউন্সিলরের নাম আব্দুর রাজ্জাক। তিনি রানীশংকৈল পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও ভান্ডারা গ্রামের বাসিন্দা।

রাজ্জাককে মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে আদালতের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আওরঙ্গজেব নিউজবাংলাকে জানান, গত ১৯ মার্চ রাতে হরিপুর উপজেলার নন্দগাঁও গ্রামে জাহিদুল ইসলাম নামে এক সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এর পরদিন সকালে জাহিদুল অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হরিপুর থানায় অভিযোগ দেন। পরে এটি মামলা হিসেবে নেয়া হয়।

ওসি আরও জানান, ডাকাতির পর জাহিদুলের বাড়ি থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। ওই ফোনের সূত্র ধরে ডাকাতির সঙ্গে জড়িত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্যে পৌর কাউন্সিলর আব্দুর রাজ্জাকের নাম বেরিয়ে আসে।

তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমেও ডাকাতির দিনে রাজ্জাকের অবস্থানের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়। তবে ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপনে চলে যান রাজ্জাক।

পুলিশের এ কমকর্তা বলেন, রাজ্জাক আন্তজেলা মোটরসাইকেল চোর চক্রের প্রধান। তার নামে দেশের বিভিন্ন থানায় মোটরসাইকেল চুরির ৩৪টি মামলা রয়েছে। বিভিন্ন সময় গ্রেপ্তার করলেও জামিন পেয়ে তিনি পুনরায় ডাকাতি ও চুরির সঙ্গে জড়িয়েছেন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজ্জাক ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন জানিয়ে আওরঙ্গজেব বলেন, তার কাছ থেকে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাত দলের অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
টেকনাফে অস্ত্র, গুলিসহ নারী গ্রেপ্তার
শিশু গুলিবিদ্ধ মামলায় আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
প্রেমিকার করা মামলায় গ্রেপ্তার
অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নৌকার প্রার্থীর প্রচারে হামলা

নৌকার প্রার্থীর প্রচারে হামলা

আওয়ামী লীগ মনোনীত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবুল হক কিসলু বলেন, ‘কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ প্রচারে নেমেছিলাম। পথে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সন্ত্রাসী বাহিনী আমার সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় অন্তত ১০ সমর্থক আহত হয়েছে। মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ভাঙচুর করা হয়েছে।

বরগুনার আয়লা-পাতাকাটা ইউনিয়নে ইউপি নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীর প্রচারে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ইউনিয়নের নয়বাজার এলাকায় শনিবার দুপুর দুইটার দিকে এই হামলা হয়।

নৌকার প্রার্থীর অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা হামলা চালিয়ে ১০ জনকে আহত করে। এ সময় অন্তত ১২টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।

আয়লা-পাতাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার আশশাকুর ফিরোজ জানান, নৌকার প্রার্থী মজিবুল হক কিসলু দুপুর দুইটার পর মোটরসাইকেলে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রচারে বের হন। নয়াবাজার এলাকায় পৌঁছালে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের নেতৃত্বে তার সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালিয়ে দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়, ভাঙচুর করে ১২টি মোটরসাইকেল।

স্থানীয় বাসিন্দা জুলহাস মিয়া জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বেশ কিছু মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে চলে যায়।

আওয়ামী লীগ মনোনীত ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবুল হক কিসলু বলেন, ‘কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ প্রচারে নেমেছিলাম। পথে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোশাররফ হোসেনের সন্ত্রাসী বাহিনী আমার সমর্থকদের উপর হামলা চালায়। তাদের হামলায় অন্তত ১০ সমর্থক আহত হয়েছে। মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে, ভাঙচুর করা হয়েছে।

তিনি বলেন,‘মোশারফ হোসেন পরাজয় নিশ্চিত জেনে শুরু থেকেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন। আজকের হামলাও তারই ধারাবাহিকতা।’

এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোশাররফ হোসেনের মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বরগুনা সদর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তারিকুল ইসলাম জানান,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও পুড়িয়ে দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে ওসি তারিক বলেন, আলামত হিসেবে মোটরসাইকেলগুলো থানায় নিয়ে আসব। এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করলে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
টেকনাফে অস্ত্র, গুলিসহ নারী গ্রেপ্তার
শিশু গুলিবিদ্ধ মামলায় আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
প্রেমিকার করা মামলায় গ্রেপ্তার
অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

বেতন দাবিতে সড়কে চাকরিচ্যুত শ্রমিকরা, পুলিশের লাঠিপেটা

বেতন দাবিতে সড়কে চাকরিচ্যুত শ্রমিকরা, পুলিশের লাঠিপেটা

নারায়ণগঞ্জে বকেয়া পাওনার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছে পোশাককারখানার শ্রমিকরা। ছবি: নিউজবাংলা

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী নিউজবাংলাকে জানান, মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য আন্দোলনরত শ্রমিকদের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু শ্রমিকরা এ আশ্বাস না মেনে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আদমজী ইপিজেড এলাকায় বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে শনিবার সকাল আটটা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে একটি পোশাক কারখানার চাকরিচ্যুত শ্রমিকরা।

স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, আদমজী ইপিজেডের সামনে কুনতুং এ্যাপারেলস লি. (ফ্যাশন সিটি) নামের পোশাক কারখানার চাকরিচ্যুত কয়েকশ শ্রমিক শনিবার সকাল আটটার দিকে নারায়ণগঞ্জ-আদমজী সড়কে এ বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বেতন-ভাতার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে দুই পাশে দীর্ঘ যানজট লেগে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বেলা ১১টার দিকে লাঠিপেটা ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে আন্দোলনরত শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় অন্তত ৫ শ্রমিক আহত হন। দুপুর ২টার দিকে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

বেতন-ভাতা চেয়ে কারখানা মালিকদের পক্ষ থেকে কোনো সমাধান পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন আন্দোলনরত এক শ্রমিক।

তিনি বলেন, ‘ এর পরিপ্রেক্ষিতে চাকরিচ্যুত শ্রমিকরা বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে নারায়ণগঞ্জ-আদমজী সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় পুলিশ আমাদের লাঠিপেটা করে ও টিয়ার শেল মারে। এতে আমাদের অন্তত পাঁচ শ্রমিক আহত হয়েছেন।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী নিউজবাংলাকে জানান, মালিকপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য আন্দোলনরত শ্রমিকদের আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু শ্রমিকরা এ আশ্বাস না মেনে আরও ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তারা সড়ক অবরোধ করে ইট-পাটকেল ছুড়তে থাকেন। পরে পুলিশ তাদের ধাওয়া, লাঠিপেটা ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
টেকনাফে অস্ত্র, গুলিসহ নারী গ্রেপ্তার
শিশু গুলিবিদ্ধ মামলায় আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
প্রেমিকার করা মামলায় গ্রেপ্তার
অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

কোম্পানীগঞ্জে হরতালে পুলিশের গুলি

কোম্পানীগঞ্জে হরতালে পুলিশের গুলি

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন জানান, তারা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়েছিল। পুলিশ সরাতে গেলে তারা পুলিশের গাড়ির দিকে ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে পুলিশের চার সদস্য আহত হন। এরপর পুলিশ ২০-২২টি গুলি ছোড়ে।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের (একাংশ) ডাকা হরতালে বাধা দেয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আটজন আহত হয়েছেন।

তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ চারজন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী ও বাকি চারজন পুলিশ সদস্য।

উপজেলার চর কাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারে শনিবার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

চর কাঁকড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিন জানান, পুলিশের গুলিতে আহত চারজন হলেন ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজ, তার ছেলে চয়ন ও সবুজের ভাগনে মো. আরিয়ান এবং ওই ইউনিয়নের রূপনগর গ্রামের মো. হৃদয়।

স্থানীয় লোকজন জানান, হরতালের শুরুতে বাদলের অনুসারীরা বসুরহাট-পেশকারহাট প্রধান সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে তারা পাল্টা ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু করেন। এতে পুলিশের কয়েকজন আহত হন।

পরে পুলিশ গুলি ছুড়লে বাদলের চার অনুসারী আহত হন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, রাস্তায় পুলিশের ওপর আক্রমণ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। তবে এ ঘটনায় কতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন জানান, তারা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়েছিল। পুলিশ সরাতে গেলে তারা পুলিশের গাড়ির দিকে ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে পুলিশের চার সদস্য আহত হন। এরপর পুলিশ ২০-২২টি গুলি ছোড়ে।

এর আগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশ।

তাদের অভিযোগ, এই হামলার ঘটনা বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের (একাংশ) মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে হরতালের ডাক দেন।

শনিবার দুপুর ১টা থেকে শুরু হয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টা চলবে এই হরতাল।

লাইভে মঞ্জু বলেন, ‘সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ডুয়েল রোল প্লে করছেন। এই ডুয়েল রোল প্লে করে আপনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মানসম্মান নষ্ট করে দিয়েছেন।

‘আমরা প্রতিবাদ করেছি। আপনি আমাদের মাঠে নামিয়েছেন। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরাও মুখ খুলব।’

কোম্পানীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে বসুরহাট-দাগনভূঞা সড়কে শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলা হয়। এ সময় বাদলের সঙ্গে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হাসিবুল হোসেন আলালকেও জখম করা হয়।

আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
টেকনাফে অস্ত্র, গুলিসহ নারী গ্রেপ্তার
শিশু গুলিবিদ্ধ মামলায় আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
প্রেমিকার করা মামলায় গ্রেপ্তার
অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

৭৯২ অ্যাম্পুল ভারতীয় মাদকসহ গ্রেপ্তার ১

৭৯২ অ্যাম্পুল ভারতীয় মাদকসহ গ্রেপ্তার ১

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় মাদকদ্রব্য ভারতীয় বুপরেনরফাইন ইনজেকশনসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের কাঠালতলা থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার জয়নাল আবেদীনের বাড়ি কাঠালতলা এলাকায়।

জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শরিয়তউল্লাহ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মাদক কেনাবেচার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৭৯২টি অ্যাম্পুল ভারতীয় বুপরেনরফাইন ইনজেকশনসহ জয়নালকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা একই এলাকার কালাম আলী মন্ডল পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, আটকের পর দামুড়হুদা মডেল থানায় জয়নালের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। মামলায় কালামকে পলাতক আসামি দেখানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
টেকনাফে অস্ত্র, গুলিসহ নারী গ্রেপ্তার
শিশু গুলিবিদ্ধ মামলায় আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
প্রেমিকার করা মামলায় গ্রেপ্তার
অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

‘মাদকবাহী’ মাইক্রোচাপায় এএসআই নিহতের ঘটনায় পুলিশের ২ মামলা

‘মাদকবাহী’ মাইক্রোচাপায় এএসআই নিহতের ঘটনায় পুলিশের ২ মামলা

নিহত এএসআই সালাহ উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় একটি মাইক্রোর চাপায় নিহত হন এএসআই সালাহ উদ্দিন। আহত হন মো. মাসুম নামের এক কনস্টেবল। পুলিশ জানায়, মাইক্রোবাসটি ছিল মাদকবাহী।

চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে মাইক্রোবাসের চাপায় পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সালাহ উদ্দিন নিহতের ঘটনায় দুটি মামলা করেছে পুলিশ।

শুক্রবার বিকেলে চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হোসেন মামলা দুটি করেন।

মামলার বিষয়টি ‍নিউজবাংলাকে রাতে নিশ্চিত করেছেন চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে এসআই আমির হোসেন একটি হত্যা ও আরেকটি মাদক মামলা করেন। দুই মামলাতেই অজ্ঞাতপরিচপয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান ওসি।

এর আগে শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় একটি মাইক্রোর চাপায় নিহত হন এএসআই সালাহ উদ্দিন। আহত হন মো. মাসুম নামের এক কনস্টেবল। পুলিশ জানায়, মাইক্রোবাসটি ছিল মাদকবাহী।

চান্দগাঁও থানার ওসি মোস্তাফিজুর জানান, শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্বত্য এলাকা থেকে চোলাই মদবাহী একটি কালো মাইক্রোবাস চট্টগ্রাম শহরের দিকে আসছে বলে জানতে পারেন এসআই সালাহ উদ্দিন।

এতে কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকার মেহেরাজখানঘাটা পেট্রোল পাম্পের সামনে কালো মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দিলে গাড়িটি গতি কমিয়ে আনে।

এ সময় গাড়িটি থেমেছে ভেবে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও চালক মাসুম মাইক্রোবাসটির কাছে গেলে গাড়িটি গতি বাড়িয়ে দুইজনকে চাপা দেয়। আহত দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সালাহ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে ওই মোবাইল টিমের অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম ফোর্সসহ গাড়িটিকে তাড়া করেন।

নগরীর এক কিলোমিটার এলাকায় গাড়িটি থামিয়ে গাড়ির চালকসহ অন্যরা পালিয়ে যান৷ পরে পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে। ওই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৭০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
টেকনাফে অস্ত্র, গুলিসহ নারী গ্রেপ্তার
শিশু গুলিবিদ্ধ মামলায় আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
প্রেমিকার করা মামলায় গ্রেপ্তার
অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

‘সিরিয়াফেরত জঙ্গি’ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার

‘সিরিয়াফেরত জঙ্গি’ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার

মো. আরিফ মামুনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামে যোগ দেন সাখাওয়াত। ২০১৭ সালে তিনি তুরস্কে যান। সেখান থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে জঙ্গিনেতা হায়াত তাহরির আশরাকের কাছ থেকে ভারী অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নেন। সিরিয়ার ইদলিব এলাকায় প্রায় ছয় মাস প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

চট্টগ্রামে জঙ্গি সন্দেহে সাখাওয়াত আলী নামে সিরিয়াফেরত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নগরীর দক্ষিণ খুলশী এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। তবে বিষয়টি শনিবার দুপুরে গণমাধ্যমকে জানান পুলিশের ওই ইউনিটের উপপরিদর্শক (এসআই) রাছিব খান।

তিনি জানান, সাখাওয়াত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক শাখার কর্মী।

সাখাওয়াতকে আটকের পর শুক্রবার রাতেই এসআই রাছিব তার বিরুদ্ধে খুলশী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১২ সালে ভায়রাভাই মো. আরিফ মামুনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামে যোগ দেন সাখাওয়াত। ওই সংগঠনের নেতা চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াসহ অন্যদের মাধ্যমে জিহাদি কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এরই অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে সাখাওয়াত তুরস্কে যান। সেখান থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে জঙ্গিনেতা হায়াত তাহরির আশরাকের কাছ থেকে ভারী অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নেন। সিরিয়ার ইদলিব এলাকায় প্রায় ছয় মাস প্রশিক্ষণ নেন তিনি। পরে সিরিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ায় আসেন। সেখান থেকে শ্রীলঙ্কা হয়ে আবার ইন্দোনেশিয়ায় যান। চলতি বছর মার্চে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

এসআই রাছিব খান বলেন, সাখাওয়াতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে বিকেলে আদালতে হাজির করে রিমান্ডে পাওয়ার আবেদন করা হবে।

আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
টেকনাফে অস্ত্র, গুলিসহ নারী গ্রেপ্তার
শিশু গুলিবিদ্ধ মামলায় আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
প্রেমিকার করা মামলায় গ্রেপ্তার
অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনা: বড় ভাইয়ের পর ছোট ভাইয়ের মৃত্যু

সড়ক দুর্ঘটনা: বড় ভাইয়ের পর ছোট ভাইয়ের মৃত্যু

বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কানিশাইল গ্রামে গোলাপগঞ্জ-ভাদেশ্বর সড়কে ভাদেশ্বরগামী একটি বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় সিএনজি অটোরিকশার চালকসহ চারজন আহত হন। আহত যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন ইমরাম ও আম্বর।

সিলেটের গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় বড় ভাইয়ের মৃত্যুর তিন দিনের মাথায় মারা গেলেন ছোট ভাই।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শনিবার ভোরে চিকিৎসা চলাকালে মারা যান ছোট ভাই ইমরান আহমদ। এর আগে গত বুধবার রাতে একই হাসপাতালে মারা যান ইমরানের বড় ভাই আম্বর আলী।

ইমরানের মৃত্যুর বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন তার মামাতো ভাই ফরহাদ আহমদ।

ফরহাদ বলেন, ‘আজ ভোরে ইমরান আইসিইউতে চিকিৎসা চলাকালে মারা যান। এর আগে দুর্ঘটনার দিন রাতেই আম্বর মারা যান।’

ইমরান ও আম্বরের বাড়ি গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর নালিউরি গ্রামে।

এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান জানান, ইমরানের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আহত বাকি দুইজনের অবস্থাও খারাপ। তারাও বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।’

এসআই হাবিবুর জানান, বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কানিশাইল গ্রামে গোলাপগঞ্জ-ভাদেশ্বর সড়কে ভাদেশ্বরগামী একটি বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়।

এ সময় সিনএজি অটোরিকশার চালকসহ চারজন আহত হন। আহত যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন ইমরাম ও আম্বর। স্থানীয়রা আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাদের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার
টেকনাফে অস্ত্র, গুলিসহ নারী গ্রেপ্তার
শিশু গুলিবিদ্ধ মামলায় আসামি গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার
প্রেমিকার করা মামলায় গ্রেপ্তার
অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন