‘অপহরণের পর ৯০০ টাকায় শিশু বিক্রি’

গ্রেপ্তার সুমি ও ইসমাইল

‘অপহরণের পর ৯০০ টাকায় শিশু বিক্রি’

পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়, অপহরণকারী সিলেটের হবিগঞ্জে বাহুবল থানা এলাকায় অবস্থান করছে। রোববার দিবাগত রাতে ওই এলাকা থেকে সুমি ও মোহাম্মদ ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় অপহৃত শিশুকে।

চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানা এলাকা থেকে অপহৃত শিশুকে ছয় মাস পর সিলেট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক নারীসহ দুইজনকে।

মহানগর আদালতের মাধ্যমে মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে গ্রেপ্তার দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়।

শিশুটিকে ৯০০ টাকা বিক্রি করে দেয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘শিশুটির মা তসলিমা ঝর্ণা স্বামী-সন্তান নিয়ে কোতোয়ালি থানার স্টেশন রোডের একটি বাসায় বসবাস করতেন। পূর্ব পরিচয়ের সুবাদে এই বাসায় যাতায়াত করতেন সুলতানা বেগম সুমি নামের এক নারী।’

ওসি জানান, গত বছরের ১২ ডিসেম্বরও ঝর্ণার বাসায় যান সুমি। এ সময় ঝর্ণার ৮ মাস বয়সী শিশু মো. ফারহানকে কোলে নিয়ে আদর করতে থাকেন। গৃহস্থালির কাজে ঝর্ণা ব্যস্ত হয়ে পড়লে শিশুটি নিয়ে সটকে পড়েন সুমি।

তিনি বলেন, ‘শিশুটিকে না পেয়ে মামলা করেন তার বাবা। পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়, অপহরণকারী সিলেটের হবিগঞ্জে বাহুবল থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। রোববার দিবাগত রাতে ওই এলাকা থেকে সুমি ও মোহাম্মদ ইসমাইলকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় অপহৃত শিশুকে।’

ওসি জানান, সুমি ওই শিশুকে ইসমাইলের কাছে বিক্রি করে দেন ৯০০ টাকায়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শাটডাউনের শঙ্কায় যাত্রীর চাপ শিমুলিয়ায়

শাটডাউনের শঙ্কায় যাত্রীর চাপ শিমুলিয়ায়

মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে যাত্রী পারাপারে চাপ বেড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

বিআইডাব্লিউটিসি সুপার ভাইজার শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে শতাধিক বড় গাড়ি। যাত্রীদের চাপ বেশি থাকায় সকাল থেকে বেলা ১০টা পর্যন্ত দুইশতাধিক গাড়ি পার করা হয়েছে।’ 

লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে যাত্রী পারাপারে চাপ বেড়েছে। এবার শাটডাউন ঘোষণার আশঙ্কায় যাত্রী পারাপার বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

শুক্রবার সকাল থেকে এ নৌরুটের ফেরিগুলোতে ঢাকা ও দক্ষিণবঙ্গগামী উভয়মুখী প্রচুর যাত্রীদের পারাপার করতে দেখা গেছে। একইসঙ্গে পারাপার হচ্ছে পণ্যবাহী ও জরুরি যানবাহন।

বিআইডাব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাট সহকারী ব্যবস্থাপক (বানিজ্য) ফয়সাল আহমেদ জানান, নৌরুটে বর্তমানে ১৪টি ফেরি সচল রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী লকডাউনের আওতামুক্ত গাড়ি পারাপারের কথা থাকলেও যাত্রীরা ঘাটে আসছেন।

বিআইডাব্লিউটিসি সুপার ভাইজার শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘শিমুলিয়া ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে শতাধিক বড় গাড়ি। যাত্রীদের চাপ বেশি থাকায় সকাল থেকে বেলা ১০টা পর্যন্ত দুইশতাধিক গাড়ি পার করা হয়েছে।’

মাওয়া ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ জাকির হোসেন জানান, শিমুলিয়া ঘাটের প্রবেশ মুখে চেকপোস্ট আজও রয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে যথাসম্ভব যাত্রীদের ঘাটে আসা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু যাত্রীরা বিভিন্নভাবে ঘাটে এসে উপস্থিত হচ্ছেন। মূলত শাটডাউন ঘোষণার শঙ্কায় যাত্রীদের আগমন বেড়েছ।

মুন্সীগঞ্জ সদরের ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ বজলুর রহমান জানান, জেলায় আরও কয়েকটি চেকপোস্ট বাড়ানো হয়েছে। সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন শহরের মধ্যে চলাচলে বাধা দেয়া হচ্ছে। কিছু অটোরিকশা জব্দও করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে মুন্সীগঞ্জের লঞ্চ চলাচল প্রথম দিন থেকে বন্ধ রয়েছে।

শেয়ার করুন

সাতক্ষীরায় এক দিনে মৃত্যু ৮, শনাক্ত ৪৮

সাতক্ষীরায় এক দিনে মৃত্যু ৮, শনাক্ত ৪৮

জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৮ জনের দেহে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ৪৩ শতাংশ।

সাতক্ষীরায় ২১ দিন লকডাউনেও মেলেনি সুফল। গত ২৪ ঘণ্টায় সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এক জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ও সাত জন উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।

সিভিল সার্জনের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে ৭ জন সাতক্ষীরা মেডিক্যালে ও ১ জন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

এ নিয়ে উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন ৩০৪ জন। আর করোনা পজিটিভ হয়ে মারা গেছেন ৬৩ জন।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৮ জনের দেহে করোনার অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ছিল ৪৩ শতাংশ।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৬ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে ১৪ জন করোনা সংক্রমিত রোগী ভর্তি ছিলেন। উপসর্গ নিয়ে ভর্তি ছিলেন ৩৬৭ জন।

এ নিয়ে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ১৬৫ জনের দেহে। সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ২২৯ জন।

বিস্তারিত আসছে...

শেয়ার করুন

কবরস্থান নিয়ে গোলাগুলি: গ্রেপ্তার ৩

কবরস্থান নিয়ে গোলাগুলি: গ্রেপ্তার ৩

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় কবরস্থানে সাইনবোর্ড দেয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে চারজন গুলিবিদ্ধ হন। ছবি: নিউজবাংলা

পূর্ব বাকলিয়ায় আবদুল লতিফ হাটখোলা এলাকায় বড় মৌলভী বাড়িসংলগ্ন একটি কবরস্থান রয়েছে। গত ১১ জুন সকালে ওই বাড়ির লোকজন সেখানে সাইনবোর্ড লাগাতে গেলে পাশের ইয়াকুব আলী বাড়ির লোকজন গিয়ে বাধা দেন। এ নিয়ে সংঘর্ষ হয়।

চট্টগ্রামে কবরস্থান নিয়ে গোলাগুলির ঘটনার মূল আসামি ইয়াকুবসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) শাহ মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. ইয়াকুব, ওসমান গনি ও মো. মাসুদ।

আবদুর রউফ বলেন, ‘ঘটনার মূল অভিযুক্ত ইয়াকুবসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ ঘটনার সময় ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তল ও দেশিয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে উপপুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) শুক্রবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত বলবেন।’

গত ১৬ জুন জাহিদুর আলম নামে আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল ও দুইটি গুলি উদ্ধার করা হয়।

পূর্ব বাকলিয়ায় আবদুল লতিফ হাটখোলা এলাকায় বড় মৌলভী বাড়িসংলগ্ন একটি কবরস্থান রয়েছে। এটি লোকজনের কাছে বড় মৌলভী কবরস্থান নামে পরিচিত। বড় মৌলভী বাড়ির লোকজনের দাবি, এটা তাদের পূর্বপুরুষের দেয়া নিজস্ব কবরস্থান।

গত ১১ জুন সকালে ওই বাড়ির লোকজন ও প্রতিবেশীরা মিলে সেখানে সাইনবোর্ড লাগাতে যান। তখন পাশের ইয়াকুব আলীর বাড়ি ও তাদের লোকজন গিয়ে বাধা দেন।

সে পক্ষের দাবি, এটা ১০০ বছর ধরে স্থানীয়দের সম্মিলিত সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, কারও পৈতৃক সম্পত্তি নয়।

বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় দুই পক্ষের তিন থেকে চারজনের হাতে পিস্তল দেখা গেছে। গোলাগুলির ঘটনায় ১৩ জন আহত হয়।

সংঘর্ষের পর মৌলভী বাড়ির লোকজনের পক্ষে সাইফুল্লাহ মাহমুদ নামে একজন মামলা করেন।

শেয়ার করুন

অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় তরুণ নিহত

অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় তরুণ নিহত

এএসআই শীলব্রত বড়ুয়া বলেন, শুক্রবার সকালে মীরসরাইয়ে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন দিশান। রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক দিশানকে মৃত ঘোষণা করেন।

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় দিশান উদ্দিন নামের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মীরসরাই সদরে শুক্রবার সকাল পৌনে সাতটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ১৯ বছর বয়সী দিশান উদ্দিন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাকোড় এলাকার বাসিন্দা। দিশান ওই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শীলব্রত বড়ুয়া নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, শুক্রবার সকালে মীরসরাইয়ে অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন দিশান। রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক দিশানকে মৃত ঘোষণা করেন।

দিশানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন

চেয়ারে বসা নিয়ে দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র খুন

চেয়ারে বসা নিয়ে দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র খুন

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আনোয়ার নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি শাহনুর এ আলম জানান, বড়ইউন্দ বাজারে এক ওষুধের দোকানে চেয়ারে বসা নিয়ে আনোয়ারের সঙ্গে একই গ্রামের সোহেল মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। এরই জেরে সোহেল তার বাবা মরম আলীসহ কয়েকজন সহযোগী নিয়ে আনোয়ারের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়।

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ওষুধের দোকানের এক চেয়ারে বসা নিয়ে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র খুন হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

উপজেলার চণ্ডীগড় ইউনিয়নের বড়ইউন্দ বাজারে বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ২৫ বছর বয়সী আনোয়ার হোসেনের বাড়ি উপজেলার রনাজিরপুর ইউনিয়নের আনন্দপুর গ্রামে। তিনি ময়মনসিংহের আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ছিলেন।

আহত দুইজন হলেন নিহত ব্যক্তির বাবা মকবুল হোসেন ও চাচাতো ভাই মনির হোসেন।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহনুর এ আলম জানান, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বড়ইউন্দ বাজারে এক ওষুধের দোকানে চেয়ারে বসা নিয়ে আনোয়ারের সঙ্গে একই গ্রামের সোহেল মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়।

এরই জেরে সোহেল, তার বাবা মরম আলীসহ কয়েকজন সহযোগী নিয়ে আনোয়ারের ওপর দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। খবর পেয়ে আনোয়ারের বাবা মকবুল ও চাচাতো ভাই মনির ঘটনাস্থলে গেলে তাদেরও মারধর করা হয়।

এ সময় ছুরিকাঘাতে তিনজনই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আনোয়ারকে মৃত ঘোষণা করেন। বাকি দুইজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ওসি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্যে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের ধরতে অভিযান চলছে।

একটি মামলাও হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আ. লীগের সভাপতি মঈনুদ্দীনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আ. লীগের সভাপতি মঈনুদ্দীনের মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনুদ্দীন মন্ডল। ছবি: নিউজবাংলা

মঈনুদ্দীন মন্ডল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রবীণ রাজনীতিবিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মঈনুদ্দীন মন্ডল মারা গেছেন।

রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আরিফুর রেজা ইমন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। দীর্ঘদিন থেকে তিনি বাধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সপ্তাহখানেক আগে ঢাকায় নেয়া হয়।

তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মঈনুদ্দীন মন্ডল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।

তিনি নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের ছাত্রসংসদের ভিপি ও জিএস হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্ত থেকে তৎকালীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহকুমা ছাত্রলীগের সভাপতি, বৃহত্তর রাজশাহী ছাত্রলীগের সিনিয়র সহসভাপতি ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের অন্যতম সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এ ছাড়া মঈনুদ্দীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পরে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

শেয়ার করুন

খুলনার ৩ হাসপাতালে এক দিনে ৯ মৃত্যু

খুলনার ৩ হাসপাতালে এক দিনে ৯ মৃত্যু

খুলনার তিনটি হাসপাতালে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ৬, গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২ ও জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনার তিনটি হাসপাতালে করোনাভাইরাস ও উপসর্গ নিয়ে এক দিনে আরও ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়।

খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ৬, গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২ ও জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা করোনা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫ জনের করোনায় ও ১ জনের মৃত্যু হয় উপসর্গ নিয়ে।

১৩০ শয্যার এ হাসপাতালে সকাল ৮টা পর্যন্ত ১৫৪ জন রোগী ভর্তি ছিল। এর মধ্যে রেড জোনে ৯৬, ইয়েলো জোনে ২৩, এইচডিইউতে ২০ ও আইসিইউতে ১৬ জন চিকিৎসাধীন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৩৯ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২২ জন।

খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিটে খুলনার রূপসা উপজেলার সরদার মনিরুল নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬৯ জন। এর মধ্যে ৩০ পুরুষ ও ৩৯ জন নারী।

গাজী মেডিক্যালের স্বত্বাধিকারী গাজী মিজানুর রহমান জানান, এ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তারা হলেন নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার শাহানা জামান ও পিরোজপুর সদরের রহিমা।

তিনি আরও জানান, হাসপাতালে ৯৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে আইসিইউতে ৯ ও এইচডিইউতে ৭ জন চিকিৎসাধীন।

এক দিনে হাসপাতালে ২৯ জন ভর্তি হয়েছেন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ জন।

এ ছাড়া হাসপাতালের আরটি পিসিআর মেশিনে ৩৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২২ জনের করোনা পজেটিভ এসেছে।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ মেহেদী নেওয়াজ জানান, খুলনা মেডিক্যালের পিসিআর ল্যাবে বৃহস্পতিবার রাতে ৩৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৯৯ জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।

খুলনার ৩২১ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৭৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

এ ছাড়া বাগেরহাটের ১৪, যশোরের ৬, সাতক্ষীরার ২ ও গোপালগঞ্জের ১ জন রয়েছেন।

উপাধ্যক্ষ আরও জানান, মোট নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৫১ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

শেয়ার করুন