আম পাড়া নিয়ে চারজনকে কুপিয়ে জখম

আম পাড়া নিয়ে চারজনকে কুপিয়ে জখম

বিরোধপূর্ণ জমির গাছ থেকে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। আহত দুজনকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নাটোরের গুরুদাসপুরে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে চারজনকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

উপজেলার চলানালী এলাকায় মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন ইউনুস আলী ও তার তিন ছেলে রাজিব, রাকিব ও রফিক।

গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ইউনুস আলীর সঙ্গে তার প্রতিবেশী ইয়াসিন আলীর জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছে। মঙ্গলবার সকালে ইউনুস তার ছেলেদের নিয়ে বিরোধপূর্ণ জমির গাছ থেকে আম পাড়তে থাকেন।

এ সময় ইয়াসিনের ছেলে সাবান ও মজিদ আলী তার দলবল নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালান। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে ইউনুস আলী ও রাজিবকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আটকের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে র‍্যাবের অভিযান, আটক ২১ দালাল

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে র‍্যাবের অভিযান, আটক ২১ দালাল

‘বিআরটিএতে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না সেবা নিতে আসাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয় দালালরা। পরে কৌশলে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে কাজ করে দেন।’

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে দালাল চক্রের ২১ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)।

নগরের বায়েজিদ থানাধীন নতুনপাড়া এলাকায় বিআরটিএ চট্টগ্রামের কার্যালয়ে রোববার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৭ এর একটি দল।

এ সময় আটক দালালদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিভিন্ন ধরনের মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বেশ কিছু কাগজপত্র ও নগদ পৌনে দুই লাখ টাকা জব্দ করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর মিডিয়া অফিসার মো. নুরুল আবছার।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা বিআরটিএ চট্টগ্রাম কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দালাল ও প্রতারক চক্রের ২১ সদস্যকে আটক করি। এ সময় তাদের কাছ থেকে লাইসেন্স তৈরি, লাইসেন্স নবায়ন, যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত ফরম ও কাগজপত্র জব্দ করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘বিআরটিএতে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না সেবা নিতে আসাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয় দালালরা। পরে কৌশলে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে কাজ করে দেন।’

আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব

লাখী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জুয়েল, রফিক ও বাচ্চু। ছবি: নিউজবাংলা

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার দুপুরে র‍্যাব জানায়, তালাকের পর স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জেনেই তাকের হত্যার পরিকল্পনা করেন জুয়েল।

ঢাকার সাভারে বাঁশঝাড় থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সাবেক স্বামীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গাজীপুরের কাশিমপুর থানার মাটি মসজিদ এলাকা থেকে শনিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন নিহত তরুণী লাখী আক্তারের স্বামী আশুলিয়ার সুবন্দি এলাকার মো. জুয়েল, তার বাবা মো. রফিক ও একই এলাকার বাচ্চু মিয়া।

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার দুপুরে র‍্যাব জানায়, তালাকের পর স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জেনেই তাকের হত্যার পরিকল্পনা করেন জুয়েল।

র‍্যাব জানায়, গত ৯ জুন সাভারের আশুলিয়ার সুবন্দির একটি বাঁশঝাড় থেকে লাখীর মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শুরু করে র‍্যাব।

তাদের তদন্তে জুয়েলের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে ও তার বাবাকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় সহযোগিতার জন্য বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা লাখী হত্যায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব
নিহত লাখী আক্তার

তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, জুয়েল মাদকসেবী। তিনি চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। বিয়ের পর থেকেই লাখীকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। চার বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়েবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে লাখী আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় বাবার বাড়িতে থাকা শুরু করে।

কিন্তু বিচ্ছেদের পর তিনি আবারও লাখীকে স্ত্রী হিসেবে নিতে চান কিন্তু পরিবারের কেউ রাজি না হওয়ায় লাখীকে হত্যার হুমকি দেন। এরপর গত ২ মে এক সিঙ্গাপুর প্রবাসীর সঙ্গে লাখীর বিয়ে ঠিক হওয়ার খবর পেয়ে আবারও হুমকি দেন।

৮ জুন তিনি কৌশলে লাখীকে বাড়ির পাশের জঙ্গলে ডেকে নেন। এরপর তিনি, তার বাবা ও বাচ্চু মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান।

র‍্যাব-১-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোর্শেদুল হাসান জানান, রোববার সকালে গ্রেপ্তার আসামিদের আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে দুপুরে তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

এবার মাগুরা শহরে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন

এবার মাগুরা শহরে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জেলায় করোনার সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা শহরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকার মতো এবার মাগুরা শহরে লকডাউন ঘোষণা করেছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক আশরাফুল আলম এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোমবার থেকে লকডাউনের ঘোষণা দেন।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জেলায় করোনার সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা শহরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টার পর বন্ধ থাকবে।

জেলা সিভিল সার্জনের অফিস জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে মাগুরায় ৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, যাদের অধিকাংশ জেলার পৌর এলাকার।

বর্তমানে বাড়িতে আইসোলেশনে আছে ৫৮ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচজন।

এ পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ জনের দেহে। মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের।

মাগুরার সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান নিউজবাংলাকে জানান, এক সপ্তাহ ধরে মাগুরায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। স্বাস্থ্যবিধি না মানাটাই এর প্রধান কারণ। এ ছাড়া পাশেই সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের কারণে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।

শেয়ার করুন

ক্যাম্প থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা উদ্ধার

ক্যাম্প থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা উদ্ধার

এপিবিএনের অভিযানে উদ্ধার মুজিবুল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার দুপুরে জাদিমুরা ক্যাম্প থেকে মুখোশ পরা ৮-৯ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মুজিবুল্লাহকে জোরপূর্বক নেচারি পার্কের পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর থেকেই জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপহরণের এক দিন পর মুজিবুল্লাহ নামের একজনকে উদ্ধার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

রোববার বেলা দুইটার দিকে হ্নীলার জাদিমুরা ২৭ নম্বর ক্যাম্পের সি-ব্লকের নেচারি পার্কসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিবিএন-১৬-এর অধিনায়ক এসপি তারিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, শুক্রবার দুপুরে জাদিমুরা ক্যাম্প থেকে মুখোশ পরা ৮-৯ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মুজিবুল্লাহকে জোরপূর্বক নেচারি পার্কের পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর থেকেই জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

এপিবিএন কর্মকর্তা আরও জানান, রোববার দুপুর একটার দিকে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পার্ক এলাকা থেকে মুজিবুল্লাহকে উদ্ধার করা হয়। তিনি সুস্থ আছেন। পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত

দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত

প্রতীকী ছবি।

স্থানীয় ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে প্রতিবেশী সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে শাহজাহান মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান শাহজাহান মিয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাহজাহান মিয়া নামের সাবেক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।

উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের মনিয়ন্দ গ্রামে রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহজাহান মনিয়ন্দ গ্রামের পূর্বপাড়ার মৃত সামসু মিয়ার ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৩ বেঙ্গলের করপোরাল ছিলেন।

স্থানীয় ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে প্রতিবেশী সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে শাহজাহান মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান শাহজাহান মিয়া।

নিহতের নাতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে তার দাদা শাহজাহানের সঙ্গে সুহেল ও কাইয়ুমের তর্কাতর্কি হয়। পরে আজ সকালে সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে নিহত হন শাহজাহান মিয়া। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি ধস্তাধস্তিতে শাহজাহান মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

শেয়ার করুন

ট্রাকের ধাক্কায় নারী শ্রমিকের মৃত্যু

ট্রাকের ধাক্কায় নারী শ্রমিকের মৃত্যু

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, হাসনা কাজে যাওয়ার সময় রাস্তা পার হতে গিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরাইস মিলের শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাকচালককে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

উপজেলার গড়মাটি এলাকায় রোববার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

৪৭ বছর বয়সী নিহত হাসনা বেগমের বাড়ি বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি গ্রামে। তিনি অটোরাইস মিলের শ্রমিক ছিলেন।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, হাসনা কাজে যাওয়ার সময় রাস্তা পার হতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকচালক শিবলু প্রামাণিককে আটক করা হয়েছে। তবে চালকের সহকারী পালিয়ে গেছে।

শেয়ার করুন

বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে বাড়ছে করোনা রোগীর চাপ

বঙ্গবন্ধু হাসপাতালে বাড়ছে করোনা রোগীর চাপ

গত ১২ দিনে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৪ জন, সুস্থ হয়েছেন দুইজন। প্রতিদিনই আসছে রোগী, কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী শয্যা না থাকায় ভর্তি নিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর চাপ বাড়ছে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

গত ১২ দিনে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ২৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ১৪ জন, সুস্থ হয়েছেন দুইজন। প্রতিদিনই আসছে রোগী, কিন্তু চাহিদা অনুযায়ী শয্যা না থাকায় ভর্তি নিতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ছিদ্দীকুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক ব্যক্তি। আর নতুন শনাক্ত হয়েছে ২২ জন। জেলায় এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ৯০৯ জন, মারা গেছেন ১৮৮ ব্যক্তি।

তিনি জানান, শতকরা হিসাবে করোনা পরীক্ষায় পজিটিভের হার ২০ দশমিক ৮০, মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭২ এবং সুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ৬৬।

ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রেজিস্ট্রার বই থেকে জানা যায়, গত ১ জুন থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। যাদের মধ্যে ১১ জনই ৫০ ঊর্ধ্ব।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ১২ দিনে আইসিইউয়ে যারা মারা গেছেন তারা হলেন, ভাঙ্গার আমুদ আলী, রাজবাড়ীর শহিদুল রহমান ও আবুল হোসেন, বোয়ালমারীর রহিমা বেগম, শহরের ঝিলটুলির মোসলেমউদ্দিন ও এমএ মামুন, মাদারীপুরের মনোয়ারা বেগম ও নূরুল হক, গোয়ালন্দর খাদেজা বেগম, কালুখালীর রফিকুল ইসলাম, কানাইপুরের লাল মিয়া, গোপালগঞ্জের দুর্গা রানী, সালথার অঞ্জনা রানী ও চরভদ্রাসনের ইউসুফ হোসেন।

হাসপাতালের আইসিইউয়ে ১৬ শয্যা থাকলেও সচল রয়েছে ১৪টি। আইসিইউ ইনর্চাজ অনন্ত বিশ্বাস বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি দুই সপ্তাহ ধরে অবনতির দিকে। রোগীর চাপ বাড়ছে অনেক। কিছু দিন আগেও ওয়ার্ডে রোগী ছিল ৩/৪ জন। এখন সেখানে সিট ফাঁকা নেই।’

তিনি জানান, করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধরন আগের থেকে ভিন্ন। কারণ এখন আইসিইউয়ে ভর্তি হয়ে সুস্থতার হার একেবারেই কম। মারা যাচ্ছে বেশি এবং তাও আবার দ্রুত।

শেয়ার করুন