সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক পেল দুই পরিবার

মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ সাংবাদিক পরিবারের মধ্যে চেক হস্তান্তর করেন। ছবি: নিউজবাংলা

সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের চেক পেল দুই পরিবার

অনুষ্ঠানে দৈনিক খোলা চিঠি পত্রিকার সহসম্পাদক প্রয়াত সাংবাদিক কে পি দাশ বুলুর স্ত্রী ঝর্ণা দাশকে তিন লাখ টাকা এবং মাইটিভির জেলা প্রতিনিধি আহত সাংবাদিক সঞ্জয় কুমারকে ৫০ হাজার টাকার চেক দেয়া হয়।

মৌলভীবাজারে প্রয়াত সাংবাদিক এবং দুর্ঘটনায় আহত দুই সাংবাদিকের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট।

জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে সোমবার দুপুরে মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নেছার আহমদ দুই পরিবারকে সাড়ে তিন লাখ টাকার চেক দেন।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তানিয়া সুলতানার সঞ্চালনায় এ সময় বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক পান্না দত্ত।

অনুষ্ঠানে দৈনিক খোলা চিঠি পত্রিকার সহসম্পাদক প্রয়াত সাংবাদিক কে পি দাশ বুলুর স্ত্রী ঝর্ণা দাশকে তিন লাখ টাকা এবং মাইটিভির জেলা প্রতিনিধি আহত সাংবাদিক সঞ্জয় কুমারকে পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক দেয়া হয়।

২০১৭ সালের ১৫ জুলাই ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় সাংবাদিক কে পি দাশের। আর সাংবাদিক সঞ্জয় কুমার দে পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সংসদ সদস্য নেছার আহমদ বলেন, দেশ ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন সাংবাদিকরা। কিন্তু সাংবাদিকদের সহায়তার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। এ জন্য সাংবাদিকদের কল্যাণে একটি ট্রাস্ট গঠনের পরিকল্পনা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। সেটি বাস্তবায়ন করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কোনো অপশক্তি যাতে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের আরও সহযোগিতার আহ্বান জানান নেছার আহমেদ।

আরও পড়ুন:
বেদেপল্লিতে খুশির ঝিলিক
করোনায় সহায়তা: নাম না থাকায় বাদ নতুন দরিদ্ররা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান টিপু মুনশির
বেদে বহরে খাদ্য নিয়ে হাজির ডিসি
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

জামালপুরে করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

জামালপুরে করোনায় আরও ৩ মৃত্যু

জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস জানান, তিন জনের দুজন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং একজন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

জামালপুর শহরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মৃত্যু ৪২ জনে দাঁড়ালো।

এরা হলেন আয়কর আইনজীবী আতাউর রহমান, অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য রকিবুল ইসলাম এবং পিডিবি কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস।

তিনি জানান, তিন জনের দুজন জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে এবং একজন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, জামালপুর পৌরসভার কাচারিপাড়া এলাকার আয়কর আইনজীবী আতাউর রহমান ১৭ জুন করোনায় আক্রান্ত হন। তাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শনিবার সকালে তিনি মারা যান।

পৌর এলাকার পাথালিয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য রকিবুল ইসলাম করোনার উপসর্গ নিয়ে দুদিন আগে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। শুক্রবার তার নমুনা পরীক্ষার পর করোনা শনাক্ত হয়। রাতেই তিনি মারা যান।

একই এলাকার পিডিবির কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন হৃদরোগে অসুস্থ হলে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। নমুনা পরীক্ষায় ১৪ জুন তিনি পজিটিভ হন। শনিবার বিকালে মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন:
বেদেপল্লিতে খুশির ঝিলিক
করোনায় সহায়তা: নাম না থাকায় বাদ নতুন দরিদ্ররা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান টিপু মুনশির
বেদে বহরে খাদ্য নিয়ে হাজির ডিসি
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা

শেয়ার করুন

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

বর্ষা শুরু হতে না হতেই ভাঙছে যমুনার তীর। ছবি: নিউজবাংলা

গত বছর গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়িসহ কয়েকটি গ্রামে যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছিল। সেই ভাঙন এখনও চলছে। এ বছর পানি বাড়ার পর ভাঙন শুরু হয়েছে সদর উপজেলার হুগরা, কাকুয়া ও মাহমুদনগর ইউনিয়নে। নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়ন এবং ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নেও ভাঙন দেখা দিয়েছে।

জোয়ারের পানি আসা শুরু হতে না-হতেই টাঙ্গাইলে যমুনা নদীর তীরে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ ভাঙন। বর্ষার শুরুতেই যমুনার গর্ভে গেছে নদীর পূর্ব পাড়ের শতাধিক ঘরবাড়ি। ভাঙনের হুমকিতে আছে আরও তিন শতাধিক বাড়ি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জরুরিভাবে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা করলেও কতটুকু উপকারে আসবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে সাধারণ মানুষের। ভাঙন-আতঙ্কে ইতোমধ্যে গ্রামগুলোর সহস্রাধিক পরিবার অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে।

পাউবো বলছে, বড় কাজ শুরু হতে সময় লাগবে। এ জন্য আপৎকালীন জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, গত বছর গোহালিয়াবাড়ি ইউনিয়নের বেলটিয়াবাড়িসহ কয়েকটি গ্রামে যমুনার ভাঙন শুরু হয়েছিল। সেই ভাঙন এখনও চলছে।

এ বছর পানি বাড়ার পর ভাঙন শুরু হয়েছে সদর উপজেলার হুগরা, কাকুয়া ও মাহমুদনগর ইউনিয়নে। নাগরপুর উপজেলার দপ্তিয়র ও সলিমাবাদ ইউনিয়ন এবং ভূঞাপুর উপজেলার অজুর্না ইউনিয়নেও ভাঙন দেখা দিয়েছে।

টাঙ্গাইলের অভিশাপ এই যমুনার ভাঙন। প্রতিবছরই এ জেলায় যমুনার ভাঙনে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হন শত শত মানুষ। তেমনই একজন ৭৫ বছরের হালিম শেখ।

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

যমুনার বর্তমান তীরের চার কিলোমিটার ভেতরে ছিল তার পৈতৃক ভিটে। এখন পর্যন্ত ছয়বার ভাঙনের কবলে পড়েছেন। এরপরও যমুনার তীরেই বসবাস করছেন। কারণ তার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। যেকোনো সময়ে আবারও পড়তে পারেন ভাঙনের মুখে।

হালিমের স্ত্রী অযুফা বেগম বলেন, ‘আর কত সহ্য করব, আমাদের এখন সহ্য হয় না। সরকার যা দেয়, তা চেয়ারম্যান-মেম্বারের প্যাকেটে চলে যায়। ছয়বার বাড়ি সরায়ে আনছি। এবারও বাড়ি যখন-তখন নদীতে চলে যাবে।

‘আমাগো কি টাকা আছে যে, প্রতিবছর বাড়ি সরামু। আমাগো সামান্য এই ত্রাণ চাই না। আমাগোর নিগা সুন্দর একটা বাঁধ নির্মাণ করে দিতে কইতাছি।’

কাওসার আহমেদ নামে এক কলেজছাত্র বলেন, ‘বাড়ি আর কতবার সরাব? বাবার না আছে কাজ, না আছে কোনো জায়গা-জমি। যা জমি ছিল, সব যমুনায় চলে গেছে।

‘এখন দিন এনে দিন খাই। আর সব সময় চিন্তা থাকে, কখন বাড়িটি নদীতে ধসে পড়ে যায়। খুবই অতঙ্কের মধ্যে দিন যাচ্ছে আমাদের।’

৮০ বছরের কুদ্দুস আলী বলেন, ‘জীবন ভরা বাড়ি সরাতে সরাতে কালিহাতীর বেলটিয়া আইসা বাড়ি বানাইছি। এহান থাকি তিন কিলোমিটার ভিতরে ছিল বাড়ি। এখন নদীর ঢালে বাড়ি, মনে হয় এই বুঝি নদীতে বাড়ি ভাঙি গেল।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকার দেশের জন্য অনেক কাজ করছে, তাই আমাগো একটাই দাবি বাঁধ চাই। না হলে আমাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিন। আমরা আর যাব কোথায়?’

বর্ষার শুরুতেই যমুনায় ঘরবাড়ি ফসলি জমি

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘বেলটিয়ায় নদী যখন ভাঙা শুরু হয়, তখন বাঁধ নির্মাণে ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকার বরাদ্দ দেয়া হয়। কাজ চলমান রয়েছে, আশা করি, কাজ শেষ হলে ভাঙন ঠেকানো সম্ভব হবে।

‘আর অন্য জায়গায় আপৎকালীন কাজ করা হবে। এখন যেহেতু বড় প্রজেক্টে তেমন বরাদ্দ নেই, তাই এগুলোর কাজ শুরু হতে সময় লাগবে।’

আরও পড়ুন:
বেদেপল্লিতে খুশির ঝিলিক
করোনায় সহায়তা: নাম না থাকায় বাদ নতুন দরিদ্ররা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান টিপু মুনশির
বেদে বহরে খাদ্য নিয়ে হাজির ডিসি
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা

শেয়ার করুন

পাগলা মসজিদে এবার ১২ বস্তা টাকা

পাগলা মসজিদে এবার ১২ বস্তা টাকা

দানবাক্সগুলো থেকে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা। অর্থাৎ প্রতিদিন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি দান পেয়েছে এই মসজিদ। এর আগে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি খোলা হয়েছিল দানবাক্সগুলো। তখন পাওয়া গিয়েছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা।

কিশোরগঞ্জের আলোচিত পাগলা মসজিদের দানবাক্স খুলে এবার ১২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। মাত্র ৪ মাস ২৬ দিনে জমা পড়ল এই টাকা।

দিনভর গুনে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৩৩ লাখ ৯৩ হাজার ৭৭৯ টাকা। এ ছাড়া জমা পড়েছে বৈদেশিক মুদ্রা, সোনা ও রুপা।

অর্থাৎ প্রতিদিন ১ লাখ ৬০ হাজার টাকার বেশি দান পেয়েছে এই মসজিদ।

এর আগে চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি খোলা হয়েছিল মসজিদের দানবাক্সগুলো। তখন পাওয়া গিয়েছিল ১৪ বস্তা টাকা। দিনভর গণনা শেষে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছিল ২ কোটি ৩৮ লাখ ৫৫ হাজার ৫৪৫ টাকা।

টাকা ছাড়াও মসজিদে নিয়মিত হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দান করেন বিভিন্ন জেলা থেকে আসা অসংখ্য মানুষ।

জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে শনিবার সকাল নয়টায় দানবাক্সগুলো খোলা হয়। বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলে গণনা। এতে অংশ নেন মাদ্রাসার ১১২ জন ছাত্র, ব্যাংকের ৫০ জন স্টাফ, মসজিদ কমিটির ৩৪ জন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১০ জন সদস্য।

মসজিদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত উদ্দিন ভূঁইয়া নিউজবাংলাকে জানান, মসজিদে দানবাক্স রয়েছে আটটি। সেখানে প্রতিনিয়ত মানুষ সহায়তা দিয়ে থাকে। করোনা সংক্রমণের শুরুতে মসজিদে মুসল্লিদের চলাচল এবং নারীদের প্রবেশাধিকার বন্ধ থাকলেও দান অব্যাহত ছিল।

মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি খলিলুর রহমান জানান, প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এসে দান করছে এই মসজিদে। যারা দান করতে আসেন তারা বলে থাকেন, এখানে দান করার পরে নাকি তাদের আশা পূরণ হয়েছে। আর এ বিষয়টার কারণেই এখানে দান করে থাকেন তারা।


পাগলা মসজিদে এবার ১২ বস্তা টাকা


অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিন জানান, পাগলা মসজিদ ও ইসলামি কমপ্লেক্সের খরচ চালিয়ে দানের বাকি টাকা ব্যাংকে জমা রাখা হয়। এ থেকে জেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানায় অনুদান দেয়া হয়। অসহায় ও জটিল রোগে আক্রান্তদের সহায়তাও করা হয়।

তা ছাড়া এ বছর সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদেরও এই দানের টাকা থেকে সহায়তা করা হয়েছে।

দানবাক্স খোলার পর থেকেই গণনা দেখতে মসজিদের আশপাশে ভিড় জমায় আশপাশের মানুষ। অনেকে আবার আগ্রহ নিয়ে ছুটে আসেন বিভিন্ন প্রান্ত থেকে।

দানবাক্স কমিটির আহ্বায়ক ও কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা ইয়াসমিনের তত্ত্বাবধানে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম, উবাইদুর রহমান সাহেল, জুলহাস হোসেন সৌরভ, ইব্রাহীম, কিশোরগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ইউনিটের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আসাদুল্লাহ, রূপালী ব্যাংকের উপমহাব্যবস্থাপক অনুপ কুমার ভদ্রসহ উপস্থিত ছিলেন আরও অনেকে।

কিশোরগঞ্জের হারুয়া এলাকায় নরসুন্দার তীরে প্রায় ১০ শতাংশ জমিতে অবস্থিত পাগলা মসজিদ।

আরও পড়ুন:
বেদেপল্লিতে খুশির ঝিলিক
করোনায় সহায়তা: নাম না থাকায় বাদ নতুন দরিদ্ররা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান টিপু মুনশির
বেদে বহরে খাদ্য নিয়ে হাজির ডিসি
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা

শেয়ার করুন

ইজিবাইক ও কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ২

ইজিবাইক ও কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে নিহত ২

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফতুল্লার অক্টো-অফিস এলাকা থেকে পঞ্চবটীর দিকে যাচ্ছিল ইজিবাইকটি। পথে গাবতলী এলাকায় গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ওই সময় ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ইজিবাইক ও কাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন ইজিবাইকের চালক।

উপজেলার গাবতলী এলাকার আমেনা সিটি ফ্যাশন নামের একটি দোকানের সামনে শনিবার বিকেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ওসি জানান, নিহতরা হলেন ইজিবাইকের যাত্রী আফসার উদ্দিন ও আব্বাস উদ্দিন। তাদের বাড়ি ফতুল্লার কাশীপুর এলাকায়। তারা চানবাজার এলাকার একটি সুতা কারখানার শ্রমিক। তারা কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফতুল্লার অক্টো-অফিস এলাকা থেকে পঞ্চবটীর দিকে যাচ্ছিল ইজিবাইকটি। পথে গাবতলী এলাকায় গেলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ওই সময় ঘটনাস্থলেই একজন মারা যান। আহতদের নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে আরেকজনের মৃত্যু হয়। আহত ইজিবাইকচালক মিজানুর রহমানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, মরদেহ দুটি তাদের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ওসি আরও বলেন, কাভার্ড ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে এর চালক রাসেল মিয়াকে।

আরও পড়ুন:
বেদেপল্লিতে খুশির ঝিলিক
করোনায় সহায়তা: নাম না থাকায় বাদ নতুন দরিদ্ররা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান টিপু মুনশির
বেদে বহরে খাদ্য নিয়ে হাজির ডিসি
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা

শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও আলুকদিয়ায় সর্বাত্মক লকডাউন

চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও আলুকদিয়ায় সর্বাত্মক লকডাউন

জেলা প্রশাসক জানান, লকডাউন করা এলাকায় জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকবে। ওষুধের দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকান বন্ধ থাকবে। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন।

করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে চুয়াডাঙ্গা পৌরসভা ও সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়নে আগামী সাত দিনের সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শনিবার বিকেল ৪টার দিকে জেলা করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধসংক্রান্ত কমিটির জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান কমিটির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন, ‘রোববার সকাল ৬টা থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত জেলায় কঠোর লকডাউন কার্যকর করা হবে।’

জেলা প্রশাসক জানান, লকডাউনের বিষয়ে পরে একটি গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, লকডাউন করা এলাকায় জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন বন্ধ থাকবে। ওষুধের দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকান বন্ধ থাকবে। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কাঁচাবাজার খোলা থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন।

করোনায় আক্রান্তদের বাড়ি লকডাউনের পাশাপাশি তাদের প্রয়োজনীয় ওষুধ ও খাদ্যসহায়তা দেয়া হবে। এ ছাড়া শ্রমিক ও দিনমজুরদের খাদ্যসহায়তা দেয়া হবে।

এর আগে গত ১৫ জুন লকডাউন করা হয় জেলার সীমান্তবর্তী দামুড়হুদা উপজেলা। ১৮ জুন বিশেষ বিধিনিষেধ জারি করা হয় জীবননগর উপজেলায়।

জরুরি সভায় উপস্থিত ছিলেন করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধসংক্রান্ত উপকমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন, জেলার সিভিল সার্জন এ এস এম মারুফ হাসান, চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবির পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানসহ আরও অনেকে।

জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম জানান, চুয়াডাঙ্গায় আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে করোনার সংক্রমণ। মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ জেলায় নতুন করে আরও ৭৬ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এটাই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এ নিয়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৫২৩ জনে। সুস্থ হয়েছেন ৭ জন; মোট সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯৩৮ জন। শনিবার বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার ব্যবধানে মারা গেছেন এক নারীসহ তিনজন। এ নিয়ে জেলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮০ জনে।

করোনার সংক্রমণ রোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

আরও পড়ুন:
বেদেপল্লিতে খুশির ঝিলিক
করোনায় সহায়তা: নাম না থাকায় বাদ নতুন দরিদ্ররা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান টিপু মুনশির
বেদে বহরে খাদ্য নিয়ে হাজির ডিসি
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা

শেয়ার করুন

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে নারীর ঝুলন্ত মরদেহ

প্রতীকী ছবি।

মৃত নারীর নাম মৌসুমি বেগম। তিনি পশ্চিমপাড়া এলাকার এলাকার নুর মোহাম্মদের স্ত্রী। তার ৪ বছরের একটি সন্তান আছে।

লালমনিরহাটের আদিতমারীতে এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। উপজেলার ভাদাই ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া এলাকায় স্বামীর বাড়ি থেকে শনিবার সকালে মরদেহ উদ্ধার হয়।

মৃত নারীর নাম মৌসুমি বেগম। তিনি পশ্চিমপাড়া এলাকার নুর মোহাম্মদের স্ত্রী। তার ৪ বছরের একটি সন্তান আছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, প্রেম করে পাঁচ বছর আগে নুর মোহাম্মদকে বিয়ে করেন মৌসুমি বেগম। নুর মোহাম্মদ মাদকাসক্ত হওয়ায় তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হত। স্বামীর অত্যাচার সহ্য না করতে পেরে প্রায়ই বাবা অথবা বোনের বাড়িতে চলে যেতেন মৌসুমি। শনিবারও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।

এদিন সকালে মৌসুমির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে আদিতমারী থানা পুলিশকে খবর দেয় এলাকাবাসী। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে পাঠায়।

আদিতমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। নিহতের স্বামী পলাতক আছেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বেদেপল্লিতে খুশির ঝিলিক
করোনায় সহায়তা: নাম না থাকায় বাদ নতুন দরিদ্ররা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান টিপু মুনশির
বেদে বহরে খাদ্য নিয়ে হাজির ডিসি
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা

শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০০ জাতের আমের তথ্য নিয়ে বই

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০০ জাতের আমের তথ্য নিয়ে বই

‘আমের ১০০ জাত’ নামের বইয়ে আলাদা আলাদাভাবে আম গাছের ছবি, ফলের তথ্য যেমন আকৃতি, ওজন, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, মিষ্টতার পরিমান (টিএসএস), শাঁসের রং, খাদ্য উপযোগী অংশ, ফল সংগ্রহের সময়, সংরক্ষণ কালসহ ৩০ থেকে ৩৫ টি তথ্য দেয়া হয়েছে।

প্রতিবছর দেশে উৎপাদিত মোট আমের সিংহভাগই আসে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে। প্রচলিত আছে এখানে প্রায় আট শ জাতের আমের চাষ হতো।

এখন সেই সংখ্যা নেমে এসেছে সাড়ে তিন শর ঘরে। এ জাতগুলো সম্পর্কে জানা এতদিন সহজ ছিল না মোটেও। তবে এবার জাতগুলোর তথ্য তুলে ধরতে উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন। প্রচলিত ও অপ্রচলিত জাতের ওপর প্রকাশিত হয়েছে বই।

‘আমের ১০০ জাত’ নামের বইয়ে আলাদা আলাদাভাবে আম গাছের ছবি, ফলের তথ্য যেমন আকৃতি, ওজন, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, মিষ্টতার পরিমান (টিএসএস), শাঁসের রং, খাদ্য উপযোগী অংশ, ফল সংগ্রহের সময়, সংরক্ষণ কালসহ ৩০ থেকে ৩৫ টি তথ্য দেয়া হয়েছে।

বইটিতে গোপালভোগ, খিরসাপাত, ল্যাংড়া, ফজলি, সুরমাই ফজলি, আশ্বিনা ইত্যাদি প্রচলিত জাত ছাড়াও দেওভোগ, গোলা, মালদহ গুটি, মিশ্রি দাগি, শ্যামলতা, মিশ্রিকান্ত আমের জাতের বিস্তারিত তথ্য উঠে এসেছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০০ জাতের আমের তথ্য নিয়ে বই


আমের জাতের তথ্য নিয়ে ‘আমের ১০০ জাত’ এটিই বাংলাদেশে প্রথম প্রকাশিত বই বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বইটির প্রকাশক চাঁপাইনবাবগঞ্জের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ পরিচালক একেএম তাজকির-উজ-জামান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্র্যান্ড প্রোডাক্ট। বছরব্যাপী নানা কাজের মাধ্যমে জেলা প্রশাসন আমের বাজারজাত করণের জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এ প্রকাশনা সেই ব্র্যান্ডিংয়ের একটা অংশ, এর সুফল পাবেন আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা।’

আরও পড়ুন:
বেদেপল্লিতে খুশির ঝিলিক
করোনায় সহায়তা: নাম না থাকায় বাদ নতুন দরিদ্ররা
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান টিপু মুনশির
বেদে বহরে খাদ্য নিয়ে হাজির ডিসি
করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা

শেয়ার করুন