ঝড়ো হাওয়ায় ভেঙে গেছে ১৫টি স্থাপনা

ঝড়ো হাওয়ায় ভেঙে গেছে ১৫টি স্থাপনা

কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ জানান, বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার বালিজুড়া, লস্করপুর, নোয়াদিয়া ও ভরাপাড়া গ্রামের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড ঝড়ো হওয়া বয়ে যায়। এতে বালিজুড়া গ্রামের ৪টি দোকান ভেঙে যায়। এ ছাড়া এই চারটি গ্রামের অন্তত ১১টি বসতবাড়ি ভেঙে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরও ৪০টি বাড়ি। আহত হয়েছেন তিনজন।

নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় সোমবার আকস্মিক ঝড়ে চারটি দোকান ও ১১টি বাড়ি ভেঙে গেছে। এ ছাড়া আরও ৪০টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসময় অন্তত ৩ জন আহত হয়েছেন।

এ ছাড়া জেলার কলমাকান্দায় বজ্রপাতে ৪টি গরুর মৃত্যু হয়েছে এবং একজন কৃষক আহত হয়েছেন।

কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ জানান, দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ভারি বৃষ্টিপাত হচ্ছিল। হঠাৎ বেলা আড়াইটার দিকে উপজেলার বালিজুড়া, লস্করপুর, নোয়াদিয়া ও ভরাপাড়া গ্রামের ওপর দিয়ে প্রচণ্ড ঝড়ো হওয়া বয়ে যায়। এতে বালিজুড়া গ্রামের ৪টি দোকান ভেঙে যায়। এ ছাড়া এই চারটি গ্রামের অন্তত ১১টি বসতবাড়ি ভেঙে পড়ে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরও ৪০টি বাড়ি। আহত হয়েছেন তিনজন।

আহত ব্যক্তিরা হলেন, ভরাপাড়া গ্রামের রইসুদ্দিনের স্ত্রী মিঠু আকতার ,লস্করপুর গ্রামের সন্তু মিয়ার ছেলে রহমতুল্লাহ ও তার স্ত্রী তহুরা আকতার।তাদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়েছেন।

এদিকে কলমাকান্দা থানার ওসি এটিএম মাহমুদুল হক জানান, দুপুরে বজ্রসহ বৃষ্টি হচ্ছিল। সোয়া ১২টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের ধুনন্দ গ্রামে সাচুরাম সরকারের ছেলে হরিমোহন সরকার মাঠ থেকে গরু নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন। এসময় বজ্রপাতে ৪টি গরু ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গুরুতর আহত হন হরিমোহন সরকার।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আধিপত্য বিস্তারের জেরে ককটেল বিস্ফোরণ

আধিপত্য বিস্তারের জেরে ককটেল বিস্ফোরণ

সদর থানার ওসি মোজাফফর হোসেন জানান, শেখপাড়ার ওদুদ মহুরী ও জালাল মেম্বরের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। সেই জেরে বুধবার দুই গ্রুপ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৮টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের শেখপাড়ায় বুধবার বেলা ১১টার পর থেকে এ ঘটনা ঘটে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শেখপাড়ার ওদুদ মহুরী ও জালাল মেম্বরের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছে। সেই জেরে বুধবার দুই গ্রুপ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৮টি অবিস্ফোরিত ককটেল উদ্ধার করেছে। পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে।

তবে কতগুলো ককটেল বিস্ফোরিত হয়েছে তা নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয় লোকজন জানান, দুই পক্ষ প্রায় ২০-৩০টি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।

ওসি জানান, এ ঘটনায় কেউ মামলা করেনি। তবে জড়িতদের ধরতে পুলিশের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন

৪০ হাজার ইয়াবাসহ আটক রোহিঙ্গা যুবক

৪০ হাজার ইয়াবাসহ আটক রোহিঙ্গা যুবক

ইয়াবাসহ বিজিবির হাতে আটক রোহিঙ্গা যুবক। ছবি: সংগৃহীত

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার জালিয়াপাড়া এলাকার কুলালপাড়া নামক জায়গায় স্থানীয় আব্দুল হকের বাড়িতে ইয়াবার একটি বড় চালান লুকানো আছে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের অভিযানে এক রোহিঙ্গা যুবক ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক হয়েছে। আটক রোহিঙ্গা শরণার্থী যুবকের নাম আয়াছ উদ্দিন।

বিজিবির টেকনাফ ব্যাটালিয়নের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফ উপজেলার জালিয়াপাড়া এলাকার কুলালপাড়া নামক জায়গায় স্থানীয় আব্দুল হকের বাড়িতে ইয়াবার একটি বড় চালান লুকানো আছে।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) সদর থেকে একটি টহলদল সেখানে পৌঁছে বাড়িটি তল্লাশি করে।

বিজিবি জানায়, তল্লাশির সময় বাড়িতে থাকা ওই রোহিঙ্গা যুবক আয়াছকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, ইয়াবা চালান সংগ্রহের জন্যই তিনি ওই বাড়িতে যান। পরে তার তথ্যে সে বাড়ি থেকে ৪০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

সেই সঙ্গে ইয়াবা বিক্রির ২০ হাজার টাকাও জব্দ করে বিজিবি।

বুধবার মামলা করে আসামিকে থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ

চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের সংঘর্ষে আহত একজন। ছবি: নিউজবাংলা

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলব্রত বলেন, ‘বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। বেলা পৌনে ২টার দিকে তাদের চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।’

প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম কলেজে সংঘর্ষে জড়িয়েছে শাখা ছাত্রলীগের দুই পক্ষ। এতে দুই শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ক্যাম্পাসসংলগ্ন কেয়ারি শপিংমলের সামনে সংঘর্ষে জড়ায় কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল করিম ও সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিকের পক্ষ।

আহত দুই শিক্ষার্থী হলেন ইংরেজি বিভাগের স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল সাইমুন এবং ডিগ্রি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল মালেক রুমি। তাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শীলব্রত বড়ুয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন আহত হয়েছেন। বেলা পৌনে ২টার দিকে তাদের চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।’

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘কী নিয়ে সংঘর্ষ, কাদের মধ্যে সংঘর্ষ, এখনও বুঝতে পারছি না। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখন সবকিছু স্বাভাবিক আছে।’

শেয়ার করুন

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

প্রতীকী ছবি

ওই তরুণীর পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, সকালে ওই ব্যক্তি পরিবারের অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতে তার প্রতিবেশী ওই তরুণীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে ওই তরুণী আওয়াজ করলে ও লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি সটকে পড়েন।

খুলনা মহানগরীতে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে সোনাডাঙ্গা থানার পুলিশ। পরে তার বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা করা হয় এবং তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আটক ব্যক্তি সোনাডাঙ্গার ময়লাপোতা এলাকার একটি বস্তির বাসিন্দা।

বুধবার সকালে ওই তরুণীর স্বজনদের অভিযোগের পর পুলিশ তাকে আটক করে। সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমতাজুল হক বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

ওই তরুণীর পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, সকালে ওই ব্যক্তি পরিবারে অন্য সদস্যদের অনুপস্থিতিতে তার প্রতিবেশী ওই তরুণীর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। পরে ওই তরুণী আওয়াজ করলে ও লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি সটকে পড়েন।

ওসি মমতাজুল বলেন, ‘ওই তরুণীর পরিবারের লোকজন থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে আটক করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার মামলা করা হয়েছে।’

শেয়ার করুন

বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

সাভারে বাসচাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

সাভারে বাসচাপায় মৃত্যু হয়েছে এক বাইকচালকের। আশুলিয়ায় রাস্তা পার হওয়ার সময় প্রাণ গেছে গৃহপরিচারিকার।

সাভারে বাসচাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর বাসস্ট্যান্ডের সেনা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে ফুটওভার ব্রিজের নিচে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম জাহিদুল ইসলাম, তার বাড়ি রাজধানীর হাজারীবাগে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ করিম।

তিনি বলেন, দুপুর ১২টার দিকে নবীনগর বাসস্ট্যান্ডের ওই ওভারব্রিজের নিচে একটি অজ্ঞাত বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাইকচালকের মৃত্যু হয়।

মরদেহ ও দুর্ঘটনাকবলিত বাইকটি সাভার হাইওয়ে থানায় নেয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, জাহিদ কোনো বাইক রাইডার গ্রুপের সদস্য।

ওসি সাজ্জাদ আরও জানান, বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে, সাভারেই পিকআপ ভ্যানের চাপায় এক গৃহপরিচারিকার মৃত্যু হয়েছে।

টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের মরাগাং এলাকায় বুধবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সুজাতা রানী বর্মন নওগাঁ জেলার নেয়ামতপুর থানার সদায় বর্মনের স্ত্রী। তিনি তুরাগ এলাকায় থেকে বাসাবাড়িতে কাজ করতেন।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার গোপ নিউজবাংলাকে জানান, সকালে মরাগাং এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিলেন সুজাতা। এ সময় একটি দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। পরে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়।

মরদেহ দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

মামাকে হত্যার অভিযোগে আটক ভাগ্নে

মামাকে হত্যার অভিযোগে আটক ভাগ্নে

জয়পুরহাটে ভাগ্নের ছুরিকাঘাতে মামা নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, রাজু তার মামা মোস্তাককে কিছু টাকা ধার দেন। ওই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রাজু ঘর থেকে ধারালো ছুরি এনে মোস্তাককে এলোপাতারি কোপায়।

জয়পুরহাট পৌর শহরে পাওনা টাকার জন্য মামাকে খুন করেছেন ভাগ্নে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন।

শহরের হারাইল এলাকায় বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোস্তাক হোসেন ওই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। আহত ব্যক্তির নাম জিম হোসেন। তিনি মোস্তাকের আরেক ভাগ্নে।

ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়েছে মোস্তাকের ভাগ্নে রাজু আহম্মেদকে। তার বিরুদ্ধেই মোস্তাককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। একই এলাকায় থাকতেন তারা।

পরিবারের বরাত দিয়ে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, রাজু তার মামা মোস্তাককে কিছু টাকা ধার দেন। ওই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রাজু ঘর থেকে ধারালো ছুরি এনে মোস্তাককে এলোপাতারি কোপায়।

এ সময় জিম তাকে বাঁচাতে গেলে রাজু তাকেও কোপায়।

ওসি আরও জানান, তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী গিয়ে রাজুকে আটক করে পুলিশে দেয়। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসক মোস্তাককে মৃত ঘোষণা বরেন।

গুরুতর আহত জিমকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

শেয়ার করুন

ফুলবাড়ী সীমান্তে করোনায় একজনের মৃত্যু

ফুলবাড়ী সীমান্তে করোনায় একজনের মৃত্যু

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আবেদের বাড়ি বাংলাদেশে হলেও তার শ্বশুরবাড়ি সীমান্তের ওপারে ভারতের সাহেবগঞ্জ থানার সেউটি-২ গ্রামে। শ্বশুরবাড়ির লােকজন সব সময় আবেদের বাড়িতে যাতায়াত করে।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর সীমান্তে করোনায় আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

রংপুর মেডিক্যালের করােনা ইউনিটে বুধবার সকালে সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ওই রোগীর নাম আবেদ আলী। ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের নাখারজান এলাকার আন্তর্জাতিক মেইন পিলার-৯৪১-এর পাশে তার বাড়ি।

আবেদের ছেলে মমিন জানান, তার বাবা অসুস্থ হলে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করােনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৩ দিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আবেদের বাড়ি বাংলাদেশে হলেও তার শ্বশুরবাড়ি সীমান্তের ওপারে ভারতের সাহেবগঞ্জ থানার সেউটি-২ গ্রামে। শ্বশুরবাড়ির লােকজন সব সময় আবেদের বাড়িতে যাতায়াত করে।

আবেদের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা এলাকায় ভারতীয় লোকজনের আসা-যাওয়া ঠেকাতে সীমান্তে প্রশাসনের নজরদারী বাড়ানোর দাবি জানান।

ফুলবাড়ী হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহে সেখানে এক শিশুসহ করােনা শনাক্ত হয়েছে ১১ জনের।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন দাস জানান, ভারতীয় ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকার কারণে আবেদের করোনা হতে পারে। আর সীমান্ত এলাকায় করোনা নিয়ে সচেতনতাও কম।

শেয়ার করুন