পুলিশের মরদেহ

হাজারী রোডের এই বাসায় ভাড়া থাকতেন ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর শফিকুল আজম। ছবি: নিউজবাংলা

নিজ ঘরে পুলিশ কর্মকর্তার লাশ

পুলিশ সুপার খন্দকার নূরুন্নবী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শফিকুলকে আমরা সকাল থেকে খুঁজছিলাম। পরে তার ঘরের দরজা ভেঙে সেখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করি।’

ফেনী শহরের হাজারী রোড এলাকার ভাড়া বাসায় ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর শফিকুল আজমের মরদেহ মিলেছে।

ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট দেলোয়ার হোসেন সোমবার বিকেল ৬টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শফিকুলের বাড়ি টাঙ্গাইলে। তিনি ছাগলনাইয়া ট্রাফিক পুলিশ এ কর্মরত ছিলেন, চাকরিতে যোগ দেন ১৯৯৯ সালে।

পুলিশ জানায়, পাঁচ তলার ওই আবাসিক ভবনের নিচতলায় একাই থাকতেন শফিকুল। তার পরিবার থাকে ঢাকায়। শনিবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরেন তিনি। এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

সোমবার দুপুরে নিচ তলা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বাড়ির মালিকের সন্দেহ হয়। ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে তিনি পুলিশকে জানান।

পুলিশ দরজা ভেঙে শোবার ঘর থেকে শফিকুলের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ, র‍্যাব ও সিআইডির দল।

শফিকুলের সহকর্মী দেলোয়ার হোসেন জানান, গেল শনিবার রাতে তার (শফিকুলের) সঙ্গে শেষবার দেখা হয়েছিল।

নিজ ঘরে পুলিশ কর্মকর্তার লাশ
মৃত পুলিশ সদস্য শফিকুল আজম


আশিক মঞ্জিলের মালিক মনির হোসেন জানান, শফিকুলের কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে তিনি পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে।

ফেনীর সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী জানান, প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তবুও মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
নবজাতকের পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার
চিকিৎসক সাবিরা হত্যার শিকার: সিআইডি
মাথা ও হাত-পাবিহীন বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
রাস্তার পাশে পড়ে ছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ
যমুনায় শার্ট-প্যান্ট পরা যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আট মাস ধরে ঝুলে আছে কাঠের ব্রিজ, দুর্ভোগ

আট মাস ধরে ঝুলে আছে কাঠের ব্রিজ, দুর্ভোগ

বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়েই ঝুকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করছে। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অনেকে, কেউ কেউ সেতু থেকে পড়ে যাচ্ছে খালে; বিশেষ করে স্কুল ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী এবং নারী ও শিশুরা। সেতুটি দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছে গ্রামবাসী। তারা বলছেন, তাদের এই ভোগান্তির কথা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও লাভ হয়নি।

বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের কাটাখালে নির্মিত কাঠের ব্রিজটি আট মাস আগে রাতের আঁধারে ইঞ্চিনচালিত নৌকার (ট্রলার) ধাক্কায় ব্রিজটি ভেঙে বাঁকা হয়ে যায়। ঝুলে থাকা সেই ব্রিজটির কোনো সংস্কার হয়নি। ফলে খালের দুই পাড়ের ১০ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ রয়েছে চরম ভোগান্তিতে।

সম্প্রতি এলাকাটি ঘুরে দেখা যায়, বাগেরহাট শহরে যাতায়াতের জন্য এই ব্রিজটিই সবচেয়ে সহজ মাধ্যম। সেতুটি ভেঙে বাঁকা হয়ে থাকায় খালের দুই পাড়ের কোন্ডলা, সুলতানপুর, নওয়াপাড়া, পাতিলাখালী, তালেশ্বর, নাটইখালী, খাসবাটি, ভাটশালা, বানিয়াগাতি ও চরগ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছে কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দারা।

বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়েই ঝুকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করছে। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অনেকে, কেউ কেউ সেতু থেকে পড়ে যাচ্ছে খালে; বিশেষ করে স্কুল ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী এবং নারী ও শিশুরা।

এমন অবস্থায় সেতুটি দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছে গ্রামবাসী। তারা বলছেন, তাদের এই ভোগান্তির কথা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি।

ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিধ্বস্ত অবস্থায় থাকার কথা স্বীকার করে স্থানীয় চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বিষয়টি সদর আসনের এমপি শেখ তন্ময়কে জানানো হয়েছে। তারা আশা করছেন, দ্রুতই সমাধান হবে এবং সেখানে একটি সুন্দর ব্রিজ হবে।

আট মাস ধরে ঝুলে আছে কাঠের ব্রিজ, দুর্ভোগ

সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা আছমা বেগম বলেন, ‘সাত-আট মাস ধরে আমাগো এই পোলডা ভাইঙ্গে পড়ে রইছে। সুলতানপুর ও কোন্ডলার মানুষের যাতায়াতে অনেক কষ্ট হয়।

‘আমরা বাচ্চ-কাচ্চা নিয়ে যাতায়াত করতি পারি না। এইডা হচ্ছে, মেইন রোড, এইখান দিয়ে অনেক লোক যাওয়-আসা করে। আপনারা যদি পারেন, দয়া করে এই পোলডা ভালো করে দেন। আমরা অনেকেরে জানাইছি, তারা সমাধানের কিছু করে না।’

একই গ্রামের এনামুল কবির খান বলেন, ‘ট্রলারে ধাক্কা মেরে এই পুলডা ভাইঙ্গে থুইয়ে যায়। আমরা মেম্বার-চেয়ারম্যান সবাইরে জানাইছি। কিন্তু কেউ কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না। এই পুলডার ওপর দিয়ে স্কুলের বাচ্চারা যাতায়াত করে।’

কোন্ডলা গ্রামের সালাম শেখ বলেন, ‘সাত-আট মাস ধইরে এই ব্রিজটা ভাইঙ্গে অকেজো হয়ে রইছে। আমরা যে কী কষ্টে যাতায়াত করতিছি। চেয়ারম্যান-মেম্বারদের এত অইরে বলিছি, তারা কোনো কর্ণপাত করে না।

‘আমাগো এই যে তিনডে-চাইরডে গ্রামের লোকজনের বাগেরহাট টাউনে যাতি মেইন রাস্তা একটা। অনেক মানুষ এই জাগাদে পইরে হাত-পাও ভাঙ্গিছে।’

সুলতানপুর গ্রামের বৃদ্ধা মোমেনা বেগম বলেন, “চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বলিছি, তারা আইসে দেহে গেছে। কিন্তু কিছু করেনি। আমাদের যাতায়াতে যে কী কষ্ট হয় তা বুঝায়ে বলতি পারব না।’

বাগেরহাট বেমরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন টগর বলেন, কোন্ডলা ও সুলতানপুরের মধ্যে সংযোগস্থাপনকারী ব্রিজটি (কাঠের পুল) দীর্ঘদিন ধরে বিধ্বস্ত অবস্থায় রয়েছে। আমাদের সদর আসনের এমপি শেখ তন্ময়কে বিষয়টি আমরা জানিয়েছি। তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে বিষয়টি গ্রহণ করেছেন। আমরা আশা করছি, দ্রুতই বিষয়টির সমাধান হবে এবং ওইখানে একটি সুন্দর ব্রিজ হবে।’

বাগেরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। দ্রুতই খোঁজ-খবর নিয়ে ভাঙ্গা পুলটির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
নবজাতকের পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার
চিকিৎসক সাবিরা হত্যার শিকার: সিআইডি
মাথা ও হাত-পাবিহীন বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
রাস্তার পাশে পড়ে ছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ
যমুনায় শার্ট-প্যান্ট পরা যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

বিদ্যুতের লাইনে কাজ করার সময় মৃত ১, আহত ৬

বিদ্যুতের লাইনে কাজ করার সময় মৃত ১, আহত ৬

মৌলভীবাজারে বিদ্যুতের লাইনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বেলা ১১টার দিকে নতুন ব্রিজ এলাকায় ১৪ জন কর্মী খুঁটি থেকে বৈদ্যুতিক তার পাল্টানোর কাজ করছিলেন। সাতজন খুঁটির উপরে ছিলেন এবং সাতজন নিচে থেকে তার টানছিলেন। হঠাৎ খুঁটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের মূল লাইন ছিঁড়ে নিচে থাকা সাতজন উপর পড়ে। 

মৌলভীবাজারে সংযোগ লাইনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সোহেল রানা নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ছয়জন।

সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের বানেশ্রী (নতুন ব্রিজ) এলাকায় শনিবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ২৪ বছরের সোহেলের বাড়ি নীলফামারীর পুকরাভাঙ্গায়। তিনি স্থানীয় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে চুক্তিভিত্তিক কাজ করতেন।

আহত তিনজন হলেন শাহীন, এলাইছ ও আনোয়ার। বাকি তিনজনের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বেলা ১১টার দিকে নতুন ব্রিজ এলাকায় ১৪ জন কর্মী খুঁটি থেকে বৈদ্যুতিক তার পাল্টানোর কাজ করছিলেন। সাতজন খুঁটির উপরে ছিলেন এবং সাতজন নিচে থেকে তার টানছিলেন। হঠাৎ খুঁটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের মূল লাইন ছিঁড়ে নিচে থাকা সাতজন উপর পড়ে।

এ ঘটনায় আহত সাতজনকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সোহেলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক নিউজবাংলাকে জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
নবজাতকের পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার
চিকিৎসক সাবিরা হত্যার শিকার: সিআইডি
মাথা ও হাত-পাবিহীন বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
রাস্তার পাশে পড়ে ছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ
যমুনায় শার্ট-প্যান্ট পরা যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

‘বঙ্গবন্ধুকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না’

‘বঙ্গবন্ধুকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মকবুল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

‘আমরা যদি বঙ্গবন্ধুকে মনে ধারণ করতে পারি, তার আদর্শকে সামনে রেখে যদি আমাদের পথচলা হয়, তাহলে আমরা সোনার বাংলা গড়ার দিকে অনেকটা অগ্রসর হতে পারব। যেদিন আমরা উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াব, আমার মনে হয় সেদিন বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।’

বঙ্গবন্ধুকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেন।

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শনিবার সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিলেন, তারা ভেবেছিলেন তাকে হত্যা করার মধ্য দিয়েই তার স্বপ্ন-আদর্শকে ধ্বংস করা যাবে। সেটি আসলে হয়নি। দেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য ১৪ বছর জেল খেটেছেন, তাকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব না।

‘আমরা যদি বঙ্গবন্ধুকে মনে ধারণ করতে পারি, তার আদর্শকে সামনে রেখে যদি আমাদের পথচলা হয়, তাহলে আমরা সোনার বাংলা গড়ার দিকে অনেকটা অগ্রসর হতে পারব। যেদিন আমরা উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াব, আমার মনে হয় সেদিন বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।’

এর আগে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান। পরে ফাতিহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, সিনিয়র সহকারী সচিব আতাহার হোসেন, গোপালগঞ্জের এনডিসি মহসিন উদ্দিন, জেলা তথ্য অফিসার মঈনুল ইসলাম, সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিদারুল ইসলামসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:
নবজাতকের পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার
চিকিৎসক সাবিরা হত্যার শিকার: সিআইডি
মাথা ও হাত-পাবিহীন বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
রাস্তার পাশে পড়ে ছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ
যমুনায় শার্ট-প্যান্ট পরা যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

আ. লীগ নেতারা শটগান নিয়ে গণপূর্ত অফিসে

আ. লীগ নেতারা শটগান নিয়ে গণপূর্ত অফিসে

পাবনা গণপূর্ত বিভাগে ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন ঠিকাদারের আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে মহড়ার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঠিকাদাররা আমার রুমে এসেছিলেন। আমার টেবিলে অস্ত্র রেখে নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে এসেছেন বলে তারা জানান। খারাপ আচরণ বা গালাগালি করেননি।’

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের অফিসে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার অস্ত্র নিয়ে মহড়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে।

৬ জুন গণপূর্ত কার্যালয়ের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ করা ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়ায় শনিবার।

অস্ত্রের মহড়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন ভিডিওতে দৃশ্যমান আওয়ামী লীগ নেতারা। তারা বলছেন, ‘ভুল হয়েছে’। তবে এ ঘটনা নিয়ে কোথাও অভিযোগ করেননি গণপূর্তের কর্মকর্তারা।

ভিডিওতে দেখা যায়, ৬ জুন দুপুর ১২টার দিকে পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ফারুক হোসেন দলবল নিয়ে গণপূর্ত ভবনে ঢোকেন। তার পেছনে শটগান হাতে ছিলেন পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী রেজা খান মামুন। অস্ত্র হাতে ঢুকতে দেখা যায় জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ লালুকেও।

তখন তাদের কয়েকজন সঙ্গী বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তারা সবাই ভবন থেকে ১২টা ১২ মিনিটে বেরিয়ে যান।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গণপূর্তের এক কর্মী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ ধরনের মহড়ায় আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে। প্রভাববলয় তৈরি করে বিভিন্ন কাজের দরপত্র নিজেদের আয়ত্তে নিতে ক্ষমতাসীন দলের ঠিকাদার নেতারা চেষ্টা করেন। তাদের দাপটে অনেক ঠিকাদার দর প্রস্তাব জমা দিতে পারছেন না।’

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অভিযোগ না দেয়ার বিষয়ে গণপূর্তের কর্মকর্তারা জানান, আওয়ামী লীগ নেতারা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে এলেও কোনো হুমকি দেননি।

পাবনা গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, ‘ঠিকাদাররা আমার রুমে এসেছিলেন। আমার টেবিলে অস্ত্র রেখে নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে এসেছেন বলে তারা জানান। খারাপ আচরণ বা গালাগালি করেননি।’

বিল বা দরপত্রকে কেন্দ্র করে এ মহড়া কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পাবনায় নতুন যোগ দিয়েছি। এসব বিষয়ে আমার জানা নেই।’

পাবনা গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিম বলেন, ‘ঘটনার দিন আমি অফিসের কাজে বাইরে ছিলাম। তবে সিসিটিভি ফুটেজে অস্ত্র হাতে অনেকে এসেছে দেখেছি। তারা আমাকে সরাসরি বা ফোনে কোনো হুমকি দেননি। কথাও হয়নি। তাই আমরা লিখিত অভিযোগ করিনি।’

দলবলে গণপূর্ত বিভাগে যাওয়ার বিষয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হোসেন বলেন, ‘আমি গণপূর্ত বিভাগের ঠিকাদার না। বিল সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে মামুন ও লালু আমাকে সেখানে নিয়ে গিয়েছিল। তবে এভাবে যাওয়া উচিত হয়নি।’

পৌর আওয়ামী লীগ নেতা মামুন বলেন, ‘নিরাপত্তার স্বার্থে বৈধ অস্ত্র নিয়ে আমি ব্যবসায়িক কাজে ইটভাটায় যাচ্ছিলাম। পথে নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজিমের সঙ্গে কথা বলতে গণপূর্ত বিভাগে যাই। তিনি না থাকায় আমরা ফিরে আসি। তাকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়নি। প্রতিপক্ষ ঠিকাদাররা বিষয়টিকে অন্যদিকে নেয়ার চেষ্টা করছেন।’

একই ধরনের কথা বলেছেন যুবলীগ নেতা শেখ লালু। তিনি বলেন, ‘ভুলবশত আমরা অস্ত্র নিয়ে অফিসে ঢুকে পড়েছিলাম।’

প্রভাব দেখিয়ে বিভিন্ন কাজ নিজেদের দখলে নেয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তারা।

পাবনার পুলিশ সুপার মুহিবুল ইসলাম খান বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। অস্ত্র আইনের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

পাবনার ডিসি কবীর মাহমুদ ঘটনাটি শুনেছেন জানিয়ে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টির তদন্ত করছে। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
নবজাতকের পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার
চিকিৎসক সাবিরা হত্যার শিকার: সিআইডি
মাথা ও হাত-পাবিহীন বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
রাস্তার পাশে পড়ে ছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ
যমুনায় শার্ট-প্যান্ট পরা যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

আলাদা বগিতে ঢাকায় আসলেন করোনা আক্রান্ত ট্রেনচালক

আলাদা বগিতে ঢাকায় আসলেন করোনা আক্রান্ত ট্রেনচালক

চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে ঢাকার পথে শরিফুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মিহির কান্তি গুহ বলেন, ‘শরিফুল ইসলাম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাই আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বললেন, তাকে ঢাকায় নিতে হবে। এ জন্য চিত্রা এক্সপ্রেসে তার জন্য আলাদা একটি বগি যোগ করে ঢাকায় নেয়া হয়েছে।’

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের এক ট্রেন চালককে আলাদা বগিতে করে ঢাকায় আনা হয়েছে।

শরিফুল ইসলাম নামের ওই চালককে শনিবার খুলনা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকায় নেয়া হয়। অতিরিক্ত একটি বগিতে তিনি একাই ঢাকায় যান।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, খুলনা- ঢাকা রুটে চলা ‘চিত্রা এক্সপ্রেস’ ট্রেনে আলাদা একটি বগি যোগ করে তাকে ঢাকায় নেয়া হয়েছে।

আলাদা ওই বগিটিকে বলা হচ্ছে কোয়ারেন্টিন কোচ।

বাংলাদেশ রেলওয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, এক সপ্তাহ ধরে জ্বরে ভুগছিলেন শরিফুল ইসলাম। কোনোভাবেই তার জ্বর কমছিল না। তিন দিন আগে থেকে কাশি শুরু হওয়ার পর শ্বাসকষ্টও দেখা দেয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হলে তার শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী তাকে ঢাকায় নেয়া হয়েছে।

শরিফুল ইসলামকে ঢাকার মুগদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হবে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মিহির কান্তি গুহ বলেন, ‘শরিফুল ইসলাম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাই আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বললেন, তাকে ঢাকায় নিতে হবে। এ জন্য চিত্রা এক্সপ্রেসে তার জন্য আলাদা একটি বগি যোগ করে ঢাকায় নেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এটা কোয়ারেন্টিন কোচ। করোনা রোগীদের জন্য এই কোচের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকায় পৌঁছার পর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হবেন।’

আরও পড়ুন:
নবজাতকের পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার
চিকিৎসক সাবিরা হত্যার শিকার: সিআইডি
মাথা ও হাত-পাবিহীন বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
রাস্তার পাশে পড়ে ছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ
যমুনায় শার্ট-প্যান্ট পরা যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

আগুনে পুড়ে গেছে প্রবাসীর ২৭ বছরের স্বপ্ন

আগুনে পুড়ে গেছে প্রবাসীর ২৭ বছরের স্বপ্ন

আগুনে পুড়ে গেছে প্রায় ৫০ লাখ টাকার মালামাল। ছবি: নিউজবাংলা

তিন মাস আগে প্রায় ৫০ লাখ টাকা বিনিযোগে খেড়িহর বাজারে তোহা কনস্ট্রাকশন ও হার্ডওয়ার নামে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান চালু করেন আনোয়ার হোসেন। শুক্রবার মধ্যরাতে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগে। পুড়ে যায় প্রতিষ্ঠানের সব মালামাল।

স্বপ্ন ছিল দেশে স্বাধীনচেতা হয়ে নিজেই করবেন কিছু একটা। তা পূরণে পরাধীনতা স্বীকার করে দীর্ঘসময় কাজ করেছেন প্রবাসে। হাড়ভাঙা পরিশ্রমে কষ্টার্জিত টাকা পরিবারের ভরণপোষনের পাশাপাশি অল্প অল্প করে জমিয়েছেন নিজের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে। অবশেষে স্বপ্ন হলো সত্যি। নিজ গ্রামেই চালু করেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু সেই সুখ বেশি দিন টিকল না। তিন মাসের ব্যবধানে আগুনে পুড়ে গেছে তার ২৭ বছরের স্বপ্ন।

ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার খেড়িহর গ্রামের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে। দীর্ঘ ২৭ বছর সৌদি আরবে প্রবাস জীবন কাটিয়ে ২০১৮ সালে দেশে ফেরেন আনোয়ার হোসেন। নিজ গ্রামেই কিছু একটা করার চেষ্টা করছিলেন।

তিন মাস আগে প্রায় ৫০ লাখ টাকা বিনিযোগে খেড়িহর বাজারে তোহা কনস্ট্রাকশন ও হার্ডওয়ার নামে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান চালু করেন আনোয়ার হোসেন।

কিন্তু শুক্রবার মধ্যরাতে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন লাগে। পুড়ে যায় প্রতিষ্ঠানের সব মালামাল।

আনোয়ার হোসেন বলেন,‘শুক্রবার দোকানের কাজ শেষে রাত ১০টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ি যাই। রাত ৪টার সময় খবর পাই দোকানে আগুন লেগেছে। খবর পেয়ে দৌঁড়ে দোকানে আসি। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় দেড় ঘন্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ততক্ষণে দোকান ও গোডাউনে থাকা হার্ডওয়ার,সেনেটারী,ইলেকট্রিকস,রঙ ও প্লাষ্টিকের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

‘আগুন লাগার সময় বাজারে কারেন্ট ছিল না। তাই সর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার সুযোগ নেই। তাছাড়া দোকানে কোনো দাহ্য পদার্থও ছিল না। এই আগুন উদ্দেশ্যমূলকভাবে লাগানো হয়েছে। বাজারের ব্যবসায়ী মো.জুবায়ের,মো.আ.মমিন ও মো.ইমান আলীর সঙ্গে ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব চলছিল। ওরাই আমার দোকানে আগুন দিয়েছে। তাদের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।’

আনোয়ার হোসেন আরও বলেন,‘প্রবাস জীবনের সব জমানো টাকা দিয়ে আমি এই ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান দিয়েছিলাম। কিন্তু প্রতিপক্ষরা আমার দোকানে আগুন লাগিয়ে আমাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। জড়িতদের শাস্তির পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছি।’

আগুনে পুড়ে গেছে প্রবাসীর ২৭ বছরের স্বপ্ন

দোকানের মালিক রাসেল দেওয়ান বলেন,‘আনোয়ার হোসেন তিন মাস আগে আমার দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেন। শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে খেড়িহর বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের মাইকে আগুন লাগার ঘটনাটি গ্রামবাসীকে জানানো হয়। এ সময় আশপাশের মানুষ ঘটনাস্থলে এসে পানি দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পরে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে আগুন নেভায়।’

তিনি আরও বলেন,‘ রাত দুইটা থেকে বাজার এলাকায় কারেন্ট ছিল না। আগুন কেউ পরিকল্পিতভাবে লাগিয়েছে বলে সন্দেহ হচ্ছে।’

এই ঘটনায় যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে, সবার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তদন্ত চলছে।’

আরও পড়ুন:
নবজাতকের পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার
চিকিৎসক সাবিরা হত্যার শিকার: সিআইডি
মাথা ও হাত-পাবিহীন বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
রাস্তার পাশে পড়ে ছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ
যমুনায় শার্ট-প্যান্ট পরা যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারের কয়েদির মৃত্যু

চুয়াডাঙ্গা কারাগারের জেলার শওকত জানান, মাদক মামলার আসামি রবিউলের মৃগীরোগ ছিল।  শনিবার বেলা ১১টা দিকে জেলখানার ভেতরে মাথা ঘুরে পড়ে যান তিনি। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগারে অসুস্থ হয়ে রবিউল ইসলাম নামের এক কয়েদির মৃত্যু হয়েছে।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়। রবিউলের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার সিঅ্যান্ডবি পাড়ায়। তিনি মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা কারাগারের জেলার শওকত হোসেন মিয়া জানান, মাদক মামলায় এক বছরের সাজা হওয়ার পর ১৫ মে রবিউলকে কারাগারটিতে স্থানান্তর করা হয়। রবিউলের মৃগীরোগ ছিল। শনিবার বেলা ১১টা দিকে জেলখানার ভেতরে মাথা ঘুরে পড়ে যান তিনি। এতে তার মাথায় আঘাত লাগে।

তিনি আরও জানান, গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত তাকে সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে ভর্তির কার্যক্রম চলার সময় তার মৃত্যু হয়।

মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান এই কারা কর্মকর্তা।

সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় রবিউলকে হাসপাতালে আনা হয়। তাকে ভর্তির জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করছিলাম। এর কিছুক্ষণ পর জরুরি বিভাগেই মারা যান তিনি।’

আরও পড়ুন:
নবজাতকের পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার
চিকিৎসক সাবিরা হত্যার শিকার: সিআইডি
মাথা ও হাত-পাবিহীন বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
রাস্তার পাশে পড়ে ছিল অটোরিকশাচালকের মরদেহ
যমুনায় শার্ট-প্যান্ট পরা যুবকের মরদেহ

শেয়ার করুন