আগুনে পুড়ল ১৩ দোকান

আগুনে পুড়ল ১৩ দোকান

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত তাসনিম এন্টারপ্রাইজের মালিক মাওলানা নুরুজ্জামান কাসেমী বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। পরে রাত পৌনে ২টার দিকে শুনি আমার দোকানে আগুন লেগেছে। পরে দৌড়ে এসে দেখি আমার দোকানসহ আশপাশের কয়েকটা দোকান আগুনে পুড়ছে। অসহায়ের মতো তাকিয়ে ছিলাম। কিছুই করতে পারিনি।’

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে একটি বাজারে আগুন লেগে ১৩টি দোকান পুড়ে গেছে।

নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া বাজারে রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আগুন লাগে।

লাকসাম ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাদাৎ হোসেন নিউজবাংলাকে জানান, রাত ২টার দিকে খবর পেয়ে লাকসাম ও চৌদ্দগ্রামের দুটি ইউনিট আগুন নেভাতে যায়। তাদের এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এর মাঝেই ১৩টি দোকান পুড়ে গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত।

ঢালুয়া বাজারের তাসনিম এন্টারপ্রাইজের মালিক মাওলানা নুরুজ্জামান কাসেমী বলেন, ‘রাত ৮টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় যাই। পরে রাত পৌনে ২টার দিকে শুনি আমার দোকানে আগুন লেগেছে। পরে দৌড়ে এসে দেখি আমার দোকানসহ আশপাশের কয়েকটা দোকান আগুনে পুড়ছে। অসহায়ের মতো তাকিয়ে ছিলাম। কিছুই করতে পারিনি।’

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ফারুক এন্টারপ্রাইজের মালিক জয়নাল আবেদীন ও মামুন ফার্মেসির মালিক মামুন জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাদের দোকানের সব মালামাল পুড়ে গেছে।

এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, নাঙ্গলকোট উপজেলায় কোনো ফায়ার স্টেশন নেই। এ উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে পাশের লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসে। এই দুই উপজেলা সদরের দূরত্ব গড়ে ২৫ কিলোমিটার। ফলে আগুন লাগলে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে আসতে সবকিছু পুড়ে যায়।

আরও পড়ুন:
চলে গেল শিশু মোরসালিন, সংকটাপন্ন মা-বাবা
মোহাম্মদপুরে টিনশেডে আগুন, শিশুসহ দগ্ধ ৩
শিকলে বাঁধা প্রাণ গেল কয়েলের আগুনে
মাঝরাতে আশুলিয়ায় কারখানায় আগুন
আগুনে পুড়ল ১১ বসতঘর

শেয়ার করুন

মন্তব্য