‘আধিপত্য বিস্তার’ নিয়ে তিন দিন ধরে দফায় দফায় হামলা

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। ছবি: নিউজবাংলা

‘আধিপত্য বিস্তার’ নিয়ে তিন দিন ধরে দফায় দফায় হামলা

‘প্রায়ই শফিউদ্দিনের লোকজন বাড়িঘর ভাঙচুর করে। বৃহস্পতিবার আমাদের বাড়ি ভাংচুর করেছে। মারধরের ভয়ে বাড়ির লোকজন পলায়ে আছে।’

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে তিন দিন ধরে দফায় দফায় হামলা চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে অন্তত ২০টি বাড়িঘরে।

উপজেলার রাণীনগর গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত এসব হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। শৈলকুপা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের শফিউদ্দিন জোয়ার্দ্দার ও ইয়ারুস শেখের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। ইয়ারুস শেখের দল থেকে কিছু কর্মী বৃহস্পতিবার শফিউদ্দিনের দলে যোগ দেন। দল ভারি হওয়ায় ওইদিন রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত শফিউদ্দিনের সমর্থকরা ইয়ারুসের সমর্থকদের ২০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।

হামলার ঘটনার পর ইয়ারুসের সমর্থকদের অন্তত ১০০টি পরিবার পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে।

গ্রামের বাসিন্দা তাসলিমা খাতুন বলেন, ‘প্রায়ই শফিউদ্দিনের লোকজন বাড়িঘরে হামলা চালায়। বৃহস্পতিবার আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করেছে। মারধরের ভয়ে বাড়ির লোকজন পলায়ে আছে।’

শৈলকুপা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম বলেন, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে একটু উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল। উভয়পক্ষকে শান্ত থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

আরও পড়ুন:
নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
‘চাঁদা না দেয়ায়’ বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট
চা চুরি দেখে ফেলায় তিন দফা হামলার অভিযোগ
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন
৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

রোহিঙ্গাদের সনদ: সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রোহিঙ্গাদের সনদ: সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

মামলার অন্য আসামিরা হলেন ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের জন্ম নিবন্ধন সনদ সহকারী সুবর্ণ দত্ত, দালাল সিরাজুল ইসলাম, রোহিঙ্গা নাগরিক মোহাম্মদ ইসমাইল ও তার স্ত্রী অহিদা এবং তার মেয়ে মেহের জান। 

অবৈধ উপায়ে রোহিঙ্গাদের জাতীয় সনদ দেয়ায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পাথরঘাটা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল বালিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দীন বাদী হয়ে রোববার বিকেলে ৪টার দিকে এই মামলা করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের জন্ম নিবন্ধন সনদ সহকারী সুবর্ণ দত্ত, দালাল সিরাজুল ইসলাম, রোহিঙ্গা নাগরিক মোহাম্মদ ইসমাইল ও তার স্ত্রী অহিদা এবং তার মেয়ে মেহের জান।

এজাহারে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা নাগরিক অহিদ ও তার ‘বাবা’ ইসমাইল ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জাতীয়তা সনদ পাওয়ার জন্য ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর ইসমাইল বালির কাছে আবেদন করেন। ওই দিনই তাদের সনদ দেয়া হয়।

এরপর তারা আবার জন্ম নিবন্ধন ফরমের জন্য আবেদন করলে একই বছরের ৭ নভেম্বর সেই সনদও দেন কাউন্সিলর বালি। পরে দুজনই পাঁচলাইশ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন।

সেখানে তাদের পরিচয়ের সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি এড়াতে দালাল হিসেবে পরিচিত সিরাজুল ইসলামকে ধরেন অহিদ ও তার বাবা ইসমাইল।

জাতীয়তা সনদপত্র ও জন্মনিবন্ধ দেয়ার পর তাদের দুজনের সেই পাসপোর্টের ফরমেও কাউন্সিলর ইসমাইল সত্যায়িত করেন। ওই সময়ে ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর দুদকের অভিযানে পাঁচলাইশ পাসর্পোট অফিস থেকে দালাল সিরাজুল আটক হন।

সেই সময় অহিদ ও তার বাবা পরিচয়দানকারী ইসমাইলকে জালিয়াতির মাধ্যমে পাসপোর্ট বানিয়ে দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নেন ইসমাইল। একই সঙ্গে অহিদের বাবা ইসমাইল ও মা মেহের জান নন বলেও তদন্তে বের হয়ে আসে। তবে তারা সবাই রোহিঙ্গা এবং সৌদি প্রবাসী।

শুধুমাত্র কাউন্সিলর ইসমাইলের দেয়া জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয়তা সনদের ওপর ভিত্তি করেই চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার নির্বাচন কর্মকর্তা অহিদকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন। বালির এই কাজে সহযোগিতা করেন ওই ওয়ার্ডের জন্ম নিবন্ধন সনদ সহকারী সুবর্ণ দত্ত।

দুদকের উপ সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দীন জানান, তারা মূলত একে অপরের যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া পরিচয়, জন্ম নিবন্ধন সনদ ও জাতীয় পরিচয় তৈরি করে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আরও পড়ুন:
নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
‘চাঁদা না দেয়ায়’ বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট
চা চুরি দেখে ফেলায় তিন দফা হামলার অভিযোগ
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন
৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

শেয়ার করুন

‘জমি দখলে ২ লাখ টাকায় ভাড়াটে কিলার দিয়ে খুন’

‘জমি দখলে ২ লাখ টাকায় ভাড়াটে কিলার দিয়ে খুন’

মাদারীপুরের রাজৈরে ভ্যানচালক মোতাহার দর্জি হত্যা মামলায় চার জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

মাদারীপুরের এসপি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘মোতাহার দর্জির সঙ্গে একই এলাকার এমারত ফরাজীর জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ জমি দখলে নিতে দুই লাখ টাকায় ভাড়াটে খুনি দিয়ে মোতাহারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন এমারত। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন এমারতসহ সাতজন। ভাড়াটে খুনিদের অগ্রিম এক লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল।’

মাদারীপুরের রাজৈরে ভ্যানচালক মোতাহার দর্জি হত্যা মামলায় চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

আসামিরা হলেন উপজেলার মজুমদারকান্দি গ্রামের ইলিয়াস মোল্লা, আনোয়ার মোল্লা, মহিদুল মোল্লা এবং বাসাবাড়ি গ্রামের এমারত ফরাজী।

আসামি ইলিয়াস মোল্লা হত্যায় অংশ নেয়ার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন আদালতে।

গত বুধবার রাজৈরের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে নেয়া হলে বিচারক সবাইকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) গোলাম মোস্তফা রাসেল।

ইলিয়াস মোল্লার স্বীকারোক্তিসহ আসামিদের বরাত দিয়ে এসপি বলেন, ‘বিরোধপূর্ণ জমি দখল নেয়ার জন্য এলাকার এমারত ফরাজী ভাড়াটে কিলার দিয়ে মোতাহারকে হত্যা করেন।’

‘জমি দখলে ২ লাখ টাকায় ভাড়াটে কিলার দিয়ে খুন’
মাদারীপুরের রাজৈরে ভ্যানচালক মোতাহার দর্জি হত্যা মামলায় চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

এসপি বলেন, ‘গত ২৩ মে রাজৈরের মজুমদারকান্দিতে পাটক্ষেত থেকে ভ্যানচালক মোতাহার দর্জির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৫ মে রাজৈর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে তার স্ত্রী সালমা বেগম হত্যা মামলা করেন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে পুুলিশ অভিযান চালিয়ে ৯ জুন ইলিয়াস, আনোয়ার, মহিদুল ও এমারতকে গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্যে ইলিয়াস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।’

মাদারীপুরের এসপি গোলাম মোস্তফা আরও বলেন, ‘মোতাহার দর্জির সঙ্গে একই এলাকার এমারত ফরাজীর জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে দুই লাখ টাকায় ভাড়াটে খুনি দিয়ে মোতাহারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন এমারত। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন এমারতসহ সাতজন। ভাড়াটে খুনিদের অগ্রিম এক লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল।’

আরও পড়ুন:
নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
‘চাঁদা না দেয়ায়’ বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট
চা চুরি দেখে ফেলায় তিন দফা হামলার অভিযোগ
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন
৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

শেয়ার করুন

ডেকে এনে মদ খাইয়ে দুই ভাইকে হত্যা: পুলিশ

ডেকে এনে মদ খাইয়ে দুই ভাইকে হত্যা: পুলিশ

দুই খালাতো ভাইকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার শাহজালাল। ছবি: নিউজবাংলা

আগের ক্ষোভ থেকেই রায়হানকে হত্যার পরিকল্পনা করেন শাহজালাল। পরিকল্পনা অনুযায়ী রায়হান ও রায়হানের খালাতো ভাই নাজমুলকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরের পাটক্ষেতে যান। সেখানে তাদের দুজনকে মদ খাওয়ানোর পর তার সহযোগী রবিউলকে সঙ্গে নিয়ে তাদের ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যান।

সাভারে পাশাপাশি পাটক্ষেত ও ধঞ্চেক্ষেত থেকে দুই খালাতো ভাইয়ের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) আব্দুল্লাহ হিল কাফি সোমবার দুপুরে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রোববার রাতে সাভার থেকে মো. শাহজালালকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এএসপি আব্দুল্লাহিল কাফি জানান, শাহজালাল জানিয়েছেন, পারিবারিক বিরোধের জেরে দুই ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। শাহজালাল নিহত রায়হানের ফুফাতো ভাই। তিনি রায়হানদের বাড়িতেই থাকতেন। সে সময়ে বিভিন্ন পারিবারিক কারণে রায়হানের সঙ্গে মনোমালিন্য হয় তার। পরে রায়হানদের বাসা ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যান।

এই ক্ষোভ থেকেই রায়হানকে হত্যার পরিকল্পনা করেন শাহজালাল। পরিকল্পনা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রায়হান ও রায়হানের খালাতো ভাই নাজমুলকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরের পাটক্ষেতে যান। সেখানে তাদের দুজনকে মদ খাওয়ান।

এরপর তার সহযোগী রবিউলকে সঙ্গে নিয়ে দুই ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে পালিয়ে যান।

সাভারের ভাকুর্তা ইউনিয়নের হিরুলিয়া গ্রামের চক থেকে শুক্রবার সকালে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ও শাহজালালের প্যান্টও ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়।

রায়হান হেমায়েতপুর এলাকার আলনাছির ল্যাবরেটরি স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী ও নাজমুলও বরিশালের একটি স্কুলের এসএসসি পরীক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সে বরিশাল থেকে খালার বাড়ি বেড়াতে আসে।

এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় শুক্রবার রাতে পরিবারের পক্ষ থেকে দুজনের নামে মামলা করা হয়।

পুলিশ জানায়, মামলার আরেক আসামি মো. রবিউলকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
‘চাঁদা না দেয়ায়’ বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট
চা চুরি দেখে ফেলায় তিন দফা হামলার অভিযোগ
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন
৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

শেয়ার করুন

চট্টগ্রামেও মিলেছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

চট্টগ্রামেও মিলেছে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট

গবেষকদের কয়েকজন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ এবং ঢাকার আইসিডিডিআরবি’র একটি যৌথ গবেষণায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। একই সাথে নাইজেরীয় ইটা ভ্যারিয়েন্ট, যুক্তরাজ্যের আলফা ভ্যারিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকান বিটা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

এবার চট্টগ্রামেও করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পেয়েছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডাইরিয়াল ডিজিজ রিসার্চ, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) একদল গবেষক।

চট্টগ্রামের সাতটি করোনা পরীক্ষার ল্যাব থেকে ৪২ জন করোনা রোগীর নমুনা পরীক্ষা করে দুইজনের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পান তারা। তবে এই দুইজনের কেউই সম্প্রতি ভারতে যাননি বা ভারতফেরত কারও সরাসরি সংস্পর্শে আসেননি।

সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ এবং ঢাকার আইসিডিডিআরবির একটি যৌথ গবেষণায় চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীদের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। একই সাথে নাইজেরীয় ইটা ভ্যারিয়েন্ট, যুক্তরাজ্যের আলফা ভ্যারিয়েন্ট এবং দক্ষিণ আফ্রিকান বিটা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। গবেষণায় অর্থায়ন করেছেন বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদের (বিএমআরসি)।

চলতি বছরের মের শেষ সপ্তাহে চট্টগ্রামের সাতটি করোনা পরীক্ষাগার থেকে ৮২টি নমুনা সংগ্রহ করে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য ঢাকার আইসিডিডিআরবিতে পাঠায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক দল। এর মধ্যে ৪২টি নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের ফলাফল পর্যালোচনা করে দুটি নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট তথা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। পাশাপাশি ৩৩টি নমুনায় আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট, তিনটি নমুনায় নাইজেরীয় ভ্যারিয়েন্ট এবং চারটি নমুনায় যুক্তরাজ্যের ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া যায়। অর্থাৎ প্রাপ্ত ফলাফলে ৪২টি নমুনায় ৪.৮ শতাংশ ভারতীয়, ৭.২ শতাংশ নাইজেরীয়, ৯.৫ শতাংশ যুক্তরাজ্যের এবং ৭৮.৫ শতাংশ দক্ষিণ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে।

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া দুজন রোগী সম্প্রতি ভারত যাননি, ভারতফেরত কারও সংস্পর্শেও আসেননি। তবু তাদের নমুনায় ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়ায় চট্টগ্রামে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের কমিউনিটি সংক্রমণ শুরু হয়েছে বলে ধারণা করছেন গবেষকরা।

এ বিষয়ে গবেষণা দলের প্রধান এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বায়োটেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. আল ফোরকান নিউজবাংলাকে বলেন, ’এটি একটি চলমান গবেষণা। এই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের সাতটি কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ ল্যাব থেকে সংগ্রহ করা ৪২টি নমুনার ধরন বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ২টি (৪.৮%) ভারতীয় (ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট), ৩টি (৭.২%) নাইজেরীয় (ইটা ভ্যারিয়েন্ট), ৪টি (৯.৫%) যুক্তরাজ্যের (আলফা ভ্যারিয়েন্ট) এবং বাকি ৩৩টি (৭৮.৫%) দক্ষিণ আফ্রিকার (বিটা ভ্যারিয়েন্ট) শনাক্ত হয়। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত দুইজন রোগীর কেউই সম্প্রতি ভারতে যাননি এবং তাদের জানামতে ভারতফেরত কারও সংস্পর্শেও আসেননি।‘

তিনি বলেন, ’বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী চীনের উহান থেকে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ সংক্রমণের শুরু থেকে এই পর্যন্ত সার্স-কভ-২ (করোনাভাইরাস) মোট ১০ বার রূপ পরিবর্তন করেছে। এর মাধ্যমে মূলত ছয়টি দেশে (যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া, ব্রাজিল এবং ভারত) অতিসংক্রমণ এবং মহামারি আকার ধারণ করে ভাইরাসটি।

‘আমাদের বর্তমান গবেষণায় চট্টগ্রামে ভারতীয়সহ চারটি ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। বিভিন্ন দেশ থেকে এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণক্ষমতা অনেক বেশি এবং অতিসত্বর বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনাপূর্বক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এই ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়বে, যার পরিণতি ভারতের মতো ভয়াবহ হতে পারে।’

গবেষণা দলের সদস্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. লায়লা খালেদা বলেন, ‘করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ সময় নতুন করে চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি খুব উদ্বেগজনক। এখনই সতর্ক না হলে সংক্রমণ কমানোর বিষয়টি অনিশ্চয়তার দিকে চলে যেতে পারে।’

আরও পড়ুন:
নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
‘চাঁদা না দেয়ায়’ বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট
চা চুরি দেখে ফেলায় তিন দফা হামলার অভিযোগ
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন
৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

শেয়ার করুন

মায়ের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু

মায়ের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে শিশুর মৃত্যু

ওসি এমরানুল ইসলাম জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে মা তানিয়ার সঙ্গে গোসল করতে যায় শিশু তাবাসসুম। এ সময় মায়ের অজান্তে সে পানিতে ডুবে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্থানীয় লোকজন পানির তলা থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে মায়ের সঙ্গে গোসল করতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের আটলা গ্রামে সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত ৫ বছর বয়সী তাবাসসুমের বাড়ি ওই গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকায়।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে মা তানিয়ার সঙ্গে গোসল করতে যায় শিশু তাবাসসুম। এ সময় মায়ের অজান্তে সে পানিতে ডুবে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্থানীয় লোকজন পানির তলা থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে।

পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাবাসসুমকে মৃত ঘোষণা করেন।

জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই শিশুটি মারা গেছে। শিশুটির ফুসফুসে পানি ঢুকে যাওয়ায় শ্বাসনালী বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।’

পুলিশ জানায়, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
‘চাঁদা না দেয়ায়’ বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট
চা চুরি দেখে ফেলায় তিন দফা হামলার অভিযোগ
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন
৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

শেয়ার করুন

পাহাড় থেকে ৩৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

পাহাড় থেকে ৩৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রায় তিন শ জনবল ও তিনটি এক্সকেভেটরের সহায়তায় বায়েজিদ লিংক রোডের মহানগর অংশে ১১০টি, সীতাকুণ্ড অংশে ৭০টি এবং হাটহাজারী অংশে ১৯০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অধিকাংশ স্থাপনা টিনের তৈরি ঘর। কিছু সেমিপাকা এবং পাকা সীমানা দেয়াল উচ্ছেদ করা হয়েছে।

চট্টগ্রামে পাহাড় থেকে ৩৭০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।

সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।

প্রায় তিন শ জনবল ও তিনটি এক্সকেভেটরের সহায়তায় বায়েজিদ লিংক রোডের মহানগর অংশে ১১০টি, সীতাকুণ্ড অংশে ৭০টি এবং হাটহাজারী অংশে ১৯০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। অধিকাংশ স্থাপনা টিনের তৈরি ঘর। কিছু সেমিপাকা এবং পাকা সীমানা দেয়াল উচ্ছেদ করা হয়েছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের ছয়জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তারা তিনটি দলে ভাগ হয়ে অভিযান পরিচালনা করেন। এছাড়াও পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক নুরুল্লাহ নূরী অভিযানে উপস্থিত ছিলেন।

বায়েজিদ লিংক রোডের হাটহাজারী অংশে অভিযান পরিচালনা করেন হাটহাজারীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ উল্যাহ, সহকারী কমিশনার (ভূমি), পতেঙ্গা সার্কেল এহসান মুরাদ।

লিংক রোডের সীতাকুণ্ড অংশে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রাশেদুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সদর সার্কেল মাসুমা জান্নাত।

লিংক রোডের মহানগর অংশে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) চান্দগাঁও সার্কেল মামনুন আহমেদ অনীক, সহকারী কমিশনার (ভূমি), কাট্টলী সার্কেল মুহাম্মদ ইনামুল হাসান।

চট্টগ্রামের পাহাড় ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত কমিটির তথ্যমতে, নগরের ২৫টি পাহাড়ে এক হাজারের বেশি পরিবার ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে। এর মধ্যে ২০১৯ সালে করা একটি তালিকা অনুযায়ী, ১৭ পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে ৮৩৫টি পরিবার।

এরপর সিডিএর বায়েজিদ–ফৌজদারহাট লিংক সড়ক নির্মাণের সময় নতুন করে ১৬টি পাহাড় কাটা হয়। সেখানকার আট পাহাড়ে নতুন করে অবৈধ বসতি গড়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন:
নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
‘চাঁদা না দেয়ায়’ বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট
চা চুরি দেখে ফেলায় তিন দফা হামলার অভিযোগ
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন
৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

শেয়ার করুন

করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু

করোনা ইউনিটে ১৪ দিনে ১৩৬ মৃত্যু

করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেক বেড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক জানান, হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এ বছরের মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের তুলনায় জুনে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। গত তিন মাসে মারা গেছেন ২১৬ জন। জুনে এসে মৃত্যু অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। করোনা ইউনিটে এ মাসের ১৪ দিনে করোনায় মারা গেছেন ৮০ জন। আর করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান ৫৬ জন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণের হটস্পট এখন রাজশাহী। সীমান্তবর্তী এ জেলায় প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে করোনা রোগী। দীর্ঘ হচ্ছে মৃত্যুর তালিকা। রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিনই মারা যাচ্ছেন রোগী। চলতি মাসের দুই সপ্তাহে হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ১৩৬ জন। এর মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮০ জন। বাকি ৫৬ জন মারা যান করোনা উপসর্গ নিয়ে।

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এসব তথ্য জানান।

ব্রিগেডিয়ার শামীম জানান, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এ বছরের মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসের তুলনায় জুনে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে করোনা ইউনিটে মারা গেছেন ২১৬ জন। এর মধ্যে করোনায় মারা যান ৯৮ জন। উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১১৮ জন। মার্চে করোনা ইউনিটে মারা গেছেন পাঁচজন। এর মধ্যে করোনায় তিন এবং উপসর্গে দুইজন। এপ্রিলে মারা যান ৮১ জন। এর মধ্যে ৩৭ জন করোনায় এবং ৪৪ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান। মে মাসে ইউনিটে মৃত্যু হয় ১৩০ জনের। এর মধ্যে ৫৮ জন করোনায় এবং ৭২ জন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান।

তিনি বলেন, জুনে এসে করোনায় মৃত্যু অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। এ মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে করোনায় আক্রান্ত এবং করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১৩৬ জন।

হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সাইফুল ফেরদৌস জানান, রাজশাহী ও আশপাশের জেলাগুলোতে করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর চাপ অনেক বেড়েছে।

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, ‘শুক্রবার থেকে রাজশাহী শহরে যে লকডাউন শুরু হয়েছে তা ভালোভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। এর ফল আমরা পেতে শুরু করেছি। শিগগিরই অবস্থার উন্নতি হবে।’

আরও পড়ুন:
নির্যাতনের প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে জখম
‘চাঁদা না দেয়ায়’ বাড়িঘর ভাঙচুর লুটপাট
চা চুরি দেখে ফেলায় তিন দফা হামলার অভিযোগ
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন
৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

শেয়ার করুন