মহানন্দা নদীর ভাঙন ঠেকিয়ে দিলেন  এলাকাবাসী

মহানন্দা নদীর ভাঙন ঠেকিয়ে দিলেন এলাকাবাসী

স্থানীয় লোকজন জানান, এর আগে ১৯৯৫ সালের ভাঙনে অনেক ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। সে সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্লকের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণ করে। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সেখানে আবার ভাঙন দেখা দিয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নামোরাজারামপুর হাজীপাড়া এলাকায় মহানন্দী নদী রক্ষা বাঁধে ভাঙন ঠেকিয়ে দিলেন এলাকাবাসী।

রোববার সকালে ভাঙন দেখতে পেয়ে বাঁশ, চাটাই ও বালুর বস্তা ফেলে তা ঠেকানোর চেষ্টা শুরু করেন স্থানীয় লোকজন।

তারা জানান, এর আগে ১৯৯৫ সালের ভাঙনে অনেক ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যায়। সে সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড ব্লকের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণ করে। তবে দীর্ঘদিন সংস্কার না করায় সেখানে আবার ভাঙন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় পৌর কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম মিনহাজ জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব ও ভারী বৃষ্টিতে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। সেই সঙ্গে দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় বাঁধের ব্লকগুলো স্থানচ্যুত হয়ে গেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হানান।

তিনি বলেন, ‘মহানন্দা নদীতীরের বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়ার পরই স্থানীয় লোকজন তা ঠেকাতে কাজ শুরু করেন। এতে ওই এলাকায় ভাঙন বাড়েনি। এলাকাটিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলা শুরু করেছি।’

ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল ওদুদ ও পৌর মেয়র নজরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে গ্রাম
নদী ভাঙন: পাল্টে যাচ্ছে পিরোজপুরের মানচিত্র
পদ্মায় ভাঙন, হুমকির মুখে ব্রিজ-গ্রাম
বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার
তিথি দেখে যাতায়াত

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

নিহতদের নানী জোছনা বেগম জানান,বিকেলে বৃষ্টি হচ্ছিল। বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল রাসেল ও শিমু। এরপর বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ ফুট দূরে বরেন্দ্র বহুমুর্খী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পুকুরে গোসল করতে যায় তারা। সে সময় আমরা বাড়িতে পারিবারিক কাজে একটু ব্যস্ত ছিলাম।

নওগাঁয় পুকুরে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। শহরের বরেন্দ্র বহুমুর্খী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পুকুরে শনিবার বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের নানী জোছনা বেগম জানান,বিকেলে বৃষ্টি হচ্ছিল। বাড়ির উঠানে খেলাধুলা করছিল রাসেল ও শিমু। এরপর বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ ফুট দূরে বরেন্দ্র বহুমুর্খী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পুকুরে গোসল করতে যায় তারা। সে সময় আমরা বাড়িতে পারিবারিক কাজে একটু ব্যস্ত ছিলাম।

‘কিছুক্ষণ পর আমরা তাদের খুঁজতে থাকি। এক পর্যায়ে পুকুর ঘাটে জুতা ও গামছা দেখে নিশ্চিত হই তারা পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল। এ সময় পুকুর ও আশে পাশে কেউ ছিলনা।’

পরে নওগাঁ ফায়ার সার্ভিস ইউনিটে খবর দিলে তারা ঘটনাস্থলে আসে। তবে তার আগেই স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নওগাঁ সদর মডেল থানার (ওসি) নজরুল ইসলাম জুয়েল জানান,নিহতদের মধ্যে রাসেল শারীরিক প্রতিবন্ধী ছিল। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে গ্রাম
নদী ভাঙন: পাল্টে যাচ্ছে পিরোজপুরের মানচিত্র
পদ্মায় ভাঙন, হুমকির মুখে ব্রিজ-গ্রাম
বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার
তিথি দেখে যাতায়াত

শেয়ার করুন

স্বাভাবিক জীবনের আশ্বাসে ডাকাতের আত্মসমর্পণ  

স্বাভাবিক জীবনের আশ্বাসে ডাকাতের আত্মসমর্পণ

 

ফারুকের বিরুদ্ধে তিন থানায় ৭ মামলা রয়েছে। ছবি:নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, ডাকাত ফারুকের বিরুদ্ধে শ্রীপুর,কেন্দুয়া ও পাগলা থানায় হত্যা, ডাকাতি,অপহরণ ও মাদকসহ সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাগলা থানায় পাঁচটি মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। চার বছর ধরে পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল।

স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দেয়া হবে পুলিশের এমন আশ্বাসে ফারুক নামের ২৫ বছরের এক ডাকাত আত্মসমর্পণ করেছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানায়। শনিবার সকালে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান।

তিনি বলেন,‘দুর্ধর্ষ ডাকাত ফারুকের বিরুদ্ধে শ্রীপুর,কেন্দুয়া ও পাগলা থানায় হত্যা, ডাকাতি,অপহরণ ও মাদকসহ সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাগলা থানায় পাঁচটি মামলার তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। চার বছর ধরে পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল। এই অবস্থায় ফারুককে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে পরিবারের সঙ্গে এমন আলোচনা হয়। এরপর ফারুক শনিবার সকালে নিজে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন।’

কীভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া হবে এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে থাকা সব মামলার কার্যক্রম শেষ করেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে। তবে আমরা আইনের মাধ্যমেই চেষ্টা করবো সে যেন দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে এসে ভালো পথে চলতে পারে।

এদিকে শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফারুককে ময়মনসিংহের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হলে বিচারক দেওয়ান মনিরুজ্জামান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে গ্রাম
নদী ভাঙন: পাল্টে যাচ্ছে পিরোজপুরের মানচিত্র
পদ্মায় ভাঙন, হুমকির মুখে ব্রিজ-গ্রাম
বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার
তিথি দেখে যাতায়াত

শেয়ার করুন

দুই‌ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

দুই‌ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

ভুঞাপুর থানার ওসি জানান, তিন থেকে চার‌দিন আগের হওয়ায় হওয়ায় স‌জিবের মরদেহ পচে গেছে। এদিকে, সদর থানার এসআই মনির হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় দিন আগে হত্যা করে মরদেহটি ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা।

টাঙ্গাই‌ল সদর ও ভুঞাপুর থে‌কে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার ক‌রে‌ছে পু‌লিশ।

ভুঞাপুর থেকে শ‌নিবার বিকেলে এবং সদরে ঢাকা-টাঙ্গাই‌ল মহাসড়‌কের পাশ থেকে সন্ধ্যায় মরদেহ দুটি উদ্ধার ক‌রা হয়।

ভুঞাপুর উপ‌জেলার গাবসারা ইউ‌নিয়নের রাজাপুর থে‌কে উদ্ধার করা মরদেহ স‌জিব নামের ২৩ বছরের এক যুবকের।

স‌জিব ওই উপ‌জেলার ফলদা ইউ‌নিয়‌নের ধুব‌লিয়া গ্রা‌মের বাসিন্দা। তিনি মধুপু‌রে এক‌টি মাদরাসার ছ্রাত্র ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, বি‌কে‌লে রাজাপু‌রে কৃষকরা ক্ষে‌তে কাজ করার সময় মরদেহটি দেখে পু‌লি‌শে খবর দেয়। এ সময় মরদেহটি থেকে দুর্গন্ধ ছ‌ড়ি‌য়ে প‌ড়ে‌। পু‌লিশ মরদেহটি উদ্ধার ক‌রে ময়নাতদ‌ন্তের জন‌্য টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতা‌লে পা‌ঠিয়েছে।

ভুঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওহাব জানান, তিন থেকে চার‌দিন আগের হওয়ায় হওয়ায় স‌জিবের মরদেহ পচে গেছে। ময়নাতদ‌ন্তের পর প্রকৃ‌তি ঘটনার জানা যা‌বে।

এদিকে, সদর উপ‌জেলার ঘা‌রিন্দায় ঢাকা-টাঙ্গাই‌ল মহাসড়‌কের পাশ থেকে সন্ধ্যায় আনুমানিক ৩৫ বছরের অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মরদেহের পরিচয় এখনও শনাক্ত করা যায়‌নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সদর থানার এসআই মনির হোসেন জানান, ধারণা করা হচ্ছে পাঁচ থেকে ছয় দিন আগে হত্যা করে মরদেহটি ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। মরদেহ পচে গেছে। ময়নাতদ‌ন্তের জন‌্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনা‌রেল হাসপাতাল ম‌র্গে পাঠানো হ‌য়ে‌ছে।

আরও পড়ুন:
মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে গ্রাম
নদী ভাঙন: পাল্টে যাচ্ছে পিরোজপুরের মানচিত্র
পদ্মায় ভাঙন, হুমকির মুখে ব্রিজ-গ্রাম
বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার
তিথি দেখে যাতায়াত

শেয়ার করুন

প্রার্থীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে কর্মী খুন, মরদেহ খালে

প্রার্থীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে কর্মী খুন, মরদেহ খালে

হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সদস্য প্রার্থী আবদুল মোতালেব মধুর একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন ইউসুফ। শুক্রবার রাত ১২টার পর মধুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। রাতে বাড়ি না ফেরায় সকাল থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা।

বরগুনার বেতাগীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীর বাড়ি থেকে গভীর রাতে বের হওয়া এক কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডসংলগ্ন উত্তর করুণা গ্রামের একটি খাল থেকে শনিবার বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইউসুফ আলী আকনের বাড়ি একই গ্রামে।

ইউসুফের স্বজনদের অভিযোগ, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সদস্য প্রার্থী আবদুল মোতালেব মধুর একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন ইউসুফ। শুক্রবার রাত ১২টার পর মধুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। তবে রাতে বাড়ি না ফেরায় সকাল থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা।

তারা আরও জানান, বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশের খালে জাল দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় ইউসুফের মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ইউসুফের স্ত্রী হেলেনা বেগম অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। ওই ওয়ার্ডের আরেক প্রার্থী নাসির তালুকদার বেশ কয়েক দিন আগে তার স্বামীকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘মধুর নির্বাচন কীভাবে করে আমি দেখে নেব।’

স্থানীয় বাসিন্দারা অবশ্য জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে, আবার ইউসুফের সঙ্গে তার স্বজনদের জমিজমাসংক্রান্ত জটিলতা ছিল, তার জেরেও এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে।

ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য বশির আলম বলেন, ‘ইউসুফ পেশায় একজন কৃষক ও সাধারণ মানুষ ছিলেন। তাকে উদ্দেশ্যমূলক হত্যাকাণ্ড সত্যিই বেদনাদায়ক। তবে কী করণে এ হত্যা হয়েছে, আমার কোনো ধারণা নেই।’

বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন তপু জানান, মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর বিষয়ে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান জানান, তদন্ত চলছে। সঠিক কারণ উন্মোচন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে গ্রাম
নদী ভাঙন: পাল্টে যাচ্ছে পিরোজপুরের মানচিত্র
পদ্মায় ভাঙন, হুমকির মুখে ব্রিজ-গ্রাম
বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার
তিথি দেখে যাতায়াত

শেয়ার করুন

‘ছিনতাইয়ের মাইক্রো’ নিয়ে ঢাকায় পালানোর চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

‘ছিনতাইয়ের মাইক্রো’ নিয়ে ঢাকায় পালানোর চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

‘ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত’ মাইক্রোবাসসহ আটক আরিফুজ্জামান রুবেল। ছবি: নিউজবাংলা

গৌরনদী হাইওয়ে থানার চার্জ অফিসার সার্জেন্ট মাহাবুব ইসলাম বলেন, ‘গোপনে জানতে পারি উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী এলাকা থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস নিয়ে এক ছিনতাইকারী ঢাকায় পালিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় গৌরনদীর মাহিলারা এলাকা থেকে মাইক্রোবাস ও ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।’

বরিশালে ‘ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত’ মাইক্রোবাসসহ একজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, শনিবার দুপুরে গৌরনদী উপজেলার মাহিলারা থেকে ওই ছিনতাইকারী ও মাইক্রোবাসটি আটক করা হয়। আটক আরিফুজ্জামান রুবেল নড়াইল জেলার লোহাগড়ার বাসিন্দা।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার চার্জ অফিসার সার্জেন্ট মাহাবুব ইসলাম বলেন, ‘গোপনে জানতে পারি উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী এলাকা থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস নিয়ে এক ছিনতাইকারী ঢাকায় পালিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় গৌরনদীর মাহিলারা এলাকা থেকে মাইক্রোবাস ও ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।’

আটক ছিনতাইকারীকে ও গাড়িটি উজিরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান গৌরনদী হাইওয়ে থানা-পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে গ্রাম
নদী ভাঙন: পাল্টে যাচ্ছে পিরোজপুরের মানচিত্র
পদ্মায় ভাঙন, হুমকির মুখে ব্রিজ-গ্রাম
বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার
তিথি দেখে যাতায়াত

শেয়ার করুন

করোনা: নওগাঁয় ২৪ ঘন্টায় শনাক্তের হার ২৫.৫৪ শতাংশ

করোনা: নওগাঁয় ২৪ ঘন্টায় শনাক্তের হার ২৫.৫৪ শতাংশ

শুক্রবার বিকেল থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৪৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

নওগাঁয় ২৪ ঘণ্টায় ২৩১টি নমুনা পরীক্ষায় ৫৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এই সময়ে করোনায় কারো মৃত্যু হয়নি।

নওগাঁ সিভিল সার্জনের অফিস সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল থেকে শনিবার বিকেল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১০৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৪৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৪৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

এ ছাড়া অ্যান্টিজেন পদ্ধতিতে ১২৮ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

নতুন শনাক্তদের মধ্যে সদর উপজেলার ১৬ জনের, রাণীনগরের একজনের, বদলগাছীর একজনের, আত্রাইয়ের চারজনের, মহাদেবপুরের চারজনের, মান্দার ছয়জনের, ধামইরহাটের ছয়জনের, পত্নীতলার সাতজনের, সাপাহারের সাতজনের, নিয়ামতপুরের দুইজনের ও পোরশার পাঁচজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

নওগাঁ জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির ফোকাল পারসন ও ডেপুটি সিভিল সার্জন মঞ্জুর-এ মোর্শেদ বলেন,‘ঈদুল ফিতরের পর থেকে জেলায় আশঙ্কাজনকহারে করোনা সংক্রমণের হার বাড়লেও, মানুষের মধ্যে নমুনা দেয়ার আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। জেলার করোনা পরিস্থিতি জানার জন্য এবং মানুষকে নমুনা দিতে আগ্রহী করতে বিনা মূল্যে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হচ্ছে। উন্মুক্ত স্থানে ক্যাম্প করে পথ চলতি মানুষের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

‘যেখানে এ জেলায় প্রতিদিন অন্তত ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ নমুনা সংগ্রহ হওয়া উচিত, সেখানে প্রতিদিন নমুনা সংগ্রহ হচ্ছে মাত্র ৩০০ থেকে ৩৫০টি করে। কম পরিমাণ নমুনা সংগ্রহ হওয়ায় জেলার সঠিক চিত্র এখনও বোঝা সম্ভব হচ্ছে না।’

নওগাঁ জেলায় প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় গত বছরের ২৩ এপ্রিল। এ পর্যন্ত ১৮ হাজার ৫২৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করে দুই হাজার ৮০৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪৯ জনের।

আরও পড়ুন:
মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে গ্রাম
নদী ভাঙন: পাল্টে যাচ্ছে পিরোজপুরের মানচিত্র
পদ্মায় ভাঙন, হুমকির মুখে ব্রিজ-গ্রাম
বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার
তিথি দেখে যাতায়াত

শেয়ার করুন

ব্রিজটি ঝুলে আছে আট মাস

ব্রিজটি ঝুলে আছে আট মাস

বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করছেন। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন অনেকে, কেউ কেউ সেতু থেকে পড়ে যাচ্ছেন খালে; বিশেষ করে স্কুল ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী এবং নারী ও শিশুরা। সেতুটি দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী। তারা বলছেন, তাদের এই ভোগান্তির কথা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও লাভ হয়নি।

বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের কাটাখালে নির্মিত কাঠের ব্রিজটি আট মাস আগে রাতের আঁধারে ইঞ্জিনচালিত নৌকার (ট্রলার) ধাক্কায় ভেঙে বাঁকা হয়ে যায়। ঝুলে থাকা সেই ব্রিজটির কোনো সংস্কার হয়নি। ফলে খালের দুই পাড়ের ১০ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ রয়েছে চরম ভোগান্তিতে।

সম্প্রতি এলাকাটি ঘুরে দেখা যায়, বাগেরহাট শহরে যাতায়াতের জন্য এই ব্রিজটিই সবচেয়ে সহজ মাধ্যম। সেতুটি ভেঙে বাঁকা হয়ে থাকায় খালের দুই পাড়ের কোন্ডলা, সুলতানপুর, নওয়াপাড়া, পাতিলাখালী, তালেশ্বর, নাটইখালী, খাসবাটি, ভাটশালা, বানিয়াগাতি ও চরগ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছেন কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দারা।

বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়েই ঝুকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করছেন। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন অনেকে, কেউ কেউ সেতু থেকে পড়ে যাচ্ছেন খালে; বিশেষ করে স্কুল ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী এবং নারী ও শিশুরা।

এমন অবস্থায় সেতুটি দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী। তারা বলছেন, তাদের এই ভোগান্তির কথা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি।

ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিধ্বস্ত অবস্থায় থাকার কথা স্বীকার করে স্থানীয় চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বিষয়টি সদর আসনের এমপি শেখ তন্ময়কে জানানো হয়েছে। তারা আশা করছেন, দ্রুতই সমাধান হবে এবং সেখানে একটি সুন্দর ব্রিজ হবে।

ব্রিজটি ঝুলে আছে আট মাস

সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা আছমা বেগম বলেন, ‘সাত-আট মাস ধরে আমাগো এই পোলডা ভাইঙ্গে পড়ে রইছে। সুলতানপুর ও কোন্ডলার মানুষের যাতায়াতে অনেক কষ্ট হয়।

‘আমরা বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে যাতায়াত করতি পারি না। এইডা হচ্ছে মেইন রোড, এইখান দিয়ে অনেক লোক যাওয়া-আসা করে। আপনারা যদি পারেন, দয়া করে এই পোলডা ভালো করে দেন। আমরা অনেকেরে জানাইছি, তারা সমাধানের কিছু করে না।’

একই গ্রামের এনামুল কবির খান বলেন, ‘ট্রলারে ধাক্কা মেরে এই পুলডা ভাইঙ্গে থুইয়ে যায়। আমরা মেম্বার-চেয়ারম্যান সবাইরে জানাইছি। কিন্তু কেউ কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না। এই পুলডার ওপর দিয়ে স্কুলের বাচ্চারা যাতায়াত করে।’

কোন্ডলা গ্রামের সালাম শেখ বলেন, ‘সাত-আট মাস ধইরে এই ব্রিজটা ভাইঙ্গে অকেজো হয়ে রইছে। আমরা যে কী কষ্টে যাতায়াত করতিছি। চেয়ারম্যান-মেম্বারদের এত অইরে বলিছি, তারা কোনো কর্ণপাত করে না।

‘আমাগো এই যে তিনডে-চাইরডে গ্রামের লোকজনের বাগেরহাট টাউনে যাতি মেইন রাস্তা একটা। অনেক মানুষ এই জাগাদে পইরে হাত-পাও ভাঙ্গিছে।’

সুলতানপুর গ্রামের বৃদ্ধ মোমেনা বেগম বলেন, ‘চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বলিছি, তারা আইসে দেহে গেছে। কিন্তু কিছু করেনি। আমাদের যাতায়াতে যে কী কষ্ট হয় তা বুঝায়ে বলতি পারব না।’

বাগেরহাটের বেমরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন টগর বলেন, ‘কোন্ডলা ও সুলতানপুরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী ব্রিজটি (কাঠের পুল) দীর্ঘদিন ধরে বিধ্বস্ত অবস্থায় রয়েছে। আমাদের সদর আসনের এমপি শেখ তন্ময়কে বিষয়টি আমরা জানিয়েছি। তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে বিষয়টি গ্রহণ করেছেন। আমরা আশা করছি, দ্রুতই বিষয়টির সমাধান হবে এবং ওইখানে একটি সুন্দর ব্রিজ হবে।’

বাগেরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। দ্রুতই খোঁজখবর নিয়ে ভাঙা পুলটির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
মেঘনার ভাঙনে বিলীনের পথে গ্রাম
নদী ভাঙন: পাল্টে যাচ্ছে পিরোজপুরের মানচিত্র
পদ্মায় ভাঙন, হুমকির মুখে ব্রিজ-গ্রাম
বর্ষার আগেই যমুনায় ভাঙন, নদীগর্ভে ১০০ মিটার
তিথি দেখে যাতায়াত

শেয়ার করুন