পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ

সিলেটে দুই ঘণ্টার মধ্যে পঞ্চমবারের মতো কম্পনে অফিস-আদালতে থাকা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ফাইল ছবি

পরপর ৫ বারের ভূমিকম্পে সিলেটে আতঙ্ক, সতর্ক থাকার পরামর্শ

ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ মুমিনুল ইসলাম বলেন, ‘টানা পাঁচবারের মধ্যে  ৪ দশমিক ১, ৪, ৩ এবং ২ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। অনেক মৃদু কম্পনের মাত্রা মাপা যায়নি।

পরপর পাঁচবারের ভূমিকম্পে সিলেটজুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ছোট ছোট ভূমিকম্পের পর বড় ধরনের ভূমিকম্প হতে পারে। আর বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে সিলেট সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।

সিলেট আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল ১০টা ৩২ মিনিট, ১০টা ৪৭, বেলা ১১টা ৩০ ও ১১টা ৩৭ মিনিটে এবং বেলা ১টা ৫৭ মিনিটে সিলেট অঞ্চলে ভূমিকম্প হয়। প্রথম ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। এটির উৎপত্তিস্থল সিলেটের জৈন্তাপুর।

ঢাকা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ মুমিনুল ইসলাম বলেন, ‘টানা পাঁচবারের মধ্যে ৪ দশমিক ১, ৪, ৩ এবং ২ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। অনেক মৃদু কম্পনের মাত্রা মাপা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় বড় ভূমিকম্প হওয়ার পর ছোট ছোট কম্পন হয়, সেগুলোকে পরাঘাত বলা হয়। সিলেট ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হওয়ায় সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের প্রধান আবহাওয়াবিদ সাঈদ চৌধুরী বলেন, ‘সিলেটে চারবার ভূমিকম্প হয়েছে। অনেকেই পাঁচবার দাবি করলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা গেছে, চারবার ভূমিকম্প হয়েছে। ভূমিকম্পগুলোর উৎপত্তিস্থল সিলেট। এখানে রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। সবশেষ বেলা ২টার দিকে শেষবার কম্পন অনুভূত হয়।’

এদিকে দুই ঘণ্টার মধ্যে পঞ্চমবারের মতো কম্পনে অফিস-আদালতে থাকা মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় অনেককেই কর্মস্থল থেকে বের হয়ে খোলা স্থান ও সড়কে চলে আসতে দেখা যায়। তবে এসব কম্পনে প্রাথমিকভাবে কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি বলে জানান সিলেট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের কর্মকর্তা যীশু তালুকদার।

শহরের হাউজিংস্টেটের বাসিন্দা আসাদুজ্জামান তমাল বলেন, ‘সকালে একটির কিছু পর আরও তিনটি ভূমিকম্প হয়। আমরা তখন ভয় পেয়ে সবাই রাস্তায় চলে আসি।’

সিলেট নগরের বাসিন্দা মামুন হোসেন বলেন, ‘আল্লাহ জানে কপালে কী আছে। বউ-বাচ্চা নিয়ে ভয়ে আছি।’

সিলেট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা যীশু তালুকদার বলেন, 'এখন পর্যন্ত কোথাও থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘সড়কের কাজে এদিক-ওদিক হয়’

‘সড়কের কাজে এদিক-ওদিক হয়’

পাবনার ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় লোকজন। ছবি: নিউজবাংলা

অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী তরিকুল বলেন, ‘সড়কের কাজে এদিক-ওদিক হয়। কিছু ইটে সমস্যা ছিল, তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আমি নিজে সংস্কারকাজ তদারক করছি। এখন নিম্নমানের কাজ হচ্ছে না।’

পাবনার ঈশ্বরদীতে সড়কের কাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ করেছেন স্থানীয় লোকজন।

ঈশ্বরদী পৌর এলাকার পোস্ট অফিস মোড় থেকে বাঘইল রেলওয়ে সাঁকো পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। তাদের অভিযোগ, নিম্নমানের বালু, ইট ও সুরকি ব্যবহার করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জানায়, গ্রামীণ সড়ক মেরামত ও সংস্কার প্রকল্পের আওতায় এক কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে সড়কটির নির্মাণকাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সততা ট্রেডার্স। এর স্বত্বাধিকারী তরিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি।

সোমবার স্থানীয় লোকজন জানান, বাঘইল রেলওয়ে সাঁকো এলাকায় সড়ক সংস্কারের জন্য নিম্নমানের ইট এনে খোয়া বানানো হচ্ছে। নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে তড়িঘড়ি করে সংস্কারকাজ চলছে। সড়কের কাজের জন্য উপজেলা সদরের আবুল মনসুর খান স্টেডিয়ামের সামনে মজুত করা হয়েছে নিম্নমানের বালু ও সুরকি।

পাকশী রূপপুর বাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হোছাইন বলেন, ‘চরম অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে যেনতেনভাবে সড়কটির সংস্কারকাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।’

অনিয়মের অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী তরিকুল বলেন, ‘সড়কের কাজে এদিক-ওদিক হয়। কিছু ইটে সমস্যা ছিল, তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। আমি নিজে সংস্কারকাজ তদারক করছি। এখন নিম্নমানের কাজ হচ্ছে না।’

এলজিইডির ঈশ্বরদী উপজেলা প্রকৌশলী এনামুল কবির বলেন, ‘আমি পরিদর্শনে গিয়ে সংস্কারকাজে নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের সত্যতা পেয়েছি। এ ব্যাপারে ঠিকাদারকে সতর্ক করা হয়েছে। সংস্কারকাজে আমাদের নিয়মিত নজরদারি রয়েছে। এরপরও কোনো অনিয়ম করা হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

এবার মিলল লাশের পা, গ্রেপ্তার ১

এবার মিলল লাশের পা, গ্রেপ্তার ১

র‍্যাব-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট রওশুনুল ফিরোজ জানান, আজিজুর তার তিনটি মেডিক্যাল প্রোডাক্ট বিক্রি করে দিলে ২১ হাজার টাকা পাবে বলে জানায় আশরাফ। আজিজুর কিছু প্রোডাক্ট বিক্রির পর ৩ হাজার টাকা চাইতে গেলে হোমিওপ্যাথিক চেম্বারেই তাকে ছুরিকাঘাত করেন আশরাফ।

মাগুরা মহম্মদপুরের বিনোদপুর এলাকায় পুকুর থেকে উদ্ধার খণ্ডিত মরদেহের একটি পা উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৬। তবে এখনও নিখোঁজ মরদেহের মাথা।

মাগুরার জগদল ইউনিয়নের বিএনপির মোড় এলাকার পাটক্ষেত থেকে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পা উদ্ধার করা হয়।

এই পা আজিজুর রহমানের বলে নিশ্চিত করেছেন যশোর র‍্যাব-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট রওশুনুল ফিরোজ।

এ ঘটনায় যশোরের শার্সা থেকে আশরাফ আলী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

আশরাফ আলীর বাড়ি মাগুরা সদরের মালিকগ্রামে। হিজমা থেরাপি নামে মাগুরায় তার একটি হোমিওপ্যাথিক চেম্বার আছে।

র‍্যাব-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট রওশুনুল ফিরোজ জানান, টাকাপয়সা লেনদেন নিয়ে আজিজুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছে। আজিজুর ঢাকার একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তিনি তিনটি মেডিক্যাল প্রোডাক্ট বিক্রি করে দিলে ২১ হাজার টাকা পাবে বলে জানায় আশরাফ।

আশরাফের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, আজিজুর কিছু প্রোডাক্ট বিক্রির পর ৫ জুন দুপুরে ৩ হাজার টাকা চাইতে গেলে হোমিওপ্যাথিক চেম্বারেই তাকে ছুরিকাঘাত করেন আশরাফ। হত্যার পর তিনি মরদেহ ছয় টুকরা করেন।

মহম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারক বিশ্বাস নিউজবাংলাকে জানান, ৬ জুন সকালে এক নারী মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুরের কালুকান্দি গ্রামের এক পুকুরপাড় ঝাড়ু দিতে গিয়ে রক্তমাখা বস্তা দেখে আশপাশের লোকজনকে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে বস্তার ভেতরে পলিথিনে মোড়ানো দুই হাত, দেহ ও একটি পা বের করে। মাথা ও আরেকটি পা সেখানে ছিল না।

মরদেহের গায়ের পোশাক দেখে তা নিজের ভাইয়ের বলে শনাক্ত করেন হাবিবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি।

ওই দিনই তিনি হত্যা ও মরদেহ গুমের অভিযোগ এনে অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্র ও অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২

বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্র ও অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্র ও অটোরিকশার সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী জানান, উপজেলার বড়ইতলায় ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে কিশোরগঞ্জগামী একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা মাহিন্দ্র ও অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়৷ এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালক সুরুজ ও যাত্রী আব্দুর রশিদ মারা যান।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বাসের সঙ্গে মাহিন্দ্র ও অটোরিকশার সংঘর্ষে অটোরিকশার চালকসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও পাঁচজন।

ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের বড়ইতলায় সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার অটোরিকশার চালক সুরুজ আলী, গৌরীপুর উপজেলার বড়ইতলা গ্রামের আব্দুর রশিদ। আহতদের পরিচয় নিশ্চিত করতে পরেনি পুলিশ।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, উপজেলার বড়ইতলায় ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কিশোরগঞ্জগামী একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাহিন্দ্র ও অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়৷ এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশাচালক সুরুজ ও যাত্রী রশিদ মারা যান।

এসময় আরও পাঁচ যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদেরকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত বাসটিকে জব্দ করলেও চালক পালিয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

শার্শায় বাড়ি পেল ২৫ ভূমিহীন পরিবার

শার্শায় বাড়ি পেল ২৫ ভূমিহীন পরিবার

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন। তিনি ২৫ ভুমিহীন পরিবারের হাতে বাড়ির চাবি তুলে দেন।

‘শেখ হাসিনার অবদান ভুমিহীনদের বাসস্থান’ এই স্লোগানে যশোরের শার্শা উপজেলার গুচ্ছগ্রাম ২য় পর্যায় (সিভিআরপি) প্রকল্পের আওতায় সরকারি অর্থায়নে কুলপালা গুচ্ছ গ্রামে বাড়ি পেয়েছে ২৫ ভূমিহীন পরিবার।

এ উপলক্ষে সোমবার দুপুরে কুলপালা গুচ্ছ গ্রামে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন। তিনি ২৫ ভুমিহীন পরিবারের হাতে ঘরের চাবি তুলে দেন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু, সহকারী কমিশনার (ভুমি) রাসনা শারমিন মিথি, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লাল্টু মিয়া ও স্থানীয় চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

গাছ রোপণের সময় মিলল সরস্বতি মূর্তি

গাছ রোপণের সময় মিলল সরস্বতি মূর্তি

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থেকে কষ্টিপাথরের সরস্বতি মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম হাবিবুল হাসান বলেন, ‘মূর্তিটি মূল্যবান এবং হাজার বছর পুরনো। আপাতত এটি থানা হেফাজতে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সেটি আদালতে পাঠানো হবে।’

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর থেকে ‘হাজার বছরের পুরনো’ একটি কষ্টিপাথরের স্বরস্বতি মূর্তি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের রানা তালুকদারের বাড়ি থেকে রোববার গভীর রাতে মূর্তিটি উদ্ধার করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন আক্কেলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুর রহমান।

তিনি জানান, উপজেলার রায়কালী ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের রানা তালুকদার রোববার সকালে তার পুকুর সংস্কার করে। সেই মাটি দিয়ে একটি জমি ভরাট করেন তিনি। মাটি ভরাট করা ওই জমিতে শ্রমিকরা কলা গাছ রোপণ করতে যান। এসময় কোদালের সঙ্গে মূর্তিটি উঠে আসে।

পরে আক্কেলপুর থানা পুলিশ রানার বাড়ি থেকে স্বরস্বতি মূর্তিটি উদ্ধার করে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম হাবিবুল হাসান বলেন, ‘স্বরস্বতি মূর্তিটির ওজন ২৭ কেজি। এটি মূল্যবান এবং হাজার বছরের পুরানো। আপাতত মূর্তিটি থানা হেফাজতে রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূর্তিটি আদালতে পাঠানো হবে।’

আরও পড়ুন:
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গাদের সনদ: সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

রোহিঙ্গাদের সনদ: সাবেক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

মামলার অন্য আসামিরা হলেন ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের জন্মনিবন্ধন সনদ সহকারী সুবর্ণ দত্ত, দালাল সিরাজুল ইসলাম, রোহিঙ্গা নাগরিক মোহাম্মদ ইসমাইল ও তার স্ত্রী অহিদা এবং তার মেয়ে মেহেরজান। 

অবৈধ উপায়ে রোহিঙ্গাদের জাতীয় সনদ দেয়ায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পাথরঘাটা ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোহাম্মদ ইসমাইল বালিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দীন বাদী হয়ে রোববার বিকেল ৪টার দিকে এই মামলা করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন ৩৪ নম্বর পাথরঘাটা ওয়ার্ডের জন্মনিবন্ধন সনদ সহকারী সুবর্ণ দত্ত, দালাল সিরাজুল ইসলাম, রোহিঙ্গা নাগরিক মোহাম্মদ ইসমাইল ও তার স্ত্রী অহিদা এবং তার মেয়ে মেহেরজান।

এজাহারে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা নাগরিক অহিদা ও ইসমাইল ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জাতীয়তা সনদ পাওয়ার জন্য ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৎকালীন কাউন্সিলর ইসমাইল বালির কাছে আবেদন করেন। ওই দিনই তাদের সনদ দেয়া হয়।

এরপর তারা আবার জন্মনিবন্ধন ফরমের জন্য আবেদন করলে একই বছরের ৭ নভেম্বর সেই সনদও দেন কাউন্সিলর বালি। পরে দুজনই পাঁচলাইশ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন।

সেখানে তাদের পরিচয়ের সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি এড়াতে দালাল হিসেবে পরিচিত সিরাজুল ইসলামকে ধরেন অহিদা ও তার স্বামী ইসমাইল।

জাতীয়তা সনদপত্র ও জন্মনিবন্ধন দেয়ার পর তাদের দুজনের সেই পাসপোর্টের ফরমেও কাউন্সিলর ইসমাইল সত্যায়িত করেন। ওই সময়ে ২০১৯ সালের ১৯ নভেম্বর দুদকের অভিযানে পাঁচলাইশ পাসপোর্ট অফিস থেকে দালাল সিরাজুল আটক হন।

সেই সময় অহিদা ও তার স্বামী পরিচয়দানকারী ইসমাইলকে জালিয়াতির মাধ্যমে পাসপোর্ট বানিয়ে দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে নেন ইসমাইল। একই সঙ্গে অহিদার স্বামী ইসমাইল ও মেয়ে মেহেরজান নন বলেও তদন্তে বের হয়ে আসে। তবে তারা সবাই রোহিঙ্গা এবং সৌদি প্রবাসী।

শুধুমাত্র কাউন্সিলর ইসমাইলের দেয়া জন্মনিবন্ধন সনদ ও জাতীয়তা সনদের ওপর ভিত্তি করেই চট্টগ্রামের কোতোয়ালি থানার নির্বাচন কর্মকর্তা অহিদাকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেন। বালির এই কাজে সহযোগিতা করেন ওই ওয়ার্ডের জন্মনিবন্ধন সনদ সহকারী সুবর্ণ দত্ত।

দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দীন জানান, তারা মূলত একে অপরের যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া পরিচয়, জন্মনিবন্ধন সনদ ও জাতীয় পরিচয় তৈরি করে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

আরও পড়ুন:
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন

‘জমি দখলে ২ লাখ টাকায় ভাড়াটে কিলার দিয়ে খুন’

‘জমি দখলে ২ লাখ টাকায় ভাড়াটে কিলার দিয়ে খুন’

মাদারীপুরের রাজৈরে ভ্যানচালক মোতাহার দর্জি হত্যা মামলায় চার জনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

মাদারীপুরের এসপি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘মোতাহার দর্জির সঙ্গে একই এলাকার এমারত ফরাজীর জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ জমি দখলে নিতে দুই লাখ টাকায় ভাড়াটে খুনি দিয়ে মোতাহারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন এমারত। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন এমারতসহ সাতজন। ভাড়াটে খুনিদের অগ্রিম এক লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল।’

মাদারীপুরের রাজৈরে ভ্যানচালক মোতাহার দর্জি হত্যা মামলায় চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

আসামিরা হলেন উপজেলার মজুমদারকান্দি গ্রামের ইলিয়াস মোল্লা, আনোয়ার মোল্লা, মহিদুল মোল্লা এবং বাসাবাড়ি গ্রামের এমারত ফরাজী।

আসামি ইলিয়াস মোল্লা হত্যায় অংশ নেয়ার স্বীকারোক্তি দিয়েছেন আদালতে।

গত বুধবার রাজৈরের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে নেয়া হলে বিচারক সবাইকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মাদারীপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) গোলাম মোস্তফা রাসেল।

ইলিয়াস মোল্লার স্বীকারোক্তিসহ আসামিদের বরাত দিয়ে এসপি বলেন, ‘বিরোধপূর্ণ জমি দখল নেয়ার জন্য এলাকার এমারত ফরাজী ভাড়াটে কিলার দিয়ে মোতাহারকে হত্যা করেন।’

‘জমি দখলে ২ লাখ টাকায় ভাড়াটে কিলার দিয়ে খুন’
মাদারীপুরের রাজৈরে ভ্যানচালক মোতাহার দর্জি হত্যা মামলায় চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। ছবি: নিউজবাংলা

এসপি বলেন, ‘গত ২৩ মে রাজৈরের মজুমদারকান্দিতে পাটক্ষেত থেকে ভ্যানচালক মোতাহার দর্জির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ২৫ মে রাজৈর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে তার স্ত্রী সালমা বেগম হত্যা মামলা করেন। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে পুুলিশ অভিযান চালিয়ে ৯ জুন ইলিয়াস, আনোয়ার, মহিদুল ও এমারতকে গ্রেপ্তার করে। তাদের মধ্যে ইলিয়াস আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।’

মাদারীপুরের এসপি গোলাম মোস্তফা আরও বলেন, ‘মোতাহার দর্জির সঙ্গে একই এলাকার এমারত ফরাজীর জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে দুই লাখ টাকায় ভাড়াটে খুনি দিয়ে মোতাহারকে হত্যার পরিকল্পনা করেন এমারত। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেন এমারতসহ সাতজন। ভাড়াটে খুনিদের অগ্রিম এক লাখ টাকা দেয়া হয়েছিল।’

আরও পড়ুন:
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

শেয়ার করুন