চলন্ত বাসে ‌‌‌‌‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ৬

চলন্ত বাসে ‌‌‌‌‘সংঘবদ্ধ ধর্ষণ’, গ্রেপ্তার ৬

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই নারীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। আটক ছয়জনকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

সাভারের আশুলিয়া থানা এলাকায় চলন্ত মিনিবাসে এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে আশুলিয়ার বিশমাইল এলাকায় শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (অপারেশন) আবদুর রশিদ শনিবার সকালে নিউজবাংলাকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এর আগে ওই নারী ওই ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ওই নারীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা আবদুর রশিদ জানান, চলন্ত বাসে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার ছয়জনকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৩
ধর্ষণচেষ্টা: সৎ বাবা গ্রেপ্তার
কিশোরের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
ধর্ষণ চেষ্টায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি

ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি

আদিতমারীর ইউএনও মুনসুর উদ্দিনকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য করে রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তবে সেটি বুধবার সংবাদকর্মীদের হাতে আসে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের থাপ্পড় দিয়ে ভারতে পাঠিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিরুদ্ধে তাকে বদলি করা হয়েছে।

আদিতমারীর ইউএনও মুনসুর উদ্দিনকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য করে রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। তবে সেটি বুধবার সংবাদকর্মীদের হাতে আসে।

গত ১৭ জুলাই আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কালীরহাট আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এ ১৬টি গৃহহীন পরিবারের জন্য মুজিব পল্লীতে বৃষ্টির পানি জমে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়ে। তাই প্রকল্পের পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা নির্মাণের প্রয়োজন দেখা দেয়।

ইউএনও মনসুর উদ্দিন ওই দিন নিজেই উপস্থিত থেকে করুণা কান্ত রায় নামের এক ব্যক্তির জমির মাঝ দিয়ে নালা তৈরির কাজ শুরু করেন।

এতে করুণা বাধা দিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেন সরকারি খাস জমি থাকা সত্ত্বেও জোর করে তার জমি নেয়া হচ্ছে।

পরে তাদেরকে হুমকি ধমকি দেয়ার পাশাপাশি পুলিশও ডেকে আনেন ইউএনও। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে ফিরে যায়।

এসব অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও মনসুর উদ্দিনের বক্তব্য জানতে পারেনি নিউজবাংলা। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি ফোন ধরেননি।

এ ঘটনায় করুণা কান্ত রায় লালমনিরহাট জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

ভারতে পাঠানোর হুমকি দেয়া সেই ইউএনও বদলি
আদিতমারী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের কালীরহাট আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা। ছবি:নিউজবাংলা

অভিযোগের বিষয়ে লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক আবু জাফর নিউজবাংলাকে জানিয়েছিলেন, তদন্ত করে ইউএনও দোষী প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এর আগেও ইউএনও মুহাম্মদ মুনসুর উদ্দিনের বিরুদ্ধে আদিতমারী উপজেলা চেয়ারম্যান ফারুক ইমরুল কায়েস ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন আক্তার সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ২০২০ সালের ১৮ নভেম্বর আদিতমারী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ফারুক। আর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন জেসমিন।

আরও পড়ুন:
লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৩
ধর্ষণচেষ্টা: সৎ বাবা গ্রেপ্তার
কিশোরের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
ধর্ষণ চেষ্টায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন

মিয়ানমার বিজিপির গুলিতে পণ্যসহ ডুবল ট্রলার

মিয়ানমার বিজিপির গুলিতে পণ্যসহ ডুবল ট্রলার

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নাফ নদী। ছবি: সংগৃহীত

বোট মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ রশিদ বলেন, ‘বুধবার সকালে সেন্টমার্টিন থেকে মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি এফভি নোমান ও এফভি ভাই ভাই নামে দুটি ট্রলার ১৫ জনকে নিয়ে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধারে চেষ্টা চালায়। এসময় বিজিপি সদস্যরা উদ্ধারকারীদের দিকে গুলি চালায়। এতে ভয়ে তারা পালিয়ে আসেন। ফলে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার সম্ভব হয়নি।’

বঙ্গোপসাগরে আটকে পড়ার পর উদ্ধারের সময় মিয়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির গুলি চালানোয় ডুবে গেছে একটি পণ্যবাহী ট্রলার।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা নাইক্ষ্যংদিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার টেকনাফ থেকে সেন্টমার্টিনে ফেরার পথে ৩৫ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়।পরে যাত্রীদের উদ্ধার করে অন্য একটি ট্রলারে নিয়ে এলেও মালামালসহ বিকল ট্রলারটি ডুবে যায়।

সেন্টমার্টিন বোট মালিক সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ রশিদ বলেন, ‘বুধবার সকালে সেন্টমার্টিন থেকে মিয়ানমার সীমান্তের কাছাকাছি এফভি নোমান ও এফভি ভাই ভাই নামে দুটি ট্রলার ১৫ জনকে নিয়ে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধারে চেষ্টা চালায়। এসময় বিজিপি সদস্যরা উদ্ধারকারীদের দিকে গুলি চালায়। এতে ভয়ে তারা পালিয়ে আসেন। ফলে ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধার সম্ভব হয়নি।’

এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের সেন্টমার্টিন স্টেশন কর্মকর্তা লে. কমান্ডার মীর ইমরান-উর রশিদ বলেন, ‘গুলি চালানোর খবর শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলার উদ্ধারের বিষয়ে কেউ জানায়নি।’

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ চৌধুরী বলেন, ‘সাগরে ডুবে যাওয়া ট্রলার উদ্ধারের সময় মিয়ানমারের বিজিপির গুলি চালানোর বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের কাছে শুনেছি। ঘটনাটি সত্য কি না খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৩
ধর্ষণচেষ্টা: সৎ বাবা গ্রেপ্তার
কিশোরের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
ধর্ষণ চেষ্টায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন

এক উঠানেই ছয় কবর

এক উঠানেই ছয় কবর

তফজুলের বাড়ির উঠানে খোঁড়া হয় ছয় কবর। ছবি: নিউজবাংলা

মহারাজপুর ডাইল পাড়া গ্রামের নিউ বাড়ির উঠানেই দাফন করা হয়েছে তফজুলকে। তার সঙ্গী হয়েছেন পরিবারের আরও পাঁচ সদস্য। তারা হলেন স্ত্রী জমিলা খাতুন, ছেলে সাইদুল হোসেন, ছেলের বউ টকিয়ারা বেগম, বড় মেয়ে ল্যাচন বেগম ও নাতি বাবলু।

নাতি ও নাত বউকে আনতে ৭০ বছর বয়সী তফজুল হোসেন সকালে গিয়েছিলেন নায়রাণপুরে। বিকেলে ফেরার কথা ছিল সবাইকে নিয়ে।

হঠাৎ করেই রোববার বিয়ে হয় নাতি মামুনের। মামুন তার বড় মেয়ে সেমালী বেগমের ছেলে।

সোমালীর অনুরোধেই বয়সের ভারে ক্লান্ত তফজুল রাজি হন বরযাত্রায় যেতে। কিন্তু আর পৌঁছানো হয়নি নাতির শ্বশুর বাড়িতে। বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয়েছে তফজুলসহ ১৭ জনের। তাদের মধ্যে ১৬ জনই বরযাত্রী।

শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাকার দুড়াউড়ি ঘাট এলাকায় বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকো বজ্রাঘাতে ওই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বরের মামা মাইদুল ইসলাম জানান, ১ আগস্ট পাকা ইউনিয়নের সুমির সঙ্গে বিয়ে হয় নারায়ণপুর ইউনিয়নের মো. মামুনের। বুধবার সকাল ১০টার দিকে ৫০ জন বরযাত্রী নারায়ণপুর আলীনগর ঘাট থেকে নৌকায় রওনা দেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌঁছান পাকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাকার দুড়াউড়ি ঘাটে।

মাইদুলসহ একে একে সবাই নামতে থাকেন ঘাটে। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে কয়েকজন দৌড়ে কনের বাড়ি চলে যান। প্রায় ২০ জন ঘাটের একটি টিনের ছাউনিতে আশ্রয় নেন। ওই টিনের ছাউনির ওপর বজ্রপাত হলে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ১৭ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন বাকি তিনজন।

এক উঠানেই ছয় কবর
একসঙ্গে এতজন স্বজনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে আছে মামুনের পরিবার। ছবি: নিউজবাংলা

মহারাজপুর ডাইল পাড়া গ্রামের নিউ বাড়ির উঠানেই দাফন করা হয়েছে তফজুলকে। তার সঙ্গী হয়েছেন পরিবারের আরও পাঁচ সদস্য। তারা হলেন স্ত্রী জমিলা খাতুন, ছেলে সাইদুল হোসেন, ছেলের বউ টকিয়ারা বেগম, বড় মেয়ে ল্যাচন বেগম ও নাতি বাবলু।

নারায়ণপুর ইউনিয়নের এই গ্রামটিতে এখন শোকের ছায়া। এক সঙ্গে এত মৃত্যু নিকট অতীতে দেখেনি স্থানীয়রা। বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জানাজা শেষে নিজ হাতে তারা তফজুরের পরিবারের সদস্যদের লাশ কবরে নামিয়েছেন। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় অনেককে।

আরও পড়ুন:
লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৩
ধর্ষণচেষ্টা: সৎ বাবা গ্রেপ্তার
কিশোরের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
ধর্ষণ চেষ্টায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন

লেদার কারখানায় আগুন বাল্ব বিস্ফোরণে: ফায়ার সার্ভিস 

লেদার কারখানায় আগুন বাল্ব বিস্ফোরণে: ফায়ার সার্ভিস 

এই কারখানায় দুপুর সাড়ে ১২টায় আগুন লাগে। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিষ্ঠানটির নিচতলার গোডাউনে বাল্ব বিস্ফোরণ হয়ে সেখানে থাকা রাসায়নিকের ওপর পড়লে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এম হোসেন কটন অ্যান্ড স্পিনিং মিলের প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড লেদার কারখানার বৈদ্যুতিক বাল্ব বিস্ফোরণ হয়ে আগুন লেগেছিল বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

প্রতিষ্ঠানটির নিচতলার গোডাউনে বাল্ব বিস্ফোরণ হয়ে সেখানে থাকা রাসায়নিকের ওপর পড়লে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

আগুন নেভানোর পর ডাম্পিং কাজ শেষে বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ তথ্য জানান ঢাকা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক দিনোমনি শর্মা।

তিনি জানান, জানতে পেরেছি বৈদ্যুতিক বাল্ব বিস্ফোরণ হয়ে নিচে মালামালের ওপর পড়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। পাশে রাসায়নিক থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কারখানার ভেতর কোনো অনিয়ম আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হবে।

‘ইউনাইটেড লেদার’ নামে একটি কারখানার গুদাম ঘরে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৪ ইউনিটের চেষ্টায় দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

রূপগঞ্জেই ৮ জুলাই রাতে হাশেম ফুড লিমিটেডের কারখানায় আগুন লাগে। শুরুতে তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও পরের দিন উদ্ধার করা হয় ৪৯ জনের মরদেহ। মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৫২।

সেই আগুনের সূত্রপাত গরমে বিদ্যুতের তার গলে হয়েছিল বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।

আরও পড়ুন:
লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৩
ধর্ষণচেষ্টা: সৎ বাবা গ্রেপ্তার
কিশোরের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
ধর্ষণ চেষ্টায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন

উদ্ধারে সহায়তা চাওয়াই কাল হলো ইউনুস মিয়ার 

উদ্ধারে সহায়তা চাওয়াই কাল হলো ইউনুস মিয়ার 

দমকলকর্মীদের অবহেলাতেই ইউনুসের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি স্বজনদের। ছবি: নিউজবাংলা

মোশাররফ বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস আইসা চঙ্গা (মই) দিয়া নাহইল গাছে উইট্টা আমার ভাইর লগে থাহা গামছা কোমড়ে বান্দে। গামছার লগে হেরা রশি লাগাইয়া নামানো শুরু করে। কিন্ত গামছা ছিইড়্যা আমার ভাই পইড়া মইরা গ্যাছে। ওনারা যদি বেল্ট লাগাইয়া নামাইতো তাইলে ভাই পইড়া যাইতো না।’

নারকেল পাড়তে গাছে উঠেছিলেন ৬০ বছর বয়সী ইউনুস মিয়া। পরে গাছ থেকে নামতে পারছিলেন না। এমন পরিস্থিতে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ এ ফোন দেন স্বজনরা। কিছুক্ষণের মধ্যে ঘটনাস্থলে হাজির হয় দমকল বাহিনী।

তবে শেষ রক্ষা হয়নি ইউনুসের। উদ্ধারের সময় রশি ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে মারা যান তিনি।

বুধবার বিকেলে বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম গিলাতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্বজনদের অভিযোগ, দমকল বাহিনীর অবহেলার কারণেই মারা গেছেন ইউনুস। দমকলকর্মীদের ওপর তারা হামলা করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ইউনুসের ছোট ভাই মোশাররফ হোসেন জানান, বেলা ৩টার দিকে তার বড় ভাই ইউনুস মিয়া বাড়ির একটি নারকেল গাছে নারকেল পাড়তে ওঠেন। গাছের চূড়ায় উঠে তিনি আর নামতে পারছিলেন না। এ অবস্থায় স্থানীয়রা ৯৯৯ এ কল করে সহায়তা চাইলে সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনা ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে।

তিনি জানান, মই দিয়ে গাছে উঠে ইউনুসকে রশিতে বেঁধে নামানোর সময় রশি ছিঁড়ে মাটিতে পড়ে ইউনুস মিয়ার মৃত্যু হয়।

মোশাররফ বলেন, ‘ফায়ার সার্ভিস আইসা চঙ্গা (মই) দিয়া নাহইল গাছে উইট্টা আমার ভাইর লগে থাহা গামছা কোমড়ে বান্দে। গামছার লগে হেরা রশি লাগাইয়া নামানো শুরু করে। কিন্ত গামছা ছিইড়্যা আমার ভাই পইড়া মইরা গ্যাছে। ওনারা যদি বেল্ট লাগাইয়া নামইতো তাইলে ভাই পইড়া যাইতো না।’

ইউনুসের স্বজনদের হামলার ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের পাঁচজন আহত হয়েছেন দাবি করে বরগুনা স্টেশনের উপসহকারী পরিচালক মো. মামুন বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী কোমরে বেল্ট দিয়ে রশিতে বেঁধে নামানোর কথা থাকলেও গামছায় বাঁধা হয়েছিল কি না আমরা বিষয়টি তদন্ত করব। আমাদের কোনো কর্মীর অবহেলা থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এদিকে দমকলকর্মীদের ওপর স্থানীয়দের হামলার ঘটনায় সন্ধ্যায় বরগুনা সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তারিকুল ইসলাম জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও অভিযোগ করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

তিনি আরও জানান, ইউনুসের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের মারধর করে আহত করে ক্ষিপ্ত স্থানীয়রা। এ ঘটনায় বরগুনা ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বরগুনা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৩
ধর্ষণচেষ্টা: সৎ বাবা গ্রেপ্তার
কিশোরের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
ধর্ষণ চেষ্টায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন

জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে দায়ের কোপে যুবক নিহত

জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে দায়ের কোপে যুবক নিহত

বুধবার বেলা ১১টার দিকে মাসুদ ওই বিরোধ চলা জমিতে ধানের চারা রোপণ করতে যান। এ সময় আব্দুল আজিজের ছেলে সুমন তাকে বাধা দেন। তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে মাসুদ দা দিয়ে সুমনকে কোপ দেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের দায়ের কোপে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

উপজেলার ৩ নম্বর নান্দাইল ইউনিয়নের উত্তর রসুলপুর গ্রামে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন আকন্দের বয়স ২৮ বছর। তার বাড়ি রসুলপুর গ্রামে।

স্থানীয় লোকজন জানান, একই গ্রামের আব্দুল আজিজ ও মাসুদ আকন্দের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।

বুধবার বেলা ১১টার দিকে মাসুদ ওই বিরোধ চলা জমিতে ধানের চারা রোপণ করতে যান। এ সময় আব্দুল আজিজের ছেলে সুমন তাকে বাধা দেন। তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। একপর্যায়ে মাসুদ দা দিয়ে সুমনকে কোপ দেন।

স্থানীয় লোকজন তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সুমনের মৃত্যু হয়।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় সুমনের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৩
ধর্ষণচেষ্টা: সৎ বাবা গ্রেপ্তার
কিশোরের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
ধর্ষণ চেষ্টায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন

কোরিয়ান ইপিজেডের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবার

কোরিয়ান ইপিজেডের পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবার

কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে কেইপিজেডের হ্রদগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির চাপ বাড়ায় একটি হ্রদের কালভার্টের মুখ খুলে গেলে মুহূর্তেই পানি প্রবেশ করে দৌলতপুর গ্রামে।

চট্টগ্রামের কোরিয়া রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলের (কেইপিজেড) হ্রদের কালভার্টের মুখ খুলে গিয়ে লোকালয় প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ২০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কেইপিজেডের গলফ মাঠের পূর্ব পাশে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কর্ণফুলীর বড়উঠান ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে এই পানি ঢুকে পড়ে।

কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে কেইপিজেডের হ্রদগুলোতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানির চাপ বাড়ায় একটি হ্রদের কালভার্টের মুখ খুলে গেলে মুহূর্তেই পানি প্রবেশ করে দৌলতপুর গ্রামে। ওই সময় গ্রামের পুকুর, জলাশয় ভেসে যায়। ফাটল দেখা যায় মাটির ঘরে। খবর পেয়ে রাতেই কালভার্টটি বন্ধ করে কেইপিজেড কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় বড়উঠান ইউপির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিদারুল আলম জানান, এ ঘটনায় ৩৫০টি ঘর আংশিক ক্ষতি হয়েছে। সাতটি পুকুর ভেসে গেছে। এ ছাড়া ২৩টি মাটির ঘরের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। অন্তত ২০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন, ‘পানিতে পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। আমার ফসলের ক্ষতি হয়েছে।’

কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলের এজিএম মুশফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ক্ষয়ক্ষতি চিহ্নিত করে ক্ষতিপূরণ দেব। বুধবার বিকেলে আপাতত ২০০ পরিবারের জন্য খাদ্যসামগ্রী দেয়া হয়েছে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে।’

এদিকে এ ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার সকালে কেইপিজেডের দৌলতপুর গেটে মানববন্ধন করেন স্থানীয়রা। এতে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দিদারুল আলম।

আরও পড়ুন:
লক্ষ্মীপুরে কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
পোশাককর্মীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ: গ্রেপ্তার ৩
ধর্ষণচেষ্টা: সৎ বাবা গ্রেপ্তার
কিশোরের বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগ
ধর্ষণ চেষ্টায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন