‘পা পিছলে’ পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

‘পা পিছলে’ পানিতে পড়ে শিশুর মৃত্যু

কেরামত মৃধা কোরআন শরীফ পড়া শেষ করে বাড়িতে এসে ছেলেকে না পেয়ে চারপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পরিবারের লোকজন ছাফয়ানকে মসজিদের পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে আসলে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় পানিতে ডুবে ছাফয়ান মৃধা নামের চার বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

উপজেলার টুপুরিয়া গ্রামে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ছাফয়ান মৃধা টুপুরিয়া গ্রামের কেরামত মৃধার ছেলে।

কোটালীপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, শুক্রবার ভোরে কেরামত মৃধা ছেলে ছাফয়ানকে নিয়ে বাড়ির পাশের জামে মসজিদে কোরআন শরীফ পড়তে যান। কিছুক্ষণ পরে ছাফয়ান বাড়ির কথা বলে মসজিদ থেকে চলে আসে।

কেরামত মৃধা কোরআন শরীফ পড়া শেষ করে বাড়িতে এসে ছেলেকে না পেয়ে চারপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পরিবারের লোকজন ছাফয়ানকে মসজিদের পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

ধারণা করা হচ্ছে, মসজিদ থেকে বাড়িতে ফেরার পথে পা পিছলে পুকুরে পড়ে ছাফয়ানের মৃত্যু হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গোসল করতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
শ্বশুরবাড়ি ঘুরতে গিয়ে নদে ডুবে যুবকের মৃত্যু
খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পুকুরে ভেসে উঠল ভাইবোনের মরদেহ
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে র‍্যাবের অভিযান, আটক ২১ দালাল

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে র‍্যাবের অভিযান, আটক ২১ দালাল

‘বিআরটিএতে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না সেবা নিতে আসাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয় দালালরা। পরে কৌশলে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে কাজ করে দেন।’

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে দালাল চক্রের ২১ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)।

নগরের বায়েজিদ থানাধীন নতুনপাড়া এলাকায় বিআরটিএ চট্টগ্রামের কার্যালয়ে রোববার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৭ এর একটি দল।

এ সময় আটক দালালদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিভিন্ন ধরনের মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বেশ কিছু কাগজপত্র ও নগদ পৌনে দুই লাখ টাকা জব্দ করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর মিডিয়া অফিসার মো. নুরুল আবছার।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা বিআরটিএ চট্টগ্রাম কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দালাল ও প্রতারক চক্রের ২১ সদস্যকে আটক করি। এ সময় তাদের কাছ থেকে লাইসেন্স তৈরি, লাইসেন্স নবায়ন, যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত ফরম ও কাগজপত্র জব্দ করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘বিআরটিএতে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না সেবা নিতে আসাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয় দালালরা। পরে কৌশলে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে কাজ করে দেন।’

আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
গোসল করতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
শ্বশুরবাড়ি ঘুরতে গিয়ে নদে ডুবে যুবকের মৃত্যু
খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পুকুরে ভেসে উঠল ভাইবোনের মরদেহ
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব

লাখী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জুয়েল, রফিক ও বাচ্চু। ছবি: নিউজবাংলা

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার দুপুরে র‍্যাব জানায়, তালাকের পর স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জেনেই তাকের হত্যার পরিকল্পনা করেন জুয়েল।

ঢাকার সাভারে বাঁশঝাড় থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সাবেক স্বামীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গাজীপুরের কাশিমপুর থানার মাটি মসজিদ এলাকা থেকে শনিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন নিহত তরুণী লাখী আক্তারের স্বামী আশুলিয়ার সুবন্দি এলাকার মো. জুয়েল, তার বাবা মো. রফিক ও একই এলাকার বাচ্চু মিয়া।

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার দুপুরে র‍্যাব জানায়, তালাকের পর স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জেনেই তাকের হত্যার পরিকল্পনা করেন জুয়েল।

র‍্যাব জানায়, গত ৯ জুন সাভারের আশুলিয়ার সুবন্দির একটি বাঁশঝাড় থেকে লাখীর মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শুরু করে র‍্যাব।

তাদের তদন্তে জুয়েলের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে ও তার বাবাকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় সহযোগিতার জন্য বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা লাখী হত্যায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব
নিহত লাখী আক্তার

তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, জুয়েল মাদকসেবী। তিনি চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। বিয়ের পর থেকেই লাখীকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। চার বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়েবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে লাখী আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় বাবার বাড়িতে থাকা শুরু করে।

কিন্তু বিচ্ছেদের পর তিনি আবারও লাখীকে স্ত্রী হিসেবে নিতে চান কিন্তু পরিবারের কেউ রাজি না হওয়ায় লাখীকে হত্যার হুমকি দেন। এরপর গত ২ মে এক সিঙ্গাপুর প্রবাসীর সঙ্গে লাখীর বিয়ে ঠিক হওয়ার খবর পেয়ে আবারও হুমকি দেন।

৮ জুন তিনি কৌশলে লাখীকে বাড়ির পাশের জঙ্গলে ডেকে নেন। এরপর তিনি, তার বাবা ও বাচ্চু মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান।

র‍্যাব-১-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোর্শেদুল হাসান জানান, রোববার সকালে গ্রেপ্তার আসামিদের আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে দুপুরে তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
গোসল করতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
শ্বশুরবাড়ি ঘুরতে গিয়ে নদে ডুবে যুবকের মৃত্যু
খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পুকুরে ভেসে উঠল ভাইবোনের মরদেহ
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

ননদের বাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ, হত্যার অভিযোগ

ননদের বাড়িতে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ, হত্যার অভিযোগ

কমলগঞ্জে ননদের বাড়ির রান্না ঘরের আড়া থেকে দীপা চৌধুরী নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

দীপার ভাই সুমন চৌধুরী বলেন, ‘সাইফুলের সঙ্গে দীপার বিয়ে হয় কোর্টে। কিছুদিন পর শুরু হয় পারিবারিক দ্বন্দ্ব। সাইফুল পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন। তার পরকীয়া নিয়ে কয়েকবার বৈঠকও হয়েছে। আমার বোন আত্মহত্যা করতে পারে না, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে স্বামীর বড় বোনের (ননদ) বাড়ির রান্নাঘরের আড়া থেকে দীপা চৌধুরী নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার কথা বলা হলেও দীপার ভাই বলছেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে রোববার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়েছে পুলিশ।

শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ্ আলম নিউজবাংলাকে জানান, ভোরে গোবিন্দপুরের মঈনুল ইসলামের বাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। ২৮ বছর বয়সী দীপা মুন্সিবাজার ইউনিয়নের বিক্রমকলস গ্রামের সাইফুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি একই উপজেলার পতনউষা গ্রামের আব্দুল মতিন চৌধুরীর মেয়ে।

এসআই শাহ্ আলম বলেন, দীপার আগে একটি বিয়ে হয়েছিল, সেই সংসারে অপু নামের ১৪ বছরের একটি ছেলে আছে। দীপা চৌধুরী বেশ কিছুদিন লন্ডনে ছিলেন। প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সাইফুলের সঙ্গে বিয়ে হয় তার।

দীপার ভাই সুমন চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সাইফুলের সঙ্গে দীপার বিয়ে হয় কোর্টে। কিছুদিন পর শুরু হয় পারিবারিক দ্বন্দ্ব। সাইফুল পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন। সাইফুলের পরকীয়া সম্পর্ক নিয়ে কয়েকবার বৈঠকও হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘নিজ বাড়িতে সমস্যা হওয়ায় কয়েক দিন ধরে সাইফুল দীপাকে নিয়ে তার বড় বোনের বাড়িতে থাকছিলেন। সেখানে তারা দীপার ওপর নির্যাতন চালাতেন। আমার বোন আত্মহত্যা করতে পারে না, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।’

সুমন জানান, সাইফুল লোকজন নিয়ে কয়েক দিন ধরে পরিকল্পনা করতেন বলে দীপা বিভিন্ন সময়ে তাকে জানিয়েছেন।

সাইফুলের বোন সেফি বেগম নিউজবাংলাকে জানান, সাইফুল রমজান মাসের কয়েক দিন আগে থেকে দীপাকে নিয়ে তার বাড়িতে বাস করছেন। দীপা তার পাশে ঘুমাতেন, ভোরে উঠে তার মরদেহ দেখতে পান।

শমশেরনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাসুক আলী পুলিশ ফাঁড়িকে জানালে তারা মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

এসআই শাহ আলম জানান, লাশের সুরতহাল তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছেন। প্রতিবেদন এলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শমশেরনগর ফাঁড়ির ওসি (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে তদন্ত করে দেখা হবে।

আরও পড়ুন:
গোসল করতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
শ্বশুরবাড়ি ঘুরতে গিয়ে নদে ডুবে যুবকের মৃত্যু
খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পুকুরে ভেসে উঠল ভাইবোনের মরদেহ
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

এবার মাগুরা শহরে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন

এবার মাগুরা শহরে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জেলায় করোনার সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা শহরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকার মতো এবার মাগুরা শহরে লকডাউন ঘোষণা করেছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক আশরাফুল আলম এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোমবার থেকে লকডাউনের ঘোষণা দেন।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জেলায় করোনার সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা শহরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টার পর বন্ধ থাকবে।

জেলা সিভিল সার্জনের অফিস জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে মাগুরায় ৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, যাদের অধিকাংশ জেলার পৌর এলাকার।

বর্তমানে বাড়িতে আইসোলেশনে আছে ৫৮ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচজন।

এ পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ জনের দেহে। মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের।

মাগুরার সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান নিউজবাংলাকে জানান, এক সপ্তাহ ধরে মাগুরায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। স্বাস্থ্যবিধি না মানাটাই এর প্রধান কারণ। এ ছাড়া পাশেই সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের কারণে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
গোসল করতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
শ্বশুরবাড়ি ঘুরতে গিয়ে নদে ডুবে যুবকের মৃত্যু
খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পুকুরে ভেসে উঠল ভাইবোনের মরদেহ
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

ক্যাম্প থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা উদ্ধার

ক্যাম্প থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা উদ্ধার

এপিবিএনের অভিযানে উদ্ধার মুজিবুল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার দুপুরে জাদিমুরা ক্যাম্প থেকে মুখোশ পরা ৮-৯ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মুজিবুল্লাহকে জোরপূর্বক নেচারি পার্কের পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর থেকেই জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপহরণের এক দিন পর মুজিবুল্লাহ নামের একজনকে উদ্ধার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

রোববার বেলা দুইটার দিকে হ্নীলার জাদিমুরা ২৭ নম্বর ক্যাম্পের সি-ব্লকের নেচারি পার্কসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিবিএন-১৬-এর অধিনায়ক এসপি তারিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, শুক্রবার দুপুরে জাদিমুরা ক্যাম্প থেকে মুখোশ পরা ৮-৯ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মুজিবুল্লাহকে জোরপূর্বক নেচারি পার্কের পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর থেকেই জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

এপিবিএন কর্মকর্তা আরও জানান, রোববার দুপুর একটার দিকে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পার্ক এলাকা থেকে মুজিবুল্লাহকে উদ্ধার করা হয়। তিনি সুস্থ আছেন। পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
গোসল করতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
শ্বশুরবাড়ি ঘুরতে গিয়ে নদে ডুবে যুবকের মৃত্যু
খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পুকুরে ভেসে উঠল ভাইবোনের মরদেহ
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত

দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত

প্রতীকী ছবি।

স্থানীয় ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে প্রতিবেশী সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে শাহজাহান মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান শাহজাহান মিয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাহজাহান মিয়া নামের সাবেক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।

উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের মনিয়ন্দ গ্রামে রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহজাহান মনিয়ন্দ গ্রামের পূর্বপাড়ার মৃত সামসু মিয়ার ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৩ বেঙ্গলের করপোরাল ছিলেন।

স্থানীয় ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে প্রতিবেশী সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে শাহজাহান মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান শাহজাহান মিয়া।

নিহতের নাতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে তার দাদা শাহজাহানের সঙ্গে সুহেল ও কাইয়ুমের তর্কাতর্কি হয়। পরে আজ সকালে সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে নিহত হন শাহজাহান মিয়া। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি ধস্তাধস্তিতে শাহজাহান মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
গোসল করতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
শ্বশুরবাড়ি ঘুরতে গিয়ে নদে ডুবে যুবকের মৃত্যু
খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পুকুরে ভেসে উঠল ভাইবোনের মরদেহ
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

ট্রাকের ধাক্কায় নারী শ্রমিকের মৃত্যু

ট্রাকের ধাক্কায় নারী শ্রমিকের মৃত্যু

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, হাসনা কাজে যাওয়ার সময় রাস্তা পার হতে গিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরাইস মিলের শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাকচালককে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

উপজেলার গড়মাটি এলাকায় রোববার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

৪৭ বছর বয়সী নিহত হাসনা বেগমের বাড়ি বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি গ্রামে। তিনি অটোরাইস মিলের শ্রমিক ছিলেন।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, হাসনা কাজে যাওয়ার সময় রাস্তা পার হতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকচালক শিবলু প্রামাণিককে আটক করা হয়েছে। তবে চালকের সহকারী পালিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:
গোসল করতে নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু
শ্বশুরবাড়ি ঘুরতে গিয়ে নদে ডুবে যুবকের মৃত্যু
খেলতে গিয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু
পুকুরে ভেসে উঠল ভাইবোনের মরদেহ
পদ্মায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন