জোয়ারে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

জোয়ারে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

ওসি আবুল খায়ের জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারের পানি উপজেলার সুখচর ইউনিয়নে ঢুকে পড়লে বুধবার সন্ধ্যায় তাতে ভেসে যায় লিমা। পরিবার ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় জোয়ারে ভেসে যাওয়া সাত বছরের শিশু লিমা আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ওই শিশুর মরদেহটি সুখচর ইউনিয়নের চর আমান উল্যাহ গ্রামে বেড়িবাঁধের বাইরে আটকে থাকা জোয়ারের পানিতে ভেসে ওঠে। নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের।

ওসি জানান, পরিবারের লোকজন মরদেহটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে গেছেন।

লিমা আক্তার চর আমান উল্যাহ গ্রামের জুবলুলের মেয়ে।

ওসি আবুল খায়ের জানান, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারের পানি উপজেলার সুখচর ইউনিয়নে ঢুকে পড়লে বুধবার সন্ধ্যায় তাতে ভেসে যায় লিমা। পরিবার ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা আজাদ জানান, বুধবার দুপুরে বাবুলের ঘরে জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে। সে সময় ঘরেই ছিল লিমা। সন্ধ্যার কোনো এক সময় পানির তোড়ে সে ভেসে যায়।

জোয়ারে বুধবার দুপুর থেকে হাতিয়ার নিম্নাঞ্চলের ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। আতঙ্কে উপকূলীয় এ অঞ্চলের লক্ষাধিক বাসিন্দা কাটান নির্ঘুম রাত। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নামতে শুরু করে পানি।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে জোয়ারের ফলে দুপুরে বাবুলের ঘরে পানি ডুকে পড়ে। জোয়ারের সময় পরিবারের লোকজনের সাথে নিজ ঘরে ছিল লিমা। সন্ধ্যার কোনো এক সময়ে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে লিমা পানিতে পড়ে জোয়ারের পানিতে ভেসে যায়।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস ও পূর্ণিমার প্রভাবে সৃষ্ট জোয়ারের পানি উপজেলার সুখচর ইউনিয়নে ঢুকে পড়লে বুধবার সন্ধ্যায় তাতে ভেসে যায় লিমা।

আরও পড়ুন:
ভেসে গেছে ৬৪ কোটি টাকার মাছ, ১০০০ মহিষ
ইয়াস: খুলনায় ৩০ পয়েন্টে বিলীন ৭০০ মিটার বাঁধ
ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

দলীয় কর্মসূচিতে স্লোগান দিয়ে আলোচনায় ওসি

দলীয় কর্মসূচিতে স্লোগান দিয়ে আলোচনায় ওসি

শরীয়তপুরের চৌরঙ্গী মোড়ে রাজনৈতিক স্লোগান দেন পালং থানার ওসি আক্তার হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, ওসি আকতার হোসেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্লোগান দিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, শেখ কামালের জন্মদিন। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। আমরা সবাই মুজিব সেনা, ভয় করি না বুলেট বোমা।’

শরীয়তপুরের পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (আচারণ) বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগের একটি দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তার রাজনৈতিক স্লোগান, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মিষ্টি খাওয়ার ভিডিও ছড়িয়েছে ফেসবুকে।

তবে ওই পুলিশ কর্মকর্তার দাবি, তিনি দলীয় কর্মসূচিতে একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে অংশ নিয়েছেন। এটাকে অন্যভাবে নেয়ার সুযোগ নেই।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পুত্র শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার রাত ১২টার দিকে সদরের শরীয়তপুরের চৌরঙ্গী মোড়ে মোমবাতি প্রজ্জ্বালন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন পালং মডেল থানার ওসি আক্তার হোসেন।

ওই অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, ওসি আকতার হোসেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্লোগান দিচ্ছেন।

ভিডিওতে দেখা যায় আওয়ামী লীগ নেতাদের মাঝে দাঁড়িয়ে ওসি বলেছেন, ‘শুভ শুভ শুভদিন, শেখ কামালের জন্মদিন। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু। আমরা সবাই মুজিব সেনা, ভয় করি না বুলেট বোমা।’

দলীয় কর্মসূচিতে স্লোগান দিয়ে আলোচনায় ওসি
পুষ্পস্তবক অর্পণ করছেন ওসি আক্তার হোসেন

শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপু ওই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সদর উপজেলার সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, পৌরসভা কমিটির সভাপতি এমএম জাহাঙ্গীরসহ আরও অনেকে।

সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তাফা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শেখ কামালের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে ওসি অংশ নিয়েছিলেন। প্রথমে আমি স্লোগান দিয়েছিলাম। আমার পরে ওসি স্লোগান দিয়েছেন।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পালং মডেল থানার ওসি আক্তার হোসেন বলেন, ‘ওইটা আমি একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে দিয়েছি। আমি রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে দেইনি। এটা একটা জাতীয় প্রোগ্রাম ছিল। এখানে দেয়া যায়। এটা অন্যভাবে নিবেন না, ভাই।’

দলীয় কর্মসূচিতে স্লোগান দিয়ে আলোচনায় ওসি
পালং মডেল থানার ওসি আক্তার হোসেন

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাজনৈতিক সভা-সেমিনারে কোনো পুলিশ সদস্য এভাবে অংশ নিতে পারেন না। এটা সরকারি কর্মচারি বিধিমালা (আচারণ) ১৯৭৯ এর পরিপন্থি।’

সরকারি কর্মচারি বিধিমালা (আচারণ) ১৯৭৯ এর বিধি-২৫ (রাজনৈতিক ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ) এ বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারী কোনো রাজনৈতিক দল বা রাজনৈতিক দলের কোনো অঙ্গ সংগঠনের সদস্য হতে পারবে না। বাংলাদেশ এবং বিদেশে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ বা কোনো প্রকারেই সহযোগিতা করতে পারবে না।

ওসির বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হবে কিনা এমন প্রশ্নে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (মিডিয়া) সোহেল রানা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘একজন পু‌লিশ কর্মকর্তা বা সদস্যের করণীয় এবং সেই করণীয় পদ্ধ‌তি ও উপায় সু‌নি‌র্দিষ্টভা‌বে আই‌নে উ‌ল্লেখ আ‌ছে। মৌ‌লিক প্র‌শিক্ষণ থে‌কে শুরু করে নানা সময় পু‌লি‌শের সব সদস্য‌কে সে বিষ‌য়ে জানানো হয়। সু‌নি‌র্দিষ্ট তথ্য ও অ‌ভি‌যো‌গের ক্ষে‌ত্রে যে কো‌নো বিচ্যু‌তির বিষ‌য়ে আই‌নি ব্যবস্থা নেয়া হ‌য়ে থা‌কে।’

আরও পড়ুন:
ভেসে গেছে ৬৪ কোটি টাকার মাছ, ১০০০ মহিষ
ইয়াস: খুলনায় ৩০ পয়েন্টে বিলীন ৭০০ মিটার বাঁধ
ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ

শেয়ার করুন

কারখানায় নামাজ পড়া যাবে না নোটিশ প্রত্যাহার

কারখানায় নামাজ পড়া যাবে না নোটিশ প্রত্যাহার

সমালোচনার মুখে আগের নোটিশ প্রত্যাহার করে নতুন নোটিশ দেয় কর্তৃপক্ষ। ছবি: নিউজবাংলা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি সমালোচিত হলে বুধবার কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানটি দুঃখ প্রকাশ করে অনিচ্ছাকৃত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার জন্য ক্ষমা চায়।

গাজীপুরের টঙ্গীর একটি কারখানায় নামাজ, টুপি ও পাঞ্জাবি পরা যাবে না বলে নোটিশ দেয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি সমালোচিত হলে বুধবার কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানটি দুঃখ প্রকাশ করে অনিচ্ছাকৃত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার জন্য ক্ষমা চায়।

জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সাতাইশ দাড়াইল এলাকার এসঅ্যান্ডপি বাংলা লিমিটেড নামের একটি কারখানার নোটিশে বলা হয়, ‘সকল শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কারখানার ভেতরে নামাজ পড়া যাবে না। সেই সঙ্গে কারখানায় পাঞ্জাবি ও টুপি পড়া নিষেধ।’

কারখানায় নামাজ পড়া যাবে না নোটিশ প্রত্যাহার
কারখানাতে দেয়া এই নোটিশটি ফেসবুকে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে আর সংবেদনশীল বিষয়টি নিয়ে তৈরি হয় সমালোচনা

এ নোটিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর কারখানা কর্তৃপক্ষ নোটিশটি প্রত্যাহার করে নতুন নোটিশ দেয়।

এতে বলা হয়, ‘সকল শ্রমিক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, কারখানার অভ্যন্তরে নামাজ পড়া, পাঞ্জাবি ও টুপি পরা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা প্রদান অনিচ্ছাকৃত ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। যার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

‘কারখানার কর্মকর্তা, কর্মচারীরা আগের মতোই যার যার ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী পোশাক পরিধানসহ স্বাধীনভাবে ইবাদত করতে পারবেন।’

এসঅ্যান্ডপি বাংলা লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) মো. মাহবুব আলম বলেন, ‘কোরিয়ান নাগরিকদের মালিকানাধীন কারখানাটি দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টস পণ্য উৎপাদন করে যাচ্ছে। সম্প্রতি মালিকপক্ষ কারখানায় নামাজ, টুপি ও পাঞ্জাবি না পরতে একটি নির্দেশনা দেয়। এটা মূলত কোরিয়ান মালিকপক্ষের ভাষাগত ভুল ছিল। পরে আরেকটি চিঠির মাধ্যমে মালিকপক্ষ আদেশটি প্রত্যাহার করে নেয়।’

আরও পড়ুন:
ভেসে গেছে ৬৪ কোটি টাকার মাছ, ১০০০ মহিষ
ইয়াস: খুলনায় ৩০ পয়েন্টে বিলীন ৭০০ মিটার বাঁধ
ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ

শেয়ার করুন

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় কিশোর গ্রেপ্তার

কিশোরী ধর্ষণ মামলায় কিশোর গ্রেপ্তার

পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুলাই বেলা ১১টার দিকে কিশোরীর বড় বোন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার বাবা-মা অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে যান। এ সুযোগে বাসায় ঢুকে কিশোরীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত দুজন।

গাজীপুরের টঙ্গীতে কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পূর্ব আরিচপুর এলাকা থেকে বুধবার রাতে ওই কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের মাধ্যমে বৃহস্পতিবার বেলা তিনটার দিকে তাকে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে টঙ্গী পূর্ব থানায় ওই কিশোরীর মা দুজনকে আসামি করে মামলা করেন।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন টঙ্গী পূর্ব থানার উপপরিদর্শক পারভেজ।

পুলিশ জানায়, গত ২৮ জুলাই বেলা ১১টার দিকে কিশোরীর বড় বোন অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার বাবা-মা অসুস্থ মেয়েকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে যান। এ সুযোগে বাসায় ঢুকে কিশোরীকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত দুজন।

উপপরিদর্শক পারভেজ হোসেন জানান, পলাতক অপর আসামিকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

কিশোরীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন:
ভেসে গেছে ৬৪ কোটি টাকার মাছ, ১০০০ মহিষ
ইয়াস: খুলনায় ৩০ পয়েন্টে বিলীন ৭০০ মিটার বাঁধ
ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ

শেয়ার করুন

কর্মসৃজন প্রকল্প: অসহায় শিক্ষকও পাননি পুরো মজুরি

কর্মসৃজন প্রকল্প: অসহায় শিক্ষকও পাননি পুরো মজুরি

কর্মসৃজনের টাকা বিতরণ এলাকার পাশে বসে এভাবেই শ্রমিকের টাকা কেটে রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের লোকজন। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় এমপি বলেন, ‘একজন শিক্ষক কতটুকু অসহায় হলে শ্রমিকের কাজ করতে পারেন। আর তাদের ন্যায্য মজুরি জোরপূর্বক হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঘৃণিত। শুধু এসব শিক্ষকদের নয়, সেখানে বেশিরভাগ উপকারভোগীর কাছ থেকে একইভাবে চার হাজার করে টাকা কেটে নেয়া হয়েছে।’

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের একটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় আট বছর ধরে বিনা বেতনে ছড়িয়েছেন শিক্ষার আলো।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সরকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। টিউশনও বন্ধ হয়ে যায়। এতে চরম বিপাকে পড়েন নুরুল ইসলামসহ ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

আত্মমর্যাদা জলাঞ্জলি দিয়ে একপর্যায়ে নুরুল ইসলামসহ চার শিক্ষক কাজ নেন সরকারের কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পে।

অভিযোগ উঠেছে, এ প্রকল্পে মাটি কাটার সামান্য মজুরির পুরোটাও পাননি তারা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা মজুরির ১৬ হাজার টাকার মধ্যে চার হাজার টাকা নিয়ে নিয়েছেন।

প্রতিকার চেয়ে নুরুল ইসলাম জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক এমএ মতিনের কাছে দিয়েছেন লিখিত অভিযোগ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন এমপি মতিন।

কর্মসৃজন প্রকল্প: অসহায় শিক্ষকও পাননি পুরো মজুরি
শিক্ষক নুরুল ইসলামের দেয়া লিখিত অভিযোগ

অভিযোগে বলা হয়, ৮ বছর আগে দুর্গম চরাঞ্চল ব্রহ্মপুত্র নদ বিচ্ছিন্ন উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের ১০ শিক্ষক নিয়ে ‘দৈ খাওয়ার চর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ গড়ে তোলেন নুরুল। তখন থেকে ওই শিক্ষকরা বিনা বেতনে চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তারা।

করোনা পরিস্থিতিতে সব বন্ধ হয়ে গেলে নুরুলসহ বিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষক মানবেতর জীবনযাপন করে আসছিলেন। বাধ্য হয়েই সরকারের কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পে মাটি কাটার কাজ নেন তারা।

এতে আরও বলা হয়, ২০২০-২১ অর্থ বছরে দুই ধাপে ৮০ দিন কাজ করেন তারা। ২০০ টাকা মজুরি হিসাবে জনপ্রতি তাদের ১৬ হাজার টাকা পাওয়ার কথা। গত ৩০ জুলাই ওই ইউনিয়নে শ্রমিকদের মজুরির টাকা বিতরণ করা হয়।

নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মজুরির টাকা নিয়ে বের হতেই ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের প্রতিনিধি আলী হোসেন, ইউসুফ আলী ও আয়নাল হক মৃধা বারান্দা থেকে প্রত্যেক উপকারভোগীর কাছ থেকে জোর করে চার হাজার টাকা নিয়ে নেন।

ওই সময় তিনিসহ অন্য শিক্ষকরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদেরকে নানা হুমকি দেয়া হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন মন্টুর নির্দেশে টাকা তোলা হচ্ছে জানালে বাধ্য হয়ে তিনিসহ শিক্ষক মনসুর আলী, শাহীন আলম, শহিদুল আলম ও শহিদুল ইসলাম তাদের মোট ২০ হাজার টাকা দেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা চেয়ারম্যানের তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন থেকে কল করে তাকে গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনার পর প্রতিকার চেয়ে তিনি জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় এমপি সদস্যের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন মন্টুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও ভিডিও ফুটেজ দেখে সংশ্লিষ্ট ইউএনওকে বিষয়টি তদন্ত করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ওই শিক্ষকের লিখিত অভিযোগ এখনও পাইনি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক এমএ মতিন অভিযোগ পাবার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘একজন শিক্ষক কতটুকু অসহায় হলে শ্রমিকের কাজ করতে পারেন। আর তাদের ন্যায্য মজুরি জোরপূর্বক হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঘৃণিত।

‘শুধু এসব শিক্ষকদের নয়, সেখানে বেশিরভাগ উপকারভোগীর কাছ থেকে একইভাবে চার হাজার করে টাকা কেটে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে এর সত্যতা পাই। এ বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার সুপারিশ করব।’

আরও পড়ুন:
ভেসে গেছে ৬৪ কোটি টাকার মাছ, ১০০০ মহিষ
ইয়াস: খুলনায় ৩০ পয়েন্টে বিলীন ৭০০ মিটার বাঁধ
ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ

শেয়ার করুন

সোনালি আঁশের সুদিন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কৃষক

সোনালি আঁশের সুদিন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কৃষক

ভাল দাম পেয়ে পাট চাষে ঝুঁকছেন টাঙ্গাইলের নাগরপুরের অনেক চাষি। ছবি: নিউজবাংলা

নাগরপুরের কৃষকরা জানান, বীজ বপনের সময় আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলেও পরে সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্ষার পানি আসার পর তারা পাট কাটা শুরু করেন। ওই পানিতেই জাগ দেন। গ্রামাঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বাড়ির পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সোনালি আঁশ খ্যাত পাটের সুদিন ফিরতে শুরু করেছে। ভালো দাম পেয়ে পাট চাষে ঝুঁকছেন টাঙ্গাইলের নাগরপুরের অনেক চাষি। এবার সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাট তোলায় ব্যস্ত কিষান-কিষানি, এ নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে গ্রামে।

নাগরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মতিন বিশ্বাস জানান, গত বছরের চেয়ে এবার পাট চাষ বেড়েছে। উপজেলায় ১ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। আগের বছর আবাদ হয়েছিল ১ হাজার ৩৩১ হেক্টর জমিতে।

অন্য ফসলের চেয়ে পাটের জমিতে শ্রমিকের মজুরিসহ অন্য খরচ কম। এতে লাভ বেশি হওয়ায় উপজেলার কৃষকদের মাঝে পাট চাষের আগ্রহ বেড়েছে। গত মৌসুমের শেষের দিকে পাটের দাম দাঁড়িয়েছিল মণপ্রতি ৬ হাজার টাকায়।

সোনালি আঁশের সুদিন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কৃষক
পাটের আঁশ শুকাতে দিচ্ছেন কৃষক

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, প্রকৃতি ও বাজার চাষিদের অনুকূলে হওয়ায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নাগরপুরে প্রতিবছরই বাড়ছে। এ বছর আবাদ করা পাটগাছ কেটে কৃষকরা এরই মধ্যে ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। এবার পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান চাষিরা।

নাগরপুর উপজেলা অপেক্ষাকৃত নিচু হওয়ায় কমবেশি সব ইউনিয়নে পাটের আবাদ হয়ে থাকে। বাজারদর অনুযায়ী উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে পাটের ভালো লাভ পাচ্ছেন কৃষকরা।

তারা জানান, বীজ বপনের সময় আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলেও পরে সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্ষার পানি আসার পর তারা পাট কাটা শুরু করেন। ওই পানিতেই জাগ দেন। গ্রামাঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বাড়ির পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নাগরপুরের গয়হাটা ইউনিয়নের চাষি রবি মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে পাট চাষে ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। এর মধ্যে রয়েছে বীজ, সার, কীটনাশক, পরিচর্যা ও রোদে শুকিয়ে ঘরে তোলা পর্যন্ত আনুষঙ্গিক খরচ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর আমি দুই জাতের পাটের আবাদ করেছি। উপজেলা কৃষি অফিস পাটবীজসহ বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছে। এলাকায় পাটের হাট হিসেবে প্রায় প্রতিটি বাজার পরিচিত হলেও গয়হাটার হাট উল্লেখযোগ্য। সেখানে দূরদূরান্ত থেকে ব্যাপারীরা এসে পাট কিনে নিয়ে যান।’

সোনালি আঁশের সুদিন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কৃষক
পাট কাটতে ব্যস্ত কৃষক

পাটচাষি হাসমত আলী বলেন, ‘ধানের মতো পাটের বাজারও যেন সিন্ডিকেটের দখলে চলে না যায়, সে জন্য সরকারিভাবে পাটের দাম নির্ধারণ ও ক্রয়ের উদ্যোগ নিতে হবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইমরান হোসেন শাকিল নিউজবাংলাকে জানান, পাটের জমিতে শ্রমিক কম লাগে, জমির আগাছা ওষুধ প্রয়োগ করেই নির্মূল সম্ভব। সব মিলিয়ে পাটের দাম বেড়েছে। পাট ছাড়ানোর পর কাঠি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এসব কারণে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষকরা পাট চাষে ঝুঁকছেন।

বর্তমান বাজারদরে বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল পাট চাষ করে কৃষকের লোকসান হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানান কৃষিবিদ ইমরান।

আরও পড়ুন:
ভেসে গেছে ৬৪ কোটি টাকার মাছ, ১০০০ মহিষ
ইয়াস: খুলনায় ৩০ পয়েন্টে বিলীন ৭০০ মিটার বাঁধ
ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ

শেয়ার করুন

ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর অনাস্থা

ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর অনাস্থা

কুষ্টিয়া সদরের বটতৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোমিন মণ্ডল। ছবি: নিউজবাংলা

গত সপ্তাহে মেম্বাররা তাদের ১৭ মাসের বকেয়া সম্মানী ভাতা পরিশোধ না করায় জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলেন।

অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে কুষ্টিয়া সদরের বটতৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোমিন মণ্ডলের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন ১১ জন মেম্বার।

জেলা প্রশাসক মো. সাইদুল ইসলামের কাছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই অনাস্থা প্রস্তাবটি দেয়া হয়।

এরপর মেম্বাররা এ বিষয়ে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতার সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেও অনাস্থা প্রস্তাবের প্রতিলিপি দেয়া হয়। জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান মেম্বাররা।

গত সপ্তাহে মেম্বাররা তাদের ১৭ মাসের বকেয়া সম্মানী ভাতা পরিশোধ না করায় জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলেন।

মেম্বার ফরিদ আহমেদ বলেন, এই ইউনিয়নে ধান-চালের মোকাম থেকে বছরে ৫০ লাখ টাকা কর পাওয়া যায়। অথচ মেম্বারদের সম্মানী বাবদ বছরে ৭ লাখ টাকা পরিশোধ করেন না চেয়ারম্যান। পেশী শক্তি ব্যবহার করে তিনি ইউনিয়নকে অকার্যকর করে রেখেছেন বলেও অভিযোগ তোলেন মেম্বাররা।

আরও পড়ুন:
ভেসে গেছে ৬৪ কোটি টাকার মাছ, ১০০০ মহিষ
ইয়াস: খুলনায় ৩০ পয়েন্টে বিলীন ৭০০ মিটার বাঁধ
ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ

শেয়ার করুন

আড়াইহাজারে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

আড়াইহাজারে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

আড়াইহাজার থানার ওসি জানান, সকালে ঘরের বেড়া ঠিক করছিলেন আব্দুল করিম ভূইয়া ও তার স্ত্রী হালিমা বেগম। এ সময় প্রতিবেশী আত্মীয় ইমান আলী বাধা দেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ইমান দা দিয়ে করিম ও তার স্ত্রীকে আঘাত করেন।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। এর আগে উপজেলার গোপালদী পৌরসভার ভিটিকলাগাছিয়া এলাকায় হামলার ওই ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান মোল্লা।

স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, সকালে ঘরের বেড়া ঠিক করছিলেন আব্দুল করিম ভূইয়া ও তার স্ত্রী হালিমা বেগম। এ সময় প্রতিবেশী আত্মীয় ইমান আলী বাধা দেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ইমান দা দিয়ে করিম ও তার স্ত্রীকে আঘাত করেন।

তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে হালিমাকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে দুপুরে হালিমার মৃত্যু হয়।

ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা নিউজবাংলাকে বলেন, হামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি করিমের মেয়ের দেবর। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
ভেসে গেছে ৬৪ কোটি টাকার মাছ, ১০০০ মহিষ
ইয়াস: খুলনায় ৩০ পয়েন্টে বিলীন ৭০০ মিটার বাঁধ
ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ

শেয়ার করুন