নিষেধাজ্ঞাতেও পদ্মা পাড়ি, চলছে উদ্ধার অভিযান

নিষেধাজ্ঞাতেও পদ্মা পাড়ি, চলছে উদ্ধার অভিযান

ইউএনও বলেন, ‘নিখোঁজের সন্ধানে এখনও কোনো স্বজন আসেনি, তাই আমরা বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে আছি। আর উদ্ধার হওয়া মরদেহ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান আকনের, জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে।’

শরীয়তপুরের মাঝিরঘাট থেকে শিমুলিয়া নৌরুটে ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনও নিখোঁজ চার ব্যক্তির উদ্ধার অভিযান চলছে।

ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ যৌথভাবে সকাল ৯টা থেকে আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি।

জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘দুর্ঘটনায় নিখোঁজ চার ব্যক্তির সন্ধান ও তাদের পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। ইয়াস ঝড়ের প্রভাবে নদী উত্তাল থাকায় গত রাতের উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হয়েছিল। তাই রাত ৯টায় উদ্ধার অভিযান স্থগিত করা হয়।

’শুক্রবার সকাল থেকে ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ এবং নৌ-পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান আবারও শুরু করেছে। ট্রলারচালক পলাতক। তার খোঁজ করা হচ্ছে।’

ইউএনও আরও বলেন, ‘নিখোঁজের সন্ধানে এখনও কোনো স্বজন আসেনি, তাই আমরা বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশার মধ্যে আছি। আর উদ্ধার হওয়া মরদেহ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান আকনের, তার জানাজা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে শরীয়তপুরের পালেরচর থেকে একটি ট্রলার শিমুলিয়ায় যাওয়ার পথে ১৮ জন যাত্রী নিয়ে পদ্মা নদীতে ডুবে যায়। সেখান থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রহমান আকনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

চারজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইয়াসের প্রভাবে নদী উত্তাল থাকায় নৌযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিআইডব্লিউটিএ। সেই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই নৌযানটি শরীয়তপুর থেকে মাওয়ার শিমুলিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়।

গত ৩ মে পদ্মার বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌপথের কাঁঠালবাড়ী ঘাট এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা বাল্কহেডে ধাক্কা দিয়ে উল্টে যায় যাত্রীবোঝাই স্পিডবোট। সেখান থেকে একে একে উদ্ধার করা হয় শিশুসহ ২৬ জনের মরদেহ। জীবিত উদ্ধার করা হয় স্পিডবোটের চালকসহ কয়েকজনকে।

আরও পড়ুন:
কীর্তনখোলায় মুসল্লিবাহী দুটি ট্রলারডুবি
ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার
মধুমতিতে ট্রলারডুবি: খোঁজ মেলেনি অপর শ্রমিকের
মনপুরায় ট্রলার দুর্ঘটনায় আহত ২০
মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ২৮ হাজার

করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ২৮ হাজার

ফাইল ছবি

দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যু ছাড়াল ২৮ হাজার। এ সময়ের মধ্যে আরও ১৯৭ জনের শরীরে সংক্রমণ ধরা পড়েছে।

রোববার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গত ২৪ ঘণ্টার এ তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে এ পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৭৭ হাজার ৪৪৩ জনের শরীরে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ১ জনের।

বিস্তারিত আসছে....

আরও পড়ুন:
কীর্তনখোলায় মুসল্লিবাহী দুটি ট্রলারডুবি
ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার
মধুমতিতে ট্রলারডুবি: খোঁজ মেলেনি অপর শ্রমিকের
মনপুরায় ট্রলার দুর্ঘটনায় আহত ২০
মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

শেয়ার করুন

কর রেয়াতে চলে যায় জিডিপির ২.২৮ শতাংশ

কর রেয়াতে চলে যায় জিডিপির ২.২৮ শতাংশ

ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্পসহ বিভিন্ন খাতকে করমুক্ত রেখেছে সরকার। ফাইল ছবি/নিউজবাংলা

এনবিআরের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশেষ খাতগুলোকে স্বল্প কর হার সুবিধা, কর অব্যাহতি এবং কর অবকাশ সুবিধা দেয়ায় কর ভিত্তি সংকুচিত হয়েছে। যদি এসব খাতে সুবিধা বাতিল করা হয়, তা হলে কর আহরণ বর্তমানের চেয়ে বাড়বে।

কৃষি, শিল্প, সেবা, অবকাঠমোসহ বিভিন্ন খাতে কর সুবিধা দেয়ার ফলে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) কমপক্ষে ২ দশমিক ২৮ শতাংশ আয়কর কম আদায় হয়।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণা প্রতিবেদনটি জাতীয় আয়কর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সম্প্রতি উপস্থাপন করেন রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (আয়কর নীতি) সামসুদ্দীন আহমেদ।

কম আহরণের কারণ হিসেবে করের ভিত্তি সংকুচিত হওয়াকে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় প্রতিবেদনে।

রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, আয়কর বিভাগে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন অভাব, কর ফাঁকি, জটিল আইন-কানুন ও অর্থনীতির বড় একটি অংশ হিসাবের বাহিরে থাকার কারণেও কাঙ্খিত কর আদায় হচ্ছে না।

এনবিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়, শিল্পায়ন, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণ এবং জনগুরুত্বপূর্ণ বিশেষ খাতগুলোকে স্বল্প কর হার সুবিধা, কর অব্যাহতি এবং কর অবকাশ সুবিধা দেয়ায় কর ভিত্তি সংকুচিত হয়েছে। যদি এসব খাতে সুবিধা বাতিল করা হয়, তা হলে কর আহরণ বর্তমানের চেয়ে বাড়বে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আয়কর আদয়ের পরিমাণ প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা। এটি এনবিআরের মাধ্যমে সংগৃহীত রাজস্বের শতকরা ৩৫ ভাগ।

রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আমাদের অর্থনীতির যে আকার তার সঙ্গে কর আহরণের সামাঞ্জস্য নেই। এর মূল কারণ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ আয়ের তথ্য গোপন করে কর ফাঁকি দেয়া হয়।

জিডিপির হিসাবে বছরে কত পরিমাণ কর ফাঁকি হয়, তার কোনো গবেষণালব্ধ তথ্য এনবিআরের কাছে নেই। তবে রাজস্ব বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আদায়যোগ্য করের কমপক্ষে ৪০ থেকে ৫০ ভাগ কম আদায় হয়।

এনবিআরের সাবেক সদস্য আমিনুর রহমান বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যা, মাথাপিছু আয়, মোট দেশজ উৎপাদন ইত্যাদি বিবেচনা করলে করদাতার সংখ্যা এবং আদায় বর্তমানের চেয়ে কমপক্ষে দ্বিগুণ হওয়া উচিত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আয়কর সংগ্রহে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হলেও আমাদের কর বনাম জিডিপি অনুপাত এখনও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।

এক দশক আগে ২০১১-১২ অর্থবছরে আয়কর আদায়ে প্রবৃদ্ধির হার ছিল প্রায় ১১ শতাংশ। গত অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ শতাংশের বেশি।

এনবিআর বলেছে, আয়কর আদায় বাড়লেও জিডিপি বনাম কর অনুপাত সেভাবে বাড়েনি।

এক দশক আগে জিডিপির বিপরিতে কর সংগ্রহ ছিল ১০ শতাংশ। এক দশক পর গত অর্থবছরে তা সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ শতাংশ।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাবেক কর্মকর্তা ও গবেষণা সংস্থা পিআরআই-এর নিবার্হী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘বাংলাদেশের কর ব্যবস্থার যথেষ্ঠ দুর্বলতা আছে। এখানে বড় ধরনের সংস্কার দরকার। এনবিআরকে ঢেলে সাজাতে হবে। এখন যে এনবিআর আছে, তা দিয়ে প্রত্যাশিত রাজস্ব আয় সম্ভব নয়। এর আমূল পরিবর্তন দরকার।’

যেসব খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা দেয়া হয়েছে

এনবিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী যেসব খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা দেয়া হয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ভৌত অবকাঠামো, তথ্য প্রযুক্তি, রপ্তানিমুখী পোশাক ও বস্ত্র, হস্তজাত, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ও কৃষি খাত।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহনসহ সরকার এ পর্যন্ত ১৮টি ভৌত অবকাঠামো খাতে কর অব্যাহতি সুবিধা দিয়েছে। প্রোডাক্টশন শেয়ারিং কনট্রাক্ট বা পিএসসির আওতায় বিদেশি তেল গ্যাস কোম্পানিকে কর সুবিধা দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশে যেসব বিদেশি পরামর্শক কাজ করছেন, তারা কর সুবিধা ভোগ করছেন।

জিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমানে ২২টি তথ্যপ্রযুক্তি খাত শতভাগ কর অব্যাহতি সুবিধা পাচ্ছে। বিশ্ব প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জনে তৈরি পোশাক খাতকে কম হারে (১২ শতাংশ) কর সুবিধা দেয়া হয়েছে।

হস্তজাত, কুটির শিল্প ও মাঝারি শিল্প যাদের বছরে লেনদেন বা টার্নওভার ৫০ লাখ টাকা, তাদের কর মওকুফ করে দেয়া হয়েছে। কম উন্নত এলাকায় শিল্প স্থাপন উৎসাহিত করতে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পকে কর রেয়াত দেয়া হয়েছে।

বর্তমানে পাটজাত দ্রব্য উৎপাদন করলে কম হারে কর আদায় করা হয়। কৃষিজাত উৎপাদন থেকে অর্জিত আয়ের ওপর ১০ বছর পর্যন্ত করমুক্ত সুবিধা ভোগ করা যায়।

আরও পড়ুন:
কীর্তনখোলায় মুসল্লিবাহী দুটি ট্রলারডুবি
ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার
মধুমতিতে ট্রলারডুবি: খোঁজ মেলেনি অপর শ্রমিকের
মনপুরায় ট্রলার দুর্ঘটনায় আহত ২০
মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

শেয়ার করুন

অসৌজন্যমূলক আচরণের দায়ে আ. লীগ নেতা বহিষ্কার

অসৌজন্যমূলক আচরণের দায়ে আ. লীগ নেতা বহিষ্কার

সাটুরিয়ার ধানকোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হককে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সদর উপজেলার পড়পাড়ায় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করেন। সেখানে আব্দুল মজিদ ফটোর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন আব্দুল হক।

মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল মজিদ ফটোর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হককে বহিষ্কার করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুল রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

শনিবার রাতে সাটুরিয়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগ আব্দুল হককে বহিষ্কার করে।

বহিষ্কারপত্রে বলা হয়, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাটুরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ ফটোর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় ধানকোড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হককে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আফাজ উদ্দিন জানান, শনিবার দুপুর ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সদর উপজেলার পড়পাড়ায় দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় করেন। সেখানে আব্দুল মজিদ ফটোর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন আব্দুল হক।

তিনি জানান, রাতে সাটুরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ আব্দুল হককে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে আব্দুল হক বলেন, ‘বহিষ্কারের আগে জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ঘটনার মীমাংসা করেছিলেন। তবু আব্দুল মজিদ ফটোর ব্যক্তিগত কারণে আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রাজনৈতিক কারণে নয়।’

আরও পড়ুন:
কীর্তনখোলায় মুসল্লিবাহী দুটি ট্রলারডুবি
ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার
মধুমতিতে ট্রলারডুবি: খোঁজ মেলেনি অপর শ্রমিকের
মনপুরায় ট্রলার দুর্ঘটনায় আহত ২০
মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

শেয়ার করুন

সাপ্তাহিক ক্যাম্পাস নিউজের যাত্রা শুরু

সাপ্তাহিক ক্যাম্পাস নিউজের যাত্রা শুরু

শিক্ষা সভ্যতার অগ্রযাত্রার মূল উপাদান বলে উল্লেখ করেন ক্যাম্পাস নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাস নিউজ রাষ্ট্রের ভবিষ্যত কর্ণধার শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র হিসেবে আপোষহীনভাবে কাজ করে যাবে।’

ক্যাম্পাস আর ক্যারিয়ার বিষয়ক সকল সংবাদে পাঠকের চাহিদা পূরণের অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করল সাপ্তাহিক ক্যাম্পাস নিউজ।

রাজধানীর পান্থপথে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে সাপ্তাহিক ক্যাম্পাস নিউজের শুভ সূচনা করেন জনপ্রিয় সাহিত্যিক ও জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আনিসুল হক এবং সোনারগাঁও ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল আজিজ।

ক্যাম্পাস নিউজ শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন আনিসুল হক। শিক্ষা নিয়ে এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি ক্যাম্পাস নিউজ শিক্ষাক্ষেত্রের সঙ্গতি ও অসঙ্গতি তুলে ধরবে।’

ক্যাম্পাস নিউজ দেশ ও দেশের মানুষের জন্য সৎভাবে কাজ করবে বলে জানান আব্দুল আজিজ। ক্যাম্পাস নিউজকে সত্য প্রকাশে আপোষহীন থাকার নির্দেশনা দেন তিনি।

শিক্ষা সভ্যতার অগ্রযাত্রার মূল উপাদান বলে উল্লেখ করেন ক্যাম্পাস নিউজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাহিদ হাসান। তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাস নিউজ রাষ্ট্রের ভবিষ্যত কর্ণধার শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র হিসেবে আপোষহীনভাবে কাজ করে যাবে।’

ক্যাম্পাস নিউজের নির্বাহী সম্পাদক মাহমুদ কবীর উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

আরও পড়ুন:
কীর্তনখোলায় মুসল্লিবাহী দুটি ট্রলারডুবি
ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার
মধুমতিতে ট্রলারডুবি: খোঁজ মেলেনি অপর শ্রমিকের
মনপুরায় ট্রলার দুর্ঘটনায় আহত ২০
মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

শেয়ার করুন

গ্রামের সব স্থানে মিলছে সাপ, আতঙ্ক

গ্রামের সব স্থানে মিলছে সাপ, আতঙ্ক

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামে পাওয়া একটি সাপ। ছবি: নিউজবাংলা

আকবর হোসেন নামের এক কৃষক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জমিতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ পেছন থেকে কী যেন কামড় দিল, বুঝতে পারিনি। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার বললেন বিষধর সাপে কামড়েছে। আট দিন হাসপাতালে ছিলাম।’

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার দক্ষিণ সারোয়াতলী গ্রামে হঠাৎ বেড়েছে সাপের উপদ্রব। শীতল রক্তের প্রাণীটির এখন শীতনিদ্রার সময়, অথচ সেই সময়েই গ্রামের ঘরে-বাইরে সবখানেই দেখা মিলছে তাদের।

ঘর, বিছানা থেকে শুরু করে ক্ষেত-খামার, পুকুর, রাস্তা কোনো স্থানই বাদ নেই। এরই মধ্যে গ্রামের ১০-১২ জনকে সাপে কামড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান।

এলাকাবাসী নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, মাসখানেক ধরে গ্রামে হঠাৎ বেড়েছে সাপের উপদ্রব। এতে তাদের অনেকটা নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে। আবার ক্ষেতে সাপ পাওয়ায় ফসল তোলার মানুষ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে ক্ষেতেই ফসল নষ্ট হওয়ায় আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।

তাদের অভিযোগ, স্থানীয় একটি খাল খননের সময় ঝোপ-জঙ্গল কেটে ফেলার পর সাপের উপদ্রব বেড়েছে।

সারোয়াতলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বেলাল হোসেন বলেন, ‘গ্রামে একটি প্রাচীন খাল ছিল। কৃষি জমিতে সেচের পানি সরবরাহ ঠিক রাখতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (বিএডিসি) খালটি খনন করছে। এর অংশ হিসেবে কয়েক মাস আগে তাদের গ্রামের পাশের রায়খালী খালপাড়ের জঙ্গল কেটে ফেলা হয়।

‘এরপর থেকে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ কৃষি জমিতে, উঠানে, রাস্তায় ও বাড়িঘরে ঢুকে পড়ছে। চারদিকে সাপ আতঙ্ক বিরাজ করছে। অবশ্য আগের তুলনায় এখন কিছুটা কমে এসেছে। আমরা ব্যাপারটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’

গ্রামের সব স্থানে মিলছে সাপ, আতঙ্ক

বাবুল চৌধুরী নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘রাতে ঘুমাতে গিয়ে ঘরের চাল থেকে বিছানায় পড়ে বিষধর এক সাপ। রাতভর ঘরের কেউ ঘুমাতে পারিনি।’

তাপস নামের এক শিক্ষার্থী বলে, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে পড়ার টেবিলে গিয়ে দেখি চেয়ারের নিচে ফনা তুলে আছে একটি সাপ। চিৎকার দিতেই বাড়ির অন্যরা ছুটে এসে পিটিয়ে মারার পর স্বস্তি পাই।’

আকবর হোসেন নামের এক কৃষক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘জমিতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ পেছন থেকে কী যেন কামড় দিল, বুঝতে পারিনি। পরে হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তার বললেন বিষধর সাপে কামড়েছে। আট দিন হাসপাতালে ছিলাম। এখন ক্ষেতে যেতে ভয় পাচ্ছি। শুধু আমি না, সাপের ভয়ে এখন কেউ জমিতে নামতে চাচ্ছে না।’

দক্ষিণ সারোয়াতলীর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সুরেষ চৌধুরী বলেন, ‘কৃষি জমির পাশাপাশি বাড়িঘরেও সাপ দেখা যাচ্ছে। এরই মধ্যে এখানকার ১০ থেকে ১২ জনকে সাপ কামড়েছে। কৃষকরা ধান কাটতে জমিতে যেতে ভয় পাচ্ছেন।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ জানান, আবাসস্থলে আঘাত আসার কারণেই সাপগুলো ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যাচ্ছে। উষ্ণ স্থানে আশ্রয় পাওয়ার আশায় তারা এখন বাড়িঘরে ঢুকে পড়ছে।

বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুন নাহার জানান, তিনি খোঁজ নিয়েছেন। ওই এলাকার ঝোপ-জঙ্গল কাটা বন্ধ রাখতেও বলেছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, দেশে প্রতিবছর বর্ষায় প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার মানুষ সাপের কামড়ের শিকার হন। এর মধ্যে অন্তত ৬ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৯ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কীর্তনখোলায় মুসল্লিবাহী দুটি ট্রলারডুবি
ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার
মধুমতিতে ট্রলারডুবি: খোঁজ মেলেনি অপর শ্রমিকের
মনপুরায় ট্রলার দুর্ঘটনায় আহত ২০
মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

শেয়ার করুন

বরিশালে সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বরিশালে সড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বরিশালে হাফ ভাড়া ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ। ছবি: নিউজবাংলা

আ‌লিসা মুনতাজ নামের এক শিক্ষার্থী ব‌লেন, ‘আমাদের কাছ থে‌কে জুলুম ক‌রে পুরো ভাড়া রাখা হ‌চ্ছে। এটা অ‌নৈ‌তিক। দাবি না মানা হ‌লে ক‌ঠোর আ‌ন্দোল‌নে যাবো।’

নৌপথসহ সব ধরনের গণপরিবহনে হাফ ভাড়া ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে বরিশালে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শিক্ষার্থীরা।

নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনের সড়কে রোববার দুপু‌র ১২টার দিকে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রতীকী মরদেহ সামনে রেখে নিরাপদ সড়কের দাবি জানায় বিক্ষুব্ধরা।

এক পর্যায়ে উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে তারা নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

কর্মসূচীতে অংশ নেয়া শিক্ষার্থী আ‌লিসা মুনতাজ ব‌লেন, ‘শিক্ষার্থীদের কাছ থে‌কে জুলুম ক‌রে পুরো ভাড়া রাখা হ‌চ্ছে। এটা অ‌নৈ‌তিক। দাবি না মানা হ‌লে ক‌ঠোর আ‌ন্দোল‌নে যাবো।’

আরও পড়ুন:
কীর্তনখোলায় মুসল্লিবাহী দুটি ট্রলারডুবি
ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার
মধুমতিতে ট্রলারডুবি: খোঁজ মেলেনি অপর শ্রমিকের
মনপুরায় ট্রলার দুর্ঘটনায় আহত ২০
মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মানুষকে ‘ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছেন’ রাজারবাগ পির

মানুষকে ‘ভুল পথে নিয়ে যাচ্ছেন’ রাজারবাগ পির

পির মো. দিল্লুর রহমান থাকেন রাজারবাগের এ দরবার শরিফে। ছবি: নিউজবাংলা

সিটিটিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘এ দেশের নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনগুলো যে উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের মতবাদ প্রচার করছে ও কার্যক্রম চালাচ্ছে, রাজারবাগ দরবার শরিফের পির, তার সহযোগী ও অনুসারীদের কার্যক্রম জঙ্গিদের কার্যক্রমের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।’

রাজারবাগ দরবার শরিফের পির দিল্লুর রহমান ধর্মের নামে মানুষকে ভুল পথে পরিচালনা করছেন বলে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনটি রোববার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে জমা হয়েছে।

সিটিটিসির ইনভেস্টিগেশন বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে স্বাক্ষর করেন ইউনিটের সহকারী পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম।

প্রতিবেদনের মতামত অংশে বলা হয়, ‘রাজারবাগ দরবারের নিয়ন্ত্রণাধীন দৈনিক আল ইহসান ও মাসিক আল বাইয়্যিনাত পত্রিকার বিভিন্ন সংখ্যা, তাদের তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত বিভিন্ন বই, ইতোপূর্বে তাদের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন জেলায় তাদের অনুসারীদের কার্যক্রমের কারণে রুজুকৃত মামলা ও মামলাসমূহের তদন্তের ফলাফল পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তারা ইসলাম ধর্মের নামে এবং অনেক ক্ষেত্রে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের খণ্ডিত ব্যাখ্যার মাধ্যমে এ দেশের ধর্মভীরু মানুষকে ভুল পথে পরিচালনা করে। ধর্মের নামে মানুষ হত্যা ও তথাকথিত জিহাদকে উসকে দিচ্ছে।

‘এ দেশের নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠনগুলো যে উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের মতবাদ প্রচার করছে ও কার্যক্রম চালাচ্ছে, রাজারবাগ দরবার শরীফের পির, তার সহযোগী ও অনুসারীদের কার্যক্রম জঙ্গিদের কার্যক্রমের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।’

মতামতে আরও বলা হয়, “ভিন্ন ধর্মের মানুষকে, তাদের ভাষায় ‘মালাউনদেরকে হত্যা করা ইমানি দায়িত্ব’ উল্লেখ করে ফতোয়া দিয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে কতল করার আদেশ দিয়েছে, যা মূলত বাংলাদেশের নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবি ও আনসার আল ইসলামের মানুষকে হত্যা করার ফতোয়ার অনুরূপ। এটি ইসলামের নামে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনসমূহের মতো একই প্রক্রিয়ায় বিরোধীদের অর্থাৎ ভিন্ন ধর্মালম্বীদের হত্যা করার ও ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করার কৌশল।

“তাদের এ ধরনের বক্তব্য মানুষকে জঙ্গিদের দিকে ধাবিত করবে, অসহিষ্ণু করবে, অসাম্প্রদায়িক চেতনা নষ্ট করতে ভূমিকা রাখবে।”

মতামতে উল্লেখ করা হয়, “তাদের প্রচারণা ও অন্যান্য কার্যক্রমের মাধ্যমে মূলত তারা এ দেশের হাজার বছরের বাঙালি সংস্কৃতি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসম্প্রদায়িক চেতনা এবং গণতন্ত্রবিরোধী একটি শ্রেণি বা গোষ্ঠী তৈরি করতে চাচ্ছে। তা ছাড়া তারা ছোঁয়াচে রোগবিরোধী ও বাল্য বিবাহের পক্ষে বিভিন্ন বক্তব্য ও ফতোয়া দিয়ে ধর্মভীরু ও সহজ সরল সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।

“সার্বিক পর্যালোচনায় সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে, তারা এখনও জঙ্গি সংগঠন হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত না হলেও তাদের বিভিন্ন প্রকাশনা, বক্তব্য, মুরিদ ও অনুসারীদের প্রতি তাদের নির্দেশনার ফলে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে তাদের এ সকল বক্তব্য ও প্রচার-প্রচারণা জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়া ব্যক্তিদের ‘লোন উলফ’ হামলায় উদ্বুদ্ধ করতে পারে।”

এ প্রতিবেদন পড়ে আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রাজারবাগ পিরের কর্মকাণ্ডের ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখতে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটকে নির্দেশ দেয়।

একই সঙ্গে সিআইডিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছে, তারা প্রয়োজনে রাজারবাগ পিরসহ চারজনের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।

পাশাপাশি সিআইডির প্রতিবেদনের আলোকে ভুক্তভোগীরা চাইলে রাজারবাগের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবে বলে আদেশ দিয়েছে আদালত।

আদালতের আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির, এমাদুল বশির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। আর রাজারবাগ পিরের পক্ষে ছিলেন এমকে রহমানসহ একাধিক আইনজীবী।

আরও পড়ুন:
কীর্তনখোলায় মুসল্লিবাহী দুটি ট্রলারডুবি
ট্রলার ডুবির তৃতীয় দিনে এক শ্রমিকের মৃতদেহ উদ্ধার
মধুমতিতে ট্রলারডুবি: খোঁজ মেলেনি অপর শ্রমিকের
মনপুরায় ট্রলার দুর্ঘটনায় আহত ২০
মেঘনায় ট্রলারডুবি: শিশুসহ দুজনের লাশ উদ্ধার

শেয়ার করুন