৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

৯৯৯: ঘটনাস্থলে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ পুলিশ

একটি জায়গা নিয়ে নিক্কন বিশ্বাস ও বিলাস বিশ্বাসের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। সেই জমিতে নিক্কন স্থাপনা করতে গেলে বিলাস ৯৯৯ এ কল করে অভিযোগ জানান। এরপর ঘটনাস্থলে কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন একটি দলসহ উপস্থিত হন।

৯৯৯ এ ফোনে গোলযোগের খবর শুনে ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলার শিকার হওয়ার দাবি করেছেন পুলিশ সদস্যরা। যদিও যাদের আটক করা হয়েছে, তারা দাবি করছেন, তর্কাতর্কি হয়েছে, হামলা নয়।

বরিশালের ২১নং ওয়ার্ডের মানু মিয়ার গলিতে বৃহস্পতিবার বিকালে এই ঘটনা ঘটে।

কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি দলের ওপর এলাকার কাউন্সিলর ও তার সহযোগীরা মিলে এই হামলা চালায় বলে অভিযোগ পুলিশের।

এ সময় পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন ও সহকারী উপ পরিদর্শক মিজানুর রহমান আহত হন। তাদের মোবাইলও ছিনিয়ে নেয়া হয়।

যেভাবে ঘটনা

ওই এলাকার একটি জায়গা নিয়ে নিক্কন বিশ্বাস ও বিলাস বিশ্বাসের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল।

সেই জমিতে নিক্কন স্থাপনা করতে গেলে বিলাস ৯৯৯ এ কল করে অভিযোগ জানান।

এরপর ঘটনাস্থলে কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন একটি দলসহ উপস্থিত হন।

সে সময় নিক্কনের পক্ষে অবস্থান নেন ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহম্মেদ মান্না। পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন কেনো সেখানে উপস্থিত হয়েছেন তার কৈফিয়ত চান তিনি।

স্থানীয়রা জানান, এক পর্যায়ে পুলিশ সদস্য ও কাউন্সিলরের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হলে পুলিশ সদস্যদের গালাগাল করেন কাউন্সিলর।

সে সময় উপস্থিত জনতা বার বার কাউন্সিলরকে বোঝানোর চেষ্টা করলে তিনি আরও উত্তেজিত হয়ে পড়েন এবং পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ারকে চলে যেতে বলেন। বিষয়টি নিয়ে থানার ভারাপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

কিছুক্ষণ পর পুলিশ পরিদর্শক মোজাম্মেল হোসেনের নেতৃত্বে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।

তখন মান্না ঘটনাস্থল থেকে সটকে পরেন। আর তার পাঁচ সহযোগীকে আটক করে পুলিশ।

এরপর পুলিশের একটি দল কাউন্সিলর মান্নাকে আটক করতে তার কার্যালয়ের দিকে অগ্রসর হলেও মাঝপথে গিয়ে ফিরে আসে।

দুই পক্ষের যে দাবি

বিলাস বিশ্বাস বলেন, ওই জায়গায় তারা ৪০ বছর ধরে বসবাস করছেন। তার কাকা বিমল বিশ্বাসের কাছ থেকে দেড় শতাংশ জমি কিনতে বায়না করেন। এর মধ্যে বিমল বিশ্বাসের মৃত্যু হলে তার উত্তরাধিকাররা দলিল করে দিচ্ছেন না।

এর মধ্যে বিমলের ছেলে নিক্কন ও তার লোকজন বিলাসের বাড়ি ভাঙচুর করেছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

বিলাসের অভিযোগ, গত ২৪ মে ইট, বালু এনে তার ঘরের পাশে জড়ো নতুন করে স্থাপনা করার চেষ্টা চালায় তার জমিতে। তখন তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

সকালে তারা আবার কাজ শুরু করলে তিনি থানায় খবর দেন। এরপর নিক্কনের পক্ষে আসেন কাউন্সিলর মান্না।

‘পুলিশ আর মান্না ভাইয়ে মধ্যে ঝামেলা হেইছে। কাউন্সিলর সাহেব পুলিশকে গালাগাল করে মোবাইল নিয়ে যায় ছিনাইয়া’-বলেন বিলাস।

ঘটনাস্থলে গিয়ে নিক্কনকে পাওয়া যায়নি। তার মা বানী বিশ্বাস বলেন, ‘হেই জমিটা মোগো। আমার স্বামী ওগো থাকতে দেছিল। কাউন্সিলর মোগো কাগজ দেইখ্যা কইছিল, মোরা যদি ওগো থাকতে দেই তাইলে থাকতে পারবে।

‘কিন্তু বৃষ্টি অইলে মোগো ঘরে পানি উডে। বিষয়ডা ভাইব্যা কাউন্সিলর ওগো তিন দিন সময় দিছিল রান্না ঘর ভাইঙা ফেলার লাইগ্যা। ওই হানে জায়গাটা উচা কইরা থাকমু মোরা।

‘তিন দিন পার অইয়া গেলেও ওরা না ভাঙায় কাউন্সিলর লোক পাডায় ভাঙার লাইগ্যা। মোগোও ওইহানে কাম করতে কয়।’

তিনি বলেন, ‘এরপর বিলাসরা নানা জায়গায় নালিশ দেছে, পুলিশ আনছে। আজকে আমরা কাম করার সময় ওরা বাধা দেলে কাউন্সিলর মান্নারে জানেইন্যা অয়। হে এইহানে পুলিশের লগে কতা কাডাকাডি অয়।’

পুলিশ যা বলছে

বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ পরিদর্শক রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, ‘৯৯৯ এ কল পেয়ে আমরা এখানে এসেছি। আমরা দুই পক্ষের সাথে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছিলাম।এর মধ্যে কাউন্সিলর মান্না এসে আমাদের তুই তুকারি শুরু করে মারতে উদ্যত হয় এবং পরিদর্শক স্যারের ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

‘এখানে আমরা বাজে পরিস্থিতির মধ্যে ছিলাম, আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছিল।’

পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন ২) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এখানে প্রথমে একজন সাব ইন্সপেক্টর পাঠানো হয় ঝামেলার কথা শুনে। পরে আমি আসি।

‘অভিযোগ ছিল, এখানে অবৈধভাবে একজনের বাসা উচ্ছেদ করা হচ্ছিল। ঘটনাটা বোঝার জন্য দুই পক্ষকে ডেকে কথা বলছিলাম। এরই মধ্যে কাউন্সিলর মান্না তার বাহিনী নিয়ে এসে আমার উপর আক্রমণ করে আমার মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

‘আমাকে বলছে তুই এখানে কেন আসছোস, এই বরিশাল আমার এলাকা আমার, তুই কেডা তোর পোশাক খুলে নিয়া যাব।’

তিনি বলেন, ‘আমাকে এভাবে চরম অপমান অপদস্তও করেছে। আমাদের আক্রমণ করতে আসার সময় পাঁচ জনকে আটক করেছি। বাকিদেরকেও আটকের চেষ্টা চলছে।’

আটকদের যে বক্তব্য

এই ঘটনার বিষয়ে জানতে ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ সাইয়েদ আহম্মেদ মান্নার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

তবে যাদেরকে আটক করা হয়েছে, তারা জানিয়েছেন, তারা সকাল থেকেই এখানে রয়েছেন যাতে দুই পক্ষে ঝামেলা না হয়।

একজন বলেন, বিলাস এখানে অনেকদিন ধরে থাকেন। তিনি কাউন্সিলর অফিসে অভিযোগ দেয়ার পর নিক্কনকে ডাকা হয়। কিন্তু দেখা যায়, ওই জমির কাগজ নিক্কনের নামে রয়েছে।

তবে পুলিশ সদস্যের গায়ে দেয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তারা।

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের বাসায় হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা
পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
‘ব্যবসায়ীকে হাতু‌ড়িপেটা’: ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
জমি দখলে বাধা দেয়ায় ‘হামলার শিকার’ বীর মুক্তিযোদ্ধা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কোড বললেই ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে আসে ইয়াবা

কোড বললেই ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে আসে ইয়াবা

চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং আবু সওদাগরের কলোনির গেটের সামনে চলে ইয়াবা বেচাকেনা। ছবি: নিউজবাংলা

ডবলমুরিং থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রোববার ওইস্থানে ইয়াবা বেচাকেনার সময় নিলুফাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাকিকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৫২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।’

চট্টগ্রাম নগরীর ডবলমুরিং আবু সওদাগরের কলোনির গেটের সামনে চলে ইয়াবা বেচাকেনা। গেটের সামনে দাঁড়িয়ে শুরুতে দুই টোকা দিতে হয়। এরপর ভেতর থেকে আওয়াজ আস কে। তখন বলতে হয় নির্দিষ্ট গোপন কোড। কোড বললেই ছোট ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে আসে ইয়াবা।

কোডিং পদ্ধতিতে ইয়াবা বিক্রির সময় দুই নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রোববার রাতে আবু সওদাগরের কলোনি গেট থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন লাকী আক্তার ও নিলুফা বেগম। লাকীর বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় ছয়টি এবং নিলুফার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, আবু সওদাগরের কলোনির গেটের সামনে তারা ইয়াবা বিক্রি করতেন। গেটের সামনে দাঁড়িয়ে শুরুতে দুই টোকা দিলে ভেতর থেকে আওয়াজ আস কে। তখন গোপন কোড বললেই ছোট ছিদ্র দিয়ে বের করে দেন ইয়াবা।’

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোহাম্মদ মহসীন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রোববার ওইস্থানে ইয়াবা বেচাকেনার সময় নিলুফাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে লাকিকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে ৫২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।’

ওসি আরো বলেন, ‘ তাদের যে কোড ওয়ার্ড, সেটা একেক সময় একেক রকম হতো। যেমন, গতকাল ছিল 'বিস্কুট'। নির্দিষ্ট সংখ্যক বিস্কুট বলার পর সেই সংখ্যক ইয়াবাই বের হয়। এর আগে 'গরুর গোশত' 'হাড্ডি' ' বিচি' ইত্যাদি কোড ওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।’

গ্রেপ্তারকৃত দুজনের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা করা হয়েছে।

সোমবার বিকেলে তাদেরকে চট্টগ্রাম মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নিলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়েছেন বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের বাসায় হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা
পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
‘ব্যবসায়ীকে হাতু‌ড়িপেটা’: ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
জমি দখলে বাধা দেয়ায় ‘হামলার শিকার’ বীর মুক্তিযোদ্ধা

শেয়ার করুন

ঘরে ঢোকা চোর কাটল ইমামের পায়ের রগ

ঘরে ঢোকা চোর কাটল ইমামের পায়ের রগ

আহত পলাশকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা

রোববার রাতে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন পলাশ। গভীর রাতে ঘরে চোর ঢুকে দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালানোর সময় পলাশের ঘুম ভেঙে যায়। তিনি চোরকে জাপটে ধরলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে ধারাল কিছু দিয়ে পলাশের বাম পায়ের গোঁড়ালির রগ কেটে দিয়ে ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় চোর।

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় ঘরে চুরি করতে ঢুকে পলাশ মিয়া নামে যুবকের পায়ের রগ কেটে দিয়েছে এক চোর।

উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের ফুলবাড়ীয়া গ্রামে রোববার রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আহত পলাশ হোমিও চিকিৎসার পাশাপাশি স্থানীয় মসজিদে জুমার নামাজে ইমামতি করেন।

তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, রোববার রাতে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন পলাশ। গভীর রাতে ঘরে চোর ঢুকে দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে পালানোর সময় পলাশের ঘুম ভেঙে যায়। তিনি চোরকে জাপটে ধরলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।

একপর্যায়ে ধারাল কিছু দিয়ে পলাশের বাম পায়ের গোঁড়ালির রগ কেটে দিয়ে মোবাইল ফোন নিয়ে পালিয়ে যায় চোর। পরে পলাশের চিৎকারে স্বজন ও স্থানীয়রা গিয়ে তাকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে নিয়ে যান।

সোনাতলা থানার ওসি রেজাউল করিম জানান, চোর শনাক্ত করে আটকের চেষ্টা করা হচ্ছে। থানায় এখনও মামলা হয়নি।

তিনি বলেন, ‘পলাশের বাম পায়ের গোঁড়ালির ওপরে ক্ষত রয়েছে। রগ পুরোপুরি কেটে গেছে, বিষয়টা এমন নয়।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের বাসায় হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা
পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
‘ব্যবসায়ীকে হাতু‌ড়িপেটা’: ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
জমি দখলে বাধা দেয়ায় ‘হামলার শিকার’ বীর মুক্তিযোদ্ধা

শেয়ার করুন

প্রকাশ্যে ঠিকাদারকে হাতুড়িপেটা

প্রকাশ্যে ঠিকাদারকে হাতুড়িপেটা

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো হচ্ছে ঠিকাদারকে। ছবি: সংগৃহীত

‘আমি প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করি। কয়েক মাস আগে মিরপুর উপজেলায় সড়কের সাত কোটি টাকার একটি টেন্ডারে অংশ নিই। তবে টেন্ডারে অংশ নেয়ার আগেই ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতা আমাকে হুমকি দেয়, আমি যেন এ কাজে সিডিউল ক্রয় না করি।’

কুষ্টিয়া শহরের রাইফেল ক্লাবের কাছে প্রকাশ্যে এক ঠিকাদারকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে এ হামলায় গুরুতর আহত হন ঠিকাদার শহিদুর রহমান। হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেও নিরাপত্তাহীনতায় বাড়িতে চলে গেছেন তিনি।

উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি রাজধানীতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন।

শহিদুর বলেন, ‘আমি প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করি। কয়েক মাস আগে মিরপুর উপজেলায় সড়কের সাত কোটি টাকার একটি টেন্ডারে অংশ নিই।

‘তবে টেন্ডারে অংশ নেয়ার আগেই ক্ষমতাসীন দলের কয়েকজন নেতা আমাকে হুমকি দেয়, আমি যেন এ কাজে সিডিউল ক্রয় না করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শহরে আসি ব্যক্তিগত কাজে। রাইফেল ক্লাব এলাকায় একটি দোকানে বসে চা পান করছিলাম। ওই সময় হঠাৎ করে ১০ থেকে ১৫ জন হাতুড়িসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাকে ঘিরে ধরে।

‘তাদের বেশিরভাগের হাতে হাতুড়ি ছিল। তারা ধরে আমার দুই হাঁটুতে হাতুড়ি দিয়ে বেদম পেটাতে শুরু করে। এরপর আমি বাঁচতে দৌড় দিই। তারপরও আমাকে তারা তাড়া করে পেটাতে থাকে শরীরের নানা স্থানে।

সড়কসহ আশেপাশে লোকজন থাকলেও তারা কেউ এগিয়ে যাননি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার হাঁটু থেতলে গেছে। পিঠে ও বুকেও লেগেছে।’

স্থানীয়রা জানান, হামলাকারীরা বেশিরভাগই মজমপুর এলাকার বাসিন্দা। তারা স্থানীয় এক নেতার ক্যাডার। বেশিরভাগের মুখেই মাস্ক পরা ছিল। ভয়ে কেউ তাদের বাঁধা দেয়নি।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বিরুল ইসলাম বলেন, ‘এমন হামলার কথা আমার কানে আসেনি। হামলা বা মারধরের বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগও দেয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের বাসায় হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা
পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
‘ব্যবসায়ীকে হাতু‌ড়িপেটা’: ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
জমি দখলে বাধা দেয়ায় ‘হামলার শিকার’ বীর মুক্তিযোদ্ধা

শেয়ার করুন

কুরিয়ারে সৌদিতে মাদকের চালান পাঠাতে গিয়ে ধরা

কুরিয়ারে সৌদিতে মাদকের চালান পাঠাতে গিয়ে ধরা

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার দুপুরে টঙ্গীর শহীদ সুন্দর আলী সড়কের সেন্টল প্রসেসিং জোন ফেডএক্স নামক আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয় থেকে একটি পার্সেল আটক করা হয়। পার্সেলটিতে শার্ট-প্যান্টের আড়ালে বিশেষ কায়দায় রাখা দুটি প্যাকেটে ৯৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয় বলে জানান মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মাসুদুর রহমান।

আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে সৌদি আরবে মাদকের চালান পাঠাতে গিয়ে ঢাকা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের হাতে একজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

রোববার দুপুর একটার দিকে রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকা থেকে শাহির হোসেন খানকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার শাহিরের গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ী জেলার কল্যাণপুরে। তিনি ঢাকা জেলার সাভারের ব্যাংক কলোনি এলাকায় বাস করতেন।

সোমবার বিকেলে ঢাকা মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মাসুদুর রহমান নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার দুপুরে টঙ্গীর শহীদ সুন্দর আলী সড়কের সেন্টল প্রসেসিং জোন ফেডএক্স নামক আন্তর্জাতিক কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয় থেকে একটি পার্সেল আটক করা হয়। পার্সেলটিতে শার্ট-প্যান্টের আড়ালে বিশেষ কায়দায় রাখা দুটি প্যাকেটে ৯৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

পরে পার্সেলে উল্লেখিত ঠিকানার সূত্র ধরে রাজধানীর নিকুঞ্জ-২ এলাকায় অভিযান চালিয়ে শাহিরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শহির জানায়, তার সহযোগী লোকনাথ চন্দ্র দাশ ও রুবেল পার্সেলটি সৌদি আরবের জেদ্দা প্রবাসী মোস্তাফিজুর রহমানের নামে বুকিং দেয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের বাসায় হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা
পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
‘ব্যবসায়ীকে হাতু‌ড়িপেটা’: ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
জমি দখলে বাধা দেয়ায় ‘হামলার শিকার’ বীর মুক্তিযোদ্ধা

শেয়ার করুন

তাস খেলে আটক উপজেলা চেয়ারম্যান, মুচলেকায় মুক্তি

তাস খেলে আটক উপজেলা চেয়ারম্যান, মুচলেকায় মুক্তি

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ তোতা বলেন, নয়াকান্দি বাজারে বসে তাস খেলছিল রনি মিয়া, পৌরসভার কুশেরচর এলাকার ইদ্রিস আলী ও আলাল মিয়াসহ কয়েকজন। পরে খেলতে শুরু করেন তিনিও। এ সময় তাদের আটক করা হয়। 

মানিকগঞ্জ তাস খেলা অবস্থায় তিন সঙ্গীসহ আটক হওয়ার পর মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ তোতা। তবে আটক ও ছেড়ে দেয়ার বিষয়টি র‌্যাবের পক্ষ থেকে গোপন করা হয়েছে।

রোববার রাতে পৌর এলাকার নয়াকান্দি বাজারে একটি টংঘর থেকে তাস খেলা অবস্থায় তাদের আটক করা হয়।

তারা হলেন মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ তোতা, পার্শ্ববতী বেতিলা-মিতরা ইউনিয়ন পরিষদের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রনি মিয়া, পৌরসভার কুশেরচর এলাকার ইদ্রিস আলী ও আলাল মিয়া।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ তোতা বলেন, নয়াকান্দি বাজারে বসে তাস খেলছিল রনি মিয়া, পৌরসভার কুশেরচর এলাকার ইদ্রিস আলী ও আলাল মিয়াসহ কয়েকজন। পরে খেলতে শুরু করেন তিনিও।

তিনি জানান, সেখান থেকে র‌্যাব সদস্যরা হাতকড়া পরিয়ে তাদের আটক করে। খবর পেয়ে স্থানীয় নয়াকান্দি জামে মসজিদের সভাপতি দেওয়ান আব্দুল মতিন ও নয়াকান্দি বাজার সমিতির পক্ষে দেলোয়ার হোসেন মুচলেকা দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে রাখেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের ভাই ও মানিকগঞ্জ পৌর মেয়র মো. রমজান আলী বলেন, র‌্যাব সদস্যরা তাকে ফোন করে জানালে ঘটনাস্থলে যান তিনি। পরে র‌্যাবের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের ছাড়ানো হয়।

র‌্যাব-৪-এর মানিকগঞ্জ অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরিফ জানান, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাস খেলা অবস্থায় তাদের আটক করে হ্যান্ডকাফ পরানো হয়। পরিচয় পাওয়ার তাদের হ্যান্ডকাফ খুলে দেয়া হয়। তিনি যে জনপ্রতিনিধি তা জানা ছিল না।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের বাসায় হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা
পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
‘ব্যবসায়ীকে হাতু‌ড়িপেটা’: ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
জমি দখলে বাধা দেয়ায় ‘হামলার শিকার’ বীর মুক্তিযোদ্ধা

শেয়ার করুন

‘পিটিয়ে হত্যার’ পর মরদেহের মুখে বিষ

‘পিটিয়ে হত্যার’ পর মরদেহের মুখে বিষ

বাচ্চাকে নিয়ে বাগবিতণ্ডা হলে স্বামী শফিকুল ইসলাম লাঠি দিয়ে মর্জিনাকে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত তিনি। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়িতে ফেরত নিয়ে এসে মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে ঘরের সব আসবাবপত্র নিয়ে পালিয়ে যান স্বামী শফিকুল ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করে মরদেহের মুখে বিষ ঢেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তার স্বজনদের বিরুদ্ধে।

রোববার গভীর রাতে উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের দুলালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগে জানা গেছে।

সোমবার সকালে উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের দুলালী গ্রাম থেকে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় শ্বশুর আজিজারকে আটক করে আনা হয়।

সদর উপজেলার হারাটি ইউনিয়নের বালাটারী গ্রামের মজিবর রহমানের মেয়ে মর্জিনা বেগমের সঙ্গে পাঁচ বছর আগে বিয়ে হয় শফিকুল ইসলামের। তাদের সংসারে কিরণবালা নামের এক মেয়ের জন্ম হয়।

রোববার বিকেলে কিরণ বালা বাড়ির উঠানে মলত্যাগ করে। কিন্তু তা পরিষ্কার করতে দেরি হওয়ায় মর্জিনাকে গালমন্দ করেন শাশুড়ি ও দেবর। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয় তাদের মধ্যে।

সন্ধ্যায় আবারও তাদের মধ্যে বাচ্চাকে নিয়ে বাগবিতণ্ডা হলে স্বামী শফিকুল ইসলাম মর্জিনাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

পরে মরদেহ বাড়িতে ফেরত নিয়ে এসে মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে ঘরের সব আসবাবপত্র নিয়ে পালিয়ে যান স্বামী শফিকুল ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা।

খবর পেয়ে কালীগঞ্জ থানায় মেয়েকে হত্যার অভিযোগ দেন মর্জিনার বাবা মজিবর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমার মেয়েকে তুচ্ছ ঘটনায় পিটিয়ে হত্যা করে মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে আত্মহত্যার কথা বলে বাড়ির সবাই পালিয়ে যায়।’

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরজু মো. সাজ্জাদ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মৃতদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। মর্জিনার শ্বশুরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের বাসায় হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা
পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
‘ব্যবসায়ীকে হাতু‌ড়িপেটা’: ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
জমি দখলে বাধা দেয়ায় ‘হামলার শিকার’ বীর মুক্তিযোদ্ধা

শেয়ার করুন

নবজাতক রেখে মা-বাবা উধাও, দত্তক নিতে ভিড়

নবজাতক রেখে মা-বাবা উধাও, দত্তক নিতে ভিড়

বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্মের পর এক নবজাতককে ফেলে চলে গেছেন তাদের বাবা মা। ছবি: নিউজবাংলা

হাসপাতালের রেজিস্ট্রার খাতায় নবজাতকের মায়ের নাম অর্চনা বড়ুয়া ও বাবার নাম সুবোধ বড়ুয়া বলে লিপিবদ্ধ করা হয়। তাদের ঠিকানা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের জলদী লেখা আছে। তবে সেই এলাকায় গিয়ে এই নামে কাউকে পাওয়া যায় না।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্মের পর এক মেয়ে নবজাতককে ফেলে রেখে চলে গেছেন তাদের বাবা মা। হাসপাতালে তারা যে নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ করেছেন, এলাকায় গিয়ে তার সত্যতা পাওয়া যায়নি।

বাবা-মা ছেড়ে গেলেও শিশুটিকে আপন করে নিতে হাসপাতালে এসে ধরনা দিচ্ছেন নিঃসন্তান দম্পতিরা। তবে আদালতের আদেশ ছাড়া কাউকে শিশুটি দেয়া যাবে না বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শিশুটি পুরোপুরি সুস্থ আছে। তাকে দেখভাল করছেন নার্স ও চিকিৎসকরা।

রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে বিষয়টি সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

হাসপাতালের রেজিস্ট্রার খাতায় নবজাতকের মায়ের নাম অর্চনা বড়ুয়া ও বাবার নাম সুবোধ বড়ুয়া বলে লিপিবদ্ধ করা হয়। তাদের ঠিকানা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের জলদী লেখা আছে।

বাঁশখালী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তপন বড়ুয়া বলেন, ‘ওই নবজাতকের পিতা-মাতার সঠিক সন্ধানে পুলিশ ও পৌরসভার লোকজন অনেক অনুসন্ধান চালিয়েছে। অর্চনা বড়ুয়া নামে আমার ওয়ার্ডের উত্তর জলদী বড়ুয়া পাড়া এলাকায় কাউকে পাওয়া যায়নি।’

বাবা-মা পরিত্যাগ করলেও শিশুটিকে আপন করে নেয়ার মানুষের অভাব নেই। নিঃসন্তান বেশ কয়েকজন দম্পতি ওই নবজাতককে দত্তক নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

সকাল থেকেই বাচ্চাটি নেয়ার জন্য অনেকে ভিড় জমায় হাসপাতালে।

বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিউর রহমান মজুমদার বলেন, ‘রোববার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে নবজাতকের জন্ম হয়। এরপর তার বাবা-মা নবজাতককে রেখে চলে যান। বর্তমানে ওই নবজাতক হাসপাতালের হেফাজতে রয়েছে। সুস্থ আছে।’

বাচ্চাটিকে নিয়ে কী করা হবে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া দত্তক দেয়া যায় না। আমরা শিশুটিকে তার মা-বাবার কাছে ফেরত দেয়ার চেষ্টা করছি।’

কোনো শিশুকে দত্তক নিতে হলে আদালতে আবেদন করতে হয়। আর স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দেন বিচারক।

আরও পড়ুন:
শিক্ষকের বাসায় হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ
কোম্পানীগঞ্জে ছাত্রলীগ নেতার ওপর হামলা
পূর্বশত্রুতার জেরে বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ
‘ব্যবসায়ীকে হাতু‌ড়িপেটা’: ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
জমি দখলে বাধা দেয়ায় ‘হামলার শিকার’ বীর মুক্তিযোদ্ধা

শেয়ার করুন