ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি

ইয়াসে বিধ্বস্ত ভোলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি

চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার জানান, গত বছর ঘূর্ণিঝড় আম্পানে আমাদের ঢালচরের অনেক ক্ষতি হয়েছে। বছর ঘুরতেই আবারও দুর্যোগের হানা। ইয়াসের প্রভাবে এই ইউনিয়নের শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ভাসিয়ে নিয়ে গেছে ফসলি জমি, মাছের ঘের, মৎস্য আড়তসহ গবাদিপশু।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট ঝোড়ো হাওয়া ও দমকা বাতাসে উপকূলীয় জেলা ভোলার ৫টি উপজেলার ১১ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর মধ্যে আশিংক বিধ্বস্ত হয়েছে ৭ হাজার ৭৩০টি ঘর। সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫৭৯টি ঘর।

এ ছাড়া পূর্ণিমার প্রভাবে নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় জেলার ২৩টি চরের ৬৮ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি অবস্থায় আছে। জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে তাদের জীবন পরিচালনা করতে হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পানিবন্দি এসব মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছে দেয়ার কথা বলা হলেও এখনও ত্রাণ পায়নি হাজারো মানুষ। অর্ধাহারে-অনাহারে অনেকটা মানবতর দিন কাটছে তাদের।

অন্যদিকে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় তলিয়ে গেছে শত শত পুকুর ও মাছের অর্ধশতাধিক ঘের। যদিও জেলা প্রশাসক বলছেন, ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলমান আছে এবং শেষ হলে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা করা হবে।

ঝড়ের প্রভাবে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে ভোলার উপকূল। উপকূলের বেশির ভাগ এলাকায় এখন ঝড়ের ক্ষতচিহ্ন।

ঘরবাড়ি, মাছের ঘের, দোকানপাট আর গবাদিপশু হারিয়ে অনেকেই এখন দিশেহারা। পানিবন্দি হয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন অনেকে।

সাগর উপকূলের দ্বীপচর চরফ্যাশনের ঢালচর, কুকরি-মুকরি ও মনপুরা উপজেলায় ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। অনেকের ঘরে ঠিকমতো রান্নাও হচ্ছে না। জীবন বাঁচাতে অনেকে সাইক্লোন শেল্টারে আশ্রয় নিলেও তারা হারিয়েছেন সহায়-সম্বল।

সাগরমোহনায় ঢালচর ইউনিয়নের মর্জিনা বেগম বলেন, ‘আমাগো খোঁজখবর কেউ রাহে না। গত তিনডা দিন ধইরা পানির লগে যুদ্ধ কইরা টিক্কা আছি। পানি উঠলে আমাগো কষ্টের শেষ নাই। রান্না করতো পারি না, খাইতো পারি না। পোলাইন-ছাওল লইয়া অনেক কষ্টের মইধ্যে আছি। বানের পানি তো আমাগো ঘর পইড়া গেছে। এহন ঘর কেমনে ঠিক করমু পোলাইন-ছাওল লইয়া কোন জায়গা থাকমু, সেই চিন্তায়ও বাঁচি না। শুধু আমি না, আমাগো মতো অনেক মাইনষের ঘর-দুয়ার পানিতে ভাসাইয়া লয়া গেছে, মাথা গোঁজানোর মতো জায়গা নাই। এহন সরকার যদি আমাগো দিকে চায়, তাইলে আমাগো কিছুডা রক্ষা হইব।’

মর্জিনার মতো একই অবস্থা ঢালচরের শতাধিক পরিবারের। ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে প্রচণ্ড বাতাস ও তীব্র পানির চাপে ঘরের মাটি নরম হয়ে ঘর পড়ে গেছে। এখন খোলা আকাশের নিচে জীবন কাটাচ্ছে ঢালচরের হাজারো মানুষ। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার ছাড়া তেমন কিছুই জোটেনি তাদের ভাগ্যে।

বিধ্বস্ত ঘরের মালিক মামুন মাঝি বলেন, ‘নদীর পাড়ে থাকি আমরা। মাছ ধরন বন্ধ থাকায় এমনেই বইসা রইছি। তার উপর তুফানে বাড়িটা ফালায়া দিল। পোলাইন-ছাওল লইয়া কই থাহুম। টাকা নাই ঘর যে আবার নতুন কইরা করুম।’

চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার বলেন, ‘গত বছর ঘূর্ণিঝড় আম্পানে আমাদের ঢালচরের অনেক ক্ষতি হয়েছে। বছর ঘুরতেই আবারও দুর্যোগের হানা। ইয়াসের প্রভাবে এই ইউনিয়নের শতাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ভাসিয়ে নিয়ে গেছে ফসলি জমি, মাছের ঘের, মৎস্য আড়তসহ গবাদিপশু। পানি এখনও ওঠার কারণে মানুষ এখন খাদ্যসংকটে আছে। তাই প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, ঢালচরবাসীর জন্য যেন দ্রুত সহায়তা পাঠায়।’

চরফ্যাশনের আহম্মদপুর ইউনিয়নের আব্দুল হামিদ বলেন, ‘ইয়াসের প্রভাবে প্রচণ্ড বাতাসে নদীর পানি ঢুকে আমার মাছের ৬টি ঘেরের লক্ষ লক্ষ টাকার মাছ ভেসে গেছে। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মাছের চাষাবাদ করছিলাম। কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগে শুরুতেই সব শেষ হয়ে গেল পানির কারণে।’

একই এলাকার এনায়েত পাটারী বলেন, ‘নদীতে পানি বাড়তে থাকায় সেই পানি খাল দিয়ে ঢুকে আমাদের ঘেরের মাছ সব ভাসিয়ে নিয়ে গেছে। এখন ধারদেনা কীভাবে শোধ করব, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

প্রবল জোয়ারের চাপে জেলার ১৫টি পয়েন্টে বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভেঙে গেছে বাঁধের ৪০ মিটার।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বাবুল আক্তার জানান, বাঁধের বাইরে যেসব নিচু এলাকা রয়েছে, সবগুলো তলিয়ে গেছে। ইতিমধ্যে শহর রক্ষা বাঁধের জন্য ৩৫ হাজার জিও ব্যাগ মজুত করা রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধগুলো দ্রুত সংস্কার করছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন বলেন, ইয়াসের প্রভাবে ভোলার ২৩টি দুর্গম এলাকায় ৬৮ হাজারের মতো মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে। জোয়ারের কারণে পানি উঠছে আবার নামছে। এসব এলাকায় শুকনা খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুনর্বাসন করা হবে।

তিনি জানান, ভোলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন করার জন্য ১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার ফান্ড রয়েছে। ৪২ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল মজুত রয়েছে। এ ছাড়া ইতিমধ্যে বিভিন্ন উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্য বিতরণ ও যাতায়াত খরচের জন্য সাড়ে ১৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ
জোয়ারের পানিতে ভেসে নারীর মৃত্যু
ইয়াস: জোয়ারে ভেঙেছে সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটি
ইয়াস: হাতিয়ায় জোয়ারে নিখোঁজ শিশু

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ময়মনসিংহে ট্রাকের নিচে গেল চার প্রাণ

ময়মনসিংহে ট্রাকের নিচে গেল চার প্রাণ

মুক্তাগাছায় ট্রাকচাপায় প্রাণ হারান তিন মোটরসাইকেল আরোহী। আর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাকে দেখে ফেরার সময় ফুলবাড়িয়ায় প্রাণ হারিয়েছে এক স্কুলছাত্র।

ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা ও ফুলবাড়িয়া উপজেলায় মঙ্গলবার ট্রাকচাপায় প্রাণ হারিয়েছে চারজন।

তাদের মধ্যে মুক্তাগাছায় ট্রাকচাপায় প্রাণ হারান তিন মোটরসাইকেল আরোহী। আর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মাকে দেখে ফেরার সময় ফুলবাড়িয়ায় প্রাণ হারিয়েছে এক স্কুলছাত্র।

মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে মুক্তাগাছার ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের হরিণাতলা এলাকায় মোটরসাইকেলটিতে ধাক্কা দেয় একটি ট্রাক। এতে উপজেলার ঘোগা ইউনিয়নের চারিপাড়া গ্রামের সেলিম মিয়া, সবুজ মিয়া ও অন্তর মিয়া নামে তিন যুবক নিহত হন।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন মুক্তাগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি জানান, তিন যুবক এক মোটরসাইকেলে উপজেলার রসুলপুর থেকে চারিপাড়া নিজেদের গ্রামে আসছিলেন। পথে হরিণাতলা এলাকায় পেছন থেকে একটি ট্রাক তাদের মোটরসাইকেলটিতে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় অন্য দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আরেকজন ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় ট্রাকটি জব্দ এবং চালক ইনসানকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় ড্রামট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে আরিফ হোসেন প্রান্ত নামে এক স্কুলছাত্র নিহত হয়। আহত হয় আরও দুজন।

মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে ময়মনসিংহ-ফুলবাড়িয়া সড়কের লক্ষ্মীপুরের ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত প্রান্তর বাড়ি ফুলবাড়িয়া উপজেলার কুশমাইল ইউনিয়নের দেউনাইপাড় গ্রামে। সে সরকারি ফুলবাড়িয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ত।

ফুলবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুর রহমান জানান, প্রান্তর মা ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালে মাকে দেখে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাড়ি ফিরছিল সে। পথে একটি ড্রামট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোরিকশায় থাকা প্রান্তসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়। তাদের ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রান্তকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

ওসি বলেন, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ড্রামট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে। পলাতক ট্রাকচালককে চিহ্নিত করে আটকের চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ
জোয়ারের পানিতে ভেসে নারীর মৃত্যু
ইয়াস: জোয়ারে ভেঙেছে সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটি
ইয়াস: হাতিয়ায় জোয়ারে নিখোঁজ শিশু

শেয়ার করুন

পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চায়ের দোকানে, নিহত ১, আহত ৯

পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চায়ের দোকানে, নিহত ১, আহত ৯

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চিতলীয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সায়াদ মিয়া একটি পিকআপ নিয়ে গ্রাম্য রাস্তায় গাড়ি চালানো শিখছিলেন। চিৎলিয়া আমতলা বাজার এলাকায় গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের তাজর মিয়ার চায়ের দোকানে ঢুকে পড়ে। এ সময় চায়ের দোকানের বারান্দায় বসা ৭৫ বছর বয়সী জায়ফর মিয়া পিকআপের চাকায় চাপা পড়েন।

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের আলীনগরে পিকআপ চালানো শেখার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চা দোকানে ঢুকে গেলে ঘটনাস্থলেই ১ জন নিহত হন। আহত হয়েছেন ৯ জন ।

মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে কমলগঞ্জের আলীনগর ইউনিয়নের চিৎলিয়া আমতলা এলাকায় মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ মহেন্দ্র পিকআপটি উদ্ধার করে থানায় জব্দ করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, চিতলীয়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সায়াদ মিয়া একটি পিকআপ নিয়ে গ্রাম্য রাস্তায় গাড়ি চালানো শিখছিলেন। চিৎলিয়া আমতলা বাজার এলাকায় গেলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের তাজর মিয়ার চায়ের দোকানে ঢুকে পড়ে। এ সময় চায়ের দোকানের বারান্দায় বসা ৭৫ বছর বয়সী জায়ফর মিয়া পিকআপের চাকায় চাপা পড়েন। তাকে উদ্ধার করে দ্রুত কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অবস্থা শোচনীয় দেখে তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পথে সন্ধ্যায় জায়ফর মিয়ার মৃত্যু হয়।

আলীনগর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম শামীম নিউজবাংলাকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ খবর পেয়ে পিকআপটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে জব্দ করেছে। ঘটনার পর থেকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য সায়াদ মিয়া পলাতক রয়েছেন।

এ ব্যাপারে কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়ারদৌস হাসান বলেন, পিকআপটি জব্দ করে এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত সায়াদ মিয়াকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ
জোয়ারের পানিতে ভেসে নারীর মৃত্যু
ইয়াস: জোয়ারে ভেঙেছে সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটি
ইয়াস: হাতিয়ায় জোয়ারে নিখোঁজ শিশু

শেয়ার করুন

জীবননগর উপজেলায় ৭ দিনের লকডাউন

জীবননগর উপজেলায় ৭ দিনের  লকডাউন

মঙ্গলবার দুপুরে লকডাউন সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন জেলা প্রশাসক।  উপজেলা করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সভায় লকডাউন কার্যকর করতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলা ৭দিনের জন্য লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

বুধবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া লকডাউন চলবে আগামী ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত।

সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় করোনার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক। প্রায় আড়াই ঘণ্টা চলে ভিডিও কনফারেন্স। এ সময় চুয়াডাঙ্গা জেলার করোনার সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন জেলা প্রশাসক নজরুল ইসলাম সরকার। পরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে জীবননগর উপজেলাকে কঠোর লকডাউনের আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

মঙ্গলবার দুপুরে লকডাউন সংক্রান্ত একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেন জেলা প্রশাসক। উপজেলা করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির সভায় লকডাউন কার্যকর করতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম মুনিম লিংকন জানান, জীবননগর উপজেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তাই অবশেষে জীবননগর উপজেলাকে লকডাউন ঘোষনা করা হয়েছে। লকডাউন বাস্তবায়ন করতে মাঠে কঠোর অবস্থানে থাকবে প্রশাসন।

উল্লেখ্য, এর আগে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় গত ১৫ জুন থেকে ১৪ দিনের জন্য লকডাউন করা হয় জেলার সীমান্তবর্তী দামুড়হুদা উপজেলা। ২০ জুন লকডাউন করা হয় চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকা ও সদর উপজেলার আলুকদিয়া ইউনিয়ন। ১৮ জুন থেকে ৭ দিনের বিশেষ বিধি নিষেধ জারি করা হয় জীবননগর উপজেলায়। পরে ২৩ জুন থেকে ওই উপজেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন:
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ
জোয়ারের পানিতে ভেসে নারীর মৃত্যু
ইয়াস: জোয়ারে ভেঙেছে সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটি
ইয়াস: হাতিয়ায় জোয়ারে নিখোঁজ শিশু

শেয়ার করুন

দর্শনা দিয়ে ফিরলেন আরও ৩৪ বাংলাদেশি

দর্শনা দিয়ে ফিরলেন আরও ৩৪ বাংলাদেশি

দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন ভারতে আটকে পড়া আরও ৩৪ বাংলাদেশি। ছবি: নিউজবাংলা

দর্শনা জয়নগর চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এস আই) আব্দুল আলিম জানান, ভারতের কোলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে নতুন অনাপত্তি পত্র (এনওসি) নিয়ে মঙ্গলবার ৩৪ জন বাংলাদেশি দর্শনা চেকপোস্টে প্রবেশ করেন। সেখানে আসার পর স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়। তবে এসময় তাদের মধ্যে কেউ করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়নি।

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন ভারতে আটকে পড়া আরও ৩৪ বাংলাদেশি। এ নিয়ে গত ৩৬ দিনে ওই চেকপোস্ট দিয়ে মোট ৯৮৭ জন দেশে ফিরলেন।

মঙ্গলবার ভারতের গেদে চেকপোস্ট হয়ে দর্শনা চেকপোস্টে প্রবেশ করেন ওই বাংলাদেশিরা।

দেশে প্রবেশের পর ওই চেকপোস্টেই অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্পে তাদের র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম। তবে এদিন তাদের কারও শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়নি।

দর্শনা জয়নগর চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এস আই) আব্দুল আলিম জানান, ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে নতুন অনাপত্তি পত্র (এনওসি) নিয়ে মঙ্গলবার ৩৪ জন বাংলাদেশি দর্শনা চেকপোস্টে প্রবেশ করেন। সেখানে আসার পর স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়।

তবে কেউ করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়নি। সেখান থেকে নির্ধারিত পরিবহনযোগে ২৭ জনকে জেলা যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ও ৭ জনকে স্থানীয় হোটেল ভিআইপিতে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংক্রান্ত উপকমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশের অভিবাসনবিষয়ক শাখা (ইমিগ্রেশন) ও শুল্ক বিভাগের (কাস্টমস) আনুষ্ঠানিকতা শেষে সেখান থেকে ভারতফেরতদের নির্ধারিত পরিবহনযোগে (মাইক্রোবাস) জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত কোয়ারেন্টিন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তারা ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।

আরও পড়ুন:
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ
জোয়ারের পানিতে ভেসে নারীর মৃত্যু
ইয়াস: জোয়ারে ভেঙেছে সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটি
ইয়াস: হাতিয়ায় জোয়ারে নিখোঁজ শিশু

শেয়ার করুন

আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজন

আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজন

রাত পৌনে ১টায় নগরীর ঈশ্বরবসু রোডে ১৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কেক কেটে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

বরিশালে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে আওয়ামী লীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।

রাত ১২টা ১মিনিটে নগরীর ৭২টি স্থান থেকে একযোগে আতশবাজির প্রদর্শন করা হয়।

মধ্যরাতে কিছু সময়ের জন্য বরিশাল নগরীর আকাশ ছিল রঙে রঙিন আলোকোজ্জ্বল। আতশবাজির শব্দে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে নগরী। উৎসুক মানুষ আতশবাজির প্রদর্শন উপভোগ করতে বাইরে বের হয়ে আসে।

রাত পৌনে ১টায় নগরীর ঈশ্বরবসু রোডে ১৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কেক কেটে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আফজালুল করিমসহ মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তিন দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে বুধবার বিকাল তিনটায় আলোচনা সভা রয়েছে। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে দলের স্থায়ী কার্যালয় স্থাপনেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছে মহানগর আওয়ামী লীগ।

বৃহস্পতিবার বিকেল তিনটায় মাসব্যাপী ৭২ হাজার বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে নগরীর বধ্যভূমি এলাকায়।

এদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নগরজুড়ে আলোকসজ্জা করেছে মহানগর আওয়ামী লীগ।

আরও পড়ুন:
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ
জোয়ারের পানিতে ভেসে নারীর মৃত্যু
ইয়াস: জোয়ারে ভেঙেছে সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটি
ইয়াস: হাতিয়ায় জোয়ারে নিখোঁজ শিশু

শেয়ার করুন

গৌরনদীতে নির্বাচন: দুজন নিহতের ঘটনায় মামলা

গৌরনদীতে নির্বাচন: দুজন নিহতের ঘটনায় মামলা

গৌরনদীর একটি ইউপি নির্বাচনে সহিংসতায় দুজন নিহত হন। ছবি: নিউজবাংলা

সোমবার দুপুরে উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে ককটেল হামলায় মৌজে আলী মৃধা নামে একজন নিহত হন। একই ইউনিয়নে সন্ধ্যায় পাঙ্গাসিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ফল ঘোষণার পর সদস্য প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন মৃধার বিজয় মিছিলে ককটেল হামলায় আবু বক্কর নামে আরেকজন নিহত হন।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় ইউপি নির্বাচনে সহিংসতায় দুজন নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়েছে।

একটি মামলায় তিনজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ। তবে বাদীর অভিযোগ মূল আসামিরা এখনও অধরা।

স্থানীয় লোকজন জানান, সোমবার দুপুরে উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের বাইরে ককটেল হামলায় মৌজে আলী মৃধা নামে একজন নিহত হন।

একই ইউনিয়নে সন্ধ্যায় পাঙ্গাসিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ফল ঘোষণার পর সদস্য প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন মৃধার বিজয় মিছিলে ককটেল হামলায় আবু বক্কর নামে আরেকজন নিহত হন। দুই ঘটনায় আহত হন সাতজন।

মৌজে আলী হত্যার ঘটনায় মঙ্গলবার তার ছেলে নজরুল মৃধা ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় ৭০-৮০ জনকে আসামি করে গৌরনদী থানায় মামলা করে। এ মামলার তিন আসামি ফিরোজ মৃধা, মাহফুজুর রহমান ইমন ও নয়ন মৃধাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তবে বাদীর অভিযোগ, তার দেয়া আসামিদের নাম পরিবর্তন করে মামলা নিয়েছে থানা পুলিশ।

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান অবশ্য দাবি করেছেন, বাদীর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেই মামলায় আসামি করা হয়েছে। বাদী যদি অন্যকিছু বলে থাকেন, তাহলে তিনি আদালতে লিখিত আবেদন করতে পারেন।

অপরদিকে আবু বক্কর হত্যার ঘটনায় তার বাবা আনজু ফকির অর্ধশতাধিক ব্যক্তির নামে মঙ্গলবার দুপুরে গৌরনদী থানায় মামলা করেন। এই মামলার কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন:
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ
জোয়ারের পানিতে ভেসে নারীর মৃত্যু
ইয়াস: জোয়ারে ভেঙেছে সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটি
ইয়াস: হাতিয়ায় জোয়ারে নিখোঁজ শিশু

শেয়ার করুন

১২ হাজার ছাড়াল গাজীপুরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা

১২ হাজার ছাড়াল গাজীপুরে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা

সিভিল সার্জন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার ৩১৩ জনের দেহে নমুনা পরীক্ষায় ৫৬ জনের করোনা শনাক্ত  হয়। এর মধ্যে গাজীপুর সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ৩০ জন, কালিয়াকৈর উপজেলায় ৬ জন, কাপাসিয়া উপজেলায় ৬ জন ও শ্রীপুর উপজেলায় ১৪ জন। তবে কালীগঞ্জ উপজেলায় নতুন করে আক্রান্তের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

গাজীপুরে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে নতুন করে ৫৬ জন আক্রান্ত হয়েছে।

এ নিয়ে জেলায় করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১২ হাজার ৩৬জনে দাঁড়াল। জেলায় করোনায় মোট মারা গেছে ২২৭ জন। মঙ্গলবার বিকেলে গাজীপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. খাইরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সিভিল সার্জন জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার ৩১৩ জনের দেহে নমুনা পরীক্ষায় ৫৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এর মধ্যে গাজীপুর সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ৩০ জন, কালিয়াকৈর উপজেলায় ৬ জন, কাপাসিয়া উপজেলায় ৬ জন ও শ্রীপুর উপজেলায় ১৪ জন। তবে কালীগঞ্জ উপজেলায় নতুন করে আক্রান্তের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত গাজীপুর জেলায় ৮৭ হাজার ৯৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১২ হাজার ৩৬ জনের শরীরে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে গাজীপুর সদর ও সিটি করপোরেশন এলাকায় ৭ হাজার ৮৮৩ জন, কালীগঞ্জে ৮৬৩ জন, কালিয়াকৈরে ১ হাজার ২২২, কাপাসিয়ায় ৭৬০ ও শ্রীপুরে ১ হাজার ৩০৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১০ হাজার ৫৯৬ জন।

আরও পড়ুন:
অতি জোয়ারে বরগুনায় মাছের ক্ষতিই কোটি টাকার
ইয়াসে ভাঙল বিষখালী নদীর বাঁধ
জোয়ারের পানিতে ভেসে নারীর মৃত্যু
ইয়াস: জোয়ারে ভেঙেছে সেন্টমার্টিনের একমাত্র জেটি
ইয়াস: হাতিয়ায় জোয়ারে নিখোঁজ শিশু

শেয়ার করুন