আশ্রয়কে‌ন্দ্রে শিশুর জন্ম

আশ্রয়কে‌ন্দ্রে শিশুর জন্ম

বুধবার সকা‌ল সা‌ড়ে ৮টার দিকে তার কা‌ছে খবর আসে যে, নুর আল‌মের স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠেছে। এই খবর শু‌নে সঙ্গে সঙ্গে তি‌নি কলাপাড়া হাসপাতা‌লকে অব‌হিত ক‌রেন। প‌রে সেখান থে‌কে স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মীদের জানা‌নো হ‌লে আফ‌রোজা বেগম ও জয়‌ন্তিকা আশ্রয়কেন্দ্রে আসেন। তা‌দের সহযোগিতায় সকাল সা‌ড়ে ৯টার দি‌কে স্বাভা‌বিকভা‌বেই শিশুটির জন্ম হয়।

পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়‌কে‌ন্দ্রে আশ্রয় নেয়া এক নারী পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়েছেন।

বুধবার সকাল সা‌ড়ে ৯টায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপ‌জেলার লালুয়া ইউ‌নিয়‌নের চান্দুপাড়া সরকারী প্রাথ‌মিক বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে তান‌জিলা বেগম না‌মের গৃহবধু এ সন্তানের জন্ম দেন। এটা তার প্রথম সন্তান।

নবজাতক ও মা দুজনই সুস্থ আছেন এবং তারা আশ্রয়কে‌ন্দ্রেই অবস্থান কর‌ছেন। নবজাত‌কের নাম রাখা হ‌য়ে‌ছে মো. বেল্লাল শরীপ। তার বাবার নাম মো. নুর আলম শরীপ।

বিষয়‌টি নি‌শ্চিত ক‌রে‌ছেন লালুয়া ইউ‌নিয়ন প‌রিষ‌দের চেয়ারম‌্যান মো. শওকত হো‌সেন তপন বিশ্বাস।

নবজাত‌কের বর্তমান অবস্থা জান‌তে মোবাইল ফো‌নে যোগা‌যোগ করা হ‌লে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হালদার জানান, বিষয়টি আমরা জানার পর স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মী আফ‌রোজা বেগম ও জয়‌ন্তিকা‌কে তাৎক্ষ‌ণিকভা‌বে সেখা‌নে পাঠাই এবং পু‌রো বিষয়‌টি ম‌নিট‌রিংয়ের জন‌্য হাসপাতা‌লের মে‌ডি‌ক্যাল অফিসার ডা. অনুপ কুমার সরকারকে দা‌য়িত্ব দেয়া হয়।

তি‌নি জানান, তা‌দের সহযোগিতায় শিশুটির স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জন্ম হয়েছে। এখন পর্যন্ত বাচ্চা ও মা দুইজনই সুস্থ আছেন। ওই দুইজন স্বাস্থ‌্যকর্মী বর্তমা‌নে নবজাতক ও তার মা‌কে দেখভাল কর‌ছেন।

ঘটনার বর্ণনা দি‌য়ে লালুয়া ইউপি চেয়ারম‌্যান শওকত হো‌সেন তপন বিশ্বাস জানান, মঙ্গলবার জোয়ার শুরু হ‌লে চার‌দি‌কে পা‌নি প্রবেশ ক‌রে। আর এ কার‌ণে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যারা ছিল তা‌দের সবাইকে আশ্রয়‌কে‌ন্দ্রে নেয়ার চেষ্টা ক‌রি। এমন সময় নুর আলম শরীপ তার ঘ‌রের চার‌দি‌কে পা‌নি আস‌তে দে‌খে মঙ্গলবার বিকেলেই তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী‌কে নি‌য়ে বাড়ির পা‌শে চান্দুপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেন।

বুধবার সকা‌ল সা‌ড়ে ৮টার দিকে তার কা‌ছে খবর আসে যে, নুর আল‌মের স্ত্রীর প্রসব বেদনা উঠেছে। এই খবর শু‌নে সঙ্গে সঙ্গে তি‌নি কলাপাড়া হাসপাতা‌লকে অব‌হিত ক‌রেন। প‌রে সেখান থে‌কে স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মীদের জানা‌নো হ‌লে আফ‌রোজা বেগম ও জয়‌ন্তিকা আশ্রয়কেন্দ্রে আসেন। তা‌দের সহযোগিতায় সকাল সা‌ড়ে ৯টার দি‌কে স্বাভা‌বিকভা‌বেই শিশুটির জন্ম হয়।

চেয়ারম‌্যান তপন বিশ্বাস আরও জানান, আবহাওয়া সম্পূর্ণ স্বাভা‌বিক না হওয়া পর্যন্ত নবজাতক ও মা আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান কর‌বেন। তা‌দের খাবারসহ সব ধর‌নের সাহায‌্য সহ‌যো‌গিতা দেয়া হবে।

এর আগে ২০১৯ সালে ঘূর্ণিঝড় বুলবু‌লের সময় কলাপাড়া উপ‌জেলার এক‌টি আশ্রায়‌কে‌ন্দ্রে এক কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। তাৎক্ষ‌ণিকভাবে তার নাম রাখা হ‌য়ে‌ছিল বুলবু‌লি আক্তার বন‌্যা।

আরও পড়ুন:
খুলি ও মগজবিহীন শিশুর জন্ম

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

সাভারে বাসচাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

সাভারে বাসচাপায় মৃত্যু হয়েছে এক বাইকচালকের। আশুলিয়ায় রাস্তা পার হওয়ার সময় প্রাণ গেছে গৃহপরিচারিকার।

সাভারে বাসচাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর বাসস্ট্যান্ডের সেনা শপিং কমপ্লেক্সের সামনে ফুটওভার ব্রিজের নিচে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম জাহিদুল ইসলাম, তার বাড়ি রাজধানীর হাজারীবাগে।

নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ করিম।

তিনি বলেন, দুপুর ১২টার দিকে নবীনগর বাসস্ট্যান্ডের ওই ওভারব্রিজের নিচে একটি অজ্ঞাত বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বাইকচালকের মৃত্যু হয়।

মরদেহ ও দুর্ঘটনাকবলিত বাইকটি সাভার হাইওয়ে থানায় নেয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, জাহিদ কোনো বাইক রাইডার গ্রুপের সদস্য।

ওসি সাজ্জাদ আরও জানান, বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।

এদিকে, সাভারেই পিকআপ ভ্যানের চাপায় এক গৃহপরিচারিকার মৃত্যু হয়েছে।

টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কের মরাগাং এলাকায় বুধবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সুজাতা রানী বর্মন নওগাঁ জেলার নেয়ামতপুর থানার সদায় বর্মনের স্ত্রী। তিনি তুরাগ এলাকায় থেকে বাসাবাড়িতে কাজ করতেন।

আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুদীপ কুমার গোপ নিউজবাংলাকে জানান, সকালে মরাগাং এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিলেন সুজাতা। এ সময় একটি দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যান তাকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। পরে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেয়া হয়।

মরদেহ দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
খুলি ও মগজবিহীন শিশুর জন্ম

শেয়ার করুন

মামাকে হত্যার অভিযোগে আটক ভাগ্নে

মামাকে হত্যার অভিযোগে আটক ভাগ্নে

জয়পুরহাটে ভাগ্নের ছুরিকাঘাতে মামা নিহত হয়েছেন। ছবি: নিউজবাংলা

পরিবারের বরাত দিয়ে ওসি জানান, রাজু তার মামা মোস্তাককে কিছু টাকা ধার দেন। ওই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রাজু ঘর থেকে ধারালো ছুরি এনে মোস্তাককে এলোপাতারি কোপায়।

জয়পুরহাট পৌর শহরে পাওনা টাকার জন্য মামাকে খুন করেছেন ভাগ্নে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন একজন।

শহরের হারাইল এলাকায় বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোস্তাক হোসেন ওই এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। আহত ব্যক্তির নাম জিম হোসেন। তিনি মোস্তাকের আরেক ভাগ্নে।

ঘটনাস্থল থেকেই আটক করা হয়েছে মোস্তাকের ভাগ্নে রাজু আহম্মেদকে। তার বিরুদ্ধেই মোস্তাককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। একই এলাকায় থাকতেন তারা।

পরিবারের বরাত দিয়ে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান জানান, রাজু তার মামা মোস্তাককে কিছু টাকা ধার দেন। ওই টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রাজু ঘর থেকে ধারালো ছুরি এনে মোস্তাককে এলোপাতারি কোপায়।

এ সময় জিম তাকে বাঁচাতে গেলে রাজু তাকেও কোপায়।

ওসি আরও জানান, তাদের চিৎকারে এলাকাবাসী গিয়ে রাজুকে আটক করে পুলিশে দেয়। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করলে চিকিৎসক মোস্তাককে মৃত ঘোষণা বরেন।

গুরুতর আহত জিমকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আরও পড়ুন:
খুলি ও মগজবিহীন শিশুর জন্ম

শেয়ার করুন

ফুলবাড়ী সীমান্তে করোনায় একজনের মৃত্যু

ফুলবাড়ী সীমান্তে করোনায় একজনের মৃত্যু

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আবেদের বাড়ি বাংলাদেশে হলেও তার শ্বশুরবাড়ি সীমান্তের ওপারে ভারতের সাহেবগঞ্জ থানার সেউটি-২ গ্রামে। শ্বশুরবাড়ির লােকজন সব সময় আবেদের বাড়িতে যাতায়াত করে।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর সীমান্তে করোনায় আক্রান্ত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

রংপুর মেডিক্যালের করােনা ইউনিটে বুধবার সকালে সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

ওই রোগীর নাম আবেদ আলী। ফুলবাড়ী সদর ইউনিয়নের নাখারজান এলাকার আন্তর্জাতিক মেইন পিলার-৯৪১-এর পাশে তার বাড়ি।

আবেদের ছেলে মমিন জানান, তার বাবা অসুস্থ হলে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করােনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৩ দিন ধরে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন তিনি।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আবেদের বাড়ি বাংলাদেশে হলেও তার শ্বশুরবাড়ি সীমান্তের ওপারে ভারতের সাহেবগঞ্জ থানার সেউটি-২ গ্রামে। শ্বশুরবাড়ির লােকজন সব সময় আবেদের বাড়িতে যাতায়াত করে।

আবেদের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা এলাকায় ভারতীয় লোকজনের আসা-যাওয়া ঠেকাতে সীমান্তে প্রশাসনের নজরদারী বাড়ানোর দাবি জানান।

ফুলবাড়ী হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহে সেখানে এক শিশুসহ করােনা শনাক্ত হয়েছে ১১ জনের।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন দাস জানান, ভারতীয় ব্যক্তিদের সংস্পর্শে থাকার কারণে আবেদের করোনা হতে পারে। আর সীমান্ত এলাকায় করোনা নিয়ে সচেতনতাও কম।

আরও পড়ুন:
খুলি ও মগজবিহীন শিশুর জন্ম

শেয়ার করুন

নাটোরে দুই পৌর এলাকায় চলছে কঠোর লকডাউন

নাটোরে দুই পৌর এলাকায় চলছে কঠোর লকডাউন

জেলার সিভিল সার্জন কাজী মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে নাটোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১৯টি শয্যা বাড়িয়ে ৫০টি করা হলেও রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। বুধবার সকাল পর্যন্ত ৫২ জন রোগী ভর্তি আছেন করোনা ইউনিটে। স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনা সংক্রমণ কমছে না।

নাটোরে দুটি পৌর এলাকায় চলছে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন।

আগামী সাত দিনের এই লকডাউনের প্রথম দিন বুধবার সকাল ৬টা থেকেই প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। অপ্রয়োজনে সাধারণ মানুষকে ঘরের বাইরে বের না হতে এবং মাস্ক পরা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে চালানো হচ্ছে প্রচার।

এর আগে, সপ্তাহব্যাপী নাটোরের সিংড়া ও নাটোর পৌরসভা এলাকায় কঠোর বিধিনিষেধ দিলেও করোনা সংক্রমণ ও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা কমেনি। তাই দ্বিতীয় দফায় আরও সাত দিনের কঠোর লকডাউন ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন।

জেলার সিভিল সার্জন কাজী মিজানুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে নাটোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ১৯টি শয্যা বাড়িয়ে ৫০টি করা হলেও রোগীর চাপ সামলানো যাচ্ছে না। বুধবার সকাল পর্যন্ত ৫২ জন রোগী ভর্তি আছেন করোনা ইউনিটে। স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনা সংক্রমণ কমছে না।

তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের অভিযানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। আর তা না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। প্রতিদিনই হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। আজকে করোনা শনাক্ত ও আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোনো ফলাফল জেলা সিভিল সার্জন অফিসে এসে পৌঁছায়নি। মঙ্গলবার নাটোর পৌর এলাকায় আক্রান্তের হার ছিল ৬৫ শতাংশ। সিংড়ায় এই হার ছিল ৪৬ শতাংশ।’

সিভিল সার্জন জানান, মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ২৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় ১২০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই হিসাবে শনাক্তের হার ৪১ শতাংশ। জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩৯ জন মারা গেছেন। ১৫ জুন পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৫ জন।

পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, কঠোর লকডাউন মানার জন্য শহরের সবগুলো প্রবেশপথে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ শহরে প্রবেশ করতে এবং শহর থেকে কেউ বাইরে বের হতে পারবেন না।

নাটোর জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ জানান, করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে দ্বিতীয় দফার লকডাউনে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা মনিটরিং করছেন। কেউ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাকে আইনের আওতায় নেয়া হচ্ছে। প্রথম দফার লকডাউন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে, এবারের লকডাউনও সফল হবে।

আরও পড়ুন:
খুলি ও মগজবিহীন শিশুর জন্ম

শেয়ার করুন

জীবননগর সীমান্তে অনুপ্রবেশ, আটক ৮

জীবননগর সীমান্তে অনুপ্রবেশ, আটক ৮

ভারত থেকে অবৈধভাবে কয়েক ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে সকালে হাসাদহ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবির একটি টহল দল। এ সময় সেখান থেকে দুই দালালসহ আটজনকে আটক করা হয়। তাদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলায়।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে অবৈধভাবে প্রবেশের সময় নারী ও শিশুসহ ছয়জনকে আটক করেছে বর্ড ার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) একটি দল। এ সময় আটক করা হয় পারাপারে সহায়তাকারী দুই দালালকেও।

জীবননগর উপজেলার সীমান্তবর্তী হাসাদহ বাসস্ট্যান্ড থেকে বুধবার সকালে তাদের আটক করা হয় বলে দুপুর ১২টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমকে জানায় বিজিবি। আটক ব্যক্তিরা নিজেদের বাংলাদেশি বলে দাবি করেছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভারত থেকে অবৈধভাবে কয়েক ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশ করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে সকালে হাসাদহ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায় বিজিবির একটি টহল দল। এ সময় সেখান থেকে দুই দালালসহ আটজনকে আটক করা হয়। তাদের বাড়ি দেশের বিভিন্ন জেলায়।

ঝিনাইদহের মহেশপুর-৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম খান জানান, এ ঘটনায় জীবননগর থানায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে বিজিবি। পরে তাদের থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আরও পড়ুন:
খুলি ও মগজবিহীন শিশুর জন্ম

শেয়ার করুন

চাঁদপুরের অজগর, বানর, শকুন যাচ্ছে গাজীপুরে

চাঁদপুরের অজগর, বানর, শকুন যাচ্ছে গাজীপুরে

চাঁদপুর সদরের ফাইভ স্টার পার্কে ছিল একটি অজগর ও তিনটি বানর এবং কৃতিকুঞ্জ তিয়া পার্ক থেকে একটি অজগর, একটি শকুন ও দুইটি বানর উদ্ধার করা হয়। অজগর দুটির ওজন প্রায় ২০০ কেজি। লাইসেন্স ছাড়া পার্ক মালিকরা এই প্রাণীগুলো প্রদর্শনীর জন্য রেখেছিলেন।

চাঁদপুর সদরের দুটি পার্কে অবৈধভাবে রাখা আটটি বন্য প্রাণী জব্দ করেছে বন্য প্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট (ডব্লিউসিসিইউ)। সেগুলো গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে পাঠানো হবে বলে জানান কর্মকর্তারা।

ডব্লিউসিসিইউর পরিদর্শক অসীম মল্লিক এই তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, সদর উপজেলার আশিকাটি ইউনিয়নের ফাইভ স্টার শিশু পার্ক ও শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের কৃতিকুঞ্জ তিয়া পার্ক থেকে মঙ্গলবার বিকেলে বন্য প্রাণীগুলো জব্দ করা হয়। ওই পার্কের মালিকরা এই প্রাণীগুলো প্রদর্শনীর জন্য অবৈধভাবে রেখেছিলেন।

এর মধ্যে ফাইভ স্টার পার্কে ছিল একটি অজগর ও তিনটি বানর এবং কৃতিকুঞ্জ তিয়া পার্ক থেকে একটি অজগর, একটি শকুন ও দুইটি বানর উদ্ধার করা হয়। অজগর দুটির ওজন প্রায় ২০০ কেজি।

অসীম বলেন, ‘গত ৩ এপ্রিল ফাইভ স্টার পার্কে অভিযান চালাই। সে সময় একটি অজগর ও তিনটি বানর জব্দ করা হয়। সে সময় লকডাউন থাকায় আমরা প্রাণীগুলো পরিবহন করতে পারিনি। তাই তাদের জিম্মায় রেখে দিই। বন্য প্রাণী সংরক্ষণের কোনো ধরনের লাইসেন্স ওই পার্ক মালিকের ছিল না। তাই পার্ক মালিক মো. লিটনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।’

চাঁদপুরের অজগর, বানর, শকুন যাচ্ছে গাজীপুরে

অসীম জানান, অভিযানের খবর পেয়ে কৃতিকুঞ্জ তিয়া পার্কের মালিক মো. মিজান নিজেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি বলেন, লাইসেন্সের বিষয়টি না জেনে তিনিও পার্কে বন্য প্রাণী রেখেছেন। তিনি স্বেচ্ছায় বিষয়টি জানিয়েছেন বলে তাকে জরিমানা করা হয়নি।

সে খবর জেনে মঙ্গলবার দুই পার্ক থেকে বন্য প্রাণীগুলো জব্দ করা হয়। অসীম বলেন, সেগুলো এখন রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বন বিভাগ কার্যালয়ে রাখা আছে। শিগগিরই গাজীপুরের সাফারি পার্কে সেগুলো অবমুক্ত করা হবে।

আরও পড়ুন:
খুলি ও মগজবিহীন শিশুর জন্ম

শেয়ার করুন

পাচারের সময় চা-বোঝাই ট্রাক আটক

পাচারের সময় চা-বোঝাই ট্রাক আটক

পঞ্চগড় কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা জাহিদ হাসান জানান, মঙ্গলবার রাতে উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড নামের ওই প্রতিষ্ঠানের কারখানায় চট্টগ্রাম ওয়্যার হাউসের চা নিলাম বাজারে পাঠানোর জন্য কারাখানাটির উৎপাদিত ২০০ বস্তা চা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ট্রাকে লোড করার পর সিলগালা করা হয়। ট্রাকটি চট্টগ্রামে না গিয়ে একই উপজেলার খালপাড়া এলাকায় আল আমিন টি হাউসের সামনে চা আনলোড করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে ট্রাকটি জব্দ করা হয়।

পঞ্চগড়ে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে পাচারের সময় প্রায় ২২ লাখ টাকার মূল্যের ২০০ বস্তা (১১ হাজার কেজি) চাসহ একটি ট্রাক আটক করেছে জেলা কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল।

জেলার সদর ইউনিয়নের খালপাড়া এলাকায় মঙ্গলবার গভীর রাতে আল আমিন টি হাউসের সামনে ট্রাক থেকে চা আনলোড করার সময় ওই ট্রাকটি আটক করা হয়।

পঞ্চগড় কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেলের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা জাহিদ হাসান জানান, মঙ্গলবার রাতে উত্তরা গ্রীণ টি ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড নামের ওই প্রতিষ্ঠানের কারখানায় চট্টগ্রাম ওয়্যার হাউসের চা নিলাম বাজারে পাঠানোর জন্য কারাখানাটির উৎপাদিত ২০০ বস্তা চা সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ট্রাকে লোড করার পর সিলগালা করা হয়।

তিনি আরও জানান, ওই ট্রাকটি চট্টগ্রামে না গিয়ে একই উপজেলার খালপাড়া এলাকায় আল আমিন টি হাউসের সামনে চা আনলোড করছে, এমন সংবাদের ভিত্তিতে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেলের একটি দল সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে পাচারের দায়ে চাসহ ট্রাকটি জব্দ করে। এ সময় সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাদেরসহ স্থানীয়রা ট্রাকটি জব্দ করতে বাধা দিলে পরে পঞ্চগড় সদর থানার পুলিশ চা-বোঝাই ট্রাকটি আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

এদিকে ট্রাকচালক তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পুলিশের কাছে মুচলেকা দিয়েছেন বলেও জানান পঞ্চগড় কাস্টমসের এই কর্মকর্তা।

জাহিদ হাসান জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আক্কাস আহম্মদ জানান, ট্রাকটি পুলিশের হেফাজতে দিয়েছে পঞ্চগড় কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট সার্কেল। ট্রাকচালককে মুচলেকা দেয়ার পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
খুলি ও মগজবিহীন শিশুর জন্ম

শেয়ার করুন