ভোলায় ইয়াসের প্রভাবে ডুবল ৩০ চর

ভোলায় ইয়াসের প্রভাবে ডুবল ৩০ চর

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বুধবার দুপুরের পর মেঘনায় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ জনপদ। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ার পাশাপাশি ভেসে গেছে পুকুর ও মাছের ঘের। তলিয়ে গেছে কমপক্ষে ১০ হাজার হেক্টর জমির আউশ ধান ও সবজি।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ভোলার উপকূলীয় এলাকার ৩০টি চর প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। দিনভর মেঘনার পানি বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

প্রবল জোয়ারের চাপে জেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৪০ মিটার অংশ ভেঙে গেছে। এ ছাড়া আরও ১৫টি পয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বুধবার দুপুরের পর মেঘনায় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় বিস্তীর্ণ জনপদ। ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ার পাশাপাশি ভেসে গেছে পুকুর ও মাছের ঘের। তলিয়ে গেছে কমপক্ষে ১০ হাজার হেক্টর জমির আউশ ধান ও সবজি।

উপকূলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে সাইক্লোন সেন্টারে।

অতি জোয়ারের চাপে ঢালচর, কুকরি-মুকরি, চরপাতিলা, চরজ্ঞান, সোনার চর, কুলাগাজীর তালুক, চর যতিন, চর শাহজালাল ও কলাতলীর চরে ৩ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বাবুল আক্তার জানান, বাঁধের বাইরে যেসব নিচু এলাকা রয়েছে, সবগুলো তলিয়ে গেছে।

এদিকে ভোলায় ঝড়ের প্রভাবে ২ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মনপুরা উপজেলায় ভেঙে গেছে বাঁধের ৪০ মিটার অংশ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলায় ৩২৫ কিলোমিটার বাঁধের মধ্যে ৭৫ কিলোমিটার বাঁধ সিসি ও জিও ব্যাগে মোড়ানো থাকলেও ২৫০ কিলোমিটার বাঁধ মাটির তৈরি। যার মধ্যে প্রায় ২ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

চরফ্যাশনে বাঁধের ৫টি পয়েন্ট, মনপুরায় ৩টি পয়েন্ট, বোরহানউদ্দিনে ২টি, লালমোহনে ২টি, তজুমদ্দিন, দৌলতখান ও সদরে ১টি করে পয়েন্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামতের কাজ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী বাবুল আক্তার।

আরও পড়ুন:
ঝড় বৃষ্টি থাকবে উপকূলে, সতর্ক সংকেত বহাল
বরগুনায় ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, মৃত্যু ২
ইয়াস: বাগেরহাটে ভেসে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ উপজেলা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গোপসাগরে চরে আটকাল জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

তিন জনকে গুলি করে হত্যার পেছনে কী

তিন জনকে গুলি করে হত্যার পেছনে কী

নিজের স্ত্রী ও আগের ঘরের সন্তানকে কেন পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে তা নিয়ে চলছে আলোচনা। হত্যার ঘটনার তদন্তে খুলনায় গঠিত হয়েছে আলাদা তদন্ত কমিটি।

খুনোখুনি কোনো নতুন ঘটনা নয়। তবে কুষ্টিয়া যা দেখেছে, তা বিরলই বলা চলে।

নিজের স্ত্রী, যার আগের সংসারের বাচ্চাকে মেনে নিয়েই বিয়ে করেছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা, সেই তিনিই কী আক্রোশে স্ত্রী ও সন্তানকে ধরে এনে পয়েন্ট ব্ল্যাংক রেঞ্জ থেকে গুলি করে হত্যা করেছেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে।

খুনের অভিযোগ খুলনার ফুলতলা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সৌমেনের বিরুদ্ধে। এই দুই জনকে ছাড়াও হত্যা করা হয়েছে আরও একজনকে, যার সঙ্গে তার স্ত্রীর সম্পর্ক হয়েছে বলে ধারণা করছিলেন সৌমেন।

সৌমেন রায় পাঁচ বছর আগে বিয়ে করেন আসমা খাতুনকে। এটি সৌমেনের দ্বিতীয় বিয়ে হলেও আসমার তৃতীয়।

আসমা এর আগে বিয়ে করেন সুজন ও রুবেল নামে দুইজনকে। রুবেলের ঘরের সন্তান হলো রবিন।

আসমা খাতুন কুমারখালী উপজেলার যদবয়রা ইউনিয়নের ভবানীপুরের আমির উদ্দিনের মেয়ে। কিন্তু তিনি বড় হন তার নানি বাড়ি বাগুলাট ইউনিয়নের নাতুড়িয়ায়। সন্তান, মা ও ভাইকে নিয়ে কুষ্টিয়া শহরের আমলাপাড়ায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।

কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড়ে বেলা ১১টার দিকে ট্রিপল মার্ডারের ওই ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আসমা তার শিশুসন্তানকে নিয়ে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কাস্টম মোড়ে তিনতলা একটি ভবনের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন বিকাশকর্মী শাকিলও। হঠাৎ সেখানে পৌঁছে সৌমেন পিস্তল বের করে আসমার মাথায় গুলি করেন। পাশে থাকা শাকিলের মাথায়ও গুলি করেন তিনি। আসমার ছেলে রবিন পালাতে গেলে তাকে ধরে মাথায় গুলি করা হয়।

এ সময় আশপাশের লোকজন সৌমেনকে ধরতে গেলে তিনি দৌড়ে তিনতলা ভবনের ভেতরে ঢুকে পড়েন। পরে লোকজন ভবনটি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে শুরু করেন।

একপর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সৌমেনকে গ্রেপ্তার করে। গুলিবিদ্ধদের উদ্ধার করে পাঠানো হয় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) খায়রুল আলম সাংবাদিকদের জানান, শাকিলের সঙ্গে আসমার বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তলটি জব্দ করা হয়েছে।

মেয়েকে গুলি করে হত্যার খবর শুনে কুষ্টিয়া হাসপাতালে আসেন মা হাসিনা খাতুন। তিনি বলেন, ‘কয়েক মাস ধরে এএসআই সৌমেন আসমাকে নির্যাতন করে আসছে। কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার খাইরুল আলম আসমাকে সৌমেনের সাবেক স্ত্রী বললেও মা হাসিনা খাতুন বলেন তাদের এখনও ছাড়াছাড়ি হয়নি।

রোববার সকালে এসে সৌমেন তার স্ত্রী ও সন্তানকে খুলনা নিয়ে যাওয়ার কথা বলে নিয়ে যান। পরে জানতে পারি তিনি তাদেরকে গুলি করে মেরেছেন।

মরদেহের পাশে কাঁদছিলেন আসমার ভাই হাসান। শাকিলের সঙ্গে আসমার সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, আসমার সঙ্গে তার মোবাইলে কথা বলতে গিয়ে সম্পর্ক হয়। তারা বন্ধু ছিলেন। শাকিলের বাড়ি কুমারখালীর শাওতা গ্রামে।

কাঁদতে কাঁদতে শাকিলের বোন লিপি খাতুন বলেন, ‘আমার ভাইয়ের কী দোষ? আরেকজনের ওপর রাগ করে তকে মেরে ফেলল।

এএসআই সৌমেনের বাড়ি মাগুরার শালিখা উপজেলার কসবা গ্রামে। খুলনায় তিনি প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে থাকেন।

হত্যার তদন্ত

তিনজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ও জেলা পুলিশ আলাদা তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) তানভীর আহমেদ ও রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন) এ কে এম নাহিদুল ইসলাম।

খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি পুলিশ সুপার তোফায়েল আহমেদ। অন্য সদস্যরা হলেন সহকারী পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন ও কুষ্টিয়া ডিআইও-১ ফয়সাল হোসেন।

খুলনা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় গঠিত কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) তানভীর আহমেদ। অন্য সদস্যারা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) মো. খায়রুল আলম ও জেলা বিশেষ শাখার ডিআইও-১ শেখ মাসুদুর রহমান।

খুলনা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) তানভীর আহমেদ বলেন, প্রশাসনিক বিষয়গুলো তদন্ত করা হবে। বিশেষ করে এএসআই সৌমেন রায় কর্মস্থলে কেন অনুপস্থিত ছিলেন, তার নামে অস্ত্র ইস্যু হয়েছে কিনা এবং পারিবারিক ও মানসিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।

অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন) এ কে এম নাহিদুল ইসলাম বলেন, রেঞ্জ কার্যালয় দুই কার্যদিবস ও জেলা পুলিশ সাত কার্যদিবসে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেবেন।

আরও পড়ুন:
ঝড় বৃষ্টি থাকবে উপকূলে, সতর্ক সংকেত বহাল
বরগুনায় ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, মৃত্যু ২
ইয়াস: বাগেরহাটে ভেসে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ উপজেলা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গোপসাগরে চরে আটকাল জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে র‍্যাবের অভিযান, আটক ২১ দালাল

চট্টগ্রাম বিআরটিএতে র‍্যাবের অভিযান, আটক ২১ দালাল

‘বিআরটিএতে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না সেবা নিতে আসাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয় দালালরা। পরে কৌশলে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে কাজ করে দেন।’

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে দালাল চক্রের ২১ সদস্যকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)।

নগরের বায়েজিদ থানাধীন নতুনপাড়া এলাকায় বিআরটিএ চট্টগ্রামের কার্যালয়ে রোববার দুপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৭ এর একটি দল।

এ সময় আটক দালালদের কাছ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির ড্রাইভিং লাইসেন্স, বিভিন্ন ধরনের মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বেশ কিছু কাগজপত্র ও নগদ পৌনে দুই লাখ টাকা জব্দ করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৭ এর মিডিয়া অফিসার মো. নুরুল আবছার।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘কিছু সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা বিআরটিএ চট্টগ্রাম কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে দালাল ও প্রতারক চক্রের ২১ সদস্যকে আটক করি। এ সময় তাদের কাছ থেকে লাইসেন্স তৈরি, লাইসেন্স নবায়ন, যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত ফরম ও কাগজপত্র জব্দ করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘বিআরটিএতে টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না সেবা নিতে আসাদের মাথায় ঢুকিয়ে দেয় দালালরা। পরে কৌশলে তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে কাজ করে দেন।’

আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ঝড় বৃষ্টি থাকবে উপকূলে, সতর্ক সংকেত বহাল
বরগুনায় ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, মৃত্যু ২
ইয়াস: বাগেরহাটে ভেসে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ উপজেলা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গোপসাগরে চরে আটকাল জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

শেয়ার করুন

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব

লাখী হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার জুয়েল, রফিক ও বাচ্চু। ছবি: নিউজবাংলা

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার দুপুরে র‍্যাব জানায়, তালাকের পর স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জেনেই তাকের হত্যার পরিকল্পনা করেন জুয়েল।

ঢাকার সাভারে বাঁশঝাড় থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সাবেক স্বামীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

গাজীপুরের কাশিমপুর থানার মাটি মসজিদ এলাকা থেকে শনিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন নিহত তরুণী লাখী আক্তারের স্বামী আশুলিয়ার সুবন্দি এলাকার মো. জুয়েল, তার বাবা মো. রফিক ও একই এলাকার বাচ্চু মিয়া।

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রোববার দুপুরে র‍্যাব জানায়, তালাকের পর স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ের কথা জেনেই তাকের হত্যার পরিকল্পনা করেন জুয়েল।

র‍্যাব জানায়, গত ৯ জুন সাভারের আশুলিয়ার সুবন্দির একটি বাঁশঝাড় থেকে লাখীর মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শুরু করে র‍্যাব।

তাদের তদন্তে জুয়েলের সম্পৃক্ততা পাওয়ায় তাকে ও তার বাবাকে শনিবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যায় সহযোগিতার জন্য বাচ্চু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আসামিরা লাখী হত্যায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।

দ্বিতীয় বিয়ে ঠিক হওয়ায় সাবেক স্ত্রীকে হত্যা: র‍্যাব
নিহত লাখী আক্তার

তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, জুয়েল মাদকসেবী। তিনি চুরি, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। বিয়ের পর থেকেই লাখীকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। চার বছর আগে পারিবারিকভাবে তাদের বিয়েবিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে লাখী আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় বাবার বাড়িতে থাকা শুরু করে।

কিন্তু বিচ্ছেদের পর তিনি আবারও লাখীকে স্ত্রী হিসেবে নিতে চান কিন্তু পরিবারের কেউ রাজি না হওয়ায় লাখীকে হত্যার হুমকি দেন। এরপর গত ২ মে এক সিঙ্গাপুর প্রবাসীর সঙ্গে লাখীর বিয়ে ঠিক হওয়ার খবর পেয়ে আবারও হুমকি দেন।

৮ জুন তিনি কৌশলে লাখীকে বাড়ির পাশের জঙ্গলে ডেকে নেন। এরপর তিনি, তার বাবা ও বাচ্চু মিলে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যান।

র‍্যাব-১-এর ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোর্শেদুল হাসান জানান, রোববার সকালে গ্রেপ্তার আসামিদের আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে দুপুরে তাদের ঢাকার মুখ্য বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঝড় বৃষ্টি থাকবে উপকূলে, সতর্ক সংকেত বহাল
বরগুনায় ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, মৃত্যু ২
ইয়াস: বাগেরহাটে ভেসে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ উপজেলা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গোপসাগরে চরে আটকাল জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

শেয়ার করুন

এবার মাগুরা শহরে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন

এবার মাগুরা শহরে অনির্দিষ্টকালের লকডাউন

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জেলায় করোনার সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা শহরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকার মতো এবার মাগুরা শহরে লকডাউন ঘোষণা করেছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন।

জেলা প্রশাসক আশরাফুল আলম এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সোমবার থেকে লকডাউনের ঘোষণা দেন।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি জেলায় করোনার সংক্রমণ মাত্রাতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় মাগুরা শহরকে লকডাউন ঘোষণা করা হলো। পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত লকডাউন চলবে।

এ সময় জরুরি পরিষেবা ছাড়া সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে। খাবার ও ওষুধের দোকান ছাড়া দোকানপাট ও শপিংমল সন্ধ্যা ছয়টার পর বন্ধ থাকবে।

জেলা সিভিল সার্জনের অফিস জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে মাগুরায় ৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে, যাদের অধিকাংশ জেলার পৌর এলাকার।

বর্তমানে বাড়িতে আইসোলেশনে আছে ৫৮ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচজন।

এ পর্যন্ত জেলায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৩০৯ জনের দেহে। মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের।

মাগুরার সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান নিউজবাংলাকে জানান, এক সপ্তাহ ধরে মাগুরায় করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। স্বাস্থ্যবিধি না মানাটাই এর প্রধান কারণ। এ ছাড়া পাশেই সীমান্তবর্তী জেলা যশোরের কারণে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন:
ঝড় বৃষ্টি থাকবে উপকূলে, সতর্ক সংকেত বহাল
বরগুনায় ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, মৃত্যু ২
ইয়াস: বাগেরহাটে ভেসে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ উপজেলা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গোপসাগরে চরে আটকাল জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

শেয়ার করুন

ক্যাম্প থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা উদ্ধার

ক্যাম্প থেকে অপহৃত রোহিঙ্গা উদ্ধার

এপিবিএনের অভিযানে উদ্ধার মুজিবুল্লাহ। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার দুপুরে জাদিমুরা ক্যাম্প থেকে মুখোশ পরা ৮-৯ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মুজিবুল্লাহকে জোরপূর্বক নেচারি পার্কের পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর থেকেই জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

কক্সবাজারের টেকনাফের জাদিমুড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে অপহরণের এক দিন পর মুজিবুল্লাহ নামের একজনকে উদ্ধার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

রোববার বেলা দুইটার দিকে হ্নীলার জাদিমুরা ২৭ নম্বর ক্যাম্পের সি-ব্লকের নেচারি পার্কসংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিবিএন-১৬-এর অধিনায়ক এসপি তারিকুল ইসলাম।

তিনি জানান, শুক্রবার দুপুরে জাদিমুরা ক্যাম্প থেকে মুখোশ পরা ৮-৯ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি মুজিবুল্লাহকে জোরপূর্বক নেচারি পার্কের পাহাড়ের দিকে নিয়ে যায়। খবর পাওয়ার পর থেকেই জাদিমুড়া এপিবিএন ক্যাম্পের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

এপিবিএন কর্মকর্তা আরও জানান, রোববার দুপুর একটার দিকে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পার্ক এলাকা থেকে মুজিবুল্লাহকে উদ্ধার করা হয়। তিনি সুস্থ আছেন। পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ঝড় বৃষ্টি থাকবে উপকূলে, সতর্ক সংকেত বহাল
বরগুনায় ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, মৃত্যু ২
ইয়াস: বাগেরহাটে ভেসে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ উপজেলা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গোপসাগরে চরে আটকাল জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

শেয়ার করুন

দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত

দুই পক্ষের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্য নিহত

প্রতীকী ছবি।

স্থানীয় ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে প্রতিবেশী সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে শাহজাহান মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান শাহজাহান মিয়া।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে শাহজাহান মিয়া নামের সাবেক সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন।

উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের মনিয়ন্দ গ্রামে রোববার সকালে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শাহজাহান মনিয়ন্দ গ্রামের পূর্বপাড়ার মৃত সামসু মিয়ার ছেলে। তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৩ বেঙ্গলের করপোরাল ছিলেন।

স্থানীয় ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে প্রতিবেশী সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে শাহজাহান মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এতে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যান শাহজাহান মিয়া।

নিহতের নাতি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল পুকুরপাড়ে মাটি ফেলা নিয়ে তার দাদা শাহজাহানের সঙ্গে সুহেল ও কাইয়ুমের তর্কাতর্কি হয়। পরে আজ সকালে সুহেল ও কাইয়ুমের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে নিহত হন শাহজাহান মিয়া। আমি এই হত্যার বিচার চাই।’

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি ধস্তাধস্তিতে শাহজাহান মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
ঝড় বৃষ্টি থাকবে উপকূলে, সতর্ক সংকেত বহাল
বরগুনায় ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, মৃত্যু ২
ইয়াস: বাগেরহাটে ভেসে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ উপজেলা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গোপসাগরে চরে আটকাল জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

শেয়ার করুন

ট্রাকের ধাক্কায় নারী শ্রমিকের মৃত্যু

ট্রাকের ধাক্কায় নারী শ্রমিকের মৃত্যু

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, হাসনা কাজে যাওয়ার সময় রাস্তা পার হতে গিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান।

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাকের ধাক্কায় অটোরাইস মিলের শ্রমিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাকচালককে আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ।

উপজেলার গড়মাটি এলাকায় রোববার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

৪৭ বছর বয়সী নিহত হাসনা বেগমের বাড়ি বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি গ্রামে। তিনি অটোরাইস মিলের শ্রমিক ছিলেন।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, হাসনা কাজে যাওয়ার সময় রাস্তা পার হতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় ট্রাকচালক শিবলু প্রামাণিককে আটক করা হয়েছে। তবে চালকের সহকারী পালিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:
ঝড় বৃষ্টি থাকবে উপকূলে, সতর্ক সংকেত বহাল
বরগুনায় ২ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত, মৃত্যু ২
ইয়াস: বাগেরহাটে ভেসে যাওয়া শিশুর মরদেহ উদ্ধার
ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত ২৭ উপজেলা: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
বঙ্গোপসাগরে চরে আটকাল জাহাজ, ১২ নাবিক উদ্ধার

শেয়ার করুন