লবণের ট্রাকে ইয়াবা, গ্রেপ্তার ২

লবণের ট্রাকে ইয়াবা, গ্রেপ্তার ২

পুলিশ জানায়, কক্সবাজার থেকে ইয়াবার বড় একটি চালান যাচ্ছে, এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটিয়া বাস টার্মিনালের সামনে চেকপোস্ট বসানো হয়। সেখানে সন্দেহের ভিত্তিতে একটি ট্রাক আটকালে তল্লাশি চালিয়ে জব্দ করা হয় ৪৮ হাজার পিস ইয়াবা।

চট্টগ্রামের পটিয়ায় লবণবোঝাই ট্রাক থেকে ৪৮ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে ট্রাকচালক ও হেলপারকে।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পটিয়া বাস টার্মিনালের সামনে থেকে সোমবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা হলেন ময়মনসিংহের কোতোয়ালি থানার বাসিন্দা ট্রাকচালক মাসুম মিয়া ও হেলপার আলম হোসেন।

যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। এ সময় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিক রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার থেকে ইয়াবার বড় একটি চালান যাচ্ছে, এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটিয়া বাস টার্মিনালের সামনে চেকপোস্ট বসানো হয়েছিল। রাত আটটার দিকে সেখানে একটি গাজীপুরগামী লবণের ট্রাককে দাঁড় করালে চালক ও তার হেলপারের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয় আমাদের। পরে ট্রাকে তল্লাশি চালালে কেবিনের সিলিং থেকে ৪৮ হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।’

আটক ট্রাকচালক ও হেলপারের নামে মামলা দিয়ে তাদের মঙ্গলবার আদালতে তোলা হবে বলে জানান এএসপি।

আরও পড়ুন:
দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ২ 
মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা!
শাহপরীর দ্বীপে অভিযানে ৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
জুরাইনে ৫৮৬০ ইয়াবা, নারী গ্রেপ্তার
বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্ত্রী-শ্যালিকাকে ভারতে ‘পাচার’, গ্রেপ্তার ২

স্ত্রী-শ্যালিকাকে ভারতে ‘পাচার’, গ্রেপ্তার ২

স্ত্রী ও শ্যালিকাকে পাচারের অভিযোগে মামলায় ইউসুফ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে সহযোগী রব্বিল শেখসহ গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। ছবি:নিউজবাংলা

র‍্যাব-১৪ এর অধিনায়ক আবু নাঈম মো. তালাত বলেন, সম্প্রতি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর গ্রামের এক তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেন ইউসুফ। কিছুদিন পর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে শ্যালিকাসহ স্ত্রীকে ভারতে পাচার করেন তিনি। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন রব্বিল।

স্ত্রী ও শ্যালিকাকে ভারতে পাচারের অভিযোগে করা মামলায় ইউসুফ মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার বালিহাটা কান্দাবাড়ি গ্রাম থেকে ইউসুফকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার সহযোগী রব্বিল শেখ গ্রেপ্তার হন গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে।

ইউসুফ ঈশ্বরগঞ্জের বালিহাটা কান্দাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। রব্বিলের বাড়ি নড়াইলের কালিয়ার পেড়লী গ্রামে।

শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহ র‍্যাব-১৪ এসব তথ্য জানায়।

র‍্যাব-১৪ এর অধিনায়ক আবু নাঈম মো. তালাত বলেন,‘সম্প্রতি ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর গ্রামের এক তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেন ইউসুফ। কিছুদিন পর মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে শ্যালিকাসহ স্ত্রীকে ভারতে পাচার করেন তিনি। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করেন রব্বিল।’

তিনি আরও জানান, শ্রীপুর থানায় মেয়ে দুইটির বাবা পাচারের অভিযোগ দেন। ৫ জুন তা মামলা হিসেবে নথিবদ্ধ করা হয়। মামলার ছায়া তদন্তের মাধ্যমে পাচার চক্রে জড়িত ইউসুফকে বাড়ি থেকে এবং সহযোগী রব্বিলকে শ্রীপুর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে দুই লাখ ২৪ হাজার টাকাসহ স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাব কর্মকর্তা নাঈম জানান, মানবপাচার চক্রটি ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে ভারতে দীর্ঘদিন ধরে নারী পাচার করে আসছে। চক্রের অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ২ 
মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা!
শাহপরীর দ্বীপে অভিযানে ৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
জুরাইনে ৫৮৬০ ইয়াবা, নারী গ্রেপ্তার
বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

পাওনাদারের সামনেই আত্মহত্যার চেষ্টা

পাওনাদারের সামনেই আত্মহত্যার চেষ্টা

যুগলের স্ত্রী অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাতে তাদের বাড়িতে গিয়ে সুদের টাকার জন্য যুগলকে গালিগালাজ করেন বাদল। ওই সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে পান বরজের জন্য রাখা বিষ এনে বাদলের সামনেই তা পান করেন যুগল।

বরিশালের গৌরনদীতে সুদের টাকা দিতে না পেরে পাওনাদারের সামনেই বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক ব্যবসায়ী।

শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার মাহিলারা ইউনিয়নের জঙ্গলপট্টি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

যুগল সোম নামে ওই পান ব্যবসায়ীর শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক।

যুগলের স্ত্রী কবিতা জানান, তার স্বামী বিভিন্ন হাট-বাজারে খুচরা পান বিক্রি করে সংসার চালান। তিনি একটি গ্রাম্য সমিতির সদস্য। সংসার চালাতে ওই সমিতি থেকে ২০২০ সালে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নেন। এ ছাড়া বাদল রায়, বাদল কর ও নির্মল দে নামে তিনজনের কাছ থেকে সুদে কিছু টাকা নেন। করোনা পরিস্থিতিতে ব্যবসার অবস্থা খারাপ হওয়ায় তিনি সুদের টাকা ঠিকমতো পরিশোধ করতে পারছিলেন না।

তিনি অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাতে বাদল বাড়িতে গিয়ে সুদের টাকার জন্য যুগলকে গালিগালাজ করেন। ওই সময় যুগল সময় চাইলে তাতে রাজি হননি বাদল। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে যুগল বলেন, টাকা শোধ করতে সময় না দিলে বিষ খেয়ে মরে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। তখন বাদল বলেন, টাকা দিতে না পারলে বিষ খেয়ে মরে যাওয়াই ভালো।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে পান বরজের জন্য রাখা বিষ এনে বাদলের সামনেই তা পান করেন যুগল।

এ বিষয়ে বাদল দাবি করেন, তার কাছ থেকে যুগল ৮৪ হাজার টাকা নিয়েছেন। তবে তিনি সেই টাকার জন্য নয়, সমিতির টাকার জন্য চাপ দিয়েছেন। কোনো দুর্ব্যবহার করেননি। তিনি টাকা চাইতে যাওয়ায় স্বামী-স্ত্রী মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে যুগল বিষ পান করেন।

আরেক পাওনাদার বাদল করের দাবি, যুগলের কাছে ৫০ হাজার টাকা পাবেন।

নির্মল দের স্ত্রী কাজল দের দাবি, যুগলের কাছে তারা পাবেন ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। সম্পর্কে যুগল তাদের বেয়াই।

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তৌহিদুজ্জামান সোহাগ জানান, এ ধরনের কোনো অভিযোগ তিনি পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন।

আরও পড়ুন:
দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ২ 
মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা!
শাহপরীর দ্বীপে অভিযানে ৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
জুরাইনে ৫৮৬০ ইয়াবা, নারী গ্রেপ্তার
বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

বাড়ি ফিরলেই বিয়ে হতো সেই এএসআইয়ের

বাড়ি ফিরলেই বিয়ে হতো সেই এএসআইয়ের

নিহত এএসআই সালাহ উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা

সালাহ উদ্দিনের বাবা জানান, ছেলেকে বিয়ে দেয়ার জন্য তারা মেয়ে ঠিক করে রেখেছিলেন। ছুটিতে বাড়ি এলেই নিজেদের সাধ্যমতো আয়োজন করে নতুন বউ ঘরে আনতেন। কিন্তু সব স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল।

ছুটি নিয়ে বাড়ি এসে বিয়ে করার কথা ছিল পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সালাহ উদ্দিনের। বাড়ি তিনি ঠিকই ফিরেছেন কিন্তু লাশ হয়ে।

তার এমন মৃত্যু কিছুতেই মানতে পারছেন না তার পরিবার ও হবু কনের পরিবার।

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানা এলাকায় শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে মাইক্রোবাসের চাপায় নিহত হন সালাহ উদ্দিন। পুলিশ বলছে, মাইক্রোবাসটি ছিল মাদকবাহী।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকার মেহেরাজখান ঘাটা পেট্রোল পাম্পের সামনে কালো একটি মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দিলে গাড়িটি গতি কমিয়ে আনে।

এ সময় গাড়িটি থেমেছে ভেবে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও চালক মাসুম মাইক্রোবাসটির কাছে গেলে গাড়ি গতি বাড়িয়ে দুইজনকে চাপা দেয়। আহত দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সালাহ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় সালাহ উদ্দিন। তিনি তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ২০০৯ সালে তিনি কনস্টেবল পদে যোগ দেন। সম্প্রতি সহকারী উপপরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পান।

ছেলের এমন পরিণতিতে দিশেহারা বাবা নাদেরেজ্জামান ও মা ছালেহা বেগম। জানেন না কীভাবে সংসার চালাবেন। কীভাবে মানুষ করবেন বাকি সন্তানদের।

বাবা জানান, ছেলেকে বিয়ে দেয়ার জন্য তারা মেয়ে ঠিক করে রেখেছিলেন। ছুটিতে বাড়ি এলেই নিজেদের সাধ্যমতো আয়োজন করে নতুন বউ ঘরে আনতেন। কিন্তু সব স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল।

এদিকে ভাইকে হারিয়ে বার বার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছেন কলেজপড়ুয়া ছোট ভাই কাজী আলাউদ্দিন ও বোন আখী বেগম।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় এভাবে প্রাণ হারানোর পর যদি দোষীদের গ্রেপ্তার করে বিচার করা না হয় তাহলে মাদক কারবারিদের অপরাধ আরও বাড়বে। দ্রুত তারা দোষীদের শনাক্ত করে বিচার দাবি করেছেন।

লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) পলাশ কান্তি নাথ জানান, মাদক কারবারির হাতে এভাবে একজন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হবে তা কল্পনা করা যায় না। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

নিহত সালাহ উদ্দিনের পরিবারকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন তিনি।

আরও পড়ুন:
দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ২ 
মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা!
শাহপরীর দ্বীপে অভিযানে ৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
জুরাইনে ৫৮৬০ ইয়াবা, নারী গ্রেপ্তার
বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

কানে শুনছেন না মারধরের শিকার সেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র

কানে শুনছেন না মারধরের শিকার সেই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র

হাসপাতাল কর্মচারীদের মারধরের শিকার হয়ে চিকিৎসাধীন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র রেজওয়ানুল রিয়াদ। ছবি: নিউজবাংলা

রেজওয়ানুল রিয়াদ বলেন, ‘আমি বাম কানে কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। এটা নিয়ে ডাক্তারকে প্রশ্ন করলে তারা বলেছেন, তার কানের পর্দা ফেটে গেছে। এজন্য চারটা পরীক্ষা দিয়েছে, পরীক্ষাগুলো ঢাকায় করাতে বলেছেন তারা।’

অসুস্থ মায়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারীদের মারধরে

গুরুতর আহত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল করিম বাম কানে শুনতে পাচ্ছেন না।

শনিবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রেজওয়ানুল রিয়াদ বলেন, ‘আমি বাম কানে কিছুই শুনতে পাচ্ছি না। এটা নিয়ে ডাক্তারকে প্রশ্ন করলে তারা বলেছেন, তার কানের পর্দা ফেটে গেছে। এজন্য চারটা পরীক্ষা দিয়েছে, পরীক্ষাগুলো ঢাকায় করাতে বলেছেন তারা।’

তিনি বলেন, ‘আমার ছোট ভাইয়ের ডান হাতটা ভেঙেছে। তাকেও চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।’

শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অসুস্থ মায়ের চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আসেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের নবম ব্যাচের শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল করিম রিয়াদ ও তার ছোটভাই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রাশেদ করিম।

এ সময় ভর্তির ৩০ টাকার বদলে ১০০ টাকা নেন হাসপাতালের কর্মচারীরা। রিয়াদ এই টাকার রশিদ চাইলে তাকে মারধর করেন তারা। রিয়াদকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে হামলার শিকার হন তার ছোট ভাই রাশেদও।

রিয়াদ ও রাশেদ বর্তমানে ওই হাসপাতালেরই সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত হাসপাতালের কর্মচারী উদয় ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার বিকালে ক্যাম্পাস সংলগ্ন পার্কের মোড়ে মানববন্ধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

শনিবার রাত পৌনে ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ।

তিনি বলেন, ‘এখনও কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

রেজওয়ানের বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা নিরাপত্তাহীনতায় আছি। মামলা করব কিনা এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না। আগে ছেলেরা সুস্থ্ হোক।’

তিনি বলেন, ‘আমরা নিয়মিত এই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসি। মামলা করলে তো তারা আমাদের ছাড়বে না। আমরা এখনও সিদ্ধান্ত নিইনি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর গোলাম রব্বানী বলেন, ‘ইতোমধ্যে যে অভিযুক্ত উদয়ের বাবা কয়েক দফা মাফ চেয়েছেন। আমরা বলেছি, বিষয়টি আমরা পরে দেখব। এখন ভিকটিম যদি মামলা করে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে বিচারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের ওই ছাত্রদের যাতে চিকিৎসার কোনো ধরনের ত্রুটি না হয় সেটি আমরা নিশ্চিত করেছি।’

রংপুর মেডিক্যালের পরিচালক ডা. রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘আমরা বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত করব। আমাদের কোনো স্টাফ অপরাধী হলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ২ 
মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা!
শাহপরীর দ্বীপে অভিযানে ৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
জুরাইনে ৫৮৬০ ইয়াবা, নারী গ্রেপ্তার
বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

মোটরসাইকেল আটকানোয় পুলিশকে মারধর, ‌‘ছাত্রলীগ নেতা’ গ্রেপ্তার

মোটরসাইকেল আটকানোয় পুলিশকে মারধর, ‌‘ছাত্রলীগ নেতা’ গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি।

ওসি বলেন, ‘মোটরসাইকেল থামানোর কারণে সার্জেন্টের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সৌরভ। নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে তিনি সার্জেন্ট জসিম উদ্দিনকে গালাগালি করেন। একপর্যায়ে তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ মিলে তাদের থামান।’

বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল নিয়ে যাচ্ছিলেন দুই যুবক। কারো মাথায় হেলমেটও নেই। তাদের থামার সিগন্যাল দেয় পুলিশ। এতেই ক্ষিপ্ত হয়ে যান তারা। জড়িয়ে পড়েন পুলিশের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায়। একপর্যায়ে সিলেট মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের এক সার্জেন্টকে মারধর করেন ওই দুই যুবক।

সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় শনিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ওই দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মারধরের শিকার সার্জেন্ট জসিম উদ্দিন বিকেলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

২১ বছর বয়সী সৌরভ চৌধুরী ও ২৯ বছর বয়সী বাদল চৌধুরী সিলেট সদর উপজেলার টুকের বাজার এলাকার বাসিন্দা। মোটরসাইকেল আটকানোর পর সৌরভ নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে পরিচয় দেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মারধরে আহত জসিম উদ্দিন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সিলেট কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আবু ফরহাদ জানান, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় মোটরসাইকেলে চৌহাট্টার দিকে যাচ্ছিলেন সৌরভ ও বাদল। হেলমেট না থাকা ও বেপরোয়া গতির কারণে চৌহাট্টা পয়েন্টে তাদের থামান পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্ট জসিম উদ্দিন।

ওসি বলেন, ‘মোটরসাইকেল থামানোর কারণে সার্জেন্টের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন সৌরভ। নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে তিনি সার্জেন্ট জসিম উদ্দিনকে গালাগালি করেন। একপর্যায়ে তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ মিলে তাদের থামান।’

এ ঘটনার পর দুজনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। পরে সার্জেন্ট জসিমের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ২ 
মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা!
শাহপরীর দ্বীপে অভিযানে ৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
জুরাইনে ৫৮৬০ ইয়াবা, নারী গ্রেপ্তার
বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

গাড়িচাপায় এএসআই নিহত: ৪০ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

গাড়িচাপায় এএসআই নিহত: ৪০ ঘণ্টায়ও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ

নিহত এএসআই সালাহ উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি (তদন্ত) রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজগুলো সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছি। আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। এটা নিশ্চিত যে ওরা বাঁচার জন্যই গাড়ি দিয়ে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও কনস্টেবল মাসুমকে ধাক্কা দিয়েছিলো। তবুও আমরা প্রাসঙ্গিক সব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এগুনোর চেষ্টা করছি।’

চট্টগ্রামের চান্দগাঁও থানা এলাকায় মাইক্রোবাসের চাপায় সালাহ উদ্দিন নামের পুলিশের এক সহকারী উপপরিদর্শক নিহত হওয়ার ৪০ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

শনিবার চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি, আমাদের একাধিক টিম দোষীদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারে কাজ করছে।’

শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় একটি মাইক্রোবাসের চাপায় নিহত হন এএসআই সালাহ উদ্দিন। এসময় আহত কনস্টেবল মো. মাসুম নামের। পুলিশ বলছে, মাইক্রোবাসটিতে মাদক পরিবহন করা হচ্ছিল।

চান্দগাঁও থানার পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) রাজেশ বড়ুয়া বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজগুলো সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করছি। আমরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছি। এটা নিশ্চিত যে ওরা বাঁচার জন্যই গাড়ি দিয়ে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও কনস্টেবল মাসুমকে ধাক্কা দিয়েছিলো। তবুও আমরা প্রাসঙ্গিক সব বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এগুনোর চেষ্টা করছি।’

চান্দগাঁও থানার ওসি মোস্তাফিজুর জানান, শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্বত্য এলাকা থেকে চোলাই মদবাহী একটি কালো মাইক্রোবাস চট্টগ্রাম শহরের দিকে আসছে বলে জানতে পারেন এসআই সালাহ উদ্দিন।

কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকার মেহেরাজখানঘাটা পেট্রোল পাম্পের সামন মাইক্রোবাসটিকে থামার সংকেত দিলে গাড়িটি গতি কমিয়ে আনে।

এ সময় গাড়িটি থেমেছে ভেবে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও চালক মাসুম মাইক্রোবাসটির কাছে গেলে গাড়িটি গতি বাড়িয়ে দুইজনকে চাপা দেয়। আহত দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সালাহ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে ওই মোবাইল টিমের অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম ফোর্সসহ গাড়িটিকে তাড়া করেন।

নগরীর এক কিলোমিটার এলাকায় গাড়িটি থামিয়ে গাড়ির চালকসহ অন্যরা পালিয়ে যান৷ পরে পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে। ওই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৭০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

এই ঘটনায় ওইদিন বিকেলে চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হোসেন বাদী হয়ে দুটি মামলা করেন।

মামলার বিষয়ে ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে এসআই আমির হোসেন একটি হত্যা ও আরেকটি মাদক মামলা করেছেন। দুই মামলাতেই অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ২ 
মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা!
শাহপরীর দ্বীপে অভিযানে ৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
জুরাইনে ৫৮৬০ ইয়াবা, নারী গ্রেপ্তার
বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন

স্বাভাবিক জীবনের আশ্বাসে ডাকাতের আত্মসমর্পণ  

স্বাভাবিক জীবনের আশ্বাসে ডাকাতের আত্মসমর্পণ

 

ফারুকের বিরুদ্ধে তিন থানায় ৭ মামলা রয়েছে। ছবি:নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, ডাকাত ফারুকের বিরুদ্ধে শ্রীপুর,কেন্দুয়া ও পাগলা থানায় হত্যা, ডাকাতি,অপহরণ ও মাদকসহ সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাগলা থানায় পাঁচটি মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। চার বছর ধরে পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল।

স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দেয়া হবে পুলিশের এমন আশ্বাসে ফারুক নামের ২৫ বছরের এক ডাকাত আত্মসমর্পণ করেছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানায়। শনিবার সকালে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান।

তিনি বলেন,‘দুর্ধর্ষ ডাকাত ফারুকের বিরুদ্ধে শ্রীপুর,কেন্দুয়া ও পাগলা থানায় হত্যা, ডাকাতি,অপহরণ ও মাদকসহ সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাগলা থানায় পাঁচটি মামলার তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। চার বছর ধরে পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল। এই অবস্থায় ফারুককে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে পরিবারের সঙ্গে এমন আলোচনা হয়। এরপর ফারুক শনিবার সকালে নিজে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন।’

কীভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া হবে এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে থাকা সব মামলার কার্যক্রম শেষ করেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে। তবে আমরা আইনের মাধ্যমেই চেষ্টা করবো সে যেন দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে এসে ভালো পথে চলতে পারে।

এদিকে শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফারুককে ময়মনসিংহের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হলে বিচারক দেওয়ান মনিরুজ্জামান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
দেড় লাখ ইয়াবাসহ আটক ২ 
মোবাইল ফোন বন্ধক রেখে ইয়াবা!
শাহপরীর দ্বীপে অভিযানে ৭ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
জুরাইনে ৫৮৬০ ইয়াবা, নারী গ্রেপ্তার
বিজিবির অভিযানে ৪০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার

শেয়ার করুন