পাঁচ মাস পর উদ্ধার অপহৃত কিশোরী

পাঁচ মাস পর উদ্ধার অপহৃত কিশোরী

অপহরণের পর থেকে মেয়েটিকে নিয়ে ঘনঘন জায়গা পরিবর্তন করছিল অপহরণকারীরা। একপর্যায়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে তাদের অবস্থানের বিষয়ে নিশ্চিত হন।

নীলফামারী থেকে অপহরণের পাঁচ মাস পর চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডু থেকে এক কিশোরীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অপহরণ মামলার আসামি সোহাগ হোসেনকেও।

নীলফামারী সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ উন নবী সোমবার বিকেলে জানান, রোববার বিকেলে জেলা জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হলে বিচারক সোহাগকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

২৯ বছর বয়সী সোহাগ নীলফামারী সদরের সোনারায় ইউনিয়নের দীঘলডাঙ্গি গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি কিশোরীকে অপহরণ করা হয়। খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে নীলফামারী থানায় অপহরণ মামলা করেন মেয়েটির বাবা।

অপহরণের পর থেকে ১২ বছর বয়সী মেয়েটিকে নিয়ে ঘনঘন অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আত্মগোপনে ছিল অপহরণকারী। একপর্যায়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহেদ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে তাদের অবস্থান নিশ্চিত হন।

পুলিশ কর্মকর্তা মাহমুদ জানান, অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর ২০ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা রওনা হন চট্টগ্রামের উদ্দেশে।

সীতাকুন্ড থানা পুলিশের সহায়তায় বারো আউলিয়া এলাকায় ৭২ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে সোহাগকে গ্রেপ্তার করে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার করে নীলফামারীতে আনা হয়।

নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউপ জানান, আদালত আসামি সোহাগকে কারাগারে পাঠিয়েছে। আর উদ্ধার হওয়া মেয়েটির ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপহরণ
নিজের অপহরণ ঠেকাল ১১ বছরের মেয়ে
অপহরণের তিন দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

শেয়ার করুন

মন্তব্য

স্বাভাবিক জীবনের আশ্বাসে ডাকাতের আত্মসমর্পণ  

স্বাভাবিক জীবনের আশ্বাসে ডাকাতের আত্মসমর্পণ

 

ফারুকের বিরুদ্ধে তিন থানায় ৭ মামলা রয়েছে। ছবি:নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, ডাকাত ফারুকের বিরুদ্ধে শ্রীপুর,কেন্দুয়া ও পাগলা থানায় হত্যা, ডাকাতি,অপহরণ ও মাদকসহ সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাগলা থানায় পাঁচটি মামলায় তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। চার বছর ধরে পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল।

স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দেয়া হবে পুলিশের এমন আশ্বাসে ফারুক নামের ২৫ বছরের এক ডাকাত আত্মসমর্পণ করেছেন ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানায়। শনিবার সকালে তিনি আত্মসমর্পণ করেন।

নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুজ্জামান।

তিনি বলেন,‘দুর্ধর্ষ ডাকাত ফারুকের বিরুদ্ধে শ্রীপুর,কেন্দুয়া ও পাগলা থানায় হত্যা, ডাকাতি,অপহরণ ও মাদকসহ সাতটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে পাগলা থানায় পাঁচটি মামলার তিনি ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। চার বছর ধরে পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল। এই অবস্থায় ফারুককে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ দেওয়া হবে পরিবারের সঙ্গে এমন আলোচনা হয়। এরপর ফারুক শনিবার সকালে নিজে থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন।’

কীভাবে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ দেওয়া হবে এমন প্রশ্নে ওসি বলেন, ‘তার বিরুদ্ধে থাকা সব মামলার কার্যক্রম শেষ করেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে। তবে আমরা আইনের মাধ্যমেই চেষ্টা করবো সে যেন দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে এসে ভালো পথে চলতে পারে।

এদিকে শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ফারুককে ময়মনসিংহের মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে তোলা হলে বিচারক দেওয়ান মনিরুজ্জামান তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপহরণ
নিজের অপহরণ ঠেকাল ১১ বছরের মেয়ে
অপহরণের তিন দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

শেয়ার করুন

প্রার্থীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে কর্মী খুন, মরদেহ খালে

প্রার্থীর বাড়ি থেকে ফেরার পথে কর্মী খুন, মরদেহ খালে

হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সদস্য প্রার্থী আবদুল মোতালেব মধুর একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন ইউসুফ। শুক্রবার রাত ১২টার পর মধুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। রাতে বাড়ি না ফেরায় সকাল থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা।

বরগুনার বেতাগীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থীর বাড়ি থেকে গভীর রাতে বের হওয়া এক কর্মীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সংলগ্ন উত্তর করুণা গ্রামের একটি খাল থেকে শনিবার বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত ইউসুফ আলী আকনের বাড়ি একই গ্রামে।

ইউসুফের স্বজনদের অভিযোগ, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, হোসনাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সদস্য প্রার্থী আবদুল মোতালেব মধুর একনিষ্ঠ কর্মী ছিলেন ইউসুফ। শুক্রবার রাত ১২টার পর মধুর বাড়ি থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন তিনি। তবে রাতে বাড়ি না ফেরায় সকাল থেকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা।

তারা আরও জানান, বেলা ১১টার দিকে বাড়ির পাশের খালে জাল দিয়ে পেঁচানো অবস্থায় ইউসুফের মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

ইউসুফের স্ত্রী হেলেনা বেগম অভিযোগ করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে। ওই ওয়ার্ডের আরেক প্রার্থী নাসির তালুকদার বেশ কয়েকদিন আগে তার স্বামীকে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘মধুর নির্বাচন কীভাবে করে আমি দেখে নিব’।

স্থানীয় বাসিন্দারা অবশ্য জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে আবার ইউসুফের সঙ্গে তার স্বজনদের জমিজমা সংক্রান্ত জটিলতা ছিল, তার জেরেও এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে।

ওই ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য বশির আলম বলেন, ‘ইউসুফ পেশায় একজন কৃষক ও সাধারণ মানুষ ছিলেন। তাকে উদ্দেশ্যমূলক হত্যাকাণ্ড সত্যিই বেদনাদায়ক। তবে কী করণে এ হত্যা হয়েছে, আমার কোনো ধারণা নেই।

বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন তপু জানান, মামলার প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর বিষয়ে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী হাসান জানান, তদন্ত চলছে। সঠিক কারণ উন্মোচন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপহরণ
নিজের অপহরণ ঠেকাল ১১ বছরের মেয়ে
অপহরণের তিন দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

শেয়ার করুন

‘ছিনতাইয়ের মাইক্রো’ নিয়ে ঢাকায় পালানোর চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

‘ছিনতাইয়ের মাইক্রো’ নিয়ে ঢাকায় পালানোর চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১

‘ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত’ মাইক্রোবাসসহ আটক আরিফুজ্জামান রুবেল। ছবি: নিউজবাংলা

গৌরনদী হাইওয়ে থানার চার্জ অফিসার সার্জেন্ট মাহাবুব ইসলাম বলেন, ‘গোপনে জানতে পারি উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী এলাকা থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস নিয়ে এক ছিনতাইকারী ঢাকায় পালিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় গৌরনদীর মাহিলারা এলাকা থেকে মাইক্রোবাস ও ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।’

বরিশালে ‘ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত’ মাইক্রোবাসসহ একজনকে আটক করা হয়েছে।

পুলিশ বলছে, শনিবার দুপুরে গৌরনদী উপজেলার মাহিলারা থেকে ওই ছিনতাইকারী ও মাইক্রোবাসটি আটক করা হয়। আটক আরিফুজ্জামান রুবেল নড়াইল জেলার লোহাগড়ার বাসিন্দা।

গৌরনদী হাইওয়ে থানার চার্জ অফিসার সার্জেন্ট মাহাবুব ইসলাম বলেন, ‘গোপনে জানতে পারি উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী এলাকা থেকে ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস নিয়ে এক ছিনতাইকারী ঢাকায় পালিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় গৌরনদীর মাহিলারা এলাকা থেকে মাইক্রোবাস ও ছিনতাইকারীকে আটক করা হয়।’

আটক ছিনতাইকারীকে ও গাড়িটি উজিরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান গৌরনদী হাইওয়ে থানা-পুলিশের এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপহরণ
নিজের অপহরণ ঠেকাল ১১ বছরের মেয়ে
অপহরণের তিন দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

শেয়ার করুন

ব্রিজটি ঝুলে আছে আট মাস

ব্রিজটি ঝুলে আছে আট মাস

বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়েই ঝুঁকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করছেন। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন অনেকে, কেউ কেউ সেতু থেকে পড়ে যাচ্ছেন খালে; বিশেষ করে স্কুল ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী এবং নারী ও শিশুরা। সেতুটি দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী। তারা বলছেন, তাদের এই ভোগান্তির কথা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও লাভ হয়নি।

বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের কাটাখালে নির্মিত কাঠের ব্রিজটি আট মাস আগে রাতের আঁধারে ইঞ্জিনচালিত নৌকার (ট্রলার) ধাক্কায় ভেঙে বাঁকা হয়ে যায়। ঝুলে থাকা সেই ব্রিজটির কোনো সংস্কার হয়নি। ফলে খালের দুই পাড়ের ১০ গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ রয়েছে চরম ভোগান্তিতে।

সম্প্রতি এলাকাটি ঘুরে দেখা যায়, বাগেরহাট শহরে যাতায়াতের জন্য এই ব্রিজটিই সবচেয়ে সহজ মাধ্যম। সেতুটি ভেঙে বাঁকা হয়ে থাকায় খালের দুই পাড়ের কোন্ডলা, সুলতানপুর, নওয়াপাড়া, পাতিলাখালী, তালেশ্বর, নাটইখালী, খাসবাটি, ভাটশালা, বানিয়াগাতি ও চরগ্রামের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে আছেন কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দারা।

বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় কোন্ডলা ও সুলতানপুর গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়েই ঝুকিপূর্ণ সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করছেন। ফলে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন অনেকে, কেউ কেউ সেতু থেকে পড়ে যাচ্ছেন খালে; বিশেষ করে স্কুল ও মাদ্রাসাগামী শিক্ষার্থী এবং নারী ও শিশুরা।

এমন অবস্থায় সেতুটি দ্রুত সংস্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন গ্রামবাসী। তারা বলছেন, তাদের এই ভোগান্তির কথা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জানিয়েও কোনো লাভ হয়নি।

ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে বিধ্বস্ত অবস্থায় থাকার কথা স্বীকার করে স্থানীয় চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, বিষয়টি সদর আসনের এমপি শেখ তন্ময়কে জানানো হয়েছে। তারা আশা করছেন, দ্রুতই সমাধান হবে এবং সেখানে একটি সুন্দর ব্রিজ হবে।

ব্রিজটি ঝুলে আছে আট মাস

সুলতানপুর গ্রামের বাসিন্দা আছমা বেগম বলেন, ‘সাত-আট মাস ধরে আমাগো এই পোলডা ভাইঙ্গে পড়ে রইছে। সুলতানপুর ও কোন্ডলার মানুষের যাতায়াতে অনেক কষ্ট হয়।

‘আমরা বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে যাতায়াত করতি পারি না। এইডা হচ্ছে মেইন রোড, এইখান দিয়ে অনেক লোক যাওয়া-আসা করে। আপনারা যদি পারেন, দয়া করে এই পোলডা ভালো করে দেন। আমরা অনেকেরে জানাইছি, তারা সমাধানের কিছু করে না।’

একই গ্রামের এনামুল কবির খান বলেন, ‘ট্রলারে ধাক্কা মেরে এই পুলডা ভাইঙ্গে থুইয়ে যায়। আমরা মেম্বার-চেয়ারম্যান সবাইরে জানাইছি। কিন্তু কেউ কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না। এই পুলডার ওপর দিয়ে স্কুলের বাচ্চারা যাতায়াত করে।’

কোন্ডলা গ্রামের সালাম শেখ বলেন, ‘সাত-আট মাস ধইরে এই ব্রিজটা ভাইঙ্গে অকেজো হয়ে রইছে। আমরা যে কী কষ্টে যাতায়াত করতিছি। চেয়ারম্যান-মেম্বারদের এত অইরে বলিছি, তারা কোনো কর্ণপাত করে না।

‘আমাগো এই যে তিনডে-চাইরডে গ্রামের লোকজনের বাগেরহাট টাউনে যাতি মেইন রাস্তা একটা। অনেক মানুষ এই জাগাদে পইরে হাত-পাও ভাঙ্গিছে।’

সুলতানপুর গ্রামের বৃদ্ধ মোমেনা বেগম বলেন, ‘চেয়ারম্যান-মেম্বারদের বলিছি, তারা আইসে দেহে গেছে। কিন্তু কিছু করেনি। আমাদের যাতায়াতে যে কী কষ্ট হয় তা বুঝায়ে বলতি পারব না।’

বাগেরহাটের বেমরতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন টগর বলেন, ‘কোন্ডলা ও সুলতানপুরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী ব্রিজটি (কাঠের পুল) দীর্ঘদিন ধরে বিধ্বস্ত অবস্থায় রয়েছে। আমাদের সদর আসনের এমপি শেখ তন্ময়কে বিষয়টি আমরা জানিয়েছি। তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে বিষয়টি গ্রহণ করেছেন। আমরা আশা করছি, দ্রুতই বিষয়টির সমাধান হবে এবং ওইখানে একটি সুন্দর ব্রিজ হবে।’

বাগেরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোছাব্বেরুল ইসলাম বলেন, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি। দ্রুতই খোঁজখবর নিয়ে ভাঙা পুলটির বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপহরণ
নিজের অপহরণ ঠেকাল ১১ বছরের মেয়ে
অপহরণের তিন দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

শেয়ার করুন

নিরাপত্তা চেয়ে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে নারীর সংবাদ সম্মেলন

নিরাপত্তা চেয়ে কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে নারীর সংবাদ সম্মেলন

টাঙ্গাইল পৌরসভার কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে মৌসুমী মাহমুদা। ছবি: নিউজবাংলা

মৌসুমীর অভিযোগ, তার বাড়ি কিনতে আসা ব্যক্তিদের নানা হুমকি-ধমকি দেন কাউন্সিলর মোর্শেদ। পরে মোর্শেদ বাড়িটি তার কাছে ২০-২৫ লাখ টাকায় নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করতে বলেন। তবে তার বাড়িটির মূল্য প্রায় কোটি টাকা।

টাঙ্গাইলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে নিজ এলাকার পৌর কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মৌসুমী মাহমুদা নামের এক নারী।

টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৭ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আতিকুর রহমান মোর্শেদের বিরুদ্ধে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলা প্রেস ক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন হয়। মৌসুমী শহরের বিশ্বাস এলাকার মোহাম্মদ আলী শাহাজাদার মেয়ে।

লিখিত বক্তব্যে মৌসুমী অভিযোগ জানান, উচ্চশিক্ষার জন্য গত বছর দেশের বাইরে যাওয়ার জন্য তিনি বিশ্বাস বেতকা মৌজায় নিজের ৬ শতাংশ জমিতে থাকা বাড়ি বিক্রির চেষ্টা করেন। কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে তার কথাও হয়।

তিনি অভিযোগ করেন, ক্রেতারা তার সঙ্গে কথা বলে চলে যাওয়ার পর কাউন্সিলর মোর্শেদ তাদের বাড়িটি না কিনতে নানা হুমকি-ধমকি দেন। জমি কিনলে তাদের হাত-পা কেটে ফেলারও হুমকি দেয়া হয়। পরে মোর্শেদ বাড়িটি তার কাছে ২০-২৫ লাখ টাকায় নামমাত্র মূল্যে বিক্রি করতে বলেন। তবে তার বাড়িটির মূল্য প্রায় কোটি টাকা।

মৌসুমী আরও অভিযোগ করেন, তিনি মোর্শেদের কাছে বাড়ি বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানালে অন্য কারও কাছে বাড়ি বিক্রি করলে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করেন মোর্শেদ। অন্যথায় তাকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হয়।

এমন অবস্থায় গত বছরের ২০ অক্টোবর নিজের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার জন্য টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন মৌসুমী। ২৩ অক্টোবর একটি মামলাও করেন।

মৌসুমীর অভিযোগ, মামলা করার পর এর সাক্ষী তার চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী তৃষাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন মোর্শেদ। তাদের বাড়িতে খুনোখুনি হবে বলেও মন্তব্য করেন। এ ছাড়া মামলা তুলে নিতে মোর্শেদ তার বাবা মোহাম্মদ আলী শাহাজাদাকে হুমকি দেন।

মোর্শেদের হুমকিতে নিজের বাড়িতে বসবাস করতে পারেন না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শহরে অন্যের বাসায় ভাড়া থাকতে হয় আমাকে। বিষয়টি নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের কাছে গিয়েও কোনো সুরাহা পাইনি। তাই নিজের জীবনের নিরাপত্তা চাই।’

এ বিষয়ে কথা বলতে কাউন্সিলর মোর্শেদের মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ধরেননি।

টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশাররফ হোসেন জানান, মৌসুমীর করা মামলায় আদালতে দেয়া অভিযোগপত্রে মোর্শেদের নাম রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপহরণ
নিজের অপহরণ ঠেকাল ১১ বছরের মেয়ে
অপহরণের তিন দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

শেয়ার করুন

বিদ্যুতের লাইনে কাজ করার সময় মৃত ১, আহত ৬

বিদ্যুতের লাইনে কাজ করার সময় মৃত ১, আহত ৬

মৌলভীবাজারে বিদ্যুতের লাইনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বেলা ১১টার দিকে নতুন ব্রিজ এলাকায় ১৪ জন কর্মী খুঁটি থেকে বৈদ্যুতিক তার পাল্টানোর কাজ করছিলেন। সাতজন খুঁটির ওপরে ছিলেন এবং সাতজন নিচে থেকে তার টানছিলেন। হঠাৎ খুঁটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের মূল লাইন ছিঁড়ে নিচে থাকা সাতজনের ওপর পড়ে। 

মৌলভীবাজারে সংযোগ লাইনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সোহেল রানা নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ছয়জন।

সদর উপজেলার কামালপুর ইউনিয়নের বানেশ্রী (নতুন ব্রিজ) এলাকায় শনিবার বেলা ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ২৪ বছরের সোহেলের বাড়ি নীলফামারীর পুকরাভাঙ্গায়। তিনি স্থানীয় পল্লীবিদ্যুৎ অফিসে চুক্তিভিত্তিক কাজ করতেন।

আহতরা হলেন শাহীন, এলাইছ ও আনোয়ার। বাকি তিনজনের পরিচয় জানাতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার বেলা ১১টার দিকে নতুন ব্রিজ এলাকায় ১৪ জন কর্মী খুঁটি থেকে বৈদ্যুতিক তার পাল্টানোর কাজ করছিলেন। সাতজন খুঁটির ওপরে ছিলেন এবং সাতজন নিচে থেকে তার টানছিলেন। হঠাৎ খুঁটি থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের মূল লাইন ছিঁড়ে নিচে থাকা সাতজন ওপর পড়ে।

এ ঘটনায় আহত সাতজনকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সোহেলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইয়াছিনুল হক নিউজবাংলাকে জানান, ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন:
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপহরণ
নিজের অপহরণ ঠেকাল ১১ বছরের মেয়ে
অপহরণের তিন দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

শেয়ার করুন

‘বঙ্গবন্ধুকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না’

‘বঙ্গবন্ধুকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মকবুল হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা

‘আমরা যদি বঙ্গবন্ধুকে মনে ধারণ করতে পারি, তার আদর্শকে সামনে রেখে যদি আমাদের পথচলা হয়, তাহলে আমরা সোনার বাংলা গড়ার দিকে অনেকটা অগ্রসর হতে পারব। যেদিন আমরা উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াব, আমার মনে হয় সেদিন বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।’

বঙ্গবন্ধুকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেন।

টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শনিবার সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, ‘যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিলেন, তারা ভেবেছিলেন তাকে হত্যা করার মধ্য দিয়েই তার স্বপ্ন-আদর্শকে ধ্বংস করা যাবে। সেটি আসলে হয়নি। দেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য ১৪ বছর জেল খেটেছেন, তাকে কোনোভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব না।

‘আমরা যদি বঙ্গবন্ধুকে মনে ধারণ করতে পারি, তার আদর্শকে সামনে রেখে যদি আমাদের পথচলা হয়, তাহলে আমরা সোনার বাংলা গড়ার দিকে অনেকটা অগ্রসর হতে পারব। যেদিন আমরা উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াব, আমার মনে হয় সেদিন বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।’

এর আগে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান। পরে ফাতিহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন তথ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, সিনিয়র সহকারী সচিব আতাহার হোসেন, গোপালগঞ্জের এনডিসি মহসিন উদ্দিন, জেলা তথ্য অফিসার মঈনুল ইসলাম, সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) দিদারুল ইসলামসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা।

আরও পড়ুন:
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অপহরণ
নিজের অপহরণ ঠেকাল ১১ বছরের মেয়ে
অপহরণের তিন দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার
শিশু অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তার ২

শেয়ার করুন