লকডাউন: টেকনাফ স্থলবন্দরে মালামাল খালাস বন্ধ

লকডাউন: টেকনাফ স্থলবন্দরে  মালামাল খালাস বন্ধ

টেকনাফ স্থলবন্দরে খালাসের অপেক্ষায় বিভিন্ন পণ্যবাহী ট্রলার।ছবি: নিউজবাংলা

এ বিষয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘হঠাৎ করে লকডাউনের কারণে অনেক শ্রমিক কাজে যোগ দিতে পারেননি। শ্রমিকের অভাবে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ও মাছসহ  বিভিন্ন মালামালের ৩০টি ট্রলার খালাস করা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা চেষ্টা করছি পচনশীল পেঁয়াজ ও মাছ দ্রুত খালাস করতে।’

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় ২০ মে থেকে শুরু হয়েছে ১০ দিনের কঠোর লকডাউন।

একইসঙ্গে যেকোনো প্রতিষ্ঠানে রোহিঙ্গা শ্রমিকদের কাজ দেয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

এর ফলে অনেক শ্রমিক তাদের কর্মস্থল টেকনাফ স্থলবন্দরে যোগ দিতে পারেননি। শ্রমিকের সংকটে কয়েকদিন ধরে বন্দরে আসা পণ্য খালাস হচ্ছে না। ফলে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ১৫টি ট্রলারে দেড় হাজার টন পেঁয়াজ পড়ে আছে।

ইতিমধ্যে বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজে পচনও ধরেছে। এ ছাড়া অন্যান্য মালামালভর্তি আরও ১৫টি ট্রলার ঘাটে পড়ে রয়েছে।

এতে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থলবন্দর ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, হঠাৎ করে লকডাউনের কারণে অনেক শ্রমিক টেকনাফ স্থলবন্দরে যোগ দিতে পারেননি। তারা এ ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘হঠাৎ করে লকডাউনের কারণে অনেক শ্রমিক কাজে যোগ দিতে পারেননি। শ্রমিকের অভাবে মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ও মাছসহ বিভিন্ন মালামালের ৩০টি ট্রলার খালাস করা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা চেষ্টা করছি পচনশীল পেঁয়াজ ও মাছ দ্রুত খালাস করতে।’

টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে আমদানি করা ৫ হাজার বস্তা পেঁয়াজ আনা হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকের অভাবে এসব পেঁয়াজ খালাস হয়নি। এমনিতে পেঁয়াজ পচনশীল, এভাবে ঘাটে পরে থাকলে ট্রলারে সব পচে যাবে। তাই দ্রুত পেঁয়াজগুলো খালাস করতে কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে। তা না হলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতিতে পড়তে হবে।’

টেকনাফ স্থলবন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল হক বাহাদুর বলেন, ব্যবসায়ীদের কথা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের এগিয়ে আসতে হবে।

এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.পারভেজ চৌধুরী জানান, টেকনাফ স্থলবন্দর সম্পূর্ণভাবে লকডাউনের আত্ততামুক্ত। তারা সব কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালাতে পারবে। শুনেছি শ্রমিক সংকটের কারণে বন্দরের কার্যক্রম কিছুটা থমকে গেছে। তবে প্রয়োজনে তারা আশপাশের শ্রমিক দিয়ে কাজ চালাতে পারেন। এতে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের বাধা নেই বলে জানান ইউএনও।

আরও পড়ুন:
এবার উখিয়ায় ঢোকা-বের হওয়া বন্ধ ৮ দিন
লকডাউন বাড়ল, চলবে দূরপাল্লার যান
লকডাউন নিয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে বিকেলে
লকডাউনে পর্যটন স্পটের উদ্বোধনে ইউএনও
লকডাউন তুলতে সরকারের চোখ ভারতে

শেয়ার করুন

মন্তব্য