নিজ ঘরে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

নিজ ঘরে স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ

স্বজনরা জানান, পারিবারিক কলহের পর চন্দ্রা নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া পাওয়া না গেলে তার ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়।

বগুড়ার আদমদীঘিতে নিজ ঘর থেকে এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে স্বজনরা।

উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের রথবাড়ি মহল্লা থেকে শনিবার বিকেলে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত চন্দ্রা ভৌমিক দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

তার স্বজনরা জানান, পারিবারিক কলহের পর চন্দ্রা নিজের ঘরে গিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। অনেক ডাকাডাকির পরও সাড়া পাওয়া না গেলে তার ঘরের দরজা ভেঙে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না প্যাঁচানো ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া যায়।

তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল ওয়াদুদ নিউজবাংলাকে জানান, কোনো অভিযোগ না করায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাঁশবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নানাবাড়িতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ
ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল এনজিওকর্মীর মরদেহ
নিজ ঘরে ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হাসপাতালে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কোম্পানীগঞ্জে হরতালে পুলিশের গুলি

কোম্পানীগঞ্জে হরতালে পুলিশের গুলি

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন জানান, তারা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়েছিল। পুলিশ সরাতে গেলে তারা পুলিশের গাড়ির দিকে ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে পুলিশের চার সদস্য আহত হন। এরপর পুলিশ ২০-২২টি গুলি ছোড়ে।

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগের (একাংশ) ডাকা হরতালে বাধা দেয়ায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আটজন আহত হয়েছেন।

তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ চারজন উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের অনুসারী ও বাকি চারজন পুলিশ সদস্য।

উপজেলার চর কাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারে শনিবার দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

চর কাঁকড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা জামাল উদ্দিন জানান, পুলিশের গুলিতে আহত চারজন হলেন ৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা ফখরুল ইসলাম সবুজ, তার ছেলে চয়ন ও সবুজের ভাগনে মো. আরিয়ান এবং ওই ইউনিয়নের রূপনগর গ্রামের মো. হৃদয়।

স্থানীয় লোকজন জানান, হরতালের শুরুতে বাদলের অনুসারীরা বসুরহাট-পেশকারহাট প্রধান সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করে তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে তারা পাল্টা ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু করেন। এতে পুলিশের কয়েকজন আহত হন।

পরে পুলিশ গুলি ছুড়লে বাদলের চার অনুসারী আহত হন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুদ্দিন আনোয়ার জানান, রাস্তায় পুলিশের ওপর আক্রমণ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। তবে এ ঘটনায় কতজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) আলমগীর হোসেন জানান, তারা রাস্তায় ব্যারিকেড দিয়েছিল। পুলিশ সরাতে গেলে তারা পুলিশের গাড়ির দিকে ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে পুলিশের চার সদস্য আহত হন। এরপর পুলিশ ২০-২২টি গুলি ছোড়ে।

এর আগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে ৪৮ ঘণ্টার হরতাল ডেকেছে উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশ।

তাদের অভিযোগ, এই হামলার ঘটনা বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার নেতৃত্বে হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের (একাংশ) মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু শনিবার দুপুরে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভে এসে হরতালের ডাক দেন।

শনিবার দুপুর ১টা থেকে শুরু হয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টা চলবে এই হরতাল।

লাইভে মঞ্জু বলেন, ‘সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ডুয়েল রোল প্লে করছেন। এই ডুয়েল রোল প্লে করে আপনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের মানসম্মান নষ্ট করে দিয়েছেন।

‘আমরা প্রতিবাদ করেছি। আপনি আমাদের মাঠে নামিয়েছেন। এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরাও মুখ খুলব।’

কোম্পানীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে বসুরহাট-দাগনভূঞা সড়কে শনিবার সকাল পৌনে ১০টার দিকে মিজানুর রহমান বাদলের ওপর হামলা হয়। এ সময় বাদলের সঙ্গে থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হাসিবুল হোসেন আলালকেও জখম করা হয়।

আরও পড়ুন:
বাঁশবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নানাবাড়িতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ
ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল এনজিওকর্মীর মরদেহ
নিজ ঘরে ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হাসপাতালে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

‘মাদকবাহী’ মাইক্রোচাপায় এএসআই নিহতের ঘটনায় পুলিশের ২ মামলা

‘মাদকবাহী’ মাইক্রোচাপায় এএসআই নিহতের ঘটনায় পুলিশের ২ মামলা

নিহত এএসআই সালাহ উদ্দিন। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় একটি মাইক্রোর চাপায় নিহত হন এএসআই সালাহ উদ্দিন। আহত হন মো. মাসুম নামের এক কনস্টেবল। পুলিশ জানায়, মাইক্রোবাসটি ছিল মাদকবাহী।

চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে মাইক্রোবাসের চাপায় পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সালাহ উদ্দিন নিহতের ঘটনায় দুটি মামলা করেছে পুলিশ।

শুক্রবার বিকেলে চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হোসেন মামলা দুটি করেন।

মামলার বিষয়টি ‍নিউজবাংলাকে রাতে নিশ্চিত করেছেন চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘শুক্রবার বিকেলে এসআই আমির হোসেন একটি হত্যা ও আরেকটি মাদক মামলা করেন। দুই মামলাতেই অজ্ঞাতপরিচপয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে।’

এ ঘটনায় জড়িত আসামিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানান ওসি।

এর আগে শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে চান্দগাঁও থানার কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকায় একটি মাইক্রোর চাপায় নিহত হন এএসআই সালাহ উদ্দিন। আহত হন মো. মাসুম নামের এক কনস্টেবল। পুলিশ জানায়, মাইক্রোবাসটি ছিল মাদকবাহী।

চান্দগাঁও থানার ওসি মোস্তাফিজুর জানান, শুক্রবার ভোর ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পার্বত্য এলাকা থেকে চোলাই মদবাহী একটি কালো মাইক্রোবাস চট্টগ্রাম শহরের দিকে আসছে বলে জানতে পারেন এসআই সালাহ উদ্দিন।

এতে কাপ্তাই রাস্তার মাথা এলাকার মেহেরাজখানঘাটা পেট্রোল পাম্পের সামনে কালো মাইক্রোবাসকে থামার সংকেত দিলে গাড়িটি গতি কমিয়ে আনে।

এ সময় গাড়িটি থেমেছে ভেবে এএসআই সালাহ উদ্দিন ও চালক মাসুম মাইক্রোবাসটির কাছে গেলে গাড়িটি গতি বাড়িয়ে দুইজনকে চাপা দেয়। আহত দুইজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সালাহ উদ্দিনকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে ওই মোবাইল টিমের অফিসার এসআই রফিকুল ইসলাম ফোর্সসহ গাড়িটিকে তাড়া করেন।

নগরীর এক কিলোমিটার এলাকায় গাড়িটি থামিয়ে গাড়ির চালকসহ অন্যরা পালিয়ে যান৷ পরে পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে। ওই গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৭০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়।

আরও পড়ুন:
বাঁশবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নানাবাড়িতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ
ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল এনজিওকর্মীর মরদেহ
নিজ ঘরে ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হাসপাতালে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

‘সিরিয়াফেরত জঙ্গি’ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার

‘সিরিয়াফেরত জঙ্গি’ চট্টগ্রামে গ্রেপ্তার

মো. আরিফ মামুনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামে যোগ দেন সাখাওয়াত। ২০১৭ সালে তিনি তুরস্কে যান। সেখান থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে জঙ্গিনেতা হায়াত তাহরির আশরাকের কাছ থেকে ভারী অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নেন। সিরিয়ার ইদলিব এলাকায় প্রায় ছয় মাস প্রশিক্ষণ নেন তিনি।

চট্টগ্রামে জঙ্গি সন্দেহে সাখাওয়াত আলী নামে সিরিয়াফেরত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নগরীর দক্ষিণ খুলশী এলাকা থেকে শুক্রবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। তবে বিষয়টি শনিবার দুপুরে গণমাধ্যমকে জানান পুলিশের ওই ইউনিটের উপপরিদর্শক (এসআই) রাছিব খান।

তিনি জানান, সাখাওয়াত নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক শাখার কর্মী।

সাখাওয়াতকে আটকের পর শুক্রবার রাতেই এসআই রাছিব তার বিরুদ্ধে খুলশী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১২ সালে ভায়রাভাই মো. আরিফ মামুনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামে যোগ দেন সাখাওয়াত। ওই সংগঠনের নেতা চাকরিচ্যুত মেজর জিয়াসহ অন্যদের মাধ্যমে জিহাদি কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এরই অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে সাখাওয়াত তুরস্কে যান। সেখান থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে জঙ্গিনেতা হায়াত তাহরির আশরাকের কাছ থেকে ভারী অস্ত্র চালানোর প্রশিক্ষণ নেন। সিরিয়ার ইদলিব এলাকায় প্রায় ছয় মাস প্রশিক্ষণ নেন তিনি। পরে সিরিয়া থেকে ইন্দোনেশিয়ায় আসেন। সেখান থেকে শ্রীলঙ্কা হয়ে আবার ইন্দোনেশিয়ায় যান। চলতি বছর মার্চে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

এসআই রাছিব খান বলেন, সাখাওয়াতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাকে বিকেলে আদালতে হাজির করে রিমান্ডে পাওয়ার আবেদন করা হবে।

আরও পড়ুন:
বাঁশবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নানাবাড়িতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ
ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল এনজিওকর্মীর মরদেহ
নিজ ঘরে ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হাসপাতালে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

সড়ক দুর্ঘটনা: বড় ভাইয়ের পর ছোট ভাইয়ের মৃত্যু

সড়ক দুর্ঘটনা: বড় ভাইয়ের পর ছোট ভাইয়ের মৃত্যু

বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কানিশাইল গ্রামে গোলাপগঞ্জ-ভাদেশ্বর সড়কে ভাদেশ্বরগামী একটি বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এ সময় সিএনজি অটোরিকশার চালকসহ চারজন আহত হন। আহত যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন ইমরাম ও আম্বর।

সিলেটের গোলাপগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় বড় ভাইয়ের মৃত্যুর তিন দিনের মাথায় মারা গেলেন ছোট ভাই।

সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে শনিবার ভোরে চিকিৎসা চলাকালে মারা যান ছোট ভাই ইমরান আহমদ। এর আগে গত বুধবার রাতে একই হাসপাতালে মারা যান ইমরানের বড় ভাই আম্বর আলী।

ইমরানের মৃত্যুর বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন তার মামাতো ভাই ফরহাদ আহমদ।

ফরহাদ বলেন, ‘আজ ভোরে ইমরান আইসিইউতে চিকিৎসা চলাকালে মারা যান। এর আগে দুর্ঘটনার দিন রাতেই আম্বর মারা যান।’

ইমরান ও আম্বরের বাড়ি গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর নালিউরি গ্রামে।

এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান জানান, ইমরানের মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, ‘দুর্ঘটনায় আহত বাকি দুইজনের অবস্থাও খারাপ। তারাও বর্তমানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন।’

এসআই হাবিবুর জানান, বুধবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার কানিশাইল গ্রামে গোলাপগঞ্জ-ভাদেশ্বর সড়কে ভাদেশ্বরগামী একটি বাস ও বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়।

এ সময় সিনএজি অটোরিকশার চালকসহ চারজন আহত হন। আহত যাত্রীদের মধ্যে ছিলেন ইমরাম ও আম্বর। স্থানীয়রা আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাদের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।

আরও পড়ুন:
বাঁশবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নানাবাড়িতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ
ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল এনজিওকর্মীর মরদেহ
নিজ ঘরে ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হাসপাতালে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

যশোরে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গে মৃত্যু ৩

যশোরে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গে মৃত্যু ৩

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান জানান, রোগী ভর্তির চাপ বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে রেকর্ড সংখ্যক রোগী ভর্তি হয়েছে। যা নির্ধারিত শয্যা সংখ্যার দ্বিগুণ। বর্তমানে করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৬৪ জন ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছে ৪২ জন।

যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত ও করোনা উপসর্গ নিয়ে তিনজন মারা গেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়েছে।

তারা হলেন যশোর শার্শা উপজেলার রঘুনাথপুর এলাকার রফিউদ্দিন, যশোর সদরের ঝুমঝুমপুর এলাকার সুমি (১৪) ও ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পুরন্দরপুর এলাকার মকছেদুল ইসলাম।

রফিউদ্দিন ও সুমি গত ১০ জুন যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। এদের মধ্যে রফিউদ্দিন শনিবার ভোররাতে ও সুমি সকাল ৮টার দিকে মারা যান।

অপরদিকে, মকছেদুল ইসলাম করোনা উপসর্গ নিয়ে শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হন। সকাল সোয়া ৮টার দিকে তিনি মারা যান।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা আরিফ আহমেদ বলেন, ‘রফিউদ্দিন হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডের রেড জোনে ও সুমি ইয়েলো জোনে ভর্তি ছিলেন। ভোর ও সকালে তারা দুজন মারা যান। এছাড়া জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে আরেক রোগী আজ সকালে ইয়েলো জোনে ভর্তির পর মারা যান।’

যশোর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক আখতারুজ্জামান বলেন, মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


শনাক্তের হার উদ্বেগজনক

গত ২৪ ঘণ্টায় ১৩৩ নমুনা পরীক্ষা করে ৩৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৭ শতাংশ। এছাড়া যশোর জেনারেল হাসপাতালে ৬৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এদিকে, করোনা সংক্রমণ রোধে যশোর পৌরসভা ও নওয়াপাড়া পৌরসভায় ঘোষিত লকডাউন কার্যকর করতে অভিযান অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন।

গত ১৬দিন ধরে যশোরের করোনা শনাক্তের হার উদ্বেগজনক।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান জানান, রোগী ভর্তির চাপ বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার উপসর্গ নিয়ে রেকর্ড সংখ্যক রোগী ভর্তি হয়েছে। যা নির্ধারিত শয্যা সংখ্যার দ্বিগুণ। বর্তমানে করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৬৪ জন ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে রয়েছে ৪২ জন।


যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান জানান, নমুনা সংগ্রহের হার কম থাকায় শনাক্তের হার কম। তবে শনাক্তের হার এখনও উদ্বেগজনক। যে কারণে করোনা নিয়ন্ত্রণে প্রতিনিয়ত সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে প্রশাসন।

স্বাস্থ্যবিধি না মানায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮টি মামলা দিয়ে জরিমানাও আদায় করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাঁশবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নানাবাড়িতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ
ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল এনজিওকর্মীর মরদেহ
নিজ ঘরে ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হাসপাতালে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

অ্যাম্বুলেন্স ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

মানিকগঞ্জ সদরে অ্যাম্বুলেন্সচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সচালক আহত হয়েছেন।

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মূলজান বাঘজান এলাকায় শনিবার সকাল ৭টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন মানিকগঞ্জ শিবালয়ের শিমুলিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ পাচুরিয়া গ্রামের আব্দুল আলিম। তিনি রাজধানীর তেজগাও আড়ং-এ চাকুরি করতেন। আর একই ইউনিয়নের ছোট শাকরাইল গ্রামের দীপু হাওলাদার। তিনি কাজ করতেন তাঁতীবাজার এলাকায় একটি স্বর্ণের দোকানে।

বিষয়টি গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সকাল ৭টার দিকে যশোরগামী লাশবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে ঢাকাগামী মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান মোটরসাইকেলের দুই আরোহী। আহত হন অ্যাম্বুলেন্স চালক রনি মিয়া।

আহত রনিকে মানিকগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ওসি আরও জানান, পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। নিহত দুইজনই সাপ্তাহিক ছুটি কাটিয়ে মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে ফিরছিলেন। কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি।

ময়নাতদন্ত শেষে এ ঘটনায় মামলা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন:
বাঁশবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নানাবাড়িতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ
ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল এনজিওকর্মীর মরদেহ
নিজ ঘরে ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হাসপাতালে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন

প্রবাসীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ভাতিজা গ্রেপ্তার

প্রবাসীকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে ভাতিজা গ্রেপ্তার

নিহত মাইকেল রোজারিও।

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য নয়ন রোজারিও বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যার পর আমি নিজে উপস্থিত থেকে তাদের দীর্ঘদিনের জমিজমা নিয়ে বিরোধ সমাধান করেছি। কিন্তু রাত সাড়ে ১২ টার দিকে গেনেটের ছোট ভাই জনি রোজারিও আমাকে ফোন করে জানাল, গেনেট কাকাকে গুলি করেছে।’

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে চাচাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজা বিরুদ্ধে।

জেলার একমাত্র খ্রিষ্টানপল্লী কেয়াইন ইউনিয়নের শুলপুর গ্রামে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মাইকেল রোজারিও যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী।

এ ঘটনায় ভাতিজা গেনেট রোজারিওকে একনলা বন্দুক ও গুলিসহ শুক্রবার রাতেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য নয়ন রোজারিও জানান, শুলপুর গ্রামের মাইকেল রোজারিওর সঙ্গে সঙ্গে তার বড় ভাই মৃত বাড়ন রোজারিওর ছেলে গেনেট রোজারিওর জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে একাধিক মামলাও চলছে।

চাচা-ভাতিজা উভয়েই স্বপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করেন। সম্পত্তি বিরোধ নিরসনে প্রায় দুই মাস আগে দুজনেই বাংলাদেশে আসেন।

নয়ন বলেন, ‘শুক্রবার সন্ধ্যার পর আমি নিজে উপস্থিত থেকে তাদের দীর্ঘদিনের জমিজমা নিয়ে বিরোধ সমাধান করেছি। কিন্তু রাত সাড়ে ১২ টার দিকে গেনেটের ছোট ভাই জনি রোজারিও আমাকে ফোন করে জানাল, গেনেট কাকাকে গুলি করেছে।’

সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. কামরুজ্জামান জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ বাড়িতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সালিশ বৈঠক হয়। বিচারে জমিজমা বিরোধের অবসানও ঘটে।

কিন্তু রাত ১২টার দিকে গেনেট তার চাচা মাইকেলকে গুলি করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে তিনি মারা যান।

আরও পড়ুন:
বাঁশবাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
নানাবাড়িতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ
ফ্যানের সঙ্গে ঝুলছিল এনজিওকর্মীর মরদেহ
নিজ ঘরে ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ
হাসপাতালে নার্সের ঝুলন্ত মরদেহ

শেয়ার করুন