টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

টেকনাফের লোকালয়ে বন্য হাতি 

শুক্রবার আনুমানিক রাত সাড়ে আটটার দিকে হাতিটি প্রথমে সদরের মিঠাপানির ছড়া এলাকার রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে সেখান থেকে গ্রামবাসী ধাওয়া দিলে হাতিটি বনের দিকে চলে যায়। শনিবার সকালে আবার হাতিটি লেঙ্গর বিল এলাকার লোকালয়ে প্রবেশ করে। এতে বেশ কয়েকটি বসতঘর ও আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।

কক্সবাজারের টেকনাফে পাহাড় থেকে লোকালয়ে চলে এসেছে একটি বন্য হাতি।

টেকনাফ সদরের লেঙ্গর বিল এলাকার একটি পাহাড় থেকে শনিবার সকাল ৮টার দিকে হঠাৎ লোকালয়ে হানা দেয় বন্য হাতিটি।

এ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকাবাসীদের মধ্যে। হাতিটি দেখতে ভিড় করেছেন তারা।

স্থানীয় লোকজন বন বিভাগকে হাতিটির সম্পর্কে জানায়। তবে বন বিভাগের লোকজন আসার আগেই গ্রামবাসী হাতিটিকে ধাওয়া দিয়ে পাশের বনে তাড়িয়ে দেয়।

স্থানীয় মো. আবদুল্লাহ জানান, শুক্রবার আনুমানিক রাত সাড়ে আটটার দিকে হাতিটি প্রথমে সদরের মিঠাপানির ছড়া এলাকার রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে সেখান থেকে গ্রামবাসী ধাওয়া দিলে হাতিটি বনের দিকে চলে যায়।

তিনি আরও জানান, শনিবার সকালে আবার হাতিটি লেঙ্গর বিল এলাকার লোকালয়ে প্রবেশ করে। এতে বেশ কয়েকটি বসতঘর ও আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি।

এদিকে, হাতিটি বনের দিকে চলে গেলেও আশঙ্কা কাটেনি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় বাসিন্দা একরামুল হক জানান, হাতিটি খাবারের খোঁজে এসে সম্ভবত দলছুট হয়ে এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছে। হাতিটি আবারও লোকালয়ে এসে তাণ্ডব চালাতে পারে।

আবাসস্থল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ও চলাচলের পথ হারিয়ে সাধারণত বন্য হাতিগুলো লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। এতে আক্রান্ত হন বাসিন্দারা। পাশাপাশি মানুষের হাতে মারাও পড়ছে হাতি।

ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর দেশে হত্যা করা হয়েছে ১২টি হাতি। এর মধ্যে ৮টি মারা গেছে বিদ্যুস্পৃষ্টে। বাকি ৪টিকে গুলি করে মারা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত হাতির আক্রমণের শিকার হয়েছেন ৮৮ জন ব্যক্তি। এর মধ্যে মারা গেছেন অন্তত ৫১ জন।

আইইউসিএনের বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রাকিবুল আমীন বলেন, ২০১৯ সালে আইইউসিএনের গবেষণায় বলা হয়েছে, দেশে হাতি চলাচলের পথ ও বিচরণের বনভূমিগুলো দখল হয়ে যাচ্ছে। ফলে খাদ্যসংকটে পড়েছে হাতি। প্রবেশদ্বার বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং খাবারসংকটের কারণে নিয়মিতভাবে লোকালয়ে হানা দিচ্ছে বিপন্ন এশিয়ান হাতি।

আইইউসিএনের হিসাবে, চট্টগ্রামের দক্ষিণ বন বিভাগে ৬৫টি হাতি রয়েছে। এরপরে কক্সবাজার দক্ষিণে ৬৩টি, উত্তরে ৫৪টি, লামা বন বিভাগের ৩০টি, বান্দরবানে ১১টি, পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণে ২৮টি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তরে ১৩টি বুনো হাতি বসবাস করে।

আইইউসিএনের বিপন্ন প্রাণীদের তালিকায় রয়েছে এশিয়ান হাতি।

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
বন্যহাতির আক্রমণে দিশেহারা কৃষক
বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

শেয়ার করুন

মন্তব্য

টয়লেটে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ

টয়লেটে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ

রাহিমার স্বজনদের বরাতে ওসি বলেন, ১২ বছর বয়সে রাহিমাকে রওশন আলীর বাসায় কাজে পাঠানো হয়। বছরে দুই বার করে রাহিমা বাড়ি ফিরতেন। তবে গত ছয় মাসে তাকে বাড়িতে আসতে দেননি রওশন আলীর স্ত্রী। প্রায়ই রাহিমাকে তিনি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মারধর করতেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে একটি বাড়ির টয়লেট থেকে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পৌর এলাকার পশ্চিম পাইকপাড়ায় রওশন আলীর বাড়ি থেকে সোমবার রাত পৌনে ১২টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ।

মৃত গৃহকর্মীর নাম রাহিমা। তার বাড়ি সিলেটে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমরানুল ইসলাম এই তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ধারণা করা হচ্ছে রাহিমা গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে রাহিমার পরিবার বলছে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

রাহিমার স্বজনদের বরাতে ওসি বলেন, ১২ বছর বয়সে রাহিমাকে রওশন আলীর বাসায় কাজে পাঠানো হয়। বছরে দুই বার করে রাহিমা বাড়ি ফিরতেন। তবে গত ছয় মাসে তাকে বাড়িতে আসতে দেননি রওশন আলীর স্ত্রী। প্রায়ই রাহিমাকে তিনি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মারধর করতেন।

স্বজনদের অভিযোগ, কয়েকদিন আগে রাহিমাকে মারধর করায় তিনি রাগ করে নানুর বাড়িতে চলে আসেন। তার নানুর বাড়ির উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের ভাটপাড়া গ্রামে। পরে আবার রওশন আলী গিয়ে রাহিমাকে ফিরিয়ে নিয়ে যান। এরপর সোমবার রাতে তারা খবর পান যে রাহিমা আত্মহত্যা করেছে।

ওসি জানান, হত্যা না আত্মহত্যা, তা জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসাপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

টয়লেটে গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
বন্যহাতির আক্রমণে দিশেহারা কৃষক
বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

শেয়ার করুন

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

নলুয়াপাড়া এলাকার কাউসার মিয়ার নির্মাণাধীন ভবনে রড উঠানোর সময় রাস্তার পাশে থাকা হাই ভোল্টেজের তারে জড়িয়ে পড়েন রাজু ও ফরহাদ। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা গিয়ে তাদের হাসপাতালে নেয়।

নারায়ণগঞ্জ নগরীর নলুয়াপাড়া এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের বিদ্যুতের তার জড়িয়ে দুই নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নলুয়া পাড়া এলাকায় সোমবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত শ্রমিকরা হলেন, মো. রাজু ও ফরহাদ হোসেন। তাদের বাড়ি সুনামগঞ্জে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপপরির্দশক শিবলী কায়েত।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, নলুয়াপাড়া এলাকার কাউসার মিয়ার নির্মাণাধীন ভবনে রড উঠানোর সময় রাস্তার পাশে থাকা হাই ভোল্টেজের তারে জড়িয়ে পড়েন রাজু ও ফরহাদ।

স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে ফোন করলে কর্মীরা গিয়ে তাদের উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নেয়। সেখানে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক মো. আসাদুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানান, ওই দুই যুবক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন। হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তারা মারা গেছেন। তাদের মধ্যে একজনের শরীর পুড়ে গেছে।

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
বন্যহাতির আক্রমণে দিশেহারা কৃষক
বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

শেয়ার করুন

ব‌রিশা‌লের ৫০ ইউপির ৮০ শতাংশ আ.লীগের

ব‌রিশা‌লের ৫০ ইউপির ৮০ শতাংশ আ.লীগের

বরিশালে প্রথম ধাপে ইউপি নির্বাচনে সকাল থেকেই ভিড় ছিল ভোটকেন্দ্রগুলোতে। ছবি: নিউজবাংলা

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সাত ইউনিয়নের ছয়টিতেই আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন। অন্য উপজেলারও বেশ কিছু ইউপিতে বিনা ভোটে জয় পেয়েছেন নৌকার প্রার্থী।

প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ব‌রিশা‌লের ৫০টির মধ্যে ৪১টি‌তে চেয়ারম্যান হয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। অন্য ৯টি ইউপিতে জয় পেয়েছেন জাতীয় পা‌র্টির তিনজন, ইসলামী আ‌ন্দোলন বাংলা‌দে‌শের একজন এবং পাঁচজন স্বতন্ত্র প্রার্থী।

জেলার ৯টি উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নে সোমবার সকাল ৮টায় শুরু হয়ে ভোট চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। গণনা শেষে রাতে ঘোষণা করা হয় বেসরকারি ফল।

বেসরকারি ফলে ইউপি চেয়ারম্যান হলেন যারা-

বরিশাল সদর উপজেলা

কাশিপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের কামাল হোসেন মোল্লা লিটন ৩ হাজার ৯৫৬, জাগুয়া ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হেদায়েত উল্লাহ খান ২ হাজার ৩৯৬, চরবাড়িয়া ইউনিয়নে নৌকার মাহতাব হোসেন সুরুজ ৬ হাজার ৮৯৯ এবং টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী না‌দিরা রহমান চশমা প্রতীকে ৫ হাজার ৫৪ ভোট পে‌য়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

ব‌রিশা‌লের ৫০ ইউপির ৮০ শতাংশ আ.লীগের
বরিশাল জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়

বাবুগঞ্জ উপজেলা

বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান খান আনারস প্রতীকে ৬ হাজার ৭৩৮ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান হয়েছেন।

এ ছাড়া কেদারপুর ইউনিয়নে নৌকার নূ‌রে আলম ৬ হাজার ৬৮৮, দেহেরগতিতে আওয়ামী লীগের ম‌শিউর রহমান ৮ হাজার ৩৮৮ এবং মাধবপাশা ইউনিয়নে জাতীয় পা‌র্টির ছি‌দ্দিকুর রহমান লাঙল প্রতীকে ৭ হাজার ২৮২ ভোট পে‌য়ে নির্বাচিত হন।

গৌরনদী উপজেলা

উপজেলার সাত ইউনিয়নের ছয়টিতেই আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন। তারা হলেন খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের নূর আলম সেরনিয়াবাত, বাটাজোরের আব্দুর রব হাওলাদার, বার্থীর আব্দুর রাজ্জাক, মহিলারার সৈকত গুহ পিকলু, চাঁদশীর নজরুল ইসলাম এবং নলচিড়ার গোলাম হাফিজ মৃধা।

আর সরিকল ইউনিয়নে ১৩ হাজার ২৬৭ ভোট পে‌য়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফারুক হো‌সেন মোল্লা।

বানারীপাড়া উপজেলা

এই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ও দুটিতে ভোটে জিতে চেয়ারম্যান হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় লাভ করা প্রার্থীরা হলেন উদয়কাঠি ইউনিয়নের রাহাদ আহম্মেদ ননী, বিশারকান্দির সাইফুল ইসলাম শান্ত, ইলুহারের শহিদুল ইসলাম, বানারীপাড়া সদরের আবদুল জলীল ঘরামী ও সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের সিদ্দিকুর রহমান।

এ ছাড়া চাখার ইউনিয়নে ৮ হাজার ৬৭৫ ভোট পে‌য়ে নৌকার ম‌জিবুল হক টুকু ও বাইশারী ইউনিয়নে ৬ হাজার ২১৪ ভোট পে‌য়ে নৌকার শ‌্যামল চক্রবর্তী নির্বাচিত হয়েছেন।

বাকেরগঞ্জ উপজেলা

চরাদি ইউনিয়নে ৬ হাজার ২৭৮ ভোট পে‌য়ে নৌকার শ‌ফিকুল ইসলাম, দাড়িয়ালে ৫ হাজার ৪৩২ ভোট পেয়ে নৌকার শহিদুল ইসলাম হাওলাদার, ফরিদপুরে ৪ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে নৌকার শ‌ফিকুর রহমান এবং কবাই ইউনিয়নে ৫ হাজার ৩৯ ভোট পেয়ে নৌকার জ‌হিরুল হক তালুকদার চেয়ারম্যান হয়েছেন।

এ ছাড়া নলুয়ায় নৌকার ফি‌রোজ আলম খান ৩ হাজার ৯২৬, কলসকাঠিতে নৌকার ফয়সাল ওয়া‌হিদ মুন্না ৬ হাজার ৩৫৪, গারুড়িয়ায় লাঙল প্রতী‌কের এসএম কাইয়ুম খান ৬ হাজার ৮৬৭, ভরপাশায় নৌকার আশ্রাফুজ্জামান খোকন ৮ হাজার ৯৬৬, রঙ্গশ্রীতে নৌকার ব‌শিরউ‌দ্দিন ৭ হাজার ৯৪৪ এবং পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নে নৌকার জা‌হিদুল হাসান ৯ হাজার ৬৪৯ ভোট পে‌য়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

উপজেলায় দুধল ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম মোর্শেদ।

ব‌রিশা‌লের ৫০ ইউপির ৮০ শতাংশ আ.লীগের

হিজলা উপজেলা

বড়জালিয়া ইউনিয়নে ১২ হাজার ৮৫৪ ভোট পে‌য়ে নৌকার এনা‌য়েত হো‌সেন তালুকদার চেয়ারম্যান হয়েছেন।

এ ছাড়া গুয়াবাড়িয়ায় নৌকার শাহজাহান তালুকদার ৬ হাজার ৩৪৩ ভোট, হরিনাথপুরে ঘোড়া প্রতী‌কে স্বতন্ত্র প্রার্থী তৌ‌ফিকুর রহমান ৫ হাজার ৪৯২ ভোট এবং মেমানিয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী না‌সির উ‌দ্দিন ৪ হাজার ৫৩৫ ভোট পে‌য়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা

মেহেন্দিগঞ্জ সদর ইউনিয়নে আনারস প্রতী‌কে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উ‌দ্দিন। পেয়েছেন ৩ হাজার ১৫৯ ভোট। আর ভাষানচর ইউনিয়নে ৫ হাজার ৮০৭ ভোট পে‌য়ে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকার নজরুল ইসলাম চুন্নু।

মুলাদী উপজেলা

এই উপজেলার সদর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল আহসান বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী লাভ করেছেন।

এ ছাড়া নাজিরপুর ইউনিয়নে নৌকার মোস্তা‌ফিজুর রহমান ৮ হাজার ৫৩৩ ভোট, সফিপুরে নৌকার আবু মুসা ১৩ হাজার ৩৪৬, গাছুয়ায় নৌকার জসীম উ‌দ্দিন ৫ হাজার ৭৮৫ ভোট, চরকালেখায় লাঙল প্রতী‌কে মিরাজুল ইসলাম ৪ হাজার ৬২৭ ভোট এবং কাজিরচর ইউনিয়নে ৯ হাজার ৪৬৭ ভোট পে‌য়ে নির্বাচিত হয়েছেন নৌকা প্রতী‌কের মন্টু বিশ্বাস।

উজিরপুর উপজেলা

শোলক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল হালিম সরদার বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় লাভ করেছেন।

এ ছাড়া সাতলা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী শাহীন হাওলাদার ১১ হাজার ৮৮৪ ভোট, জল্লায় নৌকা প্রতী‌কের বেবী রানী দাস ১০ হাজার ২২২, ওটরায় নৌকার এম এ খা‌লেক ১২ হাজার ২১৯ এবং বড়াকোঠা ইউনিয়নে নৌকার স‌হিদুল ইসলাম ১৪ হাজার ৮৪ ভোট পে‌য়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

ভোটের এ ফল নিশ্চিত করেছেন বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবদুল মান্নান, বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, গৌরনদীর মিজানুর রহমান তালুকদার, বানারীপাড়ার মো. মনিরুজ্জামান, বাকেরগঞ্জের সাইদুল ইসলাম, হিজলার দেলোয়ার হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জের জহিরুল ইসলাম, মুলাদীর শওকত আলী এবং উজিরপুরের উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আলীমদ্দিন।

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
বন্যহাতির আক্রমণে দিশেহারা কৃষক
বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

শেয়ার করুন

ইয়াবা সেবন করে ফাঁসছেন ইউপি চেয়ারম্যান

ইয়াবা সেবন করে ফাঁসছেন ইউপি চেয়ারম্যান

গত ১৬ ডিসেম্বর আব্দুস ছালাম ইউনিয়ন পরিষদের কক্ষে সহযোগীদের নিয়ে জুয়া ও মাদক সেবনের সংবাদ প্রকাশ হয়। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের দৃষ্টিতে এলে ইউএনওকে তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

ভাইরাল হওয়া ইয়াবা সেবনের ভিডিও-র ফরেনসিক রিপোর্টে প্রমাণ পাওয়ায় ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস ছালামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করেছেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) যোবায়ের হোসেন।

গত ৩ জানুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশ সিআইডি ঢাকার ফরেনসিক ল্যাবরেটারিতে পাঠানো ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির সত্যতা পেয়েছে মর্মে উল্লেখ করে ইউএনওকে একটি প্রতিবেদন দেয় আইটি ফরেনসিক শাখা সিআইডি।

সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা ইউএনও যোবায়ের হোসেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক বরাবরে ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করে গত ১৫ জুন চিঠি দেন।

এতে বলা হয়, গত ১৬ ডিসেম্বর আব্দুস ছালাম ইউনিয়ন পরিষদের কক্ষে সহযোগীদের নিয়ে জুয়া ও মাদক সেবনের সংবাদ প্রকাশ হয়। বিষয়টি জেলা প্রশাসনের দৃষ্টিতে এলে ইউএনওকে তদন্ত করে একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয়।

ইউএনও কয়েক দফায় প্রতিবেদনও দাখিল করেন। কিন্তু তাতে সু-স্পষ্ট মন্তব্য না থাকায় আবার প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয় জেলা প্রশাসন।

এসময় ভাইরাল হওয়া ইয়াবা সেবনের ভিডিওটি কাটছাঁটের অভিযোগ করেন চেয়ারম্যান আব্দুস ছালাম। পরে সেটি যাচাই বাছাই করতে গত ৩ জানুয়ারি সিআইডির ঢাকার ফরেনসিক ল্যাবরেটারিতে পাঠান ইউএনও জোবায়ের।

সেখানে ভিডিওটির সত্যতার প্রমাণ মেলে। ভিডিওটিতে কোনো রকম কাটছাঁট করা হয়নি উল্লেখ করে গত ১ জুন সিআইডি প্রতিবেদন পাঠায়।

এরপর ইউএনও ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করে স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালকের কাছে প্রতিবেদন দেন।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার এর উপ-পরিচালক রামকৃষ্ণ বর্মণ বলেন, ইউএনওর প্রতিবেদনের উপর ভিত্তি করে দ্রুতই পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
বন্যহাতির আক্রমণে দিশেহারা কৃষক
বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

শেয়ার করুন

ঝালকাঠির একটি ছাড়া সব ইউপি আ.লীগের

ঝালকাঠির একটি ছাড়া সব ইউপি আ.লীগের

ঝালকাঠিতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ফল ঘোষণা করছেন নির্বাচন কর্মকর্তা শারমীন আফরোজ। ছবি: নিউজবাংলা

ঝালকাঠিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের তিন চেয়ারম্যান। তারা হলেন ঝালকাঠি সদরের কেওড়া ইউনিয়নের আবু সাইদ খান, নলছিটি উপজেলার নাচনমহলের সিরাজুল ইসলাম সেলিম ও রাজাপুর উপজেলার গালুয়ায় গোলাম কিবরিয়া পারভেজ।

ঝালকাঠি জেলায় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ৩০টিতে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। শুধু একটি ইউপিতে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী।

দেশে প্রথম ধাপে ইউপি নির্বাচনে সোমবার সকাল ৮টা থেকে ভোট শুরু হয়। শেষ হয় বিকেল ৪টায়। ঝালকাঠিতে ভোট গণনা শেষে রাতে ফল ঘোষণা করেন বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচনি কর্মকর্তা।

বেসরকারি এ ফলে ৩১টি ইউপির মধ্যে ৩০টিতেই জয় তুলে নেন নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। সদর উপজেলার কীর্ত্তিপাশা ইউনিয়নে শুধু জয় পান স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রহীম মিয়া।

নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা হলেন-

ঝালকাঠি সদরের বিনয়কাঠি ইউনিয়নে এ জে এম মঈন উদ্দিন, শেখেরহাটে নুরুল আমিন খান সুরুজ, গাবখান ধানসিঁড়িতে আবুল কালাম মাসুম, গাভারামচন্দ্রপুরে গোলাম মাওলা মাসুম শেরওয়ানী, নবগ্রামে মুজিবুরল হক আকন্দ, নথুল্লাবাদে নজরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, বাসন্ডায় মোবারক হোসেন মল্লিক। আর কীর্ত্তিপাশায় নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রহীম মিয়া।

নলছিটি উপজেলার রানাপাশা ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন শাহজাহান হাওলাদার, ভৈরবপাশায় এ কে এম আবদুল হক, দপদপিয়ায় সোহরাব হোসেন বাবুল মৃধা, সুবিদপুরে আবদুল গফফার খান, কুশঙ্গলে আলমগীর হোসেন, সিদ্ধকাঠিতে জেসমিন আক্তার, মগরে এনামুল হক শাহীন, মোল্লারহাটে এ কে এম মাহাবুবুর রহমান, কুলকাঠিতে এইচ এম আখতারুজ্জামান বাচ্চু।

রাজাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম, সাতুরিয়ায় সৈয়দ মইনুল হায়দার নিপু, বড়ইয়ায় সাহাব উদ্দিন হাওলাদার, মঠবাড়িতে শাহজালাল হাওলাদার, শুক্তাগড়ে বিউটি সিকদার জয় পেয়েছেন।

কাঁঠালিয়া উপজেলায় জয়ী আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যানরা হলেন সদর ইউনিয়নে মাহামুদুল হক নাহিদ, পাটিখালঘাটায় শিশির দাস, চেঁচরীরামপুরে হারুন অর রশিদ, আমুয়ায় আমিরুল ইসলাম সিকদার, শৌলজালিয়ায় মাহমুদ হোসেন রিপন ও আওড়াবুনিয়ায় মিঠু সিকদার।

এ ছাড়া জেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগের তিন চেয়ারম্যান। তারা হলেন ঝালকাঠি সদরের কেওড়া ইউনিয়নের আবু সাইদ খান, নলছিটি উপজেলার নাচনমহলের সিরাজুল ইসলাম সেলিম ও রাজাপুর উপজেলার গালুয়ায় গোলাম কিবরিয়া পারভেজ।

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
বন্যহাতির আক্রমণে দিশেহারা কৃষক
বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

শেয়ার করুন

বরগুনার ১৯ ইউপিতে নৌকার চেয়ারম্যান, ১০টিতে স্বতন্ত্র

বরগুনার ১৯ ইউপিতে নৌকার চেয়ারম্যান, ১০টিতে স্বতন্ত্র

বরগুনা সদরে উপজেলায় ইউপি নির্বাচনের ফলের অপেক্ষা। ছবি: নিউজবাংলা

বরগুনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার বলেন, ‘সবার সহযোগিতায় একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে সমর্থ হয়েছি।’

বরগুনা জেলার ২৯টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনের বেসরকারি ফলে ১৯টিতে চেয়ারম্যান হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী। অন্য ১০টিতে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

সোমবার ভোটগ্রহণ শেষে রাতে ফল ঘোষণা করেন বিভিন্ন উপজেলার নির্বাচনি কর্মকর্তারা।

বেসরকারি ফলে চেয়ারম্যান হলেন যারা-

বরগুনা সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মতিয়ার রহমান রাজা, ২ নম্বর গৌরীচন্নায় স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর সিদ্দিকি, ফুলঝুরিতে নৌকার গোলাম কবীর, কেওরাবুনিয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুজ্জামান নসা, আয়লাপাতাকাটায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোসাররফ হোসেন, বুড়িরচরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, ঢলুয়ায় আওয়ামী লীগের আজিজুল হক স্বপন, বরগুনা সদরে নৌকার আবদুল কুদ্দুস আলো আকন এবং নলটোনায় কেএম শফিকুজ্জামান মাহফুজ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

বেতাগী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নেই জয় পেয়েছেন নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। তারা হলেন বিবিচিনি ইউনিয়নের নওয়াব হোসেন নয়ন, বেতাগী সদর ইউনিয়নের হুমায়ূন কবির খলিফা, হোসনাবাদ ইউনিয়নের খলিলুর রহমান খান, মোকামিয়া ইউনিয়নে গাজী জালাল আহম্মেদ, কাজিরাবাদ ইউনিয়নে মোশারেফ হোসেন, বুড়ামজুমদার ইউনিয়নে আবদুর রব শুক্কুর ও সড়িষামুড়ি ইউনিয়নে ইমাম হোসেনে শিপন।

পাথরঘাটায়ও তিনটি ইউনিয়নের সব কয়টিতে জয় পেয়েছেন নৌকা প্রার্থী। তারা হলেন কালমেঘা ইউনিয়নে গোলাম নাসির, কাঠালতলীতে শহিদুল ইসলাম ও কাকচিড়ায় আলাউদ্দীন পল্টু।

আমতলী উপজেলার চারটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত এবং দুটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগের চার চেয়ারম্যান হলেন গুলিশাখালী ইউনিয়নের মনিরুল ইসলাম মনি, কুকুয়ার বোরহান উদ্দিন মাসুম তালুকদার, চাওড়ার আখতারুজ্জামান বাদল খান এবং আড়পাঙ্গাশিয়ার নারী প্রার্থী মোছা. সোহেলী পারভীন মালা।

জয় পাওয়া দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী হলেন উপজেলার আঠারোগাছিয়ার রফিকুল ইসলাম রিপন ও হলদিয়া ইউনিয়নের আসাদুজ্জামান মিন্টু মল্লিক।

বামনার চারটি ইউনিয়নের জয় পেয়েছেন সদর ইউনিয়নে চৌধুরী কামরুজ্জামান সগির (নৌকা), রামনা ইউনিয়নে নজরুল ইসলাম জমাদ্দার (নৌকা), ডৌয়াতলা ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান (স্বতন্ত্র) ও বুকাবুনিয়ার সাইদুর রহমান সবুজ (স্বতন্ত্র)।

এর আগে সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার এসব ইউনিয়নে মোটামুটি শান্তিপূর্ণ ভোট হয়।

বেশ কিছু ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে ভোট দিতে বাধ্য করা, এজেন্টদের বের করে দেয়া ও জাল ভোটের চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বরগুনা সদরের বদরখালী ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রে নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের গুলিতে একজন আহত হন। এর বাইরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা দিলীপ কুমার বলেন, ‘সবার সহযোগিতায় একটি শান্তিপূর্ণ নির্বাচন উপহার দিতে সমর্থ হয়েছি।’

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
বন্যহাতির আক্রমণে দিশেহারা কৃষক
বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

শেয়ার করুন

দুই শিশু খেলতে গিয়ে কুড়িয়ে পেল গুলির প্যাকেট

দুই শিশু খেলতে গিয়ে কুড়িয়ে পেল গুলির প্যাকেট

বিকেলে জীবননগর উপজেলার কাঁটাপোল গ্রামের ১২ বছর বয়সী সাদিয়া খাতুন ও আট বছর বয়সী সিমু খাতুন বাড়ির পাশের একটি আম বাগানে খেলছিল। এ সময় তারা ওই বাগানের গর্তের ভিতর মাটির নিচে একটি প্যাকেট দেখতে পায়। প্যাকেটটি তারা বাড়ি নিয়ে যায়। পরে প্যাকেটটি খুলে বন্দুকের গুলি দেখে বিষয়টি তারা পরিবারের সদস্যদের জানায়।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে দুই শিশু খেলতে গিয়ে একটি প্যাকেটে থ্রি নট থ্রি রাইফেলের ৬০ টি গুলি খুঁজে পাওয়ার পর সেগুলো নিয়ে এসেছে পুলিশ। দীর্ঘদিন ফেলে রাখায় সেগুলোতে মরিচা ধরে গিয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে জীবননগর উপজেলার কাঁটাপোল গ্রাম থেকে গুলিগুলো উদ্ধার করা হয়। এগুলো মুক্তিযুদ্ধকালীন বলে ধারণা পুলিশের।

পুলিশ জানায়, বিকেলে জীবননগর উপজেলার কাঁটাপোল গ্রামের ১২ বছর বয়সী সাদিয়া খাতুন ও আট বছর বয়সী সিমু খাতুন বাড়ির পাশের একটি আম বাগানে খেলছিল।

এ সময় তারা ওই বাগানের গর্তের ভিতর মাটির নিচে একটি প্যাকেট দেখতে পায়। প্যাকেটটি তারা বাড়ি নিয়ে যায়। পরে প্যাকেটটি খুলে বন্দুকের গুলি দেখে বিষয়টি তারা পরিবারের সদস্যদের জানায়।

সাদিয়া খাতুনের বাবা আব্দুল আজিজ জানান, গুলি দেখার পর তারা পুলিশে খবর দেন।

জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘গুলিগুলো জীবননগর থানায় নেয়া হয়েছে। এগুলো মরিচা ধরা। এগুলো থ্রি নট থ্রি রাইফেলের গুলি। ধারণা করা হচ্ছে, এগুলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালীন।’

আরও পড়ুন:
হাতির আক্রমণে কৃষকের মৃত্যু
ঈদ জমে হাতিরঝিলে
বন্যহাতির আক্রমণে দিশেহারা কৃষক
বন্যহাতির মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা
হাতির ছানার বাজে অভ্যাস

শেয়ার করুন