গর্ত থেকে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

গর্ত থেকে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শুক্রবার জিয়াউর রহমানের বাড়ি তল্লাশি করে। এ সময় ঘরের মেঝেতে রক্তের দাগ দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় ওই বাড়ির আশপাশে খোঁজ করা হয় এবং বাড়ির পেছনে একটা সন্দেহজনক গর্ত পাওয়া যায়। পরে সেই গর্ত খুঁড়ে আকাশের মরদেহ পাওয়া যায়।

ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় অষ্টধর ইউনিয়নে মাটির নিচ থেকে আকাশ মিয়া নামে এক স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

আকাশ মিয়া উপজেলার অষ্টধর ইউনিয়নের ভুগলি গ্রামের আক্রাম হোসেনের ছেলে। সে অষ্টধর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় একই গ্রামের জিয়াউর রহমানের বাড়ির পেছন থেকে পু্লিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন ময়মনসিংহ সদর সার্কেলের এএসপি আলাউদ্দিন।

তিনি জানান, একই গ্রামের জিয়াউর রহমানের মেয়ে জেসমিন আক্তারের সঙ্গে আগে থেকেই আকাশের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তারা দুজন পরিবারের অজান্তে ২ মে কোর্টে গিয়ে বিয়ে করে। পরে বিষয়টি দুই পরিবারে জানাজানি হয়। বুধবার জেসমিন আক্তার ফোন করে আকাশকে তাদের বাড়িতে ডেকে নেয়। এরপর থেকে আকাশ নিখোঁজ। বৃহস্পতিবার রাতে আকাশের বাবা আক্রাম হোসেন থানায় অভিযোগ করেন।

অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শুক্রবার জিয়াউর রহমানের বাড়ি তল্লাশি করে। এ সময় ঘরের মেঝেতে রক্তের দাগ দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। এ সময় ওই বাড়ির আশপাশে খোঁজ করা হয় এবং বাড়ির পেছনে একটা সন্দেহজনক গর্ত পাওয়া যায়। পরে সেই গর্ত খুঁড়ে আকাশের মরদেহ পাওয়া যায়। আকাশের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

এএসপি আলাউদ্দিন আরও জানান, গর্ত থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। জেসমিনের মা রোজিনা আক্তার ও তার চাচি নার্গিস আক্তারকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন:
মামার মরদেহ উদ্ধার, ভাগনে আটক
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ভোলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নিখোঁজের ৪ মাস পর তরুণী উদ্ধার

নিখোঁজের ৪ মাস পর তরুণী উদ্ধার

চলতি বছরের ৬ ফ্রেরুয়ারি নিখোঁজ হন ২২ বছর বয়সী ওই তরুণী। তাকে অপহরণের অভিযোগে তার মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

নিখোঁজের চার মাস পর এক তরুণীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকা মহানগরীর খিলগাঁও এলাকা থেকে এই নারীকে উদ্ধার করা হয়।

ওই তরুণী নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।

সোমবার রাত ৯টার দিকে এ তথ্য জানিয়েছেন পিবিআই নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম।

তিনি নিউজবাংলাকে জানান, চলতি বছরের ৬ ফ্রেরুয়ারি নিখোঁজ হন ২২ বছর বয়সী ওই তরুণী। তাকে অপহরণের অভিযোগে তার মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।

মামলায় আসামি করা হয় দুই নারীকে। তারা ওই তরুণীর বান্ধবী। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয় পিবিআইকে। মামলার তদন্তভার পাওয়ার পর উপপরিদর্শক টিপু সুলতান আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। রোববার রাতে ঢাকা মহানগরীর খিলগাঁও চৌরাস্তা এলাকায় একটি বাসা থেকে তরুণীকে উদ্ধার করা। তবে কাউকে আটক করা যায়নি।

সোমবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. কাওসার আলমের আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন তরুণী। পরে আদালত তাকে তার মায়ের জিম্মায় দেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত চলমান রেখেছে বলে জানান পুলিশ সুপার মনিরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন:
মামার মরদেহ উদ্ধার, ভাগনে আটক
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ভোলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

থানার গ্যারাজে ফেনসিডিলের খালি বোতল

থানার গ্যারাজে ফেনসিডিলের খালি বোতল

সোমবার সকালে থানার গ্যারাজে স্ট্যান্ড করে রাখা মোটরসাইকেলে ফাঁকে ফাঁকে ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেনসিডিলের বহু খোলা বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ছবি: নিউজবাংলা।  

কে বা কারা থানা চত্বরের ভিতরে এই ফেনসিডিল খেয়ে এগুলো স্তূপ করে রেখেছে তা স্পষ্ট নয়। সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত থানার ভিতরে কীভাবে এই ফেনসিডিলের বোতলগুলো জমে আছে তা নিয়ে থানায় সেবা নিতে আসা সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে গ্যারাজে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই।

নওগাঁর মান্দা থানার গ্যারাজে ফেনসিডিলের বহু খালি বোতল পাওয়া গেছে।

সোমবার সকালে থানার গ্যারাজে গিয়ে দেখা যায়, স্ট্যান্ড করে রাখা মোটরসাইকেলে ফাঁকে ফাঁকে ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেনসিডিলের বহু খোলা বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে।

কে বা কারা থানা চত্বরের ভিতরে এই ফেনসিডিল খেয়ে এগুলো স্তূপ করে রেখেছে তা স্পষ্ট নয়। সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত থানার ভিতরে কীভাবে এই ফেনসিডিলের বোতলগুলো জমে আছে তা নিয়ে থানায় সেবা নিতে আসা সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে গ্যারাজে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই।

পুলিশ মাদকসেবীদের ধরে জেলহাজতে পাঠায়। অথচ সেই থানা চত্বরে অসংখ্য পরিত্যক্ত ফেনসিডিলের বোতল জমা হয়ে আছে।

নওগাঁ মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি হাফিজার রহমান বলেন, ‘থানার মতো একটি সুরক্ষিত স্থানে কীভাবে ফেনসিডিলের বোতল পড়ে থাকে? এটা থানার কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার সামিল। পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা এবং আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।’

এ ব্যাপারে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান জানান, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই, যদি ছবি থাকে তবে পাঠান।’

থানার গ্যারাজে ফেনসিডিলের খালি বোতল
সোমবার সকালে থানার গ্যারাজে স্ট্যান্ড করে রাখা মোটরসাইকেলে ফাঁকে ফাঁকে ফেনসিডিলের বহু খোলা বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ছবি: নিউজবাংলা

এর পর মেসেঞ্জারে ছবি পাঠিয়ে তাকে একাধিকবার কল দিলেও পরে আর তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মান্দা সার্কেল) মতিয়ার রহমান জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার কাছে থেকে প্রথম জানলাম।

থানা একটি সুরক্ষিত স্থান হওয়ার পরও এর গ্যারাজে ফেনসিডিলের খালি বোতল কী করে পড়ে থাকে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে সেটাতো আলমত সংরক্ষণের স্থান। তবুও আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’

আরও পড়ুন:
মামার মরদেহ উদ্ধার, ভাগনে আটক
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ভোলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

অনির্দিষ্টকালের লকডাউনে মাগুরা

অনির্দিষ্টকালের লকডাউনে মাগুরা

মাগুরা সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান জানান, সর্বশেষ রোববার ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সাথে মহম্মদপুর উপজেলা সদরে তিনদিনে ২৯ নমুনায় ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের হার শতকরা ৪২ ভাগ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সোমবার সকাল থেকে মাগুরা শহরকে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। সেই সঙ্গে জেলার মহম্মদপুর উপজেলা সদরেও লকডাউন ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ছাড়া মাগুরার একমাত্র পৌরসভার ২, ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডে রেড অ্যালার্ট ঘোষণা করা হয়েছে। মহম্মদপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নকে রেড অ্যালার্টের আওতায় আনা হয়েছে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের প্রবেশপথে বাঁশের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে দেখা যায়। সেখfনে পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও স্কাউট সদস্যদের তদারকি করতে দেখা যায়। বিশেষ করে ভায়না মোড় থেকে ঢাকা রোড ও নতুন বাজার এলাকায় রিকশা, অটোরিকশা, মোটর সাইকেল প্রবেশে বাধা দেয়া হয়। তবে জরুরি পরিষেবাগুলোর যান প্রবেশে বাধা ছিল না।

মাগুরা সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান জানান, সর্বশেষ রোববার ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সাথে মহম্মদপুর উপজেলা সদরে তিনদিনে ২৯ নমুনায় ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের হার শতকরা ৪২ ভাগ।

তিনি বলেন, কঠোর লকডাউন দেয়া না হলে সংক্রমণ জেলার সবখানে ছড়িয়ে যাবে। জেলার এমন পরিস্থিতিতে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে লকডাউনের সুপারিশ করা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক সোমবার থেকে মাগুরা শহর ও মহম্মদপুর উপজেলা সদরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম জানান, লকডাউন কঠোরভাবে পালনে শহরের প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে। লকডাউন কার্যকর, রেডজোনে জনসাধারনের যাতাযাত সীমিতকরণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা হচ্ছে। বিশেষ করে শতভাগ মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে প্রশাসন মাঠে কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
মামার মরদেহ উদ্ধার, ভাগনে আটক
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ভোলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

উদ্বোধনের আগেই সংযোগ সড়কে ধস

উদ্বোধনের আগেই সংযোগ সড়কে ধস

২ কোটি ৭৩ লাখ টাকায় নির্মিত সংযোগ সড়কটি উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

সোমবার সকাল ৯টার দিকে সেতুর দক্ষিণ পাশের সংযোগ সড়কটি ধসে পড়ে। একটি ট্রাক সড়কটি পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রামে আত্রাই নদীর ওপর নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক। এই প্রকল্পে খরচ হয়েছে ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

বানগ্রামের হাটকে যানজট মুক্ত রাখতে হাটের পূর্ব পাশে মহাসড়কের উত্তরে আত্রাই নদীর ওপর চলতি অর্থ বছরে সড়কটি নির্মাণ করে এলজিইডি।

সোমবার সকাল ৯টার দিকে সেতুর দক্ষিণ পাশের সংযোগ সড়কটি ধসে পড়ে। একটি ট্রাক সড়কটি পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, পণ্যবাহী ট্রাকটি উল্টে দুটি বসত বাড়িতে আঘাত হানে। এতে আহত হন তিনজন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাড়ি দুটি।

এ ঘটনায় ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনিয়মের অভিযোগ জোরালো হয়। স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই সংযোগ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ করে আসছিলেন তারা।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে প্রকল্পের ঠিকাদারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাকে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
মামার মরদেহ উদ্ধার, ভাগনে আটক
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ভোলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

ধর্ষণের তিন মামলায় গ্রেপ্তার ২

ধর্ষণের তিন মামলায় গ্রেপ্তার ২

প্রতীকী ছবি।

পুলিশ বলছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় মামলাটি হয় গোপনে গোসলের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আরেক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগের। এ ছাড়া জাম খাওয়ানোর কথা বলে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটনের হারাগাছ থানায় রোববার পৃথক তিনটি ধর্ষণের অভিযোগে তিনটি মামলা হয়েছে।

ওই দিনই ২ আসামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় মামলাটি হয় গোপনে গোসলের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আরেক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগের।

এ ছাড়া জাম খাওয়ানোর কথা বলে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

হারাগাছ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) একেএম জাহিদ হোসেন জানান, রোববার সকালে জাম খাওয়ানোর কথা বলে এক শিশুকে ধানক্ষেতে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে সাহেবগঞ্জের আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মাকে পুরো ঘটনা জানিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আমিরুলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জের এসএসসি পরীক্ষার্থী সুমন বারি দাসের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী মেয়েটির মা রোববার রাতে হারাগাছ থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশিকা সুলতানা জানান, মোবাইল ফোনে ছেলে ও মেয়ের পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

‘৬ জুন কুড়িগ্রামের উলিপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মেয়েটির সঙ্গে দেখা হয় সুমন বারি দাসের। এরপর ১২ জুন সুমন মেয়েটির বাড়িতে যায়। এ সময় মেয়েটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে সুমন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুমন বারি দাসকে আটকসহ ভিকটিমকে উদ্ধার করে।’

এছাড়াও নগরীর সিগারেট কোম্পানি এলাকায় এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে মামলা হয়েছে।

রোববার রাতে ওই গৃহবধূ অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম ও তার বাবা আব্দুর রাজ্জাকসহ দুই চাচাকে আসামি করে হারাগাছ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, সম্প্রতি ওই গৃহবধূর গোসলের দৃশ্য গোপনে ভিডিওতে ধারণ করেন একই এলাকার আরিফুল ইসলাম। সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আরিফুল বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও মুছে ফেলার কথা বলে গৃহবধূর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকাও আদায় করেন। পরে ওই গৃহবধূ ঘটনাটি পরিবারের লোকজনকে জানালে তারা আরিফুলের পরিবারকে জানায়। স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার কথা ছিল কিন্তু হয়নি।

পরে ওই গৃহবধূ রোববার রাতে আরিফুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নগ্রাফী আইনে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলা পর আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রংপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল

করিম জানান, ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে রোববার রাতে হারাগাছ থানায়

পৃথক তিনিট মামলা হয়েছে। দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।

রংপুর মেট্রপলিটন আমলী আদালতে (হারাগাছ) সাধারণ নিবন্ধক মুনির হোসেন জানান, এ ঘটনায় দুই আসামীকে আদালতে নেয়া হলে হাকিম শুনানী শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
মামার মরদেহ উদ্ধার, ভাগনে আটক
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ভোলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে দুই শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন তিন নারী। ছবি: নিউজবাংলা

‘২০১৭ সালে শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাররোখ ও আমানউল্লাহ তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। অগ্রীম হিসেবে শারমিন তাদের দেড় লাখ, নুরুননাহার আড়াই লাখ ও আলেয়া দেড় লাখ টাকা দেন।’

জয়পুরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভন দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ওই দুই শিক্ষক নেতা হলেন ক্ষেতলাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও জিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক ওয়াদুদ ফাররোখ এবং পাঁচবিবি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচবিবি ঢাকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আমানউল্লাহ।

জেলা প্রেসক্লাবে সোমবার বেলা ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন তিন নারী।

অভিযোগকারী তিন নারী হলেন আক্কেলপুর উপজেলার কাশিড়া লক্ষ্মীভাটা গ্রামের আলেয়া বেগম, শারমিন আক্তার ও জয়পুরহাট সদরের জয়পার্বতীপুর দক্ষিণ কান্দি গ্রামের নুরুননাহার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন শারমিন আক্তার।

তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালে শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাররোখ ও আমানউল্লাহ তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। অগ্রীম হিসেবে শারমিন তাদের দেড় লাখ, নুরুননাহার আড়াই লাখ ও আলেয়া দেড় লাখ টাকা দেন।’

এরপর আক্কেলপুর মুজিবুর রহমান কলেজের পেছনে একটি শিশু কল্যাণ স্কুলও চালু করেন তারা। দেড় বছর সেই স্কুলের মাসিক ৬ হাজার টাকা ভাড়া শোধ করেন এই তিন নারী। কিন্তু তারা চাকরি দিব-দিচ্ছি বলে টালবাহানা করতে থাকেন ও একপর্যায়ে নান রকম হুমকি দেয়া শুরু করেন।

এ বছরের ৩১ মে ওই তিন নারী এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে জয়পুরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে সংবাদ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেন।

এ বিষয়ে ফাররোখ ও আমানউল্লাহর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এত কথা মোবাইলে বলা সম্ভব না। সামনাসামনি জানাবেন।

কিন্তু পরে আবার ফোন করলে তারা জানান, কিছু টাকা তারা ফেরত দিয়েছেন। বাকিটাও দিয়ে দেবেন।

আরও পড়ুন:
মামার মরদেহ উদ্ধার, ভাগনে আটক
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ভোলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন

শ্বশুরবাড়িতে ‘চারমাস বন্দি’ নারী দুই সন্তানসহ উদ্ধার

শ্বশুরবাড়িতে ‘চারমাস বন্দি’ নারী দুই সন্তানসহ উদ্ধার

এই বাড়িতে ‘চারমাস বন্দি’ থাকার পর ওই নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় এক গৃহবধূকে দুই সন্তানসহ চার মাস গৃহবন্দি রাখার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকের বিরুদ্ধে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করেছে।

উপজেলার নয়মাইল এলাকা থেকে সোমবার দুপুরে শ্বশুরবাড়ির তৃতীয় তলা থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়।

শাজাহানপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ১১ বছর আগে শাহাজানপুরের আড়িয়া ইউনিয়নের নয়মাইল মন্ডলপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে হয়। তাদের দুটি কন্যা শিশু আছে।

ওই নারীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। এরপর গত চার মাস ওই নারীকে তার বাবার বাড়ির কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হয়নি।

স্বামী রফিকুল ইসলাম তাকে ওই বাড়ির ৩য় তলায় সন্তানসহ বন্দি করে রাখেন। তাদের ঠিকমতো খাবার দেয়া হতো না। কৌশলে তিনি বাবা-মাকে বিষয়টি জানালে তারা মেয়েকে নিতে এলে দেখা করতে দেয় না শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

এরপর তার বাবা শাজাহানপুর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ গিয়ে তাকে সন্তানসহ উদ্ধার করে বাবা-মায়ের জিম্মায় দেয়।

এসআই আব্দুর রহমান জানান, তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই নারীর স্বামীসহ শশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
মামার মরদেহ উদ্ধার, ভাগনে আটক
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
নাটোরে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার
ভোলায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
অটোরিকশাচালকের মরদেহ উদ্ধার

শেয়ার করুন