রোজায় বলাৎকার, ঈদ শেষে মাদ্রাসায় যেতে অনীহা ছাত্রদের

রোজায় বলাৎকার, ঈদ শেষে মাদ্রাসায় যেতে অনীহা ছাত্রদের

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে থানা পুলিশ জানায়, ওমর ফারুক ওই মাদ্রাসাতেই থাকতেন। রোজার মাসে মাদ্রাসায় থাকা কয়েক জন আবাসিক ছাত্রকে তিনি বলাৎকার করেন। ঈদের ছুটি শেষে মাদ্রাসায় তারা ফিরতে আপত্তি করলে অভিভাবকরা এর কারণ জানতে চায়। তখনই বলাৎকারের বিষয়টি সামনে আসে। 

বগুড়া সদরে একাধিক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ওমর ফারুক নামের ওই শিক্ষককে শুক্রবার দুপুরে সদরের পলাশবাড়ি উত্তরপাড়া হাফেজিয়া কওমি মাদ্রাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওমরের বাড়ি শিবগঞ্জ উপজেলার গুজিয়া গ্রামে।

সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেদার উদ্দিন নিউজবাংলাকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে থানা পুলিশ জানায়, ওমর ফারুক ওই মাদ্রাসাতেই থাকতেন। রোজার মাসে মাদ্রাসায় থাকা কয়েক জন আবাসিক ছাত্রকে তিনি বলাৎকার করেন। ঈদের ছুটি শেষে মাদ্রাসায় তারা ফিরতে আপত্তি করলে অভিভাবকরা এর কারণ জানতে চায়। তখনই বলাৎকারের বিষয়টি সামনে আসে।

এ খবর জানাজানি হলে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে গ্রামের লোকজন মাদ্রাসা ঘেরাও করে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং ওমর ফারুককে গ্রেপ্তার করে।

ঘটনাস্থলে থাকা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেদার উদ্দিন জানান, বলাৎকারের অভিযোগ করা দুই ছাত্র ও তাদের অভিভাবকের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। ওই শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ, শিক্ষক গ্রেপ্তার
বলাৎকার: ৯৯৯ এ কলে কওমি শিক্ষক গ্রেপ্তার
শিশু বলাৎকারের অভিযোগে নরসুন্দর গ্রেপ্তার
বলাৎকারের পর মাদ্রাসায় ডেকে মারধর, মেলেনি জামিন
শিক্ষার্থীদের বলাৎকার:  স্কুলশিক্ষক কারাগারে

শেয়ার করুন

মন্তব্য