মাইক্রোবাস ও পিকআপের সংঘর্ষ, নিহত ২

মাইক্রোবাস ও পিকআপের সংঘর্ষ, নিহত ২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাইক্রোবাস ও পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষে রনি খন্দকার নামের এক কিশোরসহ দুইজন নিহত হয়েছেন।

উপজেলার বুধন্তি ইউনিয়নের ইমলামপুর পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার আলীনগরে শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান।

তিনি জানান, এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন মাইক্রোবাসের চারজন। তাদের হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে।

ওসি আতিকুর জানান, ইসলামপুর পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ওপর সিলেটমুখী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে ঢাকামুখী একটি পিকআপ ভ্যানের সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঘটনাস্থলেই পিকআপ ভ্যানের যাত্রী রনি খন্দকারসহ চালকের মৃত্যু হয়।

নিহত পিকআপচালকসহ আহতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি।

আরও পড়ুন:
ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, নিহত ৩
চাচাতো ভাইয়ের গাড়ির ধাক্কায় গেল প্রাণ
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত
মৃত্যুর পরও ৩ বন্ধু পাশাপাশি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কর্মসৃজন প্রকল্প: অসহায় শিক্ষকও পাননি পুরো মজুরি

কর্মসৃজন প্রকল্প: অসহায় শিক্ষকও পাননি পুরো মজুরি

কর্মসৃজনের টাকা বিতরণ এলাকার পাশে বসে এভাবেই শ্রমিকের টাকা কেটে রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের লোকজন। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় এমপি বলেন, ‘একজন শিক্ষক কতটুকু অসহায় হলে শ্রমিকের কাজ করতে পারেন। আর তাদের ন্যায্য মজুরি জোরপূর্বক হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঘৃণিত। শুধু এসব শিক্ষকদের নয়, সেখানে বেশিরভাগ উপকারভোগীর কাছ থেকে একইভাবে চার হাজার করে টাকা কেটে নেয়া হয়েছে।’

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের একটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুরুল ইসলাম। এমপিওভুক্ত না হওয়ায় আট বছর ধরে বিনা বেতনে ছড়িয়েছেন শিক্ষার আলো।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সরকার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়। টিউশনও বন্ধ হয়ে যায়। এতে চরম বিপাকে পড়েন নুরুল ইসলামসহ ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

আত্মমর্যাদা জলাঞ্জলি দিয়ে একপর্যায়ে নুরুল ইসলামসহ চার শিক্ষক কাজ নেন সরকারের কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পে।

অভিযোগ উঠেছে, এ প্রকল্পে মাটি কাটার সামান্য মজুরির পুরোটাও পাননি তারা। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যরা মজুরির ১৬ হাজার টাকার মধ্যে চার হাজার টাকা নিয়ে নিয়েছেন।

প্রতিকার চেয়ে নুরুল ইসলাম জেলা প্রশাসকসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক এমএ মতিনের কাছে দিয়েছেন লিখিত অভিযোগ। প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন এমপি মতিন।

কর্মসৃজন প্রকল্প: অসহায় শিক্ষকও পাননি পুরো মজুরি
শিক্ষক নুরুল ইসলামের দেয়া লিখিত অভিযোগ

অভিযোগে বলা হয়, ৮ বছর আগে দুর্গম চরাঞ্চল ব্রহ্মপুত্র নদ বিচ্ছিন্ন উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের ১০ শিক্ষক নিয়ে ‘দৈ খাওয়ার চর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ গড়ে তোলেন নুরুল। তখন থেকে ওই শিক্ষকরা বিনা বেতনে চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করে আসছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি বিভিন্ন কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন তারা।

করোনা পরিস্থিতিতে সব বন্ধ হয়ে গেলে নুরুলসহ বিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষক মানবেতর জীবনযাপন করে আসছিলেন। বাধ্য হয়েই সরকারের কর্মসৃজন কর্মসূচি প্রকল্পে মাটি কাটার কাজ নেন তারা।

এতে আরও বলা হয়, ২০২০-২১ অর্থ বছরে দুই ধাপে ৮০ দিন কাজ করেন তারা। ২০০ টাকা মজুরি হিসাবে জনপ্রতি তাদের ১৬ হাজার টাকা পাওয়ার কথা। গত ৩০ জুলাই ওই ইউনিয়নে শ্রমিকদের মজুরির টাকা বিতরণ করা হয়।

নুরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ব্যাংক কর্মকর্তাদের কাছ থেকে মজুরির টাকা নিয়ে বের হতেই ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের প্রতিনিধি আলী হোসেন, ইউসুফ আলী ও আয়নাল হক মৃধা বারান্দা থেকে প্রত্যেক উপকারভোগীর কাছ থেকে জোর করে চার হাজার টাকা নিয়ে নেন।

ওই সময় তিনিসহ অন্য শিক্ষকরা টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদেরকে নানা হুমকি দেয়া হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন মন্টুর নির্দেশে টাকা তোলা হচ্ছে জানালে বাধ্য হয়ে তিনিসহ শিক্ষক মনসুর আলী, শাহীন আলম, শহিদুল আলম ও শহিদুল ইসলাম তাদের মোট ২০ হাজার টাকা দেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা চেয়ারম্যানের তার ব্যক্তিগত মোবাইল ফোন থেকে কল করে তাকে গালিগালাজ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনার পর প্রতিকার চেয়ে তিনি জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় এমপি সদস্যের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন মন্টুর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, ‘বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা ও ভিডিও ফুটেজ দেখে সংশ্লিষ্ট ইউএনওকে বিষয়টি তদন্ত করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ওই শিক্ষকের লিখিত অভিযোগ এখনও পাইনি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক এমএ মতিন অভিযোগ পাবার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘একজন শিক্ষক কতটুকু অসহায় হলে শ্রমিকের কাজ করতে পারেন। আর তাদের ন্যায্য মজুরি জোরপূর্বক হাতিয়ে নেয়ার বিষয়টি অত্যন্ত ঘৃণিত।

‘শুধু এসব শিক্ষকদের নয়, সেখানে বেশিরভাগ উপকারভোগীর কাছ থেকে একইভাবে চার হাজার করে টাকা কেটে নেয়া হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে এর সত্যতা পাই। এ বিষয়ে আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবার সুপারিশ করব।’

আরও পড়ুন:
ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, নিহত ৩
চাচাতো ভাইয়ের গাড়ির ধাক্কায় গেল প্রাণ
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত
মৃত্যুর পরও ৩ বন্ধু পাশাপাশি

শেয়ার করুন

সোনালি আঁশের সুদিন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কৃষক

সোনালি আঁশের সুদিন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কৃষক

ভাল দাম পেয়ে পাট চাষে ঝুঁকছেন টাঙ্গাইলের নাগরপুরের অনেক চাষি। ছবি: নিউজবাংলা

নাগরপুরের কৃষকরা জানান, বীজ বপনের সময় আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলেও পরে সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্ষার পানি আসার পর তারা পাট কাটা শুরু করেন। ওই পানিতেই জাগ দেন। গ্রামাঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বাড়ির পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সোনালি আঁশ খ্যাত পাটের সুদিন ফিরতে শুরু করেছে। ভালো দাম পেয়ে পাট চাষে ঝুঁকছেন টাঙ্গাইলের নাগরপুরের অনেক চাষি। এবার সময়মতো বৃষ্টি হওয়ায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। পাট তোলায় ব্যস্ত কিষান-কিষানি, এ নিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে গ্রামে।

নাগরপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মতিন বিশ্বাস জানান, গত বছরের চেয়ে এবার পাট চাষ বেড়েছে। উপজেলায় ১ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। আগের বছর আবাদ হয়েছিল ১ হাজার ৩৩১ হেক্টর জমিতে।

অন্য ফসলের চেয়ে পাটের জমিতে শ্রমিকের মজুরিসহ অন্য খরচ কম। এতে লাভ বেশি হওয়ায় উপজেলার কৃষকদের মাঝে পাট চাষের আগ্রহ বেড়েছে। গত মৌসুমের শেষের দিকে পাটের দাম দাঁড়িয়েছিল মণপ্রতি ৬ হাজার টাকায়।

সোনালি আঁশের সুদিন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কৃষক
পাটের আঁশ শুকাতে দিচ্ছেন কৃষক

উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, প্রকৃতি ও বাজার চাষিদের অনুকূলে হওয়ায় পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা নাগরপুরে প্রতিবছরই বাড়ছে। এ বছর আবাদ করা পাটগাছ কেটে কৃষকরা এরই মধ্যে ঘরে তুলতে শুরু করেছেন। এবার পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান চাষিরা।

নাগরপুর উপজেলা অপেক্ষাকৃত নিচু হওয়ায় কমবেশি সব ইউনিয়নে পাটের আবাদ হয়ে থাকে। বাজারদর অনুযায়ী উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে পাটের ভালো লাভ পাচ্ছেন কৃষকরা।

তারা জানান, বীজ বপনের সময় আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলেও পরে সময়মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্ষার পানি আসার পর তারা পাট কাটা শুরু করেন। ওই পানিতেই জাগ দেন। গ্রামাঞ্চলে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বাড়ির পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নাগরপুরের গয়হাটা ইউনিয়নের চাষি রবি মিয়া নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এক বিঘা জমিতে পাট চাষে ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। এর মধ্যে রয়েছে বীজ, সার, কীটনাশক, পরিচর্যা ও রোদে শুকিয়ে ঘরে তোলা পর্যন্ত আনুষঙ্গিক খরচ।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর আমি দুই জাতের পাটের আবাদ করেছি। উপজেলা কৃষি অফিস পাটবীজসহ বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করেছে। এলাকায় পাটের হাট হিসেবে প্রায় প্রতিটি বাজার পরিচিত হলেও গয়হাটার হাট উল্লেখযোগ্য। সেখানে দূরদূরান্ত থেকে ব্যাপারীরা এসে পাট কিনে নিয়ে যান।’

সোনালি আঁশের সুদিন, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন কৃষক
পাট কাটতে ব্যস্ত কৃষক

পাটচাষি হাসমত আলী বলেন, ‘ধানের মতো পাটের বাজারও যেন সিন্ডিকেটের দখলে চলে না যায়, সে জন্য সরকারিভাবে পাটের দাম নির্ধারণ ও ক্রয়ের উদ্যোগ নিতে হবে।’

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইমরান হোসেন শাকিল নিউজবাংলাকে জানান, পাটের জমিতে শ্রমিক কম লাগে, জমির আগাছা ওষুধ প্রয়োগ করেই নির্মূল সম্ভব। সব মিলিয়ে পাটের দাম বেড়েছে। পাট ছাড়ানোর পর কাঠি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এসব কারণে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে কৃষকরা পাট চাষে ঝুঁকছেন।

বর্তমান বাজারদরে বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল পাট চাষ করে কৃষকের লোকসান হওয়ার কোনো শঙ্কা নেই বলে জানান কৃষিবিদ ইমরান।

আরও পড়ুন:
ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, নিহত ৩
চাচাতো ভাইয়ের গাড়ির ধাক্কায় গেল প্রাণ
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত
মৃত্যুর পরও ৩ বন্ধু পাশাপাশি

শেয়ার করুন

ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর অনাস্থা

ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর অনাস্থা

কুষ্টিয়া সদরের বটতৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোমিন মণ্ডল। ছবি: নিউজবাংলা

গত সপ্তাহে মেম্বাররা তাদের ১৭ মাসের বকেয়া সম্মানী ভাতা পরিশোধ না করায় জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলেন।

অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে কুষ্টিয়া সদরের বটতৈল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোমিন মণ্ডলের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন ১১ জন মেম্বার।

জেলা প্রশাসক মো. সাইদুল ইসলামের কাছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওই অনাস্থা প্রস্তাবটি দেয়া হয়।

এরপর মেম্বাররা এ বিষয়ে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতার সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানেও অনাস্থা প্রস্তাবের প্রতিলিপি দেয়া হয়। জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান মেম্বাররা।

গত সপ্তাহে মেম্বাররা তাদের ১৭ মাসের বকেয়া সম্মানী ভাতা পরিশোধ না করায় জেলা প্রশাসক বরাবর অভিযোগ দিয়েছিলেন।

মেম্বার ফরিদ আহমেদ বলেন, এই ইউনিয়নে ধান-চালের মোকাম থেকে বছরে ৫০ লাখ টাকা কর পাওয়া যায়। অথচ মেম্বারদের সম্মানী বাবদ বছরে ৭ লাখ টাকা পরিশোধ করেন না চেয়ারম্যান। পেশী শক্তি ব্যবহার করে তিনি ইউনিয়নকে অকার্যকর করে রেখেছেন বলেও অভিযোগ তোলেন মেম্বাররা।

আরও পড়ুন:
ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, নিহত ৩
চাচাতো ভাইয়ের গাড়ির ধাক্কায় গেল প্রাণ
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত
মৃত্যুর পরও ৩ বন্ধু পাশাপাশি

শেয়ার করুন

মাইক্রো-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২

মাইক্রো-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ২

কুষ্টিয়ায় মাইক্রোবাস ও সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত হয় দুইজন। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ জানায়, ভেড়ামারা থেকে যাত্রী নিয়ে অটোরিকশাটি কুষ্টিয়ার দিকে যাচ্ছিল। মিরপুরের আটমাইল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা মাইকোর সঙ্গে গাড়টির সংঘর্ষ হয়। 

কুষ্টিয়া-ভেড়ামারা সড়কে মাইক্রোবাস ও সিএনজি অটোরিকশার সংঘর্ষে এক গৃহবধূসহ দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

মিরপুর উপজেলার আটমাইল এলাকায় বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুলহাস ইসলাম নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত গৃহবধূর নাম মেহের নিগার। তিনি ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম এলাকার সুভলের স্ত্রী। চিকিৎসার জন্য রাজশাহী যাচ্ছিলেন মেহের।

নিহত অপরজনের বাড়ি মিরপুরের বাগোয়ান এলাকায়। তারা দুজনই অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।

স্থানীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভেড়ামারা থেকে যাত্রী নিয়ে অটোরিকশাটি কুষ্টিয়ার দিকে যাচ্ছিল। মিরপুরের আটমাইল এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা মাইকোর সঙ্গে গাড়টির সংঘর্ষ হয়।

ঘটনাস্থলেই মারা যান মেহের। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় আহত চারজনকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়ার পথে শিশিরের মৃত্যু হয়।

ওসি জানান, অটোরিকশা ও মাইকো আটক করা হয়েছে। চালকরা পলাতক। আহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, নিহত ৩
চাচাতো ভাইয়ের গাড়ির ধাক্কায় গেল প্রাণ
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত
মৃত্যুর পরও ৩ বন্ধু পাশাপাশি

শেয়ার করুন

আড়াইহাজারে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

আড়াইহাজারে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

আড়াইহাজার থানার ওসি জানান, সকালে ঘরের বেড়া ঠিক করছিলেন আব্দুল করিম ভূইয়া ও তার স্ত্রী হালিমা বেগম। এ সময় প্রতিবেশী আত্মীয় ইমান আলী বাধা দেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ইমান দা দিয়ে করিম ও তার স্ত্রীকে আঘাত করেন।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে এক গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার। এর আগে উপজেলার গোপালদী পৌরসভার ভিটিকলাগাছিয়া এলাকায় হামলার ওই ঘটনা ঘটে।

নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান মোল্লা।

স্বজনদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, সকালে ঘরের বেড়া ঠিক করছিলেন আব্দুল করিম ভূইয়া ও তার স্ত্রী হালিমা বেগম। এ সময় প্রতিবেশী আত্মীয় ইমান আলী বাধা দেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে ইমান দা দিয়ে করিম ও তার স্ত্রীকে আঘাত করেন।

তাদের উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে হালিমাকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে দুপুরে হালিমার মৃত্যু হয়।

ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা নিউজবাংলাকে বলেন, হামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি করিমের মেয়ের দেবর। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক। তাকে ধরতে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, নিহত ৩
চাচাতো ভাইয়ের গাড়ির ধাক্কায় গেল প্রাণ
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত
মৃত্যুর পরও ৩ বন্ধু পাশাপাশি

শেয়ার করুন

পাবনায় ভ্যাকসিন ছাড়াই খালি সিরিঞ্জ পুশ, দুই নার্স প্রত্যাহার

পাবনায় ভ্যাকসিন ছাড়াই খালি সিরিঞ্জ পুশ, দুই নার্স প্রত্যাহার

ছবিঃ সংগৃহীত

পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মনিসর চৌধুরী বলেন, জেলায় টিকাদানে নিযুক্তরা সবাই স্টাফ নার্স ও অভিজ্ঞ। স্বাস্থ্যকর্মীরাও প্রশিক্ষিত। এ ধরনের ভুল হওয়ার কথা নয়। তারপরও ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে সহযোগিতার অনুরোধ করেন তিনি।

পাবনায় এক মেডিক্যাল কলেজ শিক্ষার্থীকে ভ্যাকসিন ছাড়াই খালি সিরিঞ্জ পুশের অভিযোগে দুই নার্সকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের টিকা কেন্দ্র থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে তাদের প্রত্যাহার করা হয়।

যাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে তারা হলেন মেরিনা ও মিতা।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক কে এম আবু জাফর নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি জানান, নার্সরা তাকে জানিয়েছে খালি সিরিঞ্জ পুশের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল হান্নান জানান, তার মেয়ে সাবাহ মরিয়াম ঢাকার একটি মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থী। বুধবার করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকা নিতে হাসপাতালে যান সাবাহ। এ সময় নার্সরা তার হাতে একটি খালি সিরিঞ্জ পুশ করে। বিষয়টি নজরে এলে প্রতিবাদ জানান তিনি। তখন তাড়াহুড়ো করে সিরিঞ্জ বের করায় রক্ত বের হয়। পরে ভ্যাকসিনসহ আরেকটি সিরিঞ্জ পুশ করা হয় অন্যহাতে।

তিনি আরও জানান, তার মেয়ে মেডিক্যাল শিক্ষার্থী হওয়ায় বিষয়টি দ্রুত বুঝতে পারে। এটিকে গুরুতর অপরাধ ও কর্তব্যে অবহেলা মনে করে তিনি বলেন, নার্সরা কেন এমন করলেন, তা তার বোধগম্য নয়।

তবে এ ঘটনায় নার্সদের কোনো অবহেলা ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখার কথা জানান ডা. আবু জাফর।

তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ তারা পাননি। এরপরও পাবনা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি প্রতিবেদন দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি টিকা কেন্দ্রে সার্বিক নজরদারিও বাড়ানো কথা জানান তিনি।

এ বিষয়ে পাবনার সিভিল সার্জন মনিসর চৌধুরী বলেন, জেলায় টিকাদানে নিযুক্তরা সবাই স্টাফ নার্স ও অভিজ্ঞ। স্বাস্থ্যকর্মীরাও প্রশিক্ষিত। এ ধরনের ভুল হওয়ার কথা নয়। তারপরও ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। তবে টিকাদান কার্যক্রম নিয়ে বিভ্রান্ত না হয়ে সহযোগিতার অনুরোধ করেন তিনি।

এর আগে টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ নম্বর বুথে রোববার অন্তত ২০ জনের দেহে করোনার টিকা না দিয়েই কেবল সিরিঞ্জের সুঁই পুশ করার অভিযোগ ওঠে। সেখানে টিকাদানের দায়িত্বে ছিলেন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিন। এ ঘটনার সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্যকর্মীর ভাষ্য, বেশি মানুষের চাপে তাড়াহুড়োর মাঝে ‘অনিচ্ছাকৃত’ ঘটনাটি ঘটেছে।

আরও পড়ুন:
ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, নিহত ৩
চাচাতো ভাইয়ের গাড়ির ধাক্কায় গেল প্রাণ
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত
মৃত্যুর পরও ৩ বন্ধু পাশাপাশি

শেয়ার করুন

টঙ্গীতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫ পুলিশ

টঙ্গীতে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, আহত ৫ পুলিশ

গাজীপুরের টঙ্গীতে একটি তৈরি পোশাক কারখানার কয়েক শ বিক্ষুব্ধ শ্রমিকের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে টঙ্গীর ভাদাম এলাকায় ক্রসলাইন নিট ফেব্রিক্স লিমিটেড কারখানার সামনে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। পুলিশ তাদের থামাতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ৫৮টি ফাঁকা গুলি, ২১ রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ও তিনটি সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে।

এ ঘটনায় আহতদের টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন শিল্প পুলিশের (টঙ্গী জোন) সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) এমদাদুল হক, কনস্টেবল মেহেদী, সাব্বির, আশরাফুল ও মারুফ তমাল।

আহত আনসার সদস্যরা হলেন মোয়াজ্জেম হোসেন, রেজাউল করিম, মোহাম্মদ আলী মোল্লা।

তবে আহত শ্রমিকদের পরিচয় জানা যায়নি।

ক্রসলাইন নিট ফেব্রিক্স লিমিটেডের কয়েকজন শ্রমিক জানান, কারখানার ১৬ জন শ্রমিককে ছাঁটাইয়ের প্রতিবাদে গত মঙ্গলবার থেকে কয়েক শ শ্রমিক বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি পালন করছিলেন।

বিষয়টি সমাধানের জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষ বুধবার সময় ঠিক করে দেয়। কিন্তু বুধবার সকালে কাজে এলে বিষয়টি সমাধান না করায় দুপুরের পর আবার শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করে।

পরে সন্ধ্যায় মালিকপক্ষ বৃহস্পতিবার সমাধান করবে বলে জানায়। বৃহস্পতিবার সকালে শ্রমিকরা কারখানা বন্ধের নোটিশ দেখেন। এ সময় তারা কারখানার ২ নম্বর গেটের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন।

শিল্প পুলিশের পরিদর্শক (টঙ্গী জোন) আব্দুল জলিল জানান, আইন অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধের নোটিশ দেয়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কারখানার নিরাপত্তায় শিল্প পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

তবে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা জোর করে কারখানার গেট ভাঙচুর করে ভেতরে প্রবেশ করতে চান। এ সময় শ্রমিকদের বাধা দিলে পুলিশের ওপর তারা হামলা চালান। এ ঘটনায় পাঁচজন পুলিশ ও তিনজন আনসার সদস্য আহত হন। তাদের চিকিৎসা চলছে।

কারখানার শ্রমিক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের পর হঠাৎ কারখানা কর্তৃপক্ষ কয়েকজন শ্রমিককে ছাঁটাই করে। কিন্তু আমরা এই ছাঁটাই মানি না। বৃহস্পতিবার কারখানা বন্ধের নোটিশ দেখে আমরা শ্রমিকরা বিক্ষোভ করলে পুলিশ অতর্কিতে হামলা চালায়। এতে বহু শ্রমিক আহত হয়েছে।’

কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘শ্রমিকরা গতকাল (বুধবার) বিক্ষোভের সময় কারখানার বেশ কয়েকজন স্টাফকে মারধর করে। এ পরিস্থিতিতে কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’

পরিদর্শক আব্দুল জলিল জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারখানার সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ট্রাকে প্রাইভেট কারের ধাক্কা, নিহত ৩
চাচাতো ভাইয়ের গাড়ির ধাক্কায় গেল প্রাণ
পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪
ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত
মৃত্যুর পরও ৩ বন্ধু পাশাপাশি

শেয়ার করুন