১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা

১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা

বীর মুক্তিযোদ্ধা জুলহাস উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মতো আরও পাঁচজনরে ধরছে। তারাও দুই থ্যাইকা চার মাস জেল খাটছে। এরপর আদালত থেকে জামিনে বের হইছি আমরা। পরে তো মামলাই শেষ হইল। আজ শুনলাম রুবেল গ্রামে ফিরে আসছে । পরে গ্রামবাসী ও আমরা তারে থানায় নিয়ে হাজির হইছি।’

নিখোঁজ হওয়ার ১৪ বছর চার মাস পর নিজ এলাকায় ফিরেছেন মোহাম্মদ রুবেল নামের এক যুবক। এদিকে তাকে অপহরণের অভিযোগে তার মায়ের করা মামলায় বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ ছয়জন, যে মামলার আসামি ১৯ জন।

রুবেলের বাসা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নের কুড়েরপাড় এলাকায়। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে কুড়েরপাড় এলাকায় ফিরে আসেন রুবেল। রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে থানায় হাজির করা হয়।

২০০৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জের একটি আদালতে ৭ বছর বয়সী রুবেলকে অপহরণের অভিযোগে তার মা রাহিমা বেগম মামলা করেন।

মামলায় বলা হয়, ২০০৭ সালের ২০ জানুয়ারি বিকেল ৩টার দিকে রাহিমা বেগমের দুই ছেলে হাবিবুর রহমান ও মো. রুবেল বাড়িতে ঘুমাচ্ছিল। সেদিন তাদের মা রাহিমা তার বোনের বাড়ি বেড়াতে যান। সেই সুযোগে এলাকার মো. কালাই ও নুরুল ইসলাম বাড়িতে এসে তাদের ঘুম থেকে ওঠায়। তারা হাবিবুর ও রুবেলকে বলে- তোমাদের জমি থেকে মাটি কাটব, তোমার মায়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। কত নৌকা মাটি হয়েছে তার হিসাব রাখবে তোমরা। তোমাদের কাছে টাকা দেয়া হবে। এ কথা বিশ্বাস করে রুবেল তাদের সঙ্গে চলে যায়। পরে সে ফিরে না আসায় বড় ছেলে হাবিবুর জমির কাছে তাকে খুঁজতে যায়। সেখানে সে রুবেল এবং কালাই ও নুরুল কাউকে পায়নি। পরদিন রাহিমা বাড়িতে ফিরে আসলে তাকে ঘটনা জানায় হাবিবুর। পরে তারা খোঁজাখুঁজি করে রুবেলকে না পেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

পরে ২৩ ফেব্রুয়ারি নারায়ণগঞ্জ আদালতে অপহরণ মামলা করেন রাহিমা বেগম। আসামি করা হয় ১৯ জনকে। তাদের মধ্যে দুইজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তারা হলেন- নুরুল ইসলাম ও জুলহাস উদ্দিন আহম্মেদ। অন্যরা হলেন- কালাই চান, মনা, আমান, মুসলিম, মানিক, আজিজ, জিন্নাত আলী, সিরি মিয়া, ছালা উদ্দিন, শহর আলী, বাদশা মিয়া, সিরাজুল হক, শুক্কুর মেম্বার ও ইয়ানুছ, আউয়াল, রাজু ও হোসেন মিস্ত্রি।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান নিউজবাংলাকে বলেন, মামলাটি প্রথমে তদন্ত করেন উপপরিদর্শক মোখলেসুর রহমান। তিনি তদন্ত করে ২০০৮ সালের ৩০ জুলাই আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে বাদী আদালতে পুলিশের তদন্তে নারাজি দেন। পরে তদন্তের দায়িত্ব পায় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ- সিআইডি। সিআইডিও কয়েক মাস তদন্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় আদালতে। তবে বাদী রাহিমা তাতেও নারাজি দেন। পরে দায়িত্ব পায় র‍্যাব। বাহিনীটি মামলার ছয় আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেয়। অন্য আসামিরা ছিলেন পলাতক।

পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, র‍্যাবও তদন্ত শেষ করতে না পারায় পরবর্তীতে তদন্তের দায়িত্ব পায় গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নারায়ণগঞ্জ গোয়েন্দা পুলিশের উপপরির্দশক আসাদুজ্জামান ফরাজী তদন্ত শেষে ২০১০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। ওই দিন মামলাটি নিষ্পত্তি করে আদালত।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার ১৪ বছর পর বৃহস্পতিবার বিকেলে কুড়েরপাড় গ্রামে হাজির হন ২২ বছর বয়সী রুবেল। তাকে দেখতে ভিড় জমায় আশপাশের মানুষ। খবর পেয়ে ছুটে যান মামলার সেই আসামিরাও। পরে রাত ১০টার দিকে তাকে সদর মডেল থানায় নেয়া হয়।

র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগ করা বীর মুক্তিযোদ্ধা জুলহাস উদ্দিন আহম্মেদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রুবেল নামের এই যুবককে আমি কখনো দেখি নাই। তারে আজ প্রথম দেখলাম। কিন্তু তারে অপহরণের অভিযোগে আমারে গ্রেপ্তার করছে। পরে কারাগারে আড়াই মাস ছিলাম।

‘আমার মতো আরও পাঁচজনরে ধরছে। তারাও দুই থ্যাইকা চার মাস জেল খাটছে। এরপর আদালত থেকে জামিনে বের হইছি আমরা। পরে তো মামলাই শেষ হইল। আজ শুনলাম রুবেল গ্রামে ফিরে আসছে। পরে গ্রামবাসী ও আমরা তারে থানায় নিয়ে হাজির হইছি।’

আরেক বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মামলার পর থানা থ্যাইকা আমাগো ধরার চেষ্টা করছে। পরে তারা দেখে ঘটনা মিথ্যা। র‍্যাব মামলার তদন্ত পাওয়ার পর আজিজ মাদবর, মনা, সিরি মাদবর, রাজু, জুলহাস উদ্দিনসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের ১০ থেকে ১৫ দিন রিমান্ডে নিয়েছে র‍্যাব। আমি সাড়ে চার বছর পালায় ছিলাম বান্দরবান।

‘মামলা শেষ হওয়ার পর ফিরে আসছি। আজ ওই ছেলে গ্রামে ফিরে আসছে। আমাগো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। বিনা কারণে জেল খাটতে হইছে। আমরা এর বিচার চাই।’

ফিরে আসা মো. রুবেল নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছোটবেলায় মায় দুইটা গরু পালতে দিত। ঘরে গিয়া দেখতাম খাওন নাই। মায় মারত। তার অত্যাচারে ঘর থেইকা বাইর হইয়া গেছিলাম। তখন আমার বয়স আছিল সাত বছর।

‘এত বছর ঢাকায় আছিলাম। ঢাকার মগবাজার, হাতিরঝিলে। ওইখানে রঙের কাজ করতাম। ফাস্টফুডের দোকানে ও ইস্টার্ন প্লাজায় কাজ করছি। পরে সেখানেই একটা মেয়েরে বিয়া করছি।’

তিনি বলেন, ‘গত বছর আমাগো এক আত্মীয়র সাথে দেখা হইছে। তার মাধ্যমে মার সাথে কথা হয়। মারে কইলাম বাড়ি আসি? তখন মায় কইলো- বাড়িতে আসলে গ্রামের মানুষ তরে মাইরা ফেলবো। আমি তাগো নামে মামলা করছি। তাই ভয়ে আসি নাই।

‘আজ কাউরে কিছু না কইয়া গ্রামে আসছি। কিন্তু গ্রামের মানুষ আমারে চিনতে পারছে। তারা আমারে দেখার পর তাকায় ছিল। মার সাথেও দেখা হইছে। পরে সেখান থ্যাইকা আমারে থানায় নিয়ে আসছে গ্রামের মানুষ।’

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহ জামান বলেন, ‘১৪ বছর পর ফিরে আসা যুবক রুবেলকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল পালানো ভারত ভ্যারিয়েন্টের রোগী আটক
ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা
মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, প্রেমিক গ্রেপ্তার
বাতাসে ভাসা করোনা রুখতে ভারত সরকারের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

থানার গ্যারাজে ফেনসিডিলের খালি বোতল

থানার গ্যারাজে ফেনসিডিলের খালি বোতল

সোমবার সকালে থানার গ্যারাজে স্ট্যান্ড করে রাখা মোটরসাইকেলে ফাঁকে ফাঁকে ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেনসিডিলের বহু খোলা বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ছবি: নিউজবাংলা।  

কে বা কারা থানা চত্বরের ভিতরে এই ফেনসিডিল খেয়ে এগুলো স্তূপ করে রেখেছে তা স্পষ্ট নয়। সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত থানার ভিতরে কীভাবে এই ফেনসিডিলের বোতলগুলো জমে আছে তা নিয়ে থানায় সেবা নিতে আসা সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে গ্যারাজে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই।

নওগাঁর মান্দা থানার গ্যারাজে ফেনসিডিলের বহু খালি বোতল পাওয়া গেছে।

সোমবার সকালে থানার গ্যারাজে গিয়ে দেখা যায়, স্ট্যান্ড করে রাখা মোটরসাইকেলে ফাঁকে ফাঁকে ভারতীয় নিষিদ্ধ ফেনসিডিলের বহু খোলা বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে।

কে বা কারা থানা চত্বরের ভিতরে এই ফেনসিডিল খেয়ে এগুলো স্তূপ করে রেখেছে তা স্পষ্ট নয়। সিসিটিভি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রিত থানার ভিতরে কীভাবে এই ফেনসিডিলের বোতলগুলো জমে আছে তা নিয়ে থানায় সেবা নিতে আসা সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে। তবে গ্যারাজে কোনো সিসি ক্যামেরা নেই।

পুলিশ মাদকসেবীদের ধরে জেলহাজতে পাঠায়। অথচ সেই থানা চত্বরে অসংখ্য পরিত্যক্ত ফেনসিডিলের বোতল জমা হয়ে আছে।

নওগাঁ মাদক নির্মূল কমিটির সভাপতি হাফিজার রহমান বলেন, ‘থানার মতো একটি সুরক্ষিত স্থানে কীভাবে ফেনসিডিলের বোতল পড়ে থাকে? এটা থানার কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলার সামিল। পুলিশের ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা এবং আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।’

এ ব্যাপারে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান জানান, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই, যদি ছবি থাকে তবে পাঠান।’

থানার গ্যারাজে ফেনসিডিলের খালি বোতল
সোমবার সকালে থানার গ্যারাজে স্ট্যান্ড করে রাখা মোটরসাইকেলে ফাঁকে ফাঁকে ফেনসিডিলের বহু খোলা বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। ছবি: নিউজবাংলা

এর পর মেসেঞ্জারে ছবি পাঠিয়ে তাকে একাধিকবার কল দিলেও পরে আর তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মান্দা সার্কেল) মতিয়ার রহমান জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনার কাছে থেকে প্রথম জানলাম।

থানা একটি সুরক্ষিত স্থান হওয়ার পরও এর গ্যারাজে ফেনসিডিলের খালি বোতল কী করে পড়ে থাকে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে সেটাতো আলমত সংরক্ষণের স্থান। তবুও আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখব।’

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল পালানো ভারত ভ্যারিয়েন্টের রোগী আটক
ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা
মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, প্রেমিক গ্রেপ্তার
বাতাসে ভাসা করোনা রুখতে ভারত সরকারের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

অনির্দিষ্টকালের লকডাউনে মাগুরা

অনির্দিষ্টকালের লকডাউনে মাগুরা

মাগুরা সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান জানান, সর্বশেষ রোববার ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সাথে মহম্মদপুর উপজেলা সদরে তিনদিনে ২৯ নমুনায় ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের হার শতকরা ৪২ ভাগ।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সোমবার সকাল থেকে মাগুরা শহরকে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউনের আওতায় আনা হয়েছে। সেই সঙ্গে জেলার মহম্মদপুর উপজেলা সদরেও লকডাউন ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ছাড়া মাগুরার একমাত্র পৌরসভার ২, ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডে রেড অ্যালার্ট ঘোষণা করা হয়েছে। মহম্মদপুর উপজেলা সদর ইউনিয়নকে রেড অ্যালার্টের আওতায় আনা হয়েছে।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের প্রবেশপথে বাঁশের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে দেখা যায়। সেখfনে পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও স্কাউট সদস্যদের তদারকি করতে দেখা যায়। বিশেষ করে ভায়না মোড় থেকে ঢাকা রোড ও নতুন বাজার এলাকায় রিকশা, অটোরিকশা, মোটর সাইকেল প্রবেশে বাধা দেয়া হয়। তবে জরুরি পরিষেবাগুলোর যান প্রবেশে বাধা ছিল না।

মাগুরা সিভিল সার্জন শহীদুল্লাহ দেওয়ান জানান, সর্বশেষ রোববার ৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সাথে মহম্মদপুর উপজেলা সদরে তিনদিনে ২৯ নমুনায় ১৭ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্তের হার শতকরা ৪২ ভাগ।

তিনি বলেন, কঠোর লকডাউন দেয়া না হলে সংক্রমণ জেলার সবখানে ছড়িয়ে যাবে। জেলার এমন পরিস্থিতিতে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে লকডাউনের সুপারিশ করা হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত মোতাবেক সোমবার থেকে মাগুরা শহর ও মহম্মদপুর উপজেলা সদরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম জানান, লকডাউন কঠোরভাবে পালনে শহরের প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরের বেশ কয়েকটি ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করছে। লকডাউন কার্যকর, রেডজোনে জনসাধারনের যাতাযাত সীমিতকরণ ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা হচ্ছে কি না তা নজরদারি করা হচ্ছে। বিশেষ করে শতভাগ মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে প্রশাসন মাঠে কাজ করছে।

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল পালানো ভারত ভ্যারিয়েন্টের রোগী আটক
ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা
মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, প্রেমিক গ্রেপ্তার
বাতাসে ভাসা করোনা রুখতে ভারত সরকারের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

উদ্বোধনের আগেই সংযোগ সড়কে ধস

উদ্বোধনের আগেই সংযোগ সড়কে ধস

২ কোটি ৭৩ লাখ টাকায় নির্মিত সংযোগ সড়কটি উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

সোমবার সকাল ৯টার দিকে সেতুর দক্ষিণ পাশের সংযোগ সড়কটি ধসে পড়ে। একটি ট্রাক সড়কটি পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

উদ্বোধনের আগেই ধসে পড়েছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার বনগ্রামে আত্রাই নদীর ওপর নির্মিত সেতুর সংযোগ সড়ক। এই প্রকল্পে খরচ হয়েছে ২ কোটি ৭৩ লাখ টাকা।

বানগ্রামের হাটকে যানজট মুক্ত রাখতে হাটের পূর্ব পাশে মহাসড়কের উত্তরে আত্রাই নদীর ওপর চলতি অর্থ বছরে সড়কটি নির্মাণ করে এলজিইডি।

সোমবার সকাল ৯টার দিকে সেতুর দক্ষিণ পাশের সংযোগ সড়কটি ধসে পড়ে। একটি ট্রাক সড়কটি পার হওয়ার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানায়, পণ্যবাহী ট্রাকটি উল্টে দুটি বসত বাড়িতে আঘাত হানে। এতে আহত হন তিনজন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাড়ি দুটি।

এ ঘটনায় ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অনিয়মের অভিযোগ জোরালো হয়। স্থানীয়দের দাবি, কাজের শুরু থেকেই সংযোগ সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ করে আসছিলেন তারা।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে প্রকল্পের ঠিকাদারের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাকে পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল পালানো ভারত ভ্যারিয়েন্টের রোগী আটক
ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা
মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, প্রেমিক গ্রেপ্তার
বাতাসে ভাসা করোনা রুখতে ভারত সরকারের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

ধর্ষণের তিন মামলায় গ্রেপ্তার ২

ধর্ষণের তিন মামলায় গ্রেপ্তার ২

প্রতীকী ছবি।

পুলিশ বলছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় মামলাটি হয় গোপনে গোসলের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আরেক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগের। এ ছাড়া জাম খাওয়ানোর কথা বলে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

রংপুর মেট্রোপলিটনের হারাগাছ থানায় রোববার পৃথক তিনটি ধর্ষণের অভিযোগে তিনটি মামলা হয়েছে।

ওই দিনই ২ আসামীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ বলছে, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দ্বিতীয় মামলাটি হয় গোপনে গোসলের ভিডিও ধারণ করে তা ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আরেক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগের।

এ ছাড়া জাম খাওয়ানোর কথা বলে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

হারাগাছ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) একেএম জাহিদ হোসেন জানান, রোববার সকালে জাম খাওয়ানোর কথা বলে এক শিশুকে ধানক্ষেতে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে সাহেবগঞ্জের আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মাকে পুরো ঘটনা জানিয়ে দেয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আমিরুলের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জের এসএসসি পরীক্ষার্থী সুমন বারি দাসের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ১৭ বছর বয়সী মেয়েটির মা রোববার রাতে হারাগাছ থানায় নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আশিকা সুলতানা জানান, মোবাইল ফোনে ছেলে ও মেয়ের পরিচয় হয়। তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

‘৬ জুন কুড়িগ্রামের উলিপুরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মেয়েটির সঙ্গে দেখা হয় সুমন বারি দাসের। এরপর ১২ জুন সুমন মেয়েটির বাড়িতে যায়। এ সময় মেয়েটিকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে সুমন। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পেরে তাকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সুমন বারি দাসকে আটকসহ ভিকটিমকে উদ্ধার করে।’

এছাড়াও নগরীর সিগারেট কোম্পানি এলাকায় এক গৃহবধূ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে মামলা হয়েছে।

রোববার রাতে ওই গৃহবধূ অভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম ও তার বাবা আব্দুর রাজ্জাকসহ দুই চাচাকে আসামি করে হারাগাছ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।

হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আনোয়ার হোসেন বলেন, সম্প্রতি ওই গৃহবধূর গোসলের দৃশ্য গোপনে ভিডিওতে ধারণ করেন একই এলাকার আরিফুল ইসলাম। সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আরিফুল বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করেন এবং ভিডিও মুছে ফেলার কথা বলে গৃহবধূর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকাও আদায় করেন। পরে ওই গৃহবধূ ঘটনাটি পরিবারের লোকজনকে জানালে তারা আরিফুলের পরিবারকে জানায়। স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার কথা ছিল কিন্তু হয়নি।

পরে ওই গৃহবধূ রোববার রাতে আরিফুলসহ চারজনের বিরুদ্ধে নারী শিশু নির্যাতন দমন এবং পর্নগ্রাফী আইনে মামলা করেছেন।

তিনি বলেন, মামলা পর আব্দুর রাজ্জাককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রংপুর মেট্টোপলিটন পুলিশের হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল

করিম জানান, ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে রোববার রাতে হারাগাছ থানায়

পৃথক তিনিট মামলা হয়েছে। দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সোমবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

অপর আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।

রংপুর মেট্রপলিটন আমলী আদালতে (হারাগাছ) সাধারণ নিবন্ধক মুনির হোসেন জানান, এ ঘটনায় দুই আসামীকে আদালতে নেয়া হলে হাকিম শুনানী শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল পালানো ভারত ভ্যারিয়েন্টের রোগী আটক
ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা
মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, প্রেমিক গ্রেপ্তার
বাতাসে ভাসা করোনা রুখতে ভারত সরকারের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ

চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে দুই শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন তিন নারী। ছবি: নিউজবাংলা

‘২০১৭ সালে শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাররোখ ও আমানউল্লাহ তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। অগ্রীম হিসেবে শারমিন তাদের দেড় লাখ, নুরুননাহার আড়াই লাখ ও আলেয়া দেড় লাখ টাকা দেন।’

জয়পুরহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক নেতার বিরুদ্ধে চাকরির প্রলোভন দিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ওই দুই শিক্ষক নেতা হলেন ক্ষেতলাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও জিয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষক ওয়াদুদ ফাররোখ এবং পাঁচবিবি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচবিবি ঢাকারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আমানউল্লাহ।

জেলা প্রেসক্লাবে সোমবার বেলা ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে এই অভিযোগ করেন তিন নারী।

অভিযোগকারী তিন নারী হলেন আক্কেলপুর উপজেলার কাশিড়া লক্ষ্মীভাটা গ্রামের আলেয়া বেগম, শারমিন আক্তার ও জয়পুরহাট সদরের জয়পার্বতীপুর দক্ষিণ কান্দি গ্রামের নুরুননাহার।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ পাঠ করেন শারমিন আক্তার।

তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালে শিশু কল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ফাররোখ ও আমানউল্লাহ তাদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকা দাবি করেন। অগ্রীম হিসেবে শারমিন তাদের দেড় লাখ, নুরুননাহার আড়াই লাখ ও আলেয়া দেড় লাখ টাকা দেন।’

এরপর আক্কেলপুর মুজিবুর রহমান কলেজের পেছনে একটি শিশু কল্যাণ স্কুলও চালু করেন তারা। দেড় বছর সেই স্কুলের মাসিক ৬ হাজার টাকা ভাড়া শোধ করেন এই তিন নারী। কিন্তু তারা চাকরি দিব-দিচ্ছি বলে টালবাহানা করতে থাকেন ও একপর্যায়ে নান রকম হুমকি দেয়া শুরু করেন।

এ বছরের ৩১ মে ওই তিন নারী এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে জয়পুরহাট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার না পেয়ে সংবাদ সম্মেলনের সিদ্ধান্ত নেন।

এ বিষয়ে ফাররোখ ও আমানউল্লাহর সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এত কথা মোবাইলে বলা সম্ভব না। সামনাসামনি জানাবেন।

কিন্তু পরে আবার ফোন করলে তারা জানান, কিছু টাকা তারা ফেরত দিয়েছেন। বাকিটাও দিয়ে দেবেন।

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল পালানো ভারত ভ্যারিয়েন্টের রোগী আটক
ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা
মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, প্রেমিক গ্রেপ্তার
বাতাসে ভাসা করোনা রুখতে ভারত সরকারের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

শ্বশুরবাড়িতে ‘চারমাস বন্দি’ নারী দুই সন্তানসহ উদ্ধার

শ্বশুরবাড়িতে ‘চারমাস বন্দি’ নারী দুই সন্তানসহ উদ্ধার

এই বাড়িতে ‘চারমাস বন্দি’ থাকার পর ওই নারীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় এক গৃহবধূকে দুই সন্তানসহ চার মাস গৃহবন্দি রাখার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকের বিরুদ্ধে। পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করেছে।

উপজেলার নয়মাইল এলাকা থেকে সোমবার দুপুরে শ্বশুরবাড়ির তৃতীয় তলা থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়।

শাজাহানপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুর রহমান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ১১ বছর আগে শাহাজানপুরের আড়িয়া ইউনিয়নের নয়মাইল মন্ডলপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের সঙ্গে ওই নারীর বিয়ে হয়। তাদের দুটি কন্যা শিশু আছে।

ওই নারীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়ি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন। এরপর গত চার মাস ওই নারীকে তার বাবার বাড়ির কারো সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেয়া হয়নি।

স্বামী রফিকুল ইসলাম তাকে ওই বাড়ির ৩য় তলায় সন্তানসহ বন্দি করে রাখেন। তাদের ঠিকমতো খাবার দেয়া হতো না। কৌশলে তিনি বাবা-মাকে বিষয়টি জানালে তারা মেয়েকে নিতে এলে দেখা করতে দেয় না শ্বশুরবাড়ির লোকজন।

এরপর তার বাবা শাজাহানপুর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ গিয়ে তাকে সন্তানসহ উদ্ধার করে বাবা-মায়ের জিম্মায় দেয়।

এসআই আব্দুর রহমান জানান, তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই নারীর স্বামীসহ শশুর বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল পালানো ভারত ভ্যারিয়েন্টের রোগী আটক
ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা
মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, প্রেমিক গ্রেপ্তার
বাতাসে ভাসা করোনা রুখতে ভারত সরকারের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন

ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারীর

ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল পথচারীর

পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ একেএম বানিউল আনাম জানান, রোববার সকালে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন ফণীন্দ্র নাথ। ওই সময় ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি মালবাহী ট্রাক তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়।

বগুড়ার শেরপুরে ট্রাকের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন ফণীন্দ্র নাথ নামে এক পথচারী মারা গেছেন।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসাপাতলে সোমবার বিকেলে অবস্থায় মারা যান তিনি।

এর আগে উপজেলার শেরুয়া বটতলা বাজার এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে রোববার সকালে এক দুর্ঘটনায় তিনি আহত হন।

নিহত ফণীন্দ্র নাথ ধুনট উপজেলার বিলকাজলী গ্রামের বাসিন্দা।

শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ একেএম বানিউল আনাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, রোববার সকালে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন ফণীন্দ্র নাথ। ওই সময় ঢাকাগামী দ্রুতগতির একটি মালবাহী ট্রাক তাকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে গুরুতর আহত হন তিনি।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার বিকেলে মারা যান তিনি।

মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন:
হাসপাতাল পালানো ভারত ভ্যারিয়েন্টের রোগী আটক
ট্রাক-অটোরিকশার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত
১৪ বছর পর ফিরলেন রুবেল, জেল খেটেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা
মাদ্রাসাছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার, প্রেমিক গ্রেপ্তার
বাতাসে ভাসা করোনা রুখতে ভারত সরকারের নির্দেশিকা

শেয়ার করুন