‘পুরোনো হওয়ায়’ প্রাথমিকের বই বিক্রি, তদন্তে কমিটি

‘পুরোনো হওয়ায়’ প্রাথমিকের বই বিক্রি, তদন্তে কমিটি

ঘটনায় ধর্মপাশা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মর্কতা মানবেন্দ্র দাস বলেন,‘আমরা প্রধান শিক্ষককে শোকজ করেছি। যে সকল বই জব্দ করা হয়েছে সেগুলো পুরোনো বই। সেগুলো তিনি বিক্রি করতে পারেন না। এগুলো উপজেলা অফিসে জমা দিতে হয়। এ ছাড়া উনি আমাদের জানাননি উনার কাছে পুরোনো বই আছে। সবকিছু একটা নিয়মের মধ্যে করা হয়। তিনি সেই নিয়ম না মেনেই বই বিক্রি করেছেন।’

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশার একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সরকারের দেয়া প্রাথমিকের বই দুই হাজার ৩৬০ টাকায় বিক্রি করেছেন। সেই সঙ্গে স্কুলের কার্টন ও ভাঙারি জিনিসপত্র বিক্রি করেছেন ৮১২ টাকায়। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দাবি,পুরোনো হওয়ায় সেগুলো বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি।

তবে শিক্ষা কর্মকর্তা বলেছেন, পুরোনো হলেও সরকারের দেয়া বই বিক্রির নিয়ম নেই। এ কাজ করায় ওই শিক্ষককে শোকজ করা হয়েছে, ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের বেরীকান্দি বড়খলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরকারের দেয়া পাঠ্যবই কেজি দরে বিক্রি করেছেন প্রধান শিক্ষক আলী নূর খান। তার দাবি, বিক্রি করা বইগুলো চলতি বছরের নয়, ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালের । আর এই বই ও অন্যান্য জিনিস বিক্রি করে তিন হাজার ১৭২ টাকা পেয়েছেন তিনি, যা জমা হবে সরকারি কোষাগারে।

গত মঙ্গলবার রাতে এক ভ্যানচালকের কাছে ২৯৫ কেজি বই ৮ টাকা কেজি দরে ও ৩২৫ কেজি ওজনের কার্টন ও ভাঙারি জিনিসপত্র আড়াই টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন বেরীকান্দি বড়খলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী নূর খান। দুটি ভ্যানে করে ওই বইগুলো নিয়ে যাওয়ায় সময় চালকদের আটক করেন স্থানীয়রা। পরে বইসহ দুই জনকে পুলিশের হাতে তুলে দেন তারা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বেরীকান্দি বড়খলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী নূর খানের কাছ থেকে বই কেনার বিষয়টি স্বীকার করেন ভ্যানচালক।

এ ঘটনায় ধর্মপাশা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মর্কতা মানবেন্দ্র দাস বলেন,‘আমরা প্রধান শিক্ষককে শোকজ করেছি। যে সকল বই জব্দ করা হয়েছে সেগুলো পুরোনো বই। সেগুলো তিনি বিক্রি করতে পারেন না। এগুলো উপজেলা অফিসে জমা দিতে হয়। এ ছাড়া উনি আমাদের জানাননি উনার কাছে পুরোনো বই আছে। সবকিছু একটা নিয়মের মধ্যে করা হয়। তিনি সেই নিয়ম না মেনেই বই বিক্রি করেছেন।’

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদ চৌধুরী জানান, সরকারি বই বিক্রি হচ্ছে এমন খবরে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই ভ্যানচালককে আটক করেছে।

‘ভ্যানচালকরা আমাদের জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে বইগুলো কিনেছেন। বই কেনার রশিদও দেখান তিনি। এখন বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসের।’

ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনতাসির হাসান বলেন,‘এ ঘটনায় আমরা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে প্রধান করে দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে। সেই প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
অনলাইনে জমজমাট থ্রিলার বইমেলা
সালাহ উদ্দিন শুভ্রর ‘অন্যমনস্ক দিনগুলি’
বইমেলার কী এক বিষণ্ন বিদায়
আমাদের পাখি বন্ধু
বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ট্রেন থেকে পড়ে শিশু নিহত

ট্রেন থেকে পড়ে শিশু নিহত

স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ বলেন, ‘ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি শ্রীপুরের ২৩২/৩-৪ নং কিলোমিটার এলাকা অর্থাৎ শ্রীপুর-বরমী সড়কের গেট পার হচ্ছিল। গেটটি পার হওয়ার পরই একজনের কাটা দেহ পড়ে থাকতে দেখে ওই গেটে দায়িত্বরত গেটম্যান।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে চলন্ত ট্রেন থেকে পড়ে ১২ বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে।

শ্রীপুর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার হারুন অর রশিদ জানান, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ময়মনসসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুটি মারা যায়। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তিনি বলেন, ‘ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বলাকা এক্সপ্রেস ট্রেনটি শ্রীপুরের ২৩২/৩-৪ নং কিলোমিটার এলাকা অর্থাৎ শ্রীপুর-বরমী সড়কের গেট পার হচ্ছিল। গেটটি পার হওয়ার পরই একজনের কাটা দেহ পড়ে থাকতে দেখে ওই গেটে দায়িত্বরত গেটম্যান। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ট্রেনের কোনো বগি ও জোড়া থেকে সে পড়ে গিয়ে ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে শিশুটি।’

নিহত শিশুটির পরিচয় জানাতে পারেন নি স্টেশন মাস্টার।

কমলাপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল হক বলেন, ‘ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত হওয়ার খবরে ঘটনাস্থলে জয়দেবপুর রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
অনলাইনে জমজমাট থ্রিলার বইমেলা
সালাহ উদ্দিন শুভ্রর ‘অন্যমনস্ক দিনগুলি’
বইমেলার কী এক বিষণ্ন বিদায়
আমাদের পাখি বন্ধু
বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

শেয়ার করুন

টানা বর্ষণে ছন্দপতন

টানা বর্ষণে ছন্দপতন

‘সকালে বাড়ি থেকে রিকশা নিয়ে বের হইছি। বৃষ্টি যখন কম হচ্চে তখন দুই-একজন প্যাসেঞ্জার পাচ্চি। রাস্তায় লোক নেই। ভাড়া-ভুতি কম হচ্চে।’

আষাঢ়ের টানা বর্ষণে ঝিনাইদহে স্বাভাবিক জীবনে ছন্দপতন ঘটেছে। শুক্র ও শনিবার ভোর থেকে টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

দুই দিন ধরেই কখনও ভারী, কখনও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন শহরবাসী। অনেকটাই ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন তারা।

আবার জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হয়ে বৃষ্টির কারণে অনেকে আটকা পড়েন শহরে। বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন দোকানে তাদের দীর্ঘক্ষণ আশ্রয় নিতে দেখা গেছে।

তবে সব থেকে বেশি বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষ। কাজের সন্ধানে বের হয়ে কাজ না পেয়ে অনেককেই বসে থাকতে দেখা গেছে।

শৈলকুপা উপজেলার ভাটই গ্রাম থেকে আসা ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, ‘মুদি দোকানের মালামাল কিনতি শহরে আসলাম। এত বৃষ্টি হচ্চে যে মুকামে যেতেই পারছিনে। আবার দোকানও খুলছে না। দুই দিন ধরে বৃষ্টি হচ্চে।’

টানা বর্ষণে ছন্দপতন

সদর উপজেলার হাটগোপালপুর এলাকার মসিউর রহমান বলেন, ‘সকালে শহরে আসিছি একজনের সাথে দেখা করার জন্যি। মাহেন্দ্র থেকে নেমে আর কোথাও যাতি পারছিনে। সকাল থেকেই খুব বৃষ্টি হচ্চে। এখন ভিজতি ভিজতিই কাজ সারে বাড়ি যাতি হবি।’

শহরের রিকশাচালক সাদিমুল ইসলাম বলেন, ‘সকালে বাড়ি থেকে রিকশা নিয়ে বের হইছি। বৃষ্টি যখন কম হচ্চে তখন দুই একজন প্যাসেঞ্জার পাচ্চি। রাস্তায় লোক নেই। ভাড়া-ভুতি কম হচ্চে।’

শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে বসে থাকা দিনমজুর আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন সকালে এখানে কাজের জন্যি আসি। আজ সকালে এসে বসে আছি। কোনো লোক কামের জন্য নিতি আসছে না। আর একটু সময় বসে থাকব। কাম না পালি বাড়ি ফিরে যাতি হবে। কী আর করব।’

এদিকে অতিবৃষ্টিতে তলিয়ে যেতে শুরু করেছে আউশ ধানের বীজতলা। নষ্ট হচ্ছে মরিচ, সবজিসহ বিভিন্ন ফসল।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, পানি জমে থাকলে গাছ নষ্ট হওয়াসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে। এ জন্য ফসলের জমিতে যেন পানি না জমে, এ ব্যাপারে খেয়াল রাখতে হবে। জমিতে পানি জমলে দ্রুত তা অপসারণের ব্যবস্থা করতে হবে।

মাদারীপুর: টানা বর্ষণে একই ধরনের পরিস্থিতিতে পড়েছেন মাদারীপুর জেলাবাসী।

তিন দিনের প্রবল বর্ষণে মাদারীপুর সদর, রাজৈর ও টেকেরহাটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পানিতে একাকার হয়ে গেছে খাল, বিল, নালা ও পুকুর।

এদিকে সামান্য বৃষ্টি হলেই রাজৈর পৌরসভার পূর্ব স্বরমঙ্গল এলাকা এবং টেকেরহাট বন্দর বাজারে হাঁটুপানি জমে। এতে জনসাধারণ চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহায়।

এলাকাবাসী জানান, ড্রেনের ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার না করায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আবার বেশ কিছু স্থানে ড্রেন না থাকায় পানি জমে মানুষ ঘরবন্দি হয়ে পড়েছেন।

ঘরে আটকা পড়ায় শ্রমজীবী মানুষ কাজ না করতে পেরে অর্ধাহারে-আনাহারে জীবনযাপন করছে। ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে জমজমাট থ্রিলার বইমেলা
সালাহ উদ্দিন শুভ্রর ‘অন্যমনস্ক দিনগুলি’
বইমেলার কী এক বিষণ্ন বিদায়
আমাদের পাখি বন্ধু
বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

শেয়ার করুন

লরিচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী হাসপাতালে

লরিচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী হাসপাতালে

টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় শারমিনদের মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় লরিটি। ধাক্কায় শারমিন নিচে পড়ে গিয়ে লরির চাকায় পিষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

গাজীপুরের টঙ্গীতে লরিচাপায় শারমিন আক্তার নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তার স্বামী মোটরসাইকেলচালক ইলিয়াস মোর্শেদ।

ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কলেজ গেট এলাকায় শনিবার বিকেল ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত শারমিনের বাড়ি ফেনীর পরশুরাম থানার গুথুমা গ্রামে। তিনি স্বামী ইলিয়াসের সঙ্গে গাজীপুরের বাসন এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন।

পুলিশ তার মরদেহটি উদ্ধার করে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। এ ছাড়া লরিটি জব্দ ও চালক রাজিবকে আটক করেছে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টঙ্গীর কলেজ গেট এলাকায় শারমিনদের মোটরসাইকেলটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় লরিটি। ধাক্কায় শারমিন নিচে পড়ে গিয়ে লরির চাকায় পিষ্ট হন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় লোকজন পরে গুরুতর আহতাবস্থায় তার স্বামী ইলিয়াসকে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম জানান, নিহতের স্বজনদের খবর দেয়া হয়েছে। তারা আসার পর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে জমজমাট থ্রিলার বইমেলা
সালাহ উদ্দিন শুভ্রর ‘অন্যমনস্ক দিনগুলি’
বইমেলার কী এক বিষণ্ন বিদায়
আমাদের পাখি বন্ধু
বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

শেয়ার করুন

ওবায়দুল কাদেরকে কটূক্তি, নোবিপ্রবি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

ওবায়দুল কাদেরকে কটূক্তি, নোবিপ্রবি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

জিয়াউর রহমান সম্রাট। ফাইল ছবি

অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৭ জুন রাত ১২টা ৮ মিনিটের দিকে জিয়াউর রহমান সম্রাট তার ফেসবুকে ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এ ধরনের স্ট্যাটাস মন্ত্রীর মানসম্মান ক্ষুণ্ন করে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে ফেসবুকে অশালীন মন্তব্য ও কটূক্তি করায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান সম্রাটকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বিকেলে ৫৪ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

উপজেলার উত্তর লামছি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে শনিবার বেলা আড়াইটার দিকে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি নোবিপ্রবির ডিপিডি দপ্তরের সহকারী পরিচালক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) টমাস বডুয়া।

তিনি জানান, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে ফেসবুকে অশালীন মন্তব্য ও কটূক্তি করায় শুক্রবার রাতে কবিরহাট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলাম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ১৭ জুন রাত ১২টা ৮ মিনিটের দিকে জিয়াউর রহমান সম্রাট তার ফেসবুকে ওবায়দুল কাদেরকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। এ ধরনের স্ট্যাটাস মন্ত্রীর মানসম্মান ক্ষুণ্ন করে।

বিবাদী নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী পরিচালক পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়ে রাষ্ট্রীয় শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ করেছেন।

জিয়াউর রহমান সম্রাট অবশ্য দাবি করছেন, ফেসবুকের ওই আইডি তার হলেও স্ট্যাটাসটি তিনি দেননি। বিষয়টি তিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।

এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সম্রাটের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে জমজমাট থ্রিলার বইমেলা
সালাহ উদ্দিন শুভ্রর ‘অন্যমনস্ক দিনগুলি’
বইমেলার কী এক বিষণ্ন বিদায়
আমাদের পাখি বন্ধু
বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

শেয়ার করুন

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল দুই-ই হারালেন সেই রনি

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল দুই-ই হারালেন সেই রনি

‘আমি আজীবন ছাত্রলীগ করেছি। রাজপথে থেকে মিটিং মিছিল করেছি। আমাকে নিয়ে একটি কুচক্রী মহল হীনস্বার্থ হাসিলে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে। যুবদলের যে রায়হান রনির কথা বলা হচ্ছে, সে ব্যক্তি আমি নই। আমি যদি বিএনপির কোনো কর্মী হতাম, তাহলে কোথাও না কোথাও তাদের সঙ্গে আমার ছবি থাকত। আমি এই ভিত্তিহীন মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।’

সদ্য ঘোষিত আলফাডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে স্থান পান ছাত্রদলের প্রথম সারির এক নেতা। জানাজানি হওয়ার পর শনিবার ওই বিতর্কিত নেতাকে বিতাড়িত করেছে উভয় দলই।

অভিযোগ, রায়হান রনি নামের ওই নেতা উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে থাকা অবস্থাতেই উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদ পান।

রায়হান রনি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার আলফাডাঙ্গা মৌজার বাসিন্দা। পড়াশোনা করেন যশোর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে।

ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় ছয় মাস আগে ২৩ জানুয়ারি ২১ সদস্যবিশিষ্ট আলফাডাঙ্গা পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। ওই কমিটির ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছে রায়হান রনির নাম।

অপরদিকে গত ১২ জুন আলফাডাঙ্গা পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের নাম ঘোষণা করে আংশিক কমিটি অনুমোদন করে জেলা ছাত্রলীগ। ঘোষিত ওই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে রয়েছে মোহাম্মদ রায়হান রনির নাম।

স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, ছাত্রদলের রায়হান রনি ও ছাত্রলীগের মোহাম্মদ রায়হান রনি একই ব্যক্তি।

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল দুই-ই হারালেন সেই রনি


এ নিয়ে মোহাম্মদ রায়হান রনি বলেন, ছাত্রদলের রায়হান রনি আর তিনি এক ব্যক্তি নন। তিনি আজীবন ছাত্রলীগ করেছেন, ছাত্রদল তিনি করেননি। ছাত্রদলের রায়হান রনিকে তিনি চেনেনও না।

ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তামজিদুল রশীদ চৌধুরী রিয়ান জানান, তার জানামতে ছাত্রদলের রায়হান রনি আর ছাত্রলীগের রায়হান রনি এক ব্যক্তি নন। তারপরও কেউ যদি প্রমাণ দিতে পারে এই দুই রনি একজনই তাহলে রায়হান রনির বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্র মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ছাত্রলীগে কোনো বিতর্কিত লোকের স্থান হবে, না এমনকি অন্য যেকোনো রাজনৈতিক সংগঠন করে ছাত্রলীগে আসা যাবে না।

অবশ্য এমন বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পর শনিবার বিকেলে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তামজিদুল রশীদ চৌধুরী রিয়ান ও সধারণ সম্পাদক ফাহিম আহম্মেদের যৌথ স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থী কার্যকলাপের অভিযোগের ভিত্তিতে মোহাম্মদ রায়হান রনিকে (সাংগঠনিক সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, আলফাডাঙ্গা পৌর শাখা) নিজ পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হলো।’

শনিবার অপর এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সৈয়দ আদনান হোসেন অনু ও সাধারণ সম্পাদক তানজিমুল হাসান কায়েস বলেন, ‘সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নীতি-আদর্শচ্যুতির অভিযোগ সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মোহাম্মদ রায়হান রনি, প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, আলফাডাঙ্গা পৌর শাখাকে প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও বহিষ্কার করা হলো।’

আলফাডাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আকরাম হোসেন বলেন, ‘জেলা থেকে কখন কী কমিটি ঘোষণা করে, আমাদের কাছ থেকে মতামত বা পরামর্শও নেয় না। ছাত্রলীগের এই কমিটি ঘোষণার ক্ষেত্রেও আমার কাছ থেকে কোনো পরামর্শ নেয়া হয়নি। এখন শুনছি, ছাত্রদলের এক নেতা কমিটির বড় পদ পেয়েছেন।’

ছাত্রলীগ-ছাত্রদল দুই-ই হারালেন সেই রনি


এদিকে নিজেকে শুধু ছাত্রলীগ নেতা দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা পৌরসভার বাসিন্দা মোহাম্মদ রায়হান রনি। শনিবার দুপুরে আলফাডাঙ্গা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন বলে জানান।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি আজীবন ছাত্রলীগ করেছি। রাজপথে থেকে মিটিং মিছিল করেছি। আমাকে নিয়ে একটি কুচক্রী মহল হীনস্বার্থ হাসিলে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে। যুবদলের যে রায়হান রনির কথা বলা হচ্ছে, সে ব্যক্তি আমি নই। আমি যদি বিএনপির কোনো কর্মী হতাম, তাহলে কোথাও না কোথাও তাদের সঙ্গে আমার ছবি থাকত। আমি এই ভিত্তিহীন মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।’

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আলফাডাঙ্গার পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুর রহমানসহ নেতারা।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লা আল মিলন জানান, ছাত্রদলের রায়হান রনি ও ছাত্রলীগের মোহাম্মদ রায়হান রনি একই ব্যক্তি।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে জমজমাট থ্রিলার বইমেলা
সালাহ উদ্দিন শুভ্রর ‘অন্যমনস্ক দিনগুলি’
বইমেলার কী এক বিষণ্ন বিদায়
আমাদের পাখি বন্ধু
বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

শেয়ার করুন

১০ বছর পর নির্বাচন, আগ্রহ নেই ভোটারদের

১০ বছর পর নির্বাচন, আগ্রহ নেই ভোটারদের

দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ছবি: নিউজবাংলা

ভোটার সাদেকুর রহমান ও ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘করোনা মহামারিতে আমরা ভোট দিতে কিভাবে যাব। এমনিতে দিনাজপুরে করোনা বেড়ে গেছে। এর মধ্যে ভোট দিতে যাওয়া ভয়ের কারণে হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

আর এক দিন পর দিনাজপুরের সেতাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ। সীমানা জটিলতায় ১০ বছর অপেক্ষার পর ভোটের আগ মুহূর্তে চলছে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তারা। তবে করোনা পরিস্থিতিতে নির্বাচনে আগ্রহ নেই ভোটারদের।

১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘খ’ শ্রেণীর এ পৌরসভার সবশেষ নির্বাচন হয় ২০১১ সালের ১২ জানুয়ারি। সীমানা জটিলতার কারণে ১০ বছর আটকে ছিল সেতাবগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন।

উপজেলা নির্বাচন অফিস জানায়, ২১ জুন ইভিএমের মাধ্যমে ২১ হাজার ৩৫৮ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার কথা। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১০ হাজার ৩২৬ এবং মহিলা ভোটার ১১ হাজার ৩২ জন। নির্বাচনে ভোট গ্রহণের জন্য এরই মধ্যে ১০টি কেন্দ্রের ৭৪টি বুথ প্রস্তুত করা হয়েছে।

সেতাবগঞ্জে টানা ১১ বছর মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন আব্দুস সবুর।

এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে ৫ জন, ৩টি সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১২ জন এবং ৯টি সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

মেয়র পদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আসলাম, হাতুড়ী প্রতীক নিয়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটির রশিদুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

এছাড়াও মেয়র পদে লড়াইয়ে আছেন তিন জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাদের মধ্যে নারিকেল গাছ প্রতীকে হাবিবুর রহমান দুলাল, জগ প্রতীকে নাহিদ বাসার চৌধুরী, মোবইল প্রতীক নিয়ে আছেন নাজমুন নাহার মুক্তি।

প্রার্থীরা এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও ভোটারদের মাঝে তেমন কোনো উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে না।

ভোটার সাদেকুর রহমান ও ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘করোনা মহামারিতে আমরা ভোট দিতে কিভাবে যাব। এমনিতে দিনাজপুরে করোনা বেড়ে গেছে। এর মধ্যে ভোট দিতে যাওয়া ভয়ের কারণে হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

বোচাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার ছন্দা পাল বলেন, ‘সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ভোট সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করাতে প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ভোটারেরা যেনো কেন্দ্র এসে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোট দিতে পারেন সে দিকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।’

সেতাবগঞ্জ পৌরসভায় প্রথমবারের মত ইভিএমে ভোট গ্রহণ হবে।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে জমজমাট থ্রিলার বইমেলা
সালাহ উদ্দিন শুভ্রর ‘অন্যমনস্ক দিনগুলি’
বইমেলার কী এক বিষণ্ন বিদায়
আমাদের পাখি বন্ধু
বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

শেয়ার করুন

দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা: ১৯ আওয়ামী লীগ নেতাকে বহিষ্কার

দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা: ১৯ আওয়ামী লীগ নেতাকে বহিষ্কার

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তি। ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২১ জুন বরিশাল সদর, হিজলা, মুলাদী, বানারীপাড়া, বাকেরগঞ্জ ও বাবুগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছেন, এমন ১৯ জনকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরোধিতা করায় বরিশালে ১৯ আওয়ামী লীগ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে জেলা আওয়ামী লীগ।

শনিবার বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস।

জেলা আওয়ামী লীগের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২১ জুন বরিশাল সদর, হিজলা, মুলাদী, বানারীপাড়া, বাকেরগঞ্জ ও বাবুগঞ্জ উপজেলার ইউপি নির্বাচনে
দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছেন, এমন ১৯ জনকে দলীয় পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ড ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নির্ধারণ করেছিল।

তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস নিউজবাংলাকে বলেন, যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে তারা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্যকারী। তাদের মধ্যে কেউ দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে গিয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন, আবার কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন।

বহিষ্কৃতদের সঙ্গে যারা যোগাযোগ বা নৌকাবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

হিজলায় বহিষ্কৃতরা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পণ্ডিত সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ, ফারুক সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন হাওলাদার, হরিনাথপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুর রহমান সিকদার।

মুলাদীর বহিষ্কৃত নেতারা হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মুন্সী, সদস্য মজিবুর রহমান শরীফ, ইউসুফ আলী।

বানারীপাড়ায় বহিষ্কার হয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তাজেম আলী হাওলাদার।

সদর উপজেলায় বহিষ্কার হলেন কাশিপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল ইসলাম, চরবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম।

বাকেরগঞ্জের বহিষ্কার হলেন উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও জেলা কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনায়েত হোসেন পান্না, দাড়িয়াল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বাছের আহম্মেদ বাচ্চু, গারুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুদ্দিন তালুকদার মিন্টু, কলসকাঠি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুস সালাম তালুকদার।

বাবুগঞ্জে বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থনকারী জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম মীর, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মনির খান, ইসমাইল ব্যাপারী এবং জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আ. রব ব্যাপারীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
অনলাইনে জমজমাট থ্রিলার বইমেলা
সালাহ উদ্দিন শুভ্রর ‘অন্যমনস্ক দিনগুলি’
বইমেলার কী এক বিষণ্ন বিদায়
আমাদের পাখি বন্ধু
বইমেলা শেষ হচ্ছে সোমবার

শেয়ার করুন