‘ছেলেমেয়েরারে এইবার ঈদের কাপড় দিতে পারছি’

‘ছেলেমেয়েরারে এইবার ঈদের কাপড় দিতে পারছি’

শাহ ফজলুল হক বলেন, ‘গেল কয়েক বছর ধরি তো ছেলেমেয়েরারে ভালা কিচ্ছু দিতে পারছি না। এইবার সবার লাগি কাপড় কিনছে আমার বাচ্চার মায়। সবাইরে নিয়া আমরা খুশিতে ঈদ করমু।’

হাওরের চাষিদের হাসি-কান্না ধানকে ঘিরেই। ধানের ফলনের ওপরই নির্ভর করে, কেমন যাবে তাদের পুরো বছর।

২০১৭ সালের বন্যায় সুনামগঞ্জের হাওরের ধান তলিয়ে যাওয়ার পর থেকে তাদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে। ফলন ভালো হলেও সব ধান ঘরে তুলতে পারবেন কি না, এই ভাবনায় দিন পার করেন।

এ বছরের ধান কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। তাদের ঘরে ঘরে বয়ে এনেছে ঈদের আনন্দ। ধান বিক্রি পুরোদমে শুরু না হলেও ঈদ উপলক্ষে প্রিয়জনদের জন্য পোশাক কিনতে শেষ সময়েও তারা ভিড় করছেন দোকানে।

সুনামগঞ্জের দেখার হাওর ও খরচার হাওরের ধান কাটা মোটামুটি শেষ। এখন চলছে ধান শুকানোর কাজ।

এ বছর ফলনের পাশাপাশি ধানের দরও বেশ ভালো। সরকার বোরো ধানের দাম নির্ধারণ করেছে মণ প্রতি ১ হাজার ৮০ টাকা। পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকায়।

সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের খরচার হাওরে ১০ কেয়ার জমিতে বোরো ধান চাষ করেছেন শাহ ফজলুল হক।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এ বছর আমরার ধান গত বছর অখলতের থাকি বেশি ভালা অইছে। আবহাওয়া ঠিক আছিল, বৃষ্টি কম অইছে। আল্লাহ দিলে আমি ধান পাইছি ১০০ মণ৷’

তিনি আরও বলেন, ‘গেল কয়েক বছর ধরি তো ছেলেমেয়েরারে ভালা কিচ্ছু দিতে পারছি না। এইবার সবার লাগি কাপড় কিনছে আমার বাচ্চার মায়। সবাইরে নিয়া আমরা খুশিতে ঈদ করমু।’

‘ছেলেমেয়েরারে এইবার ঈদের কাপড় দিতে পারছি’

কিশোর উসমান আলীর ঈদের পোশাক কেনা শেষ। তার এখন অপেক্ষা, কবে ঈদের চাঁদ উঠেবে।

সে বলে, ‘এইবার আমরার ধান ভালা অইছে। আব্বায় টাকা দিসেন। গত বছর খালি শার্ট দিসলা। এ বছর আমারে সবতা দিসোইন নতুন কিনিয়া।’

লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের দেখার হাওরের কৃষক আব্দুল হালিম বলেন, ‘ধান বিক্রি শুরু হইছে না ভালা করি। আট কেয়ার জমিত ধান করছিলাম। ৮০ মণের মতো ধান ফাইছি। আমরা সত্যিকারের খুশি অইমু ধান বেছতে পারলে। তবুও এতো বছর পরে নিজের কষ্টের ফসল ভালা অইছে এইটাই আনন্দ।

‘নতুন ধানের চাল দিয়া পিঠা খাওয়া অইবো। এরপরে ছেলেমেয়েরারে এইবার ঈদের কাপড় দিতে পারছি। সবকিছুর লাগি আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’

শহরের ফুটপাতের কাপড়ের দোকান ও শপিংমলগুলো ঘুরে দেখা যায়, সব জায়গাতেই কমবেশি ভিড় আছে মানুষের।

সদরের হোসেনপুর গ্রামের আছিয়া বেগম বলেন, ‘আমরা গরিব মানুষ। বেশি দামি জিনিস কিনার সামর্থ্য নাই। তবে আমরা আমাদের মতো করে ছোট ছোট দোকানগুলা থাকি বাজার কররাম। দাম বেশি চায় অনেক, দরদাম করিয়া লওয়া লাগে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ বছর আমরা খুশি কারণ আমরার ধান খুব ভালা অইছে। ইলান যদি সব বছর অইতো তাইলে আমরা চিন্তা আর আতঙ্ক ছাড়া থাকতাম।’

পোশাক ব্যবসায়ী রনি তালুকদার জানান, এ বছর কাস্টমার কম। তবে অন্যান্য বারের তুলনায় বিভিন্ন হাওর এলাকা থেকে বেশি মানুষ আসছে। লকডাউন না থাকলে ব্যবসা খুব ভালো হতো।

জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘সুনামগঞ্জের একমাত্র ফসল বোরো ধান কাটা শেষ। এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকায় ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঠিক পরামর্শের ফলে আমরা সব ধান বন্যার আগেই ভালোভাবেই কাটতে পেরেছি। তাই বলা যায় এ বছর হাওরে ঈদের আনন্দ থাকবে।’

আরও পড়ুন:
ঈদে তরুণদের টানছে ‘ফেড কাট’ হেয়ার স্টাইল
২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল
করোনা, গাজার বিষণ্নতায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঈদ
ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে, প্রথমটি ৭টায়
ঈদযাত্রায় প্রাণ গেল যুবকের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ভাজা ডিম খাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বে আত্মহত্যা

ভাজা ডিম খাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বে আত্মহত্যা

স্বজনরা জানান, সোমবার দুপুরে ভাত খাওয়ার জন্য দুটি ডিম ভাজেন রেখা বেগম। কিন্তু তার বড় মেয়ে আফরিন জাহান দুটি ডিমই খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার সামান্য রাগারাগি হয়। বাবা আল মাহমুদ রাঢ়ী বাড়ি এসে বিষয়টি জানতে পারেন। তারপর মেয়ে ডিম খেয়েছে, তাতে কী হয়েছে বলে স্ত্রীর কাছে জানতে চান।

বরিশালের উজিরপুরে ভাজা ডিম খাওয়া নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বিষপানে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে থানার পুলিশ।

মৃত রেখা বেগম উজিরপুর উপজেলার বড়াকোঠা ইউনিয়নের অটোভ্যানচালক আল মাহমুদ রাঢ়ীর স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী।

স্বজনরা জানান, সোমবার দুপুরে ভাত খাওয়ার জন্য দুটি ডিম ভাজেন রেখা বেগম। কিন্তু তার বড় মেয়ে আফরিন জাহান দুটি ডিমই খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার সামান্য রাগারাগি হয়। বাবা আল মাহমুদ রাঢ়ী বাড়ি এসে বিষয়টি জানতে পারেন। তারপর মেয়ে ডিম খেয়েছে, তাতে কী হয়েছে বলে স্ত্রীর কাছে জানতে চান।

এতে স্ত্রী রেখা বেগম মনঃক্ষুণ্ন হয়ে অভিমান করে বিষ পান করেন। পরিবারের লোকজন বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। পরে তাকে নেয়া হয় বরিশালের শেরে-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল আহসান জানান, ১০ বছরের মেয়ে আফরিন জাহান দুটি ডিম ভাজা খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটির পর অভিমান করে গৃহবধূ রেখা বেগম বিষপানে আত্মহত্যা করেন। পরিবারের কারো কোনো অভিযোগ নেই। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ি নিয়ে গেছেন স্বজনরা।

আরও পড়ুন:
ঈদে তরুণদের টানছে ‘ফেড কাট’ হেয়ার স্টাইল
২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল
করোনা, গাজার বিষণ্নতায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঈদ
ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে, প্রথমটি ৭টায়
ঈদযাত্রায় প্রাণ গেল যুবকের

শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা ‘ডাকাত’, দুদকের জালে ইসি কর্মকর্তা

ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা ‘ডাকাত’, দুদকের জালে ইসি কর্মকর্তা

পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ভোটার তালিকায় নিবন্ধন করে রোহিঙ্গা নুর আলমকে স্মার্ট কার্ড দেয়া হয়। ছবি: সংগৃহীত

দুদকের মামলার এজাহারে বলা হয়, রোহিঙ্গা নুর আলমকে চট্টগ্রাম নগরীর ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জন্মসনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া হয়। তৎকালীন কাউন্সিলর সরফরাজ কাদের চৌধুরীর প্রত্যয়নের ভিত্তিতে তাকে পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ভোটার তালিকায় নিবন্ধন করে স্মার্টকার্ড দেয়া হয়। তখন পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ছিলেন আব্দুল লতিফ শেখ।

কক্সবাজারে পুলিশের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত রোহিঙ্গা ‘ডাকাত’ নুর আলমকে ভোটার করার অভিযোগে নির্বাচন কমিশন (ইসি) কর্মকর্তাসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলা করেছে দুদক।

মঙ্গলবার দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর উপসহকারী পরিচালক শরীফ উদ্দিন মামলাটি করেন।

রোহিঙ্গা নুর আলমকে এনআইডি, জন্মসনদ ও জাতীয়তা সনদ দেয়ার অভিযোগে মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে।

তারা হলেন চট্টগ্রাম নগরীর সাবেক পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ও বর্তমানে পাবনা জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ, চট্টগ্রামের ডবলমুরিং থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সাবেক ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মোহাম্মদ শাহ জামাল, পাঁচলাইশ নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের প্রুফ রিডার উৎপল বড়ুয়া ও রন্তু বড়ুয়া, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের (দক্ষিণ হালিশহর) তৎকালীন কাউন্সিলর সরফরাজ কাদের চৌধুরী রাসেল, একই ওয়ার্ডের জন্মনিবন্ধন সহকারী ফরহাদ হোসাইন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, এনআইডি পেতে নুর আলম তার ঠিকানা চট্টগ্রাম নগরীর পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের আমিন জুট মিল কলোনি উল্লেখ করে পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে আবেদন করেছিলেন। কিন্তু পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোবারক আলী ওই ঠিকানায় নুর আলমের অবস্থানের সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে প্রত্যয়ন করেন।

পরে নুর আলম নিজেকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের ঠান্ডাছড়ি গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা উল্লেখ করে আবেদন করেন। রাজানগর ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান সামশুল আলমও ওই ঠিকানায় নুর আলম কখনও অবস্থান করেননি বলে প্রত্যয়ন করেন।

এজাহারে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে নুর আলমকে চট্টগ্রাম নগরীর ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড (দক্ষিণ হলিশহর) থেকে জন্মসনদ ও জাতীয় পরিচয়পত্র দেয়া হয়। তৎকালীন কাউন্সিলর সরফরাজ কাদের চৌধুরী রাসেলের প্রত্যয়নের ভিত্তিতে নুর আলমকে পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ভোটার তালিকায় নিবন্ধন করে স্মার্টকার্ড দেয়া হয়। তখন পাঁচলাইশ থানা নির্বাচন কর্মকর্তা ছিলেন আব্দুল লতিফ শেখ।

নুর আলমকে ভোটার তালিকায় নিবন্ধন ও স্মার্টকার্ডের জন্য তথ্য সার্ভারে আপলোড এবং পরে স্মার্টকার্ড দেয়ার ক্ষেত্রে তিনি পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোবারক আলী ও রাজানগর ইউনিয়নের তৎকালীন চেয়ারম্যান সামশুল আলমের প্রত্যয়ন আমলে নেননি। এমনকি তাদের দেয়া তথ্য সংরক্ষণও করেননি।

দুদক কর্মকর্তা শরীফ উদ্দিন নিউজবাংলাকে বলেন, রোহিঙ্গা নুর আলমকে ভোটার তালিকাভুক্ত করে জাতীয় পরিচয়পত্র (স্মার্টকার্ড) সরবরাহের জন্য ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় আসামিরা অপরাধ করেছেন।

২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার জাদিমুরা ২৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের পাশে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন রোহিঙ্গা ‘ডাকাত’ নুর আলম। ওই দিন বিকেলে তাকে টেকনাফের রঙ্গিখালী উলুচামারী পাহাড়ি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছিল টেকনাফ থানার পুলিশ। স্থানীয় যুবলীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন নুর আলম।

আরও পড়ুন:
ঈদে তরুণদের টানছে ‘ফেড কাট’ হেয়ার স্টাইল
২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল
করোনা, গাজার বিষণ্নতায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঈদ
ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে, প্রথমটি ৭টায়
ঈদযাত্রায় প্রাণ গেল যুবকের

শেয়ার করুন

অস্ত্রসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক

অস্ত্রসহ রোহিঙ্গা যুবক আটক

কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে অস্ত্রসহ রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে র‌্যাবের একটি বিশেষ দল নুরালীপাড়া বাজারে অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই যুবক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়।

কক্সবাজারের টেকনাফে অভিযান চালিয়ে অস্ত্রসহ এক রোহিঙ্গা যুবককে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

হ্নীলা ইউনিয়নের নুরালীপাড়া বাজার থেকে বুধবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে একটি ওয়ান শুটারগান ও এক রাউন্ড তাজা কার্তুজসহ ওই যুবককে আটক করা হয়।

আটক যুবকের নাম নুর হাসান। তিনি টেকনাফ ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আই ব্লকের বাসি‌ন্দা।

র‌্যাব বলছে, আটক রোহিঙ্গা যুবক অস্ত্র ব্যবসায়ী।

র‌্যাব-১৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকালে র‌্যাবের একটি বিশেষ দল নুরালীপাড়া বাজারে অভিযান চালায়।

র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে নুর হাসান পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার শরীর তল্লাশি করে একটি দেশীয় ওয়ান শুটারগান ও এক রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি টেকনাফের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করে কক্সবাজারের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করেন।

পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তাকে টেকনাফ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
ঈদে তরুণদের টানছে ‘ফেড কাট’ হেয়ার স্টাইল
২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল
করোনা, গাজার বিষণ্নতায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঈদ
ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে, প্রথমটি ৭টায়
ঈদযাত্রায় প্রাণ গেল যুবকের

শেয়ার করুন

তিন সন্তানের জননীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার যুবক রিমান্ডে

তিন সন্তানের জননীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার যুবক রিমান্ডে

বোরহানউদ্দিন থানার ওসি মাজহারুল আমিন জানান, ওই নারী রোববার এনজিও থেকে টাকা তুলে বাড়ি ফেরার পথে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন- এ অভিযোগ এনে সোমবার রাতে তিনজনকে আসামি করে মামলা হয়। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অপর দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় তিন সন্তানের জননীকে দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার আসামি সাহেদকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বোরহানউদ্দিন থানার একটি দল সোমবার রাতে পৌর এলাকার নিজ বাসা থেকে ২৫ বছর বয়সী সাহেদকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার দুপুরে তাকে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আলী হায়দার কামালের আদালতে হাজির করে ছয় দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের অনুমতি দেয়।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন জানান, ওই নারী রোববার এনজিও থেকে টাকা তুলে বাড়ি ফেরার পথে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন- এ অভিযোগ এনে সোমবার রাতে তিনজনকে আসামি করে মামলা হয়। একজন গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলার অপর দুই আসামি সুমন ও ইউসুফকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:
ঈদে তরুণদের টানছে ‘ফেড কাট’ হেয়ার স্টাইল
২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল
করোনা, গাজার বিষণ্নতায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঈদ
ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে, প্রথমটি ৭টায়
ঈদযাত্রায় প্রাণ গেল যুবকের

শেয়ার করুন

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সম্ভব: অর্থমন্ত্রী

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়া সম্ভব: অর্থমন্ত্রী

কুমিল্লার লালমাইতে আঞ্চলিক স্কাউটস প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ছবি: নিউজবাংলা

‘৭১ এর শহিদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে দেশের সকল জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নয়নের লক্ষ্যে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।’

করোনা মহামারিতে অনেক দেশের অর্থনীতি ঝিমিয়ে গেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার অর্থনীতিতে ভালো অবস্থানে আছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

কুমিল্লার লালমাইতে মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আঞ্চলিক স্কাউটস প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছে সরকার। করোনা মহামারিতে অনেক দেশের অর্থনীতি ঝিমিয়ে গেলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার অর্থনীতিতে ভালো অবস্থানে আছে।

‘৭১ এর শহিদদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে দেশের সকল জনগোষ্ঠীকে সঙ্গে নিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে উন্নয়নের লক্ষ্যে চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘স্কাউটস লালমাই আঞ্চলিক কেন্দ্রটির মাধ্যমে এলাকার মানুষ আলোকিত হবে। স্কাউটসের মাধ্যমে মানুষকে ভালোবাসতে হবে। ভালোবাসা শেখাতে হবে। দেশের সকল মানুষকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
ঈদে তরুণদের টানছে ‘ফেড কাট’ হেয়ার স্টাইল
২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল
করোনা, গাজার বিষণ্নতায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঈদ
ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে, প্রথমটি ৭টায়
ঈদযাত্রায় প্রাণ গেল যুবকের

শেয়ার করুন

হাঁড়িভাঙার ফলনে খুশি, বিপণনে চিন্তা

হাঁড়িভাঙার ফলনে খুশি, বিপণনে চিন্তা

মিঠাপুকুরের বিভিন্ন হাটবাজারে, বদরগঞ্জ এলাকায় প্রতিদিনই আমের হাট বসে। কিন্তু এই আমরাজ্যে যোগাযোগব্যবস্থা নাজুক। বড় অংশই মাটির কাঁচা রাস্তা।

এবারের কালবৈশাখীতে অনেক জায়গায় হাঁড়িভাঙা আমের গুটি ঝরে পড়েছিল। গাছে অবশিষ্ট যা ছিল, তা নিয়েও দুশ্চিন্তার কমতি ছিল না চাষিদের। শেষ পর্যন্ত নতুন করে বড় ধরনের কোনো ঝড় না আসায় সেই দুশ্চিন্তা কেটেছে। গাছে যে আম আছে, তা নিয়ে খুশি চাষিরা।

তবে শেষ পর্যন্ত এই আম কীভাবে দেশ-বিদেশে বিপণন করবেন, তা নিয়ে এখন নতুন দুশ্চিন্তা তাদের। অতি সুস্বাদু হাঁড়িভাঙা আম বেশি পেকে গেলে দ্রুতই নষ্ট হয়ে যায়। সংরক্ষণ করার ব্যবস্থাও নেই চাষি এবং ব্যবসায়ীদের কাছে।

রংপুর কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, রংপুরে এবার ১ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে হাঁড়িভাঙার ফলন হয়েছে। এর বেশির ভাগই (১ হাজার ২৫০ হেক্টর) মিঠাপুকুর উপজেলায়। বদরগঞ্জে ৪০০ হেক্টরে চাষ হয়েছে। এ ছাড়া রংপুর মহানগর এলাকায় ২৫ হেক্টর, সদর উপজেলায় ৬০, কাউনিয়ায় ১০, গঙ্গাচড়ায় ৩৫, পীরগঞ্জে ৫০, পীরগাছায় ৫ ও তারাগঞ্জ উপজেলায় ১৫ হেক্টর জমিতে আমবাগান রয়েছে।

শুক্রবার (১১ জুন) বিকেলে মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জ এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, রাস্তার দুই ধারে, কৃষিজমি, ধানি জমিতে সারি সারি আমগাছে আম ঝুলছে। গাছের ডালে, ডগায় ঝুম ঝুম আম। আম প্রায় পেকে গেছে, তা পরিচর্যায় ব্যস্ত চাষিরা।

রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক কৃষিবিদ মাসুদুর রহমান সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, দেশের অন্যান্য জায়গার আম প্রায় শেষ হয়ে যাওয়ার পর হাঁড়িভাঙা আম বাণিজ্যিকভাবে বাজারে আসে। জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে এই আম বাজারে আসবে। অর্থাৎ ২০ জুনের পর বাজারে হাঁড়িভাঙা পাওয়া যাবে।

হাঁড়িভাঙার ফলনে খুশি, বিপণনে চিন্তা


সেটার স্বাদ এবং গন্ধ আলাদা। মাসুদুর রহমান সরকার বলেন, এর আগে বাজারে হাঁড়িভাঙা আম পাওয়া গেলেও তা অপরিপক্ব।

তিনি বলেন, ‘শুরুতে আমের ওপর দিয়ে কিছুটা দুর্যোগ গেলেও আমরা যে টার্গেট করেছি, তা পূরণ হবে বলে আশা করছি।’

যোগাযোগব্যবস্থা নাজুক

আমের রাজধানী-খ্যাত রংপুরের পদাগঞ্জ হাটে বসে সবচেয়ে বড় হাট। এর পরের অবস্থান রংপুরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকা। এ ছাড়া মিঠাপুকুরের বিভিন্ন হাটবাজারে, বদরগঞ্জ এলাকায় প্রতিদিনই আমের হাট বসে। কিন্তু এই আমরাজ্যে যোগাযোগব্যবস্থা একেবারেই নাজুক। বড় অংশই মাটির কাঁচা রাস্তা। ফলে অল্প বৃষ্টিতে কাদাজলে নাকাল হয় আম ক্রেতা ও বিক্রেতা।

পদাগঞ্জ হাটের ইজারাদার ফেরদৌস আহমেদ ফেদু বলেন, ‘প্রতিবছর এই হাটের সরকারি মূল্য বাড়ে। কিন্তু সুযোগ-সুবিধা বাড়ে না। বৃষ্টিতে হাঁটুপানি হয়। পরিবহন ঠিকমতো আসতে পারে না। আমরা চাই যোগাযোগব্যবস্থাটা উন্নত হলে আম নিয়ে আরো ভালো ব্যবসা হবে।’

আম বাজারজাত নিয়ে দুশ্চিন্তা

যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দুশ্চিন্তায় আছেন চাষিরা। করোনার কারণে সঠিক সময়ে আম বাজারজাত ও পরিবহন সুবিধা বাড়ানো না গেলে মুনাফা নিয়ে শঙ্কা আছে তাদের।

আমচাষি আলী আজগার আজা বলেন, ‘আমার তিন একর জমিতে আম আছে। যে বাজার আছে তাতে জায়গা হয় না। সড়কে সড়কে আমরা আম বিক্রি করি। একটু বৃষ্টি হলেই কাদা হয় হাঁটু পর্যন্ত। ভ্যান, অটোরিকশা, ছোট ট্রাক, বড় ট্রাক আসতে পারে না। আম নিয়ে খুব চিন্তা হয়। এমনিতে বৈশাখী ঝড়ে আম পড়ে গেছে। এরপরেও যদি বৃষ্টি হয়, তাহলে আম বেচতে পারব না। কারণ আম বিক্রির জন্য কোনো শেড তৈরি করা হয় না বা হয়নি।’

মাহমুদুল হক মানু নামে আরেক চাষি বলেন, ‘পদাগঞ্জে এত বড় একটা হাট, কিন্তু রাস্তা নিয়ে কারো কোনো চিন্তা নাই। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা বিক্রি হয়, অথচ ব্যাংক নাই। রংপুর যায়া ব্যাংকোত টাকা দিয়া আসতে হয়।’

মনসুর আলী নামে এক ব্যবসায়ী ও চাষিরা বলেন, ‘এবারে আমের একটু সংকট হবে। আমের যদি দাম না পাই, তাহলে লোকসান হবে না। কিন্তু অন্যান্য বার যে মুনাফা পাইছি, এবার সেটা পাব না।’

তিনি বলেন, ‘আমার সঠিক দামটা আমরা যেন পাই। এ জন্য গাড়ির ব্যবস্থা চাই, ট্রাক বা ট্রেন হলে ভালো হয়। কারণ, ভ্যানে করে, সাইকেলে করে শহরে আম নেয়া খুবই কঠিন।’

আম বিক্রি করে ভাগ্যবদল অনেকের

স্বাদ এবং গন্ধে অতুলনীয় হাঁড়িভাঙা আমের মৌসুমি ব্যবসা করে ভাগ্য বদল করেছেন অনেকেই। মাত্র এক মাসের ব্যবসায় সংসারের অভাব এবং বেকারত্ব দূর হয়েছে অসংখ্য পরিবারের।

রংপুরের মিঠাপুকুর তেয়ানী এলাকার যুবক রমজান আলী বলেন, ‘আমি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। প্রতিবছর আমি আমের সময় বাড়িতে আসি। নিজের পরিচয় গোপন রেখে ফেসবুকে পেজ খুলেছি। গত বছর ১০ লাখ টাকার আম বিক্রি করেছি। এবারও করব। এতে করে আমার এক বছরের ঢাকায় থাকার খরচ উঠে যায়।’

বদরগঞ্জের শ্যামপুর এলাকার শিক্ষিত যুবক সাজু বলেন, ‘আমি কারমাইকেল কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স-মাস্টার্স করেছি। চাকরির অনেক খোঁজ করেছি বাট হয়নি। কিন্তু পরে জমি লিজ নিয়ে আম চাষ শুরু করেছি। এখন চাকরি করা নয়, চাকরি দিচ্ছি। আমার চারটি বাগান আছে। সেখানে ১৬ জন লোক কাজ করে।’

এ রকম শত শত যুবক আছেন, যারা অনলাইনে কিংবা জমি ইজারা নিয়ে আম চাষ করে ভাগ্য বদল করেছেন।

হাঁড়িভাঙার ফলনে খুশি, বিপণনে চিন্তা


আম সংরক্ষণ ও গবেষণা দাবি

আমবাগানের মালিক আখিরাহাটের বাসিন্দা আব্দুস সালাম বলেন, ‘আমি ১৯৯২ সাল থেকে হাঁড়িভাঙা আমের চাষ করে আসছি। এখন পর্যন্ত আমার ২৫টির বেশি বাগান রয়েছে।

‘আমার দেখাদেখি এখন রংপুরে হাঁড়িভাঙা আমের কয়েক লাখ গাছ রোপণ করেছেন আমচাষিরা। আমার মতো অনেকের বড় বড় আমবাগান রয়েছে।’

তিনি বলেন, আম-অর্থনীতির জন্য শুরু থেকেই হাঁড়িভাঙা আমের সংরক্ষণের জন্য হিমাগার স্থাপন, আধুনিক আম চাষ পদ্ধতি বাস্তবায়ন, গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনসহ হাঁড়িভাঙাকে জিআই (পণ্যের ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে ঘোষণার দাবি করে আসছিলাম আমরা। কিন্তু এই দাবি এখনও বাস্তবায়ন বা বাস্তবায়নের জন্য যে উদ্যোগ থাকার কথা, সেটি চোখে পড়ে না।’

তিনি বলেন, ‘এই আম নিয়ে গবেষণা এবং সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকলেও আমের উৎপাদন ও বাগান সম্প্রসারণ থেমে নেই। এ নিয়ে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।’

যা বলেন জেলা প্রশাসক

রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, আগামী ২০ জুন সরাসরি কৃষকের আম বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওই দিন সদয় অ্যাপস নামে একটি হাঁড়িভাঙা আম বিক্রির অ্যাপস চালু করা হবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, হাঁড়িভাঙা আমের বাজারজাত করতে যাতে কোনো ধরনের অসুবিধা না হয়, সেটি মনিটরিং করা হবে। আম বাজারজাত করবে যেসব পরিবহন, সেখানে স্টিকার লাগানো থাকবে, যাতে পথে-ঘাটে কোনো বিড়ম্বনার শিকার হতে না হয়। এ ছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি সরকারি পরিবহন সুবিধার বিষয়টিও দেখা হবে।

আরও পড়ুন:
ঈদে তরুণদের টানছে ‘ফেড কাট’ হেয়ার স্টাইল
২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল
করোনা, গাজার বিষণ্নতায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঈদ
ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে, প্রথমটি ৭টায়
ঈদযাত্রায় প্রাণ গেল যুবকের

শেয়ার করুন

চবির ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকার জন্য আবেদন করেননি

চবির ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকার জন্য আবেদন করেননি

গত ৪ মার্চ দুই দিনের সময় দিয়ে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের পৃথক দুটি অনলাইন ফরমে আবেদন করতে বলা হয়। এতে ২৭ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে টিকার জন্য আবেদন করেছে ১৫ হাজার শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছেন মাত্র ৪ হাজার।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) মাত্র ৫৫ শতাংশ শিক্ষার্থী করোনাভাইরাসের টিকার জন্য আবেদন করেছেন।আবাসিক ও অনাবাসিক মিলে ২৭ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে টিকার জন্য আবেদন করেছে মাত্র ১৫ হাজার শিক্ষার্থী। অর্থাৎ ৪৫ শতাংশ শিক্ষার্থী টিকার জন্য আবেদন করেননি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে মঙ্গলবার জানানো হয়েছে, গত মার্চে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ও অনাবাসিক সব শিক্ষার্থীকে টিকার আওতায় আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সে লক্ষ্যে গত ৪ মার্চ দুই দিনের সময় দিয়ে আবাসিক ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের পৃথক দুটি অনলাইন ফরমে আবেদন করতে বলা হয়। এতে ২৭ হাজার ৫৫০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে টিকার জন্য আবেদন করেছে ১৫ হাজার শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছেন মাত্র ৪ হাজার।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান বলেন, আমাদের দেয়া নির্ধারিত সময়ে ১৫ হাজার শিক্ষার্থী টিকার জন্য আবেদন করেছে। এদের মধ্যে ৪ হাজার আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছে। আমরা এই তালিকা ইউজিসিতে পাঠিয়ে দিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সরকার ও প্রধানমন্ত্রী জনগণকে টিকা দেয়ার ব্যাপারে খুব আন্তরিক। আমাদেরকে আশ্বস্ত করা হয়েছে চীন থেকে টিকা এলেই অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের দেয়া হবে। পরে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ঈদে তরুণদের টানছে ‘ফেড কাট’ হেয়ার স্টাইল
২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা টোল
করোনা, গাজার বিষণ্নতায় মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে ঈদ
ঈদের ৫ জামাত বায়তুল মোকাররমে, প্রথমটি ৭টায়
ঈদযাত্রায় প্রাণ গেল যুবকের

শেয়ার করুন