মাছ ধরার ট্রলারে পদ্মা পাড়ি, জব্দ ১৩ ট্রলার

মাছ ধরার ট্রলারে পদ্মা পাড়ি, জব্দ ১৩ ট্রলার

মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির নিউজবাংলাকে জানান, লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরিতে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকায় মানুষ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এই সুযোগে অসাধু একটি চক্র ছোট ছোট মাছ ধরার ট্রলারে যাত্রী পার করছিল যা খুবই বিপজ্জনক।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে নৌপরিবহন ও ফেরিতে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকায় অনেকেই পদ্মা পাড়ি দিচ্ছেন মাছ ধরা ট্রলারে।

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে নদী পার হওয়ায় মাছ ধরার ১৩টি ট্রলার জব্দ করেছে নৌপুলিশ।

দিনভর অভিযানে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে সোমবার এগুলো জব্দ করা হয়।

মাওয়া নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল কবির নিউজবাংলাকে জানান, লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরিতে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকায় মানুষ বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এই সুযোগে অসাধু একটি চক্র ছোট ছোট মাছ ধরার ট্রলারে যাত্রী পার করছিল যা খুবই বিপজ্জনক।

এর আগেও রোববার পদ্মা নদীতে অভিযান চালিয়ে ১৮টি ট্রলার জব্দ করেছিল নৌপুলিশ।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ১৪ এপ্রিল থেকে চলমান লকডাউন কয়েক দফা বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ৬ মে থেকে শহরগুলোতে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেয়া হলেও বন্ধ রয়েছে আন্তজেলা বাস, ট্রেন ও লঞ্চ। শুধু পণ্য পরিবহনের জন্য চালু রাখা হয়েছিল ফেরি।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) শুক্রবার রাতে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছিল, শনিবার থেকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে। রাতে শুধু পণ্যবাহী পরিবহন পারাপারের জন্য ফেরি চলবে।

এরপর শনিবার বিজিবির পরিচালক (অপারেশন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফয়জুর রহমান ঘোষণা দেন, ফেরিতে যাত্রী পারাপার ঠেকাতে ঘাটে থাকবে তাদের টহল দল।

আরও পড়ুন:
ফেরি বন্ধে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিগুণ গাড়ি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

ঘরে ঢুকে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। ছবি: মংগৃহীত

শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘প্রিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে গৃহবধূকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের আহাম্মদ নগর ছোটপোদ্দার বাড়িতে বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত ২১ বছর বয়সী নওরোজ আফরিন প্রিয়া ওই এলাকার প্রবাসী ইসমাইল হোসেনের একমাত্র মেয়ে। তার দুই বছরের একটি মেয়ে আছে।

পুলিশ সুপার (এসপি) মিলন মাহমুদ বলেন, ‘প্রিয়া পাঁচ দিন আগে কুমিল্লা থেকে পবিরারসহ বাবার বাড়ি বেড়াতে আসেন। ঘটনার সময় ঘরে তিনি ও তার মেয়ে ছিলেন। পরে ঘর থেকে প্রিয়ার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’

এসপি আরও বলেন, ‘বাড়িটি নিরিবিলি এলাকায় ছিল। তবে ঘরের কোনো মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির আলামত পাওয়া যায়নি। ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।’

দুর্বৃত্তরা মাকে হত্যা করলেও তার শিশুটিকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। সে তার মায়ের মরদেহের পাশে বসে কাঁদছিল বলে জানান ওসি।

নিহতের মা রুমি আক্তার আহাজারি করে বলেন, ‘আমার নাতিন অসুস্থ। ওর জন্য ওষুধ আনতে পাশের বাড়ির স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে যাই। ঘরে এসে দেখি আমার মেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। কারা কেন এমন করেছে, আমি কিছুই জানি না।’

নিহত প্রিয়ার ভাই পরশ জানায়, ‘পাঁচ দিন আগে দুলাভাইসহ আপু বাড়ি আসেন। কয়েক দিন বেড়ানোর পর দুলাভাই কুমিল্লা চলে যান। আজকে সন্ধ্যার পর আমি বাজারে যাই। রাতে শুনি আপুকে কারা যেন হত্যা করেছে।’

শাহরাস্তি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মান্নান বলেন, ‘প্রিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের ধরতে পুলিশ মাঠে নেমেছে বলে জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
ফেরি বন্ধে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিগুণ গাড়ি

শেয়ার করুন

১৯ মাস পর বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী

১৯ মাস পর বিদেশ সফরে প্রধানমন্ত্রী

প্রতীকী ছবি

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, ৯টা ২৩ মিনিটে ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে সরকারপ্রধানকে বহনকারী উড়োজাহাজটি।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শুক্রবার সকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভিভিআইপি ফ্লাইটে (বিজি-১৯০১) রওনা হন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রথমে ফিনল্যান্ড যাবেন সরকারপ্রধান। ৯টা ২৩ মিনিটে দেশটির রাজধানী হেলসিংকির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজটি।

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে ১৯ মাস পর আবার বিদেশ সফরে গেলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুক্তরাষ্ট্র যাওয়া ও ফেরত আসার পথে ফিনল্যান্ডে অবস্থান করবেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম জানান, স্থানীয় সময় বিকেল পৌনে ৪টার সময় ফিনল্যান্ডের হেলসিংকি ভানতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে তিনি সফরকালীন আবাসস্থল হেলসিংকির হোটেল ক্যাম্পে যাবেন।

স্থানীয় সময় শনিবার বিকেল ৪টায় হেলসিংকির ভানতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ভিভিআইপি ফ্লাইটে করে নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। নিউ ইয়র্ক সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে আনুষ্ঠানিকতা শেষে সফরকালীন আবাসস্থল লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেসে যাবেন সরকারপ্রধান।

সফরকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ ৮০ সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকবে। এ ছাড়াও ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদলও তার সঙ্গী হয়েছে।

সফরে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার প্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা ইস্যু, করোনার টিকাসহ নানা বিষয়ে জোর দেবে বাংলাদেশ। করোনা পরিস্থিতিতে এবারের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল খুব ছোট আকারে গঠন করা হয়েছে।

২১ সেপ্টেম্বর থেকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের উচ্চ পর্যায়ের বিতর্ক পর্ব শুরু হবে।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ‘এবারের অধিবেশনের একটি বড় অংশজুড়ে থাকবে কোভিড-১৯ ও পরবর্তী টেকসই পুনরুদ্ধার ও পুনর্নির্মাণ। কোভিড-১৯ থেকে মুক্তিলাভের জন্য বিশ্বব্যাপী টিকা বৈষম্য দূরীকরণের বিষয়টি এবারের অধিবেশনে বিশেষভাবে আলোচিত হবে। এ ছাড়া আসন্ন অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিও প্রাধান্য পাবে।’

তিনি বলেন, ‘এবারের কপ-২৬ থেকে বিশ্ব যাতে একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা পেতে পারে, সে বিষয়েও এবারের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বিশ্ব নেতারা আলোচনা করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে। ইতোমধ্যে জাতিসংঘ মহাসচিব ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর যৌথ উদ্যোগে জলবায়ু বিষয়ে সোচ্চার দেশগুলোকে নিয়ে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ফেরি বন্ধে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিগুণ গাড়ি

শেয়ার করুন

জেএসএস নেতাকে গুলি করে হত্যা

জেএসএস নেতাকে গুলি করে হত্যা

প্রতীকী ছবি

স্থানীয় লোকজন জানান, সুরেশ কান্তি চাকমা তার বাড়ির কাঠাকাছি আরেকটি বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। শুক্রবার ভোররাত ৪টার দিকে কে বা কারা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা।

উপজেলার ৩৫ নম্বর বঙ্গলতলী ইউনিয়নের বি ব্লক এলাকায় শুক্রবার ভোররাত ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সুরেশ কান্তি চাকমা পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস মূল দল) নেতা ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন বঙ্গলতলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জ্ঞান জ্যোতি চাকমা।

স্থানীয় লোকজন জানান, সুরেশ কান্তি চাকমা তার বাড়ির কাঠাকাছি আরেকটি বাড়িতে ঘুমাচ্ছিলেন। শুক্রবার ভোররাত ৪টার দিকে কে বা কারা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। কিছুক্ষণ আগে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।’

আরও পড়ুন:
ফেরি বন্ধে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিগুণ গাড়ি

শেয়ার করুন

দেশি বাগানে সৌদির খেজুর

দেশি বাগানে সৌদির খেজুর

ময়মনসিংহের ভালুকায় সৌদি আরবের বিভিন্ন জাতের খেজুরের বাগান গড়ে তুলেছেন আফাজ পাঠান। ছবি: নিউজবাংলা

২০১৬ সালের শেষের দিকে সৌদি আরবের এক বন্ধুর কাছ থেকে খেজুরের বীজ সংগ্রহ করেন আফাজ পাঠান। সে বছরই দুই বিঘা জমিতে আড়াই হাজার চারা হয়।

মরিয়ম, আজওয়া, ছুকারি, আমবার, বারহী, চেগী, নেপতা, মেগজুনসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন জাতের খেজুর ঝুলছে দেশেরই হাসানিয়া সৌদিয়া নামের এক বাগানে।

ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের পাড়াগাঁও গ্রামের আফাজ পাঠান পাঁচ বছর আগে ১০ বিঘা জমিতে গড়ে তোলেন এই খেজুর বাগান।

সৌদি আরবের ১০ জাতের খেজুরের প্রায় ৫ হাজার গাছ ও ৫ হাজার চারা আছে তার বাগানে। বাগান পরিচর্যায় কাজ করেন ১৫ শ্রমিক।

দেশি বাগানে সৌদির খেজুর

২০১৬ সালের শেষের দিকে সৌদি আরবের এক বন্ধুর কাছ থেকে খেজুরের বীজ সংগ্রহ করেন। সে বছরই দুই বিঘা জমিতে আড়াই হাজার চারা হয়।

আফাজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রতিটি চারা ২ থেকে ২৫ হাজার টাকায় বিক্রি করি। তবে আমি যে চারাগুলো ২৫ হাজারে বিক্রি করি, সেটির বাজারমূল্য ১ লাখ টাকা। তবুও বাংলাদেশে এই জাতের চারা ছড়িয়ে দেয়ার জন্য কম দামে বিক্রি করছি। প্রতিবছর ২৫ লাখ টাকার চারা বিক্রি করি।

‘লাভের পরিমাণ দিন দিন বৃদ্ধি হওয়ায় আরও জায়গা কিনেছি। বর্তমানে ১০ বিঘা জমিতে খেজুর চাষ করছি। বাগানের একটি গাছে সাধারণত ১৫০ কেজি খেজুর ধরে। তবে গাছ ৫ থেকে ১০ ফুট লম্বা হলে আরও বেশি হয়।’

খেজুরগাছের চারা বিক্রি করলেও এখনও খেজুর বিক্রি শুরু করেননি আফাজ।

তিনি বলেন, ‘আমি যখন প্রথম খেজুর চাষের উদ্যোগ নেই, তখন মনে মনে শপথ করেছিলাম কয়েক বছর খেজুর বাজারে বিক্রি করব না। যা হবে সব বিনা মূল্যে মানুষকে খেতে দেব। স্থানীয় লোকজনকে তো দিইই, যারা বাগান দেখতে আসে, তাদের সবাইকে খেজুর দিই। তবে আগামী বছর থেকে বাজারে বিক্রি করব।’

দেশি বাগানে সৌদির খেজুর

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে তার বাগান থেকে দেশে সৌদি আরবের খেজুরের চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে মনে করেন আফাজ।

খেজুর চাষ করে শুধু আফাজের ভাগ্যই ফেরেনি, কর্মসংস্থান হয়েছে এলাকার কিছু মানুষেরও।

বাগানে কাজ করতে করতে আব্দুল করিম নামের এক শ্রমিক জানান, আগে দূরে গিয়ে কাজ করার সময় থাকা-খাওয়ায় অনেক টাকা খরচ হয়ে যেত। এখন বাড়ির পাশেই কাজ করছেন। প্রতিদিন ৫০০ টাকা করে পান। সংসার খরচের পর কিছু টাকা জমাতে পারছেন।

স্থানীয় কৃষক আফছার উদ্দিন খান বলেন, ‘আফাজ পাঁচ বছর আগেও অনেক কষ্টে দিন কাটিয়েছে। এখন তার দেয়া বেতনে অনেকের সংসার চলে। এই সফলতা এসেছে তার পরিশ্রম ও ইচ্ছাশক্তির কারণে।’

ভালুকা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জেসমিন নাহার জানান, অনেক বেকার যুবক ও স্থানীয় কৃষক আফাজের খেজুর বাগান দেখে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। কেউ খেজুর চাষ করতে চাইলে তাকে সব ধরনের পরামর্শ দেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
ফেরি বন্ধে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিগুণ গাড়ি

শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ গ্যাসসংকট

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ গ্যাসসংকট

প্রতীকী ছবি

দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ১৩ হাজার মেগাওয়াটের মতো। উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার প্রায় দ্বিগুণ। এরপরও ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়া ও ভোল্টেজ ঘাটতির কথা জানিয়েছেন নগরবাসী।

দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষমতা বেড়েছে। চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে উৎপাদনও হচ্ছে। এরপরও কিছুদিন ধরে রাজধানীর কিছু কিছু এলাকা এবং গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নিত্যকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্যাসসংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রভাব পড়ায় এমনটা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

শতভাগ বিদ্যুতায়নের অংশ হিসেবে গত রোববার দেশে আরও পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়। এতে দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা বেড়ে দাঁড়ায় ২৫ হাজার ২৩৫ মেগাওয়াটে।

দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের চাহিদা ১৩ হাজার মেগাওয়াটের মতো। উৎপাদন সক্ষমতা চাহিদার প্রায় দ্বিগুণ। এরপরও ঘন ঘন বিদ্যুৎ যাওয়া ও ভোল্টেজ ঘাটতির কথা জানিয়েছেন নগরবাসী।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন হচ্ছে। তাই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের যে অভিযোগ আসছে, তা উৎপাদনজনিত নয়, ত্রুটিজনিত।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কথা স্বীকার করে নিউজবাংলাকে বলেন, গ্যাসের সংকটের কারণে এমন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘বর্তমানে গ্যাসের সরবরাহ একটু কমে গিয়েছে। এই সরবরাহ কমে যাওয়ায় একটু প্রেসার পড়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে।’

এ কারণে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ‘গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে বলেই এটা হচ্ছে। তবে এ নিয়ে কাজ চলছে।’

বর্তমানে দেশে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৫৭টি। সেখানে মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১১ হাজার মেগাওয়াটের বেশি।

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ঘাটতি থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদন যেমন কমে আসে, তেমনি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎসেবা নিশ্চিত করাও কঠিন হয়ে পড়ে। আর তাই বুধবার থেকে পিক আওয়ারে অর্থাৎ বিকেল ৫টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সিএনজি ফিলিংস্টেশন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যদিও পরে সেটি পিছিয়ে দেয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে জানান, এই সিদ্ধান্ত পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বহাল রাখার কথা বলা হলেও অক্টোবরের মাঝামাঝি এসে তুলে নেয়া হতে পারে।

গ্যাসের চাহিদার কারণে যে বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে, সেটি জানা গিয়েছে আরও একটি মাধ্যম থেকে।

সিএনজি ফিলিং স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে মঙ্গলবার পেট্রোবাংলার সভা হয়। সভা শেষে পেট্রোবাংলার পরিচালক (অপারেশন ও মাইনস) আলি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, দেশে এখন এলএনজির ঘাটতি রয়েছে, যার জন্য বিদ্যুৎ উৎপাদনে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘সিএনজির কারণে ৮২ থেকে ৮৩ মিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস খরচ হয়। তবে এটা বেশি দিন লাগবে না।

‘নভেম্বর-ডিসেম্বর থেকে বিদ্যুতের চাহিদা কমে যাবে। আর এই সময়ে এলএনজি দেশীয় সোর্স থেকে ইমপ্রুভ করার চেষ্টা করবে। এর মধ্যেই উৎপাদন ঠিক হবে।’

রাজধানীসহ সারা দেশেই লোডশেডিং হচ্ছে। রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আজিমপুর, লালমাটিয়া, মগবাজার, বাড্ডাসহ কয়েকটি এলাকায় গত কয়েক দিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিং দেখা যাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে ধানমন্ডি, গুলশান উত্তরাসহ অভিজাত এলাকাগুলোতেও।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণ গ্যাসসংকট

মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা অনির্বাণ বিশ্বাস নিউজবাংলাকে বলেন, ‘খুব বেশি সময় লোডশেডিং হয় না। হুট করে চলে গিয়ে আবার ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যেই চলে আসে।’

একই রকম অভিযোগ উত্তরার বাসিন্দা মেহরিন জাহানেরও। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় না হলেও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভোল্টেজ কম থাকে।

রাজধানীর খিলগাঁওয়ে বিদ্যুতের সমস্যা একটু বেশি বলে জানান ওই এলাকার বাসিন্দা সাখাওয়াত সুমন।

তিনি বলেন, ‘আমার এলাকায় প্রায় এক থেকে দেড় ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে।’

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) হিসাব অনুযায়ী, ১২ সেপ্টেম্বর সারা দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৩ হাজার ২৫ মেগাওয়াট। ওই দিন উৎপাদনও তাই ছিল।

ওই দিন ঢাকায় চাহিদা ছিল ৪ হাজার ৫৯১ মেগাওয়াট। এ সময় কোনো লোডশেডিং হয়নি। দেশের অন্য বিভাগগুলোতেও লোডশেডিং হয়নি।

এ সময় চট্টগ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ২৩৯ মেগাওয়াট। এ ছাড়া খুলনায় ১ হাজার ৫১৫ মেগাওয়াট, রাজশাহীতে ১ হাজার ৩৩৩ মেগাওয়াট, কুমিল্লায় ১ হাজার ১৭০ মেগাওয়াট, ময়মনসিংহে ৯৯৪ মেগাওয়াট, সিলেটে ৫৭৯ মেগাওয়াট, বরিশালে ৩৬৯ মেগাওয়াট ও রংপুরে ৭০৭ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা ছিল।

বিদ্যুতের একই রকম চাহিদা গত কয়েক দিন ধরেই রয়েছে। উৎপাদনও একই রকম। এরপরও বিদ্যুৎ বিভ্রাট কেন, তা জানতে চাওয়া হয় পিডিবির জনসংযোগ বিভাগের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সাইফুল হাসান চৌধুরীর কাছে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের এখন বিদ্যুতের শতভাগ সক্ষমতা রয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিচ্ছে। এটি আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে।’

পিডিবি সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা ২৫ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। আর দেশে গড় চাহিদা দৈনিক ১৩ হাজার মেগাওয়াট। এ চাহিদা অনুযায়ীই বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের গ্রাহক প্রায় ৪ কোটি। দেশে বিদ্যুৎ সুবিধাপ্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা ৯৯ শতাংশ। গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে ১৩৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রয়েছে। বর্তমানে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ৫১২ কিলোওয়াট ঘণ্টা।

পিডিবি জানিয়েছে, চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল দেশে ১৩ হাজার ৫২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, যা এ যাবৎকালে সর্বোচ্চ।

আরও পড়ুন:
ফেরি বন্ধে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিগুণ গাড়ি

শেয়ার করুন

কিস্তির টাকা চাওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তাকে মারধর

কিস্তির টাকা চাওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তাকে মারধর

ব্যাংক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

ওসি আনিচুর রহমান মোল্লা জানান, এনআরবিসি ব্যাংকের আড়াইহাজার শাখা থেকে তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন স্থানীয় জাকির খান, সজীবুল ইসলাম ও তার মা তাছলিমা আক্তার। কিস্তির টাকা চাওয়া নিয়েই ঘটেছে মারপিট ও হামলা।

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ঋণের কিস্তির টাকা চাওয়ায় এনআরবিসি ব্যাংকের শাখা কর্মকর্তা ও তার স্ত্রীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। মামলা হলেও পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

লাসারদী গ্রামে ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়িতে ঢুকে বুধবার রাত ৮টার দিকে তাকে মারধর করে কয়েকজন। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে খাগকান্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ভাইসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিচুর রহমান মোল্লা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ব্যাংক কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

মামলার বরাত দিয়ে ওসি জানান, এনআরবিসি ব্যাংকের আড়াইহাজার শাখা থেকে তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন স্থানীয় দুবাই প্লাজার জাকির খান কম্পিউটার অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের মালিক জাকির খান, খাগকান্দা ইউপি চেয়ারম্যানের ভাই সজীবুল ইসলাম ও তার মা তাছলিমা আক্তার। কিস্তির টাকা চাওয়া নিয়েই ঘটেছে মারপিট ও হামলা।

ঋণ নেয়ার পর তারা কয়েকটি কিস্তির টাকা পরিশোধ না করায় তাগাদা দেন ব্যাংক কর্মকর্তারা। বুধবার দুপুরে ব্যাংকের কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, শাখা ব্যবস্থাপক কচি শিকদার ও ক্রেডিট অফিসার আজহারুল হক যান ঋণগ্রহীতাদের বাড়িতে। জাকির, সজীব ও তাছলিমা বেগমকে কিস্তি পরিশোধের জন্য তাগিদ দেন। এ সময় আসামিরা উত্তেজিত হয়ে হুমকি দেন।

পরে রাতে ৮টায় ঘটে হামলার ঘটনা। ব্যাংক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলামের বাসায় গিয়ে তাকে মারধর করে কয়েকজন। স্ত্রী আয়েশা বানু বাধা দিলে তাকেও পিটিয়ে জখম করা হয়। ভাঙচুর করা হয় ঘরের আসবাব।

ওসি জানান, হামলার ঘটনায় ব্যাংক কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম মামলা করেছেন। আসামি করা হয়েছে সজীবুল ইসলাম সজীব, তাছলিমা আক্তার, জাকির খান ও মুজাহিদ নামে চারজনকে।

আরও পড়ুন:
ফেরি বন্ধে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিগুণ গাড়ি

শেয়ার করুন

উড়তে থাকা সোনালী পেপারে ২০ শতাংশ বোনাস, শেয়ারে ২ টাকা লভ্যাংশ

উড়তে থাকা সোনালী পেপারে ২০ শতাংশ বোনাস, শেয়ারে ২ টাকা লভ্যাংশ

সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস গত আট বছরের মধ্যে ২০২১ সালের জন্য সবচেয়ে বেশি লভ্যাংশ দিয়েছে শেয়ারধারীদের। এ নিয়ে টানা দুই বছর নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পেপার অ্যান্ড প্রিন্টিং খাতের দর বৃদ্ধিতে উড়তে থাকা সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস তার শেয়ারধারীদের ২০ শতাংশ বোনাসসহ প্রতি শেয়ারে ২ টাকা নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।

বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির বোর্ড সভা শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

জুন ক্লোজিংয়ের এই কোম্পানিটি ২০২১ সালের জন্য যে আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সেখানে শেয়ার প্রতি আয় হয়েছে ৪ টাকা ৮৯ পয়সা। এ সময়ে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ২৮৪ টাকা ৩৪ পয়সা।

আগের বছর কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি আয় ছিল ১ টাকা ৬১ পয়সা। এছাড়া শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ছিল ৩০৭ টাকা ৮৮ পয়সা।

সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস গত আট বছরের মধ্যে ২০২১ সালের জন্য সবচেয়ে বেশি লভ্যাংশ দিয়েছে শেয়ারধারীদের। এ নিয়ে টানা দুই বছর নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি।

২০১১ ও ২০১২ সালে ৬ শতাংশ বোনাস দিয়েছে সোনালী পেপার।

২০১৩ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ১০ শতাংশ করে বোনাস পেয়েছেন এই কোম্পানির শেয়ারধারীরা। ২০২০ সালে বোনাসের সঙ্গে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশও দিয়েছিল কোম্পানিটি।

এ বছরের মে মাসে সোনালী পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেড ঘোষণা করে তাদের নতুন প্রোডাকশন লাইনের। যেখান থেকে প্রতিদিন এক লাখ পিস পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব বলে বিনিয়োগকারীদের জানানো হয়। এ সময়ে কোম্পানটির শেয়ারের ফ্লোর প্রাইস বা শেয়ারের প্রান্ত সীমা ছিল ২৭৩ টাকা।

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি ৩ জুন যখন কোম্পানিটির ফ্লোর প্রাইস বাতিল করে তখন ১১ কার্যদিবস টানা শেয়ার দর কমে ২৭ জুন শেয়ার দর নেমে আসে ১৯৭ টাকা ৪০ পয়সায়।

এরপর থেকেই মূলত কোম্পানিটির শেয়ার দর বৃদ্ধির সিঁড়িতে পা রাখে, যা এখনও পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৫২ টাকা ৫০ পয়সায়। যদিও এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বোচ্চ দর ছিল ৭৪৭ টাকা ১০ পয়সা।

মাত্র চার মাসে কোম্পানিটির শেয়ার প্রতি দর বেড়েছে ১৭৪ দশমিক ৮২ শতাংশ।

তখন থেকেই মূলত দাম বাড়ার সিঁড়িতে উঠে কোম্পানিটি।

আরও পড়ুন:
ফেরি বন্ধে বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিগুণ গাড়ি

শেয়ার করুন