বসতঘরে ইয়াবা: মা-ছেলে আটক

বসতঘরে ইয়াবা: মা-ছেলে আটক

কক্সবাজার শহরের কলাতলী থেকে ইয়াবাসহ সাইফুল ইসলামকে আটক করেছে পুলিশ। ছবি: নিউজবাংলা

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুনুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমার থেকে নৌপথে শুক্রবার মধ্যরাতে মাদকের একটি চালান শহরে প্রবেশ করেছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে কলাতলীতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় শামসুল ইসলামের বাড়িতে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

কক্সবাজার শহরের কলাতলী থেকে ইয়াবাসহ মা-ছেলেকে আটক করেছে পুলিশ।

শহরের মধ্যম কলাতলীতে শামসুল ইসলামের বাড়িতে শনিবার ভোর পাঁচটার দিকে অভিযান চালিয়ে এসব ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মামুনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে জানান, আটক ব্যক্তিরা হলেন শামসুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা ও ছোট ছেলে সাইফুল ইসলাম। তাদের বাড়ি ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কলাতলী এলাকায়।

মামুনুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমার থেকে নৌপথে শুক্রবার মধ্যরাতে মাদকের একটি চালান শহরে প্রবেশ করেছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে কলাতলীতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় শামসুল ইসলামের বাড়িতে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ১ লাখ ২০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এ সময় বাড়িতে থাকা শামসুল ইসলামের স্ত্রী ফাতেমা ও ছোট ছেলে সাইফুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ।

আটক সাইফুল ইসলাম বলেন, এই ইয়াবা চালানের সাথে তার বাবা ও বড় ভাই জড়িত রয়েছেন। তারা এগুলো নৌপথে এনে পাচারের উদ্দেশে মজুত করেছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক শামসুল ইসলাম ও তার ছেলে রাসেলকে আটক করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন:
দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ব্রাজিলে মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ২৫
চাঁদাবাজি মামলায় অধরা কাউন্সিলর
মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে কারাদণ্ড ৫
১৯ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

মন্তব্য

ট্রান্সফরমার বিকলে বিপাকে পঞ্চগড়বাসী

ট্রান্সফরমার বিকলে বিপাকে পঞ্চগড়বাসী

দুইটি ট্রান্সফরমারের মাঝে একটি বিকল হয়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ সংকটে ভুগছে পঞ্চগড়ের মানুষ। ছবি: নিউজবাংলা

পৌর মেয়র জাকিয়া খাতুন জানান, বার বার লোডশেডিং ও লো ভোল্টেজের কারণে পৌরসভার পানির পাম্প সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। জনগণ নিরবিচ্ছিন্ন পানির সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এখন হঠাৎ করে ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় পাম্প পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

পঞ্চগড়ে জাতীয় গ্রিড থেকে সঞ্চালিত বিদ্যুৎ ধারণ করার দুইটি ট্রান্সফরমারের মধ্যে একটি বিকল হয়ে যাওয়ায় জেলার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

ট্রান্সফরমারটি মঙ্গলবার দুপুরে বিকল হয়ে যায়। নেসকো কর্তৃপক্ষ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রান্সফরমার মেরামতের কথা জানালেও এখনও সমস্যার সমাধান হয়নি।

একটি ট্রান্সফরমার থেকে ৬টি ফিডারে সরবরাহ করায় বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ যাচ্ছে। ভোল্টেজও থাকছে খুব কম।

পঞ্চগড় নেসকোর আবাসিক প্রকৌশলী আতফুর রহমান জানান, মঙ্গলবার ৩৩ হাজার কেভির সঞ্চালন লাইনটিতে ত্রুটি দেখা দিলে এটি রংপুর বিদ্যুৎ বিভাগের ডিপোতে পাঠানো হয়। এটি ঠিক করতে ২৪ ঘণ্টা মতো লাগার কথা থাকলেও এখনও কাজ শেষ হয়নি। বৃহস্পতিবারের মধ্যে হয়তো সংকট কেটে যাবে।

তিনি আরও জানান, একটি ট্রান্সফরমার দিয়ে পুরো জেলায় একসঙ্গে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব নয়। সচলটি দিয়ে কোনোমতে কাজ চালানো হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় জনবল, আধুনিক উপকরণসহ পরিবহন সংকটের কারণে জেলার মানুষ দীর্ঘদিন থেকেই নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। লোডশেডিং প্রতিদিনের নিয়মিত ঘটনা। মিটারের রিডিং দেখে বিল না করায় মাঝেমাঝেই আসে অতিরিক্ত বিল।

জেলা শহরের কায়েতপাড়া গ্রামের সামসুন নাহার জানান, দিনের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ বার বিদ্যুৎ যাওয়া-আসা করে। প্রতিদিন এই ভোগান্তি ভালো লাগে না।

পৌর মেয়র জাকিয়া খাতুন জানান, বার বার লোডশেডিং ও লো ভোল্টেজের কারণে পৌরসভার পানির পাম্প সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না। জনগণ নিরবিচ্ছিন্ন পানির সরবরাহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এখন হঠাৎ করে ট্রান্সফরমার বিকল হওয়ায় পাম্প পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

লোডশেডিংয়ের বিষয়টি স্বীকার করে নেসকো কর্তৃপক্ষ জানায়, জাতীয় গ্রিড থেকে অর্ধেকেরও কম বিদ্যুৎ সরবরাহ করায় গ্রাহকের এই ভোগান্তি।

নির্বাহী প্রকৌশলী আতিফুর রহমান জানান, জনবলসহ পরিবহন সংক্রান্ত যে সংকটের মধ্যে দিয়ে তারা যাচ্ছেন তার জন্য কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। অচিরেই এই সমস্যার সমাধান হবে।

তাদের অভিযোগ, এই জেলায় ছয়টি ফিডারে তাদের গ্রাহক প্রায় ৩১ হাজার। তাদের মধ্যে আবাসিক গ্রাহক ২৬ হাজার ৫৩১ জন ও বাণিজ্যিক ৪ হাজার ১৪৯ জন। গ্রাহকদের কাছ থেকে তাদের বকেয়া বিল প্রায় সাত কোটি টাকা।

নেসকোর সহকারী প্রকৌশলী সত্যজিৎ দেব শর্মা বলেন, ‘সাধারণ গ্রাহকের সহযোগিতা পেলে অচিরেই সব সমস্যা দূর হবে।’

আরও পড়ুন:
দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ব্রাজিলে মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ২৫
চাঁদাবাজি মামলায় অধরা কাউন্সিলর
মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে কারাদণ্ড ৫
১৯ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

ধঞ্চেক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার

ধঞ্চেক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধার

মৃত ব্যক্তির নাম জয়নাল মিয়া। ৪০ বছরের জয়নাল একই ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

চুন্টা ইউনিয়নের ঘাগড়াজোর গ্রামের একটি ধঞ্চেক্ষেত থেকে বুধবার বেলা ১১টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

মৃত ব্যক্তির নাম জয়নাল মিয়া। ৪০ বছরের জয়নাল একই ইউনিয়নের লোপাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, জয়নাল মিয়া পেশায় রিকশাচালক ছিলেন। সুযোগ পেলে দিনমজুরের কাজ করতেন। তার দুই স্ত্রী। প্রথম স্ত্রী মোমরাজ বেগম দুই সন্তানকে নিয়ে সিলেটে বাস করেন।

দ্বিতীয় স্ত্রী সুইটি বেগমের ঘরেও দুই সন্তান রয়েছে। তাদের নিয়ে চুন্টা ইউনিয়নের ঘাগড়াজোর গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে বাস করতেন জয়নাল।

সুইটি বেগমের পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি জয়নাল। বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি ধঞ্চেক্ষেতে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে তাদের খবর দেন এলাকাবাসী।

জয়নালের বাবা আব্দুল লতিফ ও শ্বশুর আসিদ মিয়া বলেন, ‘কাউকে সন্দেহ করতে পারছি না। তাকে খুন করার মতো শত্রু নেই।’

এ বিষয়ে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসলাম হোসেন বলেন, ‘জয়নালের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ব্রাজিলে মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ২৫
চাঁদাবাজি মামলায় অধরা কাউন্সিলর
মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে কারাদণ্ড ৫
১৯ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

বজ্রপাতে একসঙ্গে এত মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

বজ্রপাতে একসঙ্গে এত মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

একসঙ্গে এতজন স্বজনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে আছে মামুনের পরিবার। ছবি: নিউজবাংলা

নৌকা থেকে নামার পর বৃষ্টি শুরু হলে কয়েকজন দৌড়ে কনের বাড়ি চলে যান। প্রায় ২০ জন ঘাটের একটি টিনের ছাউনিতে আশ্রয় নেন। ওই টিনের ছাউনির উপর বজ্রপাত হলে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ১৭ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন বাকি তিনজন।

তিনদিন আগে বিয়ে হয় সুমি ও মামুনের। কথা ছিল, কয়েকদিন পরই আনুষ্ঠানিকভাবে বউকে নিয়ে আসা হবে শ্বশুরবাড়ি।

সুমি স্বামীর সঙ্গে শ্বশুরবাড়ি ফিরলেন ঠিকই তবে এই ফেরায় ছিল না কোনো আনন্দ। নৌকায় স্বজনদের মরদেহ নিয়ে ফিরতে হয়েছে এই নবদম্পতিকে।

বর-বউ আনতে যাওয়ার সময় বজ্রাঘাত কেড়ে নিয়েছে ১৬ বরযাত্রীসহ ১৭ জনের প্রাণ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার পাকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাকার দুড়াউড়ি ঘাট এলাকায় বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বরের মামা মাইদুল ইসলাম জানান, ১ আগস্ট পাকা ইউনিয়নের সুমির সঙ্গে বিয়ে হয় নারায়ণপুর ইউনিয়নের মো. মামুনের। বুধবার সকাল ১০টার দিকে ৫০ জন বরযাত্রী নারায়ণপুর আলীনগর ঘাট থেকে নৌকায় রওনা দেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌঁছান পাকা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাকার দুড়াউড়ি ঘাটে।

মাইদুলসহ একে একে সবাই নামতে থাকেন ঘাটে। এ সময় বৃষ্টি শুরু হলে কয়েকজন দৌড়ে কনের বাড়ি চলে যান। প্রায় ২০ জন ঘাটের একটি টিনের ছাউনিতে আশ্রয় নেন। ওই টিনের ছাউনির উপর বজ্রপাত হলে নিচে দাঁড়িয়ে থাকা ১৭ জনের মৃত্যু হয়। আহত হন বাকি তিনজন।

শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাকিব আল রাব্বি নিউজবাংলাকে জানান, মৃতদের মধ্যে পাঁচজন নারী। মরদেহ পরিবারকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।

বজ্রপাতে একসঙ্গে এত মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বজ্রপাতে মৃতদের মরদেহ নৌকায় নিয়ে ফেরেন স্বজনরা

ছেলে মো. সজীবেরসহ ১৩ জনের মরদেহ একটি নৌকায় নিয়ে ফেরেন মামুনের চাচা দুরুল হুদা। আরেকটি নৌকায় বরের খালা ল্যাচন বেগম ও মামি টকিয়ারা খাতুনের মরদেহ নিয়ে ফেরেন নবদম্পতি। আরেকটি নৌকায় নেয়া হয় আরেক মৃত আত্মীয়ের দেহ।

বরযাত্রীদের বাইরে যিনি মারা গেছেন তিনি হলেন উপজেলার পাকা গ্রামের মো. রফিক। তার মরদেহ আত্মীয়রা নিয়ে গেছেন।

মামুনের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, পাশাপাশি কবর খোঁড়া শেষ। চলছে দাফনের প্রস্তুতি।

একই সঙ্গে বাবা মো. শরীফুল ও এতজন স্বজন হারিয়ে নির্বাক মামুন। তার সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো কথা বলা যায়নি।

পাশেই কাঁদছিলেন চাচা দুরুল হুদা। তিনি জানান, বজ্রপাতের পর আশপাশের লোকজন বলেছিল মুখে ফুঁ দিলে ছেলে হয়তো আবার শ্বাস নেবে। বার বার চেষ্টা করেছেন ছেলের মুখে ফুঁ দিয়ে তাকে আবার বাঁচিয়ে তোলার কিন্তু ছেলে আর ফেরেনি।

এ দুর্ঘটনায় আহত তিনজনের চিকিৎসা চলছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে। তাদের অবস্থা আশঙ্কামুক্ত।

আরও পড়ুন:
দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ব্রাজিলে মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ২৫
চাঁদাবাজি মামলায় অধরা কাউন্সিলর
মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে কারাদণ্ড ৫
১৯ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

‘অর্থ আত্মসাত’: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

‘অর্থ আত্মসাত’: ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

এজাহারে বলা হয়েছে, ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা ও তিন ব্যবসায়ী জালিয়াতির মাধ্যমে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তারা ব্যাংকের প্রকৃত বেনিফিশিয়ারির অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠাননি। ২০১৯ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১২২টি লেনদেনের মাধ্যমে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়। 

১১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামে ব্যাংক এশিয়ার দুই কর্মকর্তাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর সহকারী পরিচালক মো. ফজলুল বারী বুধবার বিকেল ৪টার দিকে মামলাটি করেন।

দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এর উপ পরিচালক লুৎফুল কবির চন্দন নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আসামিরা হলেন ব্যাংক এশিয়া চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ শাখার ফাস্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভিপি ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র অফিসার এহতেশাম উদ্দিন জাহান আনসারী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পিঅ্যান্ড আর ট্রেডার্সের মালিক জাহান আনসারী, রিটজ মেরিন এন্টারপ্রাইজের মালিক এমদাদুল হাসান ও সেভেন সিজ বিডির মালিক তারেজকুজ্জামান।

এজাহারে বলা হয়েছে, ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা ও তিন ব্যবসায়ী জালিয়াতির মাধ্যমে ১১ কোটি ৯৩ লাখ ৫ হাজার ৪২১ টাকা আত্মসাৎ করেন। তারা ব্যাংকের প্রকৃত বেনিফিশিয়ারির অ্যাকাউন্টে এই টাকা পাঠাননি। ২০১৯ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ১২২টি লেনদেনের মাধ্যমে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্থানান্তর ও হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করায় তাদের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইন ২০১২ এর ৪(২) এবং দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ব্রাজিলে মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ২৫
চাঁদাবাজি মামলায় অধরা কাউন্সিলর
মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে কারাদণ্ড ৫
১৯ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

শাহজালাল সার কারখানায় ৩৮ কোটি টাকা ‘আত্মসাত’

শাহজালাল সার কারখানায় ৩৮ কোটি টাকা ‘আত্মসাত’

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে শাহজালাল সার কারখানা। ছবি: সংগৃহীত

মামলাগুলোর এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া বিল ও ভাউচার তৈরিসহ প্রকল্পের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের শাহজালাল সার কারখানা প্রকল্পের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ১০ জনের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মঙ্গলবার দুদকের সমন্বিত সিলেট জেলা কার্যালয়ে এসব মামলা করেন কমিশনের উপপরিচালক নূর ই আলম।

বুধবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক।

তিনি জানান, মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের হিসাব বিভাগীয় প্রধান (বরখাস্ত) খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবাল এবং প্রকল্পের সাবেক রসায়নবিদ (বরখাস্ত) নেছার উদ্দিন আহমদ।

অন্য আসামিরা হলেন খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবালের স্ত্রী মেসার্স টিআই ইন্টারন্যাশনালের মালিক হালিমা আক্তার, মেসার্স রাফী এন্টারপ্রাইজের মালিক নূরুল হোসেন, ফালগুনী ট্রেডার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএসএম ইসমাইল খান, মেসার্স আয়মান এন্টারপ্রাইজের মালিক সাইফুল হক, মেসার্স এন আহমদ অ্যান্ড সন্সের মালিক নাজির আহমদ, মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের মালিক হেলাল উদ্দিন, মেসার্স ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনালের মালিক জামশেদুর রহমান খন্দকার এবং মেসার্স সাকিব ট্রেডার্সের মালিক আহসান উল্লাহ চৌধুরী।

মামলাগুলোর এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া বিল ও ভাউচার তৈরিসহ প্রকল্পের ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে এসব মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা আরিফ।

মামলার বিষয়ে শাহজালাল সার কারখানার কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কারখানার একটি সূত্র জানিয়েছে, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পরই দুই কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে জরাজীর্ণ হয়ে পড়া প্রাকৃতিক গ্যাস সার কারখানা (এনজিএলএফ) দীর্ঘ দিন লোকসান গোনায় ওই কারখানার পাশেই প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে শাহজালাল সার কারখানা নির্মাণ করা হয়।

২০১৭ সালে প্রথম বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে কারখানাটি। তবে নানা কারণেই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

আরও পড়ুন:
দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ব্রাজিলে মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ২৫
চাঁদাবাজি মামলায় অধরা কাউন্সিলর
মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে কারাদণ্ড ৫
১৯ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে স্বামী আটক

গৃহবধূর মৃত্যুতে অভিযুক্ত স্বামী শিপন আলীকে আটক করেছে পুলিশ। ছবিঃ নিউজবাংলা

স্থানীয়রা জানান, নাজমা-শিপন দম্পতির সংসারে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রায়ই শিপন নাজমাকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। কয়েকদিন আগেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।

চুয়াডাঙ্গায় স্বামীর নির্যাতনে এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তকে আটক করেছে পুলিশ।

পৌর এলাকা থেকে বুধবার দুপুরে শিপন আলীকে আটক করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গৃহবধূ নাজমার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানান, নাজমা-শিপন দম্পতির সংসারে পারিবারিক কলহ চলছিল। প্রায়ই শিপন নাজমাকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। কয়েকদিন আগেও তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়।

এরই ধারাবাহিকতায় শিপন নাজমাকে বেধড়ক মারধর করেন। গুরুতর আহত নাজমাকে বাড়িতেই চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে নাজমাকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে শিপনের পরিবার। পরে রাত ২টার দিকে মৃত্যু হয় তার।

তারা আরও জানান, নাজমার শ্বশুরবাড়ির লোকজন বিষয়টি গোপন রেখে মরদেহ বাড়িতে নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু চিকিৎসক নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। পুলিশের জেরার মুখে মারধরের কথা স্বীকার করেন তারা।

চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মাহবুবুর রহমান জানান, উঠান থেকে পড়ে গেছে এমন তথ্য দিয়ে মঙ্গলবার রাতে নাজমাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিপন আলীকে আটক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ব্রাজিলে মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ২৫
চাঁদাবাজি মামলায় অধরা কাউন্সিলর
মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে কারাদণ্ড ৫
১৯ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন

গৃহকর্মীর হাত ধরে মাদক কারবারে দুই বন্ধু

গৃহকর্মীর হাত ধরে মাদক কারবারে দুই বন্ধু

আল আমিন ও তার বন্ধু মোশাররফ আগ্রাবাদের একটি বাসায় একসঙ্গে থাকেন। তাদের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করতেন মাফিয়া বেগম। এ কাজের পাশাপাশি মাফিয়া ইয়াবা বিক্রি করতেন। একপর্যায়ে তারা দুজন ইয়াবা বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

চট্টগ্রামে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার তিন কারবারিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের মাধ্যমে বুধবার বিকেলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

যাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে তারা হলেন মাফিয়া বেগম, আল আমিন ও মো. মোশারফ হোসেন।

আগ্রাবাদ এলাকা থেকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন নিউজবাংলাকে জানান, রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের ফুলকলি রোডের সামনে থেকে আল আমিনকে আটক করা হয়। তল্লাশি করে তার কাছ থেকে পাওয়া যায় ২ পিস ইয়াবা।

পেশায় সিএনজি অটোরিকশাচালক আল আমিন জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি ও তার বন্ধু মোশাররফ আগ্রাবাদের একটি বাসায় একসঙ্গে থাকেন। তাদের বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করেন মাফিয়া বেগম। গৃহকর্মীর কাজের পাশাপাশি মাফিয়া বেগম ইয়াবা বিক্রি করতেন। একপর্যায়ে তারা দুজন ইয়াবা বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন।

পরে মোশাররফ ও মাফিয়া বেগমের বাসায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মাফিয়া বেগমের বাসা থেকে জব্দ হয় ৫৩ পিস ইয়াবা।

আরও পড়ুন:
দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
ব্রাজিলে মাদকবিরোধী অভিযানে নিহত ২৫
চাঁদাবাজি মামলায় অধরা কাউন্সিলর
মাদক বিক্রি ও সেবনের দায়ে কারাদণ্ড ৫
১৯ মাদক মামলার আসামি গ্রেপ্তার

শেয়ার করুন