করোনায় প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ বাস্তবসম্মত: তোফায়েল আহমেদ

ভোলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া ও দুস্থ মানুষদের মাঝে শুক্রবার নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। ছবি নিউজবাংলা

করোনায় প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ বাস্তবসম্মত: তোফায়েল আহমেদ

তোফায়েল আহমেদ তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ১০ হাজার দরিদ্র মানুষের মাঝে আর্থিক অনুদান ও ৩ হাজার পরিবারকে খাদ্যসহায়তা দিচ্ছেন। শুক্রবার থেকে আগামী ১০ মে পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হবে।

সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘করোনায় আজ পৃথিবীর বড় বড় দেশ আক্রান্ত। কিন্তু সে তুলনায় আমাদের দেশ ভালো আছে। করোনার সময় প্রধানমন্ত্রী গৃহীত পদক্ষেপ বাস্তবসম্মত, যা দেশের মানুষ গ্রহণ করেছে।’

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে। আস্তে আস্তে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা কমেছে। তিনি বাস্তবমুখী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। গরিব মানুষকে নগদ অর্থ দিয়েছেন, কোটি কোটি টাকার ত্রাণ বিতরণ করেছেন। এমন কোনো দুঃখী গরিব মানুষ নাই যার কাছে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ পৌঁছায়নি।

শুক্রবার বিকেলে ভোলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নে করোনায় কর্মহীন হয়ে পড়া ও দুস্থ মানুষদের মধ্যে নগদ অর্থ বিতরণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তোফায়েল আহমেদ এ সব কথা বলেন।

করোনায় প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপ বাস্তবসম্মত: তোফায়েল আহমেদ
ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখছেন তোফায়েল আহমেদ

তোফায়েল আহমেদ তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সদর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ১০ হাজার দরিদ্র মানুষের মধ্যে আর্থিক অনুদান ও ৩ হাজার পরিবারকে খাদ্যসহায়তা দিচ্ছেন।

শুক্রবার থেকে আগামী ১০ মে পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব ত্রাণ ও অর্থ সহায়তা বিতরণ করা হবে। তোফায়েল আহমেদের পক্ষে দুস্থদের মধ্যে অর্থ সহায়তা বিতরণ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লব। উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য খায়রুল হাসান খোকন।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ভোলার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে অনেক টাকা পেয়েছেন। এজন্য তিনি ভোলাবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। ভোলার চারজন সংসদ সদস্যই সাধারণ মানুষের মধ্যে নগদ অর্থ ও খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ভোলায় আজকে যে এত উন্নয়ন হয়েছে, এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। আগামী দিনে ভোলা হবে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ জেলা।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ শেখ হাসিনার হাতে: তোফায়েল
মাদক নির্মূলে সর্তকতার আহ্বান তোফায়েল আহমেদের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

তিস্তায় পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি

তিস্তায় পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সর্তকীকরণ সূত্র জানায়, ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে রোববার সকাল ৬টা ও ৯টায় নদীর পানি বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এরপর থেকে দফায় দফায় বাড়তে থাকে পানি।

নীলফামারীতে উজানে ভারি বৃষ্টিতে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমা ছুঁইছুঁই করছে। জেলার ডিমলা উপজেলার ডালিয়া তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে রোববার সন্ধ্যা ছয়টায় নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সর্তকীকরণ সূত্র জানায়, ডালিয়ায় তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে রোববার সকাল ৬টা ও ৯টায় নদীর পানি বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। সেখানে নদীর পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ৬০ মিটার।

এরপর থেকে দফায় দফায় বাড়তে থাকে পানি। ওই পয়েন্টে বেলা ১২টায় আরও ৫ সেন্টিমিটার, বিকাল ৩টায় ১৫ সেন্টিমিটার এবং সন্ধ্যা ছয়টায় ১৪ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছিল।

তিস্তার ব্যারাজ এলাকার জেলে আকবার আলী বলেন, ‘তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতে মাছ ধরতে পারছি না। আর জালেও মাছ উঠছে না।’

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ‘উজানে ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। রোববার সকাল থেকে দফায় দফায় পানি বেড়ে সন্ধ্যা ছয়টায় ব্যারাজ পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ শেখ হাসিনার হাতে: তোফায়েল
মাদক নির্মূলে সর্তকতার আহ্বান তোফায়েল আহমেদের

শেয়ার করুন

‘এহন কি চুরি ডাহাতি করমু’

‘এহন কি চুরি ডাহাতি করমু’

ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালক সুজন মিস্ত্রি বলেন, ‘ভ্যানে ব্যাটারির মেশিন লাগাইছি দুই মাস হইছে। এনজিও দিয়া লোন লইয়া অনেক কষ্ট কইরা এইটা করছি। এহন এই ভ্যান চলতে না দেলে কি করমু মাথায় কিছু ঢোকে না।’

সারা দেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যান চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বরিশালের রিকশা চালকরা। ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ করা হলে তারা আন্দোলন এবং অনশনের হুমকি দিয়েছেন। করোনা মহামারির সময় বিকল্প কর্মসংস্থান নিশ্চিত না করে এই রিকশা বন্ধ করে সরকার গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন রিকশা শ্রমিক নেতারা।

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সরকার সারা দেশে ব্যাটারিচালিত রিকশা-ভ্যান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রোববার সড়ক পরিবহনবিষয়ক জাতীয় টাস্কফোর্সের সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, ‘সারা দেশে রিকশা-ভ্যানের ভেতরে ব্যাটারিচালিত মোটর লাগিয়ে রাস্তায় চলছে। সামনের চাকায় শুধু ব্রেক। পেছনের চাকায় কোনো ব্রেক নাই কিংবা ব্রেকের ব্যবস্থা থাকলেও অপ্রতুল। সেগুলো যখন ব্রেক করে প্যাসেঞ্জারসহ গাড়ি উল্টে যায়। এ দৃশ্য আমরা দেখেছি। আমরা দেখেছি হাইওয়েতেও এ রিকশা চলে এসেছে।’

জানা গেছে, বরিশাল নগরীতে ৮ হাজারের মতো ব্যাটারিচালিত রিকশা প্রতিনিয়ত যাত্রী পরিবহন করে থাকে।

এ রিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে কী করবেন – এমন প্রশ্নে বরিশাল নগরীর চকের পুল এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা নিয়ে যাত্রীর অপেক্ষায় বসে থাকা জাফর সিকদার বলেন, ‘মোরা গ্রামের মানু। কামের খোঁজে বরিশালে আইয়া কোনো কাম কাইজ না পাইয়া এহন রিকশা চালাইতেছি ম্যাট্রিক পাস কইরাও। যদি এই রিকশা না চালাই হেলে খামুডা কী? খালি তো এইডা বন্ধ করে, ওইডা বন্ধ করে। কিছু তো খুইলা দেতে পারে না। মোগো তো বাঁচতে হইবে, নাকি এহন চুরি ডাহাতি করতে নামমু?’

নতুন বাজার এলাকায় বসে কথা হয় রিকশা চালক মাইদুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, ‘প্রথমে যে সময় প্যাডেল রিকশা চালাইতাম তহন যারা ব্যাটারির রিকশা চালাইতো তারা আন্দোলন কইরা শহরের মধ্যে ওই রিকশা চালাইতে পারার একটা পারমিশন পাইছিল। একসময় দেখলাম প্যাডেল রিকশা কইমা যাইয়া ব্যাটারির রিকশা বাড়তেছে, তহন মুইও ব্যাটারির রিকশা চালাইন্না শুরু করলাম। আর এহন আবার এই রিকশা বন্ধ করার ডিসিশন নেছে। বোঝলাম না কিছু, একবার চালানের পারমিশন, আরেকবার বন্ধ করার ডিসিশন দেয় কেমনে? এই করোনার মধ্যে যদি রিকশা বন্ধ কইরা দেয়, তয়তো না খাইয়া মরা ছাড়া উপায় নাই?’

ব্যাটারিচালিত ভ্যান চালক সুজন মিস্ত্রি বলেন, ‘ভ্যানে ব্যাটারির মেশিন লাগাইছি দুই মাস হইছে। এনজিও দিয়া লোন লইয়া অনেক কষ্ট কইরা এইটা করছি। এহন এই ভ্যান চলতে না দেলে কি করমু মাথায় কিছু ঢোকে না।’

‘এহন কি চুরি ডাহাতি করমু’


বরগুনা জেলায় ৬ উপজেলা ও সদর মিলিয়ে ব্যাটারিচালিত রিকশার সংখ্যা ৫ হাজার। ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের সিদ্ধান্তের খবরে মাথায় হাত এসব রিকশা চালকদের।

মাইঠা চৌমুহনী এলাকার মোহাম্মদ কুদ্দুস বলেন, ‘ডেইলি দুইশ টাহা মালিকরে ভাড়া দিয়া রিকশাডা চালাই। বেইন্নাকালে নামি আর রাইতে বাড়ি যাই। ভাড়া দিয়া যা থাহে হেইয়াইদ্দা গুরাগারা লইয়া খাই। এইডা বন্দ অইলে খামু কী?’

ঢলুয়া ইউনিয়নের চালক জসিম মিয়া বলেন, ‘রিকশাডা চালাইয়া মোর সংসার চলে, এহন যদি সরকার এডা বন্দ হরে তয় কি খামু? ভাইব্বা চিন্তা সরকার কথা কয় না কেয়া?’

বরিশাল ব্যাটারিচালিত রিকশা শ্রমিক চালক সংগ্রাম কমিটির সভাপতি শাহজাহান মিস্ত্রি বলেন, ‘আমরা দীর্ঘ দিন ধরে বরিশালে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের অনুমতির জন্য আন্দোলন করেছি। রাস্তায় পুলিশের হামলার শিকার হয়েছি। সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই সিদ্ধান্তের কোনো ভিত্তি নেই। আমরা এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পেট বাঁচাতে আন্দোলনে নামব।’

দীর্ঘবছর যাবৎ ব্যাটারিচালিত রিকশা চালকদের পক্ষে আন্দোলনকারী বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল বরিশাল জেলা শাখার সদস্য সচিব ডা. মণীষা চক্রবর্তী বলেন, ‘ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত পুরোপুরি গণবিরোধী। কোভিডকালীন বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে সরকার কীভাবে এমন সিদ্ধান্ত নেয়? এই রিকশাগুলো বন্ধ হয়ে গেলে হাজার হাজার চালক কীভাবে তাদের সংসারের ভরন-পোষণ চালাবে? শুধু বন্ধ করলেই হবে না, মানুষের কথা চিন্তা করতে হবে। আমরা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে লাগাতার আন্দোলন করব। পাশাপাশি ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধ করা তো চলবেই না, বরং এই রিকশাগুলোকে লাইসেন্স দেয়ার জোর দাবি থাকবে আমাদের।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ শেখ হাসিনার হাতে: তোফায়েল
মাদক নির্মূলে সর্তকতার আহ্বান তোফায়েল আহমেদের

শেয়ার করুন

বাজারে হাঁড়িভাঙ্গা

বাজারে হাঁড়িভাঙ্গা

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোট সাইজের আমের দাম বর্তমান বাজারে প্রতি মণ ১৪০০-১৫০০ টাকা, মাঝারি আম সর্বোচ্চ ২২০০ টাকা আর বড় আম বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ২২০০ থেকে ২৪০০ টাকা পর্যন্ত।

আঁশবিহীন, স্বাদে-গন্ধে অতুলনীয় হাঁড়িভাঙ্গা আম বাজারে এসেছে। রংপুরের বিভিন্ন হাটে-ঘাটে, ছোট-বড় বাজারে, রাস্তার মোড়ে, রিকশা, ভ্যানে, বাইসাইকেলে করে চাষি, ফড়িয়ারা আম বিক্রি করছেন। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার বাজার কিছুটা চড়া।

নগরীর লালবাগ এলাকায় রংপুর কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের আয়োজনে রোববার বিকেলে এই আম বিক্রির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আসিব আহসান।

কৃষি বিভাগের উপপরিচালক ওবায়দুর রহমান জানিয়েছেন, জুনের শেষ সপ্তাহে অর্থাৎ ২০ জুনের পর এই হাঁড়িভাঙ্গা আম পরিপক্ব হয়। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০ জুনের পর আম নামাতে চাষিদের অনুরোধ করা হয়।

আমচাষি মজিবর রহমান বলেন, ‘এবার তো বারবার ঝড় হইচে। যে সময়টা ঝড় হইচে তখন আমের গুটি আসছিল। ঝড়ে ওই গুটি পড়ি গেছিল। আমগাছে সেই আগের মতন আম নাই। তা ছাড়া তো গাছোত পরিচর্যা করতে লাগছে, ওষুধ দিতে লাগছে। খরচ বেশি পড়ছে। একটু দাম না নিলে তো লাভ হবে না...।’

আব্দুল মিয়া নামে এক আমচাষি বলেন, ‘গত দুই দিন আগে আমের দাম কম আছিল, এখন দামটা বাড়ছে। গত বছর পোত্তম (প্রথম) দিকে যে আম আচিল ১৪০০-১৬০০ টাকা মণ, আইজ সেই আম বেচনোং ১৮০০-১৯০০ টাকা। দাম আরও বাড়বে। শুনবেনজি পোস্ট অফিসোত করি নাকি আম পাডাইবে সরকার। তাহলে তো ভালো হইবে।’


বাজারে হাঁড়িভাঙ্গা


আমের মৌসুমি ব্যবসায়ী আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘আইজ আম কিনচি ১৮০০ টাকা মণ দরে, বিক্রি করনোং ২২০০ পর্যন্ত। দাম এবার একনা বেশি। বেশি দাম ছাড়া বাগানমালিকরা বেচপার চায় না। খরচ বেলে বেশি হইচে ওই জন্যে দাম কম।’

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোট সাইজের আমের দাম বর্তমান বাজারে প্রতি মণ ১৪০০-১৫০০ টাকা, মাঝারি আম সর্বোচ্চ ২২০০ টাকা আর বড় আম বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ২২০০ থেকে ২৪০০ টাকা পর্যন্ত।

রংপুর কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের উপপরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘চাষিরা যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আম নির্বিঘ্নে পাঠাতে পারেন, সে জন্য আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছি। আশা করছি, চাষিরা হয়রানির শিকার হবেন না।’

জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, ‘অন্যান্য বছর বিআরটিসিতে আম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলাম। তাতে করে খরচ যে খুব একটা কমবেশি তা হয়নি। সে কারণে বিকল্প ব্যবস্থা করব। এ ছাড়া ডাক বিভাগের মাধ্যমে আম পাঠানোর বিষয়টি ভাবা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘সড়কে আমের গাড়িতে যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে সরকার কঠোর রয়েছে। আমরা সেই নির্দেশনা দিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ শেখ হাসিনার হাতে: তোফায়েল
মাদক নির্মূলে সর্তকতার আহ্বান তোফায়েল আহমেদের

শেয়ার করুন

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৭০ ভরি স্বর্ণ জব্দ

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৭০ ভরি স্বর্ণ জব্দ

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে কুতুপালং পাঁচ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের  মো. আইয়ুবের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঘরের মাটি খুঁড়ে তিনটি স্বর্ণের বার, ১৯টি স্বর্ণের আংটি, দুই জোড়া কানের দুলসহ ৭০ ভরি স্বর্ণের গয়নার পাশাপাশি ২৬ লাখ তিন হাজার ১২০ টাকা ও ৩১ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ কিয়াত (মিয়ানমারের মুদ্রা) জব্দ করা হয়।

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে স্বর্ণের বারসহ বিপুল দেশি ও বিদেশি মুদ্রা জব্দ করেছে ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।

এ সময় বাড়ির মালিক মো. আইয়ুব ও তার স্ত্রী নুরে নেচ্ছাকে আটক করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ১৪ এপিবিএন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি নাঈমুল হক।

এতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে কুতুপালং পাঁচ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের মো. আইয়ুবের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ঘরের মাটি খুঁড়ে তিনটি স্বর্ণের বার, ১৯টি স্বর্ণের আংটি, দুই জোড়া কানের দুলসহ ৭০ ভরি স্বর্ণের গয়নার পাশাপাশি ২৬ লাখ তিন হাজার ১২০ টাকা ও ৩১ লাখ ৭৪ হাজার ৮০০ কিয়াত (মিয়ানমারের মুদ্রা) জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় উখিয়া থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন ১৪ এপিবিএন পুলিশ।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ শেখ হাসিনার হাতে: তোফায়েল
মাদক নির্মূলে সর্তকতার আহ্বান তোফায়েল আহমেদের

শেয়ার করুন

‘বাংলাদেশের উন্নয়নে পাকিস্তানে হা-হুতাশ’

‘বাংলাদেশের উন্নয়নে পাকিস্তানে হা-হুতাশ’

রাঙ্গুনিয়ায় রোববার আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমিসহ ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ছবি: নিউজবাংলা

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সব মানব উন্নয়ন সূচক, সামাজিক সূচক, অর্থনৈতিক সূচকে পাকিস্তান আমাদের পেছনে। এ নিয়ে তারা হা-হুতাশ করছে। আর মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে আমরা ভারতকে পেছনে ফেলেছি। ভারতে মানুষের মাথাপিছু আয় যেখানে ২ হাজার ডলার, সেখানে আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২২৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে; জুন মাসে তা আরও বাড়বে।’

বাংলাদেশের উন্নয়ন দেখে পাকিস্তান হা-হুতাশ করছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

রোববার বেলা ৩টার দিকে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় ১৬৫ গৃহহীন অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে আশ্রয়ণ প্রকল্পের জমিসহ ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাঙ্গুনিয়ার বেতাগী বহলপুর আশ্রয়ণ প্রকল্পে উপকারভোগীদের মাঝে মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দুই শতক জমিসহ ঘরের কবুলিয়তনামা হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সব মানব উন্নয়ন সূচক, সামাজিক সূচক, অর্থনৈতিক সূচকে পাকিস্তান আমাদের পেছনে। এ নিয়ে তারা হা-হুতাশ করছে। আর মাথাপিছু আয়ের ক্ষেত্রে আমরা ভারতকে পেছনে ফেলেছি। ভারতে মানুষের মাথাপিছু আয় যেখানে ২ হাজার ডলার, সেখানে আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২২৭ ডলারে উন্নীত হয়েছে; জুন মাসে তা আরও বাড়বে। আমরা মানব উন্নয়ন সূচক এবং সামাজিক সূচকে ভারতকে বহু আগেই পেছনে ফেলেছি।’

এর আগে গণবভন থেকে রাঙ্গুনিয়ায় অনলাইনে সংযুক্ত হয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের দুই শতক জমিসহ সেমিপাকা ঘর দেয়ার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রাঙ্গুনিয়া প্রান্ত থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমান ও উপকারভোগী জাহানারা বেগম প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। ইউএনও এ সময় দুই দফায় রাঙ্গুনিয়ার ১৬৫ গৃহহীন অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে দুই শতক জমিসহ সেমিপাকা ঘর হস্তান্তর এবং দলীয়ভাবেও আরও কিছু ঘরের নির্মাণকাজ চলছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের সব অর্জন শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে হয়েছে। যেখানে সবাই প্রশংসা করছে, সেখানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কী বলেন? দেশের ৫০ বছরের অর্জন নিয়ে তিনি যে কথা বলেছেন, তাতে মনে হচ্ছে বয়সের কারণে ওনার মতিভ্রম ঘটেছে। বিএনপির ডাক্তারদের সংগঠন ড্যাবকে অনুরোধ জানাব মির্জা ফখরুলের মানসিক স্বাস্থ্যের পরীক্ষা করাতে।’

তিনি বলেন, দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৪১ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। খাদ্যঘাটতির দেশ থেকে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত হয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তর হয়েছে। আজকে বিশ্বের পত্রপত্রিকায় লেখা হচ্ছে, একসময়ের ঋণ গ্রহীতা বাংলাদেশ এখন অন্য দেশকে ঋণ দেয়। বিএনপি এবং তাদের মিত্ররা এসব উন্নয়ন দেখে না। তাদের রাজনীতির মূল বিষয় হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য এবং তারেক রহমানের শাস্তি।’

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেন, আগে অনেক মানুষের মানসম্মত ঘর ছিল না, বঙ্গবন্ধুকন্যার ঘোষণা অনুযায়ী এখন ঘরের সমস্যারও সমাধান হয়েছে। এখন যারা ঘর পেয়েছেন, তারা কখনো স্বপ্নেও ভাবেননি এভাবে জমিসহ ঘর পাবেন এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন। স্বপ্নকেও হার মানিয়েছে তাদের প্রাপ্তি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সাম্প্রতিক সময়ে দুই শ বিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কাকে ঋণ দিয়েছি। আমরা আরও দেশকেও ঋণ দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি।’

বেগম জিয়ার সুস্বাস্থ্যের সঙ্গে দীর্ঘায়ু কামনা করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, সুস্থ হয়ে খালেদা জিয়া বাড়ি ফিরে যাওয়ার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে, দেশে তিনি সুচিকিৎসা পেয়েছেন। তারা যে বিদেশে নিয়ে যাওয়ার দাবি করেছিলেন তা অমূলক প্রমাণ হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার কামরুল হাসান, ডিআইজি আনোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান, পুলিশ সুপার এস এম রশিদুল হক, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান স্বজন কুমার তালুকদার, মেয়র শাহজাহান সিকদারসহ অনেকে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ শেখ হাসিনার হাতে: তোফায়েল
মাদক নির্মূলে সর্তকতার আহ্বান তোফায়েল আহমেদের

শেয়ার করুন

বাবা দিবসে শ্রমজীবী বাবাদের মৌসুমি ফল ও মাস্ক উপহার

বাবা দিবসে শ্রমজীবী বাবাদের মৌসুমি ফল ও মাস্ক উপহার

আয়োজক কমিটির সদস্যসচিব প্রণব দাস বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে জনজীবন বিপর্যস্ত। তাই গতবারের মতো এ বছরও স্বল্প পরিসরে এ দিবসের আয়োজন করা হয়েছে। সন্তানদের প্রতি পিতা-মাতার যে অবদান, তা স্মরণ করিয়ে দিতেই এ আয়োজন।’

৫০ জন প্রবীণ শ্রমজীবী বাবাকে মৌসুমি ফল ও মাস্ক উপহার দেয়ার মধ্য দিয়ে যশোরে উদযাপন করা হয়েছে বিশ্ব বাবা দিবস।

‘আজি শুভ দিনে পিতার ভুবনে অমৃত সদনে চলো যাই’ স্লোগান সামনে রেখে বিশ্ব বাবা দিবস উদযাপন পর্ষদের আয়োজনে যশোরে ষষ্ঠবারের মতো এ দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

করোনা মহামারির কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সীমিত পরিসরে রোববার সকালে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক প্রবীণ রাজনীতিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলাম রন্টু অসুস্থতার কারণে অনুপস্থিত থাকায় জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমি চত্বরে এ আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন জেলা শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান বুলু।

সংক্ষিপ্ত শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জয়তী সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক অর্চনা বিশ্বাস ইভা। স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ব বাবা দিবস উদযাপন পর্ষদের সদস্যসচিব প্রণব কুমার দাস।

বক্তৃতা শেষে শহরের (প্রেস ক্লাবের সামনে মুজিব সড়ক, বিবর্তন যশোরের সামনে কেশবলাল রোড ও জলযোগের সামনে চিত্তরঞ্জন সড়ক) চলতি পথে ৫০ প্রবীণ শ্রমজীবী বাবাকে আম ও মাস্ক উপহার দেয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্পকলা অ্যাকাডেমির সহসভাপতি সুকুমার দাস, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি তরিকুল ইসলাম তারু, তির্যক যশোরের সাধারণ সম্পাদক দিপংকর দাস রতন, উদীচী যশোরের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান খান বিপ্লব, বিবর্তন যশোরের সাধারণ সম্পাদক দীপংকর বিশ্বাস, চারুতীর্থের সভাপতি কাজী ইমদাদুল হক দুলাল, জেলা আইডিইবির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আফজাল হোসেন দোদুল, স্বচ্ছ আর্ট স্কুলের পরিচালক চিত্রকর কাজী ইসরাত সাহেদ টিপ, ক্যাম্পাস থিয়েটার আন্দোলন যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান রিপনসহ আরও অনেকে।

আয়োজক কমিটির সদস্যসচিব প্রণব দাস বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে জনজীবন বিপর্যস্ত। তাই গতবারের মতো এ বছরও স্বল্প পরিসরে এ দিবসের আয়োজন করা হয়েছে। সন্তানদের প্রতি পিতা-মাতার যে অবদান, তা স্মরণ করিয়ে দিতেই এ আয়োজন।’

তিনি আরও বলেন, বিশ্ব বাবা দিবস উদযাপন পর্ষদের প্রত্যশা হচ্ছে বাবা-মা যেমন বটবৃক্ষের মতো তাদের সন্তানদের আগলে রাখেন; তেমনি প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানরাও তাদের বাবা-মাকে আমৃত্যু আগলে রাখবেন।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ শেখ হাসিনার হাতে: তোফায়েল
মাদক নির্মূলে সর্তকতার আহ্বান তোফায়েল আহমেদের

শেয়ার করুন

স্কুলমাঠে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ

স্কুলমাঠে যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, বন্ধুদের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার বিকেলে হাজীগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত যুবকের নাম হৃদয় হোসেন। ২৫ হাজীগঞ্জ উচাবাড়ি এলাকার বাসিন্দা হৃদয় পেশায় বিদ্যুৎমিস্ত্রি ছিলেন।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান নিউজবাংলাকে জানান, মরদেহের মাথায় ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। উদ্ধারের পর মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ওসি বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে, বন্ধুদের সঙ্গে দ্বন্দ্বের জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

হৃদয়ের বড় ভাই মো. রনি জানান, শনিবার রাত ১২টার দিকে বাসা থেকে বের হন হৃদয়। রাতে আর বাসায় ফেরেননি তিনি। স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে পরে জানতে পারেন তার ভাইয়ের মরদেহ স্কুলমাঠে পাওয়া গেছে।

তিনি আরও জানান, তার ভাইয়ের কারও সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল না। তবে কয়েকজন মাদকাসক্তের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ছিল।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণ শেখ হাসিনার হাতে: তোফায়েল
মাদক নির্মূলে সর্তকতার আহ্বান তোফায়েল আহমেদের

শেয়ার করুন