মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল নিখোঁজ যুবকের মরদেহ

মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল নিখোঁজ যুবকের মরদেহ

মোটরসাইকেলে ভাড়ায় লোক নিয়ে বুধবার রাত ১০টার দিকে মোহনগঞ্জ সদর থেকে উপজেলার আদর্শনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন রাজীব। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে দুই দিন আগে নিখোঁজ হওয়া এক ব্যক্তির মরদেহ মাটির নিচ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার সোয়াইর ইউনিয়নের ভাটিয়া গ্রামের শেখ ইসলামের পুকুরপাড়ে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বস্তাবন্দি মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রেজাউল করিম রাজীবের বাড়ি মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দেওথান এলাকায়। তিনি মোটরসাইকেলে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করতেন।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ খান জানান, মোটরসাইকেলে যাত্রী নিয়ে বুধবার রাত ১০টার দিকে মোহনগঞ্জ সদর থেকে উপজেলার আদর্শনগরের উদ্দেশে রওনা হন রাজীব। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাটিয়া গ্রামের লোকজন পুকুরে মাটি খুঁড়তে গিয়ে বস্তায় ভরা মরদেহটি দেখে। খবর পেয়ে পুলিশে গিয়ে মাটি সরিয়ে বস্তা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।

এরপরই ভাটিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে আব্দুল কালাম মেম্বারের বাড়ি থেকে রাজীবের মোটরসাইকেলটি জব্দ করে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে থানায় নেয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি। তবে তাদের পরিচয় তিনি জানাননি।

ওসি বলেন, দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে মরদেহ পাঠানো হয়ে।

জেলার পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শংকর কুমার দাস জানান, রাজীবকে হত্যার ঘটনাটির ছায়া তদন্ত করছেন তারা।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
বিয়ের দুই সপ্তাহ পরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
কুড়িল ফ্লাইওভারের সেই মরদেহ দুবাই প্রবাসীর
কুড়িল ফ্লাইওভারে মরদেহ

শেয়ার করুন

মন্তব্য

কথিত ‘এমপি’ ধরা

কথিত ‘এমপি’ ধরা

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহা. আহমার উজ্জামান বলেন, প্রতারক চক্রটি মূলত নারীদের টার্গেট করে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে চেক নিতো। পরে সেটি তাদের পাওনা টাকা বলে দাবি করে এবং না দিলে পুলিশের সহযোগিতা চাইত।

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আটকরা হলেন জহির উদ্দিন বাবুল ও সহযোগী গুলশান আরা খানম লাভলীকে।

পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীর ফকিরাপুলের হোটেল সেল্টারে ৩ বছর ধরে অবস্থান করে প্রতারণা করে যাচ্ছিলেন জহির। নিজেকে এমপি পরিচয় দিয়ে প্রতারণা ও পুলিশের কাছে তদবির করতেন তিনি।

সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়ার) আসনের এমপি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের ছেলে তানভীর ইমাম পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাকে নানা তদবির করতেন জহির।

মোবাইল ফোনে বলতেন, ‘আমি তানভীর ইমাম। সিরাজগঞ্জ-৪ উল্লাপাড়ার এমপি। আমি এইচ টি ইমামের ছেলে। গুলশান আরা খানম আমার বোন হয়। আপনারা উনার কাজটা করে দিলে খুব খুশি হব। আর তাতে পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা হতেন বিভ্রান্ত।’

এছাড়া গুলশান আরা চাকরির প্রলোভনে টাকা হাতিয়ে নেয়া ও খালি চেক নেয়ার পর তাতে টাকার অঙ্ক বসিয়ে টাকা উদ্ধারের জন্য অভিযোগ নিয়ে যেতেন বিভিন্ন দপ্তারে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বুধবার সন্ধ্যায় এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সকালে রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে জহিরকে ও ময়মনসিংহের সেনবাড়ি এলাকা থেকে গুলশান আরাকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, প্রতারক শুলশান মাঠপর্যায়ে সহজ-সরল নারীদের ফাঁদে ফেলে তাদের আত্মীয়স্বজন ও ছেলে-মেয়েদের চাকরি দেয়ার কথা বলে ওই কথিত এমপির সঙ্গে কথা বলিয়ে দিতেন। এতে সাধারণ মানুষ চাকরির আশায় শুলশানকে টাকার অঙ্ক ছাড়াই চেক দিতেন। পরে গুলশান আরা চেকে ইচ্ছেমতো টাকার অঙ্ক বসিয়ে উত্তোলনের জন্য সরকারি বিভিন্ন অফিসে অভিযোগ করেন। আর জহির এমপি পরিচয়ে ফোন দিয়ে তদবির করতেন।

ওসি আরও বলেন, তাদের কাছ থেকে ৮টি চেক উদ্ধার করা হয়। খালি চেক নেয়া হলেও তাতে মোট টাকা ৪৪ লাখ ৩৩ হাজার টাকা উল্লেখ রয়েছে। তারা প্রতারণা করে ছয়জনের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছে সাড়ে ৯ লাখ টাকা।

প্রতারণার শিকার নজরুল ইসলাম বলেন, তার ভাইয়ের ছেলে ও মেয়েকে সেনাবাহিনীর সিভিলে চাকরি দেয়ার কথা বলে গত জানুয়ারিতে ১৭ লাখ টাকায় চুক্তি করে জহির ও গুলশান। এরপর ৬ লাখ টাকা নগদ এবং ৫টি চেক নেয়। কিন্তু চাকরি ও টাকা ফেরত না দিয়ে ব্ল্যাঙ্ক চেকে ২০ লাখ টাকা বসিয়ে উকিল নোটিশ পাঠায়। পুলিশের কাছে অভিযোগ করলে সেটি তদন্ত করতে গিয়ে চক্রটিকে ধরা পড়ে।

ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহা. আহমার উজ্জামান বলেন, প্রতারক চক্রটি মূলত নারীদের টার্গেট করে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে চেক নিতো। পরে সেটি তাদের পাওনা টাকা বলে দাবি করে এবং না দিলে পুলিশের সহযোগিতা চাইত।

তিনি বলেন, এমপি পরিচয়ে প্রতারক জহির আমাদের কাছে ফোন দিয়ে তদবির করায় সন্দেহ হয়। পরে অনুসন্ধান করে তিনি ভুয়া নিশ্চিত হলে আটক করা হয়।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
বিয়ের দুই সপ্তাহ পরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
কুড়িল ফ্লাইওভারের সেই মরদেহ দুবাই প্রবাসীর
কুড়িল ফ্লাইওভারে মরদেহ

শেয়ার করুন

লিমনের চিকিৎসায় প্রয়োজন আর ৩ লাখ টাকা

লিমনের চিকিৎসায় প্রয়োজন আর ৩ লাখ টাকা

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশীদের হাতে বুধবার দুপুরে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেয়া হয় ।ছবি: নিউজবাংলা

২০১৮ সালে ১৪ এপ্রিল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার গুরুতর আহন হন লিমন। সেই সময়ে তার ডান পায়ে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। ২০২০ সালের শেষদিকে সিএনজি অটোরিকশার চড়ার সময় দুর্ঘটনায় ফের ওই পায়ের হাড় ভেঙে ফেলেন লিমন।

সড়ক দুর্ঘটনায় পা হারাতে বসা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যারয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী শাহীনুজ্জামান লিমনের পাশে দাঁড়িয়েছে প্রান্তিক ফাউন্ডেশন নামের যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের একটি সংগঠন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাসিবুর রশীদের হাতে বুধবার দুপুরে এক লাখ টাকার চেক তুলে দেন সংগঠনের নেতারা। পরে উপাচার্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধানের হাতে এই অর্থ তুলে দেন।

পায়ে অস্ত্রোপচারের জন্য লিমনের তার আরও তিন লাখ টাকা প্রয়োজন।

চেক প্রদানের সময়ে সংগঠনের প্রধান ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রফিউল আজম নিশার খান, একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক তাবিউর রহমান প্রধান উপস্থিত ছিলেন।

২০১৮ সালে ১৪ এপ্রিল মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার গুরুতর আহত হন লিমন। সেই সময়ে তার ডান পায়ে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। দুই বছর পর সিএনজি অটোরিকশায় চড়ার সময় দুর্ঘটনায় ফের ওই পায়ের হাড় ভেঙে ফেলেন লিমন।

সে সময় তাকে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর্থিক অনটনের কারণে তিনি ঢাকায় থাকতে পারেননি। পরে তিনি নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন।

শাহীনুজ্জামান লিমন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি পঙ্গু হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে মোহাম্মদপুরের মোফাখখারুল ইসলাম বারির অধীনে চিকিৎসা নেয়া শুরু করি।

‘ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি আমাকে দেখেন বলেন, দেড় মাসের মধ্যে অপারেশন করাতে হবে। এজন্য ৪ লাখ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু আমার পরিবারের পক্ষে এত টাকা যোগাড় করা সম্ভব নয়। যে কারণে অপারেশন হচ্ছে না।’

প্রান্তিক ফাউন্ডেশনের প্রধান রফিউল আজম নিশার খান জানান, লিমন আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র। আমাদের পক্ষ থেকে সামর্থ অনুযায়ী সহযোগিতা করেছি। এভাবে অন্যরা এগিয়ে এলে লিমন সুস্থ্য হয়ে উঠবে, আবারও হাঁটতে পারবে, ফিরতে পারবে বিশ্ববিদ্যালয়ে।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
বিয়ের দুই সপ্তাহ পরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
কুড়িল ফ্লাইওভারের সেই মরদেহ দুবাই প্রবাসীর
কুড়িল ফ্লাইওভারে মরদেহ

শেয়ার করুন

মামলায় নাম না থাকলেও গ্রেপ্তার জনপ্রতিনিধি

মামলায় নাম না থাকলেও গ্রেপ্তার জনপ্রতিনিধি

থানা ঘেরাওয়ের আগে এক সংবাদ সম্মেলন করেন নিহত মৌজে আলীর ছেলে নজরুল। সেখানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ফিরোজকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানানো হয়।

বরিশালের গৌরনদীর খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভোটের দিন মৌজে আলী মৃধা নামের এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে নবনির্বাচিত মেম্বার ফিরোজ মৃধাকে। তবে মামলার বাদীর দাবি, মামলায় নাম ছিল না ফিরোজের।

ফিরোজের মুক্তির দাবিতে বুধবার দুপুরে থানা ঘেরাও করেন গ্রামবাসী।

গত সোমবার খাঞ্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের দিন কমলাপুর ভোটকেন্দ্রে বোমা হামলা চালানো হয়। ওই ঘটনায় মৌজে আলী মৃধা নিহত হন। পরে গৌরনদী থানায় মামলা করেন মৌজে আলীর ছেলে নজরুল মৃধা। ওই মামলায় সোমবার রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় ফিরোজ মৃধাকে। তবে নজরুলের করা মামলায় নাম ছিল না ফিরোজের।

বুধবার থানা ঘেরাওয়ের আগে এক সংবাদ সম্মেলন করেন নজরুল। এ সময় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ফিরোজকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ জানানো হয়। পরে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী পুলিশের নাটকীয়তার প্রতিবাদে ও গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো নবনির্বাচিত ইউপি সদস্য ফিরোজ মৃধার মুক্তিসহ প্রকৃত বোমা হামলাকারী মন্টু হাওলাদার এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

নজরুল মৃধা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘যারা বোমা হামলা করেছেন, অর্থাৎ মন্টু হাওলাদার ও তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার না করে আমাদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ফিরোজ মৃধাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ফিরোজ মৃধাকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করেছে এজাহারে, আমি তার নাম দিইনি। আমরা দ্রুত মেম্বার ফিরোজের মুক্তি চাই এবং প্রকৃত হামলাকারীদের ফাঁসির দাবি জানাই।’

এ বিষয়ে থানার ওসি আফজাল হোসেন বিক্ষুব্ধদের দাবি অনতিবিলম্বে পূরণ করার আশ্বাস দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

মামলার এজাহারে নাম না থাকলেও ফিরোজকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে ওসি বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কমিটি হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের পর বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে পারব।’

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
বিয়ের দুই সপ্তাহ পরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
কুড়িল ফ্লাইওভারের সেই মরদেহ দুবাই প্রবাসীর
কুড়িল ফ্লাইওভারে মরদেহ

শেয়ার করুন

ভাবির হাতে দেবর খুন

ভাবির হাতে দেবর খুন

প্রতীকী ছবি

ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুনাইদ বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে নাছিমা তার দেবর ইউনুসকে ছুরিকাঘাত করে। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক ইউনুসকে মৃত ঘোষণা করেন।’

চট্টগ্রামের লোহাগড়ায় ভাবির ছুরিকাঘাতে এক ব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন।

উপজেলার বড়হাতিয়া ইউনিয়নের চাকফিরানী গ্রামে বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন।

মৃত মো. ইউনুসের বাড়ি চাকফিরানী গ্রামে। তার ভাবির নাম নাছিমা আক্তার। তার স্বামীর নাম মো. ইউছুপ।

বড়হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. জুনাইদ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে পারিবারিক কলহের জেরে নাছিমা তার দেবর ইউনুসকে ছুরিকাঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

স্থানীয়রা ওই নারীকে আটক করে রেখেছেন। পুলিশের কাছে নাছিমাকে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানান ইউপি চেয়ারম্যান জুনাইদ।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, ‘আমরা কিছুক্ষণ আগে হত্যার বিষয়টি জানতে পেরেছি। কেন এ ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায়নি। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
বিয়ের দুই সপ্তাহ পরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
কুড়িল ফ্লাইওভারের সেই মরদেহ দুবাই প্রবাসীর
কুড়িল ফ্লাইওভারে মরদেহ

শেয়ার করুন

দর্শনা দিয়ে দেশে ফিরলেন ১৩ বাংলাদেশি

দর্শনা দিয়ে দেশে ফিরলেন ১৩ বাংলাদেশি

দর্শনা জয়নগর চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম জানান, ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে নতুন অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নিয়ে বুধবার ১৩ বাংলাদেশি দর্শনা চেকপোস্টে প্রবেশ করেন। সেখানে আসার পর স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়।

চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন ভারতে আটকে পড়া আরও ১৩ বাংলাদেশি। এ নিয়ে গত ৩৭ দিনে ওই চেকপোস্ট দিয়ে মোট এক হাজার বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন।

বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ভারতের গেদে চেকপোস্ট হয়ে দেশ প্রবেশ করেন ওই বাংলাদেশিরা।

দেশে প্রবেশের পর ওই চেকপোস্টেই অস্থায়ী মেডিক্যাল ক্যাম্পে তাদের র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি দল। তবে এদিন তাদের মধ্যে কারও শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়নি।

দর্শনা জয়নগর চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) আবদুল আলিম জানান, ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ হাইকমিশন থেকে নতুন অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নিয়ে বুধবার ১৩ বাংলাদেশি দর্শনা চেকপোস্টে প্রবেশ করেন। সেখানে আসার পর স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তাদের র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট করা হয়।

তবে কেউ করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়নি। সেখান থেকে নির্ধারিত পরিবহনযোগে ২৭ জনকে জেলা যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ও ৭ জনকে স্থানীয় হোটেল ভিআইপিতে কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

করোনা নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধসংক্রান্ত উপকমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মনিরা পারভীন জানান, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশের অভিবাসনবিষয়ক শাখা (ইমিগ্রেশন) ও শুল্ক বিভাগের (কাস্টমস) আনুষ্ঠানিকতা শেষে সেখান থেকে ভারতফেরতদের নির্ধারিত পরিবহনযোগে (মাইক্রোবাস) জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত কোয়ারেন্টিন সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। সেখানে তারা ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকবেন।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
বিয়ের দুই সপ্তাহ পরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
কুড়িল ফ্লাইওভারের সেই মরদেহ দুবাই প্রবাসীর
কুড়িল ফ্লাইওভারে মরদেহ

শেয়ার করুন

‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য সংরক্ষণে কাজ করছে সরকার’ 

‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য সংরক্ষণে কাজ করছে সরকার’ 

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। ছবি: নিউজবাংলা

‘সরকার জাতীয় সংস্কৃতির পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পরিচর্যা, বিকাশ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৭টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমির মাধ্যমে আরও ৩টি নতুন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।’

সংস্কৃতি ধারণ, লালন ও চর্চার মাধ্যমেই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহমান থাকে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

নেত্রকোণায় গারোদের ঐতিহ্যবাহী ওয়ানগালা উৎসবের উদ্বোধন উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বুধবার দুপুরে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রতিমন্ত্রী বলেন,‘সরকার জাতীয় সংস্কৃতির পাশাপাশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পরিচর্যা, বিকাশ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বর্তমানে ৭টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা অ্যাকাডেমির মাধ্যমে আরও ৩টি নতুন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।’

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল অ্যাকাডেমি আয়োজিত ভার্চুয়ালি এই উৎসবের উদ্বোধন করেন নেত্রকোণা ১ আসনের সংসদ সদস্য মানু মজুমদার।

প্রধান অতিথি বলেন, ওয়ানগালা গারো সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় ও কৃষি উৎসব। এটি মূলত দেব-দেবীদের উদ্দেশ্যে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের উৎসব। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী অ্যাকাডেমির পরিচালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বছরব্যাপী বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দেন।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন জনমুখী কর্মসূচি গ্রহণের ফলে গারোসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার হার বৃদ্ধিসহ জীবনমানের অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী গারো সম্প্রদায়কে ওয়ানগালার শুভেচ্ছা জানান ও তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

অ্যাকাডেমির নির্বাহী পরিষদের সভাপতি ও নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক কাজী আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ-১ আসনের সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. বদরুল আরেফীন, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট কলাম লেখক সঞ্জীব দ্রং, বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল অ্যাকাডেমির পরিচালক গীতিকার সুজন হাজং, দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজীব উল আহসান।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
বিয়ের দুই সপ্তাহ পরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
কুড়িল ফ্লাইওভারের সেই মরদেহ দুবাই প্রবাসীর
কুড়িল ফ্লাইওভারে মরদেহ

শেয়ার করুন

‘লকডাউনের সময়ে কিস্তির জন্য জবরদস্তি নয়’

‘লকডাউনের সময়ে কিস্তির জন্য জবরদস্তি নয়’

১৪ দিনের কঠোর লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে। তবে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি না হওয়ায় বুধবার বিকেলে সভা করেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। আগামী ৩০ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। 

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় রাজশাহীতে বিশেষ বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। এই সময়ে কিস্তি আদায়ের জন্য এনজিওগুলো জবরদস্তি করতে পারবে না বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

১৪ দিনের কঠোর লকডাউন শেষ হওয়ার কথা ছিল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে। তবে পরিস্থিতির তেমন উন্নতি না হওয়ায় বুধবার বিকেলে সভা করেন জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। পরে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। আগামী ৩০ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘করোনা সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজশাহীতে গত ১১ তারিখ থেকে লকডাউন চলছে। আমরা এটিকে সর্বাত্মক লকডাউন বলে ঘোষণা করেছি। আমাদের গড় আক্রান্ত ২০ শতাংশের বেশি। কোনো কোনো দিন এটি ৩০ পর্যন্ত চলে যাচ্ছে।

‘লকডাউন শুধুমাত্র শহরে দিচ্ছি। এটি সিটি করপোরেশন এলাকায়। তবে, মহানগর থেকে সব উপজেলার যোগাযোগ বন্ধ রাখা হচ্ছে। কয়েক দিনে এটি কিছুটা শিথিল হয়েছিল। তবে আরও কঠোর হবে। বিনা কারণে কেউ আর শহরে আসতে পারবে না। আমাদের জেলা থেকে কোনো গাড়ি ঢাকাতে যায় না। কোনো মার্কেট খোলা নেই।’

জেলা প্রশাসক বলেন, লকডাউন চলাকালে কিস্তি আদায়ের জন্য এনজিওর পক্ষ থেকে জবরদস্তি করা যাবে না। লকডাউন কার্যকরে ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা কামনা করছি।

ঈদের পর থেকে রাজশাহীতে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় গত ১১ জুন সিটি করপোরেশন এলাকায় এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করা হয়। এর পর গত ১৬ জুন সেটি আরেক সপ্তাহ বাড়িয়ে ২৪ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়। বুধবার আরেক দফা বাড়িয়ে আগামী ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত করা হলো।

আরও পড়ুন:
হাসপাতালে রোগীর ঝুলন্ত মরদেহ
 শিশুর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
বিয়ের দুই সপ্তাহ পরে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ
কুড়িল ফ্লাইওভারের সেই মরদেহ দুবাই প্রবাসীর
কুড়িল ফ্লাইওভারে মরদেহ

শেয়ার করুন