‘অপহৃত’ ব্যক্তি কারখানায় কর্মরত, ‘অপহরণকারী’ জেলে

‘অপহরণ হওয়া’ আতিকুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

‘অপহৃত’ ব্যক্তি কারখানায় কর্মরত, ‘অপহরণকারী’ জেলে

পিবিআই জানায়, গত ২০ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আতিকের বাবা নেজাব আলী লিলি মার্কেটিংয়ের সোহাগের বিরুদ্ধে আতিককে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ ২৬ জানুয়ারি সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। সে সময় সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আতিক আত্মগোপনে আছেন। তবে তা আমলে নেয়নি পুলিশ। 

সিরাজগঞ্জ সদরে তিন মাস পর অপহৃত এক ব্যক্তিকে বহালতবিয়তে কারখানায় কর্মরত অবস্থায় পেয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, আগের কর্মস্থলের মালিককে ফাঁসাতে ওই ব্যক্তি অপহরণের নাটক করেছিলেন। অপহরণ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ওই মালিক এখন জেল খাটছেন।

‘অপহৃত’ আতিকুল ইসলামকে বুধবার নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের ভুলতা এলাকার এন জেড টেক্সটাইল নামের একটি পোশাক কারখানা থেকে আটক করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জে পিবিআই কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন পিবিআই সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার (এসপি) রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, আতিকুল ইসলামের বাড়ি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের ধুকুরিয়া দক্ষিণপাড়া গ্রামে। প্রায় ৯ মাস আগে লিলি মার্কেটিং কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি মার্কটিং অফিসার হিসেবে কাজ করতেন। সে সময় মোটা অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন।

পরে জান্নাতুল মার্কেটিং কোম্পানি নামের দোকান খুলে ব্যবসা শুরু করেন আতিক। অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি জানতে পেরে লিলি মার্কেটিং কোম্পানির মালিক মো. সোহাগ আতিককে ফোন করেন। ফোনে এ নিয়ে তাদের তর্কাতর্কি হয়।

সেই ফোন রেকর্ড ব্যবহার করে সোহাগকে ফাঁসাতে পরিকল্পনা করেন আতিক। সে মোতাবেক পরিবারের সদস্যদের জানিয়ে তিনি আত্মগোপনে যান।

জেলা পিবিআইয়ের এসপি বলেন, পরিকল্পনা অনুযায়ী গত ২০ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে আতিকের বাবা নেজাব আলী লিলি মার্কেটিংয়ের সোহাগের বিরুদ্ধে আতিককে অপহরণের অভিযোগে মামলা করেন। পুলিশ ২৬ জানুয়ারি সোহাগকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

সে সময় সোহাগের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আতিক আত্মগোপনে আছেন। তবে তা আমলে নেয়নি পুলিশ। পরে তারা বিষয়টি পিবিআইকে জানালে, কর্মকর্তারা তা আমলে নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আতিকের অবস্থান শনাক্ত করেন। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের ভুলতার ওই কারখানায় কর্মরত অবস্থায় আতিককে আটক করে সিরাজগঞ্জ সদর থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে পিবিআই।

এসপি রেজাউল আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সোহাগকে ফাঁসাতে অপহরণ নাটকের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে স্বীকারও করেছেন আতিক।

রেজাউল বলেন, ‘অপহরণের নাটক সাজানো ও একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে মামলা দিয়ে জেলে রাখার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, বিনা দোষে কারাগারে থাকা সোহাগের ব্যাপারেও আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বাবার ব্যবসা দখলের চেষ্টায় ছেলের ‘পাগলামো’
ভাইদের ফাঁসাতে সন্তান অপহরণের নাটক

শেয়ার করুন

মন্তব্য

নিখোঁজের দুইদিন পর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের দুইদিন পর মাটিচাপা মরদেহ উদ্ধার

মোটরসাইকেলে ভাড়ায় লোক নিয়ে বুধবার রাত ১০টার দিকে মোহনগঞ্জ সদর থেকে উপজেলার আদর্শনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন রাজীব। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে দুইদিন আগে নিখোঁজ হওয়া এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

উপজেলার সোয়াইর ইউনিয়নের ভাটিয়া গ্রামের শেখ ইসলামের পুকুর পাড়ে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে মাটিচাপা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত রেজাউল করিম রাজীবের বাড়ি মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দেওথান এলাকায়। তিনি মোটরসাইকেলে ভাড়ায় যাত্রী পরিবহন করতেন।

মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আহাদ খান জানান, মোটরসাইকেলে ভাড়ায় লোক নিয়ে বুধবার রাত ১০টার দিকে মোহনগঞ্জ সদর থেকে উপজেলার আদর্শনগরের উদ্দেশ্যে রওনা হন রাজীব। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাটিয়া গ্রামের লোকজন পুকুরে মাটিখোঁড়ার সময় বস্তায় ভরা মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ মাটি সরিয়ে সিমেন্টের বস্তায় ভরা রাজীবের মরদেহ উদ্ধার করে।

এরপরই ভাটিয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে আব্দুল কালাম মেম্বারের বাড়ি থেকে রাজীবের মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। সেটি পরে জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুইজনকে থানায় নেয়া হয়েছে বলেও জানান ওসি।

ওসি আরও জানান, দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর মরদেহ এভাবে ফেলে রেখে গেছে মনে ধারণা করেন তিনি। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্যে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

জেলা পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শংকর কুমার দাস জানান, রাজীবকে হত্যার পর দুর্বৃত্তরা মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে রাখে। এ হত্যাকাণ্ড কেন সংঘটিত হয়েছে, কারা জড়িত তা বের করতে পিবিআই ছায়া তদন্ত শুরু করেছে।

আরও পড়ুন:
বাবার ব্যবসা দখলের চেষ্টায় ছেলের ‘পাগলামো’
ভাইদের ফাঁসাতে সন্তান অপহরণের নাটক

শেয়ার করুন

হাতিয়ায় আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

হাতিয়ায় আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

সংঘর্ষে নিহত ওয়ার্ড আ.লীগ নেতা (বাঁ থেকে উপরে) ও আহত ২ জন। ছবি: নিউজবাংলা

শুক্রবার সকালে চরচেঙ্গা বাজারে জেলেদের ত্রাণের চাল বিতরণ করছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান নুর ইসলাম মালেশিয়া। তখন চাল দেয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলে স্থানীয় লোকজন। এর জেরে শুরু হয় সংঘর্ষ।

নোয়াখালীর হাতিয়ায় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন চারজন।

হাতিয়ায় সোনাদিয়া ইউনিয়নের চর চেঙ্গা বাজারে শুক্রবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে এই সংঘর্ষ হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম জোবায়ের হোসেন। তিনি সোনাদিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন। আসন্ন ইউপি নির্বাচনে তিনি সদস্যপ্রার্থী ছিলেন। তিনি নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মেহেদী হাসানের সমর্থক বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে তিনি জানান, শুক্রবার সকালে চরচেঙ্গা বাজারে জেলেদের ত্রাণের চাল বিতরণ করছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান নুর ইসলাম মালেশিয়া। তখন চাল দেয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলে স্থানীয় লোকজন।

এ নিয়ে চেয়ারম্যানের সমর্থকদের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদের নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী মেহেদী হাসানের সমর্থকদের বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষ ধারালো অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। কয়েক রাউন্ড গুলিও চলে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক জোবায়েরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতরা সেখানে চিকিৎসাধীন।

এ বিষয় নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী মেহেদী হাসান বলেন, ‘সকালে চেয়ারম্যানের লোকজন বাজারে ত্রাণ বিতরণ করছিলেন। এ সময় আমার সমর্থক জোবায়ের ও ইরাক দোকানে বসা ছিল। কোনো প্রকার উস্কানি ছাড়াই চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামের লোকজন দোকানে প্রবেশ করে জোবায়ের, তার ছেলে জীবন ও আমার কর্মী ইরাককে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নুর ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ওসি আবুল খায়ের জানান, জোবায়েরের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:
বাবার ব্যবসা দখলের চেষ্টায় ছেলের ‘পাগলামো’
ভাইদের ফাঁসাতে সন্তান অপহরণের নাটক

শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জ থেকে অপহরণ, টাঙ্গাইল থেকে উদ্ধার 

নারায়ণগঞ্জ থেকে অপহরণ, টাঙ্গাইল থেকে উদ্ধার 

নারায়ণগঞ্জ থেকে অপহরণ হওয়া যুবক আবিরকে টাঙ্গাইল থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাব জানায়, মুক্তিপণ পাঠাতে বলা বিকাশ নাম্বারের জিপিএস ট্র্যাক করে একটি নির্জন এলাকা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আবিরকে উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা তাকে সেখানে ফেলে রেখে পালিয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ থেকে অপহরণের টাঙ্গাইল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবককে উদ্ধার করেছে র‍্যাব।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার দেউপাড়া বাজার থেকে শুক্রবার ভোরে তাকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার মো. আবিরের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায়। তিনি নারায়ণগঞ্জের হিরাজিল সিরাজ টাওয়ারে ভাড়া থাকেন।

র‍্যাবের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার এরশাদুল রহমান নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে বাসা থেকে আবিরকে অপহরণ করা হয়। এরপর একটি নাম্বার থেকে ফোন দিয়ে মুক্তিপণ হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা বিকাশ করতে বলা হয়।

এরপর আবিরের পরিবার র‍্যাব-১২-এর কার্যালয়ে গিয়ে অভিযোগ করে।

অভিযোগে বলা হয়, এক বছর আগে মো. সুজন নামের এক যুবকের সঙ্গে ফেসবুকে আবিরের বন্ধুত্ব হয়। কাপড়ের ব্যবসার কথা বলে সুজনই তাকে অপহরণ করেছে।

র‍্যাব জানায়, বিকাশ নাম্বারের জিপিএস ট্র্যাক করে তারা একটি নির্জন এলাকা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় আবিরকে উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা তাকে সেখানে ফেলে রেখে পালিয়েছে।

আবিরকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাবার ব্যবসা দখলের চেষ্টায় ছেলের ‘পাগলামো’
ভাইদের ফাঁসাতে সন্তান অপহরণের নাটক

শেয়ার করুন

গাছচাপায় ঘুমন্ত স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

গাছচাপায় ঘুমন্ত স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু

কুন্দপুকুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল ওয়াহাব জানান, ওই দম্পতি টিনশেডের ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। রাতে ঝোড়ো বাতাসে গাছ ভেঙে তাদের ঘরের উপর পড়ে। এতে দুজনেরই মৃত্যু হয়।

নীলফামারীতে গাছচাপায় ঘুমন্ত স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

সদর উপজেলার কুন্দপুকুর ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এ ঘটনা।

মৃত দম্পতি হলেন এন্তাজুল ইসলাম ওরফে ঘুটু মিয়া ও মমেনা বেগম।

কুন্দপুকুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল ওয়াহাব নিউজবাংলাকে জানান, ওই দম্পতি টিনশেডের ঘরে ঘুমাচ্ছিলেন। ঘরটির আশপাশে আম ও মেহগনি গাছ আছে। রাতে ঝোড়ো বাতাসে একটি গাছ ভেঙে তাদের ঘরের উপর পড়ে। এতে দুজনেরই মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, ঘুটু মিয়া অটোরিকশার চালক ছিলেন। তাদের তিন সন্তান আছে। এক সন্তান বাড়িতে ছিল না। বাকি দুজন দাদা-দাদির সঙ্গে অন্য ঘরে থাকে। তারা অক্ষত আছে।

এ বিষয়ে নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউপ জানান, মরদেহ উদ্ধার করে পারিবারিকভাবে দাফনের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন:
বাবার ব্যবসা দখলের চেষ্টায় ছেলের ‘পাগলামো’
ভাইদের ফাঁসাতে সন্তান অপহরণের নাটক

শেয়ার করুন

আগুনে পুড়ে মরল সাত মাসের শিশু

আগুনে পুড়ে মরল সাত মাসের শিশু

আগুনে পুড়ে গেছে দিনমজুরের ঘর, মারা গেছে তার শিশুকন্যা। ছবি: নিউজবাংলা

স্থানীয় চেয়ারম্যান জানান, ছোট মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে ঘরে রেখে বড় মেয়েকে নিয়ে পাশের পুকুরের দিকে হাঁস দেখতে যান তাদের মা। তখনই হঠাৎ ঘরে আগুন জ্বলতে দেখে তারা। প্রায় এক ঘণ্টা পর আগুন নিভলে ভেতরে পাওয়া যায় শিশুর মরদেহ।

ঝিনাইদহ সদরের একটি গ্রামে বসতবাড়িতে লাগা আগুনে পুড়ে মারা গেছে সাত মাসের শিশু।

সদর উপজেলার গান্না ইউনিয়নের ভাদালিডাঙ্গা গ্রামের পূর্বপাড়ায় শুক্রবার সকালে আগুনের এই ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশুর নাম তানিশা। সে ওই গ্রামের দিনমজুর ইব্রাহিম হোসেনের মেয়ে।

গান্না ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন মালিতা জানান, ইব্রাহিম সকালেই কাজের জন্য বের হয়ে যান। বাড়িতে ছিলেন তার স্ত্রী পাপিয়া খাতুন ও দুই মেয়ে। সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়েকে ঘুম পাড়িয়ে ঘরে রেখে বড় মেয়েকে নিয়ে পাশের পুকুরের দিকে হাঁস দেখতে যান পাপিয়া। তখনই হঠাৎ ঘরে আগুন জ্বলতে দেখে তারা। প্রতিবেশীরা গিয়ে আগুন নেভাতে চেষ্টা করে। খবর পেয়ে সেখানে যায় ফায়ার সার্ভিসও। প্রায় এক ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের ডিএডি শামীমুল ইসলাম বলেন, আগুন নিভলে ঘরের ভেতরে পাওয়া যায় শিশু তানিশার দগ্ধ মরদেহ। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনার পর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম শাহীন সেখানে যান। তারা ওই পরিবারকে সহায়তার জন্য অর্থ, টিন ও কম্বল দেন। জেলা প্রশাসক মজিবর রহমানও তাদের ২০ হাজার টাকা ও ২০ কেজি চাল পাঠান।

আরও পড়ুন:
বাবার ব্যবসা দখলের চেষ্টায় ছেলের ‘পাগলামো’
ভাইদের ফাঁসাতে সন্তান অপহরণের নাটক

শেয়ার করুন

ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

ভবন থেকে পড়ে নির্মাণশ্রমিকের মৃত্যু

‘আমার মামা বাদামতলী রোডের একটি বাসায় কাজ করার সময় নিচে পড়ে আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমরা খবর পেয়ে হাসপাতালে এসেছি।’

চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন একটি ভবনের তৃতীয় তলা থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

নগরীর আকবর শাহ থানার বাতামতলী রোডের মকবুল মাস্টারের বাড়িতে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত দিদারুল আলমের বাড়ি মীরসরাই উপজেলার আমবাড়িয়া এলাকায়। তিনি তার বোনের সঙ্গে নগরীর আকবার শাহ এলাকায় বসবাস করতেন।

দিদারুলের ভাগনি সেলিনা আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার মামা বাদামতলী রোডের একটি বাসায় কাজ করার সময় নিচে পড়ে আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমরা খবর পেয়ে হাসপাতালে এসেছি।’

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) শীলব্রত বড়ুয়া নিউজবাংলাকে জানান, মকবুল মাস্টারের ভবনের নির্মাণকাজ করছিলেন দিদারুল। তৃতীয় তলায় কাজ করার সময় অসাবধানতায় নিচে পড়ে যান তিনি। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আকবর শাহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহির হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বাবার ব্যবসা দখলের চেষ্টায় ছেলের ‘পাগলামো’
ভাইদের ফাঁসাতে সন্তান অপহরণের নাটক

শেয়ার করুন

অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালকের খাদ্য সহায়তা

অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালকের খাদ্য সহায়তা

অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালকের পক্ষ থেকে এক হাজার জন দরিদ্র মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে। ছবি: নিউজবাংলা

প্রতিটি মানুষকে চাল, ডাল, তেল, লবণ, সাবান, সেমাই, দুধ, চিনি দেয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে এক হাজার দরিদ্র মানুষকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয়েছে।

অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সাবেক ভিপি মনজুরুল হক লাভলুর পক্ষ থেকে উপজেলার আইকদিয়া গ্রামের খন্দকার বাড়িতে শুক্রবার ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

লাভলুর পক্ষ থেকে ত্রাণ তুলে দেন উপজেলা চেয়ারম্যান কাবির মিয়া ও পৌর মেয়র আতিকুর রহমান মিয়া।

প্রতিটি মানুষকে চাল, ডাল, তেল, লবণ, সাবান, সেমাই, দুধ, চিনি দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বাবার ব্যবসা দখলের চেষ্টায় ছেলের ‘পাগলামো’
ভাইদের ফাঁসাতে সন্তান অপহরণের নাটক

শেয়ার করুন