বন্যার শঙ্কা: হাওরের ধান কাটতে ব্যস্ততা কৃষকের

আগাম বন্যার আশঙ্কা থাকায় ধান কাটায় ব্যস্ততা দেখা গেছে নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে। ছবি: নিউজবাংলা

বন্যার শঙ্কা: হাওরের ধান কাটতে ব্যস্ততা কৃষকের

কৃষক শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, ‘প্রায় ১০ একরের ধান কাটা অইয়া পড়ছে। শ্রমিক, কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়া ধান কাটছি। আশা করতাছি আর সাত দিনের মধ্যে পুরা ধান কাইট্যে শেষ করবাম।’

চলতি বোরো মৌসুমে হাওরে বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা যায়নি। তবে আগাম বন্যার আশঙ্কায় পাকতে থাকা ধান কাটায় ব্যস্ততা দেখা গেছে কৃষকদের মধ্যে।

সম্ভাব্য দুর্যোগ এড়িয়ে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে নেত্রকোণার হাওরাঞ্চলের ৮০ শতাংশ এবং ৩০ এপ্রিলের মধ্যে পুরো বোরো ধান কাটার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

নেত্রকোণার হাওরে এবার ৪০ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে, যার অধিকাংশ পেকে গেছে। সেই ধান কাটতে এখন মাঠজুড়ে ব্যস্ততা কৃষকদের।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহন লাল সৈকত জানান, ২৫ এপ্রিল নাগাদ হাওরাঞ্চলে আগাম বন্যার শঙ্কা রয়েছে। ভারতের মেঘালয় ও আসামের বরাক অববাহিকাসহ চেরাপুঞ্জিতে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এর প্রভাবে আগাম বন্যা হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আজ নাগাদ নদীর পানি ৮ সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে এই পানির অবস্থান নদীর অনেক নিচেই রয়েছে। হাওরে ৩০০ কিলোমিটার ফসলরক্ষা বাঁধের মধ্যে ১৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০১ দশমিক ২ কিলোমিটার ঝুকিপূর্ণ বাঁধ সংস্কার করা হয়েছে।

‘আগাম বন্যা হলেও কৃষকের ফসলহানির শঙ্কা নেই। তবুও যত দ্রুত সম্ভব ধান কেটে নেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরকে আমরা জানিয়েছি।’

Netrakona

মোহন লাল বলেন, ‘কৃষকদের দ্রুত ধান কাটা নিশ্চিতে জেলা প্রশাসক কাজি মো. আব্দুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হাবিবুর রহমান ও আমি হাওরে গিয়ে সোমবার কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেছি।’

ফসল নিয়ে সম্ভাব্য দুর্যোগের শঙ্কায় থাকা হাওরাঞ্চলের খালিয়াজুরীর পুরানহাটির কৃষক শফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, তিনি ১৬ একর জমিতে এবার বোরো আবাদ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘প্রায় ১০ একরের ধান কাটা অইয়া পড়ছে। শ্রমিক, কম্বাইন্ড হারভেস্টার দিয়া ধান কাটছি। আশা করতাছি আর সাত দিনের মধ্যে পুরা ধান কাইট্যে শেষ করবাম।’

একই এলাকার কৃষক মনির হোসেন ধান চাষ করেছেন ৪০ একর জমিতে। এর মধ্যে ২০ একরের মতো জমির ফসল কাটা হয়েছে।

মনির বলেন, ‘আরও ৮-৯ দিন লাগব আমার সব ধান কাটা শেষ করতে। মাঠে ধান পাকছে। কাইট্যে আনার পরে ধান মাড়াই কইরা শুকানোর জাগা লাগে।

‘কিছু কাটছি আর মাড়াই, শুকানির পরে অন্য ধানগুলা কাইট্যে আনতাছি।’

খালিয়াজুরী উপজেলার লক্ষীপুর গ্রামের কৃষক রহিম আলী ৮ একর জমিতে আগাম জাতের ব্রি ২৮ ধানের আবাদ করেছিলেন। তিনি তিন দিন আগেই পুরো ধান কেটে ঘরে তুলেছেন।

রহিম বলেন, ‘কিছু ভিজা ধান বেচছি ৭০০ থেকে ৮০০ ট্যাহা মণ দরে। এইবার ভালাই ধান হইছে। ব্রি ২৮ একরে ৬০-৬৫ মণ হইছে।

‘আবহাওয়া ভালা আছিল। দরকারের সময় বৃষ্টি হইছে। সারও আছিল।’

Netrakona

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক হাবিবুর রহমান নিউজবাংলাকে জানান, নেত্রকোণায় সমতল, পাহাড়ি এলাকা ও হাওরসহ এবার মোট ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯৮৩ হেক্টর জমিতে বোরোর আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে হাওরাঞ্চলে ৪০ হাজার ৯০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। হাওরের ফসল আগাম বন্যাসহ সম্ভাব্য দুর্যোগ থেকে রক্ষায় ২৫ এপ্রিলের মধ্যে ৮০ শতাংশ ও ৩০ এপ্রিলের মধ্যে পুরো ফসল কাটার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ধান কাটার এ লক্ষ্য নিয়ে কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সচেতন করাসহ ধান কাটা তত্ত্বাবধান করছেন। হাওরে ২৬ হাজার শ্রমিক, ১৩৫টি কম্বাইন্ড হারভেস্টারে এবার ধান কাটা হচ্ছে।

হাবিবুর বলেন, ‘মঙ্গলবার পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য আছে তাতে ২৮ হাজার হেক্টর জমির ধান কাটা হয়ে গেছে, যা বলা যায় মোট আবাদের ৬৮ শতাংশ। এতে কৃষকরা প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টন ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন।’

এই কর্মকর্তা জানান, হাওরে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার টন। আর সমতল, পাহাড়ি অঞ্চল মিলিয়ে জেলায় মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ লাখ ৬৫ হাজার টন।

আরও পড়ুন:
হাওর রক্ষাবাঁধের কাজ শেষ হলেই সংবাদ সম্মেলন: বিভাগীয় কমিশনার
‘হাওরে বাঁধ ভাঙলে দায় এমপিদের’
কারেন্ট পোকায় দিশেহারা কৃষক
নামছে না হাওরের পানি, বীজতলা নিয়ে বিপত্তি
হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মহাসড়ক নয় এ যেন ‘চাতাল’

মহাসড়ক নয় এ যেন ‘চাতাল’

ধান, গম, তিল, মরিচসহ বিভিন্ন ফসল কেটে এনে স্তুপ করা, মাড়াইয়ের কাজ হচ্ছে পঞ্চগড়ের ব্যস্ততম মহাসড়কের ওপর। ছবি:নিউজবাংলা

তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আনিস বলেন, ‘প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জনসাধারণকে সচেতন করেও তেমন কোন ফল মিলছে না। দুর্ঘটনা এড়াতে জেল জরিমানা ছাড়া বিকল্প নেই।’ প্রতিনিয়তই মহাসড়কে টহল দিয়ে জনগণকে সচেতনের বিষয়টি অব্যাহত রাখা হচ্ছে বলে জানালেন ভজনপুর হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম রব্বানী।

ধান, গম, তিল, মরিচসহ বিভিন্ন ফসল কেটে এনে স্তুপ করা, মাড়াই শেষে খড় শুকানোর কাজ হতো কৃষকের বাড়ির উঠোনে। কিন্তু এখন এসব কাজ হচ্ছে পঞ্চগড়ের ব্যস্ততম মহাসড়কের ওপর।

পঞ্চগড়-বাংলাবান্ধা মহাসড়কটিকে মহাসড়ক না বলে এখন কৃষকের ‘চাতাল’ বলা যায়। এশিয়ান হাইওয়ে নামে পরিচিত এই মহাসড়কেই শুধু নয় পঞ্চগড়ের গ্রামগঞ্জের পাকা রাস্তাগুলোর দুই পাশ দখল করে হাজারো কৃষক এখন ব্যস্ত ফসল মাড়াই আর শুকানোর কাজে। ফলে সড়ক সংকুচিত হয়ে যানচলাচল হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণভাবে। প্রতিনিয়তই বাড়ছে দুর্ঘটনা।

প্রতি বছর বিভিন্ন ফসলের মৌসুমে মহাসড়কের পাশের বসতবাড়ির লোকজন যে যার মতো সড়কের অপব্যবহার করছে। ক্ষেত থেকে ধান কেটে এনে স্তুপ করে রাখা হচ্ছে সড়কের ওপর। পরে সড়কের একটা জায়গা দখলে নিয়ে মাড়াই কল বসিয়ে দেদারসে চলছে মাড়াইয়ের কাজ।

আর এ অবস্থায় সড়কের অর্ধেক অংশে ধান শুকানো ছাড়াও খড় সড়কের ওপরেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে রোদে শুকানো হয়। পুরুষের পাশাপাশি নারী ও শিশুরা বসতবাড়ির উঠান ছেড়ে সড়কে এসে এ কাজটি করছেন বেশ কয়েক বছর ধরে। এ কাজটির পাশাপাশি তারা রান্নার কাজে ব্যবহারের লাকড়ি, শুকনো মরিচ ও অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস এনে ব্যবহার করছে সড়ক-মহাসড়ককে।

এসব নারী-পুরুষ সড়কে গৃহস্থালীর কাজে ব্যস্ত থাকলেও দ্রুতগতির যানবাহনের দিকে খেয়াল থাকে কম। এতে যানবাহনের চালকেরা পড়েন বিপাকে। গত কয়েক মাসের পরিসংখ্যানে দেখা যায় এই জেলায় এসব কারণে দুর্ঘটনা বেড়েছে। অন্যদিকে হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে তারা উদ্যোগ নিলেও মানছেন না কৃষক। সচেতনতার অভাবে এসব কাজে সড়ক ব্যবহার করছেন তারা।

নিজেদের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী দাবি করে এই মানুষ গুলো বলছে, বাড়ীতে অনুকুল জায়গা না থাকায় বিশেষ সুবিধা নিতেই তারা এই মহাসড়ক ব্যবহার করছেন।

তেঁতুলিয়া উপজেলার খয়খট পাড়া এলাকার জহুরা বেগম বলেন, ‘বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তায় ক্ষেতের মরিচসহ ধান, গম শুকানোর কাজ ছোট বয়স থেকেই করে আসছি, আমরা তো রাস্তার এক সাইড ব্যবহার করি তাতে তো কোন সমস্যা নেই।’

সড়কের ওপর মরিচ, ধানসহ অন্যান্য ফসল শুকানো হয়। ছবি:নিউজবাংলা

সদর উপজেলার অমরখানা এলাকার সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘মহাসড়কে এসব কাজ ঝুঁকিপূর্ণ হলেও বাড়তি কিছু সুবিধার জন্যে আমরা মহাসড়কে বিভিন্ন ফসল শুকানোর কাজ করে থাকি। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে বাড়ীতে শুকনো জায়গা না থাকায় এই কাজটি করতে হয়।’

পঞ্চগড় জেলা পরিষদের সদস্য মনোয়ার হোসেন দিপু বলেন, ‘মহাসড়কের দু’ধারে যে হারে সাধারণ মানুষ গৃহস্থালী কাজে সড়ক ব্যবহার করছে তাতে করে প্রতিদিন মহাসড়কে দুর্ঘটনা বাড়ছে। এ ক্ষেত্রে আইনের কঠোর প্রয়োগ দরকার।’

তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী আনিস বলেন, ‘প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে জনসাধারণকে সচেতন করেও তেমন কোন ফল মিলছে না। দুর্ঘটনা এড়াতে জেল জরিমানা ছাড়া বিকল্প নেই।’

প্রতিনিয়তই মহাসড়কে টহল দিয়ে জনগণকে সচেতনের বিষয়টি অব্যাহত রাখা হচ্ছে বলে জানালেন ভজনপুর হাইওয়ে পুলিশের সার্জেন্ট গোলাম রব্বানী।

আন্ত:সড়ক, মহাসড়কের সব অংশ জুড়েই বসছে মৌসুমি ফসলের মেলা। অসচেতন মানুষের কারণে দুর্ঘটনা ঘটলেও দোষ হয় চালকদের, জেল জরিমানসহ আর্থিক মাসুল টানতে হয় আমাদের। অথচ যারা আইন মানছেনা তাদের বিরুদ্ধে নেই কোন ব্যবস্থা। প্রশাসন চাইলে ৭২ ঘন্টার মধ্যেই এই সমস্যার সমাধান হতে পারে এমনটি বললেন জেলা মোটর পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম ও সাবেক সড়ক সম্পাদক মনু মিঞা।

বাংলাবান্ধা বন্দর থেকে ভজনপুর পর্যন্ত মহাসড়ক এবং আন্ত:সড়কের ওপর সব ধরনের কৃষি গৃহস্থালী কাজ বন্ধের জন্যে প্রতিটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যানদের সমন্বয়ে জরুরী সভা ডেকে কঠোরভাবে বিষয়টি বন্ধের ব্যবস্থার গ্রহণে উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাহবুবর রহমান ডাব্লিউ ।

আরও পড়ুন:
হাওর রক্ষাবাঁধের কাজ শেষ হলেই সংবাদ সম্মেলন: বিভাগীয় কমিশনার
‘হাওরে বাঁধ ভাঙলে দায় এমপিদের’
কারেন্ট পোকায় দিশেহারা কৃষক
নামছে না হাওরের পানি, বীজতলা নিয়ে বিপত্তি
হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

শেয়ার করুন

অনলাইন জুয়ার দুজন এজেন্ট গ্রেপ্তার




অনলাইন জুয়ার দুজন এজেন্ট গ্রেপ্তার

আইপিএল ম্যাচের জয়-পরাজয় নিয়ে অনলাইনে বাজি ধরেন তারা। এজেন্টরা ১৫ শতাংশ হারে কমিশন পান। অনুমোদনহীন ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে চলে লেনদেন।

অনলাইনভিত্তিক জুয়ার সাইট ব্যবহার করে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে অনলাইন জুয়ার দুই এজেন্টকে আটক করেছে র‍্যাব।

আটক শহীদুল ইসলাম ও হোসেন গাজী ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (আইপিএল) কেন্দ্রিক জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিলেন।

র‌্যাব ১১ এর কোম্পানি কমান্ডার জসিম উদ্দীন চৌধুরী জানান, আড়াইহাজার উপজেলার প্রভাকরদী বাজার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে শহীদুল ইসলামকে আটক করা হয়। মধ্যরাতে রূপগঞ্জের সাওঘাট থেকে আটক করা হয় হোসেন গাজীকে। তাদের ব্যবহার করা তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

র‍্যাব জানায়, ক্রিকেট আসর আইপিএল নিয়ে অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন জুয়ার সাইট রয়েছে। আটক যুবকরা জুয়ার এজেন্ট হিসেবে তরুণদের প্রলুব্ধ করতেন। তারা বিভিন্ন আইডির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেন।

আটক যুবকরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তারা অনুমোদনবিহীন বিভিন্ন ই-ট্রানজেকশনের সাইটে আইডি খুলে লেনদেন করেন। অনলাইনে বিভিন্ন জুয়ার সাইটে তরুণ ও যুবকদের আইডি খুলে দেন। এজেন্টরা ১৫ শতাংশ হারে কমিশন পান। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার এজেন্টদের মাঝে যোগাযোগ রাখা হয় বিশেষ কৌশলে।

আরও পড়ুন:
হাওর রক্ষাবাঁধের কাজ শেষ হলেই সংবাদ সম্মেলন: বিভাগীয় কমিশনার
‘হাওরে বাঁধ ভাঙলে দায় এমপিদের’
কারেন্ট পোকায় দিশেহারা কৃষক
নামছে না হাওরের পানি, বীজতলা নিয়ে বিপত্তি
হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

শেয়ার করুন

এক গিঁটে ৩০টি লাউ  

এক গিঁটে ৩০টি লাউ  

লাউয়ের গিঁট হাতে জাহাঙ্গীর আলম। ছবি: নিউজবাংলা

চাটখিল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিরাজুল ইসলাম জানান, এটা এক ধরনের অস্বাভাবিক ফলন। সাধারণত এমন ফলন হয় না। কোনো কারণে যদি গাছে অতিরিক্ত ফ্লোরিজেন হরমোন উৎপাদন হয় সে ক্ষেত্রে গাছের কাণ্ড থেকে একাধিক ফুল এসে বেশি পরিমাণ লাউ আসতে পারে। এ ছাড়া জিন মিউটেশনের কারণেও হতে পারে।

নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলায় একটি গাছের এক গিঁটে ৩০টি লাউ ধরেছে।

উপজেলার সাহাপুর ইউনিয়নের পুরুষোত্তমপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ও রেহানা বেগম দম্পতির বাড়ির বাগানের ওই গাছটি দেখতে এখন উৎসুক মানুষের ভিড় লেগেই আছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, আমের মতো ঝুলে থাকা গিঁটে লাউ আছে ৩০টি। এর মধ্যে ২০টি লাউয়ের ওজন ২০০ গ্রামের মতো হবে। বাকি ১০টি লাউয়ের ওজন ৫০ থেকে ১০০ গ্রামের মধ্যে। নতুন করে একই স্থানে আরও কিছু ফুল আসছে।

রেহানা বেগম জানান, স্থানীয় সোমপাড়া বাজার থেকে লাউয়ের চারা কিনে তিনি নিজ হাতে লাগিয়েছেন। প্রথমদিকে গাছে তেমন লাউ না আসলেও কিছুদিন আগে পাঁচটি লাউ স্বাভাবিকভাবেই ধরেছে। সেগুলোর থেকে তিনটি লাউ খেয়েছেন আর দুইটি বীজের জন্য রেখেছেন।

১০/১২ দিন আগে তিনি দেখেন, একটি গিট (গাছের শাখার সংযোগ স্থল) ফেটে অসংখ্য লাউ ধরছে। গত এক সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এসব লাউ দেখতে আসছেন।

স্থানীয় রফিকুল্লাহ জানান, আমার জীবনে এই প্রথম দেখেছি এমন ঘটনা।

লাউ বাগানটি দেখতে আসা সোমপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী রিয়াদ হোসেন জানান আমাদের বাজারের অনেকে এই লাউগুলো দেখতে এসেছে। এটা নিয়ে প্রতিনিয়ত বাজারে আলোচনা হচ্ছে। তাই আমিও দেখতে এসেছি। একটি গিঁটে ৩০টি লাউ আমার কাছে অলৌকিক মনে হচ্ছে।

চাটখিল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শিরাজুল ইসলাম জানান, এটা এক ধরনের অস্বাভাবিক ফলন। সাধারণত এমন ফলন হয় না। কোনো কারণে যদি গাছে অতিরিক্ত ফ্লোরিজেন হরমোন উৎপাদন হয় সে ক্ষেত্রে গাছের কাণ্ড থেকে একাধিক ফুল এসে বেশি পরিমাণ লাউ আসতে পারে। এ ছাড়া জিন মিউটেশনের কারণেও হতে পারে।

আরও পড়ুন:
হাওর রক্ষাবাঁধের কাজ শেষ হলেই সংবাদ সম্মেলন: বিভাগীয় কমিশনার
‘হাওরে বাঁধ ভাঙলে দায় এমপিদের’
কারেন্ট পোকায় দিশেহারা কৃষক
নামছে না হাওরের পানি, বীজতলা নিয়ে বিপত্তি
হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

শেয়ার করুন

শাহাদৎবার্ষিকীতে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে স্মরণ

শাহাদৎবার্ষিকীতে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে স্মরণ

আহসান উল্লাহ মাস্টারের শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরে দোয়া অনুষ্ঠান। ছবি: নিউজবাংলা

প্রকাশ্য জনসভায় ২০০৪ সালের ৭ মে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। তিনি দুবার আওয়ামী লীগের সাংসদ ছিলেন। গাজীপুরের তুমুল জনপ্রিয় এ শ্রমিকনেতা উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেছেন।

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় গাজীপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট শ্রমিকনেতা আহসান উল্লাহ মাস্টারের ১৭তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে তাকে স্মরণ করেছে এলাকাবাসী।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মাস্টারের শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার ঢাকা, গাজীপুরসহ বিভিন্নস্থানে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল মিলাদ, দোয়া মাহফিল, তবারক বিতরণ এবং স্মরণ সভা।

শুক্রবার দিনভর গাজীপুরের হায়দরাবাদ গ্রামে আহসান উল্লাহ মাস্টারের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলীয় নেতা-কর্মীরা ও বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন।

শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আকম মোজাম্মেল হক এমপি, মেহের আফরোজ চুমকি এমপি, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি, সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. গিয়াসউদ্দীন মিয়া, অধ্যক্ষ মহিউদ্দিন আহমেদ মহি, মহানগর যুবলীগের আহবায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল, টঙ্গী থানা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন মনি সরকার, টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী মঞ্জুর, টঙ্গী সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ মনিরুজ্জামান, টঙ্গী পাইলট স্কুল এন্ড গার্লস কলেজের অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন মিয়া, সিরাজউদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতনের অধ্যক্ষ ওয়াদুদুর রহামনসহ অনেকে।

আগের রাতে মরহুমের কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ করেন বড় ছেলে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল । তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

১৭তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আহসান উল্লাহ মাস্টার স্মৃতি পরিষদ একটি স্মরণিকা ও বিশেষ নিবন্ধ সংখ্যা প্রকাশ করেছে।

২০০৪ সালের ৭ মে একটি জনসভায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এর আগে ১৯৮৩ ও ১৯৮৭ সালে তিনি দুই দফায় পূবাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

আরও পড়ুন:
হাওর রক্ষাবাঁধের কাজ শেষ হলেই সংবাদ সম্মেলন: বিভাগীয় কমিশনার
‘হাওরে বাঁধ ভাঙলে দায় এমপিদের’
কারেন্ট পোকায় দিশেহারা কৃষক
নামছে না হাওরের পানি, বীজতলা নিয়ে বিপত্তি
হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

শেয়ার করুন

চালের দাবিতে জেলেদের বিক্ষোভ

চালের দাবিতে জেলেদের বিক্ষোভ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কার্ডধারী জেলেরা ভিজিএফ চাল বিতরণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন। ছবি: নিউজবাংলা

জেলে রয়েছে ৯৩৯ জন। কিন্তু বরাদ্দ এসেছে অর্ধেকেরও কম। তাদেরকে ৪০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। এতে কোনো রকম অনিয়মের সুযোগ নেই। তাদের একটু ক্ষোভ থাকতেই পারে। সরকার কার্ড অনুসারে চাল বরাদ্দ দিলে জেলেদের এমন ক্ষোভ থাকবে না।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নে জাটকা আহরণে বিরত থাকা জেলেরা ভিজিএফ চাল বিতরণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের রেনু মিয়ার বাজারে এই বিক্ষোভ করে জেলেরা। তারা সবাই মৎস্য অধিদপ্তরের কার্ডধারী জেলে। তাদের অভিযোগ, কার্ড থাকা সত্বেও তাদের চাল না দিয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্যরা জেলে নয়, এমন ব্যক্তিদের চাল দিয়েছেন।

ওই ইউনিয়নে মৎস্য অধিদপ্তরের কার্ডধারী জেলে ৯৩৯ জন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাসে জাটকা আহরণে বিরত থাকা ১৫৫ জন জেলের দুই মাসে ৮০ কেজি করে ভিজিএফ চাল বরাদ্দ আসে। এপ্রিল-মে মাসে আসে ১৭৫ জনের নামে। কিন্তু সিংহভাগ জেলের জন্যই আসেনি কোনো সহায়তা।

ওই ইউনিয়নের ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডের কার্ডধারী জেলে সাহাব উদ্দিন মাঝি, আলাউদ্দিন, মো. মোবারক হোসেন, বেলাল উদ্দিন, ইব্রাহিম খলিল, মাঈন উদ্দিন, আবুল কাশেম, দুলাল মাঝি, নিজাম উদ্দিন, লুৎফুর রহমান, মোশারফ হোসেন, ৯নং ওয়ার্ডের নিজাম উদ্দিন, জসিম মাঝি, ৪নং ওয়ার্ডের সাহাব উদ্দিন, আলা উদ্দিন, শাহজাহান, আবদুর রহিম ও নিজাম মাঝিসহ আরও অনেকে এই বিক্ষোভে অংশ নেন।

তারা জানান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল বাশার মঞ্জু ইউপি সদস্যদের মাধ্যমে চালগুলো বিতরণ করেন। ইউপি সদস্যরা নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের অনুসারীদের ২০-২৫ কেজি করে চাল দিয়ে প্রকৃত জেলেদের বঞ্চিত করেছেন।

জেলেদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, তাদের কার্ড ইস্যু হওয়ার পর কেউ একবার অথবা দুইবার চাল পেয়েছেন। আবার কেউ একবারও পাননি।

তবে পূর্ব চরবাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল বাশার মঞ্জু বলেন, জেলে রয়েছে ৯৩৯ জন। কিন্তু বরাদ্দ এসেছে অর্ধেকেরও কম। তাদেরকে ৪০ কেজি করে চাল দেয়া হয়েছে। এতে কোনো রকম অনিয়মের সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, ‘তাদের একটু ক্ষোভ থাকতেই পারে। সরকার কার্ড অনুসারে চাল বরাদ্দ দিলে জেলেদের এমন ক্ষোভ থাকবে না।’

সুবর্ণচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা খোরশেদ আলম বলেন, ‘আমাদের ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতিতে জেলেদের মাঝে চালগুলো বিতরণ করা হয়েছে। এতে অনিয়মের সুযোগ নেই। চালবঞ্চিত প্রকৃত জেলেরা পরবর্তী ধাপে সুযোগ পাবেন।’

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএসএম ইবনুল হাসান ইভেন বলেন, ‘জেলেদের চাল বিতরণে অনিয়মের এমন কোনো অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আরও পড়ুন:
হাওর রক্ষাবাঁধের কাজ শেষ হলেই সংবাদ সম্মেলন: বিভাগীয় কমিশনার
‘হাওরে বাঁধ ভাঙলে দায় এমপিদের’
কারেন্ট পোকায় দিশেহারা কৃষক
নামছে না হাওরের পানি, বীজতলা নিয়ে বিপত্তি
হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

শেয়ার করুন

ময়মনসিংহে ইউএনওর গাড়িতে হামলায় মামলা, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহে ইউএনওর গাড়িতে হামলায় মামলা, গ্রেপ্তার ১

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ইউএনও সাইফুল ইসলাম। ছবি: নিউজবাংলা

নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তোলায় বাধা দেয়ায় মর্তুজা আলী লোকজন নিয়ে রাস্তা অবরোধ করে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ইউএনওর গাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় বাধা দিতে গিয়ে আহত হন ইউএনওর গাড়িচালক সোহাগ মিয়া, অফিস সহকারী নুরুল ইসলাম ও আনসার সদস্য রাসেল মিয়া।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলামের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় মর্তুজা আলী মন্ডল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার দুপুরে দ্রুত বিচার আইনে মামলা মামলাটি করেন ইউএনও’র গাড়িচালক সোহাগ মিয়া। এতে বালু ব্যবসায়ী মর্তুজা আলীসহ ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলায় বাধা দেয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেলে এ হামলা চালানো হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ তালুকদার বলেন, বালু ব্যবসায়ী মর্তুজা আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ইউএনও সাইফুল নিউজবাংলাকে জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে সিটি করপোরেশনের চরকালিবাড়ি এলাকায় নির্মাণাধীন সরকারি আশ্রায়ন প্রকল্প পরিদর্শনে যান তিনি। ফেরার পথে জানতে পারেন মতুর্জা আলীর লোকজন ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অবৈধভাবে বালু তুলছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলে গিয়ে বালু তোলায় বাধা দিলে মর্তুজা আলী লোকজন নিয়ে তার বাড়ি সামনের রাস্তা অবরোধ করে গাড়িতে হামলা চালান। তাদের বাধা দিতে গিয়ে আহত হন গাড়িচালক সোহাগ মিয়া, অফিস সহকারী নুরুল ইসলাম ও আনসার সদস্য রাসেল মিয়া।

ময়মনসিংহ সদর সার্কেল এএসপি আলাউদ্দিন জানান, মর্তুজা আলীকে গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হাওর রক্ষাবাঁধের কাজ শেষ হলেই সংবাদ সম্মেলন: বিভাগীয় কমিশনার
‘হাওরে বাঁধ ভাঙলে দায় এমপিদের’
কারেন্ট পোকায় দিশেহারা কৃষক
নামছে না হাওরের পানি, বীজতলা নিয়ে বিপত্তি
হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

শেয়ার করুন

রাস্তার পাশের পুকুরে নারীর মরদেহ

রাস্তার পাশের পুকুরে নারীর মরদেহ

বোয়ালখালী থানার ওসি আব্দুল করিম জানান, পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ইদ্রিস মেম্বারের বাড়ির কাছের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি পান তারা। উদ্ধারের পর মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর একটি পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বোয়ালখালী পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের রাস্তার পাশের একটি পুকুর থেকে শুক্রবার দুপুর একটার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত ওই নারীর পরিচয় পাওয়া যায়নি। তবে হাতে থাকা শাঁখা দেখে তাকে হিন্দু ধর্মাবলম্বী বলে ধারণা পুলিশের।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম নিউজবাংলাকে জানান, পৌরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের ইদ্রিস মেম্বারের বাড়ির কাছের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি পান তারা। উদ্ধারের পর মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘হাতে শাঁখা দেখে মরদেহটি কোনো হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীর বলে ধারণা করছি আমরা।’

এই ঘটনায় পুলিশ একটি অপমৃত্যুর মামলা করেছেন বলেও জানান ওসি।

আরও পড়ুন:
হাওর রক্ষাবাঁধের কাজ শেষ হলেই সংবাদ সম্মেলন: বিভাগীয় কমিশনার
‘হাওরে বাঁধ ভাঙলে দায় এমপিদের’
কারেন্ট পোকায় দিশেহারা কৃষক
নামছে না হাওরের পানি, বীজতলা নিয়ে বিপত্তি
হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবি

শেয়ার করুন